Sodical Chemicals Ltd.

Sodical Chemicals Ltd. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sodical Chemicals Ltd., Pharmaceutical Company, D-203 BSCIC Industrial Estate, Tongi, Gazipur.

Sodical Chemicals Limited is highly dedicated manufacturer of APIs for Pharmaceutical industry and adding value to quality pharmaceuticals having the patronage of all major pharmaceutical industries all over Bangladesh.

♨️হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কি?১.শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।২.ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়। ঘাম ...
20/04/2024

♨️হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কি?

১.শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।
২.ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়। ঘাম বন্ধ হয়ে যেতে পারে
৩. রোগী খুব দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়
৪. নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।৫. রক্তচাপ কমে যায়।
৬. খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ
৭. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় ও হলুদ রঙের হওয়া
৮. রোগী শকে চলে যেতে পারে। এমনকি পড়ে গিয়ে সাময়িক অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

🚨 হিট স্ট্রোক কাদের বেশি সম্ভাবনা?

প্রচণ্ড গরমে ও আর্দ্রতায় যারা বেশি সময় ধরে গরমে কাজ করছেন যে-কারও হিট স্ট্রোক হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যেমন—

১. শিশু ও বৃদ্ধদের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকায় হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেক বেশি।

২. যারা দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদে কায়িক পরিশ্রম করেন, তাদের হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। যেমন— কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, দিনমজুর, কন্সট্রাকশন লেবার ইত্যাদি।

৩. শরীরে ডিহাইড্রেশন হলে অর্থাৎ জল কম পান করলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে ও যাদের শরীরে অত্যাধিক ঘামের মধ্যে জল ও খনিজ বেরিয়ে যায়।

৪. কিছু কিছু ওষুধ হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় বিশেষ করে যারা ডাইইউরেটিক গ্রুপের ওষুধ খান তাদের শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়।

🛑হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচার উপায়:
১. যেহেতু আমরা কারণ সম্পর্কে জেনে গেছি সেহেতু প্রতিরোধের উপায় আমাদের সহজে বোধগম্য হবে। গরমে যেহেতু ঘামের মাধ্যমে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে সেহেতু প্রচুর পরিমানে জল খেয়ে শরীরকে হাইড্রেট করতে হবে। ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি মেটাতে জলের সাথে ORS মিশিয়ে নিতে হবে। নাহলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ৪ টেবিল চামচ চিনি ও ১ চামচ লবন এক লিটার জলে মিশিয়ে ব্যাগে রাখুন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় এই জল পান করতে থাকুন। জলের পাশাপাশি ফলের জুস (লেবু, বেল, তরমুজ) খেতে পারেন। কিডনি ও প্রেশারের রুগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ মত জল পান করুন।

২. পোশাক পরুন ঢিলেঢালা, সুতির কাপড়ের ও হালকা রঙের। গরমে আঁটোসাটো পোষাক থেকে শরীরকে রেহাই দিন। ফুল স্লিভ জামা বা কাপড় ব্যবহার করুন যাতে শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঢাকা থাকে। নরম কাপড়ের অন্তর্বাস অবশ্যই ব্যবহার করুন। যাতে দ্রুত ঘাম শুষে নিয়ে আপনার শরীরকে ঠাণ্ডা রাখবে।

৩. বাইরে বেরোলে অবশ্যই ছাতা, টুপি,সানগ্লাস ব্যবহার করুন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় ঠান্ডা জল দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন। ওয়েট ওয়াইপ রাখতে পারেন সাথে।

৪. ত্বক অনুযায়ী সঠিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। যাদের ত্বক বেশি সেন্সিটিভ প্যারাবেন কিংবা অক্সিবেনজোন জাতীয় কেমিক্যাল যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড বা জিঙ্ক অক্সাইড জাতীয় উপাদান থাকা সানস্ক্রিন সেনসিটিভ ত্বকের জন্য উপকারী। সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করে এই উপাদানগুলি। যাদের ত্বকে বেশি তৈল যুক্ত তারা ওয়েল বেসড সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন এবং যাদের ড্রাই স্কিন বা শুষ্ক ত্বক তাঁরা অবশ্যই ময়শ্চারাইজিং সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। বাইরে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে মেখে নিতে হবে। সম্ভব হলে ২ ঘন্টা বাদে আরও একবার মেখে নিতে হবে।

৫. গরমের সময় ফাস্টফুডকে না বলুন। কেননা, এতে থাকা অতিরিক্ত লবন, তেল গরমে আপনার শরীরকে আরও বেশি ক্ষতি করবে। বাইরের খোলা খাবার থেকে বিরত থাকুন। ঘরোয়া হালকা খাবারে জোর দিন

৬. প্রচণ্ড গরমে শরীরে যাতে ঘাম না জমে তার জন্য সম্ভব হলে হালকা রুমাল জলে ভিজিয়ে গা মুছে নিন। বাড়িতে থাকলে একধিকবার স্নান করুন।

৭. হঠাৎ বাইরে থেকে এসে এসি তে বসবেন না বা হঠাৎ এসি থেকে বেরিয়ে অতিরিক্ত গরমে যাবেন না।

৮. গরমে চা, কফি, কোল্ড ড্রিঙ্কস খাবেন না।

৯. দীর্ঘক্ষণ প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে থাকবেন না। এতে রক্তচাপ কমে যেতে পারে।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়।

Credit:icddr,b

হিট স্ট্রোক এক ধরনের হাইপারথার্মিয়া। হাইপার হচ্ছে অধিক মাত্রা, আর থার্মিয়া মানে তাপ। শরীরে অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকেই বলা ...
16/04/2024

হিট স্ট্রোক এক ধরনের হাইপারথার্মিয়া। হাইপার হচ্ছে অধিক মাত্রা, আর থার্মিয়া মানে তাপ। শরীরে অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকেই বলা হয় হিট স্ট্রোক। আমাদের শরীরের ভেতরে নানা রাসায়নিক ক্রিয়ার কারণে সব সময় তাপ সৃষ্টি হতে থাকে। ঘামের সাহায্যে সেই তাপ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু একটানা রোদে থাকলে গরমে ঘামের সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়। শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যাওয়ায় ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি হয়। ঘামের সঙ্গে লবণ বেরিয়ে যাওয়াতে লবণের ঘাটতি দেখা দেয়। যার ফলে শরীরকে করে তোলে অবসন্ন ও পরিশ্রান্ত। এতে মাথাঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারেন অনেকেই। তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার ব্যবস্থা না করলে মৃত্যুও হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বাচ্চা, বয়স্ক ও মেদপ্রবণ ব‍্যক্তি হিট স্ট্রোকে সহজেই আক্রান্ত হয়।

যতটুকু সম্ভব এই গরমে রোদে কম বের হতে হবে। একান্তই বের হতে হলে সঙ্গে পানির বোতল রাখা দরকার ও মাঝে মাঝে পানি পান করা উচিত। তা না হলে শরীর অবসন্ন মনে হওয়া মাত্রই ছায়াযুক্ত বা শীতল কোনো স্থানে বিশ্রাম করতে হবে। যদি অবস্থা খারাপ মনে হয় তাহলে ঠান্ডা পানিতে ভেঁজানো কাপড়ে শরীর মুঁছে দিতে হবে। খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে, যাতে শরীরের লবণ ও পানি শূন্যতা দূর করতে পারে। অজ্ঞান হয়ে গেলে বা মাথা ঘোরালে মাথায় পানি ঢালতে হবে। তাতেও যদি অবস্থার উন্নতি না হয়, তাহলে হিট স্ট্রোকে আক্রান্তকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এই গরমে সকলে সুস্থ থাকুন এই দোয়া করি।🤲
©

প্লাটিলেট বাড়ে যা খেলেএখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা ক...
12/08/2023

প্লাটিলেট বাড়ে যা খেলে

এখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়।

এ ছাড়া নানা ধরনের ভাইরাস জ্বরেও প্লাটিলেট কমতে পারে। প্রথম থেকে ঠিকমতো চিকিৎসা করালে এবং সঠিক পরিমাপে তরল পদার্থ দিতে পারলে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে না। প্লাটিলেট বাড়াতে পারে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:

পেঁপে: প্লাটিলেট বাড়াতে পেঁপের জুস খেতে পারেন। পেঁপেপাতা অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে বলে ডেঙ্গুতে উপকারী। পেঁপেপাতা বেটে রস করে পান করতে পারেন। এ ছাড়া পাতা সেদ্ধ করেও খাওয়া যায়।

ব্রোকলি: ভিটামিন ‘কে’– এর দারুণ উৎস ব্রোকলি, যা রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। যদি দ্রুত কমতে থাকে, তবে প্রতিদিনকার খাবারে অবশ্যই ব্রোকলি যুক্ত করবেন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নানা উপকারী খনিজ রয়েছে।

বেদানা: বেদানায় দরকারি নানা পুষ্টি ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে পারে। শরীরের ধকল কাটাতে বেদানা দারুণ উপকারী। এ ছাড়া এটি আয়রনের উৎস বলে রক্তের জন্য উপকারী। প্লাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিক রাখতে এবং ডেঙ্গু সারাতে এটি উপকারী।

পালং: আয়রন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম উৎস পালং। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে পারে।

ডাব: ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেকট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

বদলে গেছে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার আচরণ, দিন-রাতে কোন পার্থক্য নেই,ডেঙ্গি বা প্রচলিত ভাষায় ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হল এডিস ইজিপ...
17/07/2023

বদলে গেছে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার আচরণ, দিন-রাতে কোন পার্থক্য নেই,

ডেঙ্গি বা প্রচলিত ভাষায় ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হল এডিস ইজিপ্টাই জাতের মশা। ভাইরাসবাহী মশার কামড়ে ডেঙ্গির জীবাণু একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে এই মশা কখন কামড়ায় এ নিয়ে অনেকেরই নানা মত আছে।
এতদিন একটি ধারণা প্রচলিত ছিল এই মশাটি মূলত দিনের বেলা কামড়ায়। সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্রচার প্রচারণায়ও দিনের বেলা মশারির ভেতরে থাকতে অথবা ফুলহাতা কাপড় পড়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এই মশাটি শুধু দিনে নয় বরং রাতেও কামড়ায়। এর অর্থ মশাটির আচরণে পরিবর্তন ঘটেছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এডিস মশা মানুষকে কেবল দিনের বেলায় কামড়ায় কিনা এমন ধারণা যাচাই করতে গত কয়েক বছর ধরে গবেষণা পরিচালনার কথা জানান কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।
এটি পরীক্ষার জন্য তিনি একজন মানুষকে মশারির ভিতরে রাখেন, তখন বাইরে তাকে কামড়াতে আসা মশাগুলোকে জীবিত ধরে ধরে একটি কাপে সংগ্রহ করা হয়।
তারপর সেই মশাগুলোকে পরীক্ষাগারে এনে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করে মাইক্রোস্কোপের নীচে পর্যবেক্ষণ করা হয় যে এগুলো কোন প্রজাতির মশা।
কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন মৌসুমে টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে এই মশা সংগ্রহ ও আচরণ পরীক্ষার কাজ করেছেন তিনি।
তারা মূলত দেখতে চেয়েছিলেন কোন ধরণের মশা কোন সময়ে কামড়াতে বেশি পছন্দ করে। পরীক্ষায় তারা এসব মশার কামড়ানোর ছন্দ, কামড়ানোর সময় বা কর্মকাণ্ডের ধরণ এক এক রকম দেখেন।
এই পরীক্ষা করতে গিয়েই মি. বাশার জানতে পেরেছেন যে, এডিস মশা দিনের বেলা যেভাবে কামড়ায়, তেমনি রাতেও কামড়ায়। তবে রাতের বেলায় কামড়ানোর হার কিছুটা কম থাকে বলে তিন জানান।
সম্প্রতি তিনি রাতের বেলায় তার শরীরে বসা মশার প্রজাতি পরীক্ষা করে এডিস মশার উপস্থিতি পেয়েছেন।
এতে তিনি ধারণা করছেন, একসময়ে এডিস মশা শুধু দিনের বেলায় কামড়ালেও এখন এই মশার বৈশিষ্ট্যে বা আচরণগত পরিবর্তন এসেছে।
মি. বাশার বলেন, “ইতিপূর্বে আমরা জানতাম এডিস মশা শুধুমাত্র দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকালে এবং বিকেলে কামড়ায়। কিন্তু আমাদের গবেষণায় সেটি ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের ল্যাবরেটরি এবং মাঠ পর্যায়ের গবেষণায় দেখেছি এডিস মশা রাতেও কামড়ায়। ”

উজ্জ্বল আলো:
এডিস মশার রাতেও সক্রিয় থাকার কারণ হিসেবে রাতের বেলা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোর ব্যবহারকে একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
মি. বাশারের মতে, শহরে উজ্জ্বল আলোর ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এডিস মশার আচরণে পরিবর্তন হয়েছে।
অতিরিক্ত আলোর কারণে একে তো মশা দিন-রাতের পার্থক্য বুঝতে পারছে না। তার ওপর এখন তারা রাতের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথেও খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
আলোর সাথে মশার আচরণ পরিবর্তনের বিষয়টি প্রথমবারের মতো তার সামনে এসেছে ২০১৯ সালে ঢাকার বিমানবন্দরে কাজ করতে গিয়ে।
ওই বছর বিমানবন্দরে মশার কারণে একটি ফ্লাইট দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায়। সে সময় বিমানবন্দরে মশার ঘনত্ব পরীক্ষা করতে তার ডাক পড়ে।
রাতের বেলা মশা ধরতে গিয়ে তারা দেখতে পান যে বিমানবন্দরের ভেতরে উজ্জ্বল ও মৃদু আলোর মধ্যে এডিস মশা বিচরণ করছে। তারপরেই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে এডিস মশা রাতেও কামড়ায়।
ঢাকায় আরও বিভিন্ন স্থানে তার পর্যবেক্ষণ অনুসারে, এডিস মশা উজ্জ্বল কিংবা মৃদু - সব ধরণের আলোতে সক্রিয় থাকে। তাই ঘর আলোকিত থাকলে রাতেও কামড়াতে পারে এই প্রজাতির মশা।
এ ব্যাপারে মি. বাশার বলেন, “এডিস মশা খুবই চতুর এবং যে কোনো পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এটি নিজেকে পরিবর্তন করে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। সারা বিশ্বে আলোর দূষণ বেড়েছে। অর্থাৎ আলো যতটা ব্যবহার উচিত ছিল তার চেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে। এই আলোর দূষণের সাথে এডিস মশা খাপ খাইয়া নিয়েছে এবং রাতের বেলাও কামড়াচ্ছে।”
সেই সাথে জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণ এই মশা তার আচরণ পরিবর্তন করে নিয়েছে বলে মনে করেন এই কীটতত্ত্ববিদ।
তাই বাস্তবতা হল এডিস মশা থেকে বাঁচতে এখন দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টাই প্রয়োজনীয় সব ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব:
আবার দিনের বেলায়ও অনেক জায়গা অন্ধকার হয়ে থাকে, এমন পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথেও এডিস মশা খাপ খাইয়ে তার অবস্থান টিকিয়ে রাখছে বলে জানান মি. বাশার।
কখনও কখনও এমন তথ্যও প্রচার হয়েছে যে, এডিস মশা সূর্য ওঠার ৩-৪ ঘণ্টা পর ও বিকেল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত অর্থাৎ সূর্যাস্তের সময়টায় বেশি সক্রিয় থাকে। ভরদুপুরের চেয়ে আলো-আধারি পছন্দ করে বেশি।
এসব ধারণাও ভুল বলে জানিয়েছেন কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার। তিনি জানান এডিস মশা দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ ভর দুপুরে বা মধ্য রাতেও কামড়ায়।
সাধারণত সারা দেশে মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসে এডিস মশার লার্ভা সৃষ্টি হয়। এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব বাড়ে। তবে এ বছর এডিস মশার ঘনত্ব কয়েক গুণ বেড়েছে সময়ের আগেই। এতে শঙ্কিত কীটতত্ত্ববিদরা।
এডিস মশার এই আচরণগত পরিবর্তনের কারণেই এটি সুপার পতঙ্গ এবং আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যা জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মি. বাশার বলেন, “এডিস মশার কর্মকাণ্ড যদি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতো তাহলে আমরা শুধু ওই সময়টায় সতর্ক থাকলেই হত। কিন্তু এখন ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকতে হচ্ছে, আমাদের ঝুঁকির পরিধি বেড়ে গিয়েছে, প্রতিটা সময় এখন আমাদেরকে মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে, সাবধান থাকতে হচ্ছে।”
মানুষকে যেসব মশা কামড়ায় সেগুলো নারী মশা। এদের মধ্যে মা এডিস মশা সবচেয়ে বেপরোয়া থাকে বলে তিনি জানান।
“মা মশা তার পরবর্তী প্রজন্মকে পৃথিবীতে আনা নিশ্চিত করার জন্য যেকোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে পারে। মা মশাকে প্রচুর রক্ত খেতে হয়। এ রক্ত খাওয়ার সুযোগ যদি সে দিনে না পায় তাহলে সে রাতেও খাবে।” তিনি বলেন।

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা (অনলাইন সংস্করন)

27/05/2023
©
17/08/2021

©

জেনে নিন ডেঙ্গু ও করোনার মধ্যে পার্থক্য।
14/08/2021

জেনে নিন ডেঙ্গু ও করোনার মধ্যে পার্থক্য।

Collected
12/08/2021

Collected

জরুরী বিষয়
01/08/2021

জরুরী বিষয়

Address

D-203 BSCIC Industrial Estate, Tongi
Gazipur
1710

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00

Telephone

+88029810626

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sodical Chemicals Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sodical Chemicals Ltd.:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram