Dr.Md.Forhad Hossain

Dr.Md.Forhad Hossain সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছারা ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।
(4)

02/01/2026

এ বৎসর যারা ডিএইচএমএস পরীক্ষা দিচ্ছেন,পরিচিত হতে চাই।
কমেন্টে নাম ও কোন বর্ষ লিখুন...

🎍Baryta Carb 🧱 vs Calcarea Carb 🐘: দুর্বলতার দুই মহাদেশের পুনর্মিলন🕰️ Baryta Carb: "সময়ে থেমে যাওয়া শিশু"📍 মূল পরিচয়:...
02/01/2026

🎍Baryta Carb 🧱 vs Calcarea Carb 🐘: দুর্বলতার দুই মহাদেশের পুনর্মিলন

🕰️ Baryta Carb: "সময়ে থেমে যাওয়া শিশু"

📍 মূল পরিচয়: "বৃদ্ধের মন শিশুর দেহে"
ব্যারাইটা কার্ব হল বিকাশের স্থবিরতা - শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ সবই থেমে গেছে।

```
🛑 তিনস্তরের স্থবিরতা:
শারীরিক: ক্ষুদ্রাকৃতি, গ্রন্থি ফোলা
মানসিক: শিশুসুলভ চিন্তা, স্মৃতিহীনতা
সামাজিক: লোকভীতু, লজ্জাশীল
```

🎭 মানসিক প্রতিচ্ছবি:

```
👶 শিশুর দেহ, 👵 বৃদ্ধের মন
🙈 অপরিচিত দেখলে লুকায়
🗣️ কথা বলতে/গলার আওয়াজে ভয়
🧠 সহজে কিছু মনে রাখতে পারে না
🛡️ সর্বদা ভীত, সন্দেহপরায়ণ
```

🔄 প্রধান লক্ষণ:

· টনসিল, গ্রন্থি বড় হওয়া (ঠাণ্ডা লাগলেই) 🍑
· রক্তনালী শক্ত হওয়া (বৃদ্ধদের স্ট্রোক প্রবণতা) 💔
· ঠাণ্ডায় মারাত্মক খারাপ ❄️⬇️
· পায়ের তলা জ্বালাপোড়া, মোজা খুলতে চায় 🔥
· শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত 📉

---

🐘 Calcarea Carb: "ভারী দুর্বল শিশু"

📍 মূল পরিচয়: "অতিরিক্ত বৃদ্ধির দুর্বলতা"
ক্যালকেরিয়া কার্ব হল আকারে বড় কিন্তু শক্তিতে ছোট - সবকিছুই ভারী, ধীর, ক্লান্ত।

```
🐌 তিনস্তরের ধীরতা:
শারীরিক: মোটা, ভারী, ঘামে ভরা
মানসিক: ধীর চিন্তা, ভীতু
বৃদ্ধি: অতিরিক্ত বৃদ্ধি কিন্তু দুর্বল ভিত্তি
```

🎭 মানসিক প্রতিচ্ছবি:

```
🍼 শিশুর মতো নির্ভরশীল
💼 কিন্তু দায়িত্ব পালন করে
💰 টাকা-পয়সার হিসেব রাখে
🥶 ঠাণ্ডা সহ্য করতে পারে না
😰 নতুন কিছু শিখতে ভয়
```

💧 প্রধান লক্ষণ:

· মাথা ও বুকের প্রচুর ঘাম (বিশেষত ঘুমে) 💦
· ঠাণ্ডা পায়ের তলা (সর্বদা মোজা পরা) 🧦
· পেট বড়, ঘাড় মোটা, হাত-পা পাতলা 🍼
· অম্লীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ (চক, ডিমের খোসা) 🥚
· শারীরিক-মানসিক পরিশ্রমে দুর্বল 😴

---

⚔️ সরাসরি দ্বন্দ্ব

যুদ্ধক্ষেত্র Baryta Carb 🧱 Calcarea Carb 🐘
শারীরিক গঠন ক্ষুদ্রাকৃতি, বিকাশহীন মোটাসোটা, বৃহদাকার
গ্রন্থি/টনসিল প্রধান সমস্যা, ফুলে যায় সমস্যা নেই/কম
ঘাম সামান্য বা নেই প্রচুর ঘাম (মাথা-বুক)
ঠাণ্ডা সহ্য ঠাণ্ডায় মারাত্মক খারাপ ঠাণ্ডা অপছন্দ কিন্তু তুলনামূলক কম
মানসিকতা বৃদ্ধের শিশুসুলভ মন শিশুর মতো নির্ভরশীল
সামাজিকতা লোকভীতি, লুকিয়ে থাকা নির্ভরশীল কিন্তু পরিবারে মিশুক

---

🧠 স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধির পার্থক্য

Baryta Carb:

```
🧓 বৃদ্ধের মতো স্মৃতিভ্রংশ
📚 নতুন জিনিস শিখতে অক্ষম
🗣️ কথা বলতে/গিলতে সমস্যা
🧮 সাধারণ হিসাবও করতে পারে না
```

Calcarea Carb:

```
👶 শিশুর মতো সরল চিন্তা
💰 শুধু টাকার হিসাব ঠিক রাখে
🎓 শিখতে ভয় পায় কিন্তু পারলে করে
📖 ধীরে ধীরে শেখে, তাড়াহুড়ো নেই
```

---

🩺 গ্রন্থি ও শারীরিক বৃদ্ধি

Baryta Carb:

```
🍑 টনসিল, লসিকা গ্রন্থি ফোলা
👶 বামনত্ব/অপরিপক্বতা
🩸 রক্তনালী শক্ত হওয়া
👅 গলা/জিভের সমস্যা
```

Calcarea Carb:

🦴 হাড়-দাঁতের অতিবৃদ্ধি
💪পেশীহীন মোটা শরীর
🧠মস্তিষ্কের তুলনায় শরীরের বেশি বৃদ্ধি
🏋️‍♂️ভারী শরীর বহনে অক্ষম

---

🌡️ তাপীয় প্রতিক্রিয়া ও পায়ের অবস্থা

Baryta Carb:

```
🔥 পায়ের তলা জ্বলে (মোজা খুলে)
❄️ সামান্য ঠাণ্ডায় অসুস্থ
🌡️ গরমে কিছুটা স্বস্তি
🍃 হালকা বাতাসেই সমস্যা
```

Calcarea Carb:

```
🧊 পায়ের তলা বরফঠাণ্ডা (মোজা পরে)
🥶 গোটা শরীর ঠাণ্ডা অনুভব
🔥 গরমে স্বস্তি, ঘামে
💧 ঘামে ভেজা ঠাণ্ডা
```

---

👥 সামাজিক আচরণ

Baryta Carb:

```
🙊 লোকজনের সামনে লজ্জা
🏠 ঘরে লুকিয়ে থাকা
👵 একাকীত্ব পছন্দ
🛡️ সর্বদা সতর্ক, ভীত
```

Calcarea Carb:

```
👨‍👩‍👧‍👦 পরিবারে নির্ভরশীল
🏡 বাইরে যেতে ভয় কিন্তু পারলে যায়
💬 পরিবারের সাথে কথা বলে
🛌 শারীরিক দুর্বলতায় ঘরে থাকে
```

---

🍽️ খাদ্যাভ্যাস

Baryta Carb:

```
🍖 প্রোটিনের প্রয়োজন
🧠 মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য পুষ্টি
🚫 গিলতে কষ্ট থাকায় কম খায়
💊 পুষ্টিহীনতা
```

Calcarea Carb:

```
🥚 ডিম, দুধ, দই পছন্দ
🦴 ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার
🍋 টক/অম্লীয় খাবার আকর্ষণ
🚫 হজম দুর্বল, সহজে বদহজম
```

---

🎭 রোগীর মুখের বাণী

ব্যারাইটা রোগী বলে:
"আমি ছোট থেকেই দুর্বল, সহজেই ঠাণ্ডা লাগে। লোকজনের সামনে যেতে ভয় পাই, কথা বলতে কষ্ট হয়। মনে রাখতে পারি না কিছু, গলা বারবার ফুলে।" 🧱❄️🙊🍑

ক্যালকেরিয়া রোগী বলে:
"আমার শরীর মোটা কিন্তু শক্তি নেই, সর্বদা ঘামছি। ঠাণ্ডা সহ্য হয় না, পায়ের তলা বরফের মতো। টাকা নিয়ে চিন্তা করি, নতুন কিছু শিখতে ভয় পাই।" 🐘💦🥶💰

---

🏆 সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি

ব্যারাইটা কার্ব নির্বাচন করুন যদি:

✅ শারীরিক-মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত
✅ টনসিল/গ্রন্থি ফোলা সমস্যা
✅ স্মৃতিশক্তি দুর্বল, বুদ্ধি কম
✅ লোকভীতি, লজ্জাশীলতা
✅ ঠাণ্ডায় মারাত্মক সমস্যা

ক্যালকেরিয়া কার্ব নির্বাচন করুন যদি:

✅ মোটা শরীর কিন্তু পেশীহীন দুর্বল
✅ প্রচুর ঘাম (বিশেষত মাথায়)
✅ ঠাণ্ডা অপছন্দ, পা ঠাণ্ডা
✅ শিশুসুলভ নির্ভরশীলতা
✅ আর্থিক চিন্তা বেশি

---

🎯 সারমর্ম

প্রতীক Baryta Carb Calcarea Carb
বৃক্ষ বনসাই 🌳 বটগাছ 🌳
ভবন অর্ধনির্মিত ঘর 🏗️ ভারী প্রাসাদ 🏰
যান স্টার্ট নিচ্ছে না 🚗 ভারী লরি 🚛
নীতিবাক্য "আমি শুরুই করিনি" "আমি শেষ করতে পারব না"

---

🌌 মহাজাগতিক রূপক

ব্যারাইটা কার্ব = অন্ধকার চাঁদ 🌑

· আলো নেই, বিকাশ নেই
· গ্রহের ছায়ায় আটকে

ক্যালকেরিয়া কার্ব = অতিবৃহৎ গ্রহ 🪐

· ভারী, বিশাল
· কিন্তু নিজ অক্ষে ঘুরতে কষ্ট

---

👨‍⚕️ চিকিৎসা দর্শনের পার্থক্য

ব্যারাইটা: জীবনীশক্তি বিকাশ শুরুই করতে পারেনি
ক্যালকেরিয়া: জীবনীশক্তি বৃদ্ধি শুরু করেছে কিন্তু শেষ করতে পারছে না

---

দুই জগতের সেতুবন্ধন:
ব্যারাইটা বিকাশ চায় কিন্তু শুরুই করতে পারছে না,
ক্যালকেরিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু বহন করতে পারছে না।

একজন শুরু করতে ভীত, অন্যজন চালিয়ে যেতে অক্ষম। 🧱🐘

মূল মন্ত্র:
ব্যারাইটা = "আমি পারব না বলে শুরুই করিনি"
ক্যালকেরিয়া = "আমি শুরু করেছি কিন্তু পারব না বলে থেমে গেছি"
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

02/01/2026

সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিসে ব্যথা কমানোর কোন হোমিও ওষুধ দেন? উত্তর দিন।

🎍স্তন টিউমার (Breast Tumor): হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি 🪴🎋 স্তন টিউমার হলো স্তনের টিস্যুতে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ফলে সৃষ্...
02/01/2026

🎍স্তন টিউমার (Breast Tumor): হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি 🪴

🎋 স্তন টিউমার হলো স্তনের টিস্যুতে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট একটি পিণ্ড বা গঠন। এটি প্রধানত দুটি প্রকারের হতে পারে:

---

🍂 প্রকারভেদ

🪴 সৌম্য টিউমার (Benign Tumor):

· ক্যান্সারবিহীন।
· বৃদ্ধি ধীর, সাধারণত স্থানান্তরিত হয়।
· ব্যথা থাকতেও পারে, নাও পারে।

🍁 ম্যালিগন্যান্ট টিউমার (Malignant Tumor):

· স্তন ক্যান্সার।
· বৃদ্ধি দ্রুত।
· শক্ত ও অস্থির অনুভূত হয়, কম নড়ে।
· চারপাশে ব্যথা, লালভাব, নিপল থেকে নিঃসরণ প্রভৃতি উপসর্গ থাকতে পারে।

---

✅ সাধারণ লক্ষণ

· স্তনে চাকা বা পিণ্ড অনুভব।
· ব্যথা বা টানটান ভাব।
· নিপল থেকে রক্ত বা অন্যান্য তরল নিঃসরণ।
· স্তনের আকার বা ত্বকের বর্ণে পরিবর্তন।
· বগলের নিচে গাঁট অনুভব।
· স্তনের ত্বক কুঁচকে যাওয়া বা ডিম্পল তৈরি হওয়া।

---

🌿 হোমিওপ্যাথিক পন্থা (সৌম্য টিউমারের প্রসঙ্গে)

দ্রষ্টব্য: নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলো লক্ষণের ভিত্তিতে; সর্বদা একজন যোগ্য চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ কেস স্টাডি ও তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ আবশ্যক।

1. 🪴 Conium Maculatum – ব্যথাযুক্ত, শক্ত গাঁট, যা ধীরে বৃদ্ধি পায়। প্রায়ই ডান দিকের টিউমারে প্রযোজ্য। আঘাত, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বা নির্দিষ্ট জীবন পরিস্থিতি (যেমন: প্রবাসী স্বামী) এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
2. 🍂 Scirrhinum – অত্যন্ত শক্ত ও পাথুরে টেক্সচারের টিউমারের জন্য বিবেচ্য। এটি একটি ক্ষেত্র-নির্দিষ্ট (ক্ষেত্র অনুসারে) ওষুধ।
3. 🍁 Phytolacca – স্তন শক্ত, ফুলে ও বেগুনি-লাল আকার ধারণ করে। তীব্র ব্যথা থাকে যা নিপল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
4. 🎋 Calcarea Fluorica – খুব শক্ত, পাথরের মতো পিণ্ডের জন্য, যা টানটান ভাব দেয়।
5. 🪴 Bellis Perennis – আঘাতের ইতিহাস (শল্যচিকিৎসা বা অন্য কোনো আঘাত) পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া ব্যথাহীন চাকা বা টিউমারের জন্য বিশেষ উপযোগী।

---

🍂 অন্যান্য সম্ভাব্য ওষুধ: লক্ষণের সামঞ্জস্য অনুযায়ী Calcarea Phosphorica, Phosphorus, Silicea, Graphites, Pulsatilla প্রভৃতি ওষুধও বিবেচনায় আসতে পারে।

🎋 সর্বশেষ নির্দেশিকা: স্তন টিউমারের ক্ষেত্রে ধাতুগত ও সামগ্রিক চিকিৎসা অপরিহার্য। শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক পদ্ধতির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে, তারপর লক্ষণের গভীর মিল অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন করতে হবে। এটি একটি জটিল অবস্থা, যা বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ছাড়া মোকাবিলা করা উচিত নয়।
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

🎍📍রাস টক্স এবং ব্রায়োনিয়ার তুলনামূলক আলোচনা ~রাস টক্স (Rhus Toxicodendron) - লক্ষণ বিশ্লেষণপ্রধান বৈশিষ্ট্য: "বিশ্রামে ব...
02/01/2026

🎍📍রাস টক্স এবং ব্রায়োনিয়ার তুলনামূলক আলোচনা ~

রাস টক্স (Rhus Toxicodendron) - লক্ষণ বিশ্লেষণ

প্রধান বৈশিষ্ট্য: "বিশ্রামে ব্যথা বাড়ে, চলাফেরা করলে বা নড়াচড়া করলে ব্যথা কমে"

১। লক্ষণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ক) বিশ্রামে ব্যথার বৃদ্ধি:

· রোগী শুয়ে বা দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে থাকলে জোড়া, পেশী বা মেরুদণ্ডে ব্যথা ও শক্ততা বাড়তে শুরু করে।
· প্রথম নড়াচড়া করতেই প্রচণ্ড ব্যথা ও কাঠিন্য অনুভব হয়, অনেকটা "মরচে পড়া হিংজের মতো"।
· রাতের বেলা বা সকালে ঘুম থেকে উঠার সময় অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়।

খ) চলাফেরায় বা নড়াচড়ায় ব্যথার হ্রাস:

· ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করলে, হাঁটাহাঁটি করলে বা ব্যায়াম করলে ব্যথা কমতে থাকে।
· লক্ষণীয় বিষয় হলো, অবিরাম চলাফেরা বা হালকা নড়াচড়ায় ব্যথা কম থাকে, কিন্তু আবার দীর্ঘক্ষণ বিশ্রাম নিলে ব্যথা ফিরে আসে।
· গরম সেঁক বা গরম পানির স্নানেও উপকার পায়।

---

২। রোগীর সাধারণ চিত্র:

· মনস্তাত্ত্বিক দিক: অস্থির, স্থির থাকতে পারে না, সর্বদা নড়াচড়া করতে চায়।
· সংশ্লিষ্ট লক্ষণ: পেশী টান, রগে টান, ত্বকে ফুসকুড়ি (বিষ আইভির সংস্পর্শে আসার মতো), জ্বর ও ব্যথা।
· কারণ: ভেজা ঠাণ্ডা লাগা, অতিরিক্ত পরিশ্রম, ভেজা কাপড় পরে থাকা থেকে সৃষ্ট।

---

৩। ব্রায়োনিয়া (Bryonia) এর সাথে তুলনা:

রাস টক্স (Rhus tox) ব্রায়োনিয়া (Bryonia)
বিশ্রামে ব্যথা বাড়ে, চললে কমে নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে, বিশ্রামে কমে
নড়াচড়ার সূচনায় ব্যথা, কিন্তু চলতে থাকলে কমে সামান্য নড়াচড়াতেই তীব্র ব্যথা, তাই নড়তে ভয় পায়
গরমে ও গরম সেঁকে ভালো লাগে শীতল বাতাস ও ঠাণ্ডা পানীয়তে ভালো লাগে
অস্থির, নড়াচড়া করতে বাধ্য হয় চুপচাপ শুয়ে থাকতে পছন্দ করে, নড়তে অনিচ্ছুক
দীর্ঘ বিশ্রামের পর ব্যথা বৃদ্ধি নড়াচড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা তীব্রতা লাভ করে

---

৪। সহজ স্মরণ নিয়ম:

· রাস টক্স = "Start-Stop Stiffness" (নড়াচড়া শুরু করতে কষ্ট, কিন্তু চলতে থাকলে স্বস্তি)
· ব্রায়োনিয়া = "Don't you dare move me!" (নড়াচড়ার কথা শুনলেই আতঙ্ক, যেকোনো নড়াচড়ায় যন্ত্রণা)

---

৫। উপকার পাওয়া সাধারণ অবস্থাসমূহ:

· আর্থ্রাইটিস (বিশেষ করে ঘাড়, পিঠ ও কোমর)
· পেশী টান বা খেলায় ইনজুরি
· হার্পিস জোস্টার (চicken pox virus এর পুনর্যাত্রা)
· বিষ আইভি বা ত্বকের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া

---

৬। সারসংক্ষেপ:

রাস টক্স একটি "motion remedy" বা গতি-উপকারী ওষুধ। এর রোগীরা নড়াচড়ার মাধ্যমে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে চেষ্টা করে, কিন্তু প্রথম নড়াচড়াটি করতে কষ্ট হয়। ব্রায়োনিয়ার রোগীরা এর সম্পূর্ণ বিপরীত—যেকোনো নড়াচড়া এড়িয়ে চলতে চায়। এই "rest-aggravation, motion-relief" বৈশিষ্ট্যটিই রাস টক্সকে আলাদা করে এবং হোমিওপ্যাথিতে সঠিক নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি।

02/01/2026

. "চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিতে সাফল্য পেয়েছেন কোন ঔষধে? যারা ব্যবহার করেছেন, রিপ্লাই?

🎍জরায়ুর টিউমার: হোমিওপ্যাথি সুস্থতার পথে একটি আশার আলো 🩺🌸🍂 জরায়ু টিউমারের ৫টি সম্ভাব্য কারণ/ঝুঁকি বিষয়:১. হরমোনাল ভারসাম...
02/01/2026

🎍জরায়ুর টিউমার: হোমিওপ্যাথি সুস্থতার পথে একটি আশার আলো 🩺🌸

🍂 জরায়ু টিউমারের ৫টি সম্ভাব্য কারণ/ঝুঁকি বিষয়:

১. হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা: ইস্ট্রোজেন প্রাধান্য, ডিম্বস্ফোটন জনিত সমস্যা।
২.জেনেটিক প্রবণতা: পরিবারে (মা, বোন) জরায়ু টিউমার বা ফাইব্রয়েডের ইতিহাস।
৩.লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস: স্থূলতা, লাল মাংসের অত্যধিক সেবন, ফল-শাকসবজির অভাব।
৪.প্রজনন ইতিহাস: প্রথম পিরিয়ড আগে (৯ বছরের আগে) শুরু, গর্ভধারণ না করা।
৫.অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ডিসঅর্ডার।

🍁 রোগ নির্ণয় ও সমন্বিত চিকিৎসায় ৫টি করণীয়:

১. নিয়মিত স্ক্রিনিং: পেলভিক আলট্রাসাউন্ড, সোনোহিস্টেরোগ্রাফি।
২.লক্ষণ পর্যবেক্ষণ: অতিরিক্ত/দীর্ঘস্থায়ী মাসিক, তলপেটে চাপ বা ব্যথা, প্রস্রাবের সমস্যা।
৩.জীবনযাপনে পরিবর্তন: ওজন নিয়ন্ত্রণ, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম।
৪.স্পেশালিস্ট পরামর্শ: গাইনোকলজিস্ট ও অনকোলজিস্টের সাথে নিয়মিত ফলোআপ।
৫.সমন্বিত চিকিৎসা: অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদের সমন্বয়ে প্ল্যান।

🍒 ১০টি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও তাদের প্রধান গাইডিং লক্ষণ:

সতর্কতা: জরায়ুর টিউমারের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল এবং অবশ্যই একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের অধীনে নেওয়া উচিত।

১. Calcarea Carbonica: স্থূলকায়, ঠাণ্ডা লাগা, অতিরিক্ত সাদাস্রাব, মাসিক দীর্ঘস্থায়ী ও বেশি।
২.Sepia: জরায়ু ভারী/পতনোন্মুখ ভাব, শ্রোণীচক্রে শূন্যতা, আবেগশূন্যতা, ডানদিকে শুয়ে থাকলে আরাম।
৩.Lachesis: টিউমার বাম দিকে বেশি, মাসিকের আগে ব্যথা/অস্বস্তি শুরু, মাসিক শুরু হলে ভালো লাগা।
৪.Phosphorus: সহজে রক্তক্ষরণ, উজ্জ্বল রক্ত, উষ্ণতা ও কোমল অনুভূতি চায়, সামাজিক।
৫.Thlaspi Bursa Pastoris: অত্যাধিক রক্তস্রাব, দীর্ঘদিন ধরে, রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তশূন্যতা।
৬.Trillium Pendulum: রক্তস্রাবের সময় ঝাঁকুনি, হঠাৎ দুর্বলতা, মাথা হালকা লাগা।
৭.Aurum Muriaticum Natronatum: জরায়ুর ফাইব্রয়েড, বিষণ্ণতা, আত্মহত্যার চিন্তা, গভীর হতাশা।
৮.Hydrastis Canadensis: ঘন, আঠালো, হলুদ স্রাব, জরায়ুর গ্রীবায় ক্ষত, দুর্বলতা।
৯.Iodum: ক্ষুধা বেশি কিন্তু ওজন কমা, উত্তেজনা, গরম সহ্য হয় না, স্টোন হাড্ডি দেখা যায়।
১০.Sabina: তীব্র রক্তস্রাব, রক্ত জমাটসহ, গর্ভপাতের ইতিহাস, শ্রোণীচক্রে গরম ভাব।

---

🌟 বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ১টি ওষুধের বিস্তারিত আলোচনা:

ওষুধের নাম: Calcarea Carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)

⛰️ ঔষধের উৎস: ওয়েস্টার oyster-এর খোলার অভ্যন্তরীণ স্তর থেকে প্রস্তুত।

**👤 রোগীর শারীরিক ও মানসিক ছবি (Constitution):

· শারীরিক গঠন: স্থূলকায়, নরম মাংস, ঠাণ্ডা ও ঘামে ভেজা শরীর (বিশেষত মাথা)।
· মানসিক অবস্থা: নিরাপত্তাহীনতা, ভীতু, সহজে ভয় পায়, কিন্তু জেদী।
· খাদ্যাভ্যাস: ডিম, চক, চুন, অপ্রাকৃতিক জিনিসের প্রতি আকর্ষণ।

**🩺 জরায়ু টিউমারের সাথে সম্পর্কিত লক্ষণ:
১.স্রাব: সাদা, দুধের মত, দীর্ঘস্থায়ী স্রাব। মাসিক অনিয়মিত, দীর্ঘ ও বেশি পরিমাণে হয়।
২.ব্যথা: শ্রোণীচক্রে ভারীভাব, মাসিকের সময় পেট ও পিঠে ক্র্যাম্পিং ব্যথা।
৩.রক্তস্রাব: যেকোনো সামান্য পরিশ্রমে (সিঁড়ি ওঠা, হাঁটা) রক্তস্রাব শুরু হতে পারে।
৪.অন্যান্য: ঠাণ্ডা পায়ের পাতা, ওজন বৃদ্ধি, শীত সহ্য করতে না পারা।

**🔬 প্যাথলজিকাল সংশ্লিষ্টতা:

· জরায়ুর ফাইব্রয়েড (বিনাইন টিউমার)।
· এন্ডোমেট্রিয়াল হাইপারপ্লাসিয়া।
· ডিসফাংশনাল ইউটেরাইন ব্লিডিং (DUB)।

**⚡ প্রয়োগের নিয়ম (Modality):

· বাড়ে: ঠাণ্ডায়, ভেজায়, মাসিকের সময়।
· কমে: শুষ্ক উষ্ণ আবহাওয়ায়, দিনের বেলা।

**💊 শক্তি ও প্রয়োগ পদ্ধতি:

· শক্তি: সাধারণত ২০০শ বা ১এম শক্তি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
· মাত্রা: সপ্তাহে বা মাসে এক ডোজ – ঘন ঘন প্রয়োগের প্রয়োজন নেই।
· প্রতিক্রিয়া: ওষুধ সঠিক হলে প্রথমে স্রাব বাড়তে পারে (হোমিওপ্যাথিক অ্যাগ্রাভেশন), তারপর ধীরে ধীরে লক্ষণগুলোর উন্নতি শুরু হয়।

**⚠️ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা ও নির্দেশনা:
১.স্ব-চিকিৎসা নিষিদ্ধ: জরায়ুর টিউমার একটি জটিল ও সম্ভাব্য বিপজ্জনক অবস্থা। কখনোই নিজে থেকে ওষুধ নির্বাচন করবেন না।
২.পরিপূর্ণ কেস টেকিং: একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ রোগীর পুরো জীবনী, পারিবারিক ইতিহাস, মানসিক বৈশিষ্ট্য, শারীরিক লক্ষণ নিয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবেন।
৩.সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি: হোমিওপ্যাথি অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার বিকল্প নয়, বরং সম্পূরক। সার্জারি বা অন্যান্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
৪.নিয়মিত মনিটরিং: আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে টিউমারের আকার নিয়মিত চেক করতে হবে।
৫.লক্ষণভিত্তিক নির্বাচন: উপরের লক্ষণগুলোর সাথে রোগীর লক্ষণের গভীর মিল থাকলেই কেবল এই ওষুধ প্রযোজ্য। অন্য রোগীর জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ওষুধ হতে পারে।

✅ সারমর্ম:
Calcarea Carbonicaহল সেই সাংবিধানিক ওষুধ যা একটি নির্দিষ্ট ধরণের রোগী (স্থূল, ঠাণ্ডা লাগা, নিরাপত্তাহীন) এর জরায়ু টিউমার, বিশেষত ফাইব্রয়েডের ক্ষেত্রে, মূল কারণ (হরমোনাল ও বিপাকীয় অসামঞ্জস্য) ঠিক করতে কাজ করে। এটি লক্ষণ দমন নয়, বরং শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে।

আশার বাণী: অনেক ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করতে, লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সার্জারির প্রয়োজনীয়তা এড়াতে সহায়তা করে থাকে। তবে এর সাফল্য নির্ভর করে রোগীর সম্পূর্ণতা, চিকিৎসকের দক্ষতা এবং ধৈর্যের উপর। 💖

পরামর্শ: একজন রেজিস্টার্ড ও গাইনোকলজিকাল সমস্যায় অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সন্ধান করুন এবং আপনার গাইনোকলজিস্টের সাথে সমন্বয় রেখে চিকিৎসা পরিকল্পনা করুন।
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

🎍🌿 ৫টি অপরিহার্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যেগুলো ভ্রমণ বা ছুটির সময় অবশ্যই সাথে রাখবেন---👜 ১) Cocculus Indicus· প্রধান ব্যবহার:...
01/01/2026

🎍🌿 ৫টি অপরিহার্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যেগুলো ভ্রমণ বা ছুটির সময় অবশ্যই সাথে রাখবেন

---

👜 ১) Cocculus Indicus

· প্রধান ব্যবহার: যাত্রাবিরতি, বমিভাব ও ক্লান্তি।
· মূল লক্ষণ: গাড়ি, নৌকা বা উড়ানে বমি ও মাথাঘোরাভাব, ঘুমের অভাবজনিত ক্লান্তি, ভারসাম্যহীনতা, দুর্বলতা।

🌡️ ২) Gelsemium Sempervirens

· প্রধান ব্যবহার: ভয়, উদ্বেগ বা পরীক্ষার স্ট্রেস থেকে হওয়া সমস্যা।
· মূল লক্ষণ: ভয়ে পা কাঁপা, মাথা ধরা, দুর্বলতা, জ্বরের মতো অনুভূতি, কথা বলতে অনীহা।

🤧 ৩) Allium Cepa

· প্রধান ব্যবহার: প্রচুর পানি পড়া সর্দি ও হাঁচি।
· মূল লক্ষণ: পানি পড়া সর্দি যা ত্বকে জ্বালাপোড়া করে, চোখ থেকে পানি পড়ে কিন্তু চোখে জ্বালা না, গরম ঘরে লক্ষণ বেড়ে যাওয়া।

🌙 ৪) Coffea Cruda

· প্রধান ব্যবহার: অতিরিক্ত উত্তেজনা বা আনন্দে ঘুম না আসা।
· মূল লক্ষণ: চিন্তাভাবনা বা ভালো খবরে ঘুম উড়ে যাওয়া, সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, মাথাব্যথা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া।

🍽️ ৫) Carbo Vegetabilis

· প্রধান ব্যবহার: হজমশক্তির দুর্বলতা ও গ্যাস।
· মূল লক্ষণ: ভারী খাবারের পর পেট ফাঁপা, অল্প খেলেও অস্বস্তি, ঠাণ্ডা লাগা, দুর্বলতা, বাতাস বের হওয়ার পর স্বস্তি।

---

✈️ ভ্রমণ টিপস:
এই ঔষধগুলোছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবার জন্য উপকারী হতে পারে। একটি ছোট ট্রাভেল কিটে 30C পোটেন্সিতে এগুলো রাখতে পারেন।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ:
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালক্ষণের সাথে মিল রেখে নির্বাচন করতে হয়। জটিল বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

#ভ্রমণ_সাথী #হোমিওপ্যাথিক_কিট #প্রাথমিক_চিকিৎসা #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #হোমিওপ্যাথি
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

🎍🍁 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা:~🎍🍁 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা:~১. Acid Phosphoricum🍂 শারীরিক ও ...
01/01/2026

🎍🍁 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা:~
🎍🍁 হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা:~

১. Acid Phosphoricum
🍂 শারীরিক ও মানসিক অবসাদ।
🍂 সাদা, দুধের মতো প্রস্রাব বা বারবার প্রস্রাব।
🍂 ডায়রিয়ায় বায়ু নিঃসরণ সহ উপশম।
🍂 উদাসীনতা ও তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব।

২. Agnus Castus
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা ও অকাল বার্ধক্য।
🍂 প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে স্রাব।
🍂 লিউকোরিয়া ও জরায়ুর শিথিলতা।
🍂 মূত্রে বাতকমের মতো গন্ধ।

৩. Aconitum Napellus
🍂 আকস্মিক ও তীব্র রোগের সূত্রপাত।
🍂 অস্থিরতা, উদ্বেগ ও মৃত্যুভয়।
🍂 শরীরে জ্বালা ও তৃষ্ণা।
🍂 প্রচণ্ড শীত বা গরমের সংবেদন।

৪. Acidum Nitricum
🍂 প্রস্রাবসহ নানা স্রাবের তীব্র দুর্গন্ধ।
🍂 শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ও চর্ম সন্ধিতে ফাটা ক্ষত।
🍂 কাঁটা বিঁধার মতো যন্ত্রণা।
🍂 ওঠার সময় উপশম, দুধে বৃদ্ধি।

৫. Allium Cepa
🍂 নাক থেকে জ্বালাকর সর্দি।
🍂 পেটে গ্যাস জমা।
🍂 জুতার ঘর্ষণে ফোসকা, অপারেশনের পর স্নায়বিক ব্যথা।
🍂 নাকে পলিপ।

৬. Apis Mellifica
🍂 প্রস্রাবের কষ্ট ও অল্পতা।
🍂 ফোলা ও জ্বালাপোড়া।
🍂 গরম ও স্পর্শে অসহিষ্ণুতা।
🍂 হুল ফোটানোর মতো ব্যথা।

৭. Aralia Racemosa
🍂 শুয়ে থাকতে শ্বাসকষ্ট, উপুড় হয়ে বসে থাকার প্রবণতা।
🍂 শ্বাস টানতে কষ্ট, ছাড়তে সুবিধা।
🍂 ঘুমে ঘাম, প্রথম ঘুম ভেঙে কাশি।
🍂 সাদাস্রাব – চটচটে ও জ্বালাকর।

৮. Arnica Montana
🍂 আঘাত বা রোগজনিত ব্যথা।
🍂 অস্থিরতা ও স্পর্শকাতরতা।
🍂 বিছানা শক্ত মনে হয়, কিন্তু অসুস্থতা অস্বীকার।
🍂 আতঙ্ক ও সচেতন অবস্থায় প্রলাপ।

৯. Arsenicum Album
🍂 অস্থিরতা, মৃত্যুভয় ও তীব্র দুর্বলতা।
🍂 মধ্যরাত বা মধ্য দিনে বৃদ্ধি।
🍂 তৃষ্ণা কিন্তু বারবার অল্প পানি পান, পানি পানেই বমি।
🍂 জ্বালা ও দুর্গন্ধ।

১০. Bacillinum
🍂 পারিবারিক ফুসফুসীয় দুর্বলতা।
🍂 রোগের লক্ষণ ও রোগীর অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন।
🍂 সহজে ঠাণ্ডা লাগা ও গ্রন্থি ফোলা।
🍂 দুর্বলতা ও বাচালতা।

১১. Belladonna
🍂 লালচে ত্বক ও জ্বর।
🍂 স্পর্শকাতরতা ও জ্বালাপোড়া।
🍂 আকস্মিক ও তীব্র লক্ষণ।
🍂 ব্যথা হঠাৎ আসা ও যাওয়া।

১২. Bryonia Alba
🍂 নড়াচড়ায় ব্যথা বৃদ্ধি, শান্ত থাকায় উপশম।
🍂 শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির শুষ্কতা।
🍂 আক্রান্ত স্থান চেপে ধরলে ভালো লাগা।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, গরমে উপশম।
🍂 রাগ বা রাগের ফলে অসুস্থতা।

১৩. Calcarea Carbonica
🍂 শ্লেষ্মা প্রবণতা, দেহের স্থূলতা ও শিথিলতা।
🍂 ভ্রান্ত ধারণা ও ভয়।
🍂 সামান্য পরিশ্রমে ঘাম, মাথার ঘামে বালিশ ভেজা।
🍂 দুধে অসহিষ্ণুতা, ডিম খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা।

১৪. Carcinosinum
🍂 আত্মহত্যার ইচ্ছা, ভয়, খিটখিটে মেজাজ।
🍂 ক্যান্সার বা ক্যান্সার পূর্বাবস্থার দুর্বলতা।
🍂 দুর্গন্ধযুক্ত রক্তস্রাব ও যন্ত্রণা।
🍂 অনিদ্রার ইতিহাস, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস।

১৫. Carbo Vegetabilis
🍂 দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যহানি।
🍂 ঠাণ্ডা অবস্থায় ঘাম ও বাতাসের আকাঙ্ক্ষা।
🍂 পেটে গ্যাস ও ঢেঁকুর তোলায় আরাম।
🍂 জ্বালা ও রক্তস্রাব।

১৬. Causticum
🍂 একপাশে পক্ষাঘাত (বিশেষ করে ডান দিকে)।
🍂 আশঙ্কা ও শীতকাতরতা।
🍂 ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা।
🍂 দাঁড়িয়ে না থাকলে মলত্যাগে অসুবিধা।

১৭. China Officinalis
🍂 রক্ত/শরীরিক তরল ক্ষয়জনিত দুর্বলতা।
🍂 শোথ ও পেট ফাঁপা।
🍂 নির্দিষ্ট সময়ে রোগের আবির্ভাব।
🍂 রক্তপাত প্রবণতা ও রক্তক্ষরণের সাথে খিঁচুনি।

১৮. Cimicifuga (Actaea Racemosa)
🍂 ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা।
🍂 পর্যায়ক্রমিক শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ।
🍂 জরায়ুর সমস্যায় শ্বাসকষ্ট, প্রসবব্যথা।
🍂 সেলাই বা টাইপিংয়ে ঘাড়-পিঠে ব্যথা; ঠাণ্ডায় ও নড়াচড়ায় বাড়ে।

১৯. Graphites
🍂 স্থূলতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য।
🍂 ফাটা ত্বক ও আঠালো স্রাব।
🍂 শঙ্কা ও অতিরিক্ত সতর্কতা।
🍂 মাছ, মাংস, সঙ্গীত ও সহবাসে অনীহা।

২০. Hepar Sulphuris
🍂 অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও ঠাণ্ডা লাগা প্রবণ।
🍂 খিটখিটে ও হঠকারী মেজাজ।
🍂 টক বা ঝাল খাবারের ইচ্ছা।
🍂 কাঁটা ফোটার মতো তীব্র ব্যথা।

২১. Lachesis
🍂 ঘুমের মধ্যে লক্ষণের বৃদ্ধি।
🍂 ঈর্ষা, স্পর্শকাতরতা ও বাচালতা।
🍂 বাম দিক দিয়ে রোগ শুরু বা বাম থেকে ডানে যায়।
🍂 গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি।

২২. Ledum Palustre
🍂 ঠাণ্ডা পানিতে/প্রয়োগে উপশম।
🍂 নিচের দিক দিয়ে রোগের সূত্রপাত বা নিচ থেকে উপরের দিকে ছড়ানো।
🍂 ফুলে যাওয়া।
🍂 স্নায়ুকেন্দ্রে আঘাতের পরিণতি।

২৩. Lycopodium
🍂 বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বৃদ্ধি।
🍂 ডান দিক দিয়ে রোগ শুরু বা ডান থেকে বামে যায়।
🍂 গরম খাবার-পানীয়ের ইচ্ছা, পেটে গ্যাস।
🍂 কৃপণতা, ভীতু ও একাকীত্বের আকাঙ্ক্ষা।

২৪. Medorrhinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত প্রমেহ দোষ।
🍂 জ্বালা, ব্যথা, স্পর্শকাতরতা।
🍂 ব্যস্ততা ও কান্নাকাটি।
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা, স্মৃতিভ্রংশ ও মৃত্যুভয়।

২৫. Mercurius Solubilis
🍂 রাতে, গরম বিছানায় ও গরমে বৃদ্ধি।
🍂 অতিরিক্ত ঘাম, লালা ও পিপাসা।
🍂 সবকিছুর দুর্গন্ধ, ডান কাতে শুতে অসুবিধা।
🍂 পুরু জিহ্বায় দাঁতের দাগ।

২৬. Nux Vomica
🍂 অতিরিক্ত মানসিক/শারীরিক পরিশ্রম বা রাত জাগার ফল।
🍂 বারবার মলত্যাগের প্রচেষ্টা কিন্তু অল্প।
🍂 জিদি, ঈর্ষা ও হঠকারী স্বভাব।
🍂 শীতকাতর, স্পর্শকাতর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাবাদী।

২৭. Phytolacca
🍂 স্তন ও স্তন্যের সমস্যা।
🍂 স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
🍂 দাঁত বা মাড়িতে চাপ দেয়ার ইচ্ছা।
🍂 রাতে ও গরম বিছানায় বৃদ্ধি।

২৮. Pulsatilla
🍂 পরিবর্তনশীল লক্ষণ ও মেজাজ।
🍂 কোমল, কান্নাকাটি স্বভাব।
🍂 সাধারণত তৃষ্ণাহীনতা।
🍂 গরমে বৃদ্ধি, সারাদিন গরম ভাব।

২৯. Psorinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত চর্মদোষ।
🍂 হতাশা, আতঙ্ক ও নিরাশাবাদ।
🍂 প্রচণ্ড ক্ষুধা ও তীব্র দুর্গন্ধ।
🍂 অত্যন্ত শীতকাতর।

৩০. Rhus Toxicodendron
🍂 বর্ষায় ও বিশ্রামে বৃদ্ধি।
🍂 অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে টনটনে ব্যথা ও দুর্বলতা।
🍂 জিহ্বার আগা লাল ত্রিকোণ দাগ, জ্বরে কাশি।
🍂 নড়াচড়া বা গরম সেক দিলে উপশম।

৩১. Ruta Graveolens
🍂 সন্ধি/লিগামেন্ট মচকানো বা স্থানচ্যুত的感觉।
🍂 কোমড়ে ব্যথা বা মলদ্বারের শিথিলতা।
🍂 যোনিপথে চুলকানি সহ বাম স্তনে ব্যথা।
🍂 চোখ জ্বালা ও দৃষ্টি দুর্বলতা।

৩২. Senecio Aureus
🍂 ঋতুস্রাবের বদলে রক্তকাশি।
🍂 রক্তক্ষরণজনিত শোথ।
🍂 মেনোপজের সমস্যা, জরায়ুর শিথিলতা, অনিদ্রা।
🍂 মূত্রপাথর, ডান কিডনিতে ব্যথা ও রক্তমিশ্রিত প্রস্রাব।

৩৩. Sepia
🍂 বিষণ্নতা, কান্না ও উদাসীনতা।
🍂 রক্তক্ষরণ বা গর্ভধারণজনিত জরায়ুর দুর্বলতা।
🍂 পেটে খালি ভাব, মলদ্বারে ভরা ভাব।
🍂 পরিশ্রমে উপশম, গোসল করতে অনীহা।

৩৪. Staphysagria
🍂 দমিত কামভাব ও তার ফল।
🍂 দমিত ক্রোধ ও তার ফল।
🍂 সহবাস পরবর্তী মূত্রকষ্ট বা শ্বাসকষ্ট।
🍂 চোখের গোড়ায় ফোড়া ও দাঁতের ক্ষয়।

৩৫. Sulphur
🍂 অপরিচ্ছন্নতা ও এলোমেলোভাব।
🍂 সকালে মলত্যাগ, দুপুরে ক্ষুধা।
🍂 গোসল অপছন্দ, দুধে অরুচি।
🍂 মাথার তালু, হাত-পায়ের তলায় জ্বালা।

৩৬. Syphilinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত সিফিলিস দোষ।
🍂 রাতে বৃদ্ধি, অনিদ্রা ও অরুচি।
🍂 বিকলাঙ্গতা ও পক্ষাঘাত।
🍂 ক্ষত ও দুর্গন্ধ।

৩৭. Thuja Occidentalis
🍂 আঁচিল, টিউমার ও রক্তশূন্যতা।
🍂 ঠাণ্ডা, বর্ষা ও রাত ৩টায় বৃদ্ধি।
🍂 জিদি ধারণা ও স্বপ্নবহুল ঘুম।
🍂 টিকা ও বসন্তের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

৩৮. Tuberculinum
🍂 সময়ে সময়ে জ্বর আসা।
🍂 রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা।
🍂 পারিবারিক ফুসফুসীয় দুর্বলতা, সহজেই অসুস্থ হওয়া।
🍂 রাতে কষ্টদায়ক চিন্তাভাবনা।

৩৯. Calcarea Fluorica
🍂 গ্রন্থি/টনসিল/অস্থির বৃদ্ধি, পুঁজ হওয়া।
🍂 রক্তপড়া অর্শ্ব, চোখে ছানি, নাকে দুর্গন্ধ।
🍂 মস্তিষ্ক, স্তন বা জরায়ুর টিউমার।
🍂 শীতকাতর, গরমে ও হালকা নড়াচড়ায় উপশম।

৪০. Calcarea Phosphorica
🍂 ধাতুগত দুর্বলতা ও ডায়রিয়া প্রবণতা।
🍂 মানসিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন।
🍂 ঋতুকালে মুখে ফুসকুড়ি।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, রোগ নিয়ে চিন্তা করলেই বৃদ্ধি।

৪১. Calcarea Sulphurica
🍂 যেকোনো ক্ষতে গাঢ় হলুদ পুঁজ।
🍂 জ্বরে পা ঠাণ্ডা, হাত-পা জ্বালা ও ঘাম।
🍂 সকালে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য।
🍂 মানসিক অবস্থার পরিবর্তনশীলতা।

৪২. Ferrum Phosphoricum
🍂 প্রদাহ ও জ্বরের প্রাথমিক অবস্থা।
🍂 রক্তশূন্যতা ও দুর্বলতা।
🍂 মূত্রথলির প্রদাহ, রক্তপ্রস্রাব, ব্যথাহীন ডায়রিয়া।
🍂 বাম ডিম্বাশয়ে স্নায়বিক ব্যথা।

৪৩. Kali Phosphoricum
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা ও ডায়রিয়া প্রবণতা।
🍂 মানসিক অস্থিরতা ও পরিবর্তনশীলতা।
🍂 ঋতুকালে মুখে ফুসকুড়ি।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, অসুস্থতার কথা মনে হলে বৃদ্ধি।

৪৪. Kali Muriaticum
🍂 প্রদাহের দ্বিতীয় পর্যায়।
🍂 চর্বি/মসলাযুক্ত খাবারে অজীর্ণ।
🍂 অনিয়মিত ঋতুস্রাব।
🍂 কাঁধের সন্ধিতে ব্যথা, চর্মরোগ ভালো হলে অন্যান্য লক্ষণের প্রকাশ।

৪৫. Kali Sulphuricum
🍂 প্রদাহের তৃতীয় পর্যায়।
🍂 সব স্রাব হলদেটে, দেরিতে ও কম ঋতুস্রাব।
🍂 হাম-বসন্তে শুষ্ক, খসখসে ত্বক।
🍂 হাত-পা-চোখে জ্বালা; বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বৃদ্ধি।

৪৬. Magnesia Phosphorica
🍂 স্নায়বিক ব্যথা (শূল)।
🍂 ব্যথার সাথে খিঁচুনি।
🍂 চাপ দিলে বা গরম সেক দিলে উপশম।
🍂 ঠাণ্ডায় ব্যথা বৃদ্ধি, গরমে উপশম।

৪৭. Natrum Muriaticum
🍂 মনমরা, বিষণ্ন, সান্ত্বনা পছন্দ নয়।
🍂 রোদে বৃদ্ধি, শীতল স্থানে উপশম।
🍂 লবণাক্ত খাবারের তীব্র ইচ্ছা।
🍂 প্রকাশ্যে প্রস্রাব করতে সংকোচ।

৪৮. Natrum Phosphoricum
🍂 বজ্রঝড় বা বৃষ্টির দিনে বৃদ্ধি।
🍂 অম্লপিত্ত ও খাওয়ার পর পেটে ব্যথা।
🍂 শিশুদের ডায়রিয়া ও দুধ বমি।
🍂 কৃমির লক্ষণ ও যুবকদের স্বপ্নদোষ।

৪৯. Natrum Sulphuricum
🍂 ভিজে/আর্দ্র পরিবেশে বৃদ্ধি।
🍂 বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা।
🍂 সকালে মলত্যাগ, সাথে প্রচুর বায়ু নির্গমন।
🍂 নখ পচে যাওয়া।

৫০. Silicea
🍂 আত্মবিশ্বাসহীনতা ও শীতকাতরতা।
🍂 মাথা ও পায়ের তলায় দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম।
🍂 গরমে উপশম, অমাবস্যা/পূর্ণিমায় বৃদ্ধি।
🍂 টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

---

📌 দ্রষ্টব্য: এটি একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। কোন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহারের আগে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911
১. Acid Phosphoricum
🍂 শারীরিক ও মানসিক অবসাদ।
🍂 সাদা, দুধের মতো প্রস্রাব বা বারবার প্রস্রাব।
🍂 ডায়রিয়ায় বায়ু নিঃসরণ সহ উপশম।
🍂 উদাসীনতা ও তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব।

২. Agnus Castus
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা ও অকাল বার্ধক্য।
🍂 প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে স্রাব।
🍂 লিউকোরিয়া ও জরায়ুর শিথিলতা।
🍂 মূত্রে বাতকমের মতো গন্ধ।

৩. Aconitum Napellus
🍂 আকস্মিক ও তীব্র রোগের সূত্রপাত।
🍂 অস্থিরতা, উদ্বেগ ও মৃত্যুভয়।
🍂 শরীরে জ্বালা ও তৃষ্ণা।
🍂 প্রচণ্ড শীত বা গরমের সংবেদন।

৪. Acidum Nitricum
🍂 প্রস্রাবসহ নানা স্রাবের তীব্র দুর্গন্ধ।
🍂 শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ও চর্ম সন্ধিতে ফাটা ক্ষত।
🍂 কাঁটা বিঁধার মতো যন্ত্রণা।
🍂 ওঠার সময় উপশম, দুধে বৃদ্ধি।

৫. Allium Cepa
🍂 নাক থেকে জ্বালাকর সর্দি।
🍂 পেটে গ্যাস জমা।
🍂 জুতার ঘর্ষণে ফোসকা, অপারেশনের পর স্নায়বিক ব্যথা।
🍂 নাকে পলিপ।

৬. Apis Mellifica
🍂 প্রস্রাবের কষ্ট ও অল্পতা।
🍂 ফোলা ও জ্বালাপোড়া।
🍂 গরম ও স্পর্শে অসহিষ্ণুতা।
🍂 হুল ফোটানোর মতো ব্যথা।

৭. Aralia Racemosa
🍂 শুয়ে থাকতে শ্বাসকষ্ট, উপুড় হয়ে বসে থাকার প্রবণতা।
🍂 শ্বাস টানতে কষ্ট, ছাড়তে সুবিধা।
🍂 ঘুমে ঘাম, প্রথম ঘুম ভেঙে কাশি।
🍂 সাদাস্রাব – চটচটে ও জ্বালাকর।

৮. Arnica Montana
🍂 আঘাত বা রোগজনিত ব্যথা।
🍂 অস্থিরতা ও স্পর্শকাতরতা।
🍂 বিছানা শক্ত মনে হয়, কিন্তু অসুস্থতা অস্বীকার।
🍂 আতঙ্ক ও সচেতন অবস্থায় প্রলাপ।

৯. Arsenicum Album
🍂 অস্থিরতা, মৃত্যুভয় ও তীব্র দুর্বলতা।
🍂 মধ্যরাত বা মধ্য দিনে বৃদ্ধি।
🍂 তৃষ্ণা কিন্তু বারবার অল্প পানি পান, পানি পানেই বমি।
🍂 জ্বালা ও দুর্গন্ধ।

১০. Bacillinum
🍂 পারিবারিক ফুসফুসীয় দুর্বলতা।
🍂 রোগের লক্ষণ ও রোগীর অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন।
🍂 সহজে ঠাণ্ডা লাগা ও গ্রন্থি ফোলা।
🍂 দুর্বলতা ও বাচালতা।

১১. Belladonna
🍂 লালচে ত্বক ও জ্বর।
🍂 স্পর্শকাতরতা ও জ্বালাপোড়া।
🍂 আকস্মিক ও তীব্র লক্ষণ।
🍂 ব্যথা হঠাৎ আসা ও যাওয়া।

১২. Bryonia Alba
🍂 নড়াচড়ায় ব্যথা বৃদ্ধি, শান্ত থাকায় উপশম।
🍂 শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির শুষ্কতা।
🍂 আক্রান্ত স্থান চেপে ধরলে ভালো লাগা।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, গরমে উপশম।
🍂 রাগ বা রাগের ফলে অসুস্থতা।

১৩. Calcarea Carbonica
🍂 শ্লেষ্মা প্রবণতা, দেহের স্থূলতা ও শিথিলতা।
🍂 ভ্রান্ত ধারণা ও ভয়।
🍂 সামান্য পরিশ্রমে ঘাম, মাথার ঘামে বালিশ ভেজা।
🍂 দুধে অসহিষ্ণুতা, ডিম খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা।

১৪. Carcinosinum
🍂 আত্মহত্যার ইচ্ছা, ভয়, খিটখিটে মেজাজ।
🍂 ক্যান্সার বা ক্যান্সার পূর্বাবস্থার দুর্বলতা।
🍂 দুর্গন্ধযুক্ত রক্তস্রাব ও যন্ত্রণা।
🍂 অনিদ্রার ইতিহাস, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস।

১৫. Carbo Vegetabilis
🍂 দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যহানি।
🍂 ঠাণ্ডা অবস্থায় ঘাম ও বাতাসের আকাঙ্ক্ষা।
🍂 পেটে গ্যাস ও ঢেঁকুর তোলায় আরাম।
🍂 জ্বালা ও রক্তস্রাব।

১৬. Causticum
🍂 একপাশে পক্ষাঘাত (বিশেষ করে ডান দিকে)।
🍂 আশঙ্কা ও শীতকাতরতা।
🍂 ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা।
🍂 দাঁড়িয়ে না থাকলে মলত্যাগে অসুবিধা।

১৭. China Officinalis
🍂 রক্ত/শরীরিক তরল ক্ষয়জনিত দুর্বলতা।
🍂 শোথ ও পেট ফাঁপা।
🍂 নির্দিষ্ট সময়ে রোগের আবির্ভাব।
🍂 রক্তপাত প্রবণতা ও রক্তক্ষরণের সাথে খিঁচুনি।

১৮. Cimicifuga (Actaea Racemosa)
🍂 ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা।
🍂 পর্যায়ক্রমিক শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ।
🍂 জরায়ুর সমস্যায় শ্বাসকষ্ট, প্রসবব্যথা।
🍂 সেলাই বা টাইপিংয়ে ঘাড়-পিঠে ব্যথা; ঠাণ্ডায় ও নড়াচড়ায় বাড়ে।

১৯. Graphites
🍂 স্থূলতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য।
🍂 ফাটা ত্বক ও আঠালো স্রাব।
🍂 শঙ্কা ও অতিরিক্ত সতর্কতা।
🍂 মাছ, মাংস, সঙ্গীত ও সহবাসে অনীহা।

২০. Hepar Sulphuris
🍂 অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও ঠাণ্ডা লাগা প্রবণ।
🍂 খিটখিটে ও হঠকারী মেজাজ।
🍂 টক বা ঝাল খাবারের ইচ্ছা।
🍂 কাঁটা ফোটার মতো তীব্র ব্যথা।

২১. Lachesis
🍂 ঘুমের মধ্যে লক্ষণের বৃদ্ধি।
🍂 ঈর্ষা, স্পর্শকাতরতা ও বাচালতা।
🍂 বাম দিক দিয়ে রোগ শুরু বা বাম থেকে ডানে যায়।
🍂 গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি।

২২. Ledum Palustre
🍂 ঠাণ্ডা পানিতে/প্রয়োগে উপশম।
🍂 নিচের দিক দিয়ে রোগের সূত্রপাত বা নিচ থেকে উপরের দিকে ছড়ানো।
🍂 ফুলে যাওয়া।
🍂 স্নায়ুকেন্দ্রে আঘাতের পরিণতি।

২৩. Lycopodium
🍂 বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বৃদ্ধি।
🍂 ডান দিক দিয়ে রোগ শুরু বা ডান থেকে বামে যায়।
🍂 গরম খাবার-পানীয়ের ইচ্ছা, পেটে গ্যাস।
🍂 কৃপণতা, ভীতু ও একাকীত্বের আকাঙ্ক্ষা।

২৪. Medorrhinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত প্রমেহ দোষ।
🍂 জ্বালা, ব্যথা, স্পর্শকাতরতা।
🍂 ব্যস্ততা ও কান্নাকাটি।
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা, স্মৃতিভ্রংশ ও মৃত্যুভয়।

২৫. Mercurius Solubilis
🍂 রাতে, গরম বিছানায় ও গরমে বৃদ্ধি।
🍂 অতিরিক্ত ঘাম, লালা ও পিপাসা।
🍂 সবকিছুর দুর্গন্ধ, ডান কাতে শুতে অসুবিধা।
🍂 পুরু জিহ্বায় দাঁতের দাগ।

২৬. Nux Vomica
🍂 অতিরিক্ত মানসিক/শারীরিক পরিশ্রম বা রাত জাগার ফল।
🍂 বারবার মলত্যাগের প্রচেষ্টা কিন্তু অল্প।
🍂 জিদি, ঈর্ষা ও হঠকারী স্বভাব।
🍂 শীতকাতর, স্পর্শকাতর ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাবাদী।

২৭. Phytolacca
🍂 স্তন ও স্তন্যের সমস্যা।
🍂 স্পর্শকাতরতা ও অস্থিরতা।
🍂 দাঁত বা মাড়িতে চাপ দেয়ার ইচ্ছা।
🍂 রাতে ও গরম বিছানায় বৃদ্ধি।

২৮. Pulsatilla
🍂 পরিবর্তনশীল লক্ষণ ও মেজাজ।
🍂 কোমল, কান্নাকাটি স্বভাব।
🍂 সাধারণত তৃষ্ণাহীনতা।
🍂 গরমে বৃদ্ধি, সারাদিন গরম ভাব।

২৯. Psorinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত চর্মদোষ।
🍂 হতাশা, আতঙ্ক ও নিরাশাবাদ।
🍂 প্রচণ্ড ক্ষুধা ও তীব্র দুর্গন্ধ।
🍂 অত্যন্ত শীতকাতর।

৩০. Rhus Toxicodendron
🍂 বর্ষায় ও বিশ্রামে বৃদ্ধি।
🍂 অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে টনটনে ব্যথা ও দুর্বলতা।
🍂 জিহ্বার আগা লাল ত্রিকোণ দাগ, জ্বরে কাশি।
🍂 নড়াচড়া বা গরম সেক দিলে উপশম।

৩১. Ruta Graveolens
🍂 সন্ধি/লিগামেন্ট মচকানো বা স্থানচ্যুত的感觉।
🍂 কোমড়ে ব্যথা বা মলদ্বারের শিথিলতা।
🍂 যোনিপথে চুলকানি সহ বাম স্তনে ব্যথা।
🍂 চোখ জ্বালা ও দৃষ্টি দুর্বলতা।

৩২. Senecio Aureus
🍂 ঋতুস্রাবের বদলে রক্তকাশি।
🍂 রক্তক্ষরণজনিত শোথ।
🍂 মেনোপজের সমস্যা, জরায়ুর শিথিলতা, অনিদ্রা।
🍂 মূত্রপাথর, ডান কিডনিতে ব্যথা ও রক্তমিশ্রিত প্রস্রাব।

৩৩. Sepia
🍂 বিষণ্নতা, কান্না ও উদাসীনতা।
🍂 রক্তক্ষরণ বা গর্ভধারণজনিত জরায়ুর দুর্বলতা।
🍂 পেটে খালি ভাব, মলদ্বারে ভরা ভাব।
🍂 পরিশ্রমে উপশম, গোসল করতে অনীহা।

৩৪. Staphysagria
🍂 দমিত কামভাব ও তার ফল।
🍂 দমিত ক্রোধ ও তার ফল।
🍂 সহবাস পরবর্তী মূত্রকষ্ট বা শ্বাসকষ্ট।
🍂 চোখের গোড়ায় ফোড়া ও দাঁতের ক্ষয়।

৩৫. Sulphur
🍂 অপরিচ্ছন্নতা ও এলোমেলোভাব।
🍂 সকালে মলত্যাগ, দুপুরে ক্ষুধা।
🍂 গোসল অপছন্দ, দুধে অরুচি।
🍂 মাথার তালু, হাত-পায়ের তলায় জ্বালা।

৩৬. Syphilinum
🍂 বংশগত বা অর্জিত সিফিলিস দোষ।
🍂 রাতে বৃদ্ধি, অনিদ্রা ও অরুচি।
🍂 বিকলাঙ্গতা ও পক্ষাঘাত।
🍂 ক্ষত ও দুর্গন্ধ।

৩৭. Thuja Occidentalis
🍂 আঁচিল, টিউমার ও রক্তশূন্যতা।
🍂 ঠাণ্ডা, বর্ষা ও রাত ৩টায় বৃদ্ধি।
🍂 জিদি ধারণা ও স্বপ্নবহুল ঘুম।
🍂 টিকা ও বসন্তের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

৩৮. Tuberculinum
🍂 সময়ে সময়ে জ্বর আসা।
🍂 রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা।
🍂 পারিবারিক ফুসফুসীয় দুর্বলতা, সহজেই অসুস্থ হওয়া।
🍂 রাতে কষ্টদায়ক চিন্তাভাবনা।

৩৯. Calcarea Fluorica
🍂 গ্রন্থি/টনসিল/অস্থির বৃদ্ধি, পুঁজ হওয়া।
🍂 রক্তপড়া অর্শ্ব, চোখে ছানি, নাকে দুর্গন্ধ।
🍂 মস্তিষ্ক, স্তন বা জরায়ুর টিউমার।
🍂 শীতকাতর, গরমে ও হালকা নড়াচড়ায় উপশম।

৪০. Calcarea Phosphorica
🍂 ধাতুগত দুর্বলতা ও ডায়রিয়া প্রবণতা।
🍂 মানসিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন।
🍂 ঋতুকালে মুখে ফুসকুড়ি।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, রোগ নিয়ে চিন্তা করলেই বৃদ্ধি।

৪১. Calcarea Sulphurica
🍂 যেকোনো ক্ষতে গাঢ় হলুদ পুঁজ।
🍂 জ্বরে পা ঠাণ্ডা, হাত-পা জ্বালা ও ঘাম।
🍂 সকালে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য।
🍂 মানসিক অবস্থার পরিবর্তনশীলতা।

৪২. Ferrum Phosphoricum
🍂 প্রদাহ ও জ্বরের প্রাথমিক অবস্থা।
🍂 রক্তশূন্যতা ও দুর্বলতা।
🍂 মূত্রথলির প্রদাহ, রক্তপ্রস্রাব, ব্যথাহীন ডায়রিয়া।
🍂 বাম ডিম্বাশয়ে স্নায়বিক ব্যথা।

৪৩. Kali Phosphoricum
🍂 স্নায়বিক দুর্বলতা ও ডায়রিয়া প্রবণতা।
🍂 মানসিক অস্থিরতা ও পরিবর্তনশীলতা।
🍂 ঋতুকালে মুখে ফুসকুড়ি।
🍂 ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি, অসুস্থতার কথা মনে হলে বৃদ্ধি।

৪৪. Kali Muriaticum
🍂 প্রদাহের দ্বিতীয় পর্যায়।
🍂 চর্বি/মসলাযুক্ত খাবারে অজীর্ণ।
🍂 অনিয়মিত ঋতুস্রাব।
🍂 কাঁধের সন্ধিতে ব্যথা, চর্মরোগ ভালো হলে অন্যান্য লক্ষণের প্রকাশ।

৪৫. Kali Sulphuricum
🍂 প্রদাহের তৃতীয় পর্যায়।
🍂 সব স্রাব হলদেটে, দেরিতে ও কম ঋতুস্রাব।
🍂 হাম-বসন্তে শুষ্ক, খসখসে ত্বক।
🍂 হাত-পা-চোখে জ্বালা; বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বৃদ্ধি।

৪৬. Magnesia Phosphorica
🍂 স্নায়বিক ব্যথা (শূল)।
🍂 ব্যথার সাথে খিঁচুনি।
🍂 চাপ দিলে বা গরম সেক দিলে উপশম।
🍂 ঠাণ্ডায় ব্যথা বৃদ্ধি, গরমে উপশম।

৪৭. Natrum Muriaticum
🍂 মনমরা, বিষণ্ন, সান্ত্বনা পছন্দ নয়।
🍂 রোদে বৃদ্ধি, শীতল স্থানে উপশম।
🍂 লবণাক্ত খাবারের তীব্র ইচ্ছা।
🍂 প্রকাশ্যে প্রস্রাব করতে সংকোচ।

৪৮. Natrum Phosphoricum
🍂 বজ্রঝড় বা বৃষ্টির দিনে বৃদ্ধি।
🍂 অম্লপিত্ত ও খাওয়ার পর পেটে ব্যথা।
🍂 শিশুদের ডায়রিয়া ও দুধ বমি।
🍂 কৃমির লক্ষণ ও যুবকদের স্বপ্নদোষ।

৪৯. Natrum Sulphuricum
🍂 ভিজে/আর্দ্র পরিবেশে বৃদ্ধি।
🍂 বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা।
🍂 সকালে মলত্যাগ, সাথে প্রচুর বায়ু নির্গমন।
🍂 নখ পচে যাওয়া।

৫০. Silicea
🍂 আত্মবিশ্বাসহীনতা ও শীতকাতরতা।
🍂 মাথা ও পায়ের তলায় দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম।
🍂 গরমে উপশম, অমাবস্যা/পূর্ণিমায় বৃদ্ধি।
🍂 টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

---

📌 দ্রষ্টব্য: এটি একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। কোন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহারের আগে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🚫 Respect Original Creation
কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে।
নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন।

🩺Dr.Md.Forhad Hossain
D.H.M.S(B.H.B),DHAKA
Pdt(Hom)
Consultant:Homoeopathic Medicine
Helpline:01955507911

Address

Joypur
5900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Forhad Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Md.Forhad Hossain:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category