Al Araf Hospital

Al Araf Hospital Evidence-based treatment is important to ensure health care quality & to make sure that the best available treatment is given to the individual patient

15/02/2026

অনেক নারীই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সাদাস্রাব নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। কারও মনে হয় এটা বড় কোনো রোগের লক্ষণ, কেউ লজ্জায় কাউকে বলতেও পারেন না, আবার কেউ ভয় পেয়ে অযথা ওষুধ খেয়ে বসেন। অথচ সাদাস্রাব সবসময় রোগ নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রেই এটি শরীরের স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া।

যখন সাদাস্রাব স্বাভাবিকঃ-
🔹 রং স্বচ্ছ, সাদা বা হালকা দুধের মতো
🔹 হালকা আঠালো বা পিচ্ছিল হয়ে থাকে
🔹 কিশোরী বয়স, গর্ভাবস্থা বা হরমোনাল পরিবর্তনের সময় বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক
🔹 তীব্র কোনো গন্ধ থাকেনা
🔹 চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা থাকেনা
🔹 মাসিকের আগে-পরে বা ওভুলেশনের সময় পরিমাণ একটু বাড়তে পারে
এগুলো শরীরের হরমোনজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন, কোনো রোগ নয়।

সাদাস্রাব নারীর শরীরের একটি স্বাভাবিক অংশ। ভয় বা লজ্জার কারণে চুপ না থেকে, স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিকের পার্থক্য জানা জরুরি। সচেতনতা থাকলে অযথা দুশ্চিন্তা কমবে। সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন, কটন ইনার ব্যবহার করুন, অপ্রয়োজনীয় ভ্যাজাইনাল ওয়াশ বা কেমিক্যাল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন, নিজে নিজে ওষুধ খাবেন না।

ডা. ইসরাত শারমিন
সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস)
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ আপনার কিডনিকে চিরতরে অকেজো করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারেসামান্য অ্যাসিডিটির কারণে আপন...
08/02/2026

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ আপনার কিডনিকে চিরতরে অকেজো করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে

সামান্য অ্যাসিডিটির কারণে আপনি যে ঔষধটি প্রতিদিন খাচ্ছেন সেটি হয়তো আপনার কিডনিকে ভেতরে থেকে গলিয়ে দিচ্ছে। আপনি কি জানেন যে এই ছোট ট্যাবলেটটি আপনার অগোচরেই আপনাকে ডায়ালাইসিস বেডের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? এখনই এই ঔষধের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ না করলে আপনাকে হয়তো অকাল মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।

কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে পেটের গ্যাস কমানোর অনেক সহজ উপায় রয়েছে যা আপনার কোনো ক্ষতিই করবে না। ঔষধের ওপর এই অন্ধ নির্ভরতা ত্যাগ করলে আপনি একটি নিরোগ কিডনি এবং সুস্থ পাকস্থলী ফিরে পেতে পারেন।

জামা ইন্টারনাল মেডিসিন ২০১৬ সালে তাদের প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর অ্যান্ড সিকেডি গবেষণায় জানিয়েছে যে অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ কিডনির কার্যকারিতা ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। এই বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় কিডনির ইন্টারস্টিশিয়াল টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং স্থায়ীভাবে কিডনি অকেজো হয়ে পড়ে। পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা পেতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ না খেয়ে বরং ভেষজ উপায়ে গ্যাস নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মেনে চলুন।

কিডনিকে সুরক্ষিত রাখতে এবং সুস্থভাবে বাঁচতে আজ থেকেই ঔষধের বদলে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পানি পানের ওপর জোর দিন। এটি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে এবং ঔষধের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। মনে রাখবেন যে সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া এবং ভাজাপোড়া বর্জন করাই হলো গ্যাস্ট্রিকের সেরা প্রতিকার।

আপনার একটি কিডনি অকেজো হয়ে গেলে আপনার পুরো পৃথিবীটাই অন্ধকার হয়ে যাবে। নিজের কিডনিকে ভালোবাসুন এবং ঔষধের দাসত্ব থেকে আজই মুক্তি পান।

ছোটবেলায় ভাবতাম, মা কখনো অসুস্থ হয় না।আজ বুঝি—সে অসুস্থ হতো, শুধু সময় পেত না নিজেকে দেখার।আমরা খাই, সে পরে খায়।আমরা ...
06/02/2026

ছোটবেলায় ভাবতাম, মা কখনো অসুস্থ হয় না।
আজ বুঝি—সে অসুস্থ হতো, শুধু সময় পেত না নিজেকে দেখার।
আমরা খাই, সে পরে খায়।
আমরা ঘুমাই, সে তখনও জেগে থাকে।
মা মানে শক্ত নয়…

মা মানে নিজের কষ্ট চেপে রেখে সন্তানকে আগলে রাখা এক নীরব যোদ্ধা। 🤍
আজ একটু মায়ের খোঁজ নিন। সে-ও মানুষ। 💔

আপনার হাতের কাছে "আল আরাফ হাসপাতালে" প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত যে সমস্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগন রোগী দ...
04/02/2026

আপনার হাতের কাছে "আল আরাফ হাসপাতালে" প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত যে সমস্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগন রোগী দেখবেন:-

🩺 বন্ধাত্ব্য (নিঃসন্তান), গাইনী, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
🩺 নাক,কান,গলা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
🩺চর্ম, যৌন, মেছতা, ব্রন ও এলার্জী
🩺 নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
🩺 কিডনি, ডায়াবেটিস, মেডিসিন ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ
🩺 হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি
🩺 নিউরো মেডিসিন
🩺 বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস, অর্থোপিডিক্স-এ ফিজিওথেরাপী বিশেষজ্ঞ

২৪ ঘন্টা জরুরি সেবা, ২৪ ঘন্টা নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা, ২৪ ঘন্টা একজন এমবিবিএস ডাক্তারের উপস্থিত, ২৪ ঘন্টা ইসিজি, ২৪ ঘন্টা নরমাল ডেলিভারি, ২৪ ঘন্টা 4D Colour Doppler আলট্রাসনোগ্রাফি করা হয়, TVS আলট্রা, ৫০০ এম এ ডিজিটাল এক্সরে এবং নিজস্ব ল্যাবে হরমোন পরীক্ষা, ইলেকট্রোলাইটিস পরীক্ষাসহ, আমাদের নিজস্ব ল্যাবেই সকল ধরনের প্যাথলজিকেল পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়।

তাছাড়া প্রতিদিনই গাইনী, মেডিসিন, শিশু, বাত, ব্যথা প্যারালইসসি, অর্থোপেডিক্স রিহ্যাবিলিটেশন ও ফিজিওথেরাপি সহ ভিবিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন নিয়মিত রোগী দেখেন ইনশাআল্লাহ।

যোগাযোগের ঠিকানা:
শ্রীপুর রেল স্টেশন থেকে ১০০ গজ পূর্ব পাশে, শ্রীপুর সরকারি পাইলট হাইস্কুল সংলগ্ন, শ্রীপুর-গোসিঙ্গা রোড, শ্রীপুর, গাজীপুর।

অগ্রীম সিরিয়ালঃ- 01711 44 38 99

আমাদের আন্তরিক ও গুনগতমান সম্পন্ন চিকিৎসা সেবা গ্রহনে আপনি আমন্ত্রিত।

03/02/2026
🛁 নবজাতককে গোসল করানো: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা।.....পৃথিবীতে আসার পর ছোট্ট সোনামণিকে প্রথমবার গোসল করানো—বাবা-মায়ের জন্য যে...
31/01/2026

🛁 নবজাতককে গোসল করানো: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা।
.....

পৃথিবীতে আসার পর ছোট্ট সোনামণিকে প্রথমবার গোসল করানো—বাবা-মায়ের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একটু ভয়েরও। মনে হয়, এই বুঝি বাচ্চা হাত ফসকে পড়ে গেল! বিশেষ করে নাভি (Umbilical Cord) না শুকানো পর্যন্ত গোসল করানো যাবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন।

আজকের আমরা জানবো নবজাতককে নিরাপদে গোসল করানোর ধাপে ধাপে গাইডলাইন।

💧 কখন গোসল করাবেন?

🎯 নাভি পড়ার আগে: বাচ্চার নাভি শুকিয়ে পড়ে না যাওয়া পর্যন্ত (সাধারণত ১-২ সপ্তাহ) তাকে পানিতে চুবিয়ে গোসল না করানোই ভালো। এ সময় হালকা গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে শরীর মুছে দিন (Sponge Bath)। এতে নাভি ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

🎯 নাভি পড়ার পর: নাভি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে সপ্তাহে ২-৩ দিন সাবান দিয়ে বা টাব বাথে গোসল করাতে পারেন। নবজাতককে রোজ গোসল করানোর প্রয়োজন নেই, এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

🌡️ পানির তাপমাত্রা কেমন হবে? পানি খুব গরম বা খুব ঠান্ডা হওয়া যাবে না। কুসুম গরম পানি (Lukewarm water) ব্যবহার করুন।

পরীক্ষা: আপনার হাতের কনুই পানিতে ডুবিয়ে দেখুন। যদি সহনীয় ও আরামদায়ক মনে হয়, তবেই বাচ্চার জন্য নিরাপদ।

🧴 গোসলের সঠিক পদ্ধতি:
১. প্রস্তুতি: গোসল শুরুর আগেই তোয়ালে, ডায়াপার, জামা, লোশন—সব হাতের কাছে গুছিয়ে রাখুন। বাচ্চাকে ভেজা অবস্থায় রেখে কিছু খুঁজতে যাবেন না।

২. সময়: দুপুরের দিকে যখন রোদ থাকে, তখন গোসল করানো ভালো। ভরা পেটে গোসল করাবেন না, এতে বমি হতে পারে। খাওয়ানোর অন্তত ৩০ মিনিট পর বা আগে করান।

৩. ধরে রাখা: বাথটাবে বা গামলায় বাচ্চাকে নামানোর সময় এক হাত দিয়ে তার ঘাড় ও পিঠ সাপোর্ট দিন। নবজাতকের ঘাড় শক্ত থাকে না, তাই সাপোর্টের কোনো বিকল্প নেই।

৪. কান ও চোখ: খেয়াল রাখবেন কানে যেন পানি না ঢোকে। মুখ মোছানোর সময় আলাদা পরিষ্কার কটন বল বা নরম কাপড় ব্যবহার করুন।

🚫 সতর্কতা:
* বাচ্চাকে এক সেকেন্ডের জন্যও পানিতে একা রাখবেন না।
* বাথরুমের দরজা বা জানাল দিয়ে ঠান্ডা বাতাস যেন না আসে।
* খুব বেশি ফেনা হয় এমন সাবান এড়িয়ে চলুন, এতে বাচ্চার ত্বক পিচ্ছিল হয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

💡 পরামর্শ : গোসলের পর বাচ্চাকে তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে মুছবেন না। আলতো করে চেপে চেপে পানি শুকিয়ে নিন। এরপর ময়েশ্চারাইজার বা বেবি লোশন লাগিয়ে দিন যাতে ত্বক ভালো থাকে।

বাচ্চা কান্নার ৮টি কারণ ও সমাধান:-১. ক্ষুধার সংকেত (Hunger Cues)শিশু ক্ষুধার্ত কি না তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো দেখুন...
29/01/2026

বাচ্চা কান্নার ৮টি কারণ ও সমাধান:-

১. ক্ষুধার সংকেত (Hunger Cues)
শিশু ক্ষুধার্ত কি না তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো দেখুন:

▪️ প্রাথমিক লক্ষণ: ঠোঁট চাটানো, মুখ খোলা বা আঙুল চোষা।
▪️ মধ্যবর্তী লক্ষণ: বারবার মাথা এপাশ-ওপাশ করা (খাবার খোঁজা)।
▪️ চূড়ান্ত লক্ষণ: জোরে কান্না করা এবং মুখ লাল হয়ে যাওয়া।

২. ডায়াপার ও পরিচ্ছন্নতা (Hygiene)
অপরিচ্ছন্নতা শিশুর ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে:

▪️ ভিজা ভাব: প্রস্রাব বা মলত্যাগের কারণে ডায়াপার ভারী হয়ে যাওয়া।
▪️ ত্বকের জ্বালাপোড়া: ডায়াপার র‍্যাশ বা একজিমার কারণে চুলকানি হওয়া।
▪️ আঁটসাঁট পোশাক: খুব টাইট ডায়াপার পরানো যা পেটে চাপ সৃষ্টি করে।

৩. পেটের সমস্যা ও গ্যাস (Tummy Troubles)
হজম প্রক্রিয়ার জটিলতার কারণে শিশু অস্থির হয়ে ওঠে:

▪️ বাতাস জমা: দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত বাতাস পেটে ঢুকে যাওয়া।
▪️ কলিক পেইন: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত সন্ধ্যায়) একটানা কান্না।
▪️ কোষ্ঠকাঠিন্য: শক্ত পায়খানা বা পেট ফুলে থাকা।

৪. ঘুম ও পরিবেশগত ক্লান্তি (Overstimulation)
শারীরিক ক্লান্তি যখন সহ্যের বাইরে চলে যায়:

▪️ অতিরিক্ত কোলাহল: জোরে শব্দ বা অনেক মানুষ আশপাশে থাকা।
▪️ উজ্জ্বল আলো: চোখে সরাসরি কড়া আলো পড়া।
▪️ অপর্যাপ্ত ঘুম: দীর্ঘক্ষণ জেগে থাকার ফলে স্নায়বিক দুর্বলতা।

৫. তাপমাত্রার অস্বস্তি (Temperature Issues)
শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে তাপমাত্রার প্রতি বেশি সংবেদনশীল:

▪️ অতিরিক্ত গরম: ঘাম হওয়া এবং ঘাড়ের পেছন দিক গরম হয়ে থাকা।
▪️ অতিরিক্ত ঠান্ডা: হাত-পা নীলচে হওয়া বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
▪️ পোশাকের উপদান: খসখসে বা সিনথেটিক কাপড়ে অস্বস্তি।

৬. শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যথা (Illness/Pain)
অন্য কোনো কারণ খুঁজে না পেলে এগুলো হতে পারে কারণ:

▪️ জ্বর বা সংক্রমণ: শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া বা সর্দি-কাশি।
▪️ কানের ব্যথা: কান টেনে ধরা বা মাথা নাড়ানো।
▪️ পোকামাকড়ের কামড়: মশা বা পিঁপড়ার কামড়ে হঠাৎ তীব্র কান্না।

আপনার আদরের ছোট সোনামণির যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনার হাতের কাছে আল আরাফ হাসপাতালে..

যোগাযোগঃ
আল আরাফ হাসপাতাল
শ্রীপুর রেল লাইন থেকে ১০০ গজ পূর্ব পাশে, শ্রীপুর পাইলট হাই স্কুল সংলগ্ন, শ্রীপুর, গাজীপুর।

অগ্রিম সিরিয়ালের জন্য-
মোবাইলঃ 01711 44 38 99

29/01/2026

বারবার ফিডিং এবং মায়ের কোল—এটিই শিশুর সুস্থ বিকাশের লক্ষণ!
শিশুর এই 'ক্লাস্টার ফিডিং' ও সান্নিধ্য পাওয়ার ইচ্ছাকে হাসিমুখে গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন, আপনার স্পর্শেই শিশু সবচেয়ে নিরাপদ এবং তার পুষ্টির চাহিদা এখানেই পূর্ণ হয়।

1️⃣ 🧺 Swaddling (কাপড়ে জড়িয়ে রাখা)🤱 কেন করবেন: গর্ভের মতো নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে।☁️ কিভাবে: নরম সুতি কাপড়ে আলতোভাবে মুড়...
29/01/2026

1️⃣ 🧺 Swaddling (কাপড়ে জড়িয়ে রাখা)

🤱 কেন করবেন: গর্ভের মতো নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে।
☁️ কিভাবে: নরম সুতি কাপড়ে আলতোভাবে মুড়িয়ে নিন।

✅ উপকারিতা: হাত-পায়ের আকস্মিক নড়াচড়ায় শিশু চমকে উঠবে না।

2️⃣ 🤱 Side / Stomach Position (পাশে বা উপুড় করে ধরা)

🤔 কেন করবেন: শিশু অতিরিক্ত কান্নাকাটি বা অস্থিরতা করলে।
🙌 কিভাবে: আপনার বাহুতে কাত করে বা পেটের ওপর ভর দিয়ে ধরুন।
✨ উপকারিতা: পেটের গ্যাস কমাতে এবং শিশুকে দ্রুত শান্ত করতে সাহায্য করে।

⚠️ সতর্কতা: ঘুমানোর সময় শিশুকে অবশ্যই সবসময় চিৎ করে শোয়াবেন।

3️⃣ 🤫 Shushing (শোঁ-শোঁ শব্দ করা)

👂 কেন করবেন: বাইরের কোলাহল থেকে শিশুকে আড়াল করতে।
🌬️ কিভাবে: কানের কাছে মৃদু ছন্দে "শ...শ..." শব্দ করুন।

💤 উপকারিতা: এই শব্দ শিশুকে গর্ভে থাকাকালীন পরিচিত শব্দের কথা মনে করিয়ে দেয়।

4️⃣ 🔄 Swinging (হালকা দোলানো)

🧸 কেন করবেন: অস্থির শিশুকে আরামদায়ক অনুভূতি দিতে।
👐 কিভাবে: মাথা ও ঘাড়ের নিচে সাপোর্ট দিয়ে ছন্দময়ভাবে দোলান।

🧠 উপকারিতা: ছন্দময় দোলুনি শিশুর মস্তিষ্কে প্রশান্তি ফিরিয়ে আনে।

5️⃣ 🍼 Sucking (চোষা)

😊 কেন করবেন: চোষার মাধ্যমে শিশু প্রাকৃতিকভাবেই নিরাপদ বোধ করে।
🤱 কিভাবে: বুকের দুধ পান করান বা পরিষ্কার নিপল ব্যবহার করতে পারেন।

😴 উপকারিতা: এটি শিশুর স্নায়ু ঠান্ডা করে এবং দ্রুত ঘুম পাড়াতে সাহায্য করে।

👶 নবজাতক শিশুর পেটে গ্যাস হলে করণীয়:শিশুর পেটের অস্বস্তি ও গ্যাস দ্রুত কমাতে নিচের ৫টি সহজ উপায় অনুসরণ করুন:১. দুধ খাওয়...
27/01/2026

👶 নবজাতক শিশুর পেটে গ্যাস হলে করণীয়:
শিশুর পেটের অস্বস্তি ও গ্যাস দ্রুত কমাতে নিচের ৫টি সহজ উপায় অনুসরণ করুন:
১. দুধ খাওয়ানোর পর ঢেকুর তোলা
💨 পিঠ চাপড়ানো:
➥দুধ খাওয়ানোর পর কাঁধে নিয়ে পিঠে আলতো চাপ দিয়ে ঢেকুর তোলাুন।
🤱 সঠিক পজিশন:
➥খাওয়ানোর সময় শিশুর মাথা পেটের চেয়ে কিছুটা উঁচুতে রাখুন।

২. বাইসাইকেল লেগ এক্সারসাইজ
🚲 পা নাড়ানো:
➥শিশুকে শুইয়ে তার দুই পা সাইকেল চালানোর মতো ধীরে নাড়ান।
🌪️ গ্যাস নির্গমন:
➥এই ব্যায়ামটি জমে থাকা বাতাস বের করতে সরাসরি সাহায্য করে।

৩. পেটে হালকা মালিশ
🌀 ম্যাসাজ:
➥শিশুর পেটে ঘড়ির কাঁটার দিকে আলতো করে হাত ঘুরিয়ে মালিশ করুন।
🧣 হালকা সেক:
➥কুসুম গরম কাপড়ের সেক দিলে শিশু দ্রুত আরাম বোধ করে।

৪. টামি টাইম (Tummy Time)
🐢 উপুড় রাখা:
➥শিশু জেগে থাকা অবস্থায় কিছুক্ষণ পেটে ভর দিয়ে শুইয়ে রাখুন।
📉 প্রাকৃতিক চাপ:
➥পেটে হালকা চাপের ফলে গ্যাস সহজেই বের হয়ে যায়।

৫. মায়ের খাদ্যাভ্যাস
🥗 খাবার নিয়ন্ত্রণ:
➥ মা অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা গ্যাস তৈরি করে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন।
💧 সুস্থ মা:
➥মায়ের সঠিক হজম শিশুর গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়ক।

জরুরি নোট: শিশুর পেট অতিরিক্ত শক্ত হলে বা খুব বেশি বমি করলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

👶 ১ মাসের শিশুর ঘুমের রুটিন: যা জানা জরুরি🧼 পরিষ্কার ডায়াপার: ভেজা বা নোংরা ডায়াপারে শিশুর ঘুম নষ্ট হয়, তাই ঘুমানোর আগে ...
27/01/2026

👶 ১ মাসের শিশুর ঘুমের রুটিন: যা জানা জরুরি
🧼 পরিষ্কার ডায়াপার: ভেজা বা নোংরা ডায়াপারে শিশুর ঘুম নষ্ট হয়, তাই ঘুমানোর আগে চেক করে নিন।
⏰ সময়সূচি: নির্দিষ্ট কোনো রুটিন নেই, ছোট ছোট ন্যাপ আশা করুন।
🍼 খাওয়ানো: প্রতি ২–৪ ঘণ্টা পরপর দুধ খাওয়ানোর জন্য শিশু জেগে ওঠে।
🌗 দিন-রাত: শিশু এই বয়সে দিন এবং রাতের পার্থক্য বোঝে না।
🛌 নিরাপদ অবস্থান: সবসময় শিশুকে পিঠের ওপর ভর দিয়ে সমতলে শোয়ান।
🤫 ঘুমের পরিবেশ: ঘর শান্ত রাখুন এবং প্রয়োজনে শিশুকে আলতো করে দুলিয়ে দিন।
🌯 স্ব্যাডলিং (Swaddling): পাতলা কাপড়ে জড়িয়ে রাখলে শিশু নিরাপদ বোধ করে এবং ভালো ঘুমায়।
⏳ ধৈর্য ধরুন: সময়ের সাথে সাথে শিশুর শিশুর ঘুমের অভ্যাস নিজে থেকেই উন্নত হবে।
🚫 খেলনা মুক্ত বিছানা: ঘুমের জায়গায় কোনো বালিশ, কম্বল বা নরম খেলনা রাখবেন না (নিরাপত্তার জন্য)।
🥱 লক্ষণ: হাই তোলা বা চোখ কচলালে দ্রুত ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন।

‼️পরামর্শ: ১ মাসের শিশুদের ক্ষেত্রে "স্লিপ কিউ" (Sleep Cues) বা ঘুমের লক্ষণগুলো (যেমন: চোখ কচলানো বা হাই তোলা) খেয়াল করা খুব জরুরি।
‼️এতে শিশু অতিরিক্ত ক্লান্ত হওয়ার আগেই তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া সহজ হয়।

Address

Goshinga Road, Sreepur
Gazipur
1740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Araf Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Al Araf Hospital:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category