26/01/2020
নতুন আতংকের নাম- উহান করোনা ভাইরাস (2019- nCoV corona virus)
চীনে প্রথম এই ভাইরাসের আক্রমণ দেখা দিলেও এখন বিশ্বের অনেক দেশ যেমন অস্ট্রেলিয়া, হংকং, ফ্রান্স, জাপান, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, নেপাল, সাউথ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, ইউএস, ভিয়েতনাম, সৌদি আরব এসব জায়গায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কারণে চীনে প্রায় ৫৬ জন মানুষ মারা গিয়েছে এবং ১৯৭৫ জন মানুষ আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ভাইরাসের উৎস পশু তা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
১) ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়-
★ আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি বা তাকে স্পর্শ করার মাধ্যমে
★ ভাইরাস আছে এমন কিছু স্পর্শ করে হাত না ধুয়ে মুখে লাগালে বা কিছু খেলে।
২) লক্ষণ/সিম্পটম-
★ সাধারণত ভাইরাল ফ্লু লাইক সিম্পটম যেমন ঠান্ডা, জ্বর, হাঁচি-কাশি, গলা ব্যথা।
মারাত্মক পর্যায়ে গেলে খুব শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এগুলো হতে পারে।
★ অনেক সময় কোন সিম্পটম নাও থাকতে পারে।
৩) চিকিৎসা বা প্রতিকার-
★ এ রোগের এখন পর্যন্ত কোন ভ্যাক্সিন বা প্রতিষেধক কিছু তৈরী হয়নি।
★ চিকিৎসা স্পেসিফিক কিছু না, সিম্পটম অনুযায়ী।
৪) এ রোগ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের করণীয়-
★ হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখতে হবে।
★ হাঁচি-কাশি হলে বা সর্দি লাগলে হাত ধুয়ে অন্যকে বা অন্যকিছু স্পর্শ করতে হবে।
★ মুখে মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে।
★ কিছু খাওয়া বা রান্নার আগে সেগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
★ বন্যপ্রাণী স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
★ শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আল্লাহ মাফ করুক এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে এ রোগে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি শনাক্ত করা হয়নি।
আর এ রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়ে কিন্তু সুস্থও হচ্ছে, সুতরাং আমরা ভীত না হই আর সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি।
বিদেশ থেকে পরিবারের বা পরিচিত কেউ দেশে আসলে তাকে এ রোগের স্ক্রিনিং এর জন্য মহাখালী IEDCR এ পাঠাতে পারেন।
সবাই ভালো আর সুস্থ থাকুন!
Dr. Irfan Ullah Sakib
Medical Officer, skin department, Dhaka Medical College Hospital.
(Ex EMO, General hospital, Faridpur)