HEAL App

HEAL App Purify Mind and Soul HEAL is designed to calm your heart, purify your soul, and strengthen your connection with Islam.

HEAL – Purify Mind & Soul
Build a Deeper Connection with Allah
In a world full of stress and distractions, true peace comes when we connect with Allah. "Those who have believed and whose hearts are assured by the remembrance of Allah. Unquestionably, by the remembrance of Allah hearts are assured." (Surah Ar-Ra’d, 13:28)

HEAL is not just an app—it’s your personal guide to finding inner peace through mindfulness, Quranic teachings, and transformative Islamic content. Whether you're feeling lost, overwhelmed, or seeking deeper spiritual connection, HEAL helps you return to the only source of ultimate peace—Allah (SWT).

03/03/2026

মুসলমানদের জীবনের বিনিময়ে স্বার্থের খেলায় ব্যস্ত আমেরিকা-ইসরাইল | Sky Buy BD Presents অন্তরে রোগ, কোরআনে মুক্তি (পর্ব ১১) | Powered by- Hamdard

03/03/2026

শিয়া–সুন্নি তর্কে বিভক্ত 'মুসলিম উম্মাহ'র কি এক হওয়া সম্ভব? | Sky Buy Presents অন্তরে রোগ, কোরআনে মুক্তি (পর্ব ১৩) | Powered by- Hamdard Amrupali

আমরা সবাই কতো মানুষকে জিজ্ঞেস করি, youtube এ search করি কিভাবে comunication skills বাড়াবো কিন্তু আমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্...
02/03/2026

আমরা সবাই কতো মানুষকে জিজ্ঞেস করি, youtube এ search করি কিভাবে comunication skills বাড়াবো কিন্তু আমাদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই ব্যাপারে কি করতেন?

আমরা অনেক সময় ভাবি,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে শেখার মানে শুধু কুরআনের বিষয় সমূহ শেখা।

অথচ তাঁর হাঁটা, তাকানো, হাসা, কথা বলার ধরন সব কিছুই আজকের youtube এ আপনি যেই ভিডিও ই দেখেন না কেন তার থেকে অনেক বেশি উপকারী।

প্রথমত, তিনি যখন কারও দিকে তাকাতেন, পুরো শরীর ঘুরিয়ে তাকাতেন। সাইড-গ্লান্স নয়, অর্ধেক মনোযোগ নয় বরং পূর্ণ মনোযোগ দিতেন। এই পূর্ণ উপস্থিতি মানুষকে সম্মান দেয়, তাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করায়।

কিন্তু এখন আমরা কি করি? ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলি, কথা শুনে, অর্ধেক উত্তর দেই। অথচ সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা সবাই চায় আপনার থেকে সম্পূর্ণ মনোযোগ।

সূরা আবাসা আমাদের শেখায়, সামান্য মুখের ভাঁজও আল্লাহর কাছে গুরুত্ব পায়। শুধু কথাই নয়, বডি ল্যাঙ্গুয়েজও হিসাবের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ইমপ্রেশনও আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে সালাম দিতেন, আগে হাত বাড়াতেন। এক হাদিসে এসেছে, যে আগে সালাম দেয়, সে আল্লাহর নিকটবর্তী।

তিনি হ্যান্ডশেকে আগে হাত সরাতেন না; অপরজন হাত সরানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন। এইটা ছিল ওনার বিনয় প্রকাশ করার মাধ্যম।

আজ আমরা এমবিএ করে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ শিখি, রিসার্চ পড়ে প্রেজেন্টেশন স্কিল উন্নত করি যেটা অবশ্যই ভালো।

কিন্তু যে সুন্নাহ আমাদের সম্পর্ক, পরিবার ও সমাজকে বদলে দিতে পারে, সেটাই এখন আমরা ভুলতে বসেছি।

কখনো ভেবে দেখেছেন, ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ৩ জাতি হঠাৎ করেই কেন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল?আদ, সামুদ কিংবা দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ...
01/03/2026

কখনো ভেবে দেখেছেন, ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ৩ জাতি হঠাৎ করেই কেন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল?

আদ, সামুদ কিংবা দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ফেরাউন, তাদের তো ক্ষমতা, সম্পদ আর প্রযুক্তির কোনো অভাব ছিল না, তাহলে পতনের আসল কারণটা কোথায় ছিল?

সম্প্রতি সাইকোলজিস্ট ইয়াহিয়া আমিন সূরা ফাজরের আয়াতের আলোকে মানুষের এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক সত্য এবং আধুনিক হাইপার-ক্যাপিটালিজমের ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন, যা আমাদের আজকের জীবনকেও নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে।

১. সব সময় কষ্টই পরীক্ষা না,

আমরা সাধারণত মনে করি অভাব, দুঃখ বা বিপদই আল্লাহর পরীক্ষা, কিন্তু সূরা ফাজরের ১৫ নম্বর আয়াত আমাদের ভিন্ন শিক্ষা দেয়। যখন আল্লাহ কাউকে সম্পদ, সম্মান, পদমর্যাদা বা ক্ষমতা দেন, সেটাও একটি পরীক্ষা।

সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন মানুষ ভাবতে শুরু করে, আমি যোগ্য বলেই সফল, সবকিছু আমার পরিশ্রমের ফল। এই আমি-কেন্দ্রিক চিন্তাই অহংকারের সূচনা, আর পতনের প্রথম ধাপ।

২. রিজিক কমলেই কি অপমান,

সূরা ফাজরের ১৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, যখন মানুষের রিজিক সীমিত করা হয়, তখন সে অভিযোগ করে বসে, আল্লাহ আমাকে অপমান করেছেন। অথচ বাস্তবতা হলো, তার প্রয়োজনীয় রিজিক ঠিকই দেওয়া হয়েছে।

আমরা অনেক সময় নিজের পরিচয়কে চরিত্র বা ঈমান দিয়ে নয়, বরং স্ট্যাটাস আর বাহ্যিক সফলতা দিয়ে মাপি, এই মানসিকতাই ছিল ইবলিশের অহংকারের মূল।

৩. আদ, সামুদ ও ফেরাউনের একই ভুল,

ইতিহাসে ধ্বংস হওয়া জাতিগুলোর সবচেয়ে বড় রোগ ছিল অহংকার। তারা বিশ্বাস করত, ক্ষমতা তাদের নিজের, নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই।

আজকের সমাজও অজান্তেই একই শিক্ষা দেয়, গরিব হওয়া মানে তুমি ব্যর্থ। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, পরিশ্রম করার শক্তি, সুযোগ এবং রিজিক, সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ।

৪. হজ আমাদের কী শেখায়,

হজের ইহরামের কাপড়ে নেই কোনো ব্র্যান্ড, নেই কোনো স্ট্যাটাস, নেই ধনী-গরিবের পার্থক্য, সেখানে সবাই সমান, শুধু একজন বান্দা।

অথচ আজ আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার ফিল্টার, দামী গাড়ি, ব্র্যান্ডেড জীবন আর বাহ্যিক পরিচয়ের আড়ালে নিজের আসল পরিচয়, তাকওয়া, হারিয়ে ফেলছি।

আপনার পদবী, ভিজিটিং কার্ড বা ব্যাংক ব্যালেন্স আপনার প্রকৃত পরিচয় নয়।

আপনার সততা, বিনয় এবং আল্লাহভীতি, এগুলোই আপনার আসল সম্পদ।

ইতিহাস প্রমাণ করে, জাতিকে ধ্বংস করে দারিদ্র্য নয়, ধ্বংস করে অহংকার।

আল্লাহ আমাদের অন্তরের সেই অদৃশ্য রোগ থেকে রক্ষা করুন, যে রোগ একসময় শক্তিশালী সভ্যতাগুলোকেও ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছিল।

আপনি কি মনে করেন বেশি টাকা থাকলেই আপনি সুখি থাকবেন? কুরআন কি আমাদেরকে বলে "তোমরা টাকার পিছনে দৌড়াও, টাকা তোমাদেরকে সুখ এ...
28/02/2026

আপনি কি মনে করেন বেশি টাকা থাকলেই আপনি সুখি থাকবেন?

কুরআন কি আমাদেরকে বলে "তোমরা টাকার পিছনে দৌড়াও, টাকা তোমাদেরকে সুখ এনে দিবে?” নাকি কুরআন আমাদেরকে বেশি বেশি দান করার নির্দেশ দেয়?

১. শয়তানের প্রতিশ্রুতি: তুমি গরিব হয়ে যাবা

সূরা বাকারার ২৬৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন,
“শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং তোমাদেরকে অশ্লীলতার আদেশ করে।”

অর্থাৎ শয়তানের প্রথম কৌশলই হইলো ভয় তৈরি করা, সে আপনাকে বলে,

“টাকা শেষ হয়ে যাবে”
“ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত”
“আরও জমাও, আরও নিরাপদ হও”

এই ভয়ই মানুষকে টাকার দৌড়ে নামায় দেয়, যেটা কবরের আগ পর্যন্ত চলতেই থাকে।

২. অর্থের দৌড়: শেষ নেই, তৃপ্তি নেই

মানুষ ভাবে,
আরেকটু টাকা হলেই শান্তি আসবে।
আরেকটা বাড়ি, আরেকটা গাড়ি, আরেকটা স্ট্যাটাস তাইলেই আমি সুখে থাকবো।

কিন্তু বাস্তবে কী হয়?

আপনার ইনকাম হয়তো বাড়ে কিন্তু খরচ আরও দ্রুত বাড়ে আর স্ট্যাটাসের চাহিদা বাড়েও। দিনশেষে আপনি আবার সেই দৌড়ে চলে যান কিন্তু সন্তুষ্টি বা শান্তি আর পান না।

এই দৌড়টার কথাই সূরা তাকাসুরে বলা হইছে,
“মানুষ সম্পদের প্রতিযোগিতায় এত মগ্ন থাকে, যতক্ষণ না সে কবর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।”

৩. ঋণভিত্তিক জীবন ও দান না করা

দুঃখজনক হইলেও সত্যি আজকের বিশ্বব্যবস্থা অনেকাংশেই ঋণের উপর দাঁড়ায়ে আছে।
ব্যক্তি, কোম্পানি, রাষ্ট্র সবাই ঋণের চাপে।

ফলাফল?

ইনকাম থাকলেও আপনার অন্তর থেকে ভয় যায় না আর আপনার দান করার মানসিকতা কমে যায়।

কারণ আপনি সব সময় বলেন “আমার তো এত ঋণ আমি আবার কি দান করবও!”

হাদিসে এসেছে, দান হলো ঈমানের সাক্ষ্য।

কারণ দান করার সময় মানুষ আসলে ঘোষণা করে
“আমার রিযিকের মালিক আল্লাহ।”

যে মানুষ শয়তানের ভয়কে বিশ্বাস করে, সে খালি টাকা জমায়।

আর যে মানুষ আল্লাহর প্রতিশ্রুতিকে বিশ্বাস করে, সে দান করে।

সূরা ফুরকানে ইবাদুর রহমানদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনায় বলা হয়েছে

তারা না কৃপণ, না অপচয়কারী; বরং মধ্যম পথ অবলম্বন করে।

হ্যাঁ আপনার জীবন চালানোর জন্য, দায়িত্ব পালনের জন্য কিংবা দান করার জন্যও টাকার দরকার আছে ।

কিন্তু টাকা কখনোই আপনার অন্তরের শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না।

28/02/2026

সমাজ নারীদের নিয়ে যে ভুল গল্প শোনায় ইচ্ছাকরে

26/02/2026

Ex-মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে কেন বিশ্বাস বনাম বাস্তবতার পেছনের গল্পটা কী!

26/02/2026

আদ্দাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর নাম শুনেছেন?

আমাদের একটা অদ্ভুত সমস্যা আছে।

আমরা শাহরুখ খানের নাম জানি, খেলোয়াড়দের নাম জানি; কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের সঙ্গে জড়িত সাহাবীদের নাম খুব কমই জানি।

আদ্দাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনাটি তায়েফের। তায়েফে চরম নির্যাতনের পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রক্তাক্ত অবস্থায় একটি আঙুরের বাগানে আশ্রয় নেন।

বাগানের মালিক ছিল উতবা ও শাইবা নামে দুই ভাইয়ের পরিবার। তারা ইসলাম পছন্দ করত না, কিন্তু তাঁর অবস্থা দেখে মায়া হলো। তাদের একজন খ্রিস্টান দাস ছিল আদ্দাস। তাকে বলা হলো কিছু খেজুর নিয়ে সেই আহত মানুষটির কাছে যেতে।

আদ্দাস যখন খাবার নিয়ে গেল, তখন এমন অবস্থায় কেউ হয়তো তাড়াতাড়ি খেয়ে নিত। কিন্তু রাসূলুল্লাহ প্রথমেই বললেন, “বিসমিল্লাহ।” এই শব্দে আদ্দাস অবাক হয়ে গেল—এ অঞ্চলে এভাবে কেউ বলে না।

কথোপকথনে জানা গেল, সে নিনাওয়া (বর্তমান ইরাকের অঞ্চল) থেকে এসেছে। তখন রাসূলুল্লাহ বললেন, “এটা কি সেই এলাকা যেখানে ইউনুস ইবন মাত্তা ছিলেন?”

এই কথা শুনে আদ্দাস স্তব্ধ। ইউনুস আলাইহিস সালামের কথা এখানে কারও জানার কথা নয়। অল্প কথার মধ্যেই সে সত্য উপলব্ধি করল, ইসলাম গ্রহণ করল।

দূর থেকে দেখে উতবা ও শাইবা তাকে বকাঝকা করল। কিন্তু আদ্দাস বলল, “পৃথিবীতে তাঁর চেয়ে উত্তম কেউ নেই; তিনি আল্লাহর রাসূল (সাঃ)”

খেয়াল করুন, রক্তাক্ত ও অপমানিত অবস্থায়ও রাসূলুল্লাহ একজন দাসকে উপেক্ষা করেননি।

তিনি বিসমিল্লাহ বলেছেন, তার পরিচয় জিজ্ঞেস করেছেন, তার প্রিয় নবী ইউনুস আলাইহিস সালামের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং বলেছেন, “তিনি আমার ভাই, তিনিও নবী, আমিও নবী।” কঠিন মুহূর্তেও দাওয়াত থামাননি।

পরবর্তীতে বদরের যুদ্ধে উতবা ও শাইবা যখন আদ্দাসকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যেতে বলে, সে অস্বীকার করে। সত্য তার হৃদয়ে গেঁথে গিয়েছিল।

এই ঘটনা আমাদের বড় শিক্ষা দেয়। আমরা খুব সহজে হতাশ হয়ে যাই। অথচ চরিত্র ও আচরণের মাধ্যমে ইসলামকে উপস্থাপন করাই সবচেয়ে শক্তিশালী দাওয়াত। আজ অনেক সময় দেখা যায় মুসলমান বাড়লেও আচরণে বিশৃঙ্খলা—এটা তো হওয়ার কথা নয়।

আমরা কোরআন পড়ি, তারাবি পড়ি, কিন্তু ঘরের কর্মচারী বা আশপাশের মানুষের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করি? নামাজ ও তিলাওয়াত যদি আমাদের আচরণে পরিবর্তন না আনে, তবে সেই শিক্ষা অসম্পূর্ণই থেকে যায়।

সিরাত আমাদের শেখায়, কঠিন সময়েও মেজাজ হারানো নয়, বরং সুযোগ খোঁজা। আপনি জানেন না, কে আপনার প্রতি ভালোবাসা পোষণ করে যতক্ষণ না আপনি মানুষের কাছে যান, তাদের পাশে দাঁড়ান।

মক্কার প্রভাবশালীরা প্রত্যাখ্যান করেছিল, কিন্তু তায়েফে একজন কৃতদাস ভালোবাসা প্রকাশ করেছিল। তাই মানুষকে ছোট না করে, আন্তরিক আচরণে, সুন্দর চরিত্রে ইসলামকে উপস্থাপন করা জরুরি।

কে বিপদে পাশে দাঁড়াবে, তা আমরা জানি না। কিন্তু আন্তরিকতা কখনো বিফলে যায় না।

আল্লাহ আমাদের তায়েফের এই শিক্ষা বুঝে আমল করার তৌফিক দান করুন।

তায়েফের দোয়াটা ওই দোয়া যেই দোয়া আপনি বুঝবেন যখন আপনি এমন কোন বিপদে আছেন, যেখানে আপনি জানেন আপনার কোন দোষ নাই। কিন্তু আপন...
24/02/2026

তায়েফের দোয়াটা ওই দোয়া যেই দোয়া আপনি বুঝবেন যখন আপনি এমন কোন বিপদে আছেন, যেখানে আপনি জানেন আপনার কোন দোষ নাই। কিন্তু আপনি অনেক বড় একটা ডিফিকাল্ট সময় পার করছেন।

হয়তো আপনার মায়ের মৃত্যু, ডিভোর্স, সন্তানের মৃত্যু অথবা যেকোন রকম বিপদ।

আপনার আমার থেকেও আরও অনেক বড় বিপদে, কষ্টে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন যখন তিনি তায়েফের এই দোয়া করেছিলেন।

তায়েফের দোয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন,

“হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে নিজের দুর্বলতা, নিজের জ্ঞানের স্বল্পতা এবং মানুষের কাছে আমার তুচ্ছতার অভিযোগ করছি। হে পরম দয়ালু তুমি দুর্বলদের রব, আমারও রব।

তুমি আমাকে কার কাছে দিয়ে রেখেছো? তুমি কি আমাকে দূরের এমন কারো হাতে ছেড়ে দিয়েছো যে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করবে? নাকি কোন শত্রুর হাতে আমাকে দিয়েছো? তুমি যদি আমার উপর রাগ না করো তাহলে আমি কোন কিছুরই পরোয়া করি না, তবে তোমার ক্ষমা আমার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমি তোমার সেই চেহারার আলোয়ে আশ্রয় চাই যা দ্বারা অন্ধকার দূর হয়ে যায় এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সকল বিষয় সংশোধিত হয়। তোমার অসন্তুষ্টি নেমে আসা থেকে আমি আশ্রয় চাই এবং তোমার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যেই আমার সকল প্রচেষ্টা।

তোমার সাহায্য ছাড়া অন্যায় থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব না এবং তোমার তৌফিক ছাড়া আনুগত্য করা অসম্ভব।”

এই দোয়াতে আমরা দেখি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দুর্বলতা স্বীকার করছেন এবং সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করছেন।

আমরা অনেক সময় তা করি না, আমরা সবসময় আশেপাশে তাকাই; আমি কাকে ফোন করব, কার কাছে গেলে কি হবে।

অথচ আমাদের মাথায় থাকা উচিত সমস্যার সমাধান শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে। আল্লাহই দুর্বলতা থেকে সবলতা দিতে পারেন, সম্মানহানি থেকে সম্মান দিতে পারেন, দারিদ্র্য থেকে স্বচ্ছলতা দিতে পারেন, যেকোন বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারেন।

তাই দোয়াতে আগে আমাদের সম্পূর্ণভাবে নিজেকে আল্লাহর কাছে submit করতে হবে এই বিশ্বাসে যে আল্লাহ আমার পুরো অবস্থাটা জানেন।

দোয়াতে আরেকটা গভীর বিষয় হইলো মানুষের ব্যবহার নয়, বরং আল্লাহ আমার সম্পর্কে কি ভাবেন সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সোশ্যাল পারসেপশন নিয়ে অনেক চিন্তিত থাকি, মানুষ কি মনে করবে, আমাকে গ্রহণ করবে কি না অথচ একজন মুমিনের চিন্তা হওয়া উচিত আল্লাহর কাছে তার রেপুটেশন কি।

এই রক্তাক্ত অবস্থাতেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দোয়াতে এটা স্পষ্ট। তিনি মানুষ কি ভাবল সেই বিষয়ে চিন্তিত না বরং আল্লাহ রাগান্বিত কি না সেই বিষয়ে চিন্তিত।

এরপর তিনি আল্লাহর রহমতের আলো, ক্ষমতা এবং আশ্রয়ের কথা বলছেন এবং সম্পূর্ণ ভালনারেবিলিটি নিয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইছেন।

আমরা দোয়া করি কিন্তু অন্তরে এই অনুভূতি থাকে না যে আমরা একেবারেই অক্ষম, অথচ এই বিশ্বাস থেকেই সত্যিকারের বিনয় জন্ম নেয়!

দোয়াতে তিনি বলেন আমি চেষ্টা করেই যাব যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি সন্তুষ্ট হন। ভেবে দেখেন তায়েফে তিনি কেন গিয়েছিলেন?

আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে। তাই মানুষ আঘাত করল কিনা সেটা দেখার বিষয় না, বরং আল্লাহর পথে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, তাঁকে সন্তুষ্ট করা মুল উদ্দেশ্য!

দোয়াটার শেষের অংশে তিনি বারবার যে জিকিরটি করেছেন তা হলো “লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” এর সহজ অর্থ আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি বা ক্ষমতা নেই।

হাওল মানে অবস্থার পরিবর্তন দুঃখ থেকে সুখ, অসুস্থতা থেকে সুস্থতা, দারিদ্র্য থেকে স্বচ্ছলতা এই পরিবর্তন একমাত্র আল্লাহই করতে পারেন। তাই এই জিকির বুঝে পড়া উচিত।

তায়েফের এই দোয়া আমাদের মুখস্ত করা, চর্চা করা এবং পড়ার সময় সেই আবেগের সাথে নিজেকে মিলানো অত্যন্ত জরুরি। কারণ আমাদের জীবনের পরীক্ষা যত কঠিনই হোক, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরীক্ষার মতো কঠিন খুব কমই।

03/02/2026

যে আপনাকে কষ্ট দিয়েছে তাকে কেন ও কিভাবে ক্ষমা করবেন?

পেছনের ভুল, অনুশোচনা আর হারানো সময়ের বোঝা কি আজও আপনার বর্তমানকে ভারী করে রাখছে?মনে হয় সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে, নতুন করে...
01/02/2026

পেছনের ভুল, অনুশোচনা আর হারানো সময়ের বোঝা কি আজও আপনার বর্তমানকে ভারী করে রাখছে?

মনে হয় সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে, নতুন করে শুরু করার শক্তিটুকুও যেন হারিয়ে ফেলেছেন?

একটু থামুন।
শান্ত হয়ে বসুন। চোখ দুটো বন্ধ করুন।

এই মুহূর্তের শ্বাস-প্রশ্বাস আর হৃদস্পন্দনের দিকে মন দিন।

জানেন কি, আপনার প্রতিটি নিঃশ্বাস সৃষ্টিকর্তার দেওয়া এক নতুন সুযোগের বার্তা, যেখানে তিনি নিঃশব্দে বলছেন, “তুমি এখনো শেষ হয়ে যাওনি।”

অতীত বদলানো যায় না, কিন্তু ভবিষ্যৎ গড়ার শক্তি এখনো আপনার ভেতরেই আছে।

ব্যর্থতা কোনো শেষ না, এটি এমন এক শিক্ষা, যা আপনাকে আরও শক্ত, আরও শুদ্ধ করে তোলে।

বুক ভরে শ্বাস নিন।
মনের ভেতরের সব ভারী চিন্তা ধুয়ে ফেলুন।

নিজেকে বলুন,
"প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে আমি নতুন করে শুরু করছি।”

31/01/2026

আল্লাহর সাথে আপনার সম্পর্ক কতটা গভীর?

Address

House # 55/2, Union Heights, Level # 6 West Panthapath
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HEAL App posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to HEAL App:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram