03/02/2026
আমরা শিশুর শারীরিক পুষ্টি বা পড়াশোনা নিয়ে যতটা চিন্তিত থাকি, তার মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি অনেক সময় আমাদের অগোচরেই থেকে যায়। অথচ একটি সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শৈশব থেকেই মানসিক বিকাশে নজর দেওয়া জরুরি।
আপনার শিশু মানসিকভাবে সুস্থ আছে কি না বুঝবেন কীভাবে?
যদি দেখেন আপনার শিশুর মধ্যে নিচের পরিবর্তনগুলো ঘটছে, তবে তাকে বাড়তি সময় দিন:
• অকারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত জেদ করা।
• একদম চুপচাপ হয়ে যাওয়া বা মানুষের সাথে মিশতে ভয় পাওয়া।
• খাবার বা ঘুমের রুটিনে বড় ধরনের পরিবর্তন।
• পড়াশোনা বা খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।
অভিভাবক হিসেবে আপনি যা করতে পারেন:
১. মন দিয়ে কথা শুনুন: সে কী বলছে তা বিচার না করে (Judge না করে) মন দিয়ে শুনুন। তাকে অনুভব করান যে তার কথাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। ২. গুণগত সময় (Quality Time) কাটান: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মোবাইল বা টিভি দূরে রেখে শিশুর সাথে গল্প করুন বা খেলুন। ৩. তুলনা করবেন না: অন্য শিশুর সাথে নিজের সন্তানের তুলনা তার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। তার নিজস্ব প্রতিভাকে গুরুত্ব দিন। ৪. ভুল করলে বুঝিয়ে বলুন: বকাঝকা বা মারধর না করে ভুলটি কেন হয়েছে তা বুঝিয়ে বলুন।
মনে রাখবেন: একটি হাসিখুশি শৈশবই পারে একটি আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে। আপনার একটু সচেতনতা ও ভালোবাসা শিশুর মানসিক জগতকে বদলে দিতে পারে।
#শিশুরমানসিকস্বাস্থ্য #সচেতনতা