Dr. Fahmida Mahbuba Bonna

Dr. Fahmida Mahbuba Bonna It's the page for medical information.
(1)

02/02/2026

ছেলে শিশু কত সপ্তাহে জন্মায়?

মাতৃত্বের অদেখা রূপ: প্রসব-পরবর্তী দিনগুলো -✍️প্রসবের পরদিনগুলো নতুন অভিজ্ঞতা আর চ্যালেঞ্জে ভরা। ছোট ছোট বিষয়গুলোই মায়ের...
02/02/2026

মাতৃত্বের অদেখা রূপ: প্রসব-পরবর্তী দিনগুলো -

✍️প্রসবের পরদিনগুলো নতুন অভিজ্ঞতা আর চ্যালেঞ্জে ভরা। ছোট ছোট বিষয়গুলোই মায়ের জন্য বড় প্রভাব ফেলে।

• শারীরিক সুস্থতা: প্রসবের ধকল কাটিয়ে ওঠা
• সন্তানকে চেনা: নতুন শিশুকে বুঝতে শেখা
• বদলানো শরীর: নিজের নতুন শরীরের সাথে মানিয়ে নেওয়া
• আবেগপ্রবণ হওয়া: মেজাজের ঘনঘন পরিবর্তন
• রক্তস্রাব: প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ সামলানো
• ঘুমহীনতা: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
• যত্ন নেওয়া: শিশুর সেবা করতে শেখা
• সুখ অনুভব: নিজেকে ধন্য মনে করা
• সম্পর্কের বদল: প্রিয়জনদের সাথে নতুন সমীকরণ
• স্তনের অস্বস্তি: দুধ আসার কারণে ভারী বা ভেজা ভাব
• অযাচিত উপদেশ: অন্যদের বাড়তি পরামর্শ
• মাতৃত্বের অপরাধবোধ: নিজেকে কম যোগ্য মনে করা

গর্ভাবস্থায় BP ও প্রসাব পরীক্ষা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ (BP) ও প্রসাব পরীক্ষা নিয়মিত না করলে মা ও বেবীর ...
02/02/2026

গর্ভাবস্থায় BP ও প্রসাব পরীক্ষা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ (BP) ও প্রসাব পরীক্ষা নিয়মিত না করলে মা ও বেবীর জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

🔹 BP বেশি হলে
– প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া
– খিঁচুনি
– বেবির ওজন কম হওয়া
– আগেই ডেলিভারি হওয়ার ঝুঁকি

🔹 প্রসাবে সমস্যা ধরা পড়লে

– প্রসাবে প্রোটিন → প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার ইঙ্গিত
– ইনফেকশন → আগাম প্রসবের ঝুঁকি
– সুগার → বেবির অতিরিক্ত ওজন / জটিলতা

✨ নিয়মিত পরীক্ষা করলে

✔ ঝুঁকি আগে থেকেই ধরা পড়ে
✔ সময়মতো চিকিৎসা সম্ভব হয়
✔ মা ও বেবি দুজনই নিরাপদ থাকে

📌 তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
প্রতিবার চেকআপে BP ও প্রসাব পরীক্ষা করানো খুবই জরুরি।

আল্লাহ সুস্থ রাখুন মা ও অনাগত শিশুকে।

#গর্ভাবস্থা
ীক্ষা
#প্রসাবপরীক্ষা
#মা_ও_বেবির_নিরাপত্তা
#গর্ভকালীন_যত্ন
#সুস্থ_মা_সুস্থ_বেবি
#প্রেগন্যান্সি_টিপস
#মাতৃত্ব

লেবার পেইন বা প্রসব বেদনা চেনার সহজ উপায়-১. তীব্র সংকোচন (Contractions) নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যথা আসা।সময়ের সাথে ব্যথার ...
02/02/2026

লেবার পেইন বা প্রসব বেদনা চেনার সহজ উপায়-

১. তীব্র সংকোচন (Contractions)

নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যথা আসা।
সময়ের সাথে ব্যথার তীব্রতা বাড়া।
হাঁটলে বা শুয়ে থাকলেও ব্যথা না কমা।

২. পিঠের নিচের অংশে ব্যথা

ব্যথা কোমর থেকে পেটের দিকে ছড়িয়ে পড়া।
পিরিয়ড ব্যথার চেয়েও অনেক বেশি তীব্র হওয়া।

৩. পানির থলি ফেটে যাওয়া

যোনিপথ দিয়ে হঠাৎ তরল বা পানি নির্গত হওয়া।
এটি দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া।

৪. মিউকাস প্লাগ নির্গত হওয়া

যোনিপথ দিয়ে ঘন আঠালো তরল বের হওয়া।
তরলটি গোলাপি বা হালকা রক্তমিশ্রিত থাকতে পারে।

৫. জরায়ুর মুখ খুলে যাওয়া

ডাক্তার বা নার্স চেক করে এটি নিশ্চিত করবেন।
প্রসবের জন্য জরায়ুর মুখ পাতলা ও চওড়া হওয়া।

৬. শিশুর পজিশন পরিবর্তন

শিশুটি পেটের অনেকটা নিচের দিকে নেমে আসা।
মূত্রাশয়ে চাপের কারণে ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া।

01/02/2026

নবজাতকের প্রসাব পায়খানা কম হলে কি বোঝায় ?

মা হওয়া একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা, কিন্তু এর সাথে আসা মানসিক পরিবর্তনগুলো অনেক সময় নতুন মায়েদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। ...
01/02/2026

মা হওয়া একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা, কিন্তু এর সাথে আসা মানসিক পরিবর্তনগুলো অনেক সময় নতুন মায়েদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।

​অনেকেই সাধারণ "বেবি ব্লুজ" এবং গুরুতর "প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা" (Postpartum Depression)-কে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু এই দুটির মধ্যে পার্থক্য বোঝা মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

​নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন:

​🔹 বাম পাশে (বেবি ব্লুজ): এটি খুব সাধারণ এবং হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হয়। মেজাজ ওঠানামা বা অকারণে কান্না পেলেও, মা তার বাচ্চার যত্ন নিতে পারেন। এটি সাধারণত ২ সপ্তাহের মধ্যেই ঠিক হয়ে যায়।

​🔸 ডান পাশে (প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা): এটি অনেক বেশি গভীর এবং গুরুতর। এখানে মা নিজেকে দোষী ভাবেন, বাচ্চার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং তীব্র হতাশায় ভোগেন। এটি একা একা ঠিক হয় না।
​মনে রাখবেন: যদি ২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আপনার মধ্যে ডান পাশের লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে একে অবহেলা করবেন না। আপনি একা নন, এবং এটি আপনার দোষ নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং পরিবারের সাহায্য চান।

❤️ সুস্থ মা = সুস্থ শিশু। ❤️

​ #মাতৃত্ব #মানসিকস্বাস্থ্য

গর্ভাবস্থায় ঔষধ সেবন — খুবই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাগর্ভাবস্থায় নিজের ইচ্ছেমতো কোনো ঔষধ খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এমনকি আমরা যে...
01/02/2026

গর্ভাবস্থায় ঔষধ সেবন — খুবই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
গর্ভাবস্থায় নিজের ইচ্ছেমতো কোনো ঔষধ খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এমনকি আমরা যেগুলোকে “সাধারণ ব্যথার ঔষধ” মনে করি (যেমন কিছু পেইনকিলার), সেগুলোও গর্ভের বেবীর বৃদ্ধি ও বিকাশে ক্ষতি করতে পারে।

👉 কেন ঝুঁকিপূর্ণ?

কিছু ব্যথানাশক ঔষধ বেবীর কিডনি, হার্ট বা স্নায়ুতন্ত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রথম ৩ মাসে (১ম ট্রাইমেস্টার) ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে।

ভুল ডোজ বা ভুল ঔষধ আগাম প্রসব বা অন্যান্য জটিলতা তৈরি করতে পারে।

🔹 তাই যেকোনো ব্যথা, জ্বর বা অস্বস্তি হলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন—নিজে নিজে ঔষধ খাবেন না।

#গর্ভাবস্থা #মা_ও_শিশু

গর্ভে বেবীর নড়াচড়া: কেন প্রতিদিন খেয়াল করা জরুরি?গর্ভাবস্থায় বেবীর নড়াচড়া হলো তার সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। য...
01/02/2026

গর্ভে বেবীর নড়াচড়া: কেন প্রতিদিন খেয়াল করা জরুরি?

গর্ভাবস্থায় বেবীর নড়াচড়া হলো তার সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। যখন বেবি নিয়মিত নড়ে, তখন বোঝা যায় সে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পাচ্ছে। তাই প্রতিদিন বেবির মুভমেন্ট খেয়াল করা খুবই জরুরি।

✅ কখন থেকে খেয়াল করবেন?

সাধারণত ২০–২৪ সপ্তাহ থেকে বেবির নড়াচড়া পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। ২৮ সপ্তাহের পর থেকে এটি আরও নিয়মিত হয় এবং তখন থেকেই প্রতিদিন খেয়াল রাখা উচিত।

কীভাবে মুভমেন্ট গুনবেন?

দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বেছে নিন (খাওয়ার পর ভালো হয়)।
শান্তভাবে শুয়ে বা বসে ১–২ ঘণ্টায় বেবি কমপক্ষে ৮–১০ বার নড়াচড়া করছে কি না দেখুন।
কেউ কেউ ২ ঘণ্টায় ১০ বার নড়াচড়া হলে সেটাকে স্বাভাবিক ধরা হয়।

কখন চিন্তা করবেন?

নিচের যেকোনোটি হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান—
হঠাৎ করে বেবির নড়াচড়া আগের তুলনায় অনেক কমে গেলে
সারাদিনে খুব সামান্য বা একেবারেই নড়াচড়া না টের পেলে
আগে নিয়মিত নড়ত, কিন্তু এখন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে।

কেন কমে গেলে বিপদ হতে পারে?

বেবির নড়াচড়া কমে যাওয়া মানে হতে পারে—
পানি কমে যাওয়া
প্লাসেন্টার সমস্যা
বেবির অক্সিজেন কম পাওয়া
(সব সময় এমন না হলেও, পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া জরুরি)

আপনি কী করবেন?

প্রথমে পানি খান, হালকা হাঁটুন বা বাম কাতে শুয়ে দেখুন বেবি নড়ে কি না।
তাতেও যদি নড়াচড়া না বাড়ে—অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান।

***মনে রাখবেন: বেবির নড়াচড়া উপেক্ষা করা মানে ঝুঁকি নেওয়া। সময়মতো পরীক্ষা করলে বড় সমস্যা এড়ানো যায়।

31/01/2026

নড়াচড়া কমে গেলে প্রথম করণীয়
#বেবিরনড়াচড়া

#গর্ভাবস্থায়
#মা_ও_বেবির_যত্ন

নবজাতকের নাভির হার্নিয়া (Umbilical Hernia)-যদি আপনার শিশুর নাভির চারপাশে গোল এবং নরম ফোলা অংশ দেখতে পান, তবে একে আম্বিলি...
31/01/2026

নবজাতকের নাভির হার্নিয়া (Umbilical Hernia)-

যদি আপনার শিশুর নাভির চারপাশে গোল এবং নরম ফোলা অংশ দেখতে পান, তবে একে আম্বিলিক্যাল হার্নিয়া (Umbilical Hernia) বলা হয়।

📍যা জানা জরুরি (ভুল ধারণা বনাম সত্য):

এটি মোটেও
❌ ভূত-প্রেত
❌ কুদৃষ্টি
❌ মায়ের যত্নে গাফিলতি বা ঠিকমতো গোসল না করানো।
❌ কোলে বেশি নেওয়া
❌ বা কোমরে কিছু বাঁধা / না বাঁধার কারণে হয় না

— এগুলো সবই ভুল ধারণা।

📍এটি কেন হয়?

গর্ভে থাকাকালীন শিশুর নাভি দিয়ে যে ছিদ্র থাকে, জন্মের পর তা পুরোপুরি বন্ধ না হলে সেখান দিয়ে পেটের ভেতরের অন্ত্র (Intestine) সামান্য বাইরে বেরিয়ে আসে। এর ফলেই নাভি ফুলে গিয়ে হার্নিয়া তৈরি হয়।

📍কী লক্ষণ দেখা যায়?

• শিশু কাঁদলে বা জোর দিলে ফোলাটা বেশি দেখা যায়
• শান্ত থাকলে বা ঘুমালে ফোলাটা কমে যায়
• সাধারণত ব্যথা হয় না
• খুবই সাধারণ সমস্যা
• বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ১–৫ বছরের মধ্যেই নিজে নিজেই সেরে যায়

📍যেগুলো একদম করবেন না -

❌ নাভির ওপর কয়েন, বোতাম, ব্যান্ডেজ বা কাপড় বাঁধবেন না।
❌ জোর করে হাত দিয়ে চেপে ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না।
❌ কোনো ধরনের গরম পানি, ভেষজ মিশ্রণ, তেল বা মলম লাগাবেন না।

📍কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন?

▪️ফোলা জায়গাটি হঠাৎ শক্ত হয়ে গেলে।
▪️যদি জায়গাটি কালো বা কালচে হয়ে যায়।
▪️স্পর্শ করলে শিশু যদি তীব্র যন্ত্রণায় কান্নাকাটি করে।
▪️শিশুর যদি ঘনঘন বমি হয় বা পেট অস্বাভাবিক ফুলে যায়।

#নবজাতকেরযত্ন

নরমাল ডেলিভারির পর প্লাসেন্টা বের হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।ডেলিভারির পরপর পরের ৩০ মিনিট খুব জরুরি কারণ এই সময়ের মধ্যেই প্ল...
31/01/2026

নরমাল ডেলিভারির পর প্লাসেন্টা বের হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ডেলিভারির পরপর পরের ৩০ মিনিট খুব জরুরি কারণ এই সময়ের মধ্যেই প্লাসেন্টা-টা নরমালি বের হওয়া দরকার। না হলে শুরু হয় ভয়ানক ঝুঁকি—অতিরিক্ত রক্তপাত, শক, ইনফেকশন… এমনকি মায়ের জীবনও ঝুঁকিতে থাকে।

প্লাসেন্টা হলো সেই অংশটা যার মাধ্যমে বাচ্চা পেটে থাকা অবস্থায় সব রকমের নিউট্রিশন পায়,অক্সিজেন পায়। গর্ভ ফুলও বলা হয়।

✅বাচ্চা ডেলিভারির সাথে সাথে এটা বের করাও ডেলিভারির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। একজন মায়ের শরীরের ভেতরে যদি প্লাসেন্টার সামান্য অংশও রয়ে যায়, সেটা রক্তপাত, ইনফেকশন এমনকি জীবনঝুঁকি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

বাড়িতে ডেলিভারি করালে এই বিপদ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

❌ দাই-রা কেউ কেউ cord ধরে জোরে টান দেয়।
কখনও টান এত বেশি হয়ে যায় যে পুরো ইউটেরাসই উল্টে বাইরে চলে আসে (ইউটেরাইন ইনভার্শন)।

❌আবার কারও প্লাসেন্টা বেরোতেই চায় না; প্লাসেন্টা যতটুকু গেঁথে থাকার কথা জরায়ুর দেয়ালে, কারো কারো তার চাইতে বেশি গেঁথে থাকতে পারে। এটাকে বলে "প্লাসেন্টা accreta" যা আগে থেকেই আল্ট্রাসনোগ্রাম এর মাধ্যমে জানা যায়। এসব ক্ষেত্রে মেডিক্যাল ইন্টারভেনশন লাগবেই।

⚠️খেয়াল রাখতে হবে ৩০ মিনিটের ‘সেফ গিয়ার’
যদি ঘরেই প্রসব করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়, ইমারজেন্সি কোনো কারণে ,ঘড়ির কাঁটা দেখুন—৩০ মিনিট পেরোলেই এটা কিন্তু retained placenta , যা মেডিকেল ইমারজেন্সি।

✅আগে থেকেই লেবারের প্রিপারেশন নিয়ে রাখা ভালো।
✅প্রশিক্ষিত কাউকে ছাড়া ডেলিভারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য কারো হাতে তুলে দিবেন না। উচিৎ হল হাসপাতাল সেটিংয়েই ডেলিভারি করা। তা না হলেও অন্তত দক্ষ কারো মাধ্যমেই করা।

কারণ কখন কোন অজানা বিপদ অপেক্ষা করছে, আমরা ধারণা ও করতে পারি না।

তাই আগে থেকেই ব্যবস্থা নিয়ে রাখবেন কিছু হলেই যেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়।

সবাই মনে করে, একজন গর্ভবতী মা বোধহয় শুধু ভালো খাবার, দামী ফল আর একটু বাড়তি বিশ্রাম চান। কিন্তু না! তার চাওয়াগুলো এর চেয়ে...
31/01/2026

সবাই মনে করে, একজন গর্ভবতী মা বোধহয় শুধু ভালো খাবার, দামী ফল আর একটু বাড়তি বিশ্রাম চান। কিন্তু না! তার চাওয়াগুলো এর চেয়েও গভীর, যা হয়তো অনেক সময় তিনি মুখ ফুটে বলতেও পারেন না।

মাঝরাতে যখন গর্ভের সন্তানটি হঠাৎ নড়ে ওঠে, তখন মা শুধু একা অনুভব করেন না, তিনি এক বিশাল দায়িত্বের চাপও অনুভব করেন। তিনি তখন কেবল একজন 'কেয়ারটেকার' চান না, তিনি চান এমন একজন মানুষকে যে তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলবে— "আমি জানি তোমার কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আমি তোমার পাশে আছি।"

শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া, কালো হয়ে যাওয়া বা মুড সুইং নিয়ে কোনো বাঁকা কথা নয়; তিনি চান কেউ তাকে বলুক, "তোমাকে আজও পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী মনে হচ্ছে।"

তিনি চান তার সঙ্গী সব কাজ ফেলে অন্তত ১০ মিনিট তার পেটে হাত রেখে অনাগত সন্তানের সাথে কথা বলুক। বিশ্বাস করুন, ওই মুহূর্তটুকু তাকে সারা দিনের ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়।

ডেলিভারি নিয়ে যে অজানার ভয় তাকে তাড়া করে বেড়ায়, সেখানে তিনি চান একজন সাহসী মানুষের হাত, যা তাকে মনে করিয়ে দেবে— তিনি একা নন।

গর্ভবতী মায়েরা দামী উপহার চান না। তারা চান একটু মানসিক শান্তি। তারা চান পরিবারের মানুষগুলো যেন তার খিটখিটে মেজাজটাকে ঘৃণা না করে তার পেছনের হরমোনাল যুদ্ধটাকে বোঝে। মা হওয়া মানে কেবল একটি সন্তান জন্ম দেওয়া নয়, এটি একটি মেয়ের নিজের পুনর্জন্ম।

আজকের এই পোস্টটি উৎসর্গ করছি সেই সকল যোদ্ধাদের, যারা নীরবে পেটে একটা প্রাণ নিয়ে হাসিমুখে সব কষ্ট সয়ে যাচ্ছেন।

হবু বাবা এবং পরিবার: আজ অন্তত একবার তাকে জড়িয়ে ধরে বলুন, "তুমি অনেক ভালো করছো, আমি তোমার জন্য গর্বিত।" তার জন্য এই একটি বাক্যই যথেষ্ট।
আপনারা যারা এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বা গিয়েছেন, কমেন্টে আপনার সেই বিশেষ অনুভূতিটি শেয়ার করুন।

Address

Gazipur
1701

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Fahmida Mahbuba Bonna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Fahmida Mahbuba Bonna:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram