21/03/2022
1000 days ---- A Healthy Foundation For Life.
-------------------------------------------------------------------
আমি প্রায় ২৫ বছর ওমানের Ministry of Health এ Primary Health Care এ কাজ করেছি। এর আগে বেশ কয়েক বছর গাইনিতে কাজ করেছি। আমার ছেলে জন্মের চারদিন পর মারা যাবার পর আমি আর গাইনিতে কাজ করতে চাই নাই, তাই Primary Health Care এ ট্রান্সফার হয়ে যাই।
এবং এজন্য আমাকে ফেমিলি মেডিসিনের ওপর ট্রেনিং নিতে হয়েছে, অনেক রকম ওয়ার্কশপ এটেন্ট করতে হয়েছে। এর মধ্যে একটা ওয়ার্কশপ ছিলো পিডিএট্রিক এর ওপর Nestle থেকে , যার নাম ছিলো 1000 days, A healthy Foundation for Life.
আজ এই এক হাজার দিন নিয়ে কিছু বলতে চাই। ১০০০ দিন হলো শিশুর জীবনের প্রথম ১০০০ দিন।
যা হলো মায়ের পেটে থাকা নয় মাস, মানে ২৭০ দিন, এবং জীবনের প্রথম দু বছর, ৩৬৫+ ৩৬৫,
মানে ৭৩০ দিন।
এই টোটাল সময়টা হলো ১০০০ দিন। এই ১০০০ দিনই মানুষের জীবনের সবচে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়টাই ঠিক করবে এই শিশুটা পূর্ণ বয়স্ক হলে কেমন মানুষ হবে। এবং এই সময়ের যত্নের ওপরই শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। এবং এই সময়ের অবহেলাতে যে ক্ষতি হয়, সেটা পরে আর কিছুতেই ঠিক করা যায় না, অর্থাৎ এটা Irreversible.
এবার গর্ভকালীন নয় মাসের কথা বলছি।
কোন এক হেলথ ম্যাগাজিনে পড়েছিলাম, কানাডায় অটিজম এর ওপর একটা রিসার্চ হয়েছে, তাতে দেখা গেছে, গর্ভকালীন সময়ে এক জন মা
1. What she thinks
2. What she eats
3. What she rubs on her skin
4. What she inhales
Every thing affect the unborn child.
এখন এর একটু ব্যাখা দিচ্ছি,
What she thinks-
মানে, গর্ভকালীন সময়ে মায়ের মানসিক অবস্থার কথা বলা হয়েছে।
মা যদি গর্ভকালীন সময় মানসিক ভাবে অসুখী থাকে, অর্থাৎ তার সাথে যদি এই সময় খারাপ আচরন করা হয় অথবা কোন রকম চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তার শরীরে stress হরমোন বেড়ে যায়, আর সেটা গর্ভস্হ বাচ্চার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এতে গর্ভের বাচ্চার ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়। বাচ্চার ডেভেলপমেন্টে বাঁধার সৃষ্টি হয়, ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ঠিক ভাবে হয় না।
বাচ্চা বড় হবার পর মানসিক রোগের শিকার হয়। এমনকি বাচ্চার অটিজমও হতে পারে।
What she eats -
মানে গর্ভকালীন সময়ে মা যদি পুষ্টিকর এবং পর্যাপ্ত খাবার না পায়, তাহলে বাচ্চার growth retardation হবে, যাকে ডাক্তারী ভাষায় বলা হয় IUGR, intrauterine growth retardation.
এটা বাচ্চার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, এতে বাচ্চা low birth wt. নিয়ে জন্মায়, এবং কম ওজনের বাচ্চাদের সাস্থ্য ঝুকি অত্যন্ত বেশী।
এতে বাচ্চার ব্রেইন ডেভেলপমেন্টও কম হবে, এবং বড় হয়ে বাচ্চার IQ কম হবার সম্ভাবনা থাকে।
এছাড়া মা যদি ভেজাল খাবার খায় যেখানে কোন ক্ষতি কারক কেমিকেল বা আরটিফিসিয়াল কালার মেশানো থাকে, তাহলে সেটা বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে। ভুল কোন ওষুধ খেলেও বাচ্চার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
What she rubs on her skin -
রিসার্চ এ দেখা গেছে মায়েরা যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করেন, অনেক সময় সেগুলোতে ক্ষতিকারক কোন ক্যামিকেল থাকতে পারে, যা কিনা মায়ের রক্তে মিশে বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে।
এরমধ্যে পেরাবেন নামক এক প্রিজারভেটিভকে চিন্হিত করা গেছে, যা কিনা বাচ্চার অটিজম করতে পারে। সেজন্য বুঝে শুনে ভালো কসমেটিকস ব্যবহার করা উচিৎ।
আর ভালো লোশন অথবা ক্রিম পাওয়া না গেলে বিশুদ্ধ নারকেল তেল অথবা জলপাই তেল ব্যবহার করা যায়।
What she inhale -
অর্থাৎ মায়ের নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে কোন বিষাক্ত বাতাস অথবা কেমিক্যাল ঢুকে গেলে সেটা গর্ভস্থ বাচ্চার ক্ষতি করবে।
অনেকেই হয়তো জানেন বেশ কয়েক বছর আগে ভারতের ভুপালে কোন এক ফ্যাক্টরী থেকে বিষাক্ত গ্যাস লিক হয়েছিলো, তখন যে সব মায়েরা সেই গ্যাস লিকের কাছাকাছি ছিলো সবারই বিকলাংগ সন্তান হয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হিরোশিমা নাগাসাকিতে এটমিক বোমার আঘাতের পর আশেপাশে যেসব গর্ভবতী মায়েরা বেঁচে ছিলো, তাদেরও বিকলাঙ্গ সন্তান হয়েছিল।
একারণে এই বিষয় গুলোতে সচেতনতার একান্ত প্রয়োজন।
এছাড়াও গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত ডাক্তারের চেক আপে থাকতে হবে। সন্তার নেয়ার আগে থেকে এবং গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস ফলিক এসিড টেবলেট অবশ্যই খেতে হবে। আর চারমাস থেকে নিয়মিত আয়রণ খেতে হবে। রিসার্চে দেখা গেছে গর্ভকালীন সময়ে মায়ের রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে বাচ্চার ওজন কম হয় এবং সাস্থ্যঝুকি বেড়ে যায়।
এই হলো গর্ভকালীন সময়ের কথা।
এরপর হলো প্রথম দুই বছর -
এই সময়ে বাচ্চার যদি সঠিক যত্ন না নেয়া হয়, বাচ্চা malnutrition এ ভোগে, সময় মতো Vaccine না দেয়া হয়, এবং তাতে বাচ্চার বড় কোন অসুখ হয়, অথবা কোন বড় এক্সিডেন্ট হয়, মাথায় অনেক জোরে ব্যাথা পায়, তাহলে বাচ্চার যথাযথ growth হবে না। এবং এতে Delayed milestone হবে।
বাচ্চার Milestone মানে বসা,হাঁটা,কথা বলা, ইত্যাদি। নরমাল মাইলস্টোন হলো বাচ্চা তিনমাসে হেসে আই কনটাক্ট করবে, তার ঘাড় শক্ত হবে, ছয়মাসে বসবে, একবছরে হাঁটবে, ইত্যাদি। এসবে দেরী হলে বুঝতে হবে বাচ্চার অসুবিধা থাকতে পারে। এবং ডাক্তার দেখাতে হবে
এ ছাড়াও এই সময় বাচচার মানসিক সাপোর্টের বিরাট এক ভুমিকা আছে। বাচ্চা যদি মা বাবাকে ঠিক মতো কাছে না পায়, অথবা যে তার কেয়ার নেয় তার থেকে ইমোশনাল সাপোর্ট না পায়, তাহলে বড় হয়ে সে মানসিক ভাবে অসুস্থ হতে পারে।
Care giver যদি বাচ্চা কে ইমোশনালী abuse করে, তাহলে বাচ্চার যে মানসিক ক্ষতি হয়, সেটার ফল তার সারাজীবন ভোগ করতে হয়। Child abuse মানুষের পারসোনালিটি ডেভেলপমেন্টে বিরাট ভুমিকা রাখে।
অনেকেই ভাবতে পারেন, বাচচাতো তখন কিছু বুঝতে পারে না, এটা সম্পূর্ণ ভুল। Sigmond Freud. এর সাইকো এনালাইসিস পড়লে এসব জানা যায়।
মানুষের Personality disorder এর একটা কারণ হলো Childhood abuse.
বেশীর ভাগ মানসিক রোগের উৎপত্তি হয় Childhood abuse এর কারনে। মানুষের পারসোনালিটি ডেভেলপমেন্টে আর্লি লাইফ বিরাট ভুমিকা রাখে।
এ সময়টায় বাচ্চার কোন ক্ষতি হলে সেটা আর রিকভার করা যায় না। এই Damage গুলো হয় Irreversible.
দুবছরের মধ্যেই বাচ্চার বেশীর ভাগ brain development হয়ে যায়, এবং এই brain development এর ওপরেই বাচ্চা র IQ depend করে, এর পর শত চেষ্টা করলেও বাচ্চার IQ আর বাড়ানো যাবে না। আর IQ কম হলে জীবনের সব কিছুতেই এই বাচ্চাটা পিছিয়ে থাকবে।
আর কষ্টের ব্যাপার হলো, এরকম কিছু হলে অনেক সময় প্রথম দিকে খুব একটা বোঝা যায় না, শুধু বাচচার ওজন অনেক কম থাকতে পারে এবং অনেক সময় ডিলেইড মাইলস্টোন হতে পারে। বাকী ব্যাপারগুলো স্কুল শুরু হবার পর ধীরে ধীরে বোঝা যায়।
আপনি গাছ লাগিয়ে যদি ভালো যত্ন না করেন তাহলে কি ভালো ফল আশা করতে পারেন? বাচ্চারাও গাছের চারার মতো, এদের যথাযথ যত্নের দরকার, তবেই এরা ঠিকঠাক বাড়তে পারে।
এখন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একটু বলি।
বেশীর ভাগ পরিবারে গর্ভবতী মায়েদের তেমন করে যত্ন নেয়া হয় না। যদিও এটা একটা পরিবারের সবারই দায়িত্ব।
মানুষ একটা বাড়ী অথবা রাস্তা বানাবার সময় অনেক য়ত্ন নেয়, কিন্তু যারা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম তৈরী করছে তাদের যত্ন টা সেভাবে নেয়া হয় না।
একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে পুরুষ সদস্যরা আগে খেয়ে নেবার পর যা বেঁচে থাকে বাড়ীট বউরা সেটাই খায়। কেউ গর্ভবতী হলেও তার খাবারের প্রতি কেউ তেমন খেয়াল করে না, এমন কি তার স্বামীও করেন না।
তার মানসিক অবস্থার দিকেও কেউ খেয়াল করে না।
তাকে কটু কথা বলতে কেউ একবারও ভাবে না।
এসব আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। তবে এখন হয়তো এরকম অবস্থা নেই, হয়তো কিছুটা বদলেছে। তবে পুরোপুরি বদলেছে বলে মনে হয় না।
আর আমাদের দেশের বেশীর ভাগ বাবারা সন্তান জন্মের সময় কোন খেয়াল করেন না, প্রথম দুই বছর বাচ্চার লালন পালনে কোন অংশ নেয় না, ওনারা ভাবেন এটা শুধু মায়ের দায়িত্ব।
কিন্তু বাচ্চা স্কুলে যাওয়ার পর ভালো রেজাল্ট আশা করেন। স্কুলে ভালো রেজাল্ট না করলে বাচ্চাদের মারপিট করেন, কিন্তু বাচ্চার IQ.ভালো না হলে, মেরে কোনো লাভ হবে না।
আসলে বাচ্চার ব্যাপারে মা বাবা দুজনকেই সমান ভাবে অংশ নিতে হবে। বাবাদের অংশ গ্রহন একটা বাচ্চার জন্য অনেক বেশী জরুরি। বাচ্চারা কথা বলতে না পারলেও যত্নটা ঠিকই বুঝতে পারে। বাবাদের যত্ন পেলে বাচ্চারা অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী হয়, তা না হলে বড় হলে ইনসিকিউরিটিতে ভোগে।
Sigmond Freud, বিখ্যাত সাইকোএনালাইসিস্ট এর মতে একটা বাচ্চার ছোটবেলায় তার বাবার চাইতে জরুরি আর কিছু হতে পারে না।
স্বামী স্ত্রী যতই সুখী থাকুক না কেনো, যখন একটা অসুস্থ বাচ্চার জন্ম হয় অথবা বাচ্চা বড় হয়ে মানসিক রুগী হয়, অথবা জীবনে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না, তখন সুখ জানালা দিয়ে পালায়।
শেষ বয়সে এসে সেই দম্পতিরাই সুখী হয়, যাদের বাচ্চা সুসন্তান এবং ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
এখন আমি বলতে চাই Prenatal checkup এর কথা। প্রতিটা কাপলকে Prenatal checkup এ যেতে হবে ফেমিলি শুরু করার আগে।
আমার Prenatal checkup training এ প্রথমেই একটা কথা বলা হয়েছিলো,আমেরিকান লেখিকা
Elizabeth stone বলেছেন,
'' To making the decision to have a child - it is momentous. It is to decide for ever to have your heart go walking around outside your body".
এই কথাটা কতটা সত্য তা আমরা সব মায়েরা জানি।
Prenatal checkup এ মা বাবা দুজনেরই check up করতে হবে, কোন মেডিকেল ইস্যু আছে কিনা, থাকলে সেটার যথাযথ ম্যানেজমেন্ট করতে হবে। Thalassemia র জন্য checkup করতে হবে।
এছাড়া বাড়ীর পরিবেশ কেমন, প্রসুতি মায়ের মানসিক অবস্থা শান্ত রাখার পরিবেশ আছে কিনা, সংসারে কোন কলহ আছে কিনা, মায়ের ঠিকঠাক মতো খাবারের এবং ঘুমের ব্যাবস্থা আছে কিনা, এসব Assure করতে হবে।
এছাড়া হবু বাবা মায়ের একজনেরও যদি স্মোকিং অথবা এলকোহলের অভ্যাস থাকে সেটা বন্ধ করতে হবে।
এরপর পুরো প্রেগন্যান্সীতে রেগুলার চেকআাপ এ যেতে হবে। অনেক স্বামীরা স্ত্রী শিক্ষিত,স্বাবলম্বী হলে ভাবেন তার চেকাপ সে নিজেরই করে নিতে পারবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা। এখানে স্বামীর participation বিরাট এক ভুমিকা রাখে। এতে মায়ের মনে যে assurance আসে, সেটা বাচ্চার মধ্যে পাস করে,
এবং এটা বাচ্চার EQ ( Emotional Quotient) ভালো হতে সাহায্য করে।
এরপর বাচ্চার জন্মের সময় অবশ্যই বাবাকে মায়ের পাশে থাকতে হবে, যাতে বাচ্চা জন্মের পরই বাবা মাকে একসাথে দেখতে পায়।
এবং যেহেতু বাচ্চা মায়ের একার নয়, তাই জন্মের পরপরই বাবার বাচ্চার কেয়ারে সমান পার্টিসিপেট করতে হবে।
এরপর মায়ের কোনরকম Postnatal depression হলো কিনা তার খেয়াল রাখতে হবে। মাকে মানসিক সাপোর্ট দিতে হবে।
এখন আমি বলতে চাই সেসব মায়েদের কথা, যারা ক্যারিয়ার করতে চান। তাহলে কি মায়েরা ক্যারিয়ার করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন, তবে তার জন্য চাই সঠিক পরিকল্পনা, এবং সেটা বাবা মা দুজনে মিলেই করতে হবে।
বাবা মা দুজনে পালা করে যদি বাচ্চার কেয়ার নেয়, তাহলে আর কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। মায়ের যখন বাইরে কাজে যেতে হয়, তখন যদি বাবা বাচ্চার কাছে থাকতে পারে, তাহলে খুব ভালো হয়। আর এটাতো সারাজীবনের জন্য নয়, শুধু কয়েকটা বছর।
আর যদি বয়োজ্যেষ্ঠ নানী কিংবা দাদী হেল্প করেন তাহলে ভালো হয়। তবে সব সময় বয়োজ্যেষ্ঠদের ওপর ডিপেন্ড করা ঠিক নয়। কারণ ওনারা সব সময় ঠিক ভাবে বাচ্চাদের দেখাশোনা করতে পারেন না। এটা আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
আর একটা বিশেষ ব্যাপার হলো আয়া নির্বাচন। সঠিক Caregiver একটা অনেক বড় ব্যাপার। আয়া যদি অনেক ভালো হয় তাহলে অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। আমার এক বান্ধবী বলেছিলো, তার আয়া বাচ্চাকে তার চাইতেও বেশী যত্ন করতো, এবং তার বাচ্চা পরবর্তী জীবমে অনেক বেশী সফল।
আমি আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি অনেক মায়েরা স্বামী শাশুড়ীর সাথে রাগ হয়ে গর্ভকালীন সময়ে নিজেকে অবহেলা করে, এটা একটা মারাত্মক ভুল।
গর্ভকালীন সময়ে নিজের যত্নে কোন কমপ্রোমাইজ নয়। পৃথিবীর সব কিছু বাদ দিয়ে তখন শুধু নিজের সন্তানের কথা ভাবতে হবে, কারণ সন্তান অসুস্থ হলে মায়ের মতো কষ্ট আর কারো হয় না। সেই মাকে সারাজীবন কষ্ট করতে হয়।
সব শেষে বলতে চাই, নিজের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বাচ্চার সঠিক যত্ন করুন,নিজের স্বপ্ন গড়তে যেয়ে বাচ্চার স্বপ্ন ভেংগে দিবেন না।
মেটারনিটি লিভ শেষ হবার পর কার হাতে বাচ্চাকে সঁপে যাচ্ছেন, তার যথাযথ ব্যবস্থা করুন। ক্যারিয়ার করার সময় পরে পাবেন, কিন্তু মনে রাখবেন সেই ১০০০ দিন, আর ফিরে পাবেন না।
আপনি হয়তো ক্যারিয়ারে একজন সাকসেসফুল মহিলা হতে পারবেন, কিন্তু একজন সাকসেসফুল মা না হতে পারলে সবই বৃথা মনে হবে একসময়।
[লিখেছেন: Shamsun Naher Khuku]