ECure.

ECure. Door to Door sample collection & Pathology Services. Fast, accurate, and hassle-free healthcare made simple.

Our expert technicians collect samples from your doorstep, perform top-notch testing, and deliver results right back to you.

বৃ্‌হস্পতিবার বিকাল ৩-৬ টা Dagonbhuiyan Diabetic  Hospital সবাই সিরিয়াল দিয়ে আসবেন। ধন্যবাদ।
09/04/2025

বৃ্‌হস্পতিবার বিকাল ৩-৬ টা Dagonbhuiyan Diabetic Hospital

সবাই সিরিয়াল দিয়ে আসবেন। ধন্যবাদ।

🔸কোন খাবারে কোন কোন ভিটামিন থাকে জেনে নিন এক ঝলকে! 🔸আপনার শরীরের সুস্থতা আর শক্তির জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ভিটামিন। চলুন দে...
06/04/2025

🔸কোন খাবারে কোন কোন ভিটামিন থাকে জেনে নিন এক ঝলকে! 🔸

আপনার শরীরের সুস্থতা আর শক্তির জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ভিটামিন। চলুন দেখে নিই কোন ভিটামিন আপনি কোন খাবার থেকে পাবেন:

1. ভিটামিন A:
চোখ ভালো রাখতে আর ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
যেসব খাবারে পাবেন: গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ডিমের কুসুম, কলিজা।

2. ভিটামিন B-কমপ্লেক্স:
শরীরে শক্তি জোগায়, মস্তিষ্ক আর নার্ভের কাজ ঠিক রাখে।
যেসব খাবারে পাবেন: দুধ, ডিম, বাদাম, মাছ, মাংস, শাকসবজি, দানা শস্য।

3. ভিটামিন C:
রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়, ত্বক সুন্দর রাখে।
যেসব খাবারে পাবেন: কমলা, লেবু, পেয়ারা, টমেটো, আমলকি, ব্রকলি।

4. ভিটামিন D:
হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
যেসব খাবারে পাবেন: রোদ (সূর্যের আলো), ডিমের কুসুম, চর্বিযুক্ত মাছ, ফোর্টিফায়েড দুধ।

5. ভিটামিন E:
ত্বক ও কোষকে সুরক্ষা দেয়।
যেসব খাবারে পাবেন: বাদাম, সূর্যমুখী তেল, অ্যাভোকাডো, পালং শাক।

6. ভিটামিন K:
রক্ত জমাট বাঁধাতে সহায়তা করে, হাড় শক্ত করে।
যেসব খাবারে পাবেন: বাঁধাকপি, ব্রকলি, পালং শাক, কলিজা।


নিজেকে ভালো রাখতে খাবারে রাখুন এই ভিটামিনগুলো। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন!

সারাদিন এসিতে থাকলে কী হয়?তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন সবাই। এই গরমে এসিতে থাকতে পারা মানে পরম আরা...
03/05/2024

সারাদিন এসিতে থাকলে কী হয়?

তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন সবাই। এই গরমে এসিতে থাকতে পারা মানে পরম আরামের ব্যাপার। বাড়িতে এসি আছে মানে এখন বাড়তি সুবিধা। কিংবা অফিসের কাজের চাপও এখন ততটা গায়ে লাগছে না কারণ দীর্ঘ সময় এসিতে থাকা যায়। কিন্তু এই আরামও আপনার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যদি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে শরীরে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে:
তীব্র গরমের সময় যদি আপনি দীর্ঘ সময় এসিতে থাকেন তাহলে তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। কারণ এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অনেক সময় ত্বক ফেটে গিয়ে চুলকানি দেখা দিতে পারে। আবার রোদ ও এসির ঠান্ডা এই দুইয়ের মাঝে আমাদের ত্বক অনেক সময় খাপ খাওয়াতে পারে না। যে কারণে ত্বকে দেখা দেয় অনেক ধরনের সমস্যা।

ডিহাইড্রেশন হতে পারে:
গরমের সময় যেকোনোভাবে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু আপনার বাড়িতে যদি এসি থাকে তাহলে তা বেশি আর্দ্রতা শোষণ করবে। যে কারণে ডিহাইড্রেশন দেখা দেওয়ার ভয় থাকে। তাই এসিতে থাকলেও আপনাকে একটু পর পর পান করতে হবে পর্যাপ্ত পানি।

শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে:
যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তারা এসিতে থাকার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন। কারণ অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় এসি রুমে থাকার কারণে শ্বাসকষ্ট বা খুশখুশে কাশি দেখা যায়। সেইসঙ্গে গলা শুকিয়ে আসা, চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই আগেভাগেই হতে হবে সতর্ক। অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। মিউকাস মেমব্রেনে প্রদাহের সমস্যাও হতে পারে এই অভ্যাসের ফলে।

মাথাব্যথা:
মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় এসিতে থাকলে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে অনেকের ক্ষেত্রেই। তবে শুধু মাইগ্রেন নয়, সেইসঙ্গে যেকোনো ধরনের মাথাব্যথাই বেড়ে যেতে পারে এই অভ্যাসের কারণে। ঠান্ডাজনিত অসুখের কারণে মাথা ব্যথার প্রকোপও দেখা যায়। তাই এসি রুমে থাকার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন।

#স্বাস্থ্য

গ্রীষ্মের গরমে শিশু ও নবজাতকের যত্ন কীভাবে নিবেন?বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা কয়েকদিন ধরে মৃদু থেকে তীব্র তা...
24/04/2024

গ্রীষ্মের গরমে শিশু ও নবজাতকের যত্ন কীভাবে নিবেন?

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা কয়েকদিন ধরে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সে কারণে সোমবার দ্বিতীয় দফায় ৭২ ঘণ্টার ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাতাস এত গরম যে এখন দিনের বেলায় ঘরের বাইরে পা রাখার উপায় নেই। আবার ঘরের ভেতরে যে খুব আরাম, বিষয়টি তেমনও না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপ শুধু ঘরের দেয়াল বা ছাদ না, আসবাবপত্র থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, সবকিছুকে গরম করে ফেলছে।

গ্রীষ্মের এই অসহনীয় গরম থেকে স্বস্তি পেতে প্রাপ্তবয়স্করা একটু পর পর চোখে-মুখে পানির ঝাপটা দিচ্ছেন, তৃষ্ণা পেলে পানি পান করছেন, রোদে বের হলে সঙ্গে ছাতা রাখছেন, রোদ চশমা ব্যবহার করছেন, কাজ করতে গিয়ে একটু জিরিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু শিশু ও নবজাতকদের বেলায় কী হচ্ছে?

শিশুরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না যে চৈত্রের কাঠফাটা রোদে তাদেরও কষ্ট হচ্ছে। তাই, গরমের সময় তাদেরকে বিভিন্ন রোগ-বালাই থেকে সুরক্ষিত রাখতে অভিভাবকদের বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে।

শিশু যেন অবশ্যই পানি পান করে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ।
শিশুদের গ্রীষ্মকালীন রোগ-বালাই
বছরের উষ্ণতম মাস এপ্রিলে শিশুরা সাধারণত ডায়রিয়া সহ নানা ধরনের চর্মরোগ, ভাইরাস জ্বর, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। এসময় হাসপাতালে রোগীর উপচে পড়া ভীড় থাকে।

“এখন হাসপাতালে এক হাজার থেকে ১২০০ রোগী আসে। আউটডোরে রোগীর চাপ অনেক বেশি। সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী। প্রচুর চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীও আসছে,” বলছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ শফি আহমেদ।

“শিশুরা এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ, গরমের সময় ভাইরাসগুলো বেশি জন্মায়। এসময় খাবারে অল্পতেই পঁচন ধরে। সেই খাবার যখন কেউ খেয়ে ফেলে, তাহলে তার ডায়রিয়া হয়ে যায়।”

এছাড়া, “চর্মরোগ ছোয়াঁচে হওয়ায় ছড়ায় বেশি। গরমের জন্য বাচ্চাদের বাইরে বড়দেরও এটি হচ্ছে।”

ডা. আহমেদ জানান, গরমে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, প্যারাসাইটজনিত রোগ বাড়ে। কারণ তাপমাত্রার সাথে এগুলোর সংক্রমণ বৃদ্ধির একটি সম্পর্ক আছে।

ভাইরাল ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার বাইরেও বাংলাদেশে এইসময় চিকেন পক্স বা জলবসন্ত, রুবেলা, মাম্পস, স্ক্যাবিস বা খোঁসপাচড়া ইত্যাদি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।

“স্ক্যাবিস খুব বেশি হয় এসময়। কিন্তু এর মূল কারণ, আমাদের দেশে ফাঙ্গাল ক্রিমের বেশিরভাগই তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। অধিকাংশ ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স হয়ে গেছে,” তিনি যোগ করেন।

সংক্রমণজনিত ছোঁয়াচে রোগ ছাড়াও শরীর থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘাম বেরিয়ে যাওয়ায় তীব্র গরমে শিশুরা হিটস্ট্রোকেও আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া, গরমে অনেক শিশুর ঘামাচিও দেখা দেয়।

শিশু ও নবজাতকরা যাতে এই ধরনের রোগ-বালাইতে আক্রান্ত না হয়, তাই বাবা-মায়েদেরকে কিছু বিষয়ে এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক আহমেদ।

অতিরিক্ত রোদ থেকে শিশুদের সাবধানে রাখা উচিৎ:
সূর্যের আলো থেকে ‘নিরাপদ দূরত্ব’
শিশুরা ঘরের বাইরে যেতে বা খেলাধুলা করতে পছন্দ করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এক্ষেত্রে এটা সবার আগে মনে রাখা প্রয়োজন যে গরমের সময় শিশুদেরকে নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়ালে তাদের খুব সহজেই হিটস্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সেজন্য “শিশুদের জন্য ইনডোর গেমসের ব্যবস্থা” করার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. আহমেদ।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এনএইচএস বলছে, ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখা উচিৎ। প্রাপ্তবয়স্ক শিশুদেরকেও গ্রীষ্মকালীন রোদ থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে, বেলা ১১টা থেকে বিকেল তিনটার সময়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি এন্ড মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি দ্বারা ১৮ বছরের নীচের শিশুদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সেজন্য যদি কোনও কারণে শিশুদেরকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে সানস্ক্রিন ও সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা দিবে, এমন পোশাক পরানো উচিৎ। সেইসঙ্গে, তাদেরকে ছাতার নীচে রাখতে হবে।

তাপদাহ'র সময় শিশুকে নিয়ে বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করা উচিৎ।
নিরাপদ পানি ও পানিজাতীয় খাবার
শরীরে যাতে পানিশূন্যতা দেখা না দেয়, তাই গরমের সময় তরল খাবার গ্রহণের কোনও বিকল্প নেই।

তবে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের পানি পান করানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাদেরকে এসময় “আর্টিফিশিয়াল মিল্ক না দিয়ে ব্রেস্ট ফিডিং” করানোর পরামর্শ দিয়েছেন ডা. আহমেদ।

গরমের সময়ে শিশুদেরকে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি বুকের দুধ পান করাতে বলছে এনএইচএসও।

তবে যেসব শিশুরা মায়ের বুকের দুধের বাইরে অন্য ‘সলিড’ খাবারও গ্রহণ করতে পারে, তাদেরকে বুকের দুধের পাশাপাশি বোতলে করে প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ পানি ও পানি জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে।

দিনে শিশুকে কতটুকু পানি খাওয়াতে হবে, এ প্রসঙ্গে ডা. আহমেদ বলেন যে “বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী তাকে পানি খাওয়াতে হবে।” এক্ষেত্রে, একজন পেশাগত স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো।

তবে জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি এন্ড মেডিসিনের তথ্য বলছে, ছয় মাসের বেশি বয়স যাদের, তাদের দৈনিক অর্ধেক থেকে এক কাপ পরিমাণ পানি পান করা উচিৎ।

যাদের বয়স এক থেকে দুই বছর, তাদের জন্য দৈনিক চার কাপ ও স্কুলে যায় এমন শিশুদের দৈনিক আট কাপ পরিমাণ পানি পান করা উচিৎ। বয়ঃসন্ধিকালীন শিশুদের বেলায় এটি দৈনিক আট থেকে ১২ কাপ।

এছাড়া, যারা প্রাপ্তবয়স্ক শিশু, তাদেরকে এ সময় ফল, ফলের শরবত, সালাদ ইত্যাদি খাওয়ানো উচিৎ। যেমন, তরমুজ। তরমুজ এমন একটি ফল, যার ৬০-৭০ শতাংশই হল পানি।

এর বাইরে গরমে শিশুর দুর্বলতা কাটাতে মাঝে মাঝে তাকে খাওয়ার স্যালাইন খেতে দেয়া যেতে পারে।
গরমে শিশুকে ফল খাওয়ানো উচিৎ।
শিশুর জন্য সুষম খাবার
চলমান তাপপ্রবাহের কারণে বাংলাদেশে যদিও এখন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিন্তু স্কুল খোলার পর শিশুরা যেম বাইরের খাবার না খায়, শিশুর বাবা-মাকে সেদিকে মনযোগী হতে বলেছে ডা. আহমেদ।

কারণ বাইরের ফুচকা, চটপটি কিংবা ফাস্টফুড খেলে সেখান থেকে ডায়রিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই, এসময় শিশুদেরকে যতটা সম্ভব “ফ্রেশ খাবার” খাওয়াতে বলেন তিনি।

মূলত, একটি শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য তার খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ইত্যাদি সঠিক পরিমাণে থাকা জরুরী।

তাই, এসময় শিশুদেরকে মৌসুমি ফলমূলের পাশাপাশি সহজপাচ্য বা সহজে হজমযোগ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়াতে হবে। যেমন- দুধ, ডিম, ফলমূল, শাকসবজি ইত্যাদি।

তবে গরমের সময় এমনিতেই শিশুরা খেতে চায় না। সেজন্য তাদেরকে যদি প্রতিদিন একই খাবার খাওয়ানো হয়, তাহলে অনেক শিশুর খাবারের ওপর অনীহা চলে আসতে পারে। সেজন্য বাবা-মাকে ধৈর্য ধরে মজাচ্ছলে নতুন নতুন উপায়ে তাদের সন্তানকে খাওয়াতে হবে।

এর বাইরে শিশুর শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য তাকে কোনওভাবেই আইসক্রিম দেওয়া যাবে না। কারণ গরমে আইসক্রিম খেলে তা দেহে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে তোলে।
গরমে শিশুকে তাজা শাকসবজি খাওয়াতে হবে।

আরামদায়ক ঘর:
বর্তমানে প্রায় সারাদেশে বিদ্যুৎ থাকায় সবার বাড়িতেই ফ্যান কিংবা এসির ব্যবস্থা আছে। কিন্তু গরমের সময় বিদ্যুতের চাহিদার যোগান দিতে না পারায় প্রচুর লোডশেডিং হয়। বিশেষ করে, গ্রামে।

তাই, গরমের সময় শিশুর যাতে হিটস্ট্রোক না হয়, সেজন্য ঘরে প্রাকৃতিকভাবেই আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কিছু পরামর্শ দেন অধ্যাপক আহমেদ। সেগুলো হল —

দিনের বেলা সকালে ১০টার পর যখন আস্তে আস্তে রোদ উঠে, তখন ঘরের জানালাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ ঘরের বাতাসের চেয়ে বাইরের বাতাস বেশি গরম। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর সন্ধ্যার সময় আবার ঘরের জানালা দরজা খুলে দিতে হবে।
ঘরের বিভিন্ন কোণে গামলার মাঝে বরফ রেখে যদি পানি রাখা হয়, তাহলে রুমগুলো থেকে আস্তে আস্তে তাপমাত্রা কমে যাবে।
ঘরের জানালাগুলোয় শাড়ি বা কাপড় ভিজিয়ে রাখতে হবে। এটা তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
বাথরুম ও রান্নাঘরে এক্সস্ট ফ্যান ব্যবহার করা উচিৎ। তাহলে তাপমাত্রা বাড়ে না।
ঘর আরামদায়ক হলে শিশুরা নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারে।

©বিবিসি নিউজ

গরমে কী খাবেন, কী খাবেন না।তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন।  এ সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম হয়ে বের হয়। এতে শরীরে সোডিয়াম...
21/04/2024

গরমে কী খাবেন, কী খাবেন না।

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। এ সময় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম হয়ে বের হয়। এতে শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে অস্বস্তি, ক্লান্তির মত একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। তাই শরীর হাইড্রেটেড রাখতে আপনাকে খেতে হবে পানি ও পানিযুক্ত খাবার।

গরমে কী ধরনের খাবার আমাদের শরীরের জন্য ভালো সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রাভা হেলথের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের পুষ্টিবিদ নূর-ই-জান্নাত ফাতেমা বেশ কিছু খাবারের কথা উল্লেখ করেছেন, যা শরীরকে এই গরমেও রাখবে সুস্থ।

পানি:
পূর্ণবয়স্ক একজন নারীর দিনে অন্তত ২.৫-৩ লিটার, পূর্ণবয়স্ক একজন পুরুষের ৩-৩.৫ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। তবে কিডনি রোগীদের অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করেই পানির পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।

গরমে লেবু বা ফলের শরবত খাওয়া খুবই উপকারী। ডাবের পানিও খুব দারুণ কার্যকর। এসব পানীয় খুব সহজেই শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করবে। ডাবের পানি ও ফলের শরবত খেলে পানির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের চাহিদাও পূরণ হবে।

সবজি:
কাঁচা পেঁপে, পটল, ধুন্দল, শসা, চিভিঙ্গা, গাজর, লাউ, পেঁপে, পালংশাক, টমেটো, শসায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। পানিশূন্যতা দূর করতে এই খাবারগুলো অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখার চেষ্টা করুন।

তাছাড়া পাতলা করে রান্না করা টক ডাল, সজনে ডাল শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। যাদের ইউরিক এসিড বেড়ে যায় তারা এ সময় ঢেঁড়স, বেগুন এড়িয়ে চলুন।

মৌসুমি ফল:
কাঁচা আম খুবই ভালো পানিশূন্যতা দূর করার জন্য। কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। এ ছাড়া ভিটামিন সি ও ম্যাগনেশিয়ামও আছে, যা শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।
তরমুজ শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। এতে আছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ, যা এই গরমে শরীরের জন্য দরকার।
বাঙ্গি একটি খুবই পুষ্টিকর একটি ফল, যা খুবই সহজলভ্য এবং দামেও তুলনামূলক সস্তা। শরীর ঠান্ডা রাখতে বাঙ্গির তুলনা নেই।

আখের রস:
আখের রস শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই কার্যকরী। আখের রসের সঙ্গে বিট লবণ, পুদিনাপাতা এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেলে এর স্বাদও বাড়ে, পুষ্টিগুণও বাড়ে।

বেলের শরবত:
বেলের শরবত পাকস্থলী ঠান্ডা রাখতে খুব কার্যকর। বেলে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১ এবং বি২, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ফাইবার।

পুদিনার শরবত:
শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে এবং সতেজ অনুভূতির জন্য পুদিনার শরবত অতুলনীয়।

জিরা পানি:
নোনতা স্বাদযুক্ত এই পানীয় হজমে সাহায্য করে।তবে ডায়াবেটিস রোগীরা শরবতে আলাদা করে চিনি বা মধু অ্যাড করবেন না।

যা খাবেন না:
অনেক কার্বনেটেড বেভারেজ আমরা গরমের সময় প্রচুর খেয়ে থাকি,যা ঠিক না। এই পানীয়গুলো শরীরকে সাময়িক চাঙা করলেও এর কোনো পুষ্টিগুণ নেই, বরং শরীরকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ঝাল, বাইরের খোলা শরবত, বাইরের খাবার, ভাজাপোড়া এ সময় যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন। পাতলা ঝোল ঝোল খাবার খাওয়া এ সময় সবচেয়ে ভালো।

@দেইলি স্টার

     #স্বাস্থ্যটিপস  #স্বাস্থ্য
20/04/2024

#স্বাস্থ্যটিপস #স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্যে ব্যায়াম।স্ট্রেসের সাথে আমরা সবাই-ই কম বেশি পরিচিত। আমাদের নগরজীবনের এক নিয়মিত সমস্যা “স্ট্রেস” যেটি আ...
15/04/2024

মানসিক স্বাস্থ্যে ব্যায়াম।

স্ট্রেসের সাথে আমরা সবাই-ই কম বেশি পরিচিত। আমাদের নগরজীবনের এক নিয়মিত সমস্যা “স্ট্রেস” যেটি আমাদের আরো অনেক শারীরিক এবং মানসিক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। স্ট্রেস থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই অনেক কিছু করেন–তবে আপনি যদি জীবনের চাপ বা এই স্ট্রেসকে পাশ কাটিয়ে দীর্ঘ সুস্থ জীবন চান তবে সবচাইতে সহজ সমাধান হলো: ব্যায়াম করা শুরু করুন।

চলুন প্রথমেই জেনে নেই স্ট্রেস প্রতিরোধে আমাদের কতটা ব্যায়াম করা দরকার।

স্ট্রেসকে দূরে রাখতে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট অর্থাৎ কমপক্ষে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট মাঝারি “অ্যারোবিক” ব্যায়ামের পরামর্শ দেয় আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন। যদি আপনার সময় কম থাকে, পুরো ৩০ মিনিটের সেশনটি সারাদিনে তিনবার ১০-মিনিট করে ভেঙে ভেঙে করতে পারেন।

এর পাশাপাশি আপনার সাপ্তাহিক রুটিনে পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়ামগুলোর কমপক্ষে দুইটি সেশন রাখা জরুরি। এ ব্যায়ামগুলো আপনার বাহু, কাঁধ, বুক, পিঠ, পেট, পা এবং অন্যান্য পেশিকে সবল রাখতে সহায়তা করে।

তবে যত সহজে বলে দেওয়া গেল নিয়মিত ব্যায়াম করা যে ততটা সহজ না সেটা আমরা সবাই-ই জানি। এজন্য প্রয়োজন অভ্যাসের। শরীরচর্চার সাথে ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে মানিয়ে নিন। প্রথমে না হয় সপ্তাহে তিন দিন ২০ মিনিট করে জোরে জোরে হাঁটুন এবং পরে সেখান থেকে ধীরে ধীরে বাড়ান।

কী ধরনের ব্যায়াম স্ট্রেস থেকে মুক্তি দেয়?

স্ট্রেস কমানোর জন্য যেসব ব্যায়াম–সেগুলো করার জন্য আপনাকে ক্রীড়াবিদ হতে হবে না। প্রায় যেকোনো ধরনের ব্যায়াম সহায়ক হতে পারে। মূল কথা হলো ঘাম ঝরতে হবে, হার্টবিট স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে রাখতে হবে। মাঝারি মানের যে-কোনো ব্যায়ামই এগুলোর জন্য যথেষ্ট।

মাঝারি অ্যারোবিক ব্যায়ামের মধ্যে আছে:

সাইকেল চালানো
দ্রুত হাঁটা বা জগিং
সাঁতার কাটা
টেনিস
নাচ
রোয়িং
এমনকি শীতকালের প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টন

পেশি-শক্তিশালী ব্যায়ামের ক্ষেত্রে ভারোত্তলনকে বিবেচনা করতে পারেন।

এমনকি বাগান করা বা লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি বেয়ে ওঠার মতো সহজ কিছু ব্যায়ামও আপনার স্ট্রেস কমিয়ে দিতে পারে।

“ব্যায়াম” শব্দটা শুনলেই আমরা অনেকে ভয় পেয়ে যাই। এই ভয়টা দূর করতে হবে। তাই আপনি উপভোগ করেন এমন কোনো শরীরচর্চা দিয়ে শুরু করা ভালো। আপনি আনন্দে থাকলে ব্যায়াম আপনার দৈনন্দিন কাজের অংশ হয়ে উঠবে, তখন আর এটাকে বোঝা মনে হবে না।

ব্যায়ামের ভীতি কাটানোর একটা ভালো উপায় হলো বন্ধু বা পরিবারের সাথে মিলে একসাথে শরীরচর্চা করা। যেমন দুই বন্ধু মিলে দৌড়ান বা সাঁতার কাটেন কিংবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে হাঁটতে বের হন। এতে ব্যায়ামের শারীরবৃত্তীয় উপকারগুলো বেড়ে যায় এবং পাশাপাশি বন্ধু বা পরিবারের সাথে সম্পর্কটাও আরো ভালো হয়ে ওঠে, যা স্ট্রেস কমাতে আরো বেশি সাহায্য করে।

তবে সব বয়সের জন্য সব ধরনের ব্যায়াম নয়। আপনার বয়স এবং শারীরিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই কোন ধরনের ব্যায়াম করবেন এবং কতক্ষণ করবেন সেটা ঠিক করে নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন, তিনি আপনাকে আপনার শরীরের ফিটনেস অনুযায়ী পরামর্শ দিবেন।

#স্বাস্থ্য #ব্যায়াম

     #স্বাস্থ্য  #পানি
13/04/2024

#স্বাস্থ্য #পানি

Eid Mubarak ❤️
11/04/2024

Eid Mubarak ❤️

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়আমাদের শরীর যখন যে-কোনো ধরনের রোগ-জীবাণু কিংবা ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্...
09/04/2024

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায়

আমাদের শরীর যখন যে-কোনো ধরনের রোগ-জীবাণু কিংবা ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন সেগুলো থেকে শরীরকে রক্ষা করে আমাদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। সুতরাং, যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যতটা ভালো, তার রোগ-বালাইয়ে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ততই কম। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কিছু অংশ আমরা জন্মের সময়ই অর্জন করি আর বাকিটা আমাদের জীবনযাপন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। তাই শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে নিচের নিয়মগুলো মেনে চলা খুব জরুরি। এগুলো হলো:

১. ধূমপান এবং যে-কোনো ধরনের নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি যদি ধূমপায়ী হোন তবে যে-কোনো রোগে আপনার আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের থেকে অনেক বেশি।
২. স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। তেল, চর্বি ও বেশি মশলাযুক্ত খাবারের বদলে শাকসবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। চিনিযুক্ত খাবার কম খাওয়াই ভালো। চা-কফি অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো।
৩. প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত আধাঘণ্টা জোরে জোরে হাঁটা শরীরের জন্য খুব ভালো ব্যায়াম।
৪. নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৫. মানসিক চাপ কমাতে হবে। কাজের পাশাপাশি পরিবার ও বন্ধুদেরকে সময় দেওয়া কিংবা কোনো ধরনের সখের কাজ মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৬. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে।
৭. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। ঘুমের পরিমাণ বয়সের সাথে সাথে কম বেশি হতে পারে। তবে সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো খুব জরুরি।
৮. নিজেকে পরিছন্ন রাখতে হবে। বারবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া কিংবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত স্যানিটাইজ করার অভ্যাস সুস্থ থাকার জন্য একটা জরুরি অভ্যাস।
৯. চোখ-মুখে হাত দেওয়া, নাক খোঁটা—এই জাতীয় অভ্যাসগুলো ছেড়ে দিতে হবে। যেখানে সেখানে থুতু ফেলার মতো বাজে অভ্যাস বাদ দিতে হবে।

এসব নিয়ম মেনে চললে আমাদের শরীর রোগের বিরুদ্ধে আরো ভালো প্রতিরোধ তৈরি করতে পারবে। আর আমরাও একটা সুস্থ জীবনযাপন করতে পারব।

#স্বাস্থ্য #রোগপ্রতিরোধ

08/04/2024
       #স্বাস্থ্য
06/04/2024

#স্বাস্থ্য

Address

Dagonbhuiyan, Sebarhat, Senbag, Noakhali
Feni

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ECure. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram