ইবনে সিনা হোমিও সেন্টার

ইবনে সিনা হোমিও সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইবনে সিনা হোমিও সেন্টার, Medical and health, Dhaka.

🟠  বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।১) ব্লাড প্রেসার।২) ব্লাড সুগার।🔸চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷১) বয়স ...
21/02/2025

🟠 বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

🔸চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

🔸মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

🔸ছয়টি জিনিষের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

🔸সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

🔸পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন

“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

20/02/2025
Worldwide, brain stroke is the second leading cause of death and third leading cause of disability and second leading ca...
22/01/2024

Worldwide, brain stroke is the second leading cause of death and third leading cause of disability and second leading cause of death. Every year, approximately 18 lakhs people suffer from stroke.
Act FAST at the first sign of stroke. We can use letters F.A.S.T. to spot the signs of stroke and know when to call emergency.
✓Control Your Blood pressure
✓Control your anger & emotions
✓ Give up Smoking
✓ Manage your Stress
✓Minimize Sault intake
✓ Control your blood sugar
✓ Mange your cholesterol
For Treatment Ask Dr. M Rahman 01712 148819




পাইলস বা অর্শ চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি------------------পাইলস রোগটির সাথে আমরা হাজার বছর ধরে পরিচিতি। এহা একপ্রকার ধাতুগত পী...
12/08/2022

পাইলস বা অর্শ চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি
------------------
পাইলস রোগটির সাথে আমরা হাজার বছর ধরে পরিচিতি। এহা একপ্রকার ধাতুগত পীড়া। মলদ্বারের ভিতরে বা বাহিরের চার পাশের শিরা গুলো ফুলে মটরদানা কিংবা অঙ্গুরের মত কিংবা ছাগলের বাটের মত ছোট ছোট গলি বা টিউমার হলে তাকে অর্শ বা হেমোরয়েড বলে। অর্শ প্রধানত দুই প্রকার যথা অন্তর্বলি ও বহির্বলি এইছাড়া এক প্রকার অর্শকে মিশ্র বলি বলে। যেটি বাহির উভয় স্থানে থাকে।

বয়স- ৩০-৬০ বৎসর বয়সের ভেতর এই রোগের প্রকোপ সব চেয়ে বেশী। ২০ বৎসর বয়সের নিচে পাইলস খুব একটা দেখা যায় না। পাইলস সনাক্ত করা খুব সহজ কাজ নয়। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক কেবল যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করে পাইলস সনাক্ত করতে পারেন।

কখনো কখনো টয়লেটে বসিয়ে কোথ দিতে হয়ে। আমাদের কাছে বিভিন্ন রোগী আসিয়া বলে আমার পাইলস। তখন রোগী লক্ষণ দেখি বুঝি পাই এনাল ফিশার, পলিপ অথবা ফিস্টুলা অর্থাৎ মলদ্বারের যে কোন রোগকে সবাই পাইলস হিসেবে জানেন। কিন্তু এইখানে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। এই রোগ মহিলাদের চেয়েও পুরুষের কিছুটা বেশী হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বৎসর বয়সের উর্দ্ধে জনসংখ্যার ৫০% বা কোন না কোন সময় পাইলস এর সমস্যায় ভোগেন।

কারনঃ নানা কারনে অর্শ হতে পারে। প্রধান করান লিভারের মধ্যে এবং ধমনীতে রক্তাধিক্য হলে অর্শ হয়। এছাড়া অলস প্রকৃতির লোকের সারা দিন বসে বসে থাকা, ঘিয়ে ভাজা বা অধিক মসলা যুক্ত রান্না খাওয়া, কষ্ট বধ্যতার জন্য অধিক কোথ দিয়ে পায়খানা করা। ঘন ঘন জোলাপের ঔষুধ খাওয়া মলদ্বারের ক্রিরমির অত্যচারের জন্য বার বার খোটলানোর কামরিপুর উত্তেজনার কারনে এবং মাতা, পিতার এই রোগ থাকলে সন্তানের ও অর্শ হয়।

লক্ষণঃ সময় সময় র্বলী গুলি চুলকায়। ধপ ধপ করে ব্যাথা করে এবং জ্বালাপোড়া করে। কাটা পোটার মত বেদনা এবং কোমরে বেদনা। মল ত্যাগকালে র্বলী থেকে রক্তস্রাব হয়। কোন কোন সময় রক্তস্রাব হয় না।
আনুষাঙ্গিক চিকিৎসাঃ তিনটি বিষয়ে লক্ষ রাখিতে হইবে। ১। আহার ও ভ্রমন সম্ভন্দে নিয়ম পালন । ২। নিয়মিত পায়খানা পরিস্কার হওয়ার ব্যবস্থা। ৩) অর্শের স্থানটিকে ভালোভাবে পরিস্কার রাখা।

অ্যালোপ্যাথীক চিকিৎসাঃ অর্শে কোন সুচিকিৎসা হয় না। অস্ত্রে প্রসার ছাড়া কোন গতি নাই। কিন্তু তাতেও রোগ নিমূল হইয়া সারিতে পারে না। অতএব প্রথম থেকেই অর্গানন অনুসরনকারী হোমিও প্যাথিতে চিকিৎসা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যে পুরাতন রোগ বীজ রোগীর দেহে বর্তমান থাকিয়া এই রোগের সৃষ্টি করিয়াছে সেই ধাতুগত দোষ দুরি করনার্থ উপযুক্ত সোরাদোষ ঔষুধ সেবন না করিলে শুধু অস্ত্রপচার বা অ্যালোপ্যাথী ঔষুধ খাইলে কোন লাভ হইবে না।

হোমিও প্রতিবিধানঃ রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। আবার অনেক চিকিৎসক বের হইছে নিজেদেরকে অর্শ ভগন্দেরের চিকিৎসক বলে থাকে। কিন্তু ঐ সব ডাক্তার বাবুরা রোগীদেরকে ইনজেকশানের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকে। আবার মলম বা ক্রিম লাগাইতে রোগীদেরকে বলে। যেটা সাময়িক নিরাময়। কিন্তু পরে জঠিল আকার ধারন করে।

এইরকম অনেক চিকিৎসক চট্টগ্রাম ফেনীসহ অনেক জায়গায় এইসব রোগীর অপচিকিৎসা দিয়ে থাকে। এইজন্য যেসব ডাক্তার নিজেদেরকে হানেমানের উত্তশ্বরী বলে থাকে তারা যেন রোগীর সঠিক লক্ষন নির্বাচন করতে পারলে তাহালে হোমিওতে অর্শরোগীর চিকিৎসা আল্লাহর রহমতে দেওয়া সম্ভব।

প্রাথমিক ভাবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকগন যেসব মেডিসিন নির্বাচন করে থাকে যেমন: এলুমিনা, এলো, আর্সেনিক এল, এন্টিম ক্রোড, এমন কার্ব, নার্কস ভোম, সালফার, ইস্কিউর্লাস হিপ, কলিন সোনিয়া, এসিডি নাইট্রেকাম ইত্যাদি সহ আরো অনেক ঔষুধ লক্ষনের উপর আসতে পারে । এইসব ঔষুধ গুলা বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক ছাড়া নিজে নিজে ব্যবহার করলে রোগ আরোও জঠিল আকারে পৌছতে পারে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কালোজিরাসব রোগের ওষুধ কালোজিরা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর ফসফেট, ফসফ...
14/12/2020

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কালোজিরা

সব রোগের ওষুধ কালোজিরা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী। কোনো কোনো রোগের ক্ষেত্রে কালিজিরার তেল বেশ উপকারী। এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান ও অন্যান্য রোগের প্রতিষেধক।

হজরতআয়েশা রা: বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মহানবী সা:কে বলতে শুনেছেন, কালিজিরা মৃত্যু ছাড়া সব রোগের ওষুধ। সর্দিকাশি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে কালোজিরা উপকারী। রোগ প্রতিরোধে কালোজিরা সেবন করুন। এক চা চামচ কালোজিরা বাটা, সমপরিমাণ আদার রস ও মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। এ ছাড়া সকালে খালি পেটে পানির সাথে খেতে পারেন কালোজিরা। কালোজিরায় থাকা ফসফরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে যেকোনো জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করে। মাথাব্যথা হলে কপালের উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক তিন-চার বার কালোজিরার তেল মালিশ করুন। তিন দিন খালি পেটে এক চা চামচ করে কালোজিরার তেল পান করুন। লেবু দিয়ে মাথার তালুতে কালোজিরা তেল ভালোভাবে ঘষুন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ভালোভাবে শুকানোর পর কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমবে। বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করলে হাঁপানি নিরাময় হয়।

কালোজিরা দুর্দান্ত অ্যান্টিটক্সিনের কাজ করে। তাই যন্ত্রণামুক্ত ও পরিষ্কার প্রস্রাবের জন্য প্রত্যহ কালোজিরা সেবনের অভ্যাস করুন। ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় কালোজিরা কার্যকর। অতিরিক্ত ওজন কমাতে হলে হালকা গরম পানি, মধু ও লেবুর রসের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে সেবন করুন।

টিউমার ভেবে পেটে অস্ত্রোপচার করে বের হলো ‘সেদ্ধ ডিম’কয়েকমাস ধরেই তলপেটের ব্যথায় ভুগছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষি...
09/12/2020

টিউমার ভেবে পেটে অস্ত্রোপচার করে বের হলো ‘সেদ্ধ ডিম’

কয়েকমাস ধরেই তলপেটের ব্যথায় ভুগছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার দমদমের ৫২ বছরের এক ব্যক্তি। সেই সঙ্গে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ভাবও ছিল তার। তবে কিছুতেই সেই ব্যথা না কমায় গত বৃহস্পতিবার আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।

হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে মনে করেন, মূত্রথলিতে সংক্রমণের জন্য ওই ব্যক্তির তলপেটে ব্যথা হতে পারে। পরে রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়। সেই রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকেরা মনে করেন, মূত্রথলিতে টিউমার থাকার কারণে তলপেটে ব্যথা হচ্ছে। তাই সিটি স্ক্যানও করানো হয়। সেই রিপোর্টে মূত্রথলির পাশাপাশি টিউমারের অবস্থান খাদ্যনালীতে দেখা যায়। রিপোর্ট দেখে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচার করার পর হতবাক হয়ে যান চিকিৎসকরা। রোগীর তলপেট থেকে বের করা হয় প্রায় পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা ‘সেদ্ধ ডিম’।
গতকাল মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) ভারতের আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমনটাই অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, দেহতন্তুর সঙ্গে চর্বি-ক্যালসিয়াম জমাট বেঁধে ডিমের মতো আকার ধারণ করে। ডিমের মতো অংশটির পেছন দিকটা ইঁদুরের মতো হওয়ায় বাংলায় একে ‘পেটের মধ্যে ইঁদুর’ও বলা যেতে পারে। সাধারণত, পুরুষদের ক্ষেত্রে অ্যাপেন্ডিক্স গলে বা বৃহদন্ত্রের গা থেকে মাংস খসে এ ধরনের ডিমের মতো আকার নেয়। অন্যদিকে, নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুর গা থেকে ছোট টিউমার খসে এ ধরনের টিউমার তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকরা জানান, আসলে দেহের অঙ্গ বৃদ্ধি পেয়েই তা সেদ্ধ ডিমের আকার ধারণ করেছে। ভারতে এমন ঘটনা বিরল। চিকিৎসকদের পরিভাষায় এই রোগের নাম ‘পেরিটোনিয়াল লুজ বডিস বা পেরিটোনিয়াল মাইস’। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকা।

03/12/2020

দেখুন! মহান আল্লাহ পাক মায়ের পেটে বাচ্চাকে কিভাবে হেফাজতে রেখেছেন। সিজার করে বের করার পরের দৃশ্য এটি। আল্লাহ মায়েদের জান্নাতের মেহমান হিসাবে কবুল করুন।

কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে বিপদ ডেকে আনছে!অসুখ সারাতে ওসুধ। আর সেই ওষুধই ডেকে আনছে বিপদ! অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহা...
30/11/2020

কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে বিপদ ডেকে আনছে!

অসুখ সারাতে ওসুধ। আর সেই ওষুধই ডেকে আনছে বিপদ! অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে নবজাতক ও শিশুদের। সামান্য জ্বর, পেটের অসুখ বা শ্বাস কষ্ট। ছোট্ট শিশুটিকে সুস্থ করতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করলেন চিকিত্সক। অবাক লাগলেও, গবেষকরা বলছেন এই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারই ভবিষ্যতে দুর্বল করে দিচ্ছে শিশুদের। কিন্তু কীভাবে অ্যান্টিবায়োটিক সমস্যায় ফেলছে শিশুদের?
কী ভাবে বিপদ?

অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া শুধু হজমে সাহায্য করে এমনটা নয়। অ্যাজমা, অ্যালার্জি, পেটের অসুখের মতো বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে এই ব্যাকটেরিয়া। প্রত্যেক শিশুর দেহেই তৈরি হয় নিজস্ব ব্যাকটেরিয়ার সেট, মাইক্রোবায়োম। জীবনের প্রথম দুই-তিন বছর এই মাইক্রোবায়োম গঠন হওয়ার ক্ষেত্রে খুবই গুরত্বপূর্ণ। কিন্তু গবেষণা বলছে, অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব পড়ছে এই মাইক্রোবায়োম গঠনে।
'বিপদ অ্যান্টিবায়োটিকে!'

অ্যান্টিবায়োটিকের বারবার ব্যবহার ব্যাকটেরিয়া গঠনে বাধা সৃষ্টি করে। যার নিট ফল সুগঠিত মাইক্রোবায়োম তৈরিই হয় না শিশুর দেহে। স্থিতিশীল হয় না শিশুদেহের প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়াগুলি।
বিপদ সিজারিয়ন বেবিরও!

বিপদসীমার মধ্যে রয়েছেন সিজার করে জন্ম নেওয়া নবজাতকেরাও। এমনটাই দাবি গবেষকদের। সিজারিয়ান বেবিদের অন্ত্রে রোগ প্রতিরোধকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কম থাকে। এই শিশুদের উপর অ্যাটিবায়োটিকের প্রভাব আরও খারাপ হতে পারে।
তাই গবেষকরা বলছেন, শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দিন সাবধানে। কারণ জীবনের প্রথম তিন বছর অহেতুক অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার মোটেই ভাল নয়।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নয়গ্রামের পাড়ার মোড় বা হাটবাজারেই শুধু নয়, খোদ রাজধানী ঢাকা শহরেই এমন অনেক শিক্ষিত ও সচ...
30/11/2020

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নয়

গ্রামের পাড়ার মোড় বা হাটবাজারেই শুধু নয়, খোদ রাজধানী ঢাকা শহরেই এমন অনেক শিক্ষিত ও সচেতন মানুষজনও এখন অ্যান্টিবায়োটিক কিনতে কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের দ্বারস্ত হতে চান না। ওষুধের ফার্মেসিতে থাকা কোনো ওষুধ বিক্রেতার পরামর্শেই ওষুধ কেনার কাজটি সেরে ফেলেন এবং ডোজ শেষ না করে মাঝ পথেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করেন। গ্রামের একজন দিন মজুর থেকে শুরু করে রাজধানীর উচ্চ শ্রেণির শিক্ষিত মানুষটিও অবলীলায় এই কাজটি করে যাচ্ছেন। শুধু মানুষজনের দেহেই অ্যান্টিবায়োটিকের ইচ্ছেমতো ব্যবহার হচ্ছে, ব্যাপারটি কেবল তাই নয়; সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে এই অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ছে খামারে লালন-পালন করা পশু-পাখিদের শারীরেও। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অননুমোদিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে ইতোমধ্যেই অনেকগুলো অ্যান্টিবায়োটিক মূলত এখন মানুষের দেহে অকার্যকর হয়ে গেছে বলে বিশেষজ্ঞগণ জানিয়েছেন। আগামী দিনগুলিতে নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক উদ্ভাবন না করতে পারলে চিকিৎসা জগতে খারাপ সময়ই অপেক্ষা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ জন্য এখনই সচেতনতা বৃদ্ধি করা গোটা বিশ্বের জন্যই জরুরি কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ১৮ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনা সপ্তাহ পালিত হয়েছে। এই সপ্তাহ উপলক্ষে বিশ্বের নানা সংগঠন আলোচনা সভা, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা করেছে। আমাদের দেশেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের অযাচিত ব্যবহারের ফলে আগামীতে মানুষের চিকিৎসা ক্ষেত্রে কতটা বিপর্যয় নেমে আসতে পারে তা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তোলাটা সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে গেছে।
এ বছর বাংলাদেশের জনগণের জন্য আনন্দের বিশেষ উপলক্ষ্য হলো বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ আরেকবার নেতৃত্বের আসনে আসীন হয়েছে এই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেসিস্ট্যিান্স সংবরণকে সামনে রেখে।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২ বছরের জন্য WHO, FAO I OIE কর্তৃক One Health Global Leaders Group on Antimicrobial Resistance এর কো-চেয়ার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। শুধু নিজের দেশে নয়, সারা বিশ্বের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেসিস্ট্যান্স সংবরণে নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকবে এই গ্রুপ। ইতোমধ্যেই গোটা দেশবাসীসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রণালয়ের সচিবদ্বয়সহ সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই বিরল অর্জনের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানিয়েছেন।

বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স একটি স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং জীবাণুসমূহ অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই চলেছে। জীবাণুসমূহ বহু প্রকার অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে পড়েছে। ফলে কম বা বেশি দামি সকল প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণ চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে; বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এ ধরনের রোগ জীবাণু ব্যক্তির জন্য প্রাণঘাতী হওয়া ছাড়াও সমাজে ব্যাপক প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি করতে পারে।
আমাদের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে ইতোমধ্যেই কৌশলপত্র, কর্মপরিকল্পনা, ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন ইত্যাদি প্রণয়ন করেছে। ইতোমধ্যেই জাতীয় কর্মকৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে ২০২২ সাল পর্যন্ত সরকারের উদ্যোগসমূহ ঠিক করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি সারভেইল্যান্স চলমান রয়েছে এবং সারভেইল্যান্সটিকে আরো বেগবান করবার জন্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে রেফারেন্স ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সমন্বিতভাবে ঔষধ প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতের প্রচেষ্টা চলমান।

সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ৬ মাসের মধ্যেই প্রায় ৬০০০ চিকিৎসক-নার্সদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং সকল হাসপাতালে আইপিসি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
অ্যান্টিমাইকোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সহনীয় মাত্রায় আনয়নের জন্য চিকিৎসকসহ সকল পর্যায়ের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা অতীব প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন এডভোকেসি সভার আয়োজন করা হয়েছে। কেননা, অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স প্রতিরোধে আমাদের সকলেরই ভূমিকা রয়েছে। প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে চিকিৎসক যেমন ভূমিকা রাখতে পারেন তেমনি যারা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করছেন তারাও ভূমিকা রাখতে পারেন। অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার ক্ষতির কারণ। শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসক-এর প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় ও সেবনের মাধ্যমে রেসিস্টেন্সের হার অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সরাসরি ঔষধের দোকানে হাতুড়ে ও অন্য কোনো রোগীর, প্রেসক্রিপশন মোতাবেক অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় বা সেবন একেবারেই কাম্য নয়। যথোপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারই আমাদের ভবিষ্যৎ সন্তানদের রেসিস্টেন্স জীবাণুদের মরণঘাতী সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

হৃদরোগে প্রতিবছর মারা যায় ২ লাখ ৭৭ হাজারদেশে হৃদরোগ হয়ে উঠেছে নীরব ঘাতক। প্রতি বছরই বাড়ছে হৃদরোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল ভেদে...
30/11/2020

হৃদরোগে প্রতিবছর মারা যায় ২ লাখ ৭৭ হাজার

দেশে হৃদরোগ হয়ে উঠেছে নীরব ঘাতক। প্রতি বছরই বাড়ছে হৃদরোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল ভেদে এর পরিমাণ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। বছরে মৃত্যু হচ্ছে ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষের। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন বাড়ায় হৃদরোগ এবং এই রোগে মৃত্যুঝুঁকি। তাই অকালমৃত্যু রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দেশে বাড়ছে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসারসহ অসংক্রামক রোগীর সংখ্যা। দেশে প্রতি বছর যতো মানুষ মারা যায়, তার ৬৭ শতাংশের জন্যই দায়ী এসব রোগ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হৃদরোগে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জরিপ বলছে, ২০১৮ সালের চেয়ে ২০১৯ সালে হৃদরোগী বেড়েছে ১০ দশমিক তিন তিন শতাংশ। আর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে একই সময়ে রোগী বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। একই চিত্র অন্য হাসপাতালগুলোতেও।

দেশে হৃদরোগী বাড়লেও সরকারি পর্যায়ে নেই কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য খাতের পেছনে যে বরাদ্দ থাকে তা সাধারণত ব্যয় হয় চিকিৎসার পেছনে। সচেতনতার পাশাপাশি বরাদ্দ বাড়ালে এসব রোগ কমতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজের হিসাব বলছে, দেশে বর্তমানে হৃদরোগীর সংখ্যা ৮৭ লাখ। প্রতিবছরই বাড়ছে এ সংখ্যা।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টুয়েন্টি ফোর

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801712148819

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবনে সিনা হোমিও সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share