Islamic Matrimony fb page

Islamic Matrimony fb page way to get married

24/02/2026

কল্যানকর বিয়ের জন্য রমাদ্বনে কি কি আমল করবেন?

▪️রমাদ্বন কুরআন নাজিলের মাস। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। কুরআন খতম দিন।
এই উসিলায় বিয়ের জন্য দু'আ তো করবেন ই,সাথে একটা বোতলে পানি রেখে কুরআন তিলাওয়াতের মাঝে মাঝে ফু দিয়ে রাখতে পারেন।

ইফতারের পরে যেকোনো সময় ঐ পানিটা খেয়ে নিতে পারেন ইনশাআল্লহ। আর সেই পানিটা একটু বালতির পানির সাথে মিক্স করে গোসল করতে পারেন,চেহারাও ধুয়ে নিতে পারেন ইনশাআল্লহ।বিয়ে না হওয়া বা ভাঙ্গার কারণের মাঝে যদি জ্বীন,যাদু,বদনজর–এই সম্পর্কিত কিছু থেকে থাকে তাহলে অনেক কাজে দিবে এটা।

আপনার জন্য এটা রুকইয়াহ হিসেবে কাজ করবে।কারণ আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সমস্ত কুরআন জুড়েই আমাদের জন্য শেফা রেখেছেন।

আল্লহ ﷻ বলেন– "আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত" (সূরা ইসরা;আয়াত:৮২)

সব বিয়ে ভাঙা বা বিলম্ব জ্বীন–যাদুর কারণে নয়। অনেক সময় কদর, সামঞ্জস্য না হওয়া, অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে উত্তম কিছু সংরক্ষিত থাকার কারণেও বিলম্ব হয়। তাই আমলের সাথে সাথে সঠিক অনুসন্ধান ও ইস্তিখারাও জরুরি।

▪️জমজমের পানি খেয়ে দু'আ করবেন। কদরের রাতগুলোতে,ইফতারের সময়,তাহাজ্জুদের সময়। এই সময় গুলোতে জমজমের পানি খেয়ে দু'আ করবেন ইনশাআল্লহ। জমজমের পানি খেয়ে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়।

▪️উঠতে-বসতে দরুদ-ইস্তেগফারের সাথে সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াত পড়বেন,সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াত পড়বেন।আল্লাহর কাছে দু'আ করতে হবে প্রচুর! দু'আয় সব সম্ভব! সব সব! আল্লহ'র কাছে প্রচুর চাইতে হবে। একজন উত্তম জীবনসঙ্গী ভিক্ষা চাইতে হবে রবের কাছে!

▪️ তাহাজ্জুদ মাস্ট! আপনাকে তাহাজ্জুদ পড়তেই হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২ রাকাত সালাত আদায় করবেন। নবিজীর ﷺ সুন্নাহ অনুযায়ী পড়তে চাইলে ২ রাকাত করে করে ৮ রাকাত পড়তে পারেন। সালাতের পর আল্লহ'র কাছে উত্তম জীবনসঙ্গীর জন্য দু'আ করবেন।

রাসূল ﷺ বলেছেন—রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লহ বলেনঃ “কে আছে যে আমাকে ডাকবে, আমি সাড়া দেবো?”

সুবহানাল্লহ! আল্লহ নিজেই আপনাকে চাওয়ার জন্য ডাকছেন। তাহলে রব্ব আপনাকে ফিরিয়ে কিভাবে দিবেন বলুন তো?

▪️বেশি বেশি সালাতুল হাজতের নামাজ আদায় করবেন।
(নিয়ম: সাধারণ দুই রাকাত নফল সালাতের মতই। শুধু নিয়্যাত হবে সালাতুল হাজতের)

▪️সালাতুল হাজতের নামাজের সিজদায় সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াত,সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াত, ইসমে আযম পড়বেন।

▪️অতিরিক্ত পরিমাণে ইস্তেগফার করতে হবে। ১দিনে ১০,২০,৩০ হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করুন।
কারণ আল্লহ ﷻ সূরা নূহের ১০ থেকে ১২ নং আয়াতে বলেছেন যে, ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লহ রিজিক বাড়িয়ে দিবেন। বিয়ে তো রিজিকের ই বিষয়! সুতরাং যত বেশি ইস্তেগফার, জীবনে তত বেশি বারাকাহ!

▪️ দরুদের আমল মিস দেওয়া যাবেই না! কোনোমতেই না! দরুদে ইব্রাহীম পড়ুন।আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী পড়ুন। ছোট দরুদও পড়তে পারেন ইনশাআল্লহ।

▫️ ইস্তেগফার এবং দরুদ সমান সংখ্যার রাখতে পারেন চাইলে। যেমন: ইস্তেগফার ১৫ হাজার বার, দরুদ ১৫ হাজার বার। আমল করতে করতে বিষয়টা সহজ হয়ে যায়। তাই সংখ্যা দেখে ভয় পাওয়ার কারণ নেই।

যারা অভ্যস্ত হয়ে গেছে দরুদ ইস্তেগফারের আমলে,তাদের কাছে এই সংখ্যাটা একেবারেই সহজ বিষয়। তবুও আমি বলবো সংখ্যার চেয়েও যেটা বেশি জরুরী তা হলো ইখলাস!

আপনি শুধু “আস্তাগফিরুল্লহ” “আস্তাগফিরুল্লহ” বুলি আওড়াচ্ছেন মুখে,কিন্তু সেই ইস্তেগফার গুলো প্রাণহীন।
মানে কোনো মুহাব্বাত নেই,ইখলাস নেই–এমন হলে হবেনা। মুহাব্বাতের সাথে এবং ইখলাসের সাথে ১ বার পড়লেও আল্লহ কবুল করে নিবেন ইনশাআল্লহ।

▪️বেশি বেশি দু'আ ইউনুস,ইয়া হাইয়্যু,ইয়া কায়্যুম,ইয়া যালজালালি ওয়াল ইক্বরম,ইয়া আহাদ,ইয়া ছমাদ–এগুলো পাঠ করতে পারেন। এগুলো ইসমে আযম। আরও কিছু ইসমে আযম আছে সেগুলো কমেন্ট বক্সে দিচ্ছি ইনশাআল্লহ।

▪️রমাদ্বনের প্রতিদিন ই সাদাকাহ করবেন যদি তা ১ টাকাও হয়! তাহাজ্জুদের সালাত শেষে সাদাকাহ করে এরপর দু'আ করবেন।

যারা ঘরে থাকেন তারা সাদাকাহ টা এভাবে করতে পারেন, একটা আলাদা বাক্স রাখতে পারেন। সেখানে প্রতি রাতে সাদাকাহ করবেন। এরপর সব টাকাগুলো একসাথে জমিয়ে কোনো জায়গায় সাদাকাহ করে দিবেন ইনশাআল্লহ।

নিয়্যাত থাকবে প্রতিদিনের সাদাকাহর। কিন্তু আমরা যারা বাহিরে কম যাই,তাদের জন্য এই পদ্ধতি।

উপরোক্ত আমল গুলো চাইলে যে কোন পেরেশানি থেকে মুক্তি, সন্তান লাভের জন্য, রিজিক বৃদ্ধির জন্য করতে পারেন ইনশাআল্লহ।

আল্লহ আমাদের বিয়েকে সহজ করে দিন।আমিন।
✍️ #উম্মে_আদন
#রমাদ্বন_আমল_সিরিজ (০১)

কপি

21/02/2026

ফিদইয়া (Fidya) হলো এমন ওয়াজিব দান, যা রোজা বা সিয়াম পালনে চিরস্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদীভাবে অক্ষম হলে তার পরিবর্তে আদায় করতে হয়। এটি মূলত রোজার 'বিকল্প' ইবাদত।

১. ফিদইয়া কাদের জন্য প্রযোজ্য?

সবাই ফিদইয়া দিয়ে রোজা বাদ দিতে পারবেন না। এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য:
অতি বৃদ্ধ: বার্ধক্যের কারণে যারা রোজা রাখার শারীরিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন এবং ভবিষ্যতে সুস্থ হওয়ার বা শক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
চিরস্থায়ী অসুস্থ: এমন কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত যা থেকে সুস্থ হওয়ার আশা নেই এবং রোজা রাখলে জীবনহানি বা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে (যেমন: ক্যান্সার, চরম পর্যায়ের ডায়াবেটিস, কিডনি ফেইলিউর)।

সতর্কতা: যদি কেউ সাময়িকভাবে অসুস্থ থাকেন (যেমন: জ্বর বা সাধারণ অসুস্থতা), তবে তিনি ফিদইয়া দেবেন না। তাকে সুস্থ হওয়ার পর ওই রোজার 'কাজা' (পরবর্তীতে ১টির বদলে ১টি রোজা রাখা) করতে হবে।

২. ফিদইয়ার পরিমাণ কত?

প্রত্যেক গরীব বা মিসকীনকে অর্ধ সা - ১.৫ কেজি খাবার যেমন আটা, চাল বা খেজুর প্রদান করা। অথবা খাবার রান্না করে মিসকীনদেরকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো।

৩. ফিদইয়া দেওয়ার নিয়ম বা পদ্ধতি

একসাথে দেওয়া: পুরো রমজান মাসের ৩০টি রোজার ফিদইয়া আপনি চাইলে মাসের শুরুতেই বা শেষে একবারে একজনকে দিয়ে দিতে পারেন।
আলাদাভাবে দেওয়া: প্রতিদিনের ফিদইয়া প্রতিদিন একজন দরিদ্রকে দিতে পারেন।
নগদ টাকা বা খাবার: আপনি চাইলে সরাসরি খাবার কিনে দিতে পারেন অথবা খাবারের সমপরিমাণ টাকা ওই দরিদ্র ব্যক্তিকে দিয়ে দিতে পারেন যাতে সে নিজের পছন্দমতো খাবার কিনে নিতে পারে।

কেউ যদি চান সরোবরের ফুড প্যাকেজের মাধ্যমে ফিদইয়া আদায় করতে পারেন।
একজন মানুষের ৩০ দিনের রোজার বদলে ৪৫ কেজি খাবার (চাল, ডাল এবং খেজুর) করার জন্য ৭টি ৮৫০ টাকার ফুড প্যাকেজ কিনতে পারেন।

আমাদের প্রোজেক্টে অংশগ্রহন করতে কমেন্টের লিংকের মাধ্যমে প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন।
অথবা আমাদের ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 01861005555 / 01750180040 — এই দুই নাম্বারে মেসেজ করতে পারেন।

18/02/2026

বিসমিল্লাহ

রমাদান মোবারক সবাইকে।

আল্লাহ আমাদেরকে আন্তরিকভাবে ইবাদত করার সৌভাগ্য দান করুন এবং কবুল করুন।

বিবাহিত ভাইদের প্রতি আবারো অনুরোধ:
শ্বশুরবাড়ি থেকে জোর করে ইফতারি আদায় করে গুনাহগার হবেন না, মা বাবাকে গুনাহগার করবেন না।

এটা ইবাদতের মাস।
এটাকে আমরা খাওয়াদাওয়ার উৎসবে যেন পরিণত না করি।
স্ত্রীকে রান্নাঘরে বন্দী করে ফেলবেন না।
খাওয়া-দাওয়ায় সংযমী হোন।

বোনেরা, ঈদের কেনাকাটায় বেশি সময় নষ্ট করবেন না।
রান্না করার সময়, সংসারের অন্যান্য কাজ করার সময় জিকির করতে থাকুন, দরুদ পড়তে থাকুন।
সম্ভব হলে এই একটা মাস টিভি সিরিয়াল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
ইনশাআল্লাহ এরপরে টিভি না দেখাটাই অভ্যাস হয়ে যাবে।

অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াত করুন;
কোরআন তাফসির পড়ুন।
আল্লাহর ৯৯ নাম এই রমাদানে
মুখস্ত করে ফেলতে পারেন।

দান- সাদাকার পাশাপাশি মানুষকে বিনা সুদে ধার ( কর্যে হাসানা ) দিন।
অনেকেই সাহায্য চাইতে লজ্জা পান
কিন্তু কোনভাবেই তারা
সংসার খরচ কুলিয়ে উঠতে পারছেন না।

আপনার দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি কর্যে
হাসানা তাদের জীবনে স্বস্তি এনে দেবে।
এই দুনিয়াতে আপনি মানুষের বিপদ দূর করতে এগিয়ে আসলে ইনশাআল্লাহ কিয়ামতের দিনে উত্তম প্রতিদান পাবেন।

অনেক মুসলমান সারা বছর ফজরের সালাত আদায় করেন না।
এখন চমৎকার সুযোগ এসেছে এটা আদায় করার।
সাহরি শেষ সময়ে খাবেন যাতে এর পরেই ফজরের সালাতটা আদায় করতে পারেন। অনেকে বেশি আগে সাহরি খেয়ে ফজরের আগে আগে ঘুমিয়ে যান ।
দয়া করে এই মারাত্মক ভুলটা করবেন না।

যারা ডায়াবেটিস রোগী, তারা ডাক্তারের পরামর্শে রোজা রাখবেন । ব্লাড সুগার নিয়মিত অবশ্যই চেক করবেন।
এতে রোজা নষ্ট হয় না, ওযু ভাঙ্গে না।
শরীর বেশী খারাপ লাগলে রোজা ভেঙ্গে ফেলবেন।
এটা শরীয়তে বৈধ।

আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি ভালো কাজ করার তৌফিক দান করুন।

সিনিয়র এডমিন
ইসলামিক ম্যাট্রিমনি

16/02/2026

বিসমিল্লাহ

আসন্ন রমাদানে মধ্যবিত্ত পরিবারে কর্যে হাসানা
দিতে পারেন।
ওনারা কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারেন না কিন্তু সব ধরনের সামাজিকতা রক্ষা করতে হয়।
ফলে খুবই আর্থিক টানাটানিতে
থাকেন।

আপনার দেওয়া দীর্ঘমেয়াদী কর্যে হাসানা ওনাদের জীবনে স্বস্তি আনবে।

কর্যে হাসানা :

কিছু কাজ আছে, যেগুলো করলে আল্লাহ তা’আলা সে আমল বহুগুণ বাড়িয়ে দেন। যেমন, মানুষকে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া।
আবু দারদা রাদিআল্লাহু আনহু বলেনঃ
কাউকে দুই দিনার ঋণ দেওয়া আমার কাছে এই দুটি দিনার কাউকে সদকা হিসেবে দিয়ে দেওয়ার চেয়ে বেশি প্রিয়। ” [ ১ ]
অনেকে হয়তো ভাবছেন, যদি সে আমাকে ঋণ ফেরত দিতে না পারে?

মজার ব্যাপার, দুনিয়া যখন তার দুয়ার আমাদের জন্য বন্ধ করে দেয়, তখন আল্লাহ তা‘য়ালা আমাদের জন্য তার অসীম ভান্ডার উন্মুক্ত করেন।

যাকে ঋণ দেয়া হয়েছে, সে যদি তা ফেরত দিতে দেরী করে তখন আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের জন্য সে ঋণের সওয়াব বহুগুণে ফিরিয়ে দেন।
রাসুলুল্লাহ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি-ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
“নির্দিষ্ট সময়ে পুরো ঋণ ফিরিয়ে দিতে হিমশিম খাচ্ছে এমন ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে যে দেনা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সময় দেয়, ওই ব্যক্তিকে এমন সওয়াব দেয়া হবে যেন সে প্রতিদিনই সমপরিমাণ টাকা সদকা করেছে।

আর যে সময় চলে যাওয়ার পরেও ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে আরও সময় দেয়, তাকে অতিক্রম হওয়া প্রতিদিনের জন্য এমন সওয়াব দেয়া হবে, যেন সে প্রতিদিন ধার দেয়া টাকার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ টাকা সদকা করেছে।” [ ২ ]
এ হাদিসে যে কী বিশাল সওয়াবের কথা বলা হয়েছে তা হয়তো অনেকেই ধরতে পারেন নি।
→একটা উদাহারণ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছি:
ধরা যাক, 'ক' দুই হাজার টাকা ' খ' কে
ধার দিল জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে।

তারা একমত হলো যে, জুলাই মাসের ১ তারিখে খ
টাকা ফেরত দেবে। তাহলে ক এই ছয় মাসে কত টাকা সদকা করার সওয়াব পেল?
৬ মাসে ১৮০ দিন। ওপরের হাদিস অনুযায়ী, ক প্রতিদিনই ২,০০০ টাকা সদকা দেওয়ার সওয়াব পাচ্ছে। তাহলে, ৬ মাসে সে পাচ্ছে ( ১৮০ × ২,০০০ ) তিন লক্ষ ষাট হাজার টাকা সদকা করার সওয়াব।
কিন্তু কোন কারনে খ ৬ মাস পর সে টাকা ফেরত দিতে পারলো না। তাহলে এর পরের প্রতিদিনের জন্য ক পাচ্ছে (দু’হাজার টাকার দ্বিগুণ) ৪, ০০০ টাকা সদকা করার সওয়াব।

যদি আরও ৬ মাস পর খ টাকা ফেরত দেয় তাহলে ক এই ৬ মাসে আরও (১৮০× ৪,০০০) সাত লক্ষ বিশ হাজার টাকা সদকা করার সওয়াব পেয়ে গেল।
ক কিন্তু খকে দিয়েছিল মাত্র ২, ০০০ টাকা। দুনিয়ার হিসাব অনুযায়ী, তার ২, ০০০ টাকার পুরষ্কারই পাওয়া উচিত। কিন্তু ইসলামে সে পাচ্ছে ( ৩, ৬০, ০০০ + ৭, ২০, ০০০) সর্বমোট দশ লক্ষ আশি হাজার টাকা সদকা করার সওয়াব।

একজন মধ্যবিত্ত মানুষ হয়তাে সারা জীবনেও এত টাকা সদকা করতে পারবে না। কিন্তু তার ভাইকে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে সে সহজেই সমপরিমাণ টাকা সদকা করার সওয়াব পেতে পারে।

والله يايه لمن يشاء
"আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন, তার জন্য বাড়িয়ে দেন।”[৩]

ফুটনোটঃ-
[১]. ইবনে আবি শাইবা, হাদিস নং : ২২৬৮২
[২]. মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং : ২৩০৪৬
[৩]. সুরা বাকারা, ২ : ২৬১ copy.

হারিয়ে যাওয়া মুক্তো
শিহাব আহমেদ তুহিন

***

কপি ও সামান্য সম্পাদিত

'বিয়ের আগে' বইটির উদ্দেশ্য, বুঝেশুঝে বিয়েতে উৎসাহিত করা। পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে বিয়ে করতে বলা। সঠিকভাবে সঠিক মানুষকে বিয়ে ক...
16/02/2026

'বিয়ের আগে' বইটির উদ্দেশ্য, বুঝেশুঝে বিয়েতে উৎসাহিত করা।

পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে বিয়ে করতে বলা। সঠিকভাবে সঠিক মানুষকে বিয়ে করতে বলা।
কারণ, আমরা অসংখ্য অপরিণামদর্শী বিয়ে দেখেছি। কত দ্রুত ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে সেসব বাঁধন, যা সৃষ্টি হয়েছিল ফ্যান্টাসির ওপর ভর করে। আর তেমনটা না হোক।

বিয়েকে কেউ খেলা না ভাবুক।

তরুণ-তরুণীরা বিয়ের আগেই বিয়ের বাস্তবতাগুলো বুঝে নিক, প্রস্তুত হোক, বিয়ে করুক। অতঃপর সুখে-শান্তিতে দুনিয়া-আখিরাতে একত্রে বসবাস করুক। আল্লাহুম্মা আমীন।

👉🏻অর্ডার করতে ক্লিক করুন:

লেখকঃ মানযূরুল করীম,তানজীল আরেফীন আদনান, ক্যাটাগরিঃ পারিবারিক জীবনবিধান, মূল্যঃ 130.0, লিংকঃ www.rokomari.com/book/269635 , সার সংক্ষে.....

16/02/2026

আমার বৈবাহিক জীবনটা মোটেও সুখের ছিল না। সত্যি বলতে, আমি মানসিক এবং আধ্যাত্মিক নির্যাতনের শিকার ছিলাম। আমার স্বামী সবসময় অন্য নারীদের দিকে নজর দিত, তাদের সাথে জড়াত, এমনকি আমাদের বাচ্চা হওয়ার পরও সে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিল। আমাদের সংসারে এটা কোনো গোপন বিষয় ছিল না। আমাকে আরও কষ্ট দেওয়ার জন্য সে আমার দিকে ফিরেও তাকাত না। যেহেতু সে আমার দিকে তাকানোটাও প্রয়োজন মনে করত না, তাই আমার বিশ্বাস হয়ে গিয়েছিল যে আমি তার ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্যই নই। এই অশান্তির মধ্যেই আমরা হজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। বছরের পর বছর ধরে জমানো আমার সবটুকু টাকা দিয়ে আমি হজে গিয়েছিলাম। কারণ আল্লাহ আমার স্বামীকে অঢেল সম্পদ দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু সে আমার হজের খরচ দিতে চায়নি।

আমার কাছে এটাই ছিল সুযোগ-আল্লাহর কাছে দোয়া করার, যাতে তিনি আমাকে আমার স্বামীর ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য করে দেন। আমি ভেবেছিলাম, যদি আমি তার চোখে 'যথেষ্ট ভালো' হতে পারি, তাহলে অন্য নারীরা তার জীবন থেকে সরে যাবে। আল্লাহ সম্ভবত আমাকে সেই জিনিসটা দেবেন, যা আমি দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি চেয়েছি: আমার স্বামীর ভালোবাসা।

ইনস্টাগ্রামে কাবার সামনে দম্পতিদের কত সুন্দর সুন্দর ছবি দেখি। কিন্তু আমার হজের অভিজ্ঞতা তেমন ছিল না। আমার কপালে সেটা জোটেনি। যার সাথে আমি গিয়েছিলাম, তার কারণেই আমার হজটা ছিল এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। আমি আল্লাহর ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে কেবলই মিনতি করছিলাম: 'হে আল্লাহ, আমাকে আরও ভালো বানিয়ে দাও, যাতে এই সংসারটা টিকে যায়।'

আমার হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল, আমি ছিলাম মরিয়া। তবুও আমার ঈমান ছিল প্রবল, কারণ আমি জানতাম আমি আমার জীবনের খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি। আমার দোয়ার উত্তরে আল্লাহ যা দেবেন, সেটুকুই ছিল আমার শেষ সম্বল। আমি ছিলাম পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থানে, বছরের সেরা দিনগুলোতে এবং সবচেয়ে সেরা ইবাদতে মগ্ন। কিন্তু একই সাথে আমি ছিলাম আমার জীবনের সবচেয়ে নিচু বিন্দুতে। এই দুনিয়া নিয়ে আমি বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। মনে হতো আমি কখনোই কারও জন্য 'যথেষ্ট' হতে পারব না। আমার মনে আছে, আমি কাবার চারপাশে ঘুরছিলাম আর আমার অস্তিত্বের শেষটুকু দিয়ে আল্লাহর কাছে চাইছিলাম। কাবার সামনে দাঁড়িয়ে দোয়ায় আমি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলাম। আমাকে বাঁচানোর ওটাই ছিল শেষ সুযোগ।

আরাফাতের দিনটির কথা আমার খুব মনে পড়ে। হাত দুটো আকাশের দিকে তুলে আমি বুকভরা আশা নিয়ে চাইছিলাম-এই দোয়া আমার সংসার, আমার ঈমান, আমার সন্তান, আমার মানসিক স্বাস্থ্য আর আমার আখিরাত (পরকাল) বাঁচাবে। আমি কেঁদে কেঁদে বলছিলাম: 'হে আল্লাহ, প্লিজ। আমার স্বামী যেন আমার দিকে তাকায়। সে যখনই আমার দিকে তাকাবে, আমার প্রতি তার ভালোবাসা যেন বেড়ে যায়। আর প্রতিবার তাকানোর সময় আমি যেন তার চোখে আরও সুন্দরী হয়ে উঠি।'

হজ থেকে ফেরার পর আমার স্বামী ইসলামি নিয়ম মেনে আমাকে তালাক দিল। আমি ভেঙ্গে পড়লাম, মেঝতে লুটিয়ে পড়লাম।

চারপাশটা কেমন যেন শূন্য, হিমশীতল লাগছিল। কানের কাছে বারবার বেজে উঠছিল ওর সেই পুরনো খোঁটাগুলো- 'শোনো, যদি কোনোদিন ডিভোর্স হয়, কেউ কিন্তু তোমাকে বিয়ে করবে না। বাচ্চার মা, তার ওপর ডিভোর্সি-এমন মেয়েকে কে ঘরে তুলবে?'

আমি অঝোরে কাঁদছিলাম আর বিলাপ করছিলাম-ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! নিজেকে ভীষণ ব্যর্থ মনে হচ্ছিল। বাচ্চার কাছে, স্বামীর কাছে, এমনকি রবের কাছেও আমি যেন এক পরাজিত সৈনিক। নিজেকে বারবার জিজ্ঞেস করছিলাম, 'কেন আমি যথেষ্ট ভালো হতে পারলাম না?' মনে হচ্ছিল আমার কলিজাটা টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে গেছে। আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি বলেছিলাম- 'হে আল-জাব্বার (যিনি ভাঙা জিনিস জোড়া লাগান)! আমার হৃদয়ের এই লক্ষ কোটি ভাঙা টুকরো তুমি জোড়া লাগিয়ে দাও। আমার এই ভাঙা মনটাকে তুমি সারিয়ে তোলো।'

ইদ্দত বা ডিভোর্স-পরবর্তী তিন মাসের সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক পরদিন আমার বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে গেল। তখন আমার মাথায় শুধু একটাই চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল-কাবার সামনে দাঁড়িয়ে করা সেই দোয়া। আমি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম যে, এই দুনিয়ায় স্বামী-সংসারের ভালোবাসা আমার কপালে নেই। তাই মনের ভেতর একধরনের জেদ চাপল-দুনিয়ায় যখন হলো না, তখন পরকালেই রবের কাছে এই ভালোবাসা চাইব। আমি আল্লাহর দরজায় কড়া নেড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু মনে হচ্ছিল আল্লাহ আমার ডাকে সাড়া দেননি। ইহরাম অবস্থায়, একজন হাজি হিসেবে আল্লাহর মেহমান হয়ে আমি দোয়া করেছিলাম, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার কথা। আমি তো শুধু একটু ভালোবাসা চেয়েছিলাম, যা আমার সংসারে কখনো পাইনি।

দুনিয়াতে আমার নিজের জন্য চাওয়া বলতে এটুকুই ছিল। আমি ভেবেছিলাম, কোনো এক অলৌকিক ঘটনায় আমার আগের স্বামীর মন গলে যাবে, সে আমাকে ভালোবাসতে শুরু করবে। কিন্তু আল্লাহ হলেন 'খাইরুল মাকিরিন'-সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী। আমার দোয়া ঠিকই কবুল হয়েছিল, কিন্তু ওই লোকের মাধ্যমে নয়। আল্লাহ চাইলেন, আমি যা চাচ্ছি তা নয়, বরং আমার জন্য যা কল্যাণকর, সেটাই আমি পাব। আলহামদুলিল্লাহ, কয়েক মাস পরেই আমার আবার বিয়ে হলো।

আমার নতুন স্বামীর এটা ছিল প্রথম বিয়ে। আমি জানতাম, তার বন্ধুরা তাকে উল্টাপাল্টা বোঝাত। তাদের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে জ্ঞান দিত- 'এখনই সময় এনজয় করার। দিন যত যাবে, সব বদলে যাবে। বউকে এখন যতটা সুন্দর বা ইন্টারেস্টিং লাগছে, পরে আর তা লাগবে না। বিয়ের জৌলুস একটা সময় হারিয়ে যায়, ফিকে হয়ে আসে।'

আমার স্বামী আমাকে খুব যত্ন করতেন, ভালোবাসতেন। কিন্তু একদিন সত্যি সত্যিই সব বদলে গেল। সেদিন সে আমাকে এমন একটা কথা বলল, যা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। সে বলল, 'জানো, যতবার আমি তোমার দিকে তাকাই, মনে হয় তুমি আগের চেয়েও বেশি সুন্দর হয়ে গেছ। যতবার তোমার কাছে আসি, তোমাকে আমি আরও বেশি ভালোবাসি।'

মুহূর্তের মধ্যে আমার কাবার সামনে করা সেই দোয়ার কথা মনে পড়ে গেল। এই কথাগুলো শুনে মনে হলো আমি ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে গেছি, কেউ আমাকে সত্যিকারের কদর করছে। এই কথা ভাবলে আমার এখনো চোখে পানি চলে আসে। আমি অনেক দিন তাকে ওই দোয়ার কথা বলিনি। কিন্তু আমি জানতাম, সে-ই হলো আমার সেই দোয়ার জীবন্ত উত্তর। পরে যখন তাকে বললাম, সে হেসে বলল, 'ওহ, তাই তো বলি! আমার বন্ধুরা তাহলে এতদিন ভুলভাল বকেছে। আসলে সব তোমার ওই দোয়ার কারিশমা!'

আল্লাহ জানতেন আমার মন আসলে কী চায়। ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমার রব আমাকে পরকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করাননি। তবে আমি যেভাবে চেয়েছিলাম, উত্তরটা সেভাবে আসেনি। আমি যার মাধ্যমে ভালোবাসা চেয়েছিলাম, তার মাধ্যমেও আসেনি।

আমি চেয়েছিলাম ভালোবাসা, আলহামদুলিল্লাহ আমি সেটা পেয়েছি এবং তার চেয়েও বেশি পেয়েছি। এই দোয়া আমাকে এক ভিন্ন ধরনের ভালোবাসার সন্ধান দিয়েছে-আমি অনুভব করেছি আল্লাহ আমাকে কতটা ভালোবাসেন। এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের কোলজুড়ে নতুন সন্তান দিয়েছেন। আর আমার আগের পক্ষের সন্তানদের বাবা না হওয়া সত্ত্বেও আমার স্বামী তাদের নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসেন। আমি চেয়েছিলাম কেবল ভালোবাসা, আর আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন দুহাত ভরে।

বই: পাওয়ার অফ দোয়া
লেখক: আলিয়া উম্মে রাইয়ান
অনুবাদ: আজমিন আক্তার ইভা
প্রি-অর্ডার মূল্য: ২৬০৳
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭২
প্রকাশনা: Iffah Publications

16/02/2026

❝আমি তখন আল-খানসা হিফজোখানায় পড়ি, বয়স ১৫/১৬ হবে, আমাদের হালাকায় এক মাঝ বয়সী মহিলা ছিলেন,আফ্রিকান মহিলা!

একদিন দুয়া কবুলের তালীম চলছিল,তখন সেই মহিলা কান্না করতে করতে বলেন-
“আমার মেয়ে অনেক জিদ্দি, সে এমন কিছুর আবদার করছিল যা আমরা সবাই বুঝতাম যে বিষয়টা অসম্ভব। তার বয়স হচ্ছিল, তার জন্য আমাদের গোত্রীয় ছেলেদের কত প্রস্তাব আসে কিন্তু সে রাজি হয় না। সে কালো চামড়ার, সে অনেক লম্বা আর অনেক স্বাস্থ্যবতী, আমাদের গোত্রে এমন মেয়ে মানে অনেক সুন্দরী।

কিন্তু এই আরবে তো কালো স্বাস্থ্যবতী মেয়েরা সুন্দরী না, আরবরা সাদা চামড়ার পাতলা ফিনফিনা মেয়ে পছন্দ করে। তো আমার মেয়ের ইচ্ছে সে আরবের সুন্দর ফর্সা চামড়ার ছেলের বউ হবে। তাকে অনেক বকা দিতাম, বুঝাতাম যে এমন আশা করলে জীবনেও বিয়ে হবে না....

মেয়ে বলতো আমার বিয়ে তোমরা দিবা নাকি আমার আল্লাহ দিবেন? কদিন পর আমার বড় ছেলে এক আরবের পক্ষ থেকে প্রস্তাব আনলো, আমরা সবাই অনেক খুশি হয়েছি। কিন্তু আমার মেয়ে না করে দিলো। কারণ সেই আরব লোকটা বৃদ্ধ ছিল আর তার আগের ৩ বউ ছিল। আমার মেয়ের খুব রাগ হলো আর আমাদেরকে সাফ জানিয়ে দিলো সে দ্বীনদার, আরব, নীল চোখ ওয়ালা সুন্দর যুবক চায় আল্লাহর কাছে। তার জন্য যেন আমরা কেউ পেরেশান না হই। আল্লাহই এনে দিবে তার এই স্বপ্নের রাজপুত্র।

আমরা বুঝেছিলাম ওর আর বিয়েই হবে না। একে তো ও কালো চামড়া, চেয়ে বসছে সুন্দর সাদা চামড়ার আরব! আমরা নিচু বংশীয় গরিব মানুষ আর আরবরা সেই ধনী আর উঁচু বংশীয়! সব না হয় মানলাম, কিন্তু নীল চোখ? এ আবার কোন পাগলামি? আরবদের বেশি থেকে বেশি খয়েরি চোখ হয়, কালো আর খয়েরি, নীল তো ইংলিশদের হয়! আমাদের তখন মনে হচ্ছিল ও আসলে বিয়েই করতে চায় না। তাই এমন সব আবদার করে। একদিন ওকে অনেক বকা দিয়েছি, গায়েও হাত তুলেছি। আমার মেয়ে কান্না করতে করতে বলছে এক সপ্তাহের ভিতরেই সে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে তার নীল চোখা আরব জামাইর সাথে।
আমরা খুব রাগ হলাম, মেয়ে পাগল হয়ে গেছে, মেয়ে বেয়াদব হয়ে গেছে এসব বলে বলে ওকে বকা দিচ্ছিলাম।

সেই এক সপ্তাহ আমার মেয়ে অনেক কান্না করেছে জায়নামাজ বিছিয়ে, সারাক্ষণ সারা রাত সে কান্না করে করে তার রবের নিকট দুয়া করেছে। ঠিক ৭ দিনের দিন তার জন্য এক নীল চোখ ওয়ালা সুদর্শন আরব যুবকের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব এসেছে। আমরা সবাই এতো বেশি খুশি হয়েছিলাম ভাষায় প্রকাশ করার মত না। আমি অবাক হয়েছি আমার মেয়ের ইয়াকিন দেখে, ওর তাওয়াক্কুল দেখে আর ওর দুয়ার ক্ষমতা দেখে।

আমি বিয়ের দিন আমার মেয়েকে বলছিলাম কী বলে সে আল্লাহর কাছে দুয়া করতো? মেয়ে বললো আমি সারাদিন ইস্তেগফার করতাম আর সারারাত আমার পছন্দ ব্যক্ত করে দুয়া করতাম। আর আমার ইয়াকিন ছিল আল্লাহর কাছে সবই সম্ভব।

আজ ৮/১০ বছর আমার মেয়ে অনেক সুখেই সংসার করছে। ওদের বাচ্চা গুলাও অনেক সুন্দর সুন্দর। কেউ সাদা কেউ কালো কেউ মাঝামাঝি। কিন্তু মজার বিষয় ওদের সবার চোখের রঙ নীল।

আমরা সবাই একটা ঘোরের মাঝে চলে গিয়েছিলাম এই গল্প শুনে। মহিলা প্রচুর কান্না করতে করতে বলছিলেন আর আমরা মারাত্মক রকমের ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলাম।

এই গল্প সেইদিন ঐ মজলিশের সবাইকেই এমন নাছোড়বান্দা বানিয়ে ছাড়ছিল। রাতের তাহাজ্জুদ আর ইস্তেগফারের কি ক্ষমতা তা এই দুইটা না করে বোঝা যাবে না!❞

লিখেছেন: উস্তাযা Zainab Al-Gazi

12/02/2026

বিসমিল্লাহ

জুমার রাত শুরু হতে যাচ্ছে ।

আল্লাহ যেন দেশের জন্য কল্যাণকর ফয়সালা করে দেন।

সবাই বেশি বেশি দোয়া করি

11/02/2026

বিসমিল্লাহ

বিবাহিত পুরুষদের বলছি:
আপনার শ্বশুরকে আগেই বলে রাখুন এবার রমাদানে ইফতারি পাঠাতে হবে না।
এবার আপনি শ্বশুরবাড়িতে ইফতারি পাঠাবেন।

যুগ যুগ ধরে আমাদের দেশে মেয়ের বাবা
রমাদান মাসে মেয়ের
শ্বশুরবাড়িতে ইফতারি পাঠান।

অল্প কয়েকজনের ইফতারি পাঠালে হয় না ।
যেদিন মেয়ের বাবা ইফতারি পাঠাবেন, সেদিন ছেলের মা তার চৌদ্দগুষ্টির সবাইকে দাওয়াত করেন।
ইফতারি একটু কম পরলে ছেলের বৌকে অপমানে অপমানে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করে দেন।

যেহেতু মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত,
তাই ছেলে চুপ করে এসব মেনে নেয়।

মা-বাবাকে সম্মান করা আর
তাদেরকে অন্যায় করতে দেখে
চুপ থাকা এক বিষয় নয়।

বৌয়ের উপর মা জুলুম করলে চুপ থাকতে হবে,
এটা কিন্তু ইসলাম বলে নি।

মেয়ের বাবাকে বাধ্য করা যে অনেক মানুষের জন্য ইফতারি পাঠাতে হবে ,এটা স্পষ্ট জুলুম।
এরপর ইফতার সামগ্রীর নানা দোষ খুঁজে বের করে বৌমাকে সবার সামনে অপমান করা, এটা মোটেও জায়েজ না।
বাবার বাড়ি থেকে ইফতার কম আসায় বৌকে সবার সামনে অপমান করা হয়েছে এবং বৌ আত্মহত্যা করেছেন , সিলেটে এমন ঘটনা ঘটেছে।
দোয়া করি,
এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আর যেন না ঘটে।

রমাদান ইবাদতের মাস ।
আমরা যেন একে খাওয়া-দাওয়ার
উৎসবে
পরিণত না করি।
বিশেষ করে শ্বশুরের টাকায় ধুমধাম করে নিজে ইফতারি করবো, আত্মীয় স্বজনদের খাওয়াবো,
এই জঘন্য মন -মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে ।

ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক এই নিয়ম পাল্টাতে
আসুন অন্য কিছু করা যাক।
আপনি কোনভাবেই এবার ইফতার এর জন্য
শ্বশুরের কাছ থেকে খাবার বা টাকা গ্রহণ করবেন না।
বরং
সাধ্যমত কিছু ইফতারি শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দিন।

আপনার মা বাবা প্রচন্ড রেগে যাবেন।
আত্মীয় মহলে আপনার নামে ছি: ছি: ধিক্কার শুরু হবে ।
সবাই বলবে , আপনি বৌয়ের ভেড়া বা গোলাম হয়ে গেছেন।

সমস্যা নেই ,ভাই ।
আপনি আল্লাহকে বলুন , হে আল্লাহ; যুগ যুগ ধরে চলে আসা যৌতুকের জঘন্য নিয়ম পাল্টাতে আমি সাধ্যমত কিছু একটা করছি । আপনি এটা কবুল করে নিন, এটাকে আমার জান্নাতে যাবার উসিলা করুন।
আমীন।

সিনিয়র এডমিন
ইসলামিক মেট্রিমনি

11/02/2026

“আড়ম্বরের বিয়ে বাড়ি”

- শোনো আম্মু, আমার সব বান্ধবীকে কিন্তু একই রঙের শাড়ি দিতে হবে!

- এক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে আলোকসজ্জা হবে!

- বলিউড নায়িকারা যাদের কাপড় পরে, সেই ডিজাইনারের কাপড় ছাড়া বিয়েই হবে না।

- বেডরুম ফার্নিচার দিতে হবে!

- সকল আত্মীয়কে কাপড় দিতে হবে!

- অমুক ভাবীর ছেলের বিয়ের চেয়ে আমার ছেলের বিয়ে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হতে হবে!

- হলুদের অনুষ্ঠানের জন্য অন্তত মাসখানেক আগ থেকে নাচের প্র‍্যাক্টিস করতে হবে…।

- বাবার সামনে হলুদ প্রোগ্রামে, কন্যা “শিলা কি জাওয়ানি” গানের সাথে নাচবে, বাবা হাততালি দেবে!

- প্রতি বিয়েতে পাঁচ-ছ’টা অনুষ্ঠান হবে…।

- জীবনে বিয়ে তো একবারই হয়, একটু খরচ না করলে তো সমাজে স্ট্যাটাসই থাকবে না! After all, মানুষ সামাজিক জীব!

- পছন্দমতো ভেন্যু পাওয়ার জন্য এংগেজমেন্ট করিয়ে ছেলে-মেয়েকে ছয় মাস থেকে এক বছর অপেক্ষায় রাখানো!

- ‘শোনেন ভাবী, আমার ফ্যামিলির একটা ট্র‍্যাডিশন আছে, আকদের পর, মেয়ে উঠিয়ে দেবার আগ পর্যন্ত আমরা বর-বউকে একসাথে থাকতে দিই না।"

‘কিন্তু ভাবী, ছেলে-মেয়ে এত বছর প্রেম করলো, তখন তো কিছু বললেন না!’
-
-
-
এই লিস্ট আরো লম্বা করা যায়, কিন্তু করতে ইচ্ছা হচ্ছে না। নিজের আশেপাশের মানুষদেরই যখন কিছু বোঝাতে পারি না, ফেসবুকে এসে জ্ঞানের বাণী কপচিয়ে কী লাভ!

“বিয়ে” নামক জিনিসটি আনন্দদায়ক করতে গিয়ে, দিনে দিনে বোঝায় পরিণত করা হচ্ছে। নবদম্পতি বহুবছরে যতটুকু সঞ্চয় করতে পারত, এক-একটি বিয়েতে তার চাইতে অধিক খরচ করা হচ্ছে।

খরচের ভয়ে বাবা-মায়েরা আজকাল সন্তানের বিয়ে নামাতে ভয় পান, অহেতুক বিলম্বিত করেন। তাদের প্রেম করতে দেখলে, না দেখার ভান করে থাকেন, কারণ প্রেম করতে বাধা দিলেই তো বিয়ে দিতে হবে…। আর বিয়ে অর্থ : স্ট্যাটাস, জাঁকজমক ও এককথায় টাকার খেলা!

বিয়ে একটি ইবাদত হবার কথা ছিল! কিন্তু আমাদের দেশের বিয়ে দেখলে বোঝা মুশকিল যে, এটি আসলে কোন ধর্মের ইবাদত পালিত হচ্ছে!

লেখা : হাসনীন চৌধুরী

#সীরাহ

11/02/2026

বিসমিল্লাহ

পবিত্র রমাদানে আমাদের পেইজ বন্ধ থাকবে।

কেউ বায়োডাটা
পোস্ট করতে চাইলে তাড়াতাড়ি ফর্ম পূরণ করে পাঠিয়ে দিন।

***

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

বায়োডাটা পোস্ট করতে কোন ফী দিতে হয় না।

আল্লাহতালার রাজি - খুশীর জন্যই ঘটকালি করা হয়।
এডমিনরা ব্যক্তিগতভাবে পাত্র-পাত্রী কাউকে চিনেন না। দুই পক্ষের অভিভাবক অবশ্যই বিয়ের আগে খোঁজখবর করবেন ।

যৌতুকলোভী পাত্র দয়া করে এই ফর্ম পূরণ করবেন না।
ফর্ম কপি পেস্ট করে টাইপ করুন।

কোন পাত্রী সরাসরি পাত্রের সাথে যোগাযোগ করলে তাকে পেজ থেকে ব্যান করা হবে। পাত্রীর অভিভাবক পাত্রের সাথে যোগাযোগ করবেন।

বায়োডাটা ফর্ম:

( পাত্র / পাত্রীর জেলা, বিভাগ)

১. কার জন্য ফর্ম পূরণ করছেন?
২. জন্ম তা‌রিখ (আসল)
৩. উচ্চতা,ওজন ও গায়ের রং :
৪. শিক্ষাগত যোগ্যতা:
৫. পেশা:
৬. বৈবাহিক অবস্থা ( বাচ্চা থাকলে বয়সসহ উল্লেখ করুন। কার কাছে থাকে ? )
৬. বর্তমান ঠিকানা:
৭. স্থায়ী ঠিকানা:
৮. মা বাবার পেশা:
৯. মোট ভাই বোন ও আপনার অবস্থান:
( আপনি যদি পালক সন্তান হোন উল্লেখ্ করুন )

১০. পাত্র পাত্রী যার জন্য যে প্রশ্ন প্রযোজ্য , তার জবাব দিন।
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত/জামাআতে আদায় করেন?

সুন্নত তরিকায় কাপড় চোপড় পরেন?
টাকনুর উপর কাপড় পরেন কিনা?
দাড়ি আছে কি?
সহি শুদ্ধভাবে নিয়মিত কুরআন পড়েন ?
হিজাব/বোরখা/নিকাব/হাত পা মোজা পরেন কিনা?

১১. শারীরিক কোন অঙ্গহানী/বড় কোন রোগ/অসুখ আছে কি না:
১২.আপনার মাযহাব উল্লেখ করুন : ( কোন মাযহাবে আপত্তি থাকলে জানান )এবং পছন্দের আলেমদের নাম:
১৩.রক্তের গ্রুপ:
১৪. ছেলেদের ক্ষেত্রে স্ত্রীর চাকরি করার অনুমতি আছে কিনা এবং স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন কি ?

১৫.
পাত্রের জন্য প্রশ্ন:

বিয়ের পর কি স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকবেন নাকি নিজের পরিবারের সাথে রাখবেন?

সেক্ষেত্রে স্ত্রীর পর্দার ব্যাপার কিভাবে রক্ষা করবেন ?
এছাড়া, অনেক যৌথ
সংসারে বাড়ির বৌদের খাওয়া-বিশ্রামের কষ্ট হয় ।
সবার খাওয়া শেষ না হলে বৌ খেতে পারেন না,
বিশ্রামে যেতে পারেন না।
আপনাদের বাসায় কি এরকম নিয়ম আছে?

পাত্রীর জন্য প্রশ্ন:

আপনি কি একা সংসার চান নাকি যৌথ সংসারে থাকতে পছন্দ করবেন?

কেমন পাত্র/পাত্রী চাচ্ছেন:

১৬ কেমন দ্বীনদারিত্ব চান:
১৭. বয়স,উচ্চতা,চেহারা ইত্যাদি:
১৮. শিক্ষা:
১৯. পরিবার/অন্যদিক :
২০. পাত্র/পাত্রী ডি‌ভোর্সড, বিধবা, বিপত্নিক হলে রাজী হবেন ? পাত্র যদি বিবাহিত হোন এবং একাধিক বিয়েতে আগ্রহী থাকেন , পাত্রী কি সেই প্রস্তাব বিবেচনা করবেন ?

২১. জেলা প্রীতি বা অন্য কিছু বলার থাকলে বলুন: প্রবাসী চান কি না?

২২. বিয়ে কি সুন্নত তরিকায় করতে চান?

২৩. যে পাত্র ছবি দেখে যোগাযোগ করতে চান , যে পাত্রী অনলাইনে ছবি দেবেন না - এসব আগেই এখানে লিখুন।

২৪. মোহরানা সর্বনিম্ন কত হতে পারে, সর্বোচ্চ কত দিতে পারবেন?

২৫. বিশেষ কিছু বলার আছে?

এই প্রশ্নের জবাব অবশ্যই দিতে হবে:

২৬. আপনি কি থ্যালাসেমিয়া রোগী অথবা বাহক?

একটা বিশেষ রক্ত পরীক্ষা( হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস ) এর মাধ্যমে বাহক শনাক্ত করা যায়। আপনি কি রক্তের এই পরীক্ষা কখনো করেছেন?

স্বামী স্ত্রী দুজনেই থ্যালাসেমিয়া রোগী বা রোগীর বাহক হলে সন্তানের এই রোগ হবার ঝুঁকি বেশি । এ রোগে
আক্রান্ত শিশুদেরকে প্রতি মাসে রক্ত নিতে হয়।

সচেতনতার জন্য আমাদের বায়োডাটা ফর্মে নতুন এই প্রশ্ন সংযোজন করা হয়েছে।
আশা করি সবাই এ প্রশ্নের যথাযথ জবাব দেবেন এবং অন্যদেরও সচেতন করবেন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

যোগাযোগ:
পাত্র/পাত্রীর অভিভাবকের ইমেইল বা ফোন নাম্বার:

ফর্ম পূরণ করে পেজের ইনবক্সে অথবা ইমেইলে পাঠিয়ে দিন:

islamic.matrimony.2010@gmail.com

Islamic Matrimony fb page

https://www.facebook.com/Muslimslifematrimony?mibextid=ZbWKwL

way to get married

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Matrimony fb page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Islamic Matrimony fb page:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram