Dr.Sumon Pramanik

Dr.Sumon  Pramanik MBBS, BCS(Health), FCPS(Medicine-Final part), CCD(Diabetes), CCCD(Cardiology)
Ex-HMO, Medicine unit, Dhaka Medical College Hospital

08/08/2021

সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্নঃ

* আমার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এলার্জি বা হাপানী আছে। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?

উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এসব রোগ যাদের আছে, তারা সবার আগেই ভ্যাক্সিন নেয়া উচিত। কারণ এরা রিস্ক জোনে আছে।

* আমার কোভিড পজিটিভ ছিল বা লক্ষ্মণ ছিল তবে পরীক্ষা করাইনি। ভ্যাক্সিন দিতে পারব?

উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন তবে পজিটিভ হওয়া বা জ্বর কাশি লক্ষ্মণ দেখা দেয়ার ২৮ দিন পর।

* গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধ পান করাচ্ছেন এমন মায়েরা ভ্যাক্সিন নিতে পারবে?

উত্তরঃ বাচ্চা দুধ খায় এমন মা রা যেকোন সময় ভ্যাক্সিন নিতে পারবে। তবে গর্ভবতী মা রা গর্ভের ১৩ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাক্সিন নিতে পারবে যা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

* ভ্যাক্সিন দিলে নাকি হার্টের সমস্যা হচ্ছে বা অনেকে মারা যাচ্ছে?

উত্তরঃ সামান্য জ্বর বা ব্যথা দেখা দেয়া যেকোন ভ্যাক্সিনের কমন সাইড ইফেক্ট। মারা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। খুবই অল্প সংখ্যক রুগীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি ভ্যাক্সিন দেয়ার পর সামান্য হার্টের প্রদাহ দেখা দিয়েছিল, তবে দ্রুত সুস্থও হয়ে গিয়েছে। অতএব এসব অমুলক চিন্তা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গল।

* আমি রক্তদাতা বা ডোনার। ভ্যাক্সিন দেয়ার বা রক্ত দেয়ার নির্দেশনা কি?

উত্তরঃ ভ্যাক্সিনও দিতে পারবেন, ব্লাডও ডোনেট করতে পারবেন। তবে ভ্যাক্সিন দেয়ার ২৮ দিন পর রক্ত দান করতে পারবেন। ২৮ দিনের ভেতরে নয়।

* ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও আমার পুনরায় জ্বর, শরীর ব্যথা। এর কারণ?

উত্তরঃ ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে করোনার প্রভাব খুবই কম থাকে, অল্পতেই সুস্থ হয়ে যায়। তাছাড়া জ্বরের কারণ অন্যান্য রোগ যেমন ডেঙ্গু বা টাইফয়েডও হতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ WHO, CDC

05/07/2021

করোনার ৩টি নতুন লক্ষণ।

08/04/2021

লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন ।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব ?
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই । অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution.
তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে । লড়াই করে টিকে থাকতে হবে । আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে । কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব ।
১) অভ্যাসঃ-
বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে । কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে । ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করছে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে । ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করা ।
২) এনভায়রনমেন্টঃ
আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি । নয়ত এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে । আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে । শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে । এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি । তাই ঠান্ডা/এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।
৩) ইমিউনিটিঃ
এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট । এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী । হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই । আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে । সেটা কীভাবে ?
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ।
ফিজিক্যালিঃ
* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য । প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে ।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট । মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে ।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে । রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই লাগবে ।
খাবারঃ
• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন । ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে ।
• প্রচুর পানি খেতে হবে (এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না )।
• এন্টি অক্সিডেন্ট-যুক্তখাবার খেতে হবে । শাক সবজি খেতে হবে । প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে । এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে । প্রতিদিন সকালে লেবু সিদ্ধ গরম পানি খান ।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে ।
• আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের । লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এইগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে । দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের । চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন । গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টিতে এই মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো।
• কালোজিরা কার্যকরী একটা জিনিস । প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালোজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন । এছাড়া কালোজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সাথেও খেতে পারেন ।
মেন্টালি:
ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি । তাই মনকে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে । ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক । সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই । বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা ।
----অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা
ধন্যবাদ।

সাবধান হবার এটাই সময়
24/12/2020

সাবধান হবার এটাই সময়

যুক্তরাজ্যজুড়ে আতঙ্ক তৈরি করা নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনাভাইরাসটি বাংলাদেশেও আছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশের বি....

01/08/2020

অসাবধানতায় ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা। স্যানিটাইজার ব্যাবহারে সচেতনতা জরুরি।

ধেয়ে আসছে করোনাভাইরাস দক্ষিণ এশিয়ায়সেই ২০২০ এর জানুয়ারী থেকে শুরু করোনাভাইরাসের তান্ডব, কমার কোন লক্ষণ নেই! চীন থেকে শুর...
29/07/2020

ধেয়ে আসছে করোনাভাইরাস দক্ষিণ এশিয়ায়

সেই ২০২০ এর জানুয়ারী থেকে শুরু করোনাভাইরাসের তান্ডব, কমার কোন লক্ষণ নেই! চীন থেকে শুরু করে, ইউরোপ আমেরিকা হয়ে এখন সে শক্ত অবস্থান নিয়েছে দক্ষিণ এশিয়াতে। ভারতে বসিয়েছে ভয়ংকর থাবা। আমরা বাংলাদেশীরা এখনও করোনার ভয়ংকর রূপ দেখিনি! দেখেছে ইউরোপ, দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থায় সবচেয়ে বেশী আগানো দেশগুলো কিভাবেই না ধরাশায়ী হয়েছে ন্যানোমিটার সাইজের অতি ক্ষুদ্র এই ভাইরাসটির কাছে!

গতকালও যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারা গেছে ১২ শো এর উপরে। ৩৩ কোটি লোকের এই দেশটিতে গত পাঁচ মাসে এ পর্যন্ত প্রান গেছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের। পৃথিবীর আর কোন দেশে এখন পর্যন্ত এত লোক মারা যায়নি এই মহামারীতে।

ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয় ৩ লক্ষ লোক, যার মধ্যে মারা যায় প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ। বিশ্বে যেখানে করোনায় গড় মৃত্যুহার শতকরা ৪ ভাগ, সেখানে যুক্তরাজ্যে মৃত্যুহার শতকরা ১৫ ভাগ! যে দেশে রয়েছে বিশ্বখ্যাত সব গবেষণাকেন্দ্র, এনএইচএস এর মত নামকরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, সে দেশের কী হাল এই মহামারীতে। গত এক মাস হল এখানে করোনার প্রকপ কিছুটা কম।

কিন্ত গত এক সপ্তাহে করোনা রোগীর সংখ্যা আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন যে আগামী দুই সপ্তাহের ভেতরে করোনা মহামারীর সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হতে পারে। এটা আসলেই আশংকাজনক। জুলাইয়ের ৪ তারিখ থেকে যুক্তরাজ্যে লক-ডাউন শিথিল করা হয়েছে, খুলে দেয়া হয়েছে সবকিছু। ব্রিটিশরা মু্ক্ত ভাবে চলাফেরা শুরু করেছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছে হলিডে করতে। আর সেখান থেকেই ফেরার পথে সাথে করে নিয়ে আসছে করোনা ভাইরাস! স্পেনে সম্ভবত মহামারীর সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়ে গেছে। গত দুই সপ্তাহে সেখানে করোনা রোগী বেড়েছে সমানুপাতিক হারে। ধারনা করা হচ্ছে, ব্রিটিশরা স্পেন থেকেই নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে।

বাংলাদেশে মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ২ লক্ষ ২৯ হাজার মানুষ, যার ভেতরে মারা গেছে মোট ৩ হাজার। মৃত্যুহার মাত্র শতকরা ১.৩ ভাগ, যা ইউরোপ বা আমেরিকার তুলনায় অনেক কম। এই কম মৃত্যুহারের কারনেই হয়তো ইদানীং আমাদের ভেতরে একটা চরম উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। আমরা মাস্ক ছাড়া মুক্ত ভাবে চলাফেরা শুরু করেছি। সামাজিক দূরত্বের থোরাই কেয়ার করছি! করোনা ভীতি আমাদের মাঝ থেকে উবে গেছে হঠাৎ করেই!

বাংলাদেশে করোনা টেস্টের নামে চলছে সীমাহীন দুর্নীতি এবং বিশৃঙ্খলা। সাম্প্রতিক জিকেজি, রিজেন্ট হাসপাতাল, শাহেদ করিম বা ডাঃ সাবরিনা কাহিনী গুলো সম্ভবত করোনা টেস্টের দুর্নীতির ‘টিপ অব দ্যা আইসবার্গ, মাত্র! মহামারীর ভেতরও এই রকম দুর্নীতি নজিরবিহীন! এছাড়াও বাংলাদেশে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে নামে মাত্র। ১৬ কোটি মানুষের দেশে দৈনিক টেস্ট করা হচ্ছে ১০-১২ হাজার। যেখানে যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্র করোনা টেস্ট করছে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষে যথাক্রমে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ও ১ লক্ষ ৭০ হাজার, সেখানে বাংলাদেশে টেস্ট করা হচ্ছে প্রতি ১০ লক্ষে মাত্র ৭ হাজার! ৭ কোটি লোকের দেশ যুক্তরাজ্যে যেখানে মোট টেস্ট করা হয়েছে ১ কোটি ৫০ লক্ষ, সেখানে ১৬ কোটির দেশ বাংলাদেশে মোট চেস্ট করা হয়েছে ১১ লক্ষ ৩০ হাজার! মহামারীর প্রকপ বোঝার জন্য এই টেস্ট খুবই অপ্রতুল।

ধরে নিলাম যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মত এত টেস্ট করার ক্ষমতা বাংলাদেশের নেই। যা খুবই স্বাভাবিক। আমাদের উচিত আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সাথে তুলনা করা। অর্থনৈতিক এবং ভৌগলিক দিক দিয়ে ভারতের সাথেই বাংলাদেশের তুলনা করাটা যথার্থ এবং সমীচীন।

১৩৮ কোটি লোকের দেশ ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৫ লক্ষ মানুষ, আর মারা গেছে ৩৪ হাজারের উপরে। সেই হিসেবে মৃত্যুহার শতকরা ২.২ ভাগ। অনেকটা বাংলাদেশর কাছাকাছি। ভারত প্রতি ১০ লক্ষে টেস্ট করছে ১২ হাজার ৫০০। আর আমরা টেস্ট করছি প্রায় এর অর্ধেক! কেন? জনসংখ্যার দিক দিয়ে আমাদের চেয়ে প্রায় ৯ গুন বড় ভারত যদি ১২ হাজার টেস্ট করতে পারে ১০ লক্ষে, তাহলে আমরা কেন পারবো না, অন্তত তাদের সমান সংখ্যক টেস্ট করতে? মোট টেস্টের বিচারে ভারত আমাদের চেয়ে ১৫ গুন বেশি টেস্ট করেছে। আমাদেরকে অবশ্যই টেস্ট সংখ্যা বাড়াতে হবে কয়েক গুন এবং সেটা করতে হবে অতি দ্রুত।

এটা এখন মোটামুটি নিশ্চিত যে, করোনা মহামারীর নতুন এপিসেন্টার হতে যাচ্ছে আমাদের দক্ষিণ এশিয়া। আর এ অঞ্চলে ভারত সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত দেশ। আর আমরা রয়েছি ভারতের একদম পেট ঘেঁষে। এ কারনেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সতর্ক হতে হবে অনেক বেশী।

মহামারীর শুরুতে যখন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা খুব খারাপ তখন তার বর্ডার ঘেঁষা থাকা মেক্সিকোর অবস্থা ছিল খুবই ভাল। আর এখন মেক্সিকোর কি অবস্থা! ৪ লক্ষ মানুষ করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছে ৪৪ হাজার। মেক্সিকোর অবস্থা ভাল থেকে খারাপ হতে সময় লেগেছে মাত্র ২ মাস!

আমরা যদি এখনই সতর্ক না হই, তাহলে আমাদের আবস্থা যে ভারতের মত হবে না, তা কিন্তু হলফ করে বলা যায় না। করোনাভাইরাস একটি বিশ্বাসঘাতক জীবানু। একে না বিশ্বাস করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সরকার কি করলো বা না করলো সেদিকে না তাকিয়ে নিজে সতর্ক হউন। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। অবশ্যই মাস্ক পরে বাইরে বের হউন। বাইরে থেকে এসে পরিধেয় বস্ত্র এবং জুতা আলাদা রাখুন এবং নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

[তথ্য: ওয়ার্ল্ডোমিটার। ২৮ জুলাই ২০২০]

ডঃ খোন্দকার মেহেদী আকরাম
এমবিবিএস, এমএসসি, পিএইচডি,
সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট,
শেফিল্ড ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য

লেখাটি দরকারী মনে হলে শেয়ার করুন। অনুমতির দরকার নেই।

মাস্ক পড়াটা খুব জরুরি। নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন।
04/07/2020

মাস্ক পড়াটা খুব জরুরি। নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন।

28/06/2020

করোনাকালে যা করা যাবে, যা করা যাবে না...

26/06/2020

করোনা ভাইরাসের প্রধান টার্গেট 'ফুসফুস'। ফুসফুসকে কার্যক্ষম/শক্তিশালী করতে স্বল্প সময়ে ঘরে বসেই এই ব্যায়াম (প্রাণায়াম) সেরে নিতে পারেন। #কিস্তি-২

#ওয়ার্নিংঃ
িস্তি না প্রাক্টিস করে ২য় কিস্তি ট্রাই করবেন না। ১ম কিস্তি এই পেজেই পাবেন।

23/06/2020

কোভিড-১৯ চিকিৎসায় #অক্সিজেন_সিলিন্ডার বাসায় রাখার প্রয়োজনীয়তা # ঝুঁকি🔥🔥 # করনীয় # উভয় সংকট # মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ

#ডা_সাবরিনা_মনিন #কিস্তি_৪

19/06/2020

বাজার থেকে আনা ফলমুল, শাকসবজি, মাছ, মাংস থেকে কি করোনা ছড়ায়? এগুলো কীভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন?

#কৃতজ্ঞতাঃ যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসে জুনিয়র ডাক্তার হিসেবে কর্মরত, করোনাযোদ্ধা ডা. তাসনিন জরা #২

Address

সুরক্ষা ডিজিটাল , ডায়াগনস্টিক& কনসালটেসন সেন্টার , হাসপাতাল রোড, গোবিন্দগন্জ, গাইবান্ধা।
Gobindganj

Opening Hours

Monday 15:00 - 20:08
Tuesday 15:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 15:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801716184018

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Sumon Pramanik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category