ACI কৃত্রিম প্রজনন কর্মি,যশোর।

ACI কৃত্রিম প্রজনন কর্মি,যশোর। বদলে যাবে সারাদেশে, দুধে মাংসে বাংলাদ?

Permanently closed.
খামারী উদ্যোক্তা কিভাবে হবেন সফল খামারীআপনি উদ্যোক্তা হতে চান, খামার ব্যবসা করতে চান। কিন্তু বর্তমান সময়ে আপনি যে খামার ...
18/06/2022

খামারী উদ্যোক্তা কিভাবে হবেন সফল খামারী

আপনি উদ্যোক্তা হতে চান, খামার ব্যবসা করতে চান। কিন্তু বর্তমান সময়ে আপনি যে খামার ব্যবসায় করতে চান না কেন, তা হবে মরুভূমিতে বালু বিক্রি করার মত! অনেক মানুষ আগেই সে ব্যবসা করে আসছে। অথবা ইতোমধ্যে অনেকে শুরু করে দিয়েছে। তাই বলে কি একই ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারবেন না? অবশ্যই পারবেন। যদি আপনার শুধুই টাকা ইনকাম করার মনোভাব না থাকে। বরং যে কাজটা করতে চান তার প্রতি যদি থাকে প্রবল আকর্ষন ও ভালবাসা, কাজ করতে প্রতিটা দিনের সময় কখন যে ফুরিয়ে যাবে তা যদি আপনি বুঝতেই না পারেন এবং আপনি ক্লান্ত না হন। দিন শেষে কাজ করে আপনি পাবেন একটা মানসিক তৃপ্তি। তাছাড়া বার বার সমস্যার আসার পরেও যদি কাজটা ছেড়ে না দেন, লেগে থাকেন। কাজটা যদি হয় এমনই। তাহলে যত মানুষই করুক না কেন, একই কাজ আপনি করলে অবশ্যই সফল হবেন। সফলতার এটাই মূল সূত্র।

সকল উদ্যোক্তা সফল হয় না, সফল হয় গুটিকয়েক উদ্যোক্তা। সফল খামার উদ্যোক্তা হবার জন্য দু’টি বিষয়ের সমন্বয় দরকার। এক. খামার চালানোর জন্য ব্যবস্থাপনা জ্ঞান, যার ফলে খামারে লাভ আসবে। এই ব্যবস্থাপনা জ্ঞান পরিশ্রম. অভিজ্ঞতা ও হাতে কলমে শিক্ষার মাধ্যমে অর্জন করা যায়। দুই. খামার শুরু, টিকে রাখা এবং উত্তোরত্তর বৃদ্ধির জন্য দরকার উদ্যোক্তা প্রাণ শক্তি যা আপনাকে সফল ও টেকসই উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করবে। উদ্যোক্তা প্রাণ শক্তি শিক্ষার মাধ্যমে অর্জন করা যায় না। তা ভিতর থেকে আসতে হয়। নিজেকে আত্ম-উন্নয়ন করতে হয়। ক্রমাগতভাবে। প্রতিনিয়ত।

ইদানিং চারি পাশে খামার উদ্যোক্তা হবার ধুম পড়ে গেছে। প্রচন্ড উদ্দীপনা আর আগ্রহ নিয়ে খামার শুরু করে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই খামার ঘুটিয়ে ফেলছে। তার প্রধান কারন হলো- খামার চালানোর জন্য ব্যবস্থাপনা জ্ঞান না থাকা এবং উদ্যোক্তা প্রাণ শক্তির অভাব। কিন্তু দু’টো বিষয়ই অর্জন করা সম্ভব। প্রথমটা কাজের মাধ্যমে আর দ্বিতীয়টা আত্ম-উন্নয়নের মাধ্যমে।

এই দু’টো বিষয়ে কিভাবে দক্ষতা ও কৌশল অর্জন করা যায়, তা ধারাবাহিকভাবে “খামারিদের মিলন মেলা” গ্রুপের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হবে। ফলে যারা নতুন খামার উদ্যোক্তা হতে চান বা ইতোমধ্যে খামার ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন এবং সেখান থেকে লাভবান হতে চান তারা এই সিরিজের আলোচনা থেকে উপকৃত হতে পারবেন বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বস।

06/04/2022

গাভীর ওলান ফোলা রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

------------------------
গাভীর ওলান ফোলা হলো একধরণের মারাত্ত্বক ব্যাধি। যা গাভী এবং বাচ্চার জন্য খুবই ক্ষতিকর। বিভিন্ন প্রকার জীবাণু দ্বারা গাভীর ওলান ফোলা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। দ্রুত উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে গরুর ওলান আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ রোগ একটি গাভীর যে কোনো সময় হতে পারে তবে বাছুর প্রসবের পরেই গাভী বেশি আক্রান্ত হয়।
রোগের কারণ
বিভিন্ন প্রকারের ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস, মাইকোপ্লাজমা ও ভাইরাস এ রোগ সৃষ্টি করে থাকে। যদি সেডের মেঝে দীর্ঘ সময় সেঁতসেতে ও ভিজা থাকে, ওলানের বাঁট দূষিত মেঝের, সংষ্পর্শে আসার মাধ্যমে অথবা দুধ দোহনকারীর হাত, দুধ দোহনের যন্ত্রের মাধ্যমে জীবাণু সরাসরি ওলানে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। কারণ গাভী যখন শুইবে তখন তার ওলান দিয়ে জীবানু ঢুকবে। সেই থেকে ওলান ফুলে যেতে পারে। এজন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে রাখার কোনো বিকল্প নাই। ওলানে বা বাঁটে আঘাতজনিত ক্ষত, ক্ষুরারোগের ফলে সৃষ্ট ক্ষত বা দীর্ঘ সময় ওলানে দুধ জমা থাকলেও এ রোগ হতে পারে। বাঁটের মধ্যে কোনো শলা বা কাঠি প্রবেশ করালেও গাভী এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

লক্ষণ
ওলান ফুলে শক্ত ও গরম হয়। লাল বর্ণ হয়ে যায়। কখনও পুজের মত বা রক্ত মিশ্রিত হয়। কখনও কখনও দুধের পরিবর্তে টাটকা রক্ত বের হয়। ওলানে ব্যথা হয়। দুধ কমে যায় এমনকি বন্ধও হয়ে যায়।

তীব্র রোগে ওলান হঠাৎ করে লাল, শক্ত ও ফুলে যাবে। হাত দ্বারা ষ্পর্শ করলে গরম অনুভূত হবে। ওলানে হাত বা কোনো কিছুর হালকা আঘাত লাগলে প্রচন্ড ব্যথা থাকে। ওলানের সামনে পানি জমে যায়। গায়ে জ্বর থাকে। পানির মত দুধ, পুঁজ বা রক্তযুক্ত দুধ বের হয়। ওলানে পচন ধরতে পারে। দুধ কালো কাপড়ে ছাঁকলে জমাট বাঁধা দুধ দেখা যায়। এমন কি বাছুরকেও দুধ দেয় না। দুধের রং লাল বর্ণ হয়ে যায়। দুধের মধ্যে ছানার মত কিছু জমে থাকতে পারে। গাভীর খাদ্য গ্রহণে অরুচি দেখা দেয়। অনেক সময় আক্রান্ত ওলানে গ্যাংগ্রিন হয়ে খসে যায়। গাভীর মৃত্যুও হতে পারে।

চিকিৎসা
খুব দ্রুত রোগ সনাক্ত করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। এ্যান্টিবায়োটিক প্রদান করতে হবে। এতে জেন্টামাইসিন ও কিটোটিফেন জাতীয় ওষধ প্রয়োগ করতে হবে। এতে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়। ১২ ঘন্টার মধ্যে এর চিকিৎসা করতে হবে। এর বেশি দেরি হলে এ রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। তখন আর চিকিৎ করে ফেরত পাবে না। অভিজ্ঞ প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শক্রমে যেসব চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে, হাতুরে ডাক্তারের চিকিৎসার মারত্মক ক্ষতি হতে পারে। এ রোগটি জটিল প্রকৃতির বিধায় পশুচিকিৎসকের পরামর্শমত চিকিৎসা করানো উচিৎ।


প্রতিরোধ
চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধের জন্য কাজ করতে হবে। একটি ডেইরী ফার্মে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নিলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বাঁটের স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করতে হবে। বাসস্থান উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে। জীবাণুমুক্ত দুধ দোহন ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে। ওলান ও বাঁটের স্বাস্থ্য রক্ষাসহ যে কোনো রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খুব দ্রুত এ রোগ সনাক্ত করতে হবে এবং দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে। অসুস্থ গাভীকে আলাদা জায়গায় রাখতে হবে। শুষ্ক ও গর্ভবতী গাভীকে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও সেবা দিতে হবে। গাভীর ক্ষেত্রে (বকনা বাদে) দুধ দোহনের শেষ দিনে বাঁট বন্ধ করে দিতে হবে এ রোগে আক্রান্ত হওয়া গাভী, যে গুলিকে সম্পূর্ণ ভালো করা সম্ভব হচ্ছে না সে গুলিকে ছাঁটাই করতে হবে। যারা গাভী দহন করবে তাদের হাত,শরীর , কাপড়সহ সবকিছু পরিষ্কার রাখতে হবে।


প্রিয় খামারি মনে রাখতে হবে, গাভী বা গরুর যে কোন সমস্যা হলে প্রথমে আপনাকে যেতে হবে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসে। অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে আপনাকে সেবা দিতে হবে।

04/03/2022

ঘোড়া যেখান থেকে পানি পান করে, সেখানে পানি পান করুন। ঘোড়া কখনও খারাপ পানি পান করে না।
বিড়াল যেখানে ঘুমায়, সেখানে আপনার বিছানা পাতুন। বিড়াল কখনও অপবিত্র বা নোংরা জায়গায় ঘুমায় না।
যে ফল পোকা ছুঁয়েছে তা নির্ধিতায় খান। পোকা কখনও বিষাক্ত ফল খায় না।
পোকাপ্রাণী মাটিতে যেখানে খনন করে বাস করে, সেখানে গাছ লাগান। ভাল গাছ পাবেন।
পাখির সাথে একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং পাখির সাথে একই সময়ে জাগ্রত হন। আপনার সমস্ত দিন স্বর্নের শস‍্যে কাটবে।
মাছের মতো পানীতে প্রায়শই সাঁতার কাটুন। মাছের মতো আপনি নিজেকে পৃথিবীতে হালকা, ফুরফূরে এবং সজীবতা অনুভব করবেন।
যতবারই সম্ভব আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকুন। আপনার চিন্তাধারা আকাশের মতো স্বচ্ছ, সুন্দর এবং পরিষ্কার হয়ে উঠবে।
যথাসম্ভব শান্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং অল্প কথা বলুন। আপনার হৃদয়ে দেখবেন নীরবতা আসবে, আপনার তনু মন প্রশান্তিতে ভরে উঠবে ।

06/02/2022

যারা নতুন খামার করতে আগ্রহী তারা শুরু থেকে শেষ পযন্ত' পোস্ট টি পড়ুনঃ-----

মানলে খামার করে লোকসান নয় লাভ হবে।প্রবাসী ভাইয়েরা ও পড়বেন।

শুরুতে ৩টি বিষয় থাকতে হবে।
ধৈয্য'
ডিসিপ্লিন
নিজের_যা_আছে_তা_নিয়ে_সন্তুষ্ট_থাকতে_হবে।

১।আমরা খামারীরা গরীব ঘরের সন্তান হয়ে,বড় ধরনের ঝুঁকি আসলে আমরা সইতে খুবই কষ্ট হয়।
তাই খামারের শুরুতে ছোট্ট আকারে শুরু করবেন।
১/২টি বকনা ও ভালো জাতের ২/৩ টি গাভী দিয়ে শুরু করুন।

২।শুরুতে বড় আকারে ডেইরী নিয়ে শুরু করলে দুধের বাজার,দুধ সেল দিতে পারবেন কি না তা ভেবে নিবেন।নয়তো দুধের দোকানে/মিষ্টির দোকানে ৫০ হাজার ৭০ হাজার বাকী থাকতে হবে, পরে খামার নিয়ে হিমসিম খেতে হবে।

৩।গরু কিনার সময় জাত চিনতে হবে,নিজে প্রথমে জাতের গরু চিনতে অসুবিধা হবে তাই অভিক্ত লোক সাথে নিয়ে গরু কিনতে হবে।
অনলাইন থেকে গরু কিনলে বুঝে শুনে কিনবেন,অসাধু দালালের হাতে পড়লে যা হবে অনলাইনে ২০/২৫ লিটার বলে দিবে পাবেন ১০/১২ লিটার।
সুতরাং সাবধান!

৪।গরু কিনার সময় অবশ্যই গরুটি সুস্থ আছে কি না খেয়াল করতে হবে,গাভী হলে দুধ দহনে লাথি মারে কি না,৪টি বাট দিয়ে দুধ ঠিক মতো আসে কি না,বয়স কী ইত্যাদি জেনে নিতে হবে।

৫।শুরুতেই ১০/১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে শুরু করবেন না।
কারন শুরুতে রিক্স না নেওয়া উওম।শুরুতে ২০ লিটারে গাভী নিবেন না, ১০/১৫ লিটার সবোচ্চ।কারণ এতো দামী গরু দিয়ে শুরু করলে কোন প্রকার সমস্যা হলে খামার করার মন মানসিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ও আরো অনেক আনুষাঙ্গিক বিষয় আছে তা শুরুতে বুঝতে কঠিন হবে।

৬।টাকা থাকলেই সব কিন্তু সম্ভব নয়,টাকা গরমে ২ লাখ ৩লাখ টাকা করে গরু কিনবেন না শুরুতে।
প্রবাসে থাকেন, ১০ টি গরু কিনে রাখাল রেখে দিয়ে খামার করবেন এমন সিদ্ধান্ত নিবেন না।তাহলে ভোগান্তির শেষ থাকবে না,যা হারে হারে টের পাবেন।কারণ ভালো রাখাল পাওয়া কঠিন।

৭।লাখ লাখ টাকার গরু খামারে তবে ১০০০/২০০০ হাজার টাকার অতিরিক্ত ঔষুধ খামারে রাখতে কষ্ট লাগে এমন চিন্তা করা যাবে না,প্রয়োজনীয় ঔষুধ কিছু খামারে রাখুন। গভীর রাতে দোকান তো বন্ধ থাকবে।
তাই খামারে রাখুন,
থামোমিটার
গ্যাসের ঔষুধ
জ্বরের
বদ হজমের
পাতলা পায়খানার
ঠান্ডার
আমাশার
ভিটামিন বি, এডি৩ই ইনজেকশন

৮।ট্রেনিং করতে হবে ৩ মাসের, সাপ্তাহিক বা মাসিক প্রাণী সম্পদ হাসপাতালের খামারী মিটিং ও ট্রেনিং এ উপস্থিত থাকতে হবে।

৯।গরুর যত্ন করতে হবে নিয়মিত।
গরুর গোসল,ঠিকসময়ে খাদ্য দেওয়া,নিয়মিত খামার পরিস্কার করা, প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে রাত ১০ টায় খামারের সব গুলো গরুর খেয়াল নিবেন, গরু গুলো জাবর কাটছে কি না, প্রসাব পায়খানা ঠিক আছে কি না তা পরিদর্শন করতে হবে।এই ডিসিপ্লিন গুলো মেনে চলতে হবে।

১০।ধৈয' থাকতে হবে।খামারে লাভ আর লাভ তা কিন্তু নয়,কখনো কোন সমস্যা হতে পারে, আগুন লেগে পুড়ে যেতে পারে,গরু মারা যেতে পারে,গাভী বার বার বীজ/সিমেন দিলে না ও রাখতে পারে তাই বলে গাভী রাগে বিক্রি করা যাবে না।সমস্যা কেথায় তা খুঁজে বের করে সমাধান করতে হবে, লেগে থাকতে হবে।

১১।আপনার খামারে ২ টি ১০/১২ লিটার দুধের গাভী আছে ১/২ টি ভালো জাতের বকনা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন।অন্যর বড় খামার ও বড় ওলানের গাভী দেখে পাগল হবেন না।কারন নিজের যা আছে তা নিয়ে শুকরিয়া আদায় করা জরুরী।
হয়তো সময়ের ব্যবধানে আপনি তার চেয়ে বড় খামারী হতে পারেন,তাই সততা নিয়ে পরিশ্রম করুন।

১২।অবহেলা দূর করে সাহস রাখুন,গরু অসুস্থ হলে মন খারাপ করবেন না,যখন কোন গরুর সমস্যা হবে তখন নিজের আয়ত্তে না থাকলে দ্রুত ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা করাবেন।তবে মনে রাখতে হবে রোগ ছোট্ট হউক বড় হউক অবহেলা করা যাবে না।কারণ একটু অবহেলার কারণে লাখ টাকার সমস্যা তো হতে পারে।

১২।গরু পালতে হলে গরু হতে হবে।
কারণ ৫০০ টাকার প্যান্ট,৪০০ টাকার শাট খুলে লঙ্গি আর কোমড়ে গামচা বেঁধে কাজ করতে হবে।

১৩।গাভী_না_বকনা না মোটাতাজা করন দিয়ে খামার শুরু করবেন।
শুধুই বকনা__দিয়ে শুরু করলে কমপক্ষে হিটে আসার আগ পযন্ত ও বাচ্চা দেওয়ার আগ পযন্ত আপনি কোন লাভের মুখ দেখতে পারবেন না।বরং হিটে আসলে কয়েকবার বীজ দিলে বীজ মিস করবে,খাদ্য খরচ,লেবার খরচ, কারেন্ট বিল হাত থেকে দিয়েই যেতে হবে এতে খামারের প্রতি আগ্রহ নষ্ট হয়ে যায়।

গাভী দিয়ে শুরু করলে দুধ বিক্রির টাকা দিয়েই গাভী ও বাচ্চার খাদ্য খরচ সহ অনন্যা খরচ ও চলে যাবে।ও গাভী হিটে আসলে বীজ দিয়ে আবার পুণরায় বাচ্চা দেওয়ার প্রস্তুতি নিবে।তবে সঠিক ভাবেই লালন পালন করতে হবে।

মোটাতাজা করণ প্রকল্প করলে ৩ মাস বা ৬ মাস মেয়াদী বিক্রির আগ পযন্ত খাদ্য ও ঔষুধ থেকে শুরু করে সমস্ত খরচ হাত থেকে বহন করতে হবে পরে লাভ লসের হিসাব।

সুতরাং আমার মতে শুরুতে ১/২ টি বকনা ও ২/৩ টি গাভী দিয়ে শুরু করাই ভালো।

১৪।নতুন অবস্থায় গাভীন গরু কেউ কিনবেন না।কারণ অনেক সময় গাভীর ১/২টি বাট দিয়ে দুধ আসে না, ও দুধ দহনে নড়াচড়া করে, লাথি মারে তখন সেই গাভী বিক্রি করতে পারে না।পরে ৫/৬/৭/৮/৯ মাসের গাভীন হলে বিক্রি করে।সুতরাং সাবধান!
তবে পরিচিত জনের গাভী হলে ভিন্ন কথা।

১৫।ইউটিওব,ফেসবুকের সফলতার গল্প শুনে কেউ খামার করবেন না, কারণ ঐ গল্প গুলোর পিছনে লুকিয়ে থাকে অনেক তথ্য যা প্রকাশ করে না।
বাস্তবতা বড়ই কঠিন,কল্পনা পরিহার করে বাস্তবতা মেনে খামার করুন দেখবেন সফলতা আপনার পিছু নিবে।

29/01/2022

গাভীর বাচ্চা প্রসবের সময় বোঝার উপায়
গাভীর বাচ্চা প্রসবের সময় বোঝার উপায় আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের দেশে গবাদিপশু তথা গাভী পালন একটি লাভজনক পেশা। গাভী পালন করে বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন। গাভী পালনের ক্ষেত্রে বাচ্চা প্রসব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসুন জেনে নেই গাভীর বাচ্চা প্রসবের সময় বোঝার উপায় সম্পর্কে-
গাভীর বাচ্চা প্রসবের সময় বোঝার উপায়ঃ
অনেক সময়, বিশেষ করে নতুন খামারীরা গাভী কখন বাচ্চা দিবে বা কখন প্রসব বেদনা উঠে তা বুঝতে পারেন না। গাভী বাচ্চা প্রসব করার পূর্বে কিছু লক্ষণ দেখা দেয় তা নিচে দেওয়া হল-
১। গাভীর মধ্যে একটা অস্থিরতা দেখা যাবে।
২। গাভী বারবার উঠা বসা করবে।
৩। গাভীর ওলান ফুলে উঠে আকার বাড়তে থাকে এবং লেজের গোড়ার দুপাশে গর্তের মত আকার স্পষ্ট হবে।
৪। যোনীমুখ দিয়ে সাদা তরল আঠালো পদার্থ বের হতে দেখা যাবে।
৫। যোনীমুখ বড় হয়ে ঝুলে যাবে এবং নরম ও ফোলা ফোলা হয়ে যাবে।
৬। যোনী পথ দিয়ে পানির থলি বেরিয়ে আসবে।
৭। গাভীর যোনী পথ দিয়ে বাছুরের সামনের দুপা ও মুখ এক সঙ্গে বেরিয়ে আসবে।
উপরোক্ত লক্ষণগুলি দেখে আমরা বুঝতে পারি যে গাভীর বাছুর প্রসব করার সময় হয়েছে কিনা এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারি।

28/01/2022

নামাজ। কোনো বিকল্প নেই।
কাল হঠাৎ ইউটিউবে সার্চ দিলাম... "নামায কেনো পড়তেই হবে?"
"ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন....
হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????"
আমার ভাই বোনেরা," নামায পড়ুন"
আপনার জীবনে যাই আসুক, "নামায পড়ুন।"
আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, "নামায পড়ুন"।
কোন ছাড় নেই।
বোন বলছেন, "আপনি হিজাব পরেন না",
আমি আপনাকে বলছি "নামায পড়ুন"
বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,"নামায পড়ুন"
ভাই বলছেন, "আমি মদ পান করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ বিক্রি করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ সেবন করি"
"নামায পড়ুন"
"আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। "
"নামায পড়ুন"।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
"ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়"
আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
আপনি তবুও নামায পড়ুন।
আল্লাহ বলেছেন, "নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
"নামায পড়ুন"
কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালোপথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
বন্ধুরা নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালোপথে আসতে পারি।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেন, আপনি যেখানেই থাকেন না কেন,
নামাজ পড়ুন।
মহান আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদের সবাইকে সালাত বা নামাজ এর গুরুত্ব বোঝার ও আমল করার তাওফিক দান করুন।আমিন,সুম্মা-আমিন।

সংগৃহীত

গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ_____________________________________  আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ঋ...
25/01/2022

গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ
_____________________________________
আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারণা না থাকার কারণে তারা সময়মতো গাভিকে বিজ দিতে ব্যর্থ হয় ফলে গাভী কনসিভ করে না। যদি খামারী ভাইয়েরা গাভির ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারনা নিতে পারে তাহলে অনেকাংশে সফল হবে।

ঋতু চক্রের চারটি ধাপ রয়েছে
প্রথম টি Pro_ Estrous বা প্রস্তুতি পর্ব
দ্বিতীয় টি Estrous বা উত্তেজনা পর্ব
তৃতীয়টি - Meta_ Estrous কাম উত্তেজনা পর্ব
৪র্থ টি Di-Estrus নিষ্ক্রিয় পর্ব.

১.প্রস্তুতিপর্ব( pro-Estrous)ঃ

গাভী হিটে আসার তিন দিন পূর্ব থেকে খাওয়া-দাওয়া কম খাবে ঝিমানি ভাব থাকবে।গাভীর যোনি মুখ দিয়ে স্বচ্ছ পাতলা ঝিল্লি বের হবে।

২.যৌন উত্তেজনা পর্ব ( Estrous):

এই পর্ব ১ দিন স্থায়ী থাকে। আর আমাদের খামারি ভাইয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পর্বেই বিজ দিয়ে থাকেন যার ফলে সমস্যাটার জন্ম নেয় এখান থেকেই। এই পর্বে বিজ দিলে কন্সেপ্ট না করার হার ৯৮%.

লক্ষনঃ
* গাভি ঘন ঘন প্রসাব করবে
* অন্য গাভির উপর লাফিয়ে উঠবে
*অন্য গাভীর যৌনাঙ্গ শুকতে থাকবে।
* দুধ উৎপাদন কমে যাবে

৩. কামত্তোর পর্ব( Meta _ Estrous)ঃ
এটি খামারি ভাইদের জন্য স্বর্ন যুগ বা সঠিক সময়। এই পর্বের স্থায়িত্ব কাল ১থেকে ২দিন।এই পর্বেই বিজ দেয়ার সঠিক সময়। এই সময় বিজ দিলে কন্সেপ্ট করার হার ৯৯%. এই পর্বের প্রধান লক্ষন গাভীর যোনি পথ দিয়ে অনেক সময় রক্ত মিশ্রিত ঝিল্লি বের হয়। আপনি মনে রাখবেন আপনার গাভীর Estrous পর্ব দেখা দেয়ার ১২ ঘন্টা পর বিজ দিবেন।অর্থাৎ সকালে হিট আসলে বিকালে( ৫/৬) টায় বিজ দিবেন। যদি গাভিটি পুর্বে হিট মিছ করে থাকে তাহলে সেই গাভিকে অবশ্যই পরের দিন সকালে আবার বিজ দিবেন।

শেষ পর্ব( Diestrous) ঃ
এটি থাকে ১৫ দিন। যদি আপনার গাভিকে বিজ না দেন তাহলে গাভির জরায়ু থেকে বের হওয়া ডিম্বানু মারা যাবে এবং গাভির সমস্ত জনন অঙ্গ স্বাভাবিক হবে। এর পর কয়েক দিনের মধ্যে আবার সাইকেল বা চক্র শুরু হবে।
আপনার খামার সফল হোক, বিনিয়োগ নিরাপদ হোক !

( collected)

17/01/2022

গরুর ক্যালসিয়াম শোষন করতে ফসফরাস লাগে,আর এটার নাম DCP,এই DCP শোষন করতে প্রয়োজন ভিটামিন D, যাকে বলা হয় Reproductive ভিটামিন;সূর্যের আলোতে পৃথিবীর 90% ভিটামিন ডি থাকে;গরু ঘরে আটক রেখে আমরা ফার্সেসী থেকে ঐ টা কিনে খাওয়াতে একটু বেশী আগ্রহী যাকে AD3E বলে!এটা আবার সহযোগী থাকে ভিটামিন A,E এই দুটি ও প্রজনন স্বাস্থ্যের অত্যাবশ্যক!যে কোন কচি ঘাসে,হাইড্রোফনিক ঘাস,অংকুরিত ছোলায় ভিটামিন E থাকে।

ক্যালসিয়ামঃফসফরাস /Di Calcium Phosphate.
সারা পৃথিবীতে ভূমি ক্ষয় ও শত শত বছর চাষাবাদের কারনে মাটির উপরি ভাগের ফসফরাস ক্ষয়/ঘাটতি দেখা দিয়েছে।গাভীর ফসফরাসের অভাব হলে বারবার হীট এ আসলেও সিমেন/বীজ দিলেও বীজ কনসিভ করবেনা,ফসফরাসের অভাব জনিত কারনে উচ্চ উৎপাদনশীল হলস্টিন গরুর ক্ষেত্রে এটা একটি সাধারন সমস্যা।তবে ক্যালসিয়াম হজম করতে ফহফরাসের প্রয়োজন হয়।এই জন্য পশু পালনে ডাই ক্যালসিয়াম ফসফেট বা ডি সি পি/ DCP পাউডার তৈরী করা হয়।লাইমস্টোন /চুনা পাথরে শুধু ক্যালসিয়াম থাকে,সামান্য ফসফরাস থাকতে পারে তবে গ্যারান্টি নেই।গরুকে ক্যালসিয়াম এর জন্য লাইমস্টোন খাওয়ালে আপনাকে ফসফরাস আলাদা ভাবে অর্ধেক থেকে একটু বেশী ফসফরাস খাওয়াতে হবে।বাজারে এই মিনারেলস Block কিনতে পাওয়া যায়,হীটে আসছে না বা রাখছে না এমন গাভী/বকনার সামনে এই Minerals Block ঝুলিয়ে রাখুন।গরু বুঝে কখন তার কোন খনিজ লবন বা মিনারেলস লাগবে।
Cattle need 1.9–4g of calcium per kilogram of dry matter.
ড্রাইমেটার হিসাবে গরুকে প্রতি কেজি ড্রাইমেটার খাবারের জন্য 1.9 থেকে 4 গ্রাম ক্যালসিয়াম লাগে।
ক্যালসিয়াম ফসফরাস এগুলো গরুর প্রতিদিনের চাহিদা !! মাঝে মাঝে বন্ধ রাখতে পারেন যাতে গরুর শরীরে এর পরিমান বেশী না হয়ে যায়।

জিংক/দস্তাঃ এক গভেষণায় দেখা গেছে জিংক 200 প্রকার রাসায়নিক কাজ করে গরু ছাগলের শরীরে, শরীরে মাংসের বৃদ্ধি ও প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতি করে থাকে।গাভী/ছাগলকে হীটে আসতে ও হীট রাখতে সহায়তা করে।পাকস্থলীতে খাবার হজম সক্ষমতা গড়ে তুলতে জিংক ও চিটাগুড়ের বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকে।ডায়রিয়া হলে যে কোন ঔষধের পাশাপাশি জিংক সিরাপ খাওয়ালে দ্রুত আরোগ্য হবে।

কোবাল্ট/Cobult,কোবাল্টের অভাবে ভূসি/দানাদার খাবার এর মধ্যে থাকা ভিটামিন B 12 ঠিকমত Synthesis/প্রক্রিয়াকরন করতে পারে না।ফলে ভূট্টার গুঁড়া,গমের ভূসি সঠিক ভাবে হজম ও শোষন না হয়ে গোবর এর সাথে বের হয়ে যায়,এতে খাবার ও টাকার অপচয় হয়।

15/01/2022

খামারি লাভবান না হওয়ার কারণ কি কিঃ

১) অন্যকে কপি করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সপ্ন দেখা।
২) দালানের প্রর্তারণার শিকার হওয়া।
৩) কোন রকম ট্রেনিং বা অভিজ্ঞতা ছাড়া শুরু করা।
৪) হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণে ইন্ডিয়ান গরু প্রবেশ করলে।
৫) ক্ষতিকর ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে অল্প সময়ে অধিক সাস্থবান করার চেষ্টা করলে।
৬) সঠিক জাত বাছাই করতে না পারা।
৭) খামারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবহেলা।
৮) গরুকে সঠিক বাসস্থান দিতে না পারা।
৯) অপরিকল্পিত খাদ্য ব্যবস্থাপনা।
১০) গরুকে সময়মতো ভ্যাকসিন না করানো।
১১) গরুর অসুখ সম্পকে ধারণা না থাকা।
১২) গরু ক্রয় বিক্রয়ের সিজন বুঝতে না পারা।
১৩) উৎপাদিত পন্যের মার্কেটিং দক্ষতার অভাব হলে।
১৪) পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘাসের যোগান না থাকা।
১৫) সঠিক মানের সুষম খাদ্য সরবরাহ করতে না পারা।
১৬) খামারে রেকর্ড ফাইল না থাকা

কথা গুলা ভালো লাগলে নিজের কাছে রেখে দেন এবং বেশি করে শেয়ার করবেন সবাই।

Address

Jessore

Telephone

+8801751553793

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ACI কৃত্রিম প্রজনন কর্মি,যশোর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share