Islamic Matrimony fb page

Islamic Matrimony fb page way to get married

02/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।

একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)।
সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল।

সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে।

তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোসাদ (Mossad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী, ফ্রি মিক্সিং মুক্ত পরিবেশ করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।
আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?
ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

— Sawtul Zilzal

Epstain files(এপস্টাইন ফাইল)প্রমাণ করে দিলো পশ্চিমা কথিত মানবতার ধ্বজাধারীরা আসলে এক্সাক্টলি কতটা অসভ্য! just Imagine! তারা শুধু পেডোফাইলই ছিল না সাথে সাথে তারা শিশুদের গোস্ত (মানুষ) খেতে পরিবেশন করত! এপস্টাইন আইল্যান্ডের খদ্দেরদের মধ্যে আছে ট্রাম্প,ইলন মাস্ক,মোদী ,জোহরান মামদানীর মা সহ পৃথিবীর নামিদামি টেক জায়ান্টের মালিকরা! অতএব আপনার আশেপাশের কুখ্যাত বিখ্যাত সেলিব্রিটিরা গ্লোবাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের না হলেও লোকাল এপস্টাইন ল্যান্ডের খদ্দের হওয়াটা সন্দেহের আওতায় অবশ্যই।

গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। মেরিকার সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে! যারা মানবতা, সভ্যতা, নারী অধিকার শেখায় তারাই পর্দার আড়ালে বর্বর, ঘৃণ্য, নিকৃষ্ট কাজকর্ম করে এসেছে, নারী শিশুদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বিকৃত যৌন নিপীড়নে মেতে ওঠে।
copy post

বিসমিল্লাহ আল্লাহর কাছে বেশি বেশি জান্নাতের জন্য দোয়া করবো।জান্নাতের প্রাসাদে যার সাথে অনন্তকাল থাকবেন,  এই দুনিয়াতে ত...
02/02/2026

বিসমিল্লাহ

আল্লাহর কাছে বেশি বেশি জান্নাতের জন্য দোয়া করবো।

জান্নাতের প্রাসাদে যার সাথে অনন্তকাল থাকবেন, এই দুনিয়াতে তার প্রতি যত্নশীল হোন।

02/02/2026
নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক https://www.facebook.com/share/p/17d8wSNiLM/
01/02/2026

নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক

https://www.facebook.com/share/p/17d8wSNiLM/

মানব।ধিকার সংস্থাগুলো কোথায়?
নারীব।দী সংগঠনগুলো কোথায়?

উত্তর- এ^প^স্টে^ইনের ডেরায়।

31/01/2026

নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক

আমাদের দেশের মেয়েরা পরকীয়া করার সময় ঠিকই বিবাহিত পুরুষকে বেছে নেবে।
কিন্তু কোনভাবেই বিবাহিত জীবনে স্বামীকে অন্য বিয়ে করার অনুমতি দেয় না।

অনেক মহিলা সারা জীবন অবিবাহিত থেকে যাবেন; তারপরও বৈধভাবে বিবাহিত পুরুষের দ্বিতীয় ,তৃতীয় স্ত্রী হতে চান না।

এসব নিয়ে মনোবিজ্ঞানী , সমাজবিজ্ঞানীরা গবেষণা করতে পারেন।

সিনিয়র এডমিন
ইসলামিক ম্যাট্রিমনি

30/01/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

পাত্রীর জেলা /বিভাগ- নারায়ণগঞ্জ , ঢাকা)

পাত্র চাই

Code: im at f 467

১. কার জন্য ফর্ম পূরণ করছেন? ( বোনের জন্য)

২. জন্ম তা‌রিখ (১৯৯৯)

৩. উচ্চতা,ওজন ও গায়ের রং :৫ ফিট, ৪২ কেজি, উজ্জ্বল শ্যামলা

৪. শিক্ষাগত যোগ্যতা:এইচএসসি -২০২২
এসএসসি-২০২০

৫. পেশা:নেই

৬. বৈবাহিক অবস্থা :ডিভোর্সড

৬. বর্তমান ঠিকানা:নারায়ণগঞ্জ

৭. স্থায়ী ঠিকানা: নারায়নগঞ্জ তবে জন্ম স্থান লক্ষীপুর

৮. মা বাবার পেশা:মা গৃহিণী বাবা অবসর প্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবি

৯. মোট ভাই বোন ও আপনার অবস্থান: ২ বোন এক ভাই। বোনদের মধ্যে আমি ছোট

১০. পাত্র পাত্রী যার জন্য যে প্রশ্ন প্রযোজ্য , তার জবাব দিন।
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত- মাঝে কাজা হয়
হিজাব/বোরখা/নিকাব/হাত পা মোজা পরেন কিনা?হিজাব নিকাব পড়া হয়

১১. শারীরিক কোন অঙ্গহানী/বড় কোন রোগ/অসুখ আছে কি না: আলহামদুলিল্লাহ নেই

১২.আপনার মাযহাব উল্লেখ করুন : ( কোন মাযহাবে আপত্তি থাকলে জানান )এবং পছন্দের আলেমদের নাম:শায়েখ আহমাদুল্লাহ

১৩.রক্তের গ্রুপ: এবি পজিটিভ

১৫.বিয়ের পর ছেলের পরিবারের সাথে থাকতে রাজি ।

কেমন পাত্র/পাত্রী চাচ্ছেন:

১৬ কেমন দ্বীনদারিত্ব চান: নামাজি হালাল হারাম মানে।

১৭. বয়স,উচ্চতা,চেহারা ইত্যাদি:(২৫-৩৫) বয়স, লম্বা ৫ ফিট প্লাস

১৮. শিক্ষা:মোটামুটি মানানসই

১৯. পরিবার/অন্যদিক :নিম্ন মধ্যবিত্ত

২১. জেলা প্রীতি বা অন্য কিছু বলার থাকলে বলুন: প্রবাসী চান কি না? নোয়াখালী, লক্ষীপুর নারায়ণগঞ্জের হলে ভালো

২২. বিয়ে কি সুন্নত তরিকায় করতে চান? হ্যা

২৩. পাত্রী অনলাইনে ছবি দেবেন না

২৪. মোহরানা সর্বনিম্ন কত হতে পারে? দুই পরিবার মিলে ঠিক করবে

২৫. বিশেষ কিছু বলার আছে?
আমি একজন সৎ কমর্ঠ দায়িত্বশীল মানবিক জীবনসঙ্গী চাই। অর্থের চেয়ে ও এই জিনিসগুলা বেশি প্রয়োজন

এই প্রশ্নের জবাব অবশ্যই দিতে হবে:

২৬. আপনি কি থ্যালাসেমিয়া রোগী অথবা বাহক?হ্যা


একটা বিশেষ রক্ত পরীক্ষা( হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস ) এর মাধ্যমে বাহক শনাক্ত করা যায়। আপনি কি রক্তের এই পরীক্ষা কখনো করেছেন? হ্যা

যোগাযোগ:
পাত্র/পাত্রীর অভিভাবকের ইমেইল বা ফোন নাম্বার:
01818363114

29/01/2026

আমরা অনেক দূরে… সত্যিই অনেক দূরে
আমরা সত্যিই বহুত দূরে… খুব দূরে।

প্রতিবার যখন আমি কোনো বোনকে আল্লাহর কিতাবের একটি সূরা দৃঢ়ভাবে মুখস্থ করাতে টেলিগ্রাম গ্রুপে সঙ্গ দিই, তখন এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হই, যা হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়।

আমার সঙ্গে এমন তিনটি ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাটি আমি জীবনে কখনো ভুলতে পারব না।

প্রথম ঘটনা:

ইয়েমেনের এক বোন। আমরা প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে তিলাওয়াত শোনাতাম।

তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিয়মিত ও দায়িত্বশীল। একদিন বললেন, ক্ষমা করবেন, আজ একটু দেরি হবে, সময়টা বদলাতে হবে।

আমি মজা করে বলেছিলাম, মনে হয় আমি বেশি সময় নিয়ে ফেলছি!
তিনি শান্ত স্বরে উত্তর দিলেন,
— না, আজ আমার বিয়ে।
হ্যাঁ…
আজ তার বিয়ের দিন।

আমি কিছুক্ষণ নীরব হয়ে গেলাম। বিষয়টি হজম করতে সময় লাগছিল। অথচ আমরা কত মাস, কত বছর কুরআনের হালাকা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি।

বাগদান, বিয়ের প্রস্তুতি, আকদ, বিয়ের পর—সব কিছুর অজুহাতে! আল্লাহ যাদের উপর দয়া করেন, তারাই কেবল ব্যতিক্রম।

দ্বিতীয় ঘটনা:
মরক্কোর এক বোন। ভীষণ শৃঙ্খলাবদ্ধ। আমাদের তিলাওয়াত হতো খুব সংক্ষিপ্তভাবে। কোনো অপ্রয়োজনীয় কথা নয়, কোনো ঢিলেমি নয়। যা আমাদের অভ্যাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।

একদিন আমি তিলাওয়াতে দুর্বল ছিলাম, বারবার ভুল করছিলাম। তখন তিনি বললেন,
—তুমি পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন চলছ না? আমরা কি ঠিক করিনি, প্রতি নামাজের পর পুনরাবৃত্তি করবে? এভাবে তো ঠিক হচ্ছে না।

আমি বললাম, সন্তানদের নিয়ে ব্যস্ত থাকি, বিশেষ করে যমজ বাচ্চা।

তার জবাব আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিল,
— এতে আশ্চর্যের কী আছে? আমি ছয় সন্তানের মা।
তাদের মধ্যে তিনজনকে একসঙ্গে গর্ভে ধারণ করেছি।

এখন তাদের বয়স প্রাইমারি থেকে দুধের শিশু পর্যন্ত। সন্তান আল্লাহর নেয়ামত, বিয়ে আল্লাহর নেয়ামত, কুরআনও আল্লাহর নেয়ামত।
তবে স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা কোথায়? সময় গুছিয়ে নাও, তাহলে বরকত আসবেই।

তৃতীয় ঘটনা:
লিবিয়ার এক বোন। আমাদের সঙ্গে নিয়মিত তিলাওয়াত করতেন। হঠাৎ টানা দু’দিন অনুপস্থিত, কোনো কারণ ছাড়াই।

আমার স্বভাবসুলভ কৌতূহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম,
— আপনি ঠিক আছেন তো? আমরা কি সূরাটি শেষ করব?
তিনি বললেন,
— হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল।
পরদিন যোগাযোগ হলে ক্ষমা চাইলেন। কারণ তিনি তখন সন্তান প্রসব করছিলেন।

গর্ভাবস্থার শেষ সময় পর্যন্ত তিলাওয়াত চালিয়ে গেছেন। কেবল অপারেশনের দিন ও তার পরের দিন এই দু’দিন বিরতি। এরপর আবার ফিরে এসেছেন, যেন কিছুই হয়
নি।

আর তখন নিজের কথা মনে পড়ল…
প্রথম গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মের সময় আমি পুরো দুই বছর কুরআন মুখস্থ বন্ধ রেখেছিলাম।

এই ঘটনাগুলো আলাদা আলাদা ছিল। কিন্তু আজ যে ঘটনাটি ঘটল, তা আমাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিল।

আজকের ঘটনা:

এক বোন, যার সঙ্গে আমি প্রায় দুই মাস ধরে আছি। অত্যন্ত কোমল ও স্নেহশীলা। আমার সন্তানদের কোলাহলে তিনি বিরক্ত হন না। বরং জোর দেন একটি আয়াত বিশবার না পড়া পর্যন্ত স্থির করবেন না।

তিনি ফিলিস্তিনি। বর্তমানে জর্ডানে থাকেন। তার পরিবারের অনেকেই শহীদ হয়েছেন।

আমি তাকে সান্ত্বনা দিলে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,
— তারা জান্নাতের শহীদ। আমরা আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যই সৃষ্টি হয়েছি। তাদের কোনো ভয় নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।

এই বোন সপ্তাহে তিন দিন তিলাওয়াতের সময় পরিবর্তন করেন। আমি খোলাখুলি বললাম পুরোনো সময়টাই আমার জন্য সুবিধাজনক। জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি অন্য কোনো হালাকা বা কাজে যুক্ত?

তিনি শান্তভাবে বললেন—
— না। এই দিনগুলোতে আমি খুব ভোরে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালে যাই।
ফিরতে দেরি হয়।
তাই অন্য সময়ে আপনার সঙ্গে যুক্ত হই।
আমি আর কিছু বলতে পারলাম না।

গত দুই মাস ধরে ডায়ালাইসিস শেষে তিনি বাড়ি ফেরেন, তারপর ফোন করেন, তিলাওয়াত শোনান, বারবার পুনরাবৃত্তি করেন, সূরা দৃঢ় করেন এমনকি একাধিকবার আবার কল করেন।

তিনি এখনো অবিবাহিতা, বয়স বিশের শেষের দিকে। আর আমরা সবাই জানি কিডনি ডায়ালাইসিস কতটা কঠিন।

আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি, হে মহান আল্লাহ, আরশের মহান রব, তাকে পূর্ণ আরোগ্য দান করুন এমন আরোগ্য, যার পর আর কোনো অসুস্থতা থাকবে না।

আমি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম—
আমি কি তাকে সান্ত্বনা দেব?
না কি বলব, আল্লাহ তোমাকে সুস্থ রাখুন?
না কি নিজের জন্য কাঁদব?

আমাদের কী এমন দূরে রাখে আল্লাহ থেকে, কুরআন থেকে?

কোন অজুহাত আমাদের আছে যখন কেউ মৃত্যু, রোগ আর শোকের মাঝেও কুরআন ছাড়ে না, রবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে না?

আমরা কী নিয়ে বিরক্ত হই, কিসে অতিষ্ঠ হই এইসব পরীক্ষিত মানুষের জীবনের তুলনায়?

সত্যিই…
আল্লাহ তাদের বেছে নিয়েছেন।
আর আমরা—অবহেলাকারী, গাফেল।

হে আল্লাহ,
আমাদের ক্ষমা করুন,
আমাদের ইখলাস দান করুন,
আমাদের জীবনে বরকত দিন,
এবং সুন্দর পরিণতি দান করুন।

কপি

28/01/2026

" তা বউমা আমার ছেলে কি তোমার গোলাম?না কি তোমার বেতনভুক্ত চাকরিজীবি?"

" এসব আপনি কি বলছেন মা?রাহাত আমার স্বামী।"

" হুম তা তো দেখতেই পাচ্ছি।তা তোমাকে কি আমরা এই বাড়ির বউ করে এনেছি আমার ছেলের উপর বসে বসে খাওয়ার জন্য?"

" মা আপনি কি সব আজেবাজে কথা বলছেন?"

" চুপ করো বেয়াদব মেয়ে।আমার ছেলেকে আমি কখনো কাজ করতে দি নি আর তুমি দু'দিনের মেয়ে তোমার সাহস তো কম না তুমি আমার ছেলে দিয়ে কাজ করাছো।"

" মা আমি কোথায় রাহাত কে দিয়ে কাজ করাচ্ছি?রাহাত আমার স্বামী,তাই সে আমাকে কাজে টুকটাক সাহায্য করে।রান্নাঘর থেকে ভাত-তরকারির বাটি খাবার টেবিলে এনে রাখলে স্বামী বউয়ের গোলাম হয়ে যায় না মা।"

আমার কথা শুনে শাশুড়ী মা থমথম করে রুম থেকে বেরিয়ে যান।আমি নন্দিনী,আমা স্বামী রাহাত।বিয়ে হয়েছে আমাদের প্রায় ৬ মাস হতে চললো।

বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে ছিলাম আমি তবে তার কারণে কোন কাজ পারিনা এমনটা নয়।ঘরের কাজ প্রায় অনেকটাই আমি পারি,তাই বিয়ের পর খুব একটা অসুবিধে হয়নি।বিয়েটা আমাদের পারিবারিক ভাবেই হয়েছে তবে আমাদের সম্পর্কে বিশ্বাস আর সম্মান দুটোই আছে।

রাতের খাওয়ার জন্য খাবার টেবিলে বসে আছে সবাই।আমার স্বামী রাহাতও অফিস থেকে ফিরে এসেছে।আমি সবাইকে খাবার পরিবেশন করে রাহাতের পাশের চেয়ারটা টেনে বসে পরলাম।

খেয়াল করলাম আমার শাশুড়ী মা প্রত্যেকটা দিনের মতো আজও আমি বসছি দেখে আমার দিয়ে বিরক্তি আর চাপা ক্ষোভ নিয়ে তাকিয়ে ছিলেন।শাশুড়ী মায়ের মুখের ভাব দেখে আমিও প্রতিদিনের মতো সবার আড়ালে
হাসলাম।

উনার এধরণের মুখের ভাবের কারণ আমি কেন ওনাদের সাথে খেতে বসেছি।বিয়ে প্রথম প্রথম বসতাম না,সবার খাওয়া হলে সব কিছু গুছিয়ে আমি একা খেতাম।কিন্তু একদিন এই চিত্র পরিবর্তন হলো।সবাইকে খাবার পরিবেশন করে নিত্যদিনের মতো আমি একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলাম,হুট করে রাহাত বলে উঠলো,

" নন্দিনী বসো আমাদের সাথে।দাঁড়িয়ে আছো কেন?"

আমি কিছু বললো তার আগেই আমার শাশুড়ী মা বলে উঠেন,

" ও পরে খাবে।"

" কেন?পরে কেন খাবে?এতোদিন কিছু বলিনি কারণ ও নতুন বউ ছিলো।আমাদের সাথে একসাথে বসলে ও ঠিক মতো খেতে পারবেনা তাই কিছু বলিনি।কিন্তু এখন তো ও আমাদের সাথে কিছুটা কম্ফোর্টেবল হয়েছে।তাই আজ থেকে নন্দিনীও আমাদের সাথে খাবে।কি হলো দাঁড়িয়ে আছো কেন?বসো।"

আমি একবার আমার শশুর-শাশুড়ী দিকে তাকিয়ে চুপচাপ বসে পড়লাম।আমি বসতেই রাহাত আমার প্লেটে খাবার তুলে দিয়ে ইশারায় আমাকে খেতে বললো।সেইদিন থেকেই আমিও সবার সাথে বসে খায়।
আজ ঘরে অনেক কাজ,দু'দন্ড যে বসবো তারও কোন সুযোগ নেয়।আজ নাকি আমার ননদ,তার স্বামী আর তার বাচ্চারা আসবে।শাশুড়ী মা আমাকে কড়া গলায় ৫/৬ টা পদ রান্না করতে বলে গিয়েছেন।আমিও চুপচাপ সব রান্না করতে থাকি।

বিকেল হতে হতেই আমার ননদ আর তার স্বামী,বাচ্চারা চলে এলো।বোন এসেছে শুনে রাহাতও আজ তাড়াতাড়ি অফিস থেকে বাড়ি ফিরে এসেছে আর আসার সময় সবার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে এসেছে।

বাইরে সবাই হাসি মজা করছে আর রাহাতের আনা পিজ্জা,বার্গার মজা করে খাচ্ছে,আমি রুমে এসে চুপচাপ শুয়ে আছি।সকাল থেকে এতো কাজ করে মাথা আর ঘাড় ব্যথা ধরে গিয়েছে।

হঠাৎ মাথায় কারো হাতে স্পর্শ পেলাম,আমি জানি এটা রাহাত তাই আর চোখ খুললাম না।

" খুব বেশি ব্যথা করছে?"

" হুম।"

রাহাত ড্রয়ার থেকে বাম এনে যত্ন করে কপালে মালিশ করে দিচ্ছে।সেইসময় এদিক দিয়ে আমার ননদ শিউলি যাচ্ছিলো।দরজা খোলা থাকার কারণে এই দৃশ্য সে দেখে নেয়।

" বাহ্ আমার ভাই তো দেখি বউয়ের সেবা করায় ব্যস্থ।ও বুঝতে পেরেছি আমরা এসেছি তো তাই অসুস্থতার নাটক করে আমার ভাইটাকে আলাদা করে রেখেছে।" মুখ বেঁকিয়ে বলে শিউলি।

প্রচন্ড মাথাব্যথা আর অসহ্য রকমের ঘাড় ব্যথার কারণে আমার কথা বলতেই ইচ্ছে করছেনা তাই ননদের কোন কথা উওর দিলাম না।কিন্তু আমি না বললেও রাহাত ঠিকই মুখ খুললো।

" আপু তুমি যাও এখান থেকে।ওর মাথাব্যথা করছে তাই একটু বাম লাগিয়ে দিচ্ছি।আর আমি তো তোমাদের সাথে কথা বলেই এসেছি।এমনটাতো না যে আমি তোমাদের বসে গল্প করি।যাও তো তুমি এখন এখান থেকে,একটু একা থাকতে দাও ওকে।"

আমার ননদ এসেছে আজ তিনদিন হলো।কাল তারা চলে যাবে বিদায়
রাহাত তাদের জন্য এবং আমার শশুড়-শাশুড়ীর জন্য কিছু কাপড় আর খাবার নিয়ে এসেছে।সবাইকে জিনিস দেওয়া হলে রাহাত আমাকে একটা শাড়ী,সাথে আইসক্রিমের বক্স আর কিছু চকলেট দেয়।
কিন্তু আমি সেসব ভালো করে দেখবো তার আগেই আমার ননদ আমার হাত থেকে তা কেড়ে নেয়।

" শাড়িটাতে খু্ব দামী মনে হচ্ছে।আমার এই শাড়িটা পছন্দ হয়ে।আমি এটা নিলাম,রাহাত তুই ওকে আরেকটা পরে কিনে দিস।আর আইসক্রিম আর চকলেট নিয়ে ও কি করবে ওগুলো বরং আমার বাচ্চারাই খাক।"

ননদের আচরণে আমি কষ্ট পেলেও হাসিমুখে কিছু বলবো তার আগেই রাহাত তার বোনের হাত থেকে জিনিসগুলো নিয়ে আবারো আমার হাতে দিয়ে দেয়।

রাহাতের এধরণের কাজে আমার ননদ আর শাশুড়ী দু'জনেই বড় বড় চোখ করে রাহাতের দিকে তাকালো।

" রাহাত এটা কোন ধরণের বেয়াদবি?তুমি তোমার বোনের হাত থেকে এভাবে কেন জিনিসগুলো নিয়ে নিলে?"

" মা আমি আপুর হাত থেকে জিনিসগুলো নেওয়াতে তুমি রেগে গেলে কিন্তু কিছুক্ষণ আগে যখন একই কাজটা আপু নন্দিনীর সাথে করেছে তখন তো তুমি কিছু বললে না।"

" দেখলে মা এই মেয়ে আমাদের ছেলের কান ভাঙিয়েছে।বিয়ে হয়েছে একবছরও হয়নি এখনই বউয়ের হয়ে এতো কথা বলছে,না জানি পরে কি করবে।তোমার ছেলে তো বউয়ের আঁচল ধরে ফেলে এখনই।"

বোনের কথা শুনে রাহাত হেসে উওর দেয়,

" না আপু বউয়ের আঁচল ধরিনি বরং তাকে তার প্রাপ্য অধিকারটুকু দিচ্ছি।মা বউয়ের কাজে সাহায্য করলে স্বামী বউয়ের গোলাম হয়ে যায় না।আর আপু বউয়ের একটু সেবা করলে সেটা বউয়ের আঁচল ধরা হয়ে যায় না।তোমার হাত থেকে জিনিসগুলো নেওয়াতে যেমন তোমার খারাপ লেগে নন্দিনীরও খারাপ লেগেছে।

এমনতো না যে আমি তোমাদেন কি দিনি,আমি তোমাদেরও দিয়েছি।তাহলে আমি যদি তোমাদের কিছু দিতে পারি তাহলে ওকে কেন দিতে পারবো না।

স্বামীর থেকে কিছু পাওয়া একজন স্ত্রীর অধিকার।নন্দিনীও রক্ত মাংসের মানুষ,তারও চাওয়া-পাওয়ার,অসুখ,বেদনা সব আছে।

আমি আমার বউকে তার প্রাপ্য অধিকার আর সম্মানটা দিচ্ছি,এতে যদি আমাকে বউয়ের গোলাম হয়েছি,বউয়ের আঁচল ধরেছি কথাগুলো শুনতে হয় তাতেও আমি সন্তুষ্ট,অন্তত আমি চারদেয়ালের ভিতরে নিজের পুরুষত্ব দেখাই না।"

কথাগুলো বলে আমার হাত ধরে টানতে টানতে রুমের মধ্যে নিয়ে আসতে থাকে রাহাত।

আমি পেছন ফিরে মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে হালকা হাসলাম।এমন স্বামী পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবতী মনে
হচ্ছে।এরকমই যদি সব স্বামী তার স্ত্রীকে সম্মান করতো,নিজের প্রাপ্য অধিকার দিতো,তার পাশে তাকতো তাহলে কোন বাড়ির বউকে নির্যাতিত হতে হতোনা।

____________________ সমাপ্ত____________________

প্রাপ্য_অধিকার
অনুগল্প
লেখিকাঃঅনন্যা_অসমি

নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।আত্মহত্যা কোন সমাধান না।দুনিয়ার কোন সমস্যার জন্য যেন জান্নাত হাতছাড়া না হয়। মা-বাবাসহ  বাপের ব...
27/01/2026

নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।

আত্মহত্যা কোন সমাধান না।
দুনিয়ার কোন সমস্যার জন্য যেন জান্নাত হাতছাড়া না হয়।

মা-বাবাসহ বাপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অনেক দায়িত্বশীল হতে হবে।
কি কারনে মা এমন করলেন জানি না।
বিপদের সময় কাউকে উনি পাশে পান নি?

হে আল্লাহ , এত কঠিন পরীক্ষা নেবেন না।

https://www.facebook.com/share/1E2XYYDJTG/
26/01/2026

https://www.facebook.com/share/1E2XYYDJTG/

সম্প্রতি গাজার একটা দৃশ্য সবার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে। যেখানে একজন স্বামী, একজন পিতা চালুনি দিয়ে মাটি থেকে নিজের পরিবারের হাড়ের টুকরোগুলো আলাদা করছেন।
গত দুই বছর ধরে ধ্বংসস্তুপের নিচে পরে ছিল তার স্ত্রী আর ছয় সন্তানের মৃতদেহ। দাফন, কাফনের কোনো সুযোগ ছিল না। দুই বছরে ধ্বংসস্তুপের নিচে তাদের লাশ কঙ্কাল হয়ে গিয়েছে।
এখন, ধ্বংসস্তুপের পাহাড় সরানো মাত্র চালুনি দিয়ে তিনি মাটি থেকে তার পরিবারের সদস্যদের হাড়গুলা পৃথক করছেন। সেগুলো দাফন করে একটুখানি স্বস্তি পাবেন, এই আশায়।

শুধু অবাক হয়ে ভাবছি, পুরুষদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কত শক্ত, দৃঢ় হৃদয় দিয়েছেন। যে দৃশ্যটা চিন্তা করতেও আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হওয়ার কথা, উনি নিজ হাতে সেই কাজটা করছেন। কিন্তু কি দরকার এসব করার? শরীর তো শেষ, হাড়গোড়গুলো সংগ্রহ করে দাফন করার কি দরকার!

নিজের স্ত্রী সন্তানদের দাফন করাটা তার দায়িত্ব, তাই নিজের বুকে পাথর রেখেও এই কাজটা করছেন। এই কাজটুকু করে নিজেকে সান্ত্বনা দিবেন যে তার পক্ষে নিজের দায়িত্ব যতটুকু সম্ভব ছিল,তিনি তা পূরণ করেছেন।

পুরুষকে কেন পরিবারের অভিভাবকের স্থানটা দেয়া হয়েছে, এই ঘটনাগুলো বারবার তা প্রমাণ করে দেয়।

আফসোসের বিষয়টা হচ্ছে, আমরা প্রায় সময়ই তথাকথিত নারীবাদীদের ধোঁকায় পরে, আল্লাহর আদেশকে অবজ্ঞা করে পুরুষকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত করতে চাই। নিজেদেরকে প্রতিটা ক্ষেত্রে পুরুষের সমকক্ষ প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠি।
যিনি সৃষ্টির মালিক,বিশ্বজাহানের মালিক, তিনি যে নিজেই নারীকে পুরুষের অধীনস্থ করে তার দায়িত্ব পুরুষের কাঁধে তুলে দিয়েছেন এই সুন্দর বিচারটা আমরা মানতেই চাই না।

পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা, অভিভাবকত্ব - এই গুণগুলো দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা নিজেই পুরুষকে সম্মানিত করেছেন। যেমন তিনি নারীদেরকে মাতৃত্ব, নমনীয়তা দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ন্যায়বিচারক। পুরুষকে অভিভাবক হিসেবে সম্মান দেওয়ার অর্থ নিজের নারী সত্ত্বাকে ছোট করা নয়, বরং পরিবারের জন্য পুরুষের দায়িত্ববোধ, সংগ্রাম, ত্যাগকে সম্মান করা আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার হুকুম পালন করা।

25/01/2026

আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوف
“তোমরা তাদের সাথে (তোমাদের স্ত্রীদের সাথে) সদ্ভাবে জীবন-যাপন করো।” [সূরা নিসা: ১৯]

ইমাম ইবনে কাসির রহ. এই আয়াতের তাফসিরে বলেন, “অর্থাৎ তোমরা তাদের সাথে সুন্দর ভাষায় কথা বলো, সুন্দর আচার-ব্যবহার করো এবং যথাসাধ্য পরিপাটি বেশ-ভুষা অবলম্বন করো যেমনটি তুমিও তার নিকট থেকে তা পেতে চাও।”

-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Matrimony fb page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Islamic Matrimony fb page:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram