Khan Homeo clinic

Khan Homeo clinic Dr. Ramzan Ali Khan
Homeo consultant D.H.M.S
Bangadesh Homeopathic Medical college & Hospital
Over 40 years experienced Registered Homeopathic Physician.

আমাদের কথা
আমাদের পথ চলার শুরু সেই ১৯৮৪ সাল থেকে । আমাদের এই র্দীঘ পথচলা আমরা পেয়েছি অগনিত মানুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাস , আজ আমরা পরিণত হয়েছি হাজারো মানুষের আস্খার ঠিকানায়। আমাদের কাছে কেউ চিকিত্সা নিতে আসলে আমরা প্রেসক্রিপসন না করে সরাসরি আমাদের ক্রয়কৃত অরজিনাল ঔষধ দিয়ে ট্রিটমেন্ট দেই। কারণ জটিল রোগীদের পর্যবেক্ষণে রেখে হোমিও ট্রিটমেন্ট দিতে হয়। তাছাড়া আমরা এমন এক দেশে বাস করি, যেখানে রোগীরা যে ঔষধটা একটা দোকান থেকে কিনবেন সেটা বিশুদ্ধ কি না তার কোনো নিশ্চিয়তা নেই। দেখা যায় একজন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার খুব ভালো মানের ট্রিটমেন্ট দেয়া সত্তেও শুধু মাত্র তার করা প্রেসক্রিপসন অনুসারে মানসম্পন্নত নয় এমন মেডিসিন কিনে খাওয়ার কারণে রোগীরা ভালো হচ্ছেন না, আর সাথে সাথে ঐ ডাক্তারের গুষ্ঠিশুদ্ধ উদ্ধার করতেও রোগীরা তখন কার্পন্য করেন না। তাই আমরা সেই রিস্ক নিতে মোটেও রাজি নই। আমরা হোমিও ডাক্তার, অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার এবং জটিল রোগীদের ট্রিটমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে হোমিও গবেষকদের উদ্ভাবিত সর্বাধুনিক হোমিও কম্বাইন রুলস ফলো করি।এ দীর্ঘ পথচলায় আমাদেরকে অভিজ্ঞতাও আল্লাহ পাক কম দেন নি। তাই আপনাদের জটিল রোগসমূহ নিয়ে আমাদের কাছে আসলে এই নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি যে আপনারা অন্তত সুচিকিৎসাটা পাবেন। কিন্তু আমরা আপনাকে ১০০% Guarantee দিতে পারব না এ জন্য যে, আমাদের কোনো ঐশ্বরিক ক্ষমতা নেই। তবে আপনাদের রোগ সারিয়ে আপনাকে পুরিপূর্ণ সুস্থ করতে আমরা আমাদের সর্ব জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে আপ্প্রান চেষ্টা করে থাকি । আমরা ডাক্তার। আমরা খুব ভালো করি জানি, একজন ব্যক্তি তার জীবনের শেষ আশাটুকু নিয়ে বাচার জন্য অত্যন্ত বিপদে পড়ে সুস্থতা লাভের জন্য একজন ডাক্তারের নিকট আসেন। আর একজন ব্যক্তি তার একটা সমস্যা নিয়ে বার বার আমাদের কাছে আসুক এটা আমাদের নীতি বিরুদ্ধ, এবং এটা আমাদের জন্য লজ্জাকরও বটে।
দেশে একটা সমন্মিত চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন ;
বতর্মান সময়ে হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা বেড়ে চলছে। আর পেছনে রয়েছে এর সহজলভ্যতা এবং রোগীকে সুস্থ্য করার পাশ্বপতিক্রিয়াহীন ক্ষমতা। সচেতন মানুষ আজ মুক্তি চায়্ এন্টিবায়োটিক নামক মেডিসনের করাল থাবা থেকে যা দেহের উপকারি ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে দেহের নতুন রোগ হবার পথ সৃষ্টি করে। আমরা এটাও বলছি না হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিত্সা। আমরা খুব ভালো করেই জানি প্রতিটা চিকিত্সা পদ্ধতিরই কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এটা অ্যালোপ্যাথির ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য তেমনি হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু জটিল রোগসমূহ রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে রোগীকে পরিপূর্ণ আরোগ্য করার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিতে ভালো এবং সর্বাধিক কার্যকর ট্রিটমেন্ট রয়েছে যা অ্যালোপ্যাথিতে ততটা কার্যকর হয় না অন্যদিকে একজন মৃত্যু পথযাত্রী রোগীকে তাত্ক্ষণিক ট্রিটমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথির কোনো বিকল্প দেখি না। আবার দুর্ঘটনায় আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির অঙ্গবিকৃতি ঘটলে সে ক্ষেত্রে সার্জারীর দরকার হয়ে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিত্সারও প্রয়োজন রয়েছে।
আমাদের সম্পর্কে যে যাই বলুক একটা কথা আমরা সরাসরি বলি - আমরা গোড়া ডাক্তার নই, আমরা এ যুগের আধুনিক হোমিও ডাক্তার। আমরা প্রতিটি চিকিত্সা পদ্ধতির গুরুত্বই বুঝি। যদি সবগুলি চিকিত্সা পদ্ধতির সমন্ময়ে একটা কম্বাইন ট্রিটমেন্ট সিস্টেম গড়ে তোলা যেত আমাদের বিশ্বাস, তাহলে মানুষ অন্তত যথাযথ চিকিত্সা সেবাটুকু পেত আর অযথাই জটিলরোগ সমূহ চিকিৎসায় দরিদ্র লোকদের ঘর বাড়ি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা খরচ করার প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু আমাদের পুঁজিবাদী লবী কখনই এ দেশে এটা হতে দিবে না ।
*** সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন সবাই, মহান আল্লাহর কাছে এই আমাদের কামনা। ***

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক সমাধানগ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তারা ভালোই জানেন বিষয়টি কতোটা অস্বিস্তিকর। ...
10/12/2020

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক সমাধান

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তারা ভালোই জানেন বিষয়টি কতোটা অস্বিস্তিকর। এটি কিন্তু আসলে কোনো রোগ নয়। এটা সাধারণত কিছু বদভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে।
অন্য যেকোনো রোগের চেয়েও এটা মাঝে মাঝে খারাপ আকার ধারণ করতে পারে। কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একদিনে হয়তো পুরোপুরি নিরাময় হবে না। কিন্তু ক্রমাগত অভ্যাস করে গেলে আপনি একদিন পুরোপুরি এসিডিটি মুক্ত থাকতে পারবেন।
আসুন আমরা জেনে নিই- গ্যাস্ট্রিক কি এবং কেন হয়? আর যেভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
গ্যাস্ট্রিক আসলে কি?
বৈজ্ঞানিকভাবে যে জিনিসটিকে গ্যাস্ট্রিক বলা হয়, সেটির আসল নাম হচ্ছে পেপটিক আলসার ডিজিজ বা পিইউডি। পাকস্থলী, ডিওডেনাম ও ইসোফেগাস— এই তিনটির যেকোনো জায়গায় যদি অ্যাসিডের কারণে ক্ষত হয়, এটাকে বলে পেপটিক আলসার ডিজিজ। এবং যখন বলা হচ্ছে গ্যাস্ট্রিক আছে, তখন বোঝা যাচ্ছে, তার পেপটিক আলসার রয়েছে। এটা পাকস্থলী বা ডিওডেনামে হতে পারে।
গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কেন হয়?
গ্যাস্ট্রিক সমস্যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি বা রোগীর বেলায় বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হবে বা ভাজা-পোড়া-তেলজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। নন-আলসার ডিসপেপসিয়া, এটাতে গ্যাস হয় বেশি, জ্বালা হয় বেশি, পেট ফুলে থাকে বেশি—সেটাতে ভাজা-পোড়া সাংঘাতিক ক্ষতিকর। তবে যদি এটি আলসার হয়ে থাকে, যেহেতু আলসারের একটি চিকিৎসা রয়েছে এবং অনেক সময় চিকিৎসা ছাড়াও এরা ভালো হয়ে যায়, এ জন্য এখানে অনেক বেশি সমস্যা হয় না। তবে ওই খাবারগুলো লক্ষণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যার ব্যথা রয়েছে, তার ব্যথাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যার জ্বলা রয়েছে, সেটা বাড়িয়ে দিতে পারে। এই বিষয়গুলো হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য আজকাল চিকিৎসার বিষয়টি এমন দিকে যাচ্ছে যে ব্যক্তির যা মনে চায় তাই খাবে, চিকিৎসক শুধু ওষুধ দিয়ে ভালো করে দেবে। খাওয়ার সীমাবদ্ধতা ছাড়া চিকিৎসা করতে চাই। আমরা আশা করছি, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এমন চিকিৎসা এসে যাবে, যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে খাবারের বেলায় বাছতে হবে না।
নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী খাবারের কথা বলতে গেলে, রিফ্লাক্স বলে মানুষের শরীরে একটি জিনিস রয়েছে, আমি যদি প্রতিদিন ২টার সময় ভাত খাই, একদিন যদি না খাই সে সময়ে পেট অ্যাসিডে ভর্তি হয়ে যাবে। তবে আমি যদি সেখানে দেরি করে খাই, আমার লক্ষণটা বেড়ে যাবে। এ জন্য নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার উপকার রয়েছে। আমাদের শরীর একটি অভ্যাসের মধ্যে চলে যায়। অভ্যাসের ব্যতিক্রম হলেই সমস্যা হয়। তবে ডিওডেনাল আলসার যেটা, সেখানে যদি প্রায় প্রায় খাবার দেয়া হয়, তাদের লক্ষণগুলো কমতে সাহায্য হয়। তবে এখন যেই চিকিৎসা পেপটিক আলসারের রয়েছে, এখানে খাওয়ার বিষয়ে বাছতে হবে না। এর পরও আমরা বলি, আপনার যেটা খেলে অসুবিধা মনে হয়, সেটি এড়িয়ে যান।ভয়ংকর এই গ্যাস্ট্রিক, আলসার হতে সহায়তা করে। আলসার থেকে মুক্তি পেতেই সকলে হাই পাওয়ারের ঔষধ সেবন করছে এবং কিডনির বারোটা বাজচ্ছে।
এখন আলোচনা করব গ্যস্টিকের সমস্যায় সফলতার সাথে যেই হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহৃত হয় হচ্ছে সেগুলো নিয়ে:

পালসেটিলাঃ শুকনা মুখ,সকালে মুখে দুর্গন্ধ থাকে মনে হয় গলা অবধি খাবার জমে আছে। পুরু এলোমেলো সাদা স্তরযুক্ত জিহবা; অম্লতা এবং বুকজ্বলা এর নির্দেশিত লক্ষণ। খাবারের স্বাদ তিক্ত , তিক্ত বা টক ঢেঁকুর; তৃষ্ণা নেই, কিন্তু বারবার মুখ ভেজায়। খাবারে খারাপ স্বাদ পালসেটিলার বিশেষ ইঙ্গিত দেয়। এটা প্যাস্ট্রি বা মিশ্র খাদ্য থেকে, চর্বিযুক্ত খাবার। রোগীর শীতকাতর, কিন্তু তাপে এবং সন্ধ্যায় বাড়ে।

ইপিকাকঃ বুকজ্বালার সাথে বমি বমি ভাব বা বমি ও অত্যধিক বায়ু নির্গত হয়। এটি গর্ভাবস্থাতেও খুবই উপযুক্ত।

নাক্স ভমিকাঃ বুকজ্বলা এবং বায়ু নির্গতসহ অনেক অম্লতা, এতে বমি বমি ভাব এবং বমি থাকবে না। জিহ্বা মাখনের মতো স্তর দিয়ে আবৃত থাকে, পাকস্থলি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়।

আর্সেনিক অ্যালবামঃ নোংরা বা অম্লস্বাদ, অন্ননালী এবং ফেরিংস গরম জ্বলা অনুভূতি; টক, তীব্র গন্ধযুক্ত তরল, বমি বমি ভাব,টক ঢেঁকুর এবং শ্লেষ্মা বমি। অনিয়মিত এবং দ্রুত পালস,হাত পা কাঁপে ও ঠান্ডা হয়ে যায় সাথে পাকস্থলিতে ব্যথাসহ দুশ্চিন্তা।

চায়নাঃ পেটে অস্বস্তি শুধুমাত্র ঢেঁকুর দ্বারা অব্যাহতি পায়। টক এবং তিক্ত ঢেঁকুর বা দুর্গন্ধ বায়ু, রাতে এবং রাতে খাওয়ার পর বাড়ে যা একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এই মেডিসিনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হল- পেটে মধ্যে দীর্ঘ সময় খাবার থাকার পরও হজম না হয়ে ঢেঁকুর উঠে এবং পরিশেষে খাদ্যবমি হয়।

ন্যাট্রাম ফসঃ হাইপার এসিডিটি, ঘামে টক গন্ধ, বমি বমি ভাব এবং তীব্র গন্ধযুক্ত বমি। টক ঢেঁকুর, ভিনেগারের মত টক তরল বমি। টক ঢেঁকুরের সাথে পাকস্থলির ক্ষত।

ফসফরাসঃ পেটজ্বলা এবং পাকস্থলি জ্বলতেই থাকে, খাদ্য বমি, বমি বমি ভাব ছাড়া রক্তবমি, যত তাড়াতাড়ি পেট গরম হয় তত তাড়াতাড়ি বমি হয় যা ঠান্ডা খাদ্যের জন্য ক্ষুধিত থাকে। পেট দুর্বল অনুভূতি হাতের পাখনার নিচেও জ্বলা,পেট খালি এবং পাকস্থলি দুর্বল থাকে। ধ্বংসাত্বক এবং ক্ষয়ে বিশেষ সম্পর্ক আছে, তাই এটা জ্বলন্ত, প্রচন্ড ব্যথাসহ হয় ক্যান্সার, শক্ত গ্রন্থি, ক্ষতে। মাংস দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং রক্তাল্পতা দেখা দেয়।

এস্কিউলাস হিপঃ ঢেঁকুরে শুধু বাতাস; বুকজ্বলা, অনেক জ্বলন্ত মর্মপীড়া, পাকস্থলির মধ্যে পাথর চাপ অনুভূতি থাকে।

ফেরাম মেটঃ খানাপিনার পরপরই বুকজ্বলা এবং বমির জন্য অসাধারণ ওষুধ।

সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।

আপনার একটু অসর্তকতায় আপনার দেহে বাসা বাধতে পারে মরণব্যাধি ক্যান্সার । আসুন সর্তক হই।আপনি কি মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, চুলকানি...
24/11/2020

আপনার একটু অসর্তকতায় আপনার দেহে বাসা বাধতে পারে মরণব্যাধি ক্যান্সার । আসুন সর্তক হই।
আপনি কি মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, পাইলস, অশ্ব, এনাল ফিশারে ভুগছেন?
মলদ্বারে ব্যথা বা মলত্যাগের সময় রক্ত পড়তে শুরু করলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া দরকার। সাধারণ রোগীর পক্ষে পাইলস, ফিসারের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া সম্ভব নয়। কারণ, উপসর্গ প্রায় একই ধরনের হয়ে থাকে। প্রতিটির ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

অর্শ বা পাইলসের লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ:

> পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হতে পারে।
> মলদ্বারে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হতে পারে।
> মলদ্বারের ফোলা বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে আবার নাও পারে। অনেক সময় বের হলে তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। আবার কখনও কখনও বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না অথবা প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বেরিয়ে আসে।
> মলদ্বারের বাইরে ফুলে যায় যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়।
> পায়ুপথের মুখে চাকার মত হতে পারে।
> কিছু কিছু ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথা হতে পারে।

পাইলসের লক্ষণ ও ক্যান্সারের লক্ষণগুলো একই না আলাদা:

পাইলসের লক্ষণ হচ্ছে রক্তপাত। এ সময় রক্তপাতের প্রকারভেদটা বের করার চেষ্টা করি। রক্তপাত হলে আমরা রক্তের রঙটা বের করার চেষ্টা করি। কখনো ফোটা ফোটা রক্ত ঝরে, কখনো পায়খানার সঙ্গে রক্ত লেগে থাকে। এগুলো কমন জিনিস। সাধারণত ব্যথা থাকে না। আবার অনেক সময় রক্তের রঙ কালো হয়, ব্রাউন বা বাদামি রঙের হয়।

এছাড়াও এটার সাথে আমাশয়ের লক্ষণ আছে কিনা লক্ষ্য করতে হবে। আমাশয়ে লক্ষণ কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা অনেক সময় ধরে যদি আম যায়; তখন দেখতে হবে ব্যথা আছে কি-না। সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। এর সাথে আমরা কিছু লক্ষণ দেখি- যেমন পায়খানায় নিয়মিত হয়, না পরিবর্তন হয়েছে। আগে সকালে হতো, এখন হয় না। আগে ক্লিয়ার হতো। কখনো একবারও হচ্ছে না। মলত্যাগের নাম্বারগুলো যদি এইভাবে পরিবর্তন হয়। আর লক্ষণগুলো দেখা গেলে তখন ক্যান্সারে সম্ভাবনা থাকে।
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন গ্রহনের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি এ রোগটি থেকে ‍মুক্তি পেতে পারেন। রোগ নিয়ে বসে থাকা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসা গ্রহন না করলে ক্যান্সারের ঝুকি বেড়ে যায়।
বিল্লাল খান জিম
হোমিও কনসালটেন্ট ডি এইচ এম এস
খান হোমিও ক্লিনিক
রেজিষ্ট্রেশন নং ৪৯৮০০
০১৩০৩৪০১২৪৯
রোগী দেখার সময়: সন্ধা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা

করোনার ২য় ওয়েব ‍শুরু হয়েছে, সকলের সুরক্ষা জরুরী।
24/11/2020

করোনার ২য় ওয়েব ‍শুরু হয়েছে, সকলের সুরক্ষা জরুরী।

17/11/2020
বন্ধ্যাত্বের হোমিও চিকিৎসানারীর বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা করা হল:Agnus Cast : রমনীর মা...
02/06/2018

বন্ধ্যাত্বের হোমিও চিকিৎসা
নারীর বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা করা হল:
Agnus Cast : রমনীর মাসিক অনিয়মিত,স্বল্পস্রাব,সাদা বা হলুদ প্রদর স্রাব কাপড়ে দাগ পরে সেই নারীর বন্ধ্যাত্বের জন্য উপযোগী।
Asvagandha : এই ঔষধটি নিয়মিত বন্ধ্যা নারীকে নিয়মিত দিলে সে সন্তান লাভের উপযোগী হয়।এ ঔষধটি সেবনে নারীর স্বাস্হ্য সবল হয় ডিম্বানু উৎপন্ন হয় ও সন্তান লাভের উপযুক্ত হয়।
Aurum Mur Nat: জরায়ু রোগাক্রান্ত রোগিনীর জন্য অরাম মিউর নাট উপযোগী।জরায়ুতে ছোট ছোট টিউমার,বেশী বেশী রক্ত প্রদর ইত্যাদি লক্ষনে উপযোগী।
Aurum Met: স্বসল্পরঃজ, রুদ্ধরঃজ বা বিলম্বিত রজঃস্রাব যুক্ত , সন্তান না হওয়ার কারনে ভীষণ মনোকষ্ট,সর্বদা মনমরা,সন্তান পাওয়ার চিন্তা সবসময় চিন্তিত সেইরোগীর জন্য অরাম মেট উপযোগী।
Borax: ডিমের সাদা অংশের মত প্রচুর সাদা স্রাব, সব সময় যোনী ভিজিয়া থাকে ।মাথার চুলের আগা জরিয়ে যায়, সিড়ি দিয়ে উপর হতে নিচে নামতে ভয়, সেই সকল বন্ধ্যা নারীর জন্য উপযোগী।
Calcaria Carb: মোটা থলথলে রোগী যাদের ঋতুস্রাব প্রচুর তাহাদের বন্ধ্যাত্ত্বে এটি উপকারী।
Caulophyllum: যে সকল নারীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অস্থিসন্ধিতে বাত থাকে তাদের সাদা স্রাবের কারনে গর্ভধারনে অসমর্থ হলে কলোফাইলম উপযোগী।
Conium Met: নারীর অনিয়মিত মাসিক,মাসিক কম,মাসিকের সময় স্তনে বেদনা এই লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য উপযোগী।
Natrum Carb: যাদের গ্রীষ্মকালের উত্তাপে দুবলর্তা,সূর্যের তাপে মাথা ব্যাথা, রোগী মনমরা দুঃখিত অত্যন্ত ফ্যাকাশে,সামান্য পরিশ্রমেই কষ্ট হয়, তাদের স্বামী-স্ত্রী সহবাসের পর স্বামীর বীর্য স্রীর যোনি হইতে বাহির হইয়া আসে বিধায় গর্ভধারনে করতে অসমর্থ হয় তবে নেট্রাম কার্ব উপযোগী।
Helonias Dioica: র্দুবল স্বাস্থ্যহীন নারী যাদের পেটে সবসময়ই ভারবোধ, অত্যন্ত খিটখিটে স্বভাব,গভীর বিষাদপূর্ন। জরায়ুর নানা রোগ ভোগগের কারনে সন্তান না হলে এ ঔষধটি উপযোগী।
Iodium: রাক্ষুষে ক্ষুধা রোগিনী ঠিকমত খায় কিন্তু শরীর ক্রমশ: শুকাইয়া যায়।স্তন শুষ্ক,ডিম্বকোষ,জরায়ুর রোগ ভোগ ইত্যাদির কারনে নারী সন্তান উৎপাদনে অসমর্থ হলে আইয়োডিয়াম উপযোগী।
Natrum Carb: যাদের গ্রীষ্মকালের উত্তাপে দুবলর্তা,সূর্যের তাপে মাথা ব্যাথা, রোগী মনমরা দুঃখিত অত্যন্ত ফ্যাকাশে,সামান্য পরিশ্রমেই কষ্ট হয়, তাদের স্বামী-স্ত্রী সহবাসের পর স্বামীর বীর্য স্রীর যোনি হইতে বাহির হইয়া আসে বিধায় গর্ভধারনে করতে অসমর্থ হয় তবে নেট্রাম কার্ব উপযোগী।

Phosphorus: রোগী সুন্দর রোগা লম্বা স্বভাব কোমল হয় ,অল্প কারণে মনে ব্যাথা পায় , সহবাস ইচ্ছা খুব প্রবল থাকে তাহাদের বন্ধ্যাত্ত্বে উপযোগী।
Platinum: নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে আর সকলকে নিকৃষ্ট মনে করে, সকল লোক তার চেয়ে কম ক্ষমতার অধিকারী এধরনের মানসিক লক্ষণযুক্ত রোগী যারা রোগিনী প্রবল কামাতুর, তলপেটে একটি জীবিত কোন বস্তুর নড়াচড়া অনুভব করেন মন সর্বদা পরিবর্তনশীল এই রমনীর জন্য প্লাটিনা উপযোগী।
Pulsatilla:নম্র স্বভাবের রমনী,ক্রন্দনশীল,মন পরিবর্তনশীল,জরায়ু তলপেট,কোমর বেদনায় কাতর,বাধক বেদনা মাসিক কম ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য পালসেটিলা উপযোগী।
জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের বিকৃতির জন্য অধিকাংশ স্ত্রীলোক বন্ধ্যা হইয়া থাকে।এই জন্য জন্য সকল লক্ষণ বিবেচনায় ঔষধ প্রয়োগ জরুরী।ধাতু দোষের কারনেও বন্ধ্যাত্ব হতে পারে তাহার জন্য ক্যালকেরিয়া কার্ব ,সিমিসিফুগা,ব্যাসিলিনাম,ফেরাম মেট,ডাস্কোরিয়া,ফসফরাস,এসিড ফস,স্যাবাইনা,সিপিয়া,সালফার প্রভৃতি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।বন্ধ্যাত্বের মুল কারন অনুসন্ধান করিয়া তার প্রতিকার প্রয়োজন।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা একটি জটিল ব্যাপার।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার জন্য সময়ের প্রয়োজন । নারীর বন্ধাত্ব চিকিৎসার সফলতার জন্য নারীর সুস্হ্যতা প্রয়োজন এ জন্য পুষ্টিকর খাদ্য যেমন ঘী ও দুগ্ধজাত দ্রব্য পথ্য দিলে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।

22/05/2018

আমাদের কথা
আমাদের পথ চলার শুরু সেই ১৯৮৪ সাল থেকে । আমাদের এই র্দীঘ পথচলা আমরা পেয়েছি অগনিত মানুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাস , আজ আমরা পরিণত হয়েছি হাজারো মানুষের আস্খার ঠিকানায়। আমাদের কাছে কেউ চিকিত্সা নিতে আসলে আমরা প্রেসক্রিপসন না করে সরাসরি আমাদের ক্রয়কৃত অরজিনাল ঔষধ দিয়ে ট্রিটমেন্ট দেই। কারণ জটিল রোগীদের পর্যবেক্ষণে রেখে হোমিও ট্রিটমেন্ট দিতে হয়। তাছাড়া আমরা এমন এক দেশে বাস করি, যেখানে রোগীরা যে ঔষধটা একটা দোকান থেকে কিনবেন সেটা বিশুদ্ধ কি না তার কোনো নিশ্চিয়তা নেই। দেখা যায় একজন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার খুব ভালো মানের ট্রিটমেন্ট দেয়া সত্তেও শুধু মাত্র তার করা প্রেসক্রিপসন অনুসারে মানসম্পন্নত নয় এমন মেডিসিন কিনে খাওয়ার কারণে রোগীরা ভালো হচ্ছেন না, আর সাথে সাথে ঐ ডাক্তারের গুষ্ঠিশুদ্ধ উদ্ধার করতেও রোগীরা তখন কার্পন্য করেন না। তাই আমরা সেই রিস্ক নিতে মোটেও রাজি নই। আমরা হোমিও ডাক্তার, অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার এবং জটিল রোগীদের ট্রিটমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে হোমিও গবেষকদের উদ্ভাবিত সর্বাধুনিক হোমিও কম্বাইন রুলস ফলো করি।এ দীর্ঘ পথচলায় আমাদেরকে অভিজ্ঞতাও আল্লাহ পাক কম দেন নি। তাই আপনাদের জটিল রোগসমূহ নিয়ে আমাদের কাছে আসলে এই নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি যে আপনারা অন্তত সুচিকিৎসাটা পাবেন। কিন্তু আমরা আপনাকে ১০০% Guarantee দিতে পারব না এ জন্য যে, আমাদের কোনো ঐশ্বরিক ক্ষমতা নেই। তবে আপনাদের রোগ সারিয়ে আপনাকে পুরিপূর্ণ সুস্থ করতে আমরা আমাদের সর্ব জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে আপ্প্রান চেষ্টা করে থাকি । আমরা ডাক্তার। আমরা খুব ভালো করি জানি, একজন ব্যক্তি তার জীবনের শেষ আশাটুকু নিয়ে বাচার জন্য অত্যন্ত বিপদে পড়ে সুস্থতা লাভের জন্য একজন ডাক্তারের নিকট আসেন। আর একজন ব্যক্তি তার একটা সমস্যা নিয়ে বার বার আমাদের কাছে আসুক এটা আমাদের নীতি বিরুদ্ধ, এবং এটা আমাদের জন্য লজ্জাকরও বটে।
দেশে একটা সমন্মিত চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন ;
বতর্মান সময়ে হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা বেড়ে চলছে। আর পেছনে রয়েছে এর সহজলভ্যতা এবং রোগীকে সুস্থ্য করার পাশ্বপতিক্রিয়াহীন ক্ষমতা। সচেতন মানুষ আজ মুক্তি চায়্ এন্টিবায়োটিক নামক মেডিসনের করাল থাবা থেকে যা দেহের উপকারি ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে দেহের নতুন রোগ হবার পথ সৃষ্টি করে। আমরা এটাও বলছি না হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিত্সা। আমরা খুব ভালো করেই জানি প্রতিটা চিকিত্সা পদ্ধতিরই কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এটা অ্যালোপ্যাথির ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য তেমনি হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু জটিল রোগসমূহ রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে রোগীকে পরিপূর্ণ আরোগ্য করার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিতে ভালো এবং সর্বাধিক কার্যকর ট্রিটমেন্ট রয়েছে যা অ্যালোপ্যাথিতে ততটা কার্যকর হয় না অন্যদিকে একজন মৃত্যু পথযাত্রী রোগীকে তাত্ক্ষণিক ট্রিটমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথির কোনো বিকল্প দেখি না। আবার দুর্ঘটনায় আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির অঙ্গবিকৃতি ঘটলে সে ক্ষেত্রে সার্জারীর দরকার হয়ে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিত্সারও প্রয়োজন রয়েছে।
আমাদের সম্পর্কে যে যাই বলুক একটা কথা আমরা সরাসরি বলি - আমরা গোড়া ডাক্তার নই, আমরা এ যুগের আধুনিক হোমিও ডাক্তার। আমরা প্রতিটি চিকিত্সা পদ্ধতির গুরুত্বই বুঝি। যদি সবগুলি চিকিত্সা পদ্ধতির সমন্ময়ে একটা কম্বাইন ট্রিটমেন্ট সিস্টেম গড়ে তোলা যেত আমাদের বিশ্বাস, তাহলে মানুষ অন্তত যথাযথ চিকিত্সা সেবাটুকু পেত আর অযথাই জটিলরোগ সমূহ চিকিৎসায় দরিদ্র লোকদের ঘর বাড়ি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা খরচ করার প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু আমাদের পুঁজিবাদী লবী কখনই এ দেশে এটা হতে দিবে না ।
*** সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন সবাই, মহান আল্লাহর কাছে এই আমাদের কামনা। ***
ডা. রমজান আলী খান
এল এম এ এফ, ডি এইচ এম এস- ঢাকা
৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন রেজির্স্টাড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার

19/04/2018

অর্শ বা পাইলস বা হেমোরয়েডস ( Piles )
সংজ্ঞা ঃ- অর্শ বা পাইলস আর কিছুই নয়, এ হলো
ক্রমাগত প্রতিবন্ধকতা ও উচ্চচাপে ফুলে ফেঁপে
ওঠা উচ্চ, মধ্য ও নিম্ন মলাশয় শিরা কর্তৃক তৈরি জালক
থেকে পায়ুতে আগত স্ফীত শিরা যা থেকে
মাঝে মাঝে রক্ত ক্ষরণ হয় ।
সাধারণ আলোকপাত
ল্যাটিন শব্দ Pila হতে আগত পাইলস ( Piles )
শব্দের অর্থ হচ্ছে একটি বল । আবার গ্রীক শব্দ
হতে আগত হেমোরয়েডস শব্দের অর্থ রক্ত
বয়ে যাওয়া । মলদ্বারের আশেপাশের রক্তবাহী
শিরা সমূহ ফুলে উঠলে পাইলস এর বা অর্শের সৃষ্টি
হয় । ফুলে ওঠা শিরা যা অর্শ হতে মাঝে মাঝে
রক্তক্ষরণ ঘটে । সাধারণত ঐ সময় মল বেশ শক্ত
থাকে । তবে নরম মলত্যাগের পরও অর্শ হতে
প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে পারে ।
অর্শ অবস্থান অনুযায়ী দুই প্রকারের ( ক ) বহিঃস্থ
অর্শ বা এক্সটারন্যাল পাইলস । ( খ ) অভ্যন্তরীণ
অর্শ বা ইন্টারন্যাল পাইলস ( Internal Piles ) ।
এক্সটারন্যাল পাইলস গুহ্যদ্বারের অর্ধ ইঞ্চির মধ্যে
থাকে এবং ফুলে ওঠা এই শিরাপিণ্ড ত্বক দ্বারা আবৃত
থাকে । এই অর্শ গুহ্যদ্বার পথে সহজেই বাহির
হয়ে আসে । ত্বকের নীচে, জমাট বাঁধা রক্ত
নিয়ে ফুলে ওঠা শিরা সাধারণত অত্যন্ত ব্যথার কারণ
হয়ে থাকে ।
ইন্টারন্যাল পাইলস গুহ্যদ্বারের আধা ইঞ্চির উপরে
হয়ে থাকে । ইহা আকারে বেশ বড় হলে মল
ত্যাগের সময় নীলাভ রঙের একটি মাংসল টুকরার মত
বাহির হয়ে আসে । আকারে বড় হলেও ফুলে ওঠা
শিরার মধ্যে রক্ত জমাট বেঁধে না গেলে বা তাতে
ইনফেকশন না হলে বা ছিঁড়ে না গেলে ইন্টারন্যাল
পাইলসে তেমন ব্যথা হয় না ।
পাইলস দেখা দিবার কারণ সমূহ ঃ-
বহিঃস্থ পাইলস সাধারণত মলদ্বারের শিরা শাখায়
মলত্যাগের সময় প্রচণ্ড জোরে নীচের দিকে
চাপ দিলে ( কোঁথ দেওয়া ) প্রচণ্ড কাশিতে বা
অত্যন্ত ভারী জিনিস তুলতে গেলে শিরার রক্ত
প্রবাহে পেছনের দিকে চাপ পড়ার ফলে দেখা
দেয় । ইহা হঠাৎ করে প্রচণ্ড ব্যথা সহ দেখা দেয়
এবং মলদ্বার পথে পরীক্ষায় তাহা টনটন ব্যথাপূর্ণ হয়
ও প্রায় পেকে ওঠা জাম এর মতো দেখা যায় ।
অভ্যন্তরীণ পাইলস নানা কারণে দেখা দিতে পারে
। রোগীর কোষ্ঠ কাঠিন্য থাকা এবং সেই সাথে
মলত্যাগে প্রচণ্ড চাপের দরকার হতে থাকলে কিংবা
মল কোমলকারক ঔষধ যথেচ্ছ ব্যবহার করলে
অর্শ দেখা দিতে পারে । আবার পৌষ্টিক নালীর
প্রদাহে ডায়রিয়া বা বার বার মল ত্যাগ হতে থাকলে,
কোলাইটিস বা আমাশয় থাকলে তাহা অর্শ বা পাইলস
সৃষ্টির কারণ হতে পারে ।
কোন কোন পরিবারের সদস্যদের ভেতর
পাইলস হবার প্রবণতা বেশী বলে লক্ষ্য করা যায় ।
তাছাড়া সন্তান সম্ভবা অবস্থায় ( রেকটাল ভেইনের
উপর স্ফীত জরায়ুর চাপ দেওয়ায় ) প্রস্রাব করতে
খুব চাপ দিতে হলে প্রস্রাবের নালী সংকীর্ণতায়
বা প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে গেলে এবং
দীর্ঘকালের কোষ্ঠকাঠিন্য আভ্যন্তরীণ অর্শ
বা পাইলস দেখা দিতে পারে ।
উপসর্গ ( Symptoms ) ঃ- অধিকাংশ পাইলস বা
হেমোরয়েডর রোগীর তেমন কোন
অভিযোগ থাকে না । অধিকাংশ রোগীর মল
ত্যাগের সময় মলের গায়ে তাজা রক্ত লেগে
থাকতে বা মল ত্যাগের পর টয়লেট কাগজ ব্যবহার
করলে তাতে রক্ত লেগে থাকতে বা কাপড়ে
রক্ত লাগার অভিযোগ করে এবং সেই সাথে
গুহ্যদ্বারে অনির্দিষ্ট এক প্রকার অস্বস্তি অনুভবের
কথা বলে । পাইলস আকারে বৃদ্ধি পেলে বা তা
গুহ্যদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়লে কষ্ট বৃদ্ধি পায় ।
গুহ্যদ্বারের বাইরে স্ফীত শিরা পিণ্ড এইভাবে
ঝুলে পড়লে তাতে রস স্ফীত ঘটে বা শোথ
দেখা দেয় এবং গুহ্যদ্বারের মাংসপেশিতে
আক্ষেপ ঘটে । স্ফীত শিরাপিণ্ড এইরূপ ঝুলে
থাকলে যদি তাহার চিকিৎসা না হয় তা হলে তাতে
দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধির পরিবর্তন আসে এবং তাহা খুব
ব্যথাপূর্ণ না হলেও সব সময় তাহা রোগীর কাপড়
নষ্ট করে দেয় ও গুহ্যদ্বারে চুলকানি হয় । বাহিরে
ঝুলে থাকা এইরূপ পাইলস বা হেমোরয়েডে
রোগজীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে ( জ্বর দেখা
দেয় ) বা তাহার গাত্র মলত্যাগের সময় আঘাত
পেয়ে ছিঁড়ে গিয়ে প্রচুর রক্তপাতের কারণ হতে
পারে ।
বহিঃস্থ পাইলস চিকিৎসা না হলে আপনা আপনি স্বাভাবিক
অবস্থায় ফিরে যেতে পারে ( Resolve ) বা তাহা
প্রথমে পেকে পুঁজ নিঃসরণ করে তন্তুময়
( Fibrosed ) হয়ে উঠতে পারে এবং ত্বকের একটি
বারতি থলি হিসাবে যেখানেরটা সেখানে থেকে
যেতে পারে কিংবা ফেটে গিয়ে ভিতরের জমাট
বাঁধা রক্ত পিণ্ড বাহির করে দিতে পারে এবং অবিরাম টা
হতে রক্তক্ষরণ হতে পারে ।
কারণ ঃ- মলদ্বারের বাইরে ও ভেতরের শিরা ফুলে
ওঠে । শিরাতে ছোট ছোট মটর দানার মত বলি হয়
। ঐ সব বলি ও অর্শ দিয়ে পায়খানার সঙ্গে রক্ত
পড়ে । বলি এক বা একাধিক হতে পারে । এই
রোগকে বলা হয় অর্শ রোগ । নানাবিধ কারণে এই
রোগ হয় । যেমন –
* নানা কারণে যকৃতে বেশী রক্ত সঞ্চয় বা
যকৃতে ভারবোধ ।
* যকৃতে গোলমাল, Hepatitis প্রভৃতি ।
* লিভারের প্রাচীন রোগ বা সিরোসিস প্রভৃতি ।
* প্রাচীন কোষ্ঠকাঠিন্য, পায়খানার সময় বার বার
বেশী করে কোঁথ দেওয়া ।
* বংশগত রোগ বা পূর্ব পুরুষের রোগ ।
* বহুদিন ধরে আমাশয়ে ভোগা বা Colitis রোগে

* প্রস্টেট গ্রন্থির বেশী বৃদ্ধি ।
* মূত্রাশয়ের নানা গোলমাল বা Renal Stone .
* পূর্ণ গর্ভাবস্থায় জরায়ুর উপরে বেশী চাপ পড়া ।
* নানা কারণে শিরাতে চাপ ও তার ফলে সৃষ্ট Venous
Engorgement অবস্থা ।
প্রকার ভেদ ঃ- অর্শ রোগকে তার বলি অনুযায়ী
মোট তিন ভাগে ভাগ করা হয় ।
( ক ) অন্তবলি – মলদ্বারের এক ইঞ্চি বা দুই ইঞ্চি
ভেতরের দিকে বলি হয় ।
( খ ) বহিবলি – মলদ্বারের বাইরের দিকে বলি হয় ।
এই বলি হাতে অনুভব করা যায় ।
( গ ) মিশ্রিত বলি – মলদ্বারের বাইরে ও ভিতরে দুই
দিকে বলি হয় । কখনো বা বলি আঙ্গুরের থোকার
মতো হয় – যদি শিরাতে চাপ বেশী পড়ে ।
লক্ষণ ঃ-
* বলি যতক্ষণ ভেতরে থাকে ও টা থেকে
কোন রকম রক্তপাত না হয় ততক্ষণ কোনও
লক্ষণ প্রকাশ পায় না । কখনো মলদ্বারের
ভেতরে ভারবোধ ও পায়খানা করার আগে ও পড়ে
জ্বালাবোধ ও ব্যথা হতে থাকে
* রক্তপাত শুরু হলে তখন রোগ সুনিশ্চিত ভাবে
বুঝতে পারা যায় ।
* পায়খানার সঙ্গে আগে বা পরে রক্তপাত হয়ে
থাকে । কিন্তু ব্যথা হয় না । মাঝে মাঝে পায়খানা নরম
হলে কোনও রক্তপাত হয় না । আবার যখন একটু
কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তখন রক্তপাত হতে থাকে ।
* রক্তপাত চলতে থাকলে, ক্রমে অন্য লক্ষণগুলি
প্রকাশ পেতে থাকে । সেই সব লক্ষণ হলো
প্রধানত মলদ্বারে ফোঁড়া, নালী ঘা প্রভৃতি ।
* মাথাধরা, মাথাঘোরা দেখা দিতে পারে, রক্তপাত
বেশী হতে থাকলে ।
* হৃদপিণ্ডের দুর্বলতা দেখা দিতে পারে ।
* রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে ।
* অর্শের সঙ্গে আমাশয় বা কোষ্ঠবদ্ধতা,
মলত্যাগে বিলম্ব প্রভৃতি লক্ষণ দেখা দিতে পারে ।
* অনেক সময় ব্লাড প্রেসারের সঙ্গে অর্শ হয়
। যখন প্রেসার বৃদ্ধি পায় তখন রক্তপাত হয় ও
রোগী সুস্থ মনে করে । এই ক্ষেত্রে এটি
সহসা বন্ধ করা উচিত নয় ।
* কখনো বা অর্শের বলি সাময়িক হয় যেমন –
গর্ভাবস্থায় । তা পরে সেরে যায় ও বলি শুকিয়ে যায়

* কোষ্ঠকাঠিন্য মাঝে মাঝেই হয় ।
জটিল উপসর্গ ঃ-
* অতিরিক্ত রক্তপাত, প্রচুর রক্তপাত, অত্যধিক
দুর্বলতা ও মাথাঘোরা ।
* মলদ্বারে ফোঁড়া বা Abcess, Septic প্রভৃতি হতে
পারে ।
* অর্শ, ভগন্দর প্রভৃতি হতে পারে ।
রোগ নির্ণয় ঃ-
* বাইরে ও ভেতরে বলি দেখা যায় ।
* পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত পরে ।
* কোষ্ঠকাঠিন্য হলে রক্তপাত বৃদ্ধি পায় । পায়খানা
নরম হলে রক্তপাত হয় না ।
* দুই প্রকার পাইলস পর্যবেক্ষণ, আঙ্গুল দ্বারা
পরীক্ষা ও সরাসরি দেখার জন্য
প্রোকটোস্কোপ এর সাহায্য নিয়ে তাতে
দেখে চিহ্নিত করা যায় । রোগীর দীর্ঘস্থায়ী
রক্ত শূন্যতা থেকে থাকলে এবং তাহার মলদ্বার পথ
পরীক্ষায় রক্ত ঝরছে না এমন বড় পাইলস ধরা
পড়লে রোগীর বৃহদান্তের শেষভাগে পলিপ
( Polyp ) বা ক্যান্সার বা অন্য কোন ক্ষত বা আলসার
আছে কিনা তাহা অনুসন্ধান করতে হবে ।
( অর্শ / পাইলস অপারেশন পরিহার করুন । নিরাপদ
চিকিৎসার সুযোগ নিন )
অর্শ রোগের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক যে সকল
ঔষধ সফল ভাবে কাজ করে ঃ –
অ্যাব্রোটেনাম ( Abrotanum ) ।> ভক্ষিত দ্রব্য
হজম ছাড়াই নিস্ক্রান্ত হয় । হঠাৎ করে ডায়রিয়া প্রচাপিত
হলে বাত ব্যথা । উদরাময় ও কোষ্ঠকাঠিন্য
পর্যায়ক্রমে । অর্শের বলি বের হয়, তার সাথে
জ্বালা স্পর্শ ও চাপন থেকে । অর্শ দেখা যায় এবং
বাত ব্যথা উপশম হয়, তার সাথে ঘন ঘন মলত্যাগের
প্রবণতা, মল সামান্য কিন্তু রক্ত নিঃসরণ হয় । এই ঔষধ
কৃমি ধ্বংস করে বিশেষত লম্বা গোলাকার বড় কৃমি
( ascarides ) ।
অ্যাসিড মিউর (Acid muriaticum ) ।> অর্শের
বলীর রঙ নীল, অত্যন্ত বেদনা, হাত ছোঁয়ানও
যায় না, কাপড়টি লাগিলেও কষ্ট হয়, একটু ঠাণ্ডা জল
লাগিলেই যন্ত্রণা বাড়ে, যন্ত্রণা গরমে ও তাপে
উপশম হয় । গর্ভাবস্থায় অর্শ পীড়া হইলে ইহা
বিশেষ উপকারী । প্রস্রাব করিবার সময় অর্শের
বলী বাহির হইয়া পড়ে ।
অ্যাসিড নাইট্রিকাম ( Acid nitricum ) ।> ( Fistula in
ano and piles ) – বাহ্য নরম অথবা শক্ত যাহাই হউক না
কেন, বাহ্যের সময় ও পরে মলদ্বারে ভয়ানক
জ্বালা এবং বোধ হয় যেন মলদ্বারে একটা কাঁটা
ফোটানো আছে । নাইট্রিক অ্যাসিডে – বাহ্যের
সময়ে ও পরে ভয়ানক কোঁথানি ও বেগ থাকে,
মলদ্বার ফাটিয়া ঘা হয়, রক্ত পড়ে ।
অ্যাসিড সালফ ( Acid sulphuricum ) ।>
মদ্যপায়ীদের অর্শের বলী যখন অত্যন্ত বড়
হয় ও তাহাতে মলদ্বার বন্ধ হইয়া যায় জ্বালা করে, রস
পড়ে, তখন ইহা উপযোগী । অ্যাসিড-মিউর – এই
সমস্ত লক্ষণে বিশেষ উপকারী ; তবে উহাতে
অত্যন্ত স্পর্শ-সহিষ্ণুতা থাকে । অ্যাসিড-সালফে –
মলদ্বারে সর্বদাই রস ঝরে, কাপড় ভিজা থাকে ।
ইস্কিউলাস হিপ (Aesculus hippocastannm ) ।>
মলদ্বারে খোঁচা ফুটিয়া থাকার মত ব্যথা, টাটানি ব্যথা,
কোমরে বেদনা ( pain in sacro-iliac symphysis
p***s ) ভারবোধ, মলদ্বার যেন ভিজা, মলদ্বারে
জ্বালা, চুলকানি, বলী ( ভিতর বলী ও বাহির বলী ),
তাহাতে অত্যন্ত বেদনা, লিভারের নানা স্থানে
ভারবোধ ; কোমরে বেদনা, মলত্যাগের পর
গুহ্যদ্বারে অনেকক্ষণ পর্যন্ত জ্বালা, বাহ্যের
পূর্বে যেন মলদ্বার বন্ধ ইত্যাদি ইহার বিশেষ
লক্ষণ । ইস্কিউলাসের অর্শে – রক্তস্রাব বড় একটা
থাকে না ( blind piles ) , তবে পীড়া পুরাতন হইলে
আবার রক্তস্রাবও হয় । ইহাতে অর্শের বেদনা –
কোমর হইতে পিঠে পর্যন্ত বিস্তৃত হয় ।
এলো সকোট্রাইনা ( Aloe ) ।> বাহ্যের বেগের
সঙ্গে আঙ্গুরের থলোর ন্যায় অর্শের বলী
বাহির হয়, অর্শ অত্যন্ত চুলকায় ও জ্বালা করে, এই
জ্বালা ঠাণ্ডা জলে উপশম হয় ( মলদ্বারে চুলকানি ও
জ্বালার জন্য অনিদ্রা – ইণ্ডিগো ) ; এলোতে –
রোগীর প্রায়ই উদরাময় থাকে ; মিউরিয়েটিক-অ্যা
সিডে – আঙ্গুরের থলোর ন্যায় বলী নির্গত হয় ;
কিন্তু তাহার জ্বালা গরম জলে বা গরম সেঁক দিলে
কিন্তু উপশম হয় । ইহাতে টাটানি ব্যথা অত্যন্ত থাকে,
স্পর্শে কিম্বা কাপড় লাগিলেও কষ্টবোধ করে ।
এমন কার্বনিকাম ( Ammonium carbonicum ) ।> মল
অত্যন্ত শক্ত, গাঁট-গাঁট কষ্টে বাহির হয়, রক্তস্রাবি
অর্শ
– ঋতুকালিন বৃদ্ধি, মলদ্বার চুলকায়, বাহ্যের সময় বলী
বাহির হইয়া পড়ে, বাহ্যের পর অত্যন্ত যন্ত্রণা হয় ।
( Flatulent hernia ) ।
এমন মিউরিয়েটিকাম ( Ammonium muriaticum ) ।>
মলদ্বারে ক্ষতের মত বেদনা , হুলফোটান-ব্যথা ও
জ্বালা – মলত্যাগের পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত থাকে

আর্সেনিক এ্যালবাম ( Arsenic Album ) ।> যেখানে
অর্শে আগুনে পোড়ার মত জ্বালা, জ্বালা – ঠাণ্ডায়
উপশম না হইয়া গরমে উপশম হয়, তথায় আর্সেনিক
ফলপ্রদ ।
কলিনসোনিয়া ( Collinsonia ) ।> অর্শ পীড়ার নাম
শুনিলেই – ইস্কিউলাস, কলিনসোনিয়া, এলো, নাক্স,
ফস ইত্যাদি ঔষধগুলিই আমাদের মনে পড়ে ।
অর্শে – কলিনসোনিয়ার সহিত ইস্কিউলাসের
অনেক সাদৃশ্য আছে এবং এই দুয়েতেই গুহ্যপথে
যেন কতকগুলি ছোট ছোট কাঠি পোরা আছে
এই লক্ষণটি বিদ্যমান থাকে । কলিনসোনিয়ায় –
অর্শে অত্যন্ত রক্তস্রাব হয় ও কোষ্ঠবদ্ধ
থাকে এবং পেটে বায়ু জমে ও তাহাতে কলিক-
বেদনা হয় । কোষ্ঠবদ্ধে হয়ত ৩/৪ দিন বাহ্য না
হইয়া একদিন বৈকালের দিকে বাহ্য হয়, মল গুটলে ।
ইহার বেদনা-যন্ত্রণা রাত্রিতে বৃদ্ধি পায় । যে সকল
স্ত্রীলোকদের জরায়ু ক্রংশের পীড়া
( Prolapsus utery ) আছে, তাহাদের অর্শে ও
কোষ্ঠবদ্ধ – কলিনসোনিয়াই উপযোগী ।
হ্যামামেলিস ( Hamamelis virginica ) ।> মলদ্বারে
অত্যন্ত টাটানি-ব্যথা ও জ্বালার সহিত মলদ্বার দিয়া কাহারও
অত্যন্ত অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হইতে থাকিলে –
হ্যামামেলিস মাদার-টিংচার বাহ্যিক প্রয়োগে ও
হ্যামামেলিস ( অনেক সময় মাদার ) আভ্যন্তরিক
সেবনে বিশেষ উপকার হইবে । অর্শ পীড়াসহ
কোমরে বেদনা থাকিলে ইহা আরও অধিক
উপকারী । ( ডাঃ ক্লার্ক বলেন – ভ্যর্বাসকম মাদার
টিংচার ১ ড্রাম, ১ আউন্স অলিভ অয়েল বা ভ্যাসেলিনসহ
মিশাইয়া মলদ্বারে বাহ্যিক প্রয়োগ করিলে অর্শের
যন্ত্রণা ও বেদনার উপশম হয় ।
হাইড্রাসটীস ( Hydrastis Canadensis ) ।> ডাঃ
হিউজেস বলেন অর্শ ও গোগগুল নির্গমনে ইহা
নিয়মিতভাবে সেবন করিলে এই দুইটি পীড়ায় বিশেষ
উপকার পাওয়া যায় ।
ইগ্নেসিয়া ( Ignatia amara ) ।> বাহ্য না হইয়া
রেক্টামের প্রোলাপ্স অর্থাৎ গোগগুল বা
সরলান্ত্র নির্গমন – ইগ্নেসিয়ায় নির্দিষ্ট । নাক্স-ভমিকা,
ইগ্নেসিয়া উভয়েই ঘন ঘন বাহ্যের বেগ আছে ।
বাহ্যের পরে অনেকক্ষণ পর্যন্ত মলদ্বারে ব্যথা,
টাটানিভাব, ফোটানো-ব্যথা ও মলদ্বারের
সঙ্কোচভাব ইগ্নেসিয়ায় বিশেষরূপে লক্ষিত হয় ।
রক্তস্রাবীয় অর্শে – নিন্ম মলদ্বার হইতে
উদ্ধদিকে খোঁচামারা দপদপ করিয়া বেদনা, নরম
বাহ্যে হইলে যন্ত্রণার অতিরিক্ত বৃদ্ধি, এইগুলিই
ইগ্নেসিয়া প্রয়োগের লক্ষণ ।
ল্যাকেসিস ( Lachesis ) ।> অর্শের বলী, তাহা –
অন্তবলী হউক আর বহিবলীই হউক, অত্যন্ত
দপদপানি ব্যথা থাকে, কাশিতে গেলে বোধ হয়
অর্শের স্থানে যেন হুল ফোটায়, আর যেন কি-
একটা পদার্থ মলদ্বারে আটকাইয়া আছে, তাহার জন্য
রোগী ক্রমাগত কোঁথ দেয়, বাহ্য করিবার সময়
এত কষ্ট হয় যে – দাঁড়াইয়া
উঠিয়া পড়ে, মলদ্বার যেন বন্ধ হইয়া আসে ।
ল্যাকেসিসের মলে অত্যন্ত পচা দুর্গন্ধ হয় ।
নাক্স-ভমিকা ( Nux vomica ) ।> অনবরত বাহ্যের ইচ্ছা
ও বেগ, অথচ বাহ্য খোলসা হয় না ; এই লক্ষণসহ
অর্শরোগে মলদ্বার হইতে রক্ত নির্গমন,
মলদ্বারে অত্যন্ত কুটকুট করা ও চুলকানি থাকিলে
নাক্স-ভমিকা উপযোগী । এই পীড়ায় নাক্সে কতক
উপকার হইয়া শেষে আর উপকার না হইলে সম্পূর্ণ
আরোগ্যার্থে পরে প্রায়ই সালফারের
প্রয়োজন হয় ।
সালফার ( Sulphur ) ।> এই পীড়ায় সালফারের ধাতুগত
লক্ষণ থাকিলে-ত কথাটি নাই – সালফারেই পীড়া
আরোগ্য হয় । রোগ অনেক দিনের পুরাতন
হইলে, বিশেষতঃ নাক্স নাক্স-এর পর সালফার ব্যবহৃত
হইলে শীঘ্র উপকার হয় । ইহাতে মলদ্বারে
হুলফোটানোর মত বেদনা, জ্বালা, কুটকুট করা
প্রভৃতি কতকগুলি লক্ষণ থাকে । অর্শের রক্তস্রাব
বন্ধ হইয়া শিরঃপীড়া ইত্যাদি অন্য কোনও পীড়া
হইলেও – সালফার ফলদায়ক ।
উল্লেখিত ঔষধ গুলির মধ্য হইতে লক্ষণ সাদৃশ্যে
একটি বা দুইটি ঔষধ নিয়মিত সেবন করিলে অর্শ পিড়াটি
সমূলে আরোগ্য লাভ করে যা আর পুনরায় আক্রমণ
করে না ।

12/04/2018

যে-কোন ব্যথার দ্রুত মুক্তি হোমিওপ্যাথিতে
Bashir Mahmud Ellias
================================================
Pain, Colic, Rheumatism, Arthritis, angina (ব্যথা, বেদনা, বাত, পেট ব্যথা, বুকের ব্যথা) ঃ- ব্যথার ধরন, ব্যথার কারণ ইত্যাদি লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ খেতে হবে। সব ধরনের ব্যথায় একই ঔষধ খেলে চলবে না।

Aconitum napellus : একোনাইট ব্যথার একটি সেরা ঔষধ। সাধারণত ভয়ঙ্কর ধরণের ব্যথা, ছুড়ি মারার মতো ব্যথা, হুল ফোটানোর ব্যথা, ব্যথার চোটে দম বন্ধ হয়ে আসে, ব্যথা যদি হঠাৎ দেখা দেয় এবং ব্যথার চোটে যদি ‘এখনই মরে যাব’ এমন ভয় হতে থাকে, তবে একোনাইট খেতে হবে।

Arnica montana : যে-কোন ধরনের আঘাত, থেতলানো, মচকানো, মোচড়ানো বা উপর থেকে পতনজনিত ব্যথায় আর্নিকা খেতে হবে। পেশী বা মাংশের ব্যথায় আর্নিকা এক নম্বর ঔষধ। শরীরের কোন একটি অঙ্গের বেশী ব্যবহারের ফলে যদি তাতে ব্যথা শুরু হয়, তবে আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। যদি শরীরের কোন অংশে এমন তীব্র ব্যথা থাকে যে, কাউকে তার দিকে আসতে দেখলেই সে ভয় পেয়ে যায় (কারণ ধাক্কা লাগলে ব্যথার চোটে তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে); এমন লক্ষণে আর্নিকা প্রযোজ্য। আঘাত পাওয়ার কয়েক বছর পরেও যদি সেখানে কোন সমস্যা দেখা দেয়, তবে আর্নিকা সেটি নিরাময় করবে।

Bryonia alba : মাথা ব্যথা, জয়েণ্টের ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, মাংশের ব্যথা, বুকের ব্যথা, বাতের ব্যথা প্রভৃতিতে ব্রায়োনিয়া সেবন করতে পারেন যদি সেই ব্যথা নড়াচড়া করলে বেড়ে যায়। ব্রায়োনিয়ার লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ যত বেশী নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী বৃদ্ধি পেতে থাকে।

Rhus Toxicodendron : পক্ষান্তরে মাথা ব্যথা, জয়েণ্টের ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, মাংশের ব্যথা, বুকের ব্যথা, বাতের ব্যথা প্রভৃতিতে রাস টক্স সেবন করতে পারেন যদি সেই ব্যথা নড়াচড়া করলে কমে যায়। রাস টক্সের লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ যত বেশী নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী কমতে থাকে।খুব ভারী কিছু উঠাতে গিয়ে কোমরে বা শরীরের অন্য কোন স্থানে ব্যথা পেলে রাস টক্স এক নাম্বার ঔষধ।

Chamomilla : যদি ব্যথার তীব্রতায় কোন রোগী দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে পড়ে, তার ভদ্রতাজ্ঞানও লোপ পেয়ে যায়, সে ডাক্তার বা নার্সকে পযর্ন্ত গালাগালি দিতে থাকে;তবে তাকে ক্যামোমিলা খাওয়াতে হবে। ক্যামোমিলা হলো অভদ্র রোগীদের ঔষধ।
Colchicum autumnale : কলচিকাম গেটে বাত বা জয়েন্টের ব্যথায় ব্যবহৃত হয়। ছোট ছোট জয়েন্টের বাতে এবং বিশেষত পায়ের বৃদ্ধাঙুলের বাতের ব্যথায় কলচিকাম প্রযোজ্য। কলচিকামের প্রধান লক্ষণ হলো খাবারের গন্ধে বমি আসে এবং আক্রান্ত অঙের জোর/শক্তি কমে যায়।

Hypericum perforatum : যে-সব আঘাতে কোন স্মায়ু ছিড়ে যায়, তাতে খুবই মারাত্মক ব্যথা শুরু হয়, যা নিবারণে হাইপেরিকাম খাওয়া ছাড়া গতি নেই। শরীরের সপর্শকাতর স্থানে আঘাত পেলে বা কিছু বিদ্ধ হলে হাইপেরিকাম খেতে হবে ঘনঘন।যেমন- ব্রেন বা মাথা, মেরুদন্ড, (পাছার নিকটে) কণ্ডার হাড়ে, আঙুলের মাথায়, অণ্ডকোষে ইত্যাদি ইত্যাদি। (তবে যে-সব ক্ষেত্রে পেশী এবং স্নায়ু দুটোই আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে মনে হয়, তাতে আনির্কা এবং হাইপেরিকাম একত্রে মিশিয়ে খেতে পারেন।) আঘাতের স্থান থেকে প্রচণ্ড ব্যথা যদি চারদিকে ছড়াতে থাকে বা খিঁচুনি দেখা দেয় অথবা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায় (ধনুষ্টঙ্কার), তবে হাইপেরিকাম ঘনঘন খাওয়াতে থাকুন।

Ledum palustre : সূচ, আলপিন, তারকাটা, পেরেক, টেটা প্রভৃতি বিদ্ধ হলে ব্যথা কমাতে এবং ধনুষ্টঙ্কার / খিচুনি ঠেকাতে লিডাম ঘনঘন খাওয়ান। অর্থাৎ যে-সব ক্ষেত্রে কোনকিছু শরীরের অনেক ভেতরে ঢুকে যায়, তাতে লিডাম প্রযোজ্য। এই ক্ষেত্রে লিডাম ব্যথাও দূর করবে এবং ধনুষ্টংকার হলে তাও সারিয়ে দেবে।চোখে ঘুষি বা এই জাতীয় কোনো আঘাত লাগলে লিডাম এক ঘণ্টা পরপর খেতে থাকুন। বাতের ব্যথায় উপকারী বিশেষত যাদের পা দুটি সব সময় ঠান্ডা থাকে।

Kali bichromicum: ক্যালি বাইক্রোম প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা আঙুলের মাথার মতো খুবই অল্প জায়গায় হয়ে থাকে,ব্যথা ঘন ঘন জায়গা বদল করে ইত্যাদি ইত্যাদি।

Plantago Major : দাঁত, কান এবং মুখের ব্যথায় প্লানটাগো মেজর এমন চমৎকার কাজ করে যে, তাকে এক কথায় যাদু বলাই যুক্তিসঙ্গত।পত্রিকায় দেখলাম, একজন প্রখ্যাত সাংবাদিকের দাঁতব্যথা সারাতে না পেরে ডেন্টিস্টরা শেষ পযর্ন্ত একে একে তাঁর ভালো ভালো চারটি দাঁতই তুলে ফেলেছেন। আহা ! বেচারা ডেন্টিস্টরা যদি প্লানটাগো’র গুণের কথা জানত, তবে প্রবীন এই সাংবাদিকের দাঁতগুলো বেচেঁ যেতো।

Magnesia phosphorica : বিজলীর মতো পেট ব্যথা, একবার আসে একবার যায়। ব্যথা চাপ দিলে এবং গরম শেক দিলে কমে। ঠান্ডা বাতাসে বা ঠান্ডা পানি লাগলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়।

Veratrum album : মারাত্মক ধরনের পেট ব্যথা ; সাথে বমিবমি ভাব এবং বমি করা থাকে। বরফের মতো ঠান্ডা পানি খেতে চায়। ব্যথার চোটে শরীরে বিশেষত কপালে ঠান্ডা ঘাম দেখা দেয়। হাঁটাহাঁটি করে ব্যথা কমানোর চেষ্টা করে। রোগী খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে।

Pulsatilla pratensis : পালসেটিলা’র ব্যথার প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করে। আজ এক জায়গায় তো কাল অন্য জায়গায় কিংবা সকালে এক জায়গায় তো বিকালে অন্য জায়গায়।

Lac caninum : ল্যাক ক্যান-এর ব্যথার প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন সাইড/ পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আজ ডান পাশে তো কাল বাম পাশে কিংবা সকালে সামনের দিকে তো বিকালে পেছনের দিকে।

Bellis perennis : প্রচণ্ড গরমের সময় অথবা পরিশ্রম করে ঘর্মাক্ত শরীরে আইসক্রিম বা খুব ঠান্ডা পানি খাওয়ার পরে যদি ব্যথা বা অন্য যে-কোন রোগ দেখা দেয়, তবে বেলিস পিরেনিস খাওয়া ছাড়া আপনার মুক্তির কোন বিকল্প রাস্তা নাই।

Magnesia phosphorica : ম্যাগ ফস স্মায়বিক ব্যথার এক নম্বর ঔষধ। ইহার ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছুড়ি মারা অথবা চিড়িক মারা ধরণের মারাত্মক ব্যথা।আক্রান্ত অঙ্গকে মনে হবে কেউ যেন লোহার হাত দিয়ে চেপে ধরেছে।

Thuja occidentalis : টিকা (বিসিজি, ডিপিটি, এটিএস, পোলিও, হেপাটাইটিস, এটিএস ইত্যাদি) নেওয়ার কারণে ব্যথা হলে থুজা খেতে হবে। টিকা নেওয়ার কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে চিড়িক মারা ব্যথা (neuralgia, sciatica) অর্থাৎ স্নায়বিক ব্যথা হয় এবং বার্নেটের মতে থুজা হলো ইহার শ্রেষ্ট ঔষধ।

Latrodectus mactans : এনজিনা পেক্টোরিসের সবচেয়ে ভালো ঔষধ হলো লেট্রোডেক্টাস ম্যাকটেনস (Latrodectus mactans) বিশেষত ব্যথা যখন বাম হাতের দিকে ছড়াতে থাকে। মনে হয় কেউ যেন শক্ত হাতে গলা চেপে ধরেছে ; দম বন্ধ হয়ে এখনই মারা যাবে।

Amylenum nitrosum : এটি হৃৎপিন্ডের ব্যথার সবচেয়ে কমন ঔষধ। এটি হৃৎপিন্ড এবং শরীরের ওপরের অংশের রক্তনালীকে প্রসারিত করার মাধ্যমে বুকের ব্যথা নিরাময় করে।

Glonoine : গ্লোনইন হলো বুকের ব্যথার এক নাম্বার ঔষধ যা সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ ছাড়াই দেওয়া যায়। পাশাপাশি এটি হাই ব্লাড প্রেসারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

Crataegus oxyacantha : এটি হৃৎপিন্ডের রোগের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ অথাৎ হৃদপিন্ডের দুবলতার একটি শ্রেষ্ট টনিক এবং এনজাইনারও একটি ভালো ঔষধ।

Cactus grandiflorus : ইহাও হৃৎপিন্ডের ব্যথার একটি উল্লেখযোগ্য ঔষধ। ইহার প্রধান লক্ষণ হলো মনে হবে হৃৎপিন্ডকে কেউ তার লোহার হাত দিয়ে এমনভাবে চেপে ধরেছে যে, সেটি নড়াচড়া করতে পারছে না।

Actea racemosa : একটিয়া রেসি মাসিকের ব্যথার আরেকটি প্রধান ঔষধ।

Colocynthis : পেটের ব্যথা যদি শক্ত কোন কিছু দিয়ে পেটে চাপ দিলে অথবা সামনের দিকে বাঁকা হলে কমে যায়, তবে কলোসিন্ত আপনাকে সেই ব্যথা থেকে মুক্ত করবে। কলোসিনে'র ব্যথা ছুরি মারার মতো খুবই মারাত্মক ধরণের। পেটের নাড়ি-ভূড়িকে মনে হবে কেউ যেন দুটি পাথর দিয়ে পিষতেছে।

Dioscorea villosa : ডায়োস্কোরিয়া’র পেটের ব্যথা পেটে চাপ দিলে অথবা সামনের দিকে বাঁকা হইলে বৃদ্ধি পায়। ডায়োস্কোরিয়া’র ব্যথা কিছুক্ষণ পরপর বৃদ্ধি পায় এবং পেট থেকে শরীরের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যায়। (শিশুদের কান্না-কাটি অথবা মেজাজ দেখানোর যদি কোন কারণ খুঁজে না পান, তবে নিশ্চিত ধরে নিতে পারেন তার পেটে ব্যথা হচ্ছে। কারণ দুধ এবং চিনি বেশী খাওয়ার কারণে তাদের পেটে গ্যাস এবং এসিডিটির সমস্যা থাকবেই। শিশুদের পেটের ব্যথা পেটে চাপ দিলে বাড়ে না কমে তা যদি বুঝতে না পারেন, তবে একবার Dioscorea এবং একবার Colocynthis দুটো ঔষধই একত্রে মিশিয়ে খাওয়াতে থাকুন)।

Belladonna : যে-কোনো তীব্র ব্যথা যতক্ষণই থাকুক না কেন, যদি হঠাৎ আসে এবং হঠাৎ চলে যায়,তবে বেলেডোনা ঔষধটি খেতে থাকুন। বেলেডোনা’র ব্যথা সাধারণত শরীরের উপরের দিক থেকে নীচের দিকে যায়।

Nux vomica : নাক্স ভমিকা পেট ব্যথার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। খাওয়া-দাওয়ার কোন গন্ডগোলের কারণে পেট ব্যথা হলে এটি প্রয়োগ করতে হয়। গলব্লাডার বা কিডনী রোগ যে-কারণেই পেট ব্যথা হোক না কেন। শীতকাতর এবং বদমেজাজী লোকদের বেলায় এটি ভালো কাজ করে।

Arsenic album : পচাঁ, বাসি কিংবা বিষাক্ত কোন খাবার-পানীয় খাওয়ার কারণে পেটে ব্যথা হলে আর্সেনিক এক নাম্বার ঔষধ। কাচাঁ কোন ফল খেয়ে পেট ব্যথা হলেও আর্সেনিক খেতে হবে। পেটের ভেতরের কোন ক্যান্সারের কারণে পেট ব্যথা হলেও আর্সেনিক খেতে পারেন।

Ignatia amara : দুঃসংবাদ শোনার পরে অথবা বিরহ-বিচ্ছেদ-ছ্যাকা খাওয়ার কারণে, মনে কষ্ট পাওয়ার কারণে পেটে ব্যথা হলে ইগ্নেশিয়া খেতে হবে।

Teucrium Marum verum : পেটে ব্যথার সাথে যদি মুখে পানি উঠতে থাকে, তবে ক্রিমির ঔষধ খাওয়া উচিত (যেমন- টিউক্রিয়াম)।

Plumbum metallicum : পেট ব্যথার সাথে যদি কোষ্টকাঠিন্য/শক্ত পায়খানা থাকে, তবে প্রথমেই প্লামবাম ঔষধটি খাওয়ার কথা চিন্তা করতে হবে। প্লামবামের পেট ব্যথার লক্ষণ হলো, মনে হবে পেটের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে কেউ যেন সুতো দিয়ে বেঁধে পিঠের দিকে টানতেছে।

Stannum metallicum : স্ট্যানাম-এর ব্যথার লক্ষণ হলো হালকা ব্যথা নিয়ে সেটি শুরু হয়, তারপর ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে বাড়তে চরম পর্যায়ে পৌঁেছ যায় এবং শেষে আবারও ব্যথা আস্তে আস্তে কমতে কমতে পুরোপুরি চলে যায়।

Dr. Ramzan Ali Khan
Homeo consultant D.H.M.S
Bangadesh Homeopathic Medical college & Hospital
Over 40 years experienced Registered Homeopathic Physician.

Address

Gazipur

Telephone

+8801303401249

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Homeo clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Khan Homeo clinic:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category