04/02/2026
অনেক জ্বীনের রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে খন্ড খন্ড আয়াতের তিলাওয়াত (যেভাবে রুকইয়াহর সময় তিলাওয়াত করা হয়) এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গ আয়াত ও সূরার তিলাওয়াত বেশি উপকারী। বিশেষ করে যারা পুরানো রোগী এবং যাদের ডায়গনোসিস ফলাফল একদমই স্পস্ট— তারা পূর্ণ সূরা শুনলে বেশি ফায়দা হবে— ইনশাআল্লাহ।
বিশেষ করে, নির্ভরযোগ্য রাকী ছাড়া অন্যান্য সোর্স থেকে আকর্ষণীয় টাইটেল দেয়া, এত বেশি ইকো যাতে আয়াতের শব্দ-বাক্য বুঝা যায় না— ঐ সমস্ত অডিওতে ফায়দা আরো কম ।
সূরা বাকার, সূরা নূর, সূরা কাহাফ, সূরা আহযাব, সূরা ইয়াসিন, সূরা সাফ্ফাত, সূরা দুখান, সূরা জ্বীন, সূরা মুহাম্মাদ, সূরা আর রহমান, সূরা মাআরিজ, সূরা বুরুজ, সূরা যিলযাল, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস— এই সূরাগুলো বেশি বেশি পড়বেন ।
তিলাওয়াতকারীর ইখলাস ও আমলের কারনে তাঁর তিলাওয়াতের ফায়দা বৃদ্ধি পায় । কিছু কারী আছেন যাদের তিলাওয়াত জিনদের জন্য অনেক বেশি কষ্টকর । অতিরিক্ত এডিট করা, ডিজিটাল টিউনিং করা তিলাওয়াত— যা কেবলই কান-সুখ দেয়, সেগুলোর পরিবর্তে এমন তিলাওয়াত শুনবেন— যা কলবের সুখ দেয়।
পবিত্র কা’বার সম্মানিত ইমামদের মধ্যে আব্দুর রহমান আস সুদাইসী, ইয়াসির আল-দাওসারী, বান্দার বালিলা, মাহির আল মুহাইকিলী (হাফি)— ওনাদের তিলাওয়াত শুনতে পারেন ।
যারা অন্তর দিয়ে তিলাওয়াত করে, যাদের তিলাওয়াত শুনে মনে হয় তাঁরা আল্লাহকে শুনাচ্ছে— তাদের তিলাওয়াত শুনবেন । আপনি ফিল করবেন, আল্লাহর সামনে কোন এক মজলিসে কুরআন পড়া হচ্ছে, স্বয়ং আল্লাহও সেখানে উপস্থিত আছেন, তাঁরই নির্দেশে কেউ একজন তিলাওয়াত করছেন আর আপনি খুব আটোসাটো হয়ে সর্বোচ্চ মনযোগ ক্ষমতা ব্যবহার করে সেই তিলাওয়াত শুনছেন ।
যখন নিজে তিলাওয়াত করবেন তখনও ফিল করবেন, সামনে আমার রব উপস্থিত, তাঁরই কালাম তাকেই পড়ে শুনাচ্ছি। ভুল, অশুদ্ধ এবং অমনোযোগ মুক্ত তিলাওয়াত করবেন ।