Dr. Md. Shabbir Ahmad

Dr. Md. Shabbir Ahmad নিয়মিত স্বাস্থ্য পরামর্শ পেতে পেজে ল?

ডাঃ মোঃ শাব্বির আহমাদ
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস অন কোর্স (ইউরোলজি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ), সিসিডি (বারডেম), সিএমইউ (ঢাকা)
প্রাক্তন মেডিকেল অফিসার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল), ঢাকা
বর্তমান কর্মস্থলঃ মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ডুমুরিয়া, খুলনা
মেডিসিন, ডায়াবেটিস, প্রেসার, বাত ব্যথা, নাক-কান-গলা এবং শিশু রোগের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

13/07/2021
12/07/2021

করোনা প্যানডেমিক এ কিছু পরামর্শ যা আপনার কাজে লাগতে পারে-------
-------------
ডা. উৎপল কুমার চন্দ,
সহকারী অধ্যাপক,
মেডিসিন বিভাগ,
খুলনা মেডিকেল কলেজ।

করোনার সংক্রমন ইনফ্লুয়েজ্ঞার মতো ঘরে ঘরে হচ্ছে। তাই, সবাইকে আরো বেশি বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

করোনা সাধারন আর দশটি ভাইারাল জ্বরের মতো হলেও, কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে।

ফুসফুসকে আক্রান্ত করার প্রবনতা বেশি বিধায় শতকরা পাঁচ থেকে দশভাগ রোগীর অক্সিজেন স্বল্পতা বিপদজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

তবে আশার কথা হলো ঐ পাঁচ থেকে দশভাগ রোগীর প্রায় পঁচানব্বইভাগ রোগীকে অক্সিজেন দিলেই অক্সিজেন এর মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে।

তবে, বয়স্ক রোগীগন,যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, কিডনী রোগ সহ অন্যান্য জটিলতা বেশি তাদের ক্ষেত্রেই অক্সিজেন এর স্বল্পতা বেশি হয়ে থাকে।সুতরাং, এই ধরনের রোগীদের সাবধান হতে হবে অনেক বেশি।

এ পরিস্থিতিতে যে কোন মানুষের জ্বর হতেই পারে। কিছু প্রস্তুতি আগে থেকে নিয়ে রাখলে আপনি করোনাকে সহজেই মোকাবিলা করতে পারবেন। যেমন -

১)করোনার লক্ষন সমন্ধে মোটামুটি ধারনা নিন। জ্বর, মাথা ও গায়ে ব্যথা, খাওয়ার অরুচি,নাক বন্ধ থাকা, গন্ধ না পাওয়া, গলা ব্যথা।
জ্বর সাধারনত এক থেকে সাতদিন থাকতে পারে। জ্বর আসার চার থেকে সাতদিন পর অথবা জ্বরের সাথেই শুকনো কাঁশি হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে বুকে চাপ ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কিছু রোগীর পাতলা পায়খানা, বমি অথবা বমি বমি ভাব হতে পারে।

এ সকল উপসর্গ থাকলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে হবে। করোনার পরীক্ষা করতে হবে।

২)বাড়িতে একটি থার্মোমিটার রাখুন। জ্বর মাপা শিখে নিন। বগলে মাপলে যে রিডিং আসবে তার সঙ্গে এক যোগ করে নিন। বগলে ৯৯ডিগ্রি হলে, জ্বর হবে ১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

২) ঘরে প্যারাসিটামল বড়ি এবং সাপোজিটর রাখুন। তাপমাত্রা ১০০ শত ডিগ্রী বা তার বেশি হলে খেতে হবে। চব্বিশ ঘন্টায় চারবার খাওয়া যাবে। মাথা ব্যথাতেও প্যারাসিটামল ভালো কাজ করে। রেজিষ্টার্ড চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া অন্য কোন ঔষধ সেবন করা বা ব্যবহার করা উচিত নয়।

৩) ঘরে একটি পালস অক্সিমিটার রাখুন। দিনে দুই থেকে তিনবার অক্সিজেনের মাত্রা মেপে দেখতে পারেন।অযথা বারবার মাপার দরকার নেই।

৪)কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে ?

এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে। সাধারনত নিমোক্ত সমস্যাগুলোতে রোগিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়-

ক)সাতদিন পরেও জ্বর ভালো না হলে।

খ)অতিরিক্ত কাঁশি, শ্বাসকষ্ট , একদম কিছুই খেতে না পারলে, অতিরিক্ত বমি ও ডায়রিয়া হলে, অক্সিজেন এর মাত্রা ৯৪ এর নিচে নেমে গেলে, রোগী অজ্ঞান হলে, শারীরিক অন্যান্য জটিলতা থাকলে ইত্যাদি ।

৫)বিশ্রামে থাকুন।বেশি বেশি খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে তরল খাবার। সব খাবার খাবেন। আমিষ জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। ডিম ,মাছ, ডাল ও ডালের জল বেশি খান।যে কোন ফল ও ফলের রসও খেতে পারেন। বেশি পানি পান করুন। স্যালাইন ও ডাবের পানি বেশ উপকারি।

করোনার জটিলতা বেশি হয় জ্বর আসার সাত থেকে চৌদ্দ দিনের মধ্যে। সুতরাং, জ্বর না থাকলেও কমপক্ষে তিন সপ্তাহ সাবধানে থাকুন।

করোনা হলে কমপক্ষে একমাস পর টিকা নিতে পারবেন। এ ব্যপারে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।

ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন বাড়িতে করোনা রোগী থাকলে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

অবহেলা করবেন না। কেননা ঐ পাঁচভাগ জটিলতা কার হবে তা আপনি আমি কেউ জানি না।

পৃথিবীর অতি উন্নত দেশও করোনা মোকাবিলা করতে হিমসীম খাচ্ছে। আমাদের মতো জনবহুল দেশে হাসপাতালের বেডের চেয়ে রোগী বেশি। তাই প্রতিরোধ প্রতিকারের চেয়ে অনেক ভালো।

টিকা নিন, মাস্ক ব্যবহার করুন, অযথা বাইরে বের হবেন না, বাইরে গেল সাবান পানি দিয়ে হাত ধৌত করুন অথবা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

একটি অনুরোধ,
বাড়িতে অক্সিজেন মজুত করবেন না।

15/04/2021

কোভিড ১৯ রোগের চিকিৎসার ভয়ংকর খরচ সম্পর্কে বলি। এটা কিন্তু বেশ বড়লোকি রোগ।

ধরুন আপনার করোনা হলো। আমি চাইনা হোক, মনে মনে একটু ধরে নিন।

প্রথমে ঘরে বসে আপনি মাইল্ড (হালকা) করোনার চিকিৎসা নিলেন। ফ্যাভিপিরাভির নামের ভাইরাসের ঔষধ, এন্টিবায়োটিক ইত্যাদি সহকারে আপনার দৈনিক প্রায় ১৫০০ টাকার মেডিসিন লাগতে পারে।

তো প্রথম ৫ দিনে আপনার খরচ ৭৫০০ টাকা।
একটা পালসঅক্সিমিটার কিনতে হবে স্যাচুরেশন মাপার জন্য। আরো ২০০০ টাকা। মোট প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হলো আপনার।

এখন ৫ দিনে মোট ১০ হাজার খরচ করার পর আপনি দেখলেন জ্বর কমছে না। ভালো বোধ করছেন না। রক্তের অক্সিজেন স্যাচুরেশন আপ ডাউন করছে। ডাক্তার আপনাকে পরবর্তী ধাপের কিছু টেস্ট দিলেন।

করোনার জন্য যেসব টেস্ট দেওয়া হয় তার মাঝে সবচাইতে প্রয়োজনীয় টেস্টগুলো দাম সহ বলি,
CBC 400/=, RBS 150/=, D Dimer 1500/= S ferritin 1000/=, Procalcitonin 3000/=, Prothrombin time 500/=, HRCT Scan chest 6000/=..

কোন ডিসকাউন্ট ছাড়া মোট দাড়ায় প্রায় ১৩ হাজার টাকার টেস্ট।

রিপোর্ট আসার পর জানতে পারলেন ফুসফুস এর ৪০% করোনা সংক্রমন হয়ে গেছে। আপনি এখন মডারেট করোনা (একটু সিরিয়াস) রোগের রোগী। আপনার ইনজেকশন নিতে হবে, অক্সিজেন লাগবে, মনিটরিং লাগবে।

এখন?

এখন তাইলে এবার হাসপাতালে ভর্তী হবার পালা।
প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তী হই চলেন।

ধরুন ওখানে কেবিন ভাড়া দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০০০/=
ডাক্তারের ভিজিট দৈনিক ১০০০/=
অক্সিজেন এবং অন্যান্য সার্ভিস দৈনিক ১০০০/=
ঔষধ যেগুলা ব্যবহার করা হয় এর মাঝে রেমডেসিভির এর দাম প্রায় ৫০০০/= করে প্রতি টি। ১০০০/= টাকার মেরোপেনাম এন্টিবায়োটিক ৩ বেলা দিতে হয়।
তো এগুলো এবং অন্যান্য ইনজেকশন মিলিয়ে দৈনিক ঔষধ খরচ ধরে নিন ৯০০০/=

তাইলে প্রতিদিন হাসপাতালে খরচ আপনার ১৫-১৬ হাজার প্রায়।

তো এভাবে আরো ৫ দিন দৈনিক ১৫০০০/= করে মোট ৭৫ হাজার টাকা খরচ করার পর আপনি দেখলেন সব ঔষধ সব চিকিৎসাকে যুদ্ধে হারিয়ে করোনাভাইরাস আপনাকে আরো কাহিল করে ফেলেছে।

মিনিটে ১৫ লিটার অক্সিজেন নিয়েও হচ্ছে না। আরো বেশী অক্সিজেন লাগবে। আরো ক্লোজ মনিটরিং লাগবে। তারমানে আপনি এখন সিভিয়ার করোনা (বেশি সিরিয়াস) রোগের রোগী।

তাইলে এবার চলেন ICU তে যাই।

ICU এর ব্যাপারে বেশী বলবো না, শুধু ধরেন ঔষধ, অক্সিজেন, সার্ভিস, টেস্ট, মেশিন ইত্যাদি সব মিলিয়ে দৈনিক সর্বনিম্ন ২০ হাজারের নীচে ICU তে খরচ হয় না।
সুতরাং ধরুন ৫ দিন দৈনিক ২০ হাজার খরচ করে ICU তে থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় এবং চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় আপনি বেচে ফেরত আসলেন।

ICU তে খরচ হলো মিনিমাম ১ লাখ টোটাল।

এরপর ICU থেকে কেবিন এ আসলেন আবার। আরো দিন পাচেক কেবিনে থেকে আরো প্রায় মিনিমাম ৫০ হাজার টাকা খরচ করে বাড়ি ফিরলেন।

আচ্ছা এবার গত ২০ দিনে মোট কত খরচ হলো হিসেব কষেন??

১০ হাজার + ১৩ হাজার + ৭৫ হাজার + ১ লক্ষ + ৫০ হাজার

টোটাল = ২ লাখ ৪৮ হাজার। রাউন্ড ফিগার আড়াই লক্ষ টাকা।

আচ্ছা দাড়ান দাড়ান। এটা জিনিস ভুলে যাচ্ছেন।

পরিবারে কি আপনি একলাই থাকেন?? বাকিরা থাকেন না??
আপনার থেকে যদি তাদের করোনা হয়ে যায় তাইলে??

উপরের হিসাবটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিবারের সবার জন্য আবার করুন।

কি মনে হয়? খরচের কথা ভেবে হাত পা ঠান্ডা হচ্ছে? মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্তদের হবার কথা।

হ্যা, আমরা সবাই ই চাই প্রথম দিকের ঐ ১০-২০ হাজার টাকার মাঝেই করোনার চিকিৎসা সেড়ে ফেলতে।
কিন্তু সবার কপাল এত ভালো থাকে না।
যার পরিনতি ICU পন্ত গড়ায়, তার খরচ কম বেশী ঐ আড়াই লাখ ই হয়ে দাড়ায়।

উপসংহারঃ

করোনা, স্বাস্থ্যবিধি, লকডাউন ইত্যাদি প্রসংগ আসলেই ইকোনমি নিয়ে আমাদের ভয়ংকর চিন্তা হয়ে যায়। চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তিগত খরচটি ও কিন্তু একটি বড়সড় ইকোনমিক লস, এটাও মাথায় রেখেন।

স্বাস্থ্যবিধি মানতে টানতে আর বলবো না। এগুলা শুনতে শুনতে বলতে বলতে আমরা টায়ার্ড।
::
Collected

ভিজিয়ে রাখা ছোলার সঙ্গে মধু .খাওয়ার উপকারিতাছোলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, সোডিয়াম এবং সেলেনিয়াম। সেই সঙ্গে রয়েছে আর...
30/09/2020

ভিজিয়ে রাখা ছোলার সঙ্গে মধু .খাওয়ার উপকারিতা

ছোলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, সোডিয়াম এবং সেলেনিয়াম। সেই সঙ্গে রয়েছে আরও বেশ কিছু উপকারি উপাদান, যা মস্তিষ্ক থেকে হার্ট, কিডনি থেকে লাং, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। চিকিৎসকেরা প্রতিদিন, সারারাত ভিজিয়ে রাখা এক মুঠো ছোলা মধুর সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এমটা যদি করতে পারেন, তাহলে একাধিক রোগ আপনার ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। সেই সঙ্গে মিলবে আরও অনেক উপকারিতা।

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
ছোলায় উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬ এবং পটাশিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি অন্য়দিকে ব্লাড প্রেসারকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
ব্রণ, পিম্পল, ডার্মাটাইটিস সহ একাধিক ত্বকের রোগ সারাতে ছোলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ছোলা খেলে যেমন উপকার পাওয়া যায়, তেমনি ছোলা গুঁড়ো করে বানানো বেসন, দুধের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগালে দারুন উপকার মেলে। বেসন এবং দুধ বা দই মিলিয়ে বানানো পেস্ট স্কাল্পে লাগালে চুল পড়াও অনেক কমে যায়। তাই যাদের খুব চুল উঠছে, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতেই পারেন।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
অল্প কিছু খেলেই কি বদ-হজন হয়ে যায়? তাহলে তো ছোলাকে রোজের সঙ্গী বানানো উচিত। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শুধু হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় না, সেই সঙ্গে ডায়ারিয়া এবং কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপও কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বার করে দিয়ে ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ছোলা খাওয়ার অভ্য়াস করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। আর এই খনিজটির পরিমাণ যত বাড়ে, তত সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে ধীরে ধীরে ব্লাড প্রসোর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এই কারমেই যারা অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেসারের সমস্য়ায় ভোগেন, তাদের নিয়মিত এক বাটি করে ছোলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

এনার্জির ঘাটতি দূর হবে
ছোলায় উপস্থিত পটাশিয়াম ক্লান্তি দূর করে শরীরকে একেবারে চাঙ্গা করে তোলে। সেই সঙ্গে কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা কোষেদের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায়
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলে সাধারণত অ্যানিমিয়ার মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। আর যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে ছোলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ। তাই এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরের অন্দরে লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়াতে দারুন কাজে আসে। আর একবার লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমতে শুরু করে।

ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে
প্রতিদিন এক মুঠো করে ছোলা খেলে শরীরের অন্দরে শর্করার শোষণ ঠিক মতো হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। শুধু তাই নয়, ছোলার মধ্যে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান শরীরকে ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে হঠাৎ করে ব্লাড সুগার লেভেল কমে গেলেও শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব পরে না।

21/08/2020

ডায়াবেটিস বিষয়ক আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে খুব শীঘ্রই লাইভে আসব ইনশাআল্লাহ।এই পোস্টের কমেন্টে আপনাদের প্রশ্নগুলো লিখে রাখুন।

21/08/2020

করোনার সংক্রমণ রোধের প্রথম ভ্যাকসিন হচ্ছে ভাল মানের মাস্ক ব্যবহার।মাস্ক ব্যবহার করুন, সাবধানে থাকুন।

Address

Komolpur
Dumuria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Shabbir Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Shabbir Ahmad:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category