Dr. Asif Abdullah, MBBS

Dr. Asif Abdullah, MBBS একজন টেলিমেডিসিন চিকিৎসক যে হালালভাবে উপার্জন করেন

01/04/2026

যৌন রোগের ভিজিট ৬০০ টাকা। এক্ষেত্রে কম নেওয়া হয় না। একটা যৌন রোগী কনসাল্টেশন করতে ৩০ মিনিট এর আশেপাশে লাগে এবং এটা সেন্সিটিভ বিষয়।

আপনার যদি মনে হয় অন্য কোথাও ভাল চিকিৎসা পাবেন, সেখানে ঘুরে আসতে পারেন।

এখানে কয়েকটা পয়েন্ট মনে রাখবেনঃ

১. মদ গাজা সিগারেট খেলে যেদিন ছেড়ে দিতে পারবেন সেদিন দেখাতে হবে নাহলে হার্টে সমস্যা হতে পারে

২. ওজন বেশী থাকলে পুস্টিবিদ দেখিয়ে ওজন কমাবেন

৩. মানসিক স্ট্রেস থাকলে সাইকলোজিস্ট দেখাবেন

৪. প্রতিদিন শেখানো নিয়মে চলার দৃঢ়তা থাকতে হবে

৫. আমার অভিভাবকসুলভ বকা শোনার মানসিকতা থাকতে হবে

Dr. Asif Abdullah, MBBS

31/03/2026

একটা রোগের কি একটাই কারণ থাকে? পোস্টে অনেকগুলো কারণের একটা পয়েন্ট নিয়ে পোস্ট দেই।

মেছতার পোস্টে এক গন্ডমুর্খ এসে বললো আমার মা আর নানীও তো রান্না করে। উনাদের তো নেই। এক্সপ্লেইন করতে বললো!!!

31/03/2026

মাথা থেকে চুল পড়ে যাওয়া একটা কমন সমস্যা

LIFESTYLE ঠিক না রেখে শুধু চিকিৎসা নিলে লাভ কী? বংশগত টাকের ক্ষেত্রে কিছু করার থাকে না

31/03/2026

যেসব বোনেরা রান্নাঘরে থাকেন আজীবন, তাদের মেছতা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং একবার হলে এটা কমে কিন্তু একদম সারে না

তাই কেউ স্থায়ী চিকিৎসা দিবে বললে ঠকবেন না

31/03/2026

সাদাস্রাবের সাথে শুধুমাত্র চুলকানি বা দুর্গন্ধ বা ব্যথা থাকলে চিকিৎসা নিতে হয়

নরমালি সব নারীদেরই কম বেশী সাদাস্রাব হয় যা নরমাল

HATS OFF !!! সব মেয়েদের এরকম সাহসী হওয়া উচিৎ।
26/03/2026

HATS OFF !!! সব মেয়েদের এরকম সাহসী হওয়া উচিৎ।

26/03/2026

একজন স্ত্রী এবং স্বামীর ১৪ বছরের সুখের সংসার। একদিন সামান্য কারণে ঝগড়া হওয়াতে সে স্বামীর উপর রাগ দেখানোর জন্য নিজের ছেলে বন্ধুর সাথে সেক্স করে।

এখন সে Guilty feel করছে কারণ তার স্বামী এটা জানতে পারবে। সে কী করবে বুঝতেছে না। তার নিজের উপর অনেক রাগ আসছে?

সে এখন কী করবে সেটা জানতে চেয়ে সাজেশন চেয়েছে।

কমেন্টে এক মেয়ে লিখেছেন এটা নরমাল। এখন সবাই করে আল্লাহর কাছে তাওবা করে মাফ চাইতে বললেন।

একজন লিখেছেন স্বামীকে না জানাতে এবং এতে দোষের কিছু নেই।

একজন লিখেছেন এভাবে সবাই স্বামীর উপর revenge নেয়।

একজন বলেছেন অন্যের সাথে সেক্স করাটা এখন খুবই নরমাল। ভিন্ন টেস্ট এবং নতুন সেনসেশনের জন্যে এটা করতে পারেন।

একজন বলেছেন এভাবে স্বামীর সাথে ঝগড়া হলেই যেন ঐ ছেলে বন্ধুর সাথে সেক্স করে ফেলে যেন।

বেশীরভাগ মেয়ে বাহবা দিয়েছে।

তবে কিছু ভাল মেয়ে এখনও দুনিয়াতে আছেন যারা এসব পোস্টে কমেন্টে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেন এবং অভিশাপ দেন।

Dr. Asif Abdullah, MBBS

বিবাহ পূর্ববর্তী কাউন্সিলিং। ভিজিট ৬০০ টাকা।
25/03/2026

বিবাহ পূর্ববর্তী কাউন্সিলিং। ভিজিট ৬০০ টাকা।

24/03/2026

গ্রামের মেয়েরা খুব সহজ সরল হয়

Truth or False?

20/03/2026

ঈদ মুবারক

20/03/2026

কর্পোরেট জব গুলো যেনো নারীদের আধুনিক বেশ্যা বানানোর কারখানা....!! ঢাকার গুলশান-বনানীর ঝকঝকে কর্পোরেট পাড়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষের স্বপ্ন তৈরি হয়, আবার নীরবে অনেক স্বপ্ন ভেঙে ও যায়।

২৮ বছর বয়সী তানিয়া ছিল এমনই এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী। দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি টেক্সটাইল বায়িং হাউজের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সে। তানিয়ার স্বামী রাশেদ একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা। রাশেদের আয়ে তাদের ছিমছাম সংসার ভালোই চলছিল, ভালোবাসার কোনো কমতি ছিল না। কিন্তু তানিয়ার চোখে ছিল আকাশ ছোঁয়ার নেশা। তার চাই বনানীতে লাক্সারি ফ্ল্যাট, বিদেশি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, বিজনেস ক্লাসে বিদেশ ভ্রমণ আর নামের পাশে 'কান্ট্রি ডিরেক্টর' বা 'ভিপি' ট্যাগ। সাধারণ রাশেদের পক্ষে এসব দেওয়া সম্ভব ছিল না। তানিয়ার এই আকাশচুম্বী লোভ আর কর্পোরেট উচ্চাকাঙ্ক্ষাই তাকে ঠেলে দেয় এক অন্ধকার আর নোংরা গলিতে।

তানিয়াদের কোম্পানিতে নতুন রিজিওনাল হেড হয়ে আসে ৪৫ বছরের এক টেক্সটাইল বায়ার এবং বস, মি. চ্যাং। চ্যাং অত্যন্ত ধূর্ত এবং মেয়েদের সাইকোলজি বুঝতে ওস্তাদ। অফিসে জয়েন করার কয়েকদিনের মধ্যেই চ্যাং বুঝে যায় তানিয়ার দুর্বলতা কোথায়। সে তানিয়াকে টার্গেট করে। শুরু হয় ফাইভ স্টার হোটেলে লেট-নাইট মিটিং, দামি রেস্তোরাঁয় ডিনার আর কর্পোরেট পার্টি। চ্যাং খুব সুকৌশলে তানিয়াকে বোঝাতে শুরু করে যে, কর্পোরেট দুনিয়ায় কেবল মেধা দিয়ে ওপরে ওঠা যায় না, এর জন্য 'স্পেশাল স্যাক্রিফাইস' বা বিশেষ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। চ্যাং তানিয়াকে লোভ দেখায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাকে কোম্পানির ডিরেক্টর পদে প্রমোশন দিয়ে হংকং বা সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হবে।

তানিয়ার ভেতরে শুরু হয় এক অদ্ভুত মানসিক লড়াই। একদিকে রাশেদের সরল ভালোবাসা আর বিশ্বস্ততার সংসার, অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের বিলাসবহুল লাইফস্টাইল। তানিয়া আধুনিকতার এক ভুল মোড়কে নিজেকে জাস্টিফাই করতে শুরু করল। সে ভাবল, "এটা তো জাস্ট একটা ডিল। শারীরিক সম্পর্কটা একটা কর্পোরেট স্যাক্রিফাইস মাত্র। এই যুগে এত ইমোশনাল হলে ক্যারিয়ার গড়া যায় না।" নিজের বিবেককে এভাবেই ঘুম পাড়িয়ে তানিয়া একদিন স্বামীর চোখ ফাঁকি দিয়ে গুলশানের এক নামিদামি ফাইভ স্টার হোটেলের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে মি. চ্যাংয়ের সাথে রাত কাটায়। একবার নয়, প্রমোশনের লোভে এই ঘটনা নিয়মিত চলতে থাকে।

তানিয়া ভেবেছিল সে খুব স্মার্ট, সে একাই সব সামলে নিচ্ছে। কিন্তু পাপ কখনো চাপা থাকে না। একদিন তানিয়া বাথরুমে থাকাকালীন তার আনলক করা ফোনে একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পপ-আপ হয়। মেসেজটি ছিল মি. চ্যাংয়ের— "কাল রাতের জন্য থ্যাংকস। আজ রাতেও কি বনানীর ওই হোটেলে আসছ?" রাশেদ মেসেজটা দেখে পাথর হয়ে যায়। সে তানিয়ার ফোন ঘেঁটে তাদের হোটেলের বুকিং রিসিট এবং আরও কিছু আপত্তিকর চ্যাটের স্ক্রিনশট পেয়ে যায়।

তানিয়া বাথরুম থেকে বের হতেই রাশেদ ফোনটা তার মুখের ওপর ছুড়ে মারে। তানিয়া ধরা পড়ে গিয়ে প্রথমদিকে অস্বীকার করলেও পরে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলে, "রাশেদ, তুমি বুঝছ না! এটা জাস্ট আমার ক্যারিয়ারের জন্য। এই একটা প্রমোশন পেলে আমাদের লাইফস্টাইল বদলে যাবে। আমি তোমাকেই ভালোবাসি, এটা শুধু একটা কর্পোরেট অ্যাডজাস্টমেন্ট!" রাশেদ সেদিন ঘৃণায় থুথু ফেলেছিল। সে বলেছিল, "যে নারী একটা চেয়ার আর কিছু টাকার জন্য নিজের শরীর আর পবিত্র সংসারকে বিক্রি করে দিতে পারে, সে আর যাই হোক কারো স্ত্রী হওয়ার যোগ্য না।" রাশেদ কোনো সিনক্রিয়েট করেনি, শুধু পরদিন সকালে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়ে দিয়ে তানিয়ার জীবন থেকে চিরতরে সরে যায়।

স্বামীকে হারিয়ে তানিয়া শুরুতে একটু ভেঙে পড়লেও নিজেকে সান্ত্বনা দেয় এই ভেবে যে, অন্তত তার ক্যারিয়ার আর মি. চ্যাং তো আছে। এবার সে পুরোপুরি স্বাধীন। কিন্তু এই স্বাধীনতার আড়ালে যে কী ভয়ংকর ফাঁদ অপেক্ষা করছিল, তা সে ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। কয়েকদিন পর তানিয়া যখন চ্যাংয়ের কাছে প্রমোশনের লেটার চাইতে যায়, তখন চ্যাং এক শয়তানি হাসি দেয়। সে তার ল্যাপটপ ওপেন করে তানিয়াকে হোটেলের রুমের কিছু গোপন ভিডিও দেখায়। তানিয়ার পায়ের নিচের মাটি সরে যায়। সে বুঝতে পারে, ফাইভ স্টার হোটেলের ওই বিলাসবহুল রাতগুলো আসলে ছিল সুপরিকল্পিত ফাঁদ।

চ্যাং খুব ঠান্ডা গলায় বলে, "প্রমোশন? কিসের প্রমোশন! তুমি এখন থেকে কোম্পানির স্পেশাল 'পিআর'। কাল রাতে ইতালি থেকে আমাদের বড় বায়াররা আসছে। তুমি তাদের এন্টারটেইন করবে। যদি অমত করো, তবে এই ভিডিওগুলো তোমার পরিবার, আত্মীয়স্বজন আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাবে।" তানিয়া হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে, চ্যাংয়ের পা জড়িয়ে ধরে। কিন্তু কর্পোরেট দুনিয়ার এই রাক্ষসদের কাছে কান্নার কোনো দাম নেই।

আজ তানিয়া বনানীর এক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকে, যা কোম্পানি থেকে দেওয়া। তার কাছে দামি গাড়ি আছে, ব্যাংক ব্যালেন্স আছে, ডিজাইনার শাড়ি আছে। কিন্তু তার কোনো স্বাধীনতা নেই, সম্মান নেই। যখনই কোনো বিদেশি বায়ার বা ভিআইপি ক্লায়েন্ট ঢাকায় আসে, তানিয়াকে সাজগোজ করে তাদের হোটেলের রুমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সে আজ কোম্পানির হাতে জিম্মি হওয়া এক হাই-ক্লাস প্রস্টিটিউট ছাড়া আর কিছুই নয়। রাতের অন্ধকারে যখন বিদেশি ক্লায়েন্টরা তার শরীর খুবলে খায়, তখন তার রাশেদের সেই সাধারণ কিন্তু নিরাপদ সংসারের কথা মনে পড়ে। তানিয়ার মনে হয় সে এক সোনার খাঁচায় বন্দি, যেখানে সে প্রতিদিন একটু একটু করে মরে যাচ্ছে, কিন্তু এই নরক থেকে বের হওয়ার কোনো রাস্তা তার জানা নেই।

গল্পের বার্তা: উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা দোষের কিছু নয়, কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যখন মানুষ নিজের সততা, পরিবার আর চরিত্রকে নিলামে তোলে, তখন তার পতন অনিবার্য। কর্পোরেট দুনিয়ায় শর্টকাট বলে কিছু নেই। শর্টকাট খুঁজতে গিয়ে যারা অনৈতিকতার সাথে হাত মেলায়, দিনশেষে তারা তানিয়ার মতোই সব হারিয়ে এক বিলাসবহুল নরকের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যায়। টাকা আর স্ট্যাটাস হয়তো কেনা যায়, কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সম্মান আর মানসিক শান্তি পৃথিবীর কোনো সম্পদ দিয়ে ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।

19/03/2026

🔴 তেলের দাম: ১১৩ ডলার

Address

SKIN & CHILD POINT
Jhenida
7300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Asif Abdullah, MBBS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Asif Abdullah, MBBS:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category