গাজীপুর ই-ফার্মেসী

গাজীপুর ই-ফার্মেসী গাজীপুর ই-ফার্মেসী

যোগাযোগঃ 01684241602(ফার্মাসিস্ট)

শীতে অনেকেরই হাঁটুর ব্যথা বাড়ে। কী করে এই সমস্যা কমাবেন? সন্ধান দিচ্ছন বিশেষজ্ঞরা। বয়স্কদের তো বটেই, শীতকালে অনেক কম বয়...
29/11/2022

শীতে অনেকেরই হাঁটুর ব্যথা বাড়ে। কী করে এই সমস্যা কমাবেন? সন্ধান দিচ্ছন বিশেষজ্ঞরা।

বয়স্কদের তো বটেই, শীতকালে অনেক কম বয়সিদেরও হাঁটুতে ব্যথা হয়। এর কারণ শীতে শরীর শুকিয়ে যায়। ফলে পেশির নমনীয়তা কমে। তাছাড়া হাড়ের সংযোগস্থলগুলিও শক্ত হয়ে যায় এই সময়ে। ফলে সেখানে ব্যথা বাড়তে থাকে।
শীতে এই ধরনের ব্যথা বাড়লে কী করবেন? কীভাবে কমাবেন এই ব্যথা? কী বলছেন চিকিৎসকরা?

শীতে হাঁটুর ব্যথা বাড়াবাড়ি জায়গায় গেলে, সেটি সমানোর সহজতম রাস্তা হল RICE Therapy।
কী এই RICE Therapy?
RICE হল Rest, Ice, Compression, Elevation

হাঁটুর ব্যথায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। দরকার মতো বরফের সেঁক দিতে হবে। ব্যান্ডেজ বেঁধে রেখে সেঁক দিতে পারেন। আর বালিশের উপর হাঁটু উঁচু করে রাখতে হবে।

সেঁক দিন: কখনও ঠান্ডা কখনও গরম সেঁক দিন। ঠান্ডা সেঁকে ব্যথা কমবে। আাম হবে। আর গরম সেঁক হাঁঠুর আশপাশের পেশির নমনীয়তা বাড়াবে। তাতে হাঁটু সচল হবে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই দু’ধরনের সেঁকই দিন। তাতে হাঁটুর ব্যথা কমবে।
মালিশ করুন: এটি খুব সচেতন ভাবে করতে হবে। মনে রাখবেন, বেশি চাপ দিয়ে মালিশ করলে হাঁটুর ক্ষতি হবে। তাই এমন ভাবে মালিশ করুন, যেটি হাঁঠুর জন্য ভালো। এবং যাতে শুধু রক্ত চলাচল বাড়ে। মালিশ করার আগে চিকিৎসকের থেকে জেনে নিন, হাঁটুতে কতটা চাপ দেবেন।
এপসম নুন ব্যবহার করুন: এই নুন ব্যথা কমাতে খুব কাজে লাগে। গোসলের পানিতে একটু নুন মিশিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে দিন। তার পরে সেই পানিতে গোসল করুন। এতেও ব্যথা অনেকটা কমবে।
রোজ শরীরচর্চা করুন: ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে হাঁটুর ব্যথা কমে। কারণ অতিরিক্ত ওজনের চাপ অনেক সময়েই হাঁঠু নিতে পারে না। ফলে তাতে ব্যথা হয়। ওজন কম থাকলে হাঁঠুর ব্যথা অনেকটাই কমিয়ে ফেলা সম্ভব। এ জন্য রোজ কিছুটা এক্সারসাইজ করা উচিত। মনে রাখতে হবে, অতিমারির সময়ে বাইরে বেরোনো কমে গিয়েছে। তাই ওজনও বাড়ছে সহজেই। তার মধ্যে শীতে হাঁটুর নমনীয়তা কমেছে। এই দুই সমস্যাই কিছুটা প্রতিহত করা যায় শরীরচর্চা করলে। তাহলে হাঁটুও ভালো থাকবে।


#শীত
#ব্যাথা
#হাটু_ব্যাথা
#ব্যাথার_সমাধান
#ঔষুধ

 #শীতে_শিশুর_যত্নেএই আবহাওয়ায় শিশুদের জ্বর -কাশির বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত। জ্বরের জন্য পেরাসিটামল,কাশির জন্য সোডিয়াম ক্লোর...
06/01/2022

#শীতে_শিশুর_যত্নে

এই আবহাওয়ায় শিশুদের জ্বর -কাশির বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত।
জ্বরের জন্য পেরাসিটামল,কাশির জন্য সোডিয়াম ক্লোরাইড / নরসল নাকের ড্রপ আর নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানোই মূল চিকিৎসা। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আর যেকোনো প্রাথমিক পরামর্শের জন্য
আমাদের হটলাইনে অথবা পেইজে যোগাযোগ করুন

হটলাইনঃ01684241602(ফার্মাসিস্ট)

প্রচন্ড এই শীতে ঘরে বসেই অর্ডার এ              পেয়ে যাবেন ঔষধ হাতে... #প্রচন্ড_শীত #ঔষধ  #মেডিসিন  #অনলাইন_মেডিসিন  #গাজ...
06/01/2022

প্রচন্ড এই শীতে ঘরে বসেই অর্ডার এ
পেয়ে যাবেন ঔষধ হাতে...

#প্রচন্ড_শীত
#ঔষধ
#মেডিসিন
#অনলাইন_মেডিসিন
#গাজীপুর

 #জাম্পার ৫০০ডি (ওএলইডি ভার্সন) ফিঙ্গারটিপ পার্লস অক্সিমিটারগাজীপুর ই-ফার্মেসী তে পাচ্ছেন এখন  original jumper oxymeterআ...
09/08/2021

#জাম্পার ৫০০ডি (ওএলইডি ভার্সন) ফিঙ্গারটিপ পার্লস অক্সিমিটার

গাজীপুর ই-ফার্মেসী তে পাচ্ছেন এখন original jumper oxymeter

আরও থাকছে ফ্রী হোম ডেলিভারি (লকডাউন এর জন্য)
প্রোডাক্টটি পেতে এখনি আমাদের পেইজে নক করুন।
oxygen

1. বিসিজি (Bacillus Calmette-Guerin Vaccine (BCG)বিসিজি টিকা বাচ্চার জন্মের পর থেকে ১৫ দিন সময়ের মধ্যে যে কোনও সময় দেও...
17/07/2021

1. বিসিজি (Bacillus Calmette-Guerin Vaccine (BCG)
বিসিজি টিকা বাচ্চার জন্মের পর থেকে ১৫ দিন সময়ের মধ্যে যে কোনও সময় দেওয়া যায়। এই টিকা টিউবারকুলোসিস মেনিনজাইটিস (Tuberculous Meningitis) বা বাচ্চাদের একরকম যক্ষ্মা রোগ থেকে রক্ষা করে। ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এই বিসিজি টিকা বাচ্চাকে দেওয়া হয়ে থাকে।আদর্শ বিসিজির ডোজে ১ মিলিলিটার টিকার তরলে ০.১ মিলিগ্রাম ওষুধ থাকে।বাচ্চাকে একটাই বিসিজি ডোজ দেওয়া হয়।
2. হেপাটাইটিস বি টিকা (Hepatitis B vaccine)
আমাদের শরীরে হেপাটাইটিস বি নামক ভাইরাসের আক্রমণ হলে, লিভার প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লিভার ক্যান্সার হতে পারে, লিভার কাজ করা বন্ধ করে দেয়, এমনকী মৃত্যুও হতে পারে। রোগীর অজান্তেই এই রোগ অন্যদের মধ্যেও সংক্রামিত হতে পারে। এই সব রোগের বিরুদ্ধে শিশুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তিনটি ডোজে হেপাটাইটিস বি টিকা দেওয়া হয়। জন্মের এক-দু’দিনের মধ্যে প্রথম ডোজ, শিশুর বয়স এক মাস হলে দ্বিতীয় ডোজ এবং ৬ মাস হলে তৃতীয় বা শেষ ডোজটি দেওয়া হয়।

প্রয়োজনীয় মেডিসিন  কিনুন ঘরে বসে, স্বস্তিতে স্বাচ্ছন্দে.......  #গাজীপুর_ই-ফার্মেসী  ার্মেসী  #গাজীপুর #অনলাইন_ঔষধ  #ম...
22/12/2020

প্রয়োজনীয় মেডিসিন কিনুন ঘরে বসে,
স্বস্তিতে স্বাচ্ছন্দে.......

#গাজীপুর_ই-ফার্মেসী
ার্মেসী
#গাজীপুর
#অনলাইন_ঔষধ
#মেডিসিন

 #মুখ_ব্রণে ভরে গেছে। লাল লাল, দানাদার, কোনোটি বেশ উঁচু। আয়নার দিকে তাকালেই মন খারাপ হয়। কিশোর–তরুণ বয়সের একটা বড় দুশ্চি...
22/12/2020

#মুখ_ব্রণে ভরে গেছে। লাল লাল, দানাদার, কোনোটি বেশ উঁচু। আয়নার দিকে তাকালেই মন খারাপ হয়। কিশোর–তরুণ বয়সের একটা বড় দুশ্চিন্তা এই ব্রণ। এই বয়সে ব্রণ বেশি দেখা দেওয়ার বিষয়টি হরমোনজনিত। ছেলেদেরই এ সময় এটা বেশি হয়, কেননা পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন এই ব্রণের জন্য দায়ী। কখনো কখনো মেয়েদের মধ্যে এন্ড্রোজেনের আধিক্য হলে ব্রণ বেশি হতে পারে। কিছু কিছু রোগে ব্রণের আক্রমণ বেড়ে যায়। যেমন মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম, কুশিং সিনড্রোম, স্টেরয়েড–জাতীয় ওষুধের ব্যবহার, কিছু প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহারের কারণে ব্রণ হতে পারে।
#ব্রন_সংক্রান্ত_টিপস সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরলাম

• প্রথম কথা হলো, ব্রণ নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করবেন না। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। সময় হলে এমনিতেই সারবে। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ ব্রণ বাড়িয়ে দেয়, তাই চাপমুক্ত থাকুন।
• মুখমণ্ডল পরিষ্কার রাখবেন। তার মানে এই নয় যে দিনে বারবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে। বরং এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
• নখ দিয়ে ব্রণ খুঁটবেন না, নিজে নিজে চেপে পুঁজ বা রস বের করার চেষ্টা করবেন না। পিন দিয়ে খোঁচাবেন না। এতে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে। সংক্রমণের ভয়ও থাকে।
• গরম বাষ্প নেওয়া বা ভাপ নেওয়ার কোনো উপকার আছে বলে প্রমাণিত হয়নি।
• ভাজাপোড়া খেলে ব্রণ বাড়ে—এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে উচ্চ শর্করাযুক্ত খাবার (যেমন মিষ্টি, চকলেট ইত্যাদি) ব্রণের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।
• সমস্যা তীব্র না হলে চিকিৎসকের পরামর্শে কিছু ক্রিম ব্যবহার করা যায়। সমস্যা খুব বেশি তীব্র হলে মুখে খাওয়ার ওষুধ (কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, ভিটামিন ‘এ’) খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু মনে রাখবেন, এসব ওষুধ বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়া কখনোই খাওয়া ঠিক নয়।
• ব্রণ–পরবর্তী জটিলতা—যেমন ত্বকে গর্ত, স্থায়ী দাগ ইত্যাদি দূর করতে লেজার, ডার্মারোলা ইত্যাদি পদ্ধতির প্রয়োগ করা যেতে পারে।
গাজীপুর ই-ফার্মেসী
#অনলাইন_ঔষধ

 #মৌসুম বদলের সময় সর্দি-কাশি খুবই পরিচিত সমস্যা। সচরাচর আমরা একে ঠান্ডা লাগা বলে থাকি। এর জন্য প্রায় ২০০ রকমের ভাইরাসকে ...
14/11/2020

#মৌসুম বদলের সময় সর্দি-কাশি খুবই পরিচিত সমস্যা। সচরাচর আমরা একে ঠান্ডা লাগা বলে থাকি। এর জন্য প্রায় ২০০ রকমের ভাইরাসকে দায়ী করা হয়। সর্দি-কাশি হলে জ্বর থাকতেও পারে, আবার না-ও পারে। তবে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এর সঙ্গে প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা অনুভূত হয়, শরীর ম্যাজম্যাজ করে; হাঁচি, সর্দি, মাথাব্যথা, গলাব্যথাসহ নানা রকম লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পায়। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রচুর ভোগান্তি হয়।

ভাইরাসজনিত ব্যাধি হওয়ায় এমন সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিকও কোনো কাজ করে না। কথায় বলে, ওষুধ খেলে সর্দি-কাশি গড়ে ১৮ দিনে সারে, না খেলেও একই। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা সর্দি-কাশির ওষুধের জন্য হন্যে হয়ে পড়ি। সচরাচর প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহৃত হয় এই সমস্যায়। কখনো কফের জন্য সিরাপজাতীয় ওষুধ খান অনেকে, যা আসলে তেমন কোনো উপকার করে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকেরও কোনো ভূমিকা নেই। অনেকে এই সময় ভিটামিন সি বড়ি চুষে খান।
সাধারণ সর্দি-কাশি প্রতিরোধে ভিটামিন সি কোনো কাজ করে কি না, তা নিয়ে বিগত সাত দশকের ওপর বিতর্ক চলছে। ভিটামিন সি-এর ব্যবহার সম্পর্কে ৭২টি গবেষণার ফলাফল আবার নতুন করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, ২০টি গবেষণায় ১১ হাজার রোগীর সর্দি-কাশি প্রতিরোধে ভিটামিন সি ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু এতে কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি। মাত্র ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে কিছু উপকার করেছে। তবে যাঁরা প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন (যেমন: ম্যারাথন দৌড়বিদ, মরু এলাকায় কর্মরত সৈনিক), তাঁদের ক্ষেত্রে ভিটামিন সি ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে সর্দি-কাশির হার প্রায় অর্ধেক কমানো সম্ভব হয়েছে।
দেখা যাচ্ছে, শিশুদের দৈনিক ১ থেকে ২ গ্রাম ভিটামিন সি খাওয়ালে তাদের সর্দি-কাশির তীব্রতা কিছু কমে। কিন্তু এত উচ্চমাত্রায় ভিটামিন শিশুদের খাওয়ানো আবার কতটুকু নিরাপদ, সে প্রশ্ন রয়েই যায়।
তাহলে কী দাঁড়াল? সর্দি-কাশির আসলে তেমন জুতসই কোনো দাওয়াই নেই। এ রকম প্রচণ্ড গরমে ও মৌসুম বদলের সময় পরিবেশে ফ্লু জাতীয় ভাইরাস মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আক্রান্ত হলে উপসর্গ কমানোর জন্য কিছু ওষুধ ছাড়া তেমন কিছু করার নেই। প্রচুর পানি পান করুন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন, বিশ্রাম নিন। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। এ রোগ নিজে নিজেই সারে, তাই অধৈর্য হবেন না।
গাজীপুর ই-ফার্মেসী

06/11/2020

প্রয়োজনীয় মেডিসিন কিনুন ঘরে বসে,
স্বস্তিতে স্বাচ্ছন্দে.......

#গাজীপুর_ই-ফার্মেসী
ার্মেসী
#গাজীপুর

সকল প্রকার ওষুধ হোম ডেলিভারি  পেতে যোগাযোগ করুন গাজীপুর ই-ফার্মেসী তে।
24/10/2020

সকল প্রকার ওষুধ হোম ডেলিভারি পেতে যোগাযোগ করুন গাজীপুর ই-ফার্মেসী তে।

আপনার ব্যস্ততম জীবনে সময় বাচাতে, প্রয়োজনীয় ঔষধ অর্ডার করুন আমাদের কাছে।ঔষধ কিনুন ঘরে বসে, স্বাচ্ছন্দে-স্বস্তিতে #গাজীপুর...
11/09/2020

আপনার ব্যস্ততম জীবনে সময় বাচাতে, প্রয়োজনীয় ঔষধ অর্ডার করুন আমাদের কাছে।
ঔষধ কিনুন ঘরে বসে, স্বাচ্ছন্দে-স্বস্তিতে
#গাজীপুর_ই_ফার্মেসী থেকে

আমাদের শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো চোখ। তাই সব ধরনের ঝুঁকি এবং বিপদ থেকে এই বিশেষ অঙ্গটিকে নিরাপদ...
01/09/2020

আমাদের শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো চোখ। তাই সব ধরনের ঝুঁকি এবং বিপদ থেকে এই বিশেষ অঙ্গটিকে নিরাপদ রাখতে কিছু টিপস।
১/ঘুম ও বিশ্রাম।
সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে কমপক্ষে দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুম ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন, তবে ব্যক্তির চাহিদা অনুযায়ী এর বিভিন্নতা দেখা যায়। কায়িক শ্রমের ক্ষেত্রে ৪৫ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর ১০-১৫ মিনিটের বিরতি নেয়া উচিত। এতে শুধু চোখই নয়, বরং পুরো শরীরের বিশ্রাম হয়ে যায়। বলা হয়ে থাকে, কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে ‘২০-২০-২০ রুল’ অবলম্বন করা উচিত। অর্থাৎ, প্রতি ২০ মিনিট পরপর ২০ সেকেন্ডের বিরতি নিতে হবে এবং বিরতি চলাকালীন কমপক্ষে ২০ ফুট দূরে তাকাতে হবে। ফলে চোখের বিশ্রামের পাশাপাশি ঘাড় ও পিঠের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
২/টেলিভিশন ও কম্পিউটারের মনিটর থেকে চোখের দূরত্ব।
কম্পিউটারের আকারের ওপর মনিটর থেকে চোখের দূরত্ব নির্ভর করে। সাধারণত কম্পিউটারের মনিটর হতে চোখের দূরত্ব ৩ ফুট এবং টেলিভিশনের মনিটর থেকে ১০ ফুট হওয়া উচিত। অনেক সময় শিশুরা খুব কাছ থেকে টেলিভিশন দেখে থাকে, এমনটি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
৩/তীব্র রোদ এবং ভাইরাল ইনফেকশন থেকে বাঁচার উপায়।

তীব্র রোদের কারণে অনেক সময় চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, এ সময় চোখে অস্বস্তিবোধ হতে পারে। রোদে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেললে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষার জন্য সানগ্লাসের ব্যবহার বেশ উপকারী এবং যারা পাওয়ার-চশমা ব্যবহার করেন তারা ফটোসান ব্যবহার করতে পারেন। খাবার ও ধুলোবালির মাধ্যমেও অ্যালার্জিজনিত বা ভাইরাল ইনফেকশন হতে পারে। এক্ষেত্রে, সানগ্লাস ও ছাতা ব্যবহার করা উচিত এবং বাইরে থেকে এসে চোখ পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। ভাইরাল ইনফেকশন হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে এবং ব্যবহৃত রুমাল বা অন্যান্য জিনিস আলাদা ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে যেন অন্যদের চোখে রোগের সংক্রমণ না হয়।
৪/কন্টাক্ট লেন্সের ব্যবহার নিয়ম।
আজকাল চশমার পরিবর্তে কন্টাক্ট লেন্সের ব্যবহার বেশ লক্ষণীয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর চোখের প্রয়োজনে চিকিৎসক তা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়াও প্রসাধন সামগ্রী হিসেবে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার এবং ব্যবহার শেষে জীবাণুমুক্ত করে সলুশনে ডুবিয়ে লেন্স সংরক্ষণ করতে হবে। তবে চোখ লাল হওয়া, পানি পড়া, ময়লা জমা- এ জাতীয় উপসর্গ দেখা দিলে লেন্স ব্যবহার করা যাবে না এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৫/চোখের সমস্যা সাধারণভাবে বোঝার উপায়।
চোখে সমস্যা বোঝার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে যেটি বোধ হয়, তা হলো দৃষ্টি কমে যাওয়া। সাধারণত চোখ থেকে পানি পড়া, ময়লা জমা, চোখে ব্যথা বা লাল হওয়া এসব উপসর্গের ভিত্তিতে চোখের সমস্যা চিহ্নিত করা হয়।

-বিশেষ সতর্কতা
অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত আই ড্রপ ব্যবহার একেবারেই অনুচিত। আই ড্রপ খোলার এক মাসের মধ্যেই ব্যবহার করতে হবে, এরপর ফেলে দিতে হবে। বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা এবং চোখের যেকোনো সমস্যায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ আবশ্যক।
গাজীপুর ই-ফার্মেসী

Address

Gazipur
GAZIPUR

Opening Hours

Monday 07:00 - 23:00
Tuesday 07:00 - 23:00
Wednesday 07:00 - 23:00
Thursday 07:00 - 23:00
Friday 07:00 - 23:00
Saturday 07:00 - 23:00
Sunday 07:00 - 23:00

Telephone

+8801684241602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাজীপুর ই-ফার্মেসী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to গাজীপুর ই-ফার্মেসী:

Share