Rab Medicine Corner

Rab Medicine Corner For all Kind of Medicine

23/01/2023
গুগল ম্যাপ স্ট্রিট ভিউ'তেরব মেডিসিন কর্ণার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সদাগনভূঞা, ফেনী
29/12/2022

গুগল ম্যাপ স্ট্রিট ভিউ'তে
রব মেডিসিন কর্ণার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দাগনভূঞা, ফেনী

02/05/2022

ঈদ মোবারক

পরিবর্তিত রুপে.......ভালো সেবার প্রত্যাশায়......
24/04/2022

পরিবর্তিত রুপে.......
ভালো সেবার প্রত্যাশায়......

পাওয়া যাচ্ছে
08/06/2020

পাওয়া যাচ্ছে

01/06/2020

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা শনাক্তকরণ কিট উদ্ভাবক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলের ধারণা, দেশে করোনার তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। আগামী এক মাসে করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠবে, যাতে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে পারে।

শনিবার (৩০ মে) রাতে একটি সংবাদমাধ্যমের ফেসবুক লাইভে অংশ নিয়ে তিনি তার এ ধারণার কথা তুলে ধরেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশে এরই মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেছেন। তবে তারা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তারা যে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা হয়তো জানেন না। হয়তো সামান্য জ্বর হয়েছে, কাশি হয়েছে, দুর্বলতা অনুভব করেছেন।
ইউরোপ-আমেরিকাকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে করোনাভাইরাস। সে তুলনায় সরকারি-বেসরকারি হিসাব মেলালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রভাব সেই আকারে দেখা যাচ্ছে না, এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউরোপসহ উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। ইউরোপের মানুষের ইমিউন ব্যবস্থা ‘স্ল্যাগিশ’।

ইউরোপে যখন করোনা সংক্রমিত হয় তখন তাপমাত্রা কম ছিল এবং বাতাস চলাচলও কম ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের তীব্রতা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমে গেছে। এখানে ইমিউন সিস্টেমসহ কিছু বিষয় কাজ করেছে। তবে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস যদি জানুয়ারিতে আসত তাহলে এর তীব্রতা আরও বেশি হতো। মার্চে যেহেতু এসেছে, সে কারণে এখানে এর তীব্রতা কম দেখা যাচ্ছে।

বিজন কুমার শীল বলেন, হার্ড ইউমিনিটিতে পৌঁছাতে হলে ৮০ ভাগ মানুষকে আক্রান্ত হতে হবে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে ঘটতে পারে বলে আমি মনে করি।

হার্ড ইমিউনিটি হচ্ছে এক ধরনের ‘কমিউনিটি ইমিউনিটি’, যখন সমাজের অনেক বেশি জনগোষ্ঠীর মাঝে কোনো সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। ফলে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই কিংবা দুর্বল, তাদেরও ওই রোগ হতে পরোক্ষভাবে সুরক্ষা দেয়া যায়।

তিনি বলেন, করোনা যেহেতু ছড়িয়েছে, সেহেতু আমরা যতই ঘরে লুকিয়ে থাকি, কাউকেই ছাড়বে না। ঝড় হলে যেমন প্রত্যেক গাছকেই টাচ করে যায়, করোনাও আমাদের প্রত্যেককে আক্রান্ত করবে। এক্ষেত্রে যাদের বয়স বেশি, অন্য অসুস্থতা আছে, তাদের ঝুঁকি বেশি। যারা শক্ত-পোক্ত, মনোবল দৃঢ়, তাদের ভয় কম।

করোনার এই দুঃসময়ে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মনে চলার পাশাপাশি মনোবল দৃঢ় রাখার পরামর্শ দেন। ড. বিজন বলেন, মনোবল শক্ত থাকলে ইমিউন সিস্টেম দৃঢ় হয়, তাতে ভাইরাস ততটা শক্ত আক্রমণ করতে পারে না। তাছাড়া নিয়ম করে গার্গল করতে হবে। ভিটামিন সি খেতে হবে, জিঙ্কসহ।

সূত্রঃ Bangladesh Pratidin

29/05/2020

করোনা চিকিৎসায় ১০০ টাকার বেশি খরচ নেই : ডা. জাফরুল্লাহ
প্রদীপ দাস | প্রকাশিত: ০২:৩৬ পিএম, ২৯ মে ২০২০

করোনা চিকিৎসায় ১০০ টাকার বেশি খরচ নাই: ডা. জাফরুল্লাহ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। ফুসফুসের এক্স-রেতে তার অবস্থার উন্নতি দেখা যায়। করোনায় আক্রান্তের পর তিনি প্লাজমা নেন। তাতে উপকার পাওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে দ্বিতীয়বারের মতো প্লাজমা নেন তিনি। তবে তার চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে খুবই স্বল্প খরচে।

তিনি মনে করেন, করোনা চিকিৎসায় সবকিছু মিলিয়ে ১০০ টাকার বেশি খরচ হয় না। স্বপ্নের কথা বলে ডা. জাফরুল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘যদি জীবনী শক্তি থাকে, যে সুবিধা আমি পেয়েছি (প্লাজমা গ্রহণসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা), বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিক যেন পায়, তার জন্যে আমি কাজ করতে চাই।’

ডা. জাফরুল্লাহ কী ধরনের ওষুধ-ব্যবস্থা গ্রহণ করে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং করোনায় আক্রান্তরা কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন- এমন নানা বিষয় নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন প্রদীপ দাস।

জাগো নিউজ: আপনার বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী?

ডা. জাফরুল্লাহ: ভালো। আমার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

জাগো নিউজ: প্রথম অবস্থায় আপনার হালকা জ্বর ছিল। বর্তমানে কী ধরনের উপসর্গ রয়েছে?

ডা. জাফরুল্লাহ: এখন জ্বর সামান্য। নাই বলা চলে। এখন একটা এক্স-রে করালাম হাসপাতালে। তাতে উন্নতি দেখা গেছে। এই রোগ তো শ্বাস-প্রশ্বাসে ঝামেলা করে। এজন্য লাংয়ের ছবি নিলাম, এক্স-রে করালাম। তাতে দেখা গেছে, অবনতি হয় নাই, বরং উন্নতি হয়েছে।

জাগো নিউজ: আপনি কী ধরনের ওষুধ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন?

ডা. জাফরুল্লাহ: অকারণে ওষুধ-টষুধের পেছনে ঘুইরা লাভ নাই। পয়লা তাকে একটা টেস্ট করাইতে হবে। যদি টেস্ট পজেটিভ হয়, তখন (প্রাথমিক অবস্থায়) ছোট সিম্পটম (উপসর্গ) থাকে। একটু জ্বর থাকে, সর্দি-কাশি থাকে। তাকে ৭০ পয়সার প্যারাসিটামল খেতে হবে। ৭ টাকায় ১০টা প্যারাসিটামল। গরম পানি খেতে হবে। আর কিছু করতে হবে না। তার নাক দিয়ে যদি পানি পড়ে, তাহলে এন্টিহিস্টামিন খেতে হবে। গণস্বাস্থ্যে সেটার দাম ৫০ পয়সা। আর গরম পানি খেতে হবে, কোনো ঠাণ্ডা খাওয়া চলবে না।

আর আলাদা থাকতে হবে। কোনোক্রমেই পরিবারের সাথে থাকা চলবে না। তাহলে সে পরিবারকে আক্রান্ত করে দেবে। এটাই হলো বড় কাজ। তারপর যদি দেখা যায় শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। ডাক্তার যদি দেখেন অক্সিজেন লাগবে, তা দিয়ে দেবে। আর দুটা করে প্রতিদিন ডক্সিসাইক্লিন খাবে ৬ দিন। করোনা চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ১০০ টাকা খরচ হবে।

আমার কথা হলো, যদি জীবনী শক্তি থাকে, যে সুবিধা আমি পেয়েছি, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিক যেন পায়, তার জন্যে আমি কাজ করতে চাই। সেটাই আমি জনগণকে অবহিত করতে চাই। অকারণে ৫০ হাজার টাকার ইনজেকশন নেয়ার কোনো মানেই হবে না। রেমডেসিভির গ্রহণ করা বোকামি কাজ করা হবে। এটার কোনো লাভ নাই। যত দ্রুত টেস্ট করা যাবে, আলাদা থাকা যাবে এবং খুব অল্প দামের ওষুধটা খেতে হবে। তাহলেই কোনো ভাবনা নাই।

জাগো নিউজ: আপনি দিনে গরম পানি কতবার খেয়েছেন?

ডা. জাফরুল্লাহ: আমি সারাদিনই খেয়েছি। আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা পরে পরেই গরম পানি খেয়েছি। কখনও কখনও মধু খেয়েছি। মধু খেলে গলার খসখসানিটা কমিয়ে দেয়। আরও একটা জিনিস রিকমেন্ট (সুপারিশ) করি- ভিটামিন সি উইথ ডি। এটা গণস্বাস্থ্যে আছে। ওটার বোধহয় দাম ৩ টাকা করে পড়ে। প্রতিদিন ৪টা করে ট্যাবলেট খেলে ওটা মানুষের প্রতিষেধক শক্তি বাড়ায়। তো সবকিছু মিলে ১০০ টাকার বেশি খরচ নেই।

কীভাবে বুঝবেন আপনার অস্টিওআর্থ্রাইটিস?বয়স্ক ব্যক্তিদের চলাফেরার অন্যতম অন্তরায় হলো হাঁটুব্যথা। হাঁটুব্যথার প্রধান কারণ অ...
13/10/2018

কীভাবে বুঝবেন আপনার অস্টিওআর্থ্রাইটিস?

বয়স্ক ব্যক্তিদের চলাফেরার অন্যতম অন্তরায় হলো হাঁটুব্যথা। হাঁটুব্যথার প্রধান কারণ অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা বয়সজনিত সন্ধিক্ষয়। এতে নারীরা বেশি ভোগেন। ৬৫ বছরের ওপর ৪৫ শতাংশ নারী হাঁটুব্যথায় ভুগে থাকেন। বয়স বৃদ্ধি এই হাঁটুব্যথার প্রধানতম কারণ। তবে কিছু বিষয় এমন সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। যেমন ওজনাধিক্য, বংশগতি, জীবনাচরণ, পেশা, হাঁটুতে কোনো আঘাতের ইতিহাস, অন্যান্য বাতরোগের উপস্থিতি ইত্যাদি। আবার হাঁটুব্যথা মানেই যে অস্টিওআর্থ্রাইটিস তা–ও নয়, আরও নানা কারণেও হাঁটুব্যথা থাকতে পারে। যেমন সংক্রমণ, আঘাত, বাতরোগ বা টিউমার।

কীভাবে বুঝবেন অস্টিওআর্থ্রাইটিস?

■ ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়ে, মাস–বছরজুড়ে বয়সের সঙ্গে বাড়তে থাকে।

■ প্রথম দিকে কিছুদিন ভালো, কিছুদিন খারাপ—এভাবে চলতে থাকে।

■ হাঁটাচলায় ব্যথা বাড়ে, বিশ্রাম নিলে কমে।

■ হাঁটু লাল বা বেশি ফোলা হয় না।



চিকিৎসা কী?

রোগ সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেওয়া জরুরি। এটি যে নিরাময়–অযোগ্য, তা মেনে নিন। কিন্তু চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যথা কমানো ও জীবনযাত্রার মান বাড়ানো সম্ভব। শুধু ওষুধের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়।

■ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন।

■ হাঁটু ভাঁজ করে বসা বা বসে কাজ করা, সিঁড়ি ভাঙা এড়িয়ে চলুন।

■ হাঁটুর চারপাশের পেশির কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যায়ামগুলো করুন।

■ ব্যথার তীব্রতার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান। অল্প ব্যথায় প্যারাসিটামল, ক্যাপসেসিন ক্রিম যথেষ্ট। না কমলে ব্যথানাশক বড়ি লাগতে পারে। তার আগে রোগীর কিডনি, যকৃৎ, হার্টের অবস্থা দেখে নিতে হবে।

■ ঠান্ডা গরম সেঁক সাময়িক আরাম দিলেও এর উপকার দীর্ঘমেয়াদি নয়।

■ সবকিছুর পর শল্যচিকিৎসা বা হাঁটু প্রতিস্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা যায়।

■ বাজার চলতি কিছু নতুন চিকিৎসা, যেমন স্টেমসেল থেরাপি, লেজার, পিআরপি ইত্যাদির দীর্ঘমেয়াদি উপকারিতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য–উপাত্ত এখনো পাওয়া যায়নি।

আপনার প্রয়োজন এ ....
21/09/2018

আপনার প্রয়োজন এ ....

21/09/2018

ঢ্যাঁড়স
অনেকেই লম্বা হওয়ার বা উচ্চতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টা সম্পূর্ণ নির্ভর করে বংশগত বৈশিষ্ট্যের ওপর। একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত মানবদেহের বৃদ্ধি ঘটে, উচ্চতা বাড়ে। তবে উচ্চতা ঠিকমতো বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক খাওয়াদাওয়ার ভূমিকা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুস্থ ও সক্রিয় জীবন যাপন করলে উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব। শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নির্দিষ্ট বয়সের পর শারীরিকভাবে বেড়ে ওঠা বন্ধ হয়ে যায়।

শিম
শিমে আছে প্রচুর ভিটামিন ও প্রোটিন, যা আপনার উচ্চতা বাড়াতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। শিমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু ও মাংসপেশি গঠনে কাজ করে; যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

ঢ্যাঁড়স
উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক যেসব সবজি রয়েছে, এর মধ্যে ঢ্যাঁড়স অন্যতম। ঢ্যাঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও আঁশ, যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

শালগম
শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন ও ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে; যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে।

পালংশাক
পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালংশাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

ব্রোকলি
উচ্চতা বৃদ্ধিতে সবুজ রঙের এই সবজিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

Address

Upazila Health Complex Gate, Dagonbhuiyan
Feni
3920

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

01712078535

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rab Medicine Corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rab Medicine Corner:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram