Ashraful Laboratories

Ashraful Laboratories অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ আশরাফুল ল্যাবরেটরীজ

কিডনি রোগে শুধু ওষুধ নয়—খাবারই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি! কিডনি রোগ ধরা পড়ার পর অনেকেই শুধু ওষুধের উপর নির্ভর করেন...
10/04/2026

কিডনি রোগে শুধু ওষুধ নয়—খাবারই হতে পারে জীবন বাঁচানোর চাবিকাঠি!
কিডনি রোগ ধরা পড়ার পর অনেকেই শুধু ওষুধের উপর নির্ভর করেন।
কিন্তু সত্য হলো—খাবার নিয়ন্ত্রণ ছাড়া চিকিৎসা কখনোই সম্পূর্ণ হয় না।
কিডনি যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন শরীরে জমে যায় ক্ষতিকর খনিজ—
পটাশিয়াম
ফসফরাস
সোডিয়াম

এর মধ্যে পটাশিয়াম বেড়ে যাওয়া সবচেয়ে বিপজ্জনক!
কারণ এটি সরাসরি হৃদযন্ত্রে আঘাত হানে
পটাশিয়াম বেড়ে গেলে যেসব সমস্যা হতে পারে: হঠাৎ হার্টবিট অস্বাভাবিক হয়ে যাওয়া
বুক ধড়ফড় বা হার্টবিট ধীরে হয়ে যাওয়া
শরীর দুর্বল বা অবশ লাগা
শ্বাস নিতে কষ্ট
বমি বমি ভাব

ভয়ংকর বিষয় হলো—অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই পটাশিয়াম বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে যায়!
তাই সচেতন হোন—খাবার বাছাই করুন সঠিকভাবে

কম পটাশিয়ামযুক্ত ফল:
আপেল | নাশপাতি | আঙুর
স্ট্রবেরি | ব্লুবেরি
পেঁপে | লেবু | চেরি
এড়িয়ে চলুন:
কলা |
কমলা | আম
খেজুর | শুকনো ফল

মনে রাখবেন: ফল উপকারী হলেও একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খান
সবজি বাছাইয়েও সতর্কতা জরুরি

খেতে পারেন:
লাউ | শসা | ফুলকপি | বাঁধাকপি
বেগুন | ঝিঙে | কাঁচা পেঁপে | ক্যাপসিকাম

এড়িয়ে চলুন:
আলু | টমেটো | পালং শাক | অতিরিক্ত শাকপাতা
সুস্থ থাকতে চাইলে—খাবারই হোক আপনার প্রথম ওষুধ
সঠিক খাদ্যাভ্যাস + চিকিৎসা = নিরাপদ জীবন
হাকীম মোঃ আশরাফুল ইসলাম লিটন
ইউনানী ঔষধ উৎপাদক ও বিপণনকারী
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
আশরাফুল ল্যাবরেটরীজ
www.ashrafullaboratories.com⁠�
📞 01716002993

09/04/2026

“পাকা কলা: সঠিক সময়ে অমৃত, ভুল সময়ে ক্ষতি।”

09/04/2026

“একজন সফল ইউনানী চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চাই — আপনার পরামর্শ কাম্য।”

ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় বোনম্যারো প্রতিস্থাপন কতটুুকু সফল?ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে এটি শুনলেই সবায় আতকে উঠে। এটিই স্বাভা...
29/03/2026

ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় বোনম্যারো প্রতিস্থাপন কতটুুকু সফল?

ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে এটি শুনলেই সবায় আতকে উঠে। এটিই স্বাভাবিক কারন এটির চিকিৎসা পদ্ধতি খুবই জটিল ও ব্যয়বহুল। সফল চিকিৎসার পর ৫ বৎসরের বেশী বাঁচা ভাগ্যের ব্যাপার।

প্রথমে জানব ব্লাডক্যান্সার কি ধরনের রোগ দেহের কোথায় হয়, এর ফলে দেহে কী কী ঝুঁকি তৈরি হয়।

আমাদের দেহে ব্লাড তৈরি হয় হাড়ের ভিতর। দেহের বড় বড় হাড়ের ভিতর স্পন্জের মত কিছু টিস্যু রয়েছে। এটিকে বোন ম্যারো টিস্যু বলে। এ বিশেষ ধরনের টিস্যুকোষ থেকে দেহ রক্ত কনিকা (লাল,শ্বেত ও অণুচক্রিকা,বি-সেল, টি-সেল সহ সব ধরনের রক্ত কনিকা) তৈরি হয়। ৭৩ কেজি ওজন দেহে এর ওজন প্রায় ৩.৬৫ কেজি বা ৮ পাউন্ড। এ টিস্যু থেকে প্রতিদিন ৬০০ বিলিয়ন রক্তকণিকা তৈরি হয়ে মুল রক্ত স্রোতে মিলিত হয়।

বোন ম্যারোটিস্যুতে ব্লাড তৈরির একটি মাদার সেল রয়েছে এটিকে "হেমোপোয়েটিক স্টেমসেল" বলে। এ হেমোপোয়েটিক স্টেমসেল থেকেই দেহের সকল রক্তকণিকার সৃষ্টি হয়। বোনম্যারো টিস্যুতে কোন রোগ বা ড্যামেজের কারনে রক্ত তৈরি কম বেশী বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অপরিপক্ব রক্তকণিকা তৈরি বা কনিকার আকৃতির পরিবর্তনও রক্ত রোগের একটি সমস্যা।

রক্ত কনিকাগুলোর কাজ সম্পর্কে কিছু ধারনা থাকলে রক্ত ক্যান্সার সম্পর্কিত উপসর্গ সমূহ বুঝা সহজ হয়। তাই রক্ত কনিকা সমূহের প্রধান প্রধান কাজ নিয়ে সংক্ষেপে কিছু আলোচনা করব।

দেহে মোট ৫/৬ লিটার রক্ত (রক্তরস+রক্তকণিকা) থাকে। প্রধান রক্তকণিকাগুলোর নাম হচ্ছে;
রেড ব্লাডসেল বা লাল রক্ত কনিকা, হোয়াইট ব্লাড সেল বা শ্বেতরক্ত কনিকা, থ্রম্বোসাইট বা অনুচক্রিকা।

লাল রক্তকণিকার প্রধান কাজ হচ্ছে, বাতাস থেকে শ্বাসনালীতে আসা অক্সিজেনকে ধরে রাখা। একজন মানুষ ২৪ ঘন্টায় ১১ হাজার লিটার বাতাস গ্রহন করে। এর থেকে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন ফুসফুসে থাকা রেডব্লাড এটি ধরে রাখে। এ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হার্টে প্রেরন করে। হার্ট পাম্প করে সারা দেহ কোষে এটি পৌঁছে দেয়। অক্সিজেন ছাড়া দেহ কোষ দেড় মিনিটের বেশী বাঁচেনা। অন্যদিকে দেহ কোষের ত্যাগ করা বর্জ কার্বন ডাই অক্সাইড বহন করে ফুসফুসে এনে প্রশ্বাসের সাথে বের করে দেয়। দেহ রক্তরসে থাকা লালরক্তে বয়স ৪ মাস বা ১২০ দিন। এটির জন্মস্থান হাড়ের ভিতর বোনম্যারো টিস্যুতে।

লাল রক্তকোষের অস্বাভাবিক আচরনে নানা ধরনের দৈহিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ ধরনের একটি সমস্যাকে লিউকেমিয়া বলে যা ব্লাড ক্যান্সার নামেই পরিচিত। লাল রক্তের ক্যান্সার রোগে সাধারন থেকে জটিল এনিমিয়া হয়। এ রোগের লক্ষন হচ্ছে রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে যায় বা নির্দিষ্ট সময়ের আগে হিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে যায়। এ হিমোগ্লোবিন একটি প্রোটিন যা দিয়ে লাল রক্তকণিকার উপরের আবরন তৈরি হয়। মানব দেহ রক্তে প্রায় ৮ গ্রাম হিমোগ্লোবিন থাকে।

মানব দেহে ৩০ ট্রিলিয়ন লাল রক্তকণিকা রয়েছে। প্রতিটি কনিকায় ২৭০ মিলিয়ন হিমোগ্লোবিন কণা রয়েছে। প্রতিটি হিমোগ্লোবিন কনা ৪টি করে অক্সিজেন অনু বহন করে। দেহের অক্সিজেন স্বল্পতা ভোগাকেই এনিমিয়া বলে। অক্সিজেন ছাড়া দেহ কোষ বাঁচেনা। আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসার ভাষায় এটির নাম একুইট বা ক্রনিক্যাল মাইয়েলয়েড লিউকেমিয়া (C/AML).

হোয়াইট ব্লাডসেল বা শ্বেতকনিকারা সম্মিলিত ভাবে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিক রাখে। অর্থাৎ সকল ধরনের ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস সহ সকল টক্সিনকে প্রতিরোধ করে। অনেক প্রকার হোয়াইট ব্লাডসেল আছে। যেমন বি-সেল, টি-সেল, ম্যাক্রোফেইজ,কিলার সেল ইত্যাদি। এর মধ্যে বি-সেল ও টি-সেল কে লিম্পোসাইট বলে। যদিও সকলের উপত্তিস্থল বোনম্যারো টিস্যুতে।

বি-সেল ও টি- সেল বোনম্যারোতে জন্ম নিলেও লালন পালন হয় লিম্পনোডে। লিম্পনোড হচ্ছে এক ধরনের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি যেখানে বি-সেল ও টি-সেল পরিপক্ক হয়। তাই বি-সেল ও টি-সেলে কোন সমস্যা হলে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। দেহে অতিরিক্ত অপরিপক্ব, অকেজো বি-সেল এর জন্ম হলে একে আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসার ভাষায় বলে একুইট বা ক্রনিক্যাল লিম্পোসাইটিক লিউকেমিয়া( A/CLL)।

থ্রম্বোসাইট বা প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা দেহের রক্তজমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ঠিক রাখে। এ প্রক্রিয়ায় দেহের অনাঙ্খাকিত রক্তপাত বন্ধ হয়ে দেহকে রক্তশুন্যতা থেকে রক্ষা করে। অতিরিক্ত থ্রম্বোসাইট দেহের অনাঙ্খাকিত রক্তজমাট বাঁধায় আবার কম থ্রম্বোসাইট রক্তপাত ঘটায়।

সকল রক্ত রোগের সৃষ্টি বোনম্যারো টিস্যুর অসুস্থতা থেকে। কিছু রক্ত রোগের সৃষ্টি হয় লিম্পনোড এর অসুস্থতা থেকে। বোনম্যারো টিস্যুতে টিউমারে হলে আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসায় একে মায়েলোমা বলে। বোনম্যারো টিস্যুর টিউমার বা ক্যান্সার থেকে সৃষ্ট সকল রক্ত কোষের ক্যান্সারকে একা সাথে বল "মাল্টিপল মায়েলোমা"। লিম্পনোড এ সৃষ্ট ক্যান্সার বা টিউমারকে "লিম্পোমা" বলে। লিম্পনোড এর অসুস্থতার কারনে বি-সেল কার্যক্ষম হতে পারেনা। বি-সেলের প্রধান কাজ এন্টিবডি তৈরি করা। এন্টিবডি একটি প্রোটিন যার কাজ জীবানু(ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস,ফাঙ্গাস, প্রটোজোয়া) ধ্বংস করে দেহকে জীবানুমুক্ত রাখা।

আধুনিক ক্যান্সার চিকিৎসায় নিন্মের পদ্ধতি অনুসরন করা হয়
ক্যামোথ্যারাপী
রেডিওথেরাপী
বোনম্যারো ট্রান্সপ্লেন্ট বা হেমোপোয়েটিক স্টেমসেল রিপ্লেইসমেন্ট থেরাপী।

ক্যামোথ্যারাপী হচ্ছে ক্যামিকেল থেরাপি। ল্যাবে তৈরি কিছু পরিক্ষিত ক্যামিকেল যা কোষের ক্ষতি করার মাধ্যমে কোষের মৃত্যু ঘটায় বা কোষীয় ক্ষমতাকে বিধস্ত করে। ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ক্যামোগুলোর কাজ নিয়ে সংক্ষেপে আালোচনা করা হলো;

Brotezonib ক্যামোটি দেহ কোষের একটি অঙ্গ প্রটিয়োসম এর ভাঙ্গন বন্ধ কর। এটিকে প্রটিয়েজ ইনিহিবিটর ড্রাগ বলে। প্রটিয়েজ হচ্ছে প্রোটিন ভাঙ্গার এনজাইম। দেহ কোষে তৈরি এ এনজাইম প্রোটিন ভেঙ্গে দিয়ে অসুস্থ,দুর্বল ও রোগাক্রান্ত, ক্যান্সারাস কোষকে মেরে ফেলে দেহকে রোগমুক্ত রাখে। দেহ কোষে পি৫৩ (P53) একটি প্রোটিন আছে যেটি টিউমার ও ক্যান্সারাস কোষগুলো মেরে ফেলে। ব্রটেজোনিব (Protease inhibitor) ড্রাগটি প্রোটিন ভাঙ্গা প্রতিরোধ করে ক্যান্সার ও টিউমার ধ্বংসকারী প্রোটিন পি৫৩ (P53)কে কার্যকর রাখে।

দেহ কোষ যখন জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন জীবানুরা যে বিষ ছাড়ে সেটিও প্রোটিন। এ বহিরাগত প্রোটিনের (এন্টিজেন)কারনে দেহ নিজস্ব প্রোটিন(এন্টিবডি) তৈরি করে জীবানুকে ধ্বংস করে। এ জীবাণু ধ্বংসের অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য একটি হচ্ছে প্রটিয়েজ(প্রোটিন ভাঙ্গার এনজাইম) নিঃসরনের মাধ্যমে জীবানু আক্রান্ত কোষটি মেরে ফেলা।

Lenalidomide ( এনজিওজেনেসিস ইনহিবিটর) ক্যামোটি নতুন রক্ত নালী তৈরিতে বাঁধা তৈরি করে। ফলে টিউমার কোষে রক্ত সরবরাহ বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে পুষ্টি ও অক্সিজেনের অভাবে কোষগুলো মারা যায়। এটি হাড়ের ভাঙ্গা গড়ার (রিমোডেলিং) প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে। ফলে হাড় পুর্নগঠন ব্যহত হয়। যেহেতু হাড়ের ভিতর থেকে রক্ত তৈরি হয় তাই হাড়ের ভাঙ্গা গড়ার কাজকে ব্যহত করে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা দেয়া হয়।

রেডিওথেরাপী হচ্ছে উচ্চ গতির রশ্মি বা রে (গামা রে ; যার গতি সেকেন্ডে ১লাখ ৮৬ হাজার মাইল) ক্যান্সার আক্রান্ত এলাকায় নিক্ষেপ করা হয়। এতে কোষগুলো মারা যায়। এতে আশে পাশের সুস্থ কোষও আক্রান্ত হয়।

বোনম্যারো ট্রান্সপ্লেন্ট :

আধুনিক ব্লাডক্যান্সার চিকিৎসায় বোনম্যারো ট্রান্সপ্লেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এটিকে স্টেমসেল ট্রান্সপ্লেন্ট বা হেমোপোয়েটিক স্টেমসেল ট্রান্সপ্লেন্টও বলে। এ পদ্ধতিতে ক্যান্সার আক্রান্ত বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জা সম্পূর্নভাবে ধ্বংস করে সম্পূর্ন নতুন অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা হয়।

যে ভাবে বোনম্যারো প্রতিস্থাপন করা হয় জেনেনি:
বোনম্যারো প্রতিস্থাপনের জন্য দুটি উৎস থেকে স্টেমসেল সংগ্রহ করা হয়। রোগীর নিজের দেহের স্টেমসেল [ব্লাড,বোনম্যারো এবং আমবিলিকল কর্ড (ভূমিষ্ট শিশুর নাভী) ও প্লাসেন্টা।] এসব অঙ্গে প্রচুর স্টেমসেল থাকে।

নিজের দেহের স্টেমসেল ব্যবহার করলে এ পদ্ধতিকে 'অটোলোগাস' (Autologous) বলে। অন্য দেহের স্টেমসেল ব্যবহার করলে একে 'এলোজেনিক'(Allogenic) বলে। নিজের দেহের স্টেমসেল ব্যবহার করে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লেন্টে কিছুটা মৃত্যুঝুঁকি কমে।

প্রথম স্টেপ: ক্যামো বা রেডিও থেরাপি প্রয়োগ করে পুরো বোনম্যারো ধ্বংস করা হয়। অটোলোগাস এর ক্ষেত্রে আগে থেকে স্টেমসেল সংগ্রহ করে রাখা হয়। এ স্টেপ রোগীর জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ। কারন বোনম্যারো ধ্বংস করার কারনে দেহের রক্ত উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্নভাবে বন্ধ থাকে। এ ছাড়া ক্যামোর আঘাতে পুরো দেহ কোষ আক্রান্ত হয়ে নানা মুখী শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়।
দ্বিতীয় স্টেপে ধীরে ধীরে সংগৃহীত স্টেমসেল রক্তে ইনজেকশন এর মাধ্যমে বোনম্যারোতে প্রতিস্থাপন করা হয়।
তৃতীয় ধাপে মুলতঃ এর কার্যকর প্রক্রিয়া শুরু হয়। অর্থাৎ এ ধাপে বোনম্যারোতে প্রতিস্থাপিত স্টেমসেল বিভাজন শুরু করে এবং রক্ত উৎপাদনে যায়। সফল বোনম্যারো প্রতিস্থাপনের পর বয়স ভেদে সর্বোচ্চ বাঁচার বয়স ৫/৭ বছর।

জানতে থাকুন ব্লাডক্যান্সার চিকিৎসায় স্টেমসেল নিউট্রিশন কিভাবে কাজ করে?
Hakim Md ashraful Islam Liton
Syrup Ashrican
ashrafullaboratories

ধনী হওয়ার আসল গোপন সত্যযা কেউ আপনাকে শেখায় না! শুনে অবাক হবেন— এই পৃথিবীতে শুধু আয় করে কেউ ধনী হয়নি… আর কখনো হবেও না।হ্য...
28/03/2026

ধনী হওয়ার আসল গোপন সত্য
যা কেউ আপনাকে শেখায় না!
শুনে অবাক হবেন—
এই পৃথিবীতে শুধু আয় করে কেউ ধনী হয়নি… আর কখনো হবেও না।
হ্যাঁ, এটাই কঠিন সত্য।
আপনার আশেপাশে তাকান—
দেখবেন, অনেক মানুষ কোটি কোটি টাকা আয় করেছে…
কিন্তু আজ তারা ঋণের বোঝা টানছে।
আবার
এমন মানুষও আছে, যারা খুব বেশি আয় করেনি…
তবুও আজ তারা শান্তিতে, স্বাবলম্বী জীবন যাপন করছে।

কেন এই পার্থক্য?
কারণটা খুব পরিষ্কার—
আয় নয়…
খরচ করার অভ্যাসই নির্ধারণ করে আপনি ধনী না গরীব।

বাস্তব সত্যটা শুনুন—
আপনি না শিখলেও, জীবন আপনাকে আয় করা শিখিয়ে দিবে।
কিন্তু—
খরচ নিয়ন্ত্রণ করা
টাকাকে কাজে লাগানো
টাকাকে “কর্মী” বানানো
এগুলো না শিখলে

আপনি সারাজীবন শুধু টাকা কামানোর মেশিন হয়েই থাকবেন।
একটা প্রশ্ন—নিজেকে করুন
আজ পর্যন্ত আপনি যত টাকা আয় করেছেন—
সব যদি একসাথে সামনে আসতো…
আপনি নিজেই ভয় পেয়ে যেতেন!
“এত টাকা আমি আয় করেছি?”
কিন্তু
সেই টাকা আজ কোথায়?
অপ্রয়োজনীয় খরচে
লোক দেখানো স্টাইলে
সাময়িক আনন্দে

সব শেষ।
মনে রাখবেন
গরীব মানুষ টাকা খরচ করে “দেখানোর” জন্য
ধনী মানুষ টাকা খরচ করে “বাড়ানোর” জন্য
ধনী হওয়ার আসল খেলা কোথায়?
পরিশ্রমে না
চিন্তাধারায়।
ধনী সে
যে জানে কিভাবে টাকা দিয়ে টাকা ইনকাম করাতে হয়।
তার টাকা তার জন্য কাজ করে
সে টাকার জন্য কাজ করে না
টাকার একটা ধর্ম আছে—
হয় আপনি টাকাকে নিয়ন্ত্রণ করবেন
নয়তো টাকা আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করবে
মাঝামাঝি কিছু নেই।

কঠিন বাস্তবতা
যদি আজ আপনি টাকাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন—
তাহলে আপনি সারাজীবন টাকার পেছনে দৌড়াবেন
আর আপনার সন্তানও একই দৌড় শুরু করবে
এভাবেই তৈরি হয় “দারিদ্র্যের চক্র”

সমাধান একটাই
আজ থেকেই শুরু করুন
Smart Money Management
আয় করুন
খরচ হিসাব করুন
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করুন
সঞ্চয় করুন
বিনিয়োগ শিখুন
টাকা জমিয়ে রাখবেন না—
টাকাকে কাজ করান।
লক্ষ্য একটাই
একদিন যেন বলতে পারেন—
“আমি ধনী
কারণ আমার টাকা আমার কর্মী,
আমি ঘুমালেও আমার আয় বন্ধ হয় না।”
আজ সিদ্ধান্ত নিন
আপনি কি টাকার গোলাম হবেন?
নাকি টাকাকে আপনার গোলাম বানাবেন?
হাকীম মোঃ আশরাফুল ইসলাম লিটন
ইউনানী ঔষধ উৎপাদক ও বিপণনকারী

27/03/2026

বিদেশে চিকিৎসার জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করার আগে—
একবার ভেবে দেখেছেন কি?
রওনা হওয়ার আগে অন্তত ৭ দিন আমাদের সঙ্গে থাকুন।
ইনশাআল্লাহ, সঠিক দিকনির্দেশনা ও চিকিৎসা পাবেন।
📞 WhatsApp: 01716002993

26/03/2026
21/03/2026

আশরাফুল ল্যাবরেটরীজ-এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা
োবারাক

#হেড অফিস:
যশোর,চাচড়া ডালমিল, মোড়, যশোর সদর।

#ঢাকা অফিস :
৩১৯,দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী,ঢাকা-১২০৪।

17/03/2026

প্রকৃতি এবং আধুনিক চিকিৎসা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরিপূরক।
সচেতনতা, সঠিক জ্ঞান ও সঠিক প্রয়োগেই সুস্থতার আসল পথ।

12/03/2026

পৃথিবীতে মানুষ কাঁদতে কাঁদতে জন্মায়, অভিযোগ করতে করতে বাঁচে আর আফসোস করতে করতে মরে!

10/03/2026

সিরাপ এসলস
(জলীয় নির্যাস আকারে)
বেলগিরী তাজা,
বুকটি ছাল
এবং অন্যান্য উপাদান পরিমাণমতো।

কার্যকারিতা :
আমাশয়, অতিরিক্ত পিপাসা, দস্ত, ধারক, শান্তকারক, ডায়রিয়া, পরিপাকতন্ত্রের যাবতীয় গোলযোগ, পেপটিক আলসার, অম্লাধিক্যজনিত সমস্যা, পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহ, অজীর্ণতা, বদহজম, পেটফাঁপা ও বমি।
➤ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি আশরাফুল ল্যাবরেটরী এর সিরাপ এসলস্ ।

অর্ডার করতে কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ দিন।

Address

Raja Borda Kanto Road
Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashraful Laboratories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ashraful Laboratories:

Share