05/03/2023
(IBS) বা উপদাহী অন্ত্র সংলক্ষণ (যাকে আগে স্পাস্টিক বা স্নায়বিক কোলন এবং স্পাস্টিক অন্ত্র হিসাবে উল্লেখ করা হত) হল পরিপাক নালির একটি ক্রিয়ামূলক ব্যাধি, যা একত্রিত লক্ষণগুলোর একটি গুচ্ছের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে পেটে ব্যথা এবং মলত্যাগের সামঞ্জস্যের পরিবর্তন।
উপসর্গ : পেটব্যথা, পেটফাঁপা, পায়খানার সঙ্গে আম যাওয়া, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমন্বয় ইত্যাদি। কোনো রোগীকে আইবিএস হিসেবে শনাক্ত করতে হলে এ লক্ষণগুলোতে অন্তত দুটি লক্ষণ তিন মাস পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে হবে।
চিকিৎসা : বর্তমানে আইবিএসের চিকিৎসা উপসর্গভিত্তিক। যেমন
ডায়রিয়াপ্রবণ আইবিএস (IBS-D),
কোষ্ঠকাঠিন্যপ্রবণ আইবিএস (IBS-C) ও
উভয় লক্ষণ থাকলে (IBS-M)
সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়।
প্রথমত, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। দুধ ও দুধজাতীয় খাবার রোগীর উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। তাই এগুলো পরিহার করতে হবে। খাবার খাওয়ার সময় লক্ষ্য করুন কোন খাবারগুলো আপনার উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়, সেগুলো পরিহার করুন।
মানসিক চাপ কমাতে হবে। এমনকি মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ব্যায়াম করতে পারেন অথবা মনকে আনন্দ আর প্রশান্তি দিতে পারে এমন কিছু করতে পারেন। রিলাক্সেশনথেরাপির মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যেতে পারে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়।
এই জন্য একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক, হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতি অনুসারে যে কোন জটিল কঠিন রোগের রোগীর চিকিৎসায় ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য লক্ষণ সমষ্টি ও ধাতুগত লক্ষন সমষ্টি ভালোভাবে পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে আল্লাহর রহমতে ভালো চিকিৎসা দিতে পারবে। যে সকল ঔষধ সমূহ সচরাচর ব্যবহৃত হয়। Colosynth, Carbo Ani, Acid nit, Bryo, Calc p, Mag p Ferrum phos, Graph, kali mur, Lyco, Nat mur, Nux v, O***m, plumb, puls, Sulp,Thuja,Veratrum Alba ইত্যাদি। এছাড়াও অন্যান্য ঔষধ লক্ষন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়।
সামগ্রিক উপসর্গ (লক্ষন) এর ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা হয়।
বি.দ্রঃ রেজিঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ গ্রহন করা উচিত নয়।
ডাঃ হাবিবুর রহমান
সাফিয়া হোমিও হল
মেঘুলা বাজার, দোহার-ঢাকা।
মোবা- ০১৮১৮৫২২৪০১
ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করুন। ধন্যবাদ