SH Medicine Store

SH Medicine Store Here you can order and get all of your local and foreign medicine. So just call and order your medicine. All products price are same as market.

HAPPY NEW YEAR
31/12/2017

HAPPY NEW YEAR

শীতে সায়াটিকার ব্যথা ও করণীয়রাসেল সাহেব ব্যাংকার, শীতের আয়োজন পুরোপুরিই উপভোগ করছেন। লেপ দিয়ে মোড়ানো ঘুম তার সারাদিনের ক...
05/11/2017

শীতে সায়াটিকার ব্যথা ও করণীয়

রাসেল সাহেব ব্যাংকার, শীতের আয়োজন পুরোপুরিই উপভোগ করছেন। লেপ দিয়ে মোড়ানো ঘুম তার সারাদিনের ক্লান্তিকে দূর করে দেয়। সমস্যা একটাই তার সায়াটিকার সমস্যা আছে, যা শীত এলেই শুরু হয়। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যথা বাড়া বা কমার সম্পর্ক আছে। শীতে ব্যথা বাড়ে। যাদের ব্যথা আছে তাদের দৈনন্দিন জীবনধারণে কষ্ট হয়। এ সময় কোমরের ও পায়ের ব্যথা তীব্র আকার ধারণ করে। শীতে মাংসপেশী ও নার্ভ শক্ত হতে পারে কারণ এ সময় শরীরে রক্ত চলাচল কম হয়। শীতে কোমর বা অন্যান্য জয়েন্টের মাংসপেশীতে ক্র্যাম্প বা টান বেশি লাগে। এতে মেরুদণ্ডের মাংসপেশী ইমব্যালেন্স হয় বা ভারসাম্যতা কমে যায়। ফলে মেরুদণ্ডের ডিস্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ডিস্ক প্রলাপ্স হয় এবং ব্যথা পায়ে চলে যায় এবং সায়াটিকার উৎপত্তি হয়।

সায়াটিকার কারণ

* মেরুদণ্ডের হাড় সরে (স্পনডাইলোলিসথিসিস) গিয়ে যদি সায়াটিক নার্ভে চাপ দেয়।

* পাইরিফরমিস মাংসপেশী শক্ত হয়ে গেলে।

* ডিস্ক প্রলাপ্সের কারণে কোমর থেকে জেলি বের হয়ে নার্ভের ওপর চাপ দিলে।

* ডিজেনারেশন বা স্পনডাইলোসিস হলে (কোমরের হাড় ক্ষয় বা বেড়ে যাওয়া)।

* মেরুদণ্ডের নার্ভ চলাচলের রাস্তা (স্পাইনাল ক্যানেল স্টেনসিস) সরু হলে।

* গর্ভাবস্থায় সায়াটিকার ব্যথা হতে পারে।

* আঘাতজনিত কারণে সায়াটিক নার্ভের ব্যথা হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন আপনার সায়াটিকা হয়েছে

* ব্যথা কোমর থেকে নিচ দিকে গেলে।

* পা ঝিনঝিন, জ্বালাপোড়া, ভারী ভারী এবং অবস অবস ভাব হলে।

* বেশিরভাগ সময়ে হাঁটতে গেলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়। তবে রাতে ঘুমে অথবা বসে থাকলেও সায়াটিকার ব্যথা হতে পারে।

* শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠলে সায়াটিকার ব্যথা বেশি হয় এবং কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে কমে যায়।

* পা দুর্বল লাগা সায়াটিকার সতর্ক সংকেত।

* কাশি দিয়ে কোমর বা পায়ে চিলকানো ব্যথা হতে পারে। পায়ে টান লাগতে পারে।

* ব্যথা বাড়তে পারে- শরীরের অতিরিক্ত ওজন, হাই হিল অথবা উঁচু জুতা পরলে, অতিরিক্ত নরম বিছানা ব্যবহার করলে।

শীতে সায়াটিকার জন্য টিপস

* বাহিরে বের হওয়ার আগে মাংসপেশী অথবা জয়েন্টের স্ট্রেচিং করতে হবে।

* অতিরিক্ত চাপ দিয়ে হঠাৎ কাজ না করা। এতে পায়ের শিন শিন ব্যথা বা ঝিন ঝিন ভাব হতে পারে।

* পায়ে মোজাসহ সঠিক শীতের পোশাক পরতে হবে। যাতে শরীর এবং পা স্বাভাবিক গরম থাকে। এতে রক্ত চলাচল সঠিকভাবে হয়।

* প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা।

* শরীরের ওজন সঠিক রাখা এবং পায়ের ব্যথা অবস্থায় বেশি হাঁটাহাঁটি না করা।

* তোষকের বিছানা ব্যবহার করা।

* পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, বেশি করে শীতের সবজি খাওয়া, নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করা, তবে ব্যায়ামের ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন যাতে সায়াটিকার ব্যথা বৃদ্ধি না পায়।

চিকিৎসা

নিম্নলিখিত চিকিৎসা সায়াটিকার জন্য কার্যকর, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নিতে হবে

* ম্যানুয়াল থেরাপি

* ম্যানুপুলেশন থেরাপি

* মেডিসিন বা অপারেশন

REF: jugantor.com

বর্তমান সময়ে হার্টের সমস্যা এতোটাই প্রকোপ যে পৃথিবীতে প্রতিদিন শুধুমাত্র হার্ট এ্যাটাকের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যায়। হ...
28/09/2017

বর্তমান সময়ে হার্টের সমস্যা এতোটাই প্রকোপ যে পৃথিবীতে প্রতিদিন শুধুমাত্র হার্ট এ্যাটাকের কারণে লাখ লাখ মানুষ মারা যায়। হার্ট এ্যাটাক মানুষকে পঙ্গু ও বিকলাঙ্গও করে দেয়, তাই আগে থেকেই হার্টকে সুস্থ রাখতে পালন করুণ কিছু সহজ নিয়ম। এতে একদিকে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে অন্যদিকে হার্টও ভালো থাকবে। চলুন জেনে নেই নিয়মগুলো

নিয়মিত দৌড়ান:
এটা একটা সাধারণ তরিকা। তবে হার্ট ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন কমপক্ষে তিন কিলোমিটার করে দৌড়ানোর উপদেশ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ক্ষেত্রে দৌড় শুরুর আগে এবং শেষে হার্ট রেটের সংখ্যা লিপিবদ্ধ করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

ধূমপান ছেড়ে দিন:
বলা হয়ে থাকে ধূমপানে বিষপান। কেননা এই অভ্যাসটি হার্টের সমস্যার মতো ভয়াবহ অসুখের দিকে ঠেলে দেবে আপনাকে।

ওজন কমান:
আপনার শরীরের মাত্রারিক্ত ওজন হৃদয় বহন করতে পারবে না। তাই ওজন কমান। ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন। হার্টের সমস্যার সঙ্গে অন্য অনেক শারীরিক জটিলতাও পালাবে।

দূষিত বায়ু এড়িয়ে চলুন:
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে দূষিত বায়ুর পরিমাণ বেড়েছে আবহাওয়াবিদদের ভাষ্য মতে, শীতকালে সকালের দিকে বাতাসে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে। সাধারণত বাতাসে থাকা অতিরিক্ত ধাতব পদার্থ নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে স্কন্ধদেশের ধমনিপ্রাচীরকে আরো পুরু করে তোলে, যে কারণে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়।

মুঠোর ব্যায়াম করুন:
টানা চার সপ্তাহের মুঠো সঞ্চালন-প্রসারণ ব্যায়ামও আপনার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে। হাইপারটেনশন জার্নাল জানিয়েছে, এর মাধ্যমে আপনি রক্তের ঊর্ধ্বচাপ কমিয়ে আনতে পারেন প্রায় ১০ শতাংশ হারে।

ডিম খান:
যাঁরা বলছেন, বেশি বেশি ডিম খেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেননা ব্রাজিলীয় গবেষকরা জানিয়েছেন, ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন ই, বি-১২ এবং ফলেট করোনারি আর্টারিকে পরিষ্কার রাখে। তবে কেউ যদি দিনে চারটি করে ডিম খেতে থাকেন, তবে তাঁকে এসব গবেষণার কথা ভুলে যেতে হবে।

শ্বাসের ব্যায়াম করুন:
না, নিজের ইচ্ছামতো গতিতে শ্বাস নিতে কিংবা ছাড়তে বলা হচ্ছে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন শ্বাসের ব্যায়াম করুন। উদাহরণ হিসেবে প্রথমে ৩০ সেকেন্ডে ছয়টি পূর্ণাঙ্গ শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পন্ন করুন। এরপর সময়ের পরিমাণ কমাতে থাকুন। এ ব্যায়াম আপনার হৃদ সংকোচনসংক্রান্ত চাপ কমাতে ধন্বন্তরি ভূমিকা রাখবে।

সময়মতো ঘুমান:
যাদের অনিদ্রা নামক রাজরোগ আছে, তারা অন্যদের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি হার্ট এটাকের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুমের জন্য প্রতিদিন বেশি বেশি শারীরিক পরিশ্রম করার আহ্বান জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

কম চর্বি যুক্ত খাবার খান:
খাবারে থাকা চর্বি হৃৎপিণ্ডকে অকার্যকর করে তুলতে ভূমিকা রাখে। সুতরাং খাদ্য তালিকা থেকে নিয়মিতভাবে চর্বির পরিমাণ কমাতে থাকুন, তবে অবশ্যই পুষ্টি তালিকার নিুক্রম ছাড়িয়ে যাবেন না।

এনার্জি ড্রিংকস থেকে বিরত থাকুন:
শক্তিবর্ধক এসব পানীয়কে ‘শত্রু’ হিসেবে গণ্য করুন। কেননা এসব পানীয় কোনোভাবেই আপনার কোনো ধরনের উপকারে আসবে না, উল্টো রক্তচাপ বাড়িয়ে মুহূর্তেই আপনাকে ধসিয়ে দেবে।

প্রানখুলে হাসুন: হাসি মানব দেহ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। হাসির মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের চাপ কমানো সম্ভব।

সামাজিক যোগাযোগ বাড়ান:
একা বাস করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে থাকে। তাই অন্যদের সঙ্গে কথা বলুন, হাত মেলান, জড়িয়ে ধরুন এবং আরো বেশি সামাজিক হতে চেষ্টা করুন; নিজের স্বার্থেই।

সর্বপরি ভালো থাকুন।

26/09/2017
রক্ত! রক্ত কি শুধুই একটা প্রয়োজন? না, রক্ত জীবন। আমাদের একজনের এক ব্যাগ রক্ত তিনজন পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। তা...
24/09/2017

রক্ত! রক্ত কি শুধুই একটা প্রয়োজন? না, রক্ত জীবন। আমাদের একজনের এক ব্যাগ রক্ত তিনজন পর্যন্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। তাই আসুন, এই ফর্ম টি পুরন করে স্বেচ্ছাসেবক রক্ত দাতা হিসেবে নিজের নাম নিবন্ধন করি যাতে করে প্রয়োজনের সময় নিজের অথবা অন্যের পাশে দাড়াতে পারি অথবা রক্তের জন্য সহায়তা পাই।
page: https://www.facebook.com/groups/1493819874045595/
Registration Form Link: Below
https://goo.gl/forms/cXYedvdZpzgfkHO82

Blood! It's not only need, it's life, it's breath. So if you need blood knock in our group or if you want to donate be with us by completing the registration.

পশুর মাংস যখন ঝুঁকির কারণকোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমাদের দেশের খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণের পরিকল্পনা নেন। যদিও মোটাতাজাকর...
30/08/2017

পশুর মাংস যখন ঝুঁকির কারণ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমাদের দেশের খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণের পরিকল্পনা নেন। যদিও মোটাতাজাকরণের জন্য স্বীকৃত স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি রয়েছে। গরু দ্রুত মোটা ওজনদার করার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই খামারিরা অনৈতিকভাবে স্টেরয়েডসহ বেশকিছু হরমোন প্রয়োগ করে থাকেন। তাদের কাছে বেশি ওজন মানেই বেশি মাংস; বেশি মাংস মানেই বেশি লাভ। গবেষকরা বলছেন, হরমোন প্রয়োগে মোটাতাজা করা এ সব পশুর মাংস খেলে মানুষের ব্রেস্ট, কোলন, প্রোস্টেট এবং ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার আশংকা রয়েছে। গরু মোটাতাজাকরণ একটি নিয়মিত ও প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত দুই থেকে আড়াই কেজি ইউরিয়া, লালিগুড় ও খড়ের একটি বিশেষ ধরনের মিকচার খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকে সরকারের প্রাণিসম্পদ বিভাগ। টানা ৮ দিন কোনো পাত্রে এ মিকচার মুখবন্ধ অবস্থায় রাখার পর, তা রোদে শুকিয়ে গরুকে খাওয়াতে হয়। একটানা ৬ মাস এটা খাওয়ালে খুব দ্রুত গরু মোটাতাজা হয়ে ওঠে। কিন্তু আরও দ্রুত এবং আরও বেশি মোটাতাজা করার আশায় খামারিরা প্রয়োগ করে থাকে স্টেরয়েডসহ আরও কিছু হরমোন এবং মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া।

বাড়তি ইউরিয়ায় গরুর বিষক্রিয়া :

কোরবানিতে দ্রুত মোটাতাজাকরণের উদ্দেশে গরুগুলোকে খেতে দেয়া হয় অতিরিক্ত ইউরিয়া। কোনো গরুকে কয়েক মাস ধরে ইউরিয়া খাওয়ালে গরু দ্রুত দানব আকৃতি ধারণ করে। ইতিমধ্যে গরুর শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনি, লিভার, ব্রেইন নষ্ট হয়ে গরুর মৃত্যুকে অনিবার্য করে তোলে। অতিরিক্ত ইউরিয়া বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ফলে এগুলো প্রাকৃতিকভাবে বেঁচে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলে। অনেক সময় হাটেই এ সব গরু মারা যায়। এ ধরনের গরুকে বিষাক্ত গরু বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউরিয়া বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত গরুর মাংস খেলে মানুষও ইউরিয়া বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। ফলে কিডনি বিকল হওয়ার মতো ঝুঁকিও থাকে।

হরমোন ইনজেকশনের ইতিহাস :

গরু মোটাতাজাকরণের ইতিহাস খুঁজলে অনেক আগে থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃত্রিমভাবে তৈরি হরমোন প্রয়োগ করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গরুর মাংসপেশিতে হরমোন ইনজেকশন দেয়া হয় কিংবা কানের চামড়ার নিচে পুঁতে দেয়া হয়। কানের চামড়ার নিচে পুঁতে দেয়া এই হরমোন ধীরে ধীরে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করে থাকে। কৃত্রিমভাবে তৈরি ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন ইনজেকশনই এক সময় বেশি প্রয়োগ করা হতো। সত্তর দশকের দিকে এই হরমোনে একটি উপাদান ডাই ইথাইলস্টিলবেস্টেরলের সঙ্গে যোনীপথের ক্যান্সার সৃষ্টির যোগসূত্র ধরা পড়লে তা নিষিদ্ধ করা হয়।এদিকে ইস্ট্রোজেনের সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পর এই হরমোনটির প্রয়োগও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। বর্তমানে ব্যবহৃত হরমোন এবং ঝুঁকি নিয়ে বিতর্কের ঝড় আরও বেশি নিরাপদ হরমোন খুঁজতে গিয়ে তৈরি হয় বোভাইন সোমাটোট্রপিন (বিএসটি) অথবা রিকম্বিনেন্ট বোভাইন গ্রোথ হরমোন (আরবিজিএইচ)। ১৯৯৩ সালে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) গরুর দুধ ও গরুর দৈহিক বৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য কৃত্রিমভাবে তৈরি এই হরমোনের প্রয়োগকে অনুমোদন দিলেও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডাসহ বেশকিছু দেশ তা অনুমোদন দেয়নি। কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, হরমোন ব্যবহার গরুর জন্যই ক্ষতিকর। এ সব হরমোন ব্যবহারে গরুর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশনের প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে গরুকে বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক দিতে হয়। এন্টিবায়োটিকের উচ্ছিষ্ট অংশ গরুর মাংসেও বিদ্যমান থাকে। এ ধরনের গরুর মাংস খাওয়ার কারণে উচ্ছিষ্ট এন্টিবায়োটিকের প্রভাবে মানুষের শরীর ওই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনকারী (রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া) জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। হরমোনের চূড়ান্ত অপব্যবহার আমাদের দেশে গরু মোটাতাজা করার বিজ্ঞানসম্মত ফর্মুলাকে উপেক্ষা করে কিছু অসাধু খামারি বেশি মুনাফার লোভে গরুর শরীরে ২৫ থেকে ৩০ আউন্স উচ্চমাত্রার স্টেরয়েড ইনজেকশন দিয়ে থাকেন।ওরাডেকসন ও ডেকাসনের মতো স্টেরয়েড দিলে ২-৩ মাসের মধ্যেই গরুগুলো বিশাল আকৃতি ধারণ করে। গরুর শরীরে পানি জমতে থাকে। গরু ফুলে-ফেঁপে বিশাল আকৃতির দানবে পরিণত হয়। প্রাণীবিদরা বলছেন, এ ধরনের গরু দেখলেই চেনা যায়। প্রাকৃতিকভাবে শক্তি-সামর্থ্যরে কোনো গরু যেমন তেজী ও গোয়ার প্রকৃতির হয়, এই গরুগুলো ঠিক উল্টোভাব, ধীর ও শান্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে। শরীরে ও আচরণে কোনো তেজী ভাবই লক্ষ্য করা যায় না। এ সব হরমোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের দেশেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, রয়েছে শাস্তির বিধানও। তা সত্ত্বেও প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না গরুর ক্ষেত্রে হরমোনের চূড়ান্ত অপব্যবহার। তাই হতে হবে সতর্ক। এখনই সাবধান হোন।

রাকিব বয়স ২৫ বছর । নরসুন্দরের কাছে চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদি...
21/08/2017

রাকিব বয়স ২৫ বছর । নরসুন্দরের কাছে চুল কাটার পর একটু ঘাড়-পিঠ মালিশ করে নেয় ৫-১০ মিনিট। বিনিময়ে তাকে কিছু বকশিশ দেয়। একদিন ঘাড় মালিশ করার সময় কট করে একটা আওয়াজ হয়, একটু সামান্য ব্যথাও করে উঠেছিল। কিন্তু ছেলেটি অতটা গ্রাহ্য করেনি। দু-এক দিন পর সে ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করতে লাগল। ক্রমে ব্যথা বাড়ছে। মা ভাবলেন,হয়তো উল্টাপাল্টাভাবে শোয়ার জন্য ঘাড়ে ব্যথা হয়েছে। মা প্রতিদিন বালিশ রোদে দিতে লাগলেন, ঘাড়ে গরম কাপড় দিয়ে সেঁক দিতে শুরু করলেন। কিন্তু কিছুতেই ব্যথা কম হচ্ছে না; বরং দিনদিন বাড়ছেই। একপর্যায়ে ব্যথা হাতের মধ্য আঙ্গুল পর্যন্ত আসতে শুরু করল। ব্যথার জন্য ঘাড় নাড়ানোও তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠল। শেষ পর্য়ন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে, চিকিৎসক পরীক্ষা করে বললেন, সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হয়েছে ।

ঘাড়ের এম আর আই (ম্যাগনেটিক রিজোনেন্স ইমেজিং) ও নার্ভ কনডাকশন স্টাডি পরীক্ষা করে সেটি প্রমাণিত হলো। মেরুদণ্ডের দু্টি হাড়ের মধ্যে এক ধরনের ডিস্ক থাকে সেখান থেকে স্মায়ুগুলো বের হয়ে এসে আমাদের হাতে ছড়িয়ে পড়ে। যখন কোন কারণে ওই ডিস্ক সরে যেয়ে স্মায়ুর উপর চাপ দেয় তখন ব্যথা ঘাড় থেকে হাতের দিকে আসে এটাকে সারভাইক্যাল ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রলেপস বলে ।
এক্ষেত্রে চিকিৎসা হল ঔষধের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিশ্রাম অর্থাৎ হাটাচলা বা মুভমেন্ট করা যাবে না, এমন অবস্থা থেকে সঠিক ফিজিওথেরাপি, এক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ২-৪ সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি হাসপাতালে ভর্তি থেকে দিনে ২-৩ বার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হয়। এটাতে অবস্থার উন্নতি না হলে অপারেশনও লাগতে পারে।

আলোচ্য বালকটির এই সমস্যাটি কেন হলো ? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, নরসুন্দর ঘাড়- পিঠ মালিশ করে বিভিন্ন ভঙ্গিমায়ে কোন কোন সময় মাথার ওপর চাপ দেয়, কখনো ঘাড় বাঁ দিকে ও ডান দিকে কাত করে। এসব মালিশ ঘাড়ের জন্য খুবই ক্ষতিকর । এতে ঘাড়ের স্মায়ুতে চাপ পড়ার আশঙ্কা থাকে।

পরামর্শঃ
* সেলুনে গিয়ে কখনো ঘাড় বা মাথা মালিশ করাবেন না।
* ঘাড় কখনো খুব বেশি পেছনে বা পাশে কাত করতে দেবেন না। এতে হঠাৎ করে
সারভাইক্যাল ডিস্ক প্রলেপস হতে যেতে পারে ।

ডা: এম ইয়াছিন আলী
চেয়ারম্যান ও চীফ কনসালটেন্ট
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল

বর্ষায় রোগ প্রতিরোধে করণীয় জেনে নিন১. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার প্রথম লক্ষ্য হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পুষ্টিকর খাবার, ...
30/07/2017

বর্ষায় রোগ প্রতিরোধে করণীয় জেনে নিন

১. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আপনার প্রথম লক্ষ্য হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম আর অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলাটাই হবে প্রধান উদ্দেশ্য।

২. ঘুমের সঙ্গে আপস নয় দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘুম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখানো হয়েছে, যে প্রাণীদের ঘুমের অভাব রয়েছে তারা নানা রোগে জর্জরিত। মানুষের ক্ষেত্রেও তাই ঘটে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কমপক্ষে সাত-আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।

৩. মানসিক চাপ বলা হয়, আধুনিক মানুষের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। আগের প্রজন্মের কাছেও কিন্তু স্ট্রেস ছিল এক দুঃস্বপ্নের নাম। দেহ-মনের ওপর অতিরিক্ত ধকল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। প্রতিদিনের মেডিটেশন এবং ইয়োগা এ অবস্থার অবসান ঘটাতে পারে। এবার সঠিক খাবার বেছে নিয়ে রোগ তাড়ান আরো শক্তভাবে। কিছু খাবার রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে জোরদার করে। এগুলো চিনে নিন এবং নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১. গোলমরিচ এই খাবারের রয়েছে ঔষধি গুণ। বলা হয় বায়ুরোগ ও পেটের গ্যাস খেয়াল রাখে। ঘাম ঝরাতে দেহ উত্তপ্ত করে। এতে দেহের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর।

২. আদা-রসুন এ দুটি অতি উপকারী খাবার দেহের সর্বোচ্চ যত্ন নেয়। দেহের প্রদাহ বিনাশে কাজ করে এদের সুপার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। বমি বমি ভাব দূর করতে কার্যকর। আদার ছোট একটা ফালি, দুই-চার কোয়া রসুন এবং একটি গাজরের জুস তৈরি করে খেলে তা অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে।

৩. তুলসী শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, জ্বর, অ্যাজমা এবং ফুসফুসের ব্যাধিতে জাদুমন্ত্রের মতো কাজ করে তুলসী পাতা। চিকিৎসাবিজ্ঞানে তুলসী বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়। বলা হয়, এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি তুলসী পাতা ছেড়ে দিলে তা বিশুদ্ধ হয়ে যায়। অ্যারোমাথেরাপিতেও বহুল ব্যবহৃত উপকরণ তুলসী।

৪. হলুদ ও মধু মৌসুমি রোগ থেকে দূরে থাকতে এক অনন্য যুগল হতে পারে হলুদ ও মধুর ব্যবহার। এদের মিশ্রণ রীতিমতো অব্যর্থ ওষুধ। দুটিতেই আছে জীবাণুনাশক উপাদান। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বিনাশে দারুণ কার্যকর।

REF: কালের কণ্ঠ

সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন???যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের...
25/04/2017

সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন???

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ: আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়। হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও। ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন। এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা। হঠাত এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন। ১।যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন। ২।এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড। ৩।শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন। এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে। খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার,বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন। মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সাবধান থাকতে হবে সবাইকেই।

অ্যান্টিবায়োটিকে বাচ্চাদের ওজন বাড়েকাগজ অনলাইন ডেস্ক: যেসব বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয় তাদের ওজন ...
28/03/2017

অ্যান্টিবায়োটিকে বাচ্চাদের ওজন বাড়ে

কাগজ অনলাইন ডেস্ক: যেসব বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয় তাদের ওজন অন্য বাচ্চাদের চেয়ে বেশি হয়। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়, অ্যান্টিবায়োটিক বাচ্চাদের বডি মাস ইন্ডেস্ক (বিএমআই) এ মিশ্র প্রভাব ফেলে। বিএমআই মানবদেহের সঠিক ওজন ও উচ্চতা মাপার একটি মানদণ্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথ রিসার্চের প্রফেসর ব্রায়ান এস শোয়ার্জ এই গবেষণার প্রধান ছিলেন।
তিনি বলেন, একটি বাচ্চাকে যদি অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় তাহলে তার বিএমআই চিরজীবনের জন্য বদলে যেতে পারে। আমাদের গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যেসব বাচ্চাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে তাদের শরীরের ওজন খুব দ্রুত সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শোয়ার্জ ও তার সহকর্মীরা ২০০১ সালের জানুয়ারি ১ থেকে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২০ জন শিশুর ওপর এই গবেষণা চালান। যাদের বয়স ছিল ৩ থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে। গেইসিংগার হেলথ সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা হয়।

সংরক্ষিত তথ্য থেকে বিএমআই পদ্ধতিতে বাচ্চাদের ওজন ও উচ্চতা নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যেসব বাচ্চাদের আগের বছর কিংবা তারও আগে যাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, একজন ১৫ বছরের শিশু যাকে ছোটবেলায় কমপক্ষে সাতবার কিংবা তার চেয়ে বেশি বার অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে তার ওজন অন্য যেসব বাচ্চাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় নাই তার চেয়ে প্রায় দেড় কেজি বেশি।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ২১ শতাংশ শিশুদের সাত বা তার চেয়ে বেশি ছোটবেলায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।

অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোকেও ধ্বংস করে দেয়। যা শরীরের স্বাভাবিক খাদ্যপরিপাক প্রক্রিয়ার ধরনকে বদলে দিতে পারে। ফলে হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়ে শরীরে ক্যালরি জমাতে পারে। আর এ ক্যালরিই মেদ বাড়ার একটা কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

REF: bhorerkagoj

      এর মতে সারা বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়...
13/03/2017

এর মতে সারা বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আয়রনের অভাবের কারণে। রক্ত কোষে আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিন হল হিমোগ্লোবিন। এর প্রধান কাজ হল ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পরিবাহিত করা।

সাধারণত ১৪-১৮ মিলিগ্রাম একজন পুরুষের এবং ১২-১৬ মিলিগ্রাম একজন নারীর শরীরে হিমোগ্লোবিন থাকা উচিত। মাথা ঘুরানো, দুর্বল লাগা, ক্লান্তি লাগা, খাদ্যে অরুচি, শ্বাস কষ্ট, হার্ট বিট বৃদ্ধি ইত্যাদি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার লক্ষণ। ওষুধের পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলো।

১। আমলকী আয়রন, মিনারেল এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রেখে শরীরে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করে থাকে। প্রতিদিন খালি পেটে কয়েকটি আমলকী খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

২। বিট একটি বিট, তিনটি গাজর এবং অর্ধেকটা মিষ্টি আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে জুস করে নিন। এটি প্রতিদিন একবার পান করুন। এছাড়া খোসাসহ বিট সিদ্ধ করুন। তারপর এটি খান। খাওয়ার আগে খোসা ছাড়িয়ে নিন। বিটে থাকা আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার এবং পটাসিয়াম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে থাকে।

৩। আপেল প্রতিদিন একটি করে আপেল খান, এটি রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে। আপেল খাওয়ার পরিবর্তে আপেল এবং বিট মিশিয়ে জুস করে পান করতে পারেন। এর সাথে আদা অথবা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি দিনে দুইবার পান করুন।

৪। তিল তিল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন দুই ঘন্টা। তারপর এটি বেটে পেস্ট করে নিন। এর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মেশান। তিল এবং মধুর মিশ্রণটি দিনে দুইবার খান। এছাড়া এক কাপ দুধের সাথে তিলের পেস্ট এবং মধু অথবা গুড় মিশিয়ে পান করুন। এটিও রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

৫। ডালিম আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের রস পান করুন। এছাড়া দুই চা চামচ ডালিমের গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি দিনে একবার পান করুন।

৬। খেজুর এক কাপ দুধে দুটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন সকালে খালি পেটে এটি পান করুন। দুধ খেতে না চাইলে খালি পেটে কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন। এছাড়া ১-২টি খেজুর গরম দুধে ২-৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে এটি পান করুন। নিয়মিত পানে এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন পরিমাণ বৃদ্ধি করবে।

একজন কিডনি রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে ‘কামরাঙ্গা’ ! কামরাঙ্গাতে আছে এমন একটি উপাদান যা মানবদেহের মস্তিষ্কের জন্য বিষ। স...
12/03/2017

একজন কিডনি রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে ‘কামরাঙ্গা’ !

কামরাঙ্গাতে আছে এমন একটি উপাদান যা মানবদেহের মস্তিষ্কের জন্য বিষ। সাধারণ মানুষেরা কামরাঙ্গা খেলে, কিডনি তা শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি রোগীর দুর্বল কিডনি শরীর থেকে এই বিষ বের করে দিতে সক্ষম নয়। এর ফলে তা রক্ত থেকে আস্তে আস্তে দেহের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে এবং বিষক্রিয়াও ঘটাতে পারে। এই সমস্যার লক্ষণ গুলো হল- ১। ক্রমাগত হেঁচকি দেয়া ২। দেহ দুর্বল হয়ে যাওয়া ৩। মাথা ঘোরানো ৪। বমি বমি ভাব ৫। মাথা কাজ না করা ৬। দেহে মৃগী রোগীর মত কাঁপুনি উঠা ৭। কোমায় চলে যাওয়া ও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু কামরাঙ্গা খাওয়ার পর কিডনী রোগীর মধ্যে এই ধরণের লক্ষন গুলো দেখা দিলে দ্রুত তার hemodialysis এর ব্যবস্থা নিতে হবে।

Address

10 Mohammadi Housing Limited, Main Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

+8801812150021

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SH Medicine Store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram