Dr Sadman Sakib

Dr Sadman Sakib This is Sadman, a Neuroscientist, Molecular and Computational Biologist, sharing my experiences, thoughts, and stories with you.

পুরো আলাপের সামারি কিন্তু এটাই।"প্রতিদিন ২০ মিনিটের জন্য দেয়ালের দিকে তাকায় থাকতে হবে" 🙂 (মানে, আমরা যেন আমাদের চিন্তা...
07/12/2025

পুরো আলাপের সামারি কিন্তু এটাই।

"প্রতিদিন ২০ মিনিটের জন্য দেয়ালের দিকে তাকায় থাকতে হবে" 🙂
(মানে, আমরা যেন আমাদের চিন্তা ভাবনাকে আরও বেশি কন্ট্রোলের মধ্যে আনতে পারি, সেই জন্য 😅)

Nafees Salim ভাই আর Sazzad Ahsan ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আমার মতো একজন নগণ্য মানুষকে হোস্ট করার জন্য!

তবে এই আলাপ করতে গিয়ে একটা জিনিস আরও বেশি করে রিয়ালাইজ করেছি, নিউরোসায়েন্স এর টেকনিকাল বিষয়গুলো, যেগুলো আমরা আমাদের নিজেদের লাইফ কাজে লাগাতে পারি, তার কোন নলেজই বাংলা ভাষায় তেমন এভাইলেবল নাই। এই আলাপের মূল উদ্দেশ্য কোন একাডেমিক আলোচনাও ছিলো না। আমরা যদি আমাদের ব্রেইন হেলথ নিয়ে ইকটু হলেও সচেতন হই, তাহলেই কেল্লা ফতে ☺️

নাফিস ভাই, সাজ্জাদ ভাই, এবং তাঁদের পুরো টিমকে আবারও অনেক ধন্যবাদ! জাযাকুমুল্লহু খয়রান ✨

ব্রেইনকে সুপার পাওয়ারফুল কীভাবে করবেন?

২০২৫ সালে এসে দেখা যাচ্ছে যারা ব্রেইন সায়েন্স সম্পর্কে জানে না, তারা অনেকেই Stress, Addiction এবং Low Productivity নিয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আজকের এই এপিসোডে Dr. Sadman Sakib (Neuroscientist & Medicine Innovation Specialist, Germany) এর সাথে Brain Science নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা কথা বলেছি,

- কীভাবে Stress কে কন্ট্রোল করবেন
- Dopamine হ্যাক করে Habit Building
- Oxytocin - Love Hormone এর রহস্য
- সাইন্টিফিক ওয়েতে Addiction থেকে মুক্তি
- মানসিকভাবে সুস্থ থেকে প্রোডাক্টিভ হওয়া সহ আরও অন্যান্য টপিকে

যারা নিজের ব্রেনকে সুপার পাওয়ারফুল করতে চান বা জীবনে আরো বেশি সফল হতে চান এই এপিসোড তাদের জন্য মাস্ট-ওয়াচ।

👇 ফুল পডকাস্ট লিঙ্ক কিন্তু কমেন্টে দেওয়া আছে!

আর কতকাল ধরে আমরা আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান এসেটটা হারাবো? Fahim ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম ইম্পর্ট্যান্ট একটা বিষয়ে একদম ...
06/12/2025

আর কতকাল ধরে আমরা আমাদের সবচেয়ে মূল্যবান এসেটটা হারাবো?

Fahim ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম ইম্পর্ট্যান্ট একটা বিষয়ে একদম ফ্রন্টলাইনে কাজ করার জন্য! ভাই এমন এমন বিষয়ের সাথে কানেক্ট করেছেন, যেটা এখন আর হেলাফেলা করার বিষয় নয়।

ভিডিওটা চলে এসেছে। আপাতত শুধু ইউটিউব চ্যানেলে দেয়া সম্ভব হয়েছে। লিংক কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি!

কোন ভিডিওটা?

ঐ যে, সেদিন পোস্ট করেছিলাম-

তেল বা স্বর্ণের চাইতেও দামী একটা জিনিস আছে যেটার জন্য একটা অদৃশ্য যুদ্ধ চলছে পৃথিবী জুড়ে, কী জিনিস?

একটা ক্লু দিই, দামী জিনিসটা আপনার কাছেও আছে!

এই বৃহস্পতিবার আসতে যাওয়া আনকোরা নতুন ভিডিওটায় ইন্টারেস্টিং এত কিছু একসাথে এসেছে সেটা আমি নিজেই মাত্র খেয়াল করলাম এডিটিং প্যানেলে দেখতে গিয়ে। আন্দাজ দিই কিছু,

স্মৃতিশক্তি আর মনোযোগের অভাব নিয়ে এখন সবার অনেক কমপ্লেইন, কিন্তু কেন?

একটা মাত্র রঙ পাল্টানোর ফলে ২০০ মিলিয়ন ডলার রেভিনিউ বেড়ে যাওয়া সম্ভব!?

অ্যাপগুলোয় নোটিফিকেশনের রঙ সব সময় লাল-ই হতে হবে কেন?

আবার ফেইসবুক, লিঙ্কডইনের এত এত বিখ্যাত কোম্পানির লোগো আর ব্র্যান্ড কালার লাল না হয়ে নীল-ই হলো কেন?!

এসব অদ্ভুত প্রশ্নের সাথে শুধু স্মৃতিশক্তি বা মনোযোগ না, আমাদের অর্থনৈতিক সাফল্য এবং ব্যক্তিগত জীবনের সুখও খুব ই গভীরভাবে জড়িত, কিন্তু কীভাবে?!

অদৃশ্য যুদ্ধটার শিকার কিন্তু আমরা প্রত্যেকে! কিন্তু কোন যুদ্ধ? কীসের যুদ্ধ? বাঁচার উপায় কী?

সব উত্তর এখনি পেতে কমেন্টের লিংক ধরে ভিডিওটায় চলে যেতে পারেন!

আমরা সবাই চাই, আমাদের জীবনটা এই দুনিয়াতে যেন দীর্ঘ আর হেলদি হয়। আমরা নিউট্রিশাস ফুড, রেগুলার এক্সারসাইজ এবং মেডিক্যাল চ...
16/10/2025

আমরা সবাই চাই, আমাদের জীবনটা এই দুনিয়াতে যেন দীর্ঘ আর হেলদি হয়। আমরা নিউট্রিশাস ফুড, রেগুলার এক্সারসাইজ এবং মেডিক্যাল চেক-আপের পেছনে ইনভেস্ট করি, সবটাই কিন্তু "লংজিভিটি"-র জন্য। কিন্তু, আমাদের এই দুনিয়ার আয়ু বাড়ানোর একটা পাওয়ারফুল টুল, কোন জিম ব্যাগ, বা ওষুধের ক্যাবিনেটে না থেকে আমাদের মাইন্ডের মধ্যেই যদি থাকে?

একটা বেশ বড় সায়েন্টিফিক স্টাডি, অস্থির কিছু এভিডেন্স বের করসে। তাদের মতে, একটি স্পেসিফিক সাইকোলজিক্যাল ট্রেইট, অর্থাৎ অপটিমিজম (আশাবাদ), এবং বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা স্ট্রংলি লিংকড। রিসার্চে বলা হইসে, নরমালি ভালো কিছু ঘটবে বলে আমরা আমাদের ডেইলি লাইফে যে এক্সপেক্টেশন করি, সেটা এক্সেপশনাল লংজিভিটি পাওয়ার জন্য একটি পোটেন্ট ফ্যাক্টর হতে পারে ইনশাআল্লাহ্!

আলহামদুলিল্লাহ, বরাবরই লাইফে যখনই ধাক্কা খেয়েছি, থেমে থাকিনি। আল্লাহর উপর ভরসা রেখে অন্য কোন চেষ্টা করেছি। আমি পার্সোনালি বলা যায় একজন অপটিমিস্ট। সেজন্য যখন আর্টিকেলটা আবার পড়লাম, ইচ্ছা করছিল আমার Kugelschreiber টা আরেকবার বের করে কিছু লিখতে, সেই থেকেই এই লিখা 🥲 ...অপটিমিজম এবং লংজিভিটির কানেকশন নিয়ে এই সায়েন্টিফিক রিসার্চ এ কী বলছে, কেন এটি জাস্ট এনাদার হেলদি হ্যাবিট-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এবং কীভাবে এই পাওয়ারফুল মাইন্ডসেট আমরা নিজেদের মধ্যে কাল্টিভেট করতে পারেন, সবকিছুই নিচে ব্রেকডাউন করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ... চলেন শুরু করা যাক, বিসমিল্লাহ...

"অপটিমিজম", মানুষের লাইফস্প্যান ১১-১৫% বাড়িয়ে দেয়.

ইয়েস, আপনি ঠিকই পড়সেন! রিসার্চের কোর ফাইন্ডিংটি আসলেই স্ট্রাইকিং। হাজার হাজার নারী-পুরুষের উপর করা দুটি বড়, লং-টার্ম স্টাডিতে দেখা গেছে, যারা সবচেয়ে বেশি অপটিমিস্টিক ছিলেন, তাদের গড় লাইফস্প্যান কম অপটিমিস্টিকদের তুলনায় অন্তত ১১% থেকে ১৫% বেশি। মানে বুঝতে পারছেন তো? ধরেন, বাংলাদেশে একটা মানুষ যদি ৭০ বছর বাঁচতো, জাস্ট অপটিমিস্টিক মাইন্ড সেট থাকলে, তাঁর আয়ু আরো ৭-১০ বছর এক্সট্রা পেতে পারতো! ভাবতেছেন এটা কেমনে সম্ভব? নিচে এক্সপ্লেইন করতেসি...

এটা আসলেই একটা সিগনিফিক্যান্ট ডিসকভারি, কারণ এটা আমাদের ব্রেইনের সাইকোলজিক্যাল ফ্যাক্টরকে, বিভিন্ন বায়োমেডিক্যাল রিস্ক ফ্যাক্টরের সমান স্কেলে নিয়ে এসে কম্পেয়ার করসে। ১১-১৫% বেশি লাইফস্প্যান কতটা ইম্পর্টেন্ট, তা বোঝার জন্য এক্সাম্পল দেই। ধরেন, কেউ যদি টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত না হয়, তিনি ১৭% এক্সট্রা লাইফস্প্যান পেতে পারেন, আবার কারো যদি কখনো হার্ট অ্যাটাক না হয়, তিনি ১৮% এক্সট্রা লাইফস্প্যান পেতে পারেন ইনশাআল্লাহ। মোটকথা, একটি অপটিমিস্টিক মাইন্ডসেটের পাওয়ার, ডায়াবেটিস কিংবা হার্ট এটাকের মত ক্রনিক ডিজিজ এড়িয়ে চলার লাইফস্টাইলের মতোই প্রায় ইম্প্যাক্টফুল!

তবে, এই সংখ্যাগুলো দেখার পর সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন আসে, অপটিমিজম কি শুধু একটা হেলদি লাইফস্টাইলের প্রক্সি? মানে, যারা অপটিমিস্ট, তারা কি আসলে বেশি এক্সারসাইজ করেন আর কম স্মোকিং করেন, যার কারণে তারা বেশি বাঁচেন? রিসার্চাররা এই ব্যাপারটাও চেক করসেন, আর তাদের উত্তরটাই এই স্টাডিকে সত্যিকারের গ্রাউন্ডব্রেকিং করে তুলেছে। স্ট্যাটিসটিক্যাল মেথড এর মাধ্যমে তারা হেলদি লাইফ স্টাইল ফ্যাক্টরের বায়াস রিমুভ করার পরেও, অপটিমিজম ও লংজিভিটির মধ্যে স্ট্রং কানেকশনটা খুঁজে পাইসিলেন!

রিসার্চাররা এই স্টাডি করার সময় মানুষের পজেটিভ এবং নেগেটিভ বহু ভ্যারিয়েবল কন্ট্রোল করেছেন। মানে, লাইফস্প্যান এক্সটেনশন এর ক্ষেত্রে, অপটিমিজমের ইফেক্ট এসবের থেকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছিল। এর মধ্যে ছিল:

- সোশিও-ইকোনমিক স্ট্যাটাস (যেমন এডুকেশন বা ইনকাম),
- সিরিয়াস হেলথ কন্ডিশন (যেমন হার্ট ডিজিজ, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিস),
- ডিপ্রেশন,
- হেলথ বিহেভিয়রস (যেমন: স্মোকিং, ডায়েট, অ্যালকোহল ইউজ ও ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি),
- সোশ্যাল ইন্টিগ্রেশন
এই সবগুলো এফেক্ট এর বায়াস রিমুভ করে তারপর তারা দেখেছেন, যারা অপটিমিস্ট, তারা দুনিয়াতে ১০-১৫% বেশি বছর বেঁচে ছিলেন।

স্টাডির অথররা এই ফাইন্ডিংয়ের রোবাস্টনেস তাদের সামারিতে হাইলাইট করেছেন:

“Our results further suggest that optimism is specifically related to 11 to 15% longer life span, on average, and to greater odds of achieving ‘exceptional longevity,’ that is, living to the age of 85 or beyond. These relations were independent of socioeconomic status, health conditions, depression, social integration, and health behaviors (e.g., smoking, diet, and alcohol use).”

এটি বোঝায় যে, অপটিমিজম শুধু একটা হেলদি লাইফস্টাইল বা মানসিক কষ্ট থেকে ফ্রি থাকার বিকল্প নয়। বরং, এটি লংজিভিটির জন্য একটি ইউনিক, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বেনিফিট দিতে পারে ইনশাআল্লাহ...

আর এই রিসার্চের সবচেয়ে প্র্যাকটিক্যাল এবং আশাব্যঞ্জক ফাইন্ডিং এটাই যে, অপটিমিজম, একটা মানুষ চাইলে শিখতে পারে। যদিও সায়েন্টিফিক স্টাডিগুলো বলে, অপটিমিজম কিছুটা জেনেটিকলি হেরিটেবল (প্রায় ২৫%, মানে, বাবা মা থেকে বাচ্চারা এটা এমনি পেতে পারে), তবে, বাকি ৭৫% পপুলেশন, এটা লার্ন করতে পারে।

অপটিমিজম, মানুষের ব্রেইনের একটি মডিফাইয়েবল ট্রেইট, যা যে কোন মানুষ তাঁর নিজের মধ্যে অ্যাক্টিভলি কাল্টিভেট করতে পারেন। কিছু সিম্পল প্র্যাকটিস, যেমন:

- রাইটিং এক্সারসাইজ ( #রাইটিং_থেরাপি ;) )
- মেডিটেশন,
- ইনটেনসিভ কগনিটিভ-বিহেভিওরাল থেরাপি, etc.
এ সবকিছুই অপটিমিজম বাড়াতে অলরেডি প্রুভেন মেকানিজম।

ফাইনালি, কেন এই রিসার্চ নিয়ে আমি উপরে এত ক্ষন বকবক করলাম জানেন? আসলে, এর একটা প্রোফাউন্ড ইমপ্লিকেশন আসে। অপটিমিজমকে হেলদি এজিং প্রমোট করার জন্য একটি ভ্যালুয়েবল এবং অ্যাকশনেবল টার্গেট হিসেবে আমরা প্র্যাকটিস করতে পারি ইনশাআল্লাহ। এটা এমন কিছু না, যা আপনাকে টাকা দিয়ে কিনা লাগবে। এটি আমাদের প্রত্যেকের ব্রেনের মধ্যে একটা সাইকোলজিক্যাল রিসোর্স, যা আমরা প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে স্ট্রং করতে পারি ইনশাআল্লাহ...

আরেকটা চিন্তার খোরাক দেই? এই ল্যান্ডমার্ক রিসার্চ আরেকটা আইডিয়াটাকে আরও সলিডিফাই করে,

আমাদের মাইন্ড এবং আমাদের বায়োলজিক্যাল এন্টিটি, আমাদের এই শরীর, তার পারফরমেন্স এর সাথে খুব স্ট্রংলী মলিকুলার লেভেলে লিংকড। এরকম আরো অনেক রিসার্চ পেপার অলরেডি পাবলিশড, যেখানে দেখানো হইসে, আমাদের ব্রেন কিভাবে আমাদের ইমিউন সিস্টেম থেকে শুরু করে আমাদের শরীরের প্রত্যেকটা মলিকুলার এবং সেলুলার মেকানিজমকে কন্ট্রোল করে... সেই গল্প না হয় আরেকদিন...

আমাদের মাইন্ডসেট, এই দুনিয়াতে একটা লং, হেলদি লাইফের জন্য সবচেয়ে পাওয়ারফুল টুলগুলার মধ্যে একটা টুল হতে পারে ইনশাআল্লাহ।

আজ থেকে তাইলে কোন অপটিমিস্টিক হ্যাবিট দিয়ে নিজে ইন্টার্নাল মাইন্ডসেট কে ট্রেইন করা শুরু করবেন ইনশাআল্লাহ? চাইলে কমেন্টে বলতে পারেন, অথবা এই ফ্রি মেডিসিন এর খবর শেয়ার করে অন্যদের জানাতে পারেন 😊

#সাদমান
---
(রিসার্চ পেপার কমেন্টে)

10/10/2025

এটার প্রাকটিক্যাল বেনিফিট অনেক অনেক বার দেখেছি নিজের লাইফে, সুবহানাল্লাহ..

রেকমেন্ডেড ✨

মাথায় একটা চিন্তা বারবার ঘুরপাক খাওয়া, কিংবা একই নেগেটিভ বিষয় নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেবে যাওয়া; এই অভ্যাসটা আমাদের অনেকের...
14/09/2025

মাথায় একটা চিন্তা বারবার ঘুরপাক খাওয়া, কিংবা একই নেগেটিভ বিষয় নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভেবে যাওয়া; এই অভ্যাসটা আমাদের অনেকেরই আছে। আমরা হয়তো ভাবি, এটা তো শুধু অল্প সময়ের জন্য মেন্টাল পিস নষ্ট করছে। কিন্তু এর ইফেক্টটা আমাদের ব্রেইনের উপর আরও বেশি গভীর।

BMC Psychiatry জার্নালের একটা ইন্টারেস্টিং রিসার্চ পেপার চোখে পড়সে। ৬০ বছরের বেশি বয়সী ৪২৪ জন ব্যক্তির উপর একটি রিসার্চ করা হইসে। প্রথমে, তারা কিছু কোয়েশ্চেন/এনসার এর মাধ্যমে খুঁজে বের করেন যে এই মানুষগুলো মত কতটা সময় ধরে রিপিটেটিভ নেগেটিভ চিন্তার মধ্যে আটকে থাকেন, মানে, একই নেগেটিভ চিন্তা নিয়ে বারবার ভাবেন।

এরপর, তারা কিছু কগনিটিভ টেস্ট (যেমন, পাজল, কিংবা মেমোরি টেস্ট) এর মাধ্যমে তাদের ব্রেইনের কার্যকারিতা মাপেন।

ফলাফলটা পরিষ্কার। এই পুরো মানুষের স্যাম্পল সাইজকে, নেগেটিভ চিন্তা করার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে চারটি দলে ভাগ করেন। দেখা গেলো, যে দুটি দল সবচেয়ে বেশি নেগেটিভ চিন্তা করেন, তাদের ব্রেইনের কগনিটিভ টেস্ট, অন্য দলগুলোর তুলনায় কম স্কোর করেছে।

সোজা কথায়, মাথায় যত বেশি নেগেটিভ চিন্তা ঘুরপাক খায়, ব্রেইনের শার্পনেস ততটাই কমে আসে। যদিও স্টাডিটা ৬০+ বয়সী মানুষের উপর করা, তারপরও, এটা পড়তে গিয়ে একটা জিনিস খেয়াল আসলো..

এই বর্তমান সময়ে পজিটিভ থট প্রসেস ধরে রাখাটা আসলেই কতটা জরুরি, যখন চারপাশে এত নেগেটিভিটি, এত হতাশা।

আমরা অতীতের আফসোস, আর ভবিষ্যতের ভয় পেয়ে আমাদের বর্তমানটাকে নষ্ট করি। For example, কোন পরীক্ষার কিংবা প্রেজেন্টেশন এর প্রিপারেশন নিতে গিয়ে, "কি হবে, কি হবে", এই টেনশনেই দেখা যায় একচুয়াল পারফরমেন্স এ ঘাটতি হয়। তখন রেজাল্ট ও খারাপ হয়, কিছুর করার থাকে না।

যদিও এক-এক জন মানুষের মেন্টাল রেসিলিয়েন্স একেক রকম, তারপরও, আমরা যদি রিপিটেড নেগেটিভ থট থেকে বের হয়ে, পজিটিভ, ভালো থিংকিং, থট প্রসেস মেইনটেন করার চেষ্টা করি, তাহলে আমরা ডে টু ডে কর্ম ব্যস্ত জীবনে আমাদের কগনিটিভ ফাংশন (e.g. মেমোরী, এটেনশন, প্রবলেম সলভিং, এক্সিকিউটিভ ফাংশন etc) এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি আরেকটু বাড়িয়ে, আরেকটু ফুলফিলিং, সাকসেসফুল লাইফ লিড করার চেষ্টা করতে পারতাম ইনশাআল্লাহ...

মোট কথা,
Stay positive.

আপনারা নেগেটিভ চিন্তা বা ওভারথিংকিং থেকে দূরে থাকতে কী করেন? কমেন্টে চাইলে শেয়ার করতে পারেন।

#আমার_নিজের_জন্য_রিমাইন্ডার

#রাইটিং_থেরাপি

12/09/2025

Self-control এর উপর বাংলায় এর থেকে বেটার অর্গানাইজড/summarized, authentic, original ভিডিও আর দেখি নি!

লিঙ্ক কমেন্টে ✨

এবার ঢাকা ট্রিপের অনেকগুলো (I repeat, অনেক...গুলো!) হাইলাইট এর মধ্যে একটা ছিল, the great NafBro 🥲 (Nafees Salim) এবং Saz...
17/08/2025

এবার ঢাকা ট্রিপের অনেকগুলো (I repeat, অনেক...গুলো!) হাইলাইট এর মধ্যে একটা ছিল, the great NafBro 🥲 (Nafees Salim) এবং Sazzad Ahsan ভাইয়ের সাথে 2 Cents Podcast এর ষ্টুডিওতে যাওয়া, আর আমাদের ব্রেইন এর ব্যাপারে কিছু পারস্পেকটিভ শেয়ার করা। পারসোনালি, আমার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, to synthesize and summarize those concepts into actionable way. I must say, it was not easy...

যদিও আমরা নিয়ত করেছিলাম, জোহরের সলাতের আগেই আলাপ শেষ করার, আলাপটা কেবল জমা শুরু করতে করতে রেকর্ডিং শেষ করা লাগসে 🥲😅...(This tells us, again, our brain, mind and body are not so easy to "understand" and "hack" in a short time 😉)...

রেকর্ড করার পাশাপাশি, ভাইদের ষ্টুডিও + অফিস কলিগদের সাথে দেখা-কথা, একসাথে lunch করা, Mindful ভাবে ডিভাইস থেকে কিছুদিনের জন্য "হারিয়ে যাওয়া"-র আলাপ, etc etc.... - সবকিছুই ইনশাআল্লাহ "মেমরিতে" ingrained হয়ে থাকবে ☺️...

Podcast টা রিলিজ হলে share করব ইনশাআল্লাহ... জাযাকাল্লহু খয়রান নাফিস ভাই, ছবি আর ভিডিওগুলো শেয়ার করার জন্য! 💙

Normally, Google Scholar, ResearchGate etc. এগুলা বিভিন্ন স্কোরিং করে, কে কতগুলো পাবলিকেশন করলো, সেই পাবলিকেশন এ কতগুলা ...
04/07/2025

Normally, Google Scholar, ResearchGate etc. এগুলা বিভিন্ন স্কোরিং করে, কে কতগুলো পাবলিকেশন করলো, সেই পাবলিকেশন এ কতগুলা Citation হলো ইত্যাদি...Life Science secto- এ নরমালি পাবলিকেশন করার, এবং অন্যান্য রিসার্চার /সাইন্টিস্টদের কাজ থেকে সাইটেশন পাওয়ার বেশ ভালো চান্স থাকে, যদি পেপার টা "ইম্প্যাক্টফুল" হয়...

"ইম্প্যাক্টফুল"...

এইযে, কোন প্রজেক্ট, কখন যে ইম্প্যাক্টফুল হয়, সেটা প্রজেক্ট শুরুর সময় জানা খুবই দূরহ... Like, Future প্রেডিক্ট করার মতন আরকি... তো, আমার একাডেমিক লাইফ এ ( ২০১০-২০২২, মোটা দাগে ~১২ বছর বলা যায়), কিছু কাজ করার তৌফিক হয়েছিল আলহামদুলিল্লাহ। অনেক কাজ ছিল, যেগুলো ongoing প্রজেক্ট, যেগুলোতে Support function হিসেবে কাজ করেছি...Collaboration projects বলা যায়.. আবার অল্প কিছু কাজ ছিল, যেগুলো গায়ে গতরে খেটে, তারপর কাজ শেষ করা লেগেছিল... সেগুলোকে "ফার্স্ট অথর, শেয়ার্ড ফার্স্ট অথর" পেপার বলে... সত্যি বলতে, আমি সব সময় কাজের দিকে, Data generation, data analysis, data interpretation এর দিকে ফোকাস করসি, যে জন্য এই অথোরশিপ নিয়ে মাথা ঘামাতাম না...Doctoral research এর সময়, ল্যাবের আজারবাইজানি/টার্কিশ PostDoc এর সাথে মজা করে বলতাম, "We are all farmers, working hard in the fields, to collect all the crops" 😂...আমার যিনি Doctoral supervisor professor ছিলেন, উনার সাথে যখন প্রজেক্ট নিয়ে আলাপ করতে বসতাম, দেখা যেত উনি প্রত্যেকবার নতুন নতুন আইডিয়া দিতেন, আরও কাজ করার জন্য... এবং, এত ফ্রিডম দিয়েছিলেন কাজ করতে, যে, Collaboration project করার অনেক opportunity তৈরি হয়ে যেত আলহামদুলিল্লাহ...

তবে, in retrospective, authorship (First author, corresponding author etc...) নিয়ে মাথা ঘামালে হয়তো আরো ভালো করতাম... 😅.. থাক সেসব কথা... 🥲..

তারপরো, আল্লাহ পাকের ইচ্ছায়, কিভাবে কিভাবে ১০০০+ সাইটেশন কয়েকদিন আগে পার হইলো... ছবিতে Bar plot এর প্যাটার্ন টা বার বার দেখছিলাম(ছবিটাতে চাপ দিলে দেখা যায়, নিচের দিকে).. যদিও এখন আমি একাডেমিক রিসার্চ থেকে বহুত দূরে... ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ, আর একাডেমিক রিসার্চ এর এই এক তফাৎ, ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চগুলা পাবলিশেবল না (Proprietary works যেহেতু)... এর জন্য আসলে এখন পেপার পাবলিশ করার কথা মনে হলে, শুধু মাত্র রিভিউ /বুক চ্যাপ্টার / আস্ত বুক লিখার ইচ্ছা করে... পড়াতে ভালো লাগার জন্য, কখনও কখনও মনে হয়, অনলাইন কোর্স নেয়া শুরু করব কিনা? 🥲...

কমেন্টে আমার একাডেমিক রিসার্চ লাইফের পেপার গুলা চোখ বুলানোর Google Scholar এর লিংক শেয়ার করছি... Maximum paper গুলা open access হওয়ার কথা... অনেক কাঠ খোট্টা কিন্তু 😊... তবে, কেউ যদি পড়ে কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে অবশ্যই জানাবেন! I would love to deep dive into those ঘাম ঝরানো works with you, inshaAllah 😊✨...

P.S. সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর... এবং শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সেইসব Mentors দের, সেই সব collaborators দের, যাদের সাথে কাজ করার তৌফিক হয়েছিল, যার কারণে এই পেপারগুলো পাবলিশড হয়েছে... আল্লাহ পাক ভালো রাখুক সবাইকে, আমিন...

Address

Dhaka

Website

https://www.facebook.com/share/17GCQLZ48U/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Sadman Sakib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Sadman Sakib:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram