Yahia Amin

Yahia Amin MSc- Organisational Psychology, University of London
President- LifeSpring Foundation
Chairman- LifeSpring Consultancy Limited

02/01/2026

তিন প্রজন্মের সততা, সংগ্রাম ও পরিণতির গল্প

এই পডকাস্টটা করতে যেয়ে রীতিমত আমি ভয় পাইসিখাবারের টেবিলে পরিবার নিয়ে বসে বিষ খাচ্ছি!মুরগি আর ডিম এখন এন্টিবায়োটিক ককটেল,...
01/01/2026

এই পডকাস্টটা করতে যেয়ে রীতিমত আমি ভয় পাইসি

খাবারের টেবিলে পরিবার নিয়ে বসে বিষ খাচ্ছি!

মুরগি আর ডিম এখন এন্টিবায়োটিক ককটেল, আপনি জানলে অবাক হবেন মুরগির উপরে কি অত্যাচার করা হয়

অর্গানিক মানে কতটুকু অর্গানিক? কোন মুরগি আর ডিম থেকে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে?

সব মিলিয়ে মুরগিময় জীবনে আমরা কিভাবে সঠিক মুরগি চিনতে পারি?

জানবো এই পডকাস্টে একজন বুয়েট গ্রাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার Md Imrul Hasan ভাইয়ার কাছ থেকে, যিনি কাজ করে যাচ্ছেন নিরাপদ মুরগি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে

📍 ভিডিও কমেন্টে

01/01/2026

আপনি কি আল্লাহর কাছে অবাস্তব কোন কিছু চাইতে ভয় পান?

আমরা দোয়ার শক্তিকে ঠিকভাবে বুঝতে পারি না বলেই জীবনের অনেক দরজাই বন্ধই রয়ে যায়।

অথচ দোয়া এমন এক ক্ষমতা, যা একজন ordinary মানুষের জীবনকে অসাধারণ করে দিতে পারে।

সূরা মারিয়ামের প্রথম নয়টি আয়াত থেকে দোয়ার শিক্ষা এমন, যা না জানলে আমাদের জীবন অনেকটাই বৃথা থেকে যায়। কোরআনে এত স্পষ্টভাবে আল্লাহ আমাদের সামনে এই সত্য তুলে ধরছেন, অথচ আমরা বছরের পর বছর জীবন কাটিয়েও তা উপলব্ধি করতে পারি না।

কোরআনে বহু নবী ও রাসূলের ঘটনা আসছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অনেক নবী-রাসূলের ব্যক্তিগত আমল যেমন নামাজ, রোজা, যাকাত বা হজ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা নাই।

কিন্তু একটি বিষয় প্রায় সবার ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে আসছে, আর তা হইলো দোয়া। নূহ আলাইহিস সালাম, মুসা আলাইহিস সালাম, ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম সবার দোয়ার বর্ণনাই আছে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দোয়ায় তো বুখারী ও মুসলিম শরীফ পরিপূর্ণ। অর্থাৎ দোয়া এমন একটা ইবাদত, যা কোরআন ও হাদিসে বারবার আসছে। অথচ আমাদের নিজেদের জীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, দোয়া অনেক সময় অনুপস্থিত।

দোয়া শুধু আনুষ্ঠানিক কিছু শব্দ নয়। কোরআনে যে দোয়াগুলো আসছে, সেগুলোর অধিকাংশই ব্যক্তিগত, একাকি, নিভৃতে করা দোয়া। এখানেই সূরা মারিয়ামের শুরু আমাদের জন্য এক অসাধারণ শিক্ষা।

আল্লাহ জাকারিয়া আলাইহিস সালামের কথা বলছেন। তিনি একজন নবী, আল্লাহর প্রিয় বান্দা।

আল্লাহ বলছেন, তিনি নিভৃতে, একাকি, গোপনে তাঁর রবকে ডাকলেন। এখানে কোনো জাঁকজমক নেই, কোনো আয়োজন নেই, শুধু একাগ্রতা আর আন্তরিকতা।

অনেক সময় আমাদের দোয়ায় আয়োজন থাকে, কিন্তু অন্তরের গভীরতা থাকে না।

জাকারিয়া আলাইহিস সালাম দোয়ায় তাঁর দুর্বলতার কথা বলছেন। তিনি বলছেন, তাঁর অস্থি দুর্বল হয়ে গেছে, চুল পড়ে গেছে, তিনি বৃদ্ধ। তবুও তিনি বলেন, তিনি কখনো আল্লাহর কাছে দোয়া করে নিরাশ হননি।

এরপর তিনি এমন একটি দোয়া করেন, যা বাস্তব দৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য, তিনি সন্তান চাইলেন। তাঁর স্ত্রী অনুর্বর, দুজনেই বৃদ্ধ।

তবুও তিনি দোয়া করেন, কারণ তাঁর আশেপাশে তাওহীদের পথে কেউ নেই। তিনি চান এমন একজন সন্তান, যে তাওহীদের বার্তা বহন করবে এবং যার ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকবেন।

এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হইলো, দোয়ার উদ্দেশ্য সম্পদ বা দুনিয়ার লাভ নয়, বরং দ্বীনের দায়িত্ব।

আল্লাহ তাঁর দোয়ার জবাব দেন এবং ইয়াহিয়া আলাইহিস সালামের সুসংবাদ দেন।

তখন জাকারিয়া আলাইহিস সালাম অবাক হয়ে বলেন, এটা কিভাবে সম্ভব। আল্লাহ জবাব দেন, এটা আমার জন্য সহজ। আমি তোমাকে সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি কিছুই ছিলে না।

"তোমাদের কেউ তার সব প্রয়োজনই আল্লাহর কাছে চাইবে, এমনকি তার জুতার ফিতা" (তিরমিযী ৩৫২৪)

এখানেই দোয়ার সবচেয়ে বড় শিক্ষা। আল্লাহ আমাদের শেখাচ্ছেন, এমন দোয়া করতে যা করতে আমরা ভয় পাই, যা আমাদের কাছে অসম্ভব মনে হয়। কিন্তু আল্লাহর জন্য অসম্ভব কিছুই নাই।

আমাদের জীবনে কত মানুষ আছে, যারা অসম্ভব মনে হওয়া অবস্থান থেকে আল্লাহর সাহায্যে বেরিয়ে আসছে। কিন্তু আমরা দোয়া করতে ভয় পাই। আমরা মনে করি, এই দোয়া করলে কি হবে।

অথচ কোরআন আমাদের শেখায়, এমন দোয়াই করো, যা করতে তোমার ভয় লাগে। দোয়া কবুল হলে তোমার ঈমান আরও বাড়বে। আর যদি আল্লাহ দোয়া কবুল না করেন, সেটাও তোমার জন্য কল্যাণকর, যা হয়তো তুমি এখন বুঝতে পারছ না।

সূরা মারিয়ামের শুরু আমাদের আরেকটি বড় শিক্ষা দেয়। সত্যিকারের নায়ক তারা নয়, যাদের আমরা কল্পনার জগতে দেখি। সত্যিকারের নায়ক হলেন নবী ও রাসূলরা। তাঁদের শক্তি যুদ্ধ বা বাহুবলে নয়, বরং আল্লাহর সাথে গভীর সংযোগে।

এই সংযোগ তৈরি হয় নিভৃতে করা দোয়ার মাধ্যমে। একজন বান্দা যখন আল্লাহর সাথে যুক্ত হয়, তখন তার ভিতর থেকে একটি নৈতিক ও আত্মিক শক্তি তৈরি হয়। সেই শক্তি থেকেই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গড়ে ওঠে।

দোয়া আমাদের আল্লাহর ওপর নির্ভরতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। দোয়া মানে আমি স্বীকার করছি, আমি দুর্বল, আর আল্লাহই একমাত্র সহায়। এই উপলব্ধি থেকেই জীবনের পরিবর্তন শুরু হয়।

30/12/2025

খালেদা জিয়ার মৃত্যু কেন ব্যতিক্রম!

29/12/2025

আপনি কি খেয়াল করে দেখেছেন যে আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে রোগী?

এই পৃথিবীতে এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন, যে কখনো রোগে পড়েনি। ডাক্তারও এক সময় রোগী হয়। এই বাস্তবতাটাই ইসলাম আমাদের সামনে খুব স্বাভাবিকভাবে তুলে ধরে।

আমরা যখন সুপারহিরো মুভি দেখি, তখন দেখি অবাস্তব চরিত্র সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান, ব্যাটম্যান। তারা বিপদে পড়লে অলৌকিক শক্তি দিয়ে সব ঠিক করে ফেলে।

কিন্তু আমাদের জীবনে এমন কোনো সুপারহিরো আসে না। আমাদের idol আমদের super hero আমাদের নবীরা। অতচ আমরা বিপদে পড়লে কোনো নবীর জন্য অপেক্ষা করি না যে তিনি এসে আমাদের উদ্ধার করবেন।

আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহর সাথে আমাদের প্রত্যেকের সরাসরি সম্পর্ক আছে। নবীদের কাজ ছিল সেই সম্পর্কটা আমাদের বুঝায় দেওয়া, তৈরি করে দেওয়া। নবী কখনোই আল্লাহ নন। এই জায়গাটায় ইসলাম অবিশ্বাস্যভাবে বাস্তবসম্মত।

আমাদের নবীরা সিনেমার নায়ক নন। তারা বনের রাজা নন, সমুদ্রের রাজা নন, কোনো রোমাঞ্চকর অভিযানের চরিত্র নন। তারা আমাদেরই মতো মানুষ।

কোরআনে তাদের ঘটনাগুলো এসেছে এমনভাবে যেন আমরা নিজেদের জীবনের সাথে মিল খুঁজে পাই। এই কারণেই কোরআন এত জীবন্ত, এত প্রাসঙ্গিক।

আইয়ুব আলাইহিস সালামের ঘটনা মূলত একজন রোগীর ঘটনা। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। কোরআনে তার একটি দোয়া এসেছে, “ইন্নি মাসসানিয়াদ দুর্রু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমিন।” এর অর্থ খুব সহজ কিন্তু গভীর।

তিনি বলছেন, কষ্ট আমাকে স্পর্শ করছে, আর আপনি সব রহমতের মালিক। এখানে তিনি অভিযোগ করছেন না, প্রশ্ন তুলছেন না, শুধু বাস্তবতাটা স্বীকার করছেন এবং আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা রাখছেন।

এই দোয়ার ভেতরে তিনটি শক্তিশালী শিক্ষা লুকায় আছে। প্রথমত, গ্রহণ করা। তিনি অস্বীকার করেননি যে তিনি অসুস্থ। অনেক সময় আমরা রোগ, দেউলিয়াত্ব, পারিবারিক ভাঙন এসব কিছুই মানতে চাই না।

এই অস্বীকার করা আমাদের কষ্ট কমায় না, বরং বাড়ায় দেয়। আইয়ুব আলাইহিস সালাম কষ্টকে স্বীকার করেছেন। এই স্বীকার করাটাই মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় শক্তি।

দ্বিতীয়ত, ধৈর্য। আল্লামা ইবন কাসীর তাঁর Tafsīr Ibn Kathīr-এ (তাফসির সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৩–৮৪ ও সূরা সাদ ৩৮:৪১–৪৪) বর্ণনা করেন যে, তিনি বহু বছর রোগভোগ, সম্পদহানি ও সামাজিক দূরত্ব সহ্য করেছেন তবু কোনো অভিযোগ না করে ধৈর্য ধারণ করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন।

অথচ তিনি আল্লাহর উপর আস্থা হারাননি। তিনি কোনো নাটকীয় কাজ করেননি, শুধু ধৈর্য ধরে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক আঁকড়ে ছিলেন। আল্লাহ তাকে এজন্যই সম্মান দিয়েছেন।

তৃতীয়ত, রহমতের আশা। তিনি শুধু একবার দোয়া করেননি। বারবার করেছেন। আল্লাহর রহমতের ওপর আশা কখনো ছাড়েননি। পরবর্তীতে আল্লাহ তাকে শুধু রোগমুক্তই করেননি, বরং আগের চেয়েও বেশি নিয়ামত ফিরিয়ে দিয়েছেন।

আজকের আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বিষয় পরিষ্কার যে psychology ও sprituality রোগীর সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখে।

উন্নত দেশগুলোর হাসপাতালে স্পিরিচুয়াল সাপোর্ট দেওয়া হয়, Harold G. Koenig, Duke University; WHO-supported psychosocial-spiritual care studies; PubMed ও BMJ-তে প্রকাশিত গবেষণায় প্রমাণিত যে, স্পিরিচুয়াল সাপোর্টে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ে। কোরআন ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস একজন রোগীকে সেই মানসিক শক্তি দিতে পারে, যা তাকে ভেঙে পড়তে দেয় না।

অতচ বাংলাদেশে এই জিনিসগুলোকে এখনো ''খ্যাত” হিসেবে দেখে মানুষ।

সর্বোপরি আমরা যেন মনে রাখি রোগ বা বিপদ আল্লাহর অনুপস্থিতির প্রমাণ না। অনেক সময় এটা আল্লাহর নৈকট্যের দরজা।

আইয়ুব আলাইহিস সালামের মতো আমরা যদি কষ্টকে গ্রহণ করি, ধৈর্য ধরি এবং আল্লাহর রহমতের ওপর অটল থাকি, তবে সেই কষ্টই একদিন আমাদের মর্যাদার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

একটা কঠিন সত্য স্বীকার করতে হবে। ইসরাইল এখনও শক্তিশালী। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে যে একচেটিয়া আধিপত্য তারা ভোগ করেছে, সেই যু...
28/12/2025

একটা কঠিন সত্য স্বীকার করতে হবে। ইসরাইল এখনও শক্তিশালী। কিন্তু গত ৫০ বছর ধরে যে একচেটিয়া আধিপত্য তারা ভোগ করেছে, সেই যুগ প্রায় শেষের দিকে।

এটা আবেগ না, এটা স্ট্র্যাটেজিক রিয়ালিটি।

এক সময় দৃশ্যটা ছিল ভিন্ন
ইসরাইল ছিল আকাশের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক শক্তি

সিরিয়ার আকাশ যেন ছিল “ফ্রি এয়ারস্পেস।”
প্রতিবেশীরা দেখত, বুঝত, কিন্তু থামাতে পারত না।

এখন সেই চিত্র বদলাচ্ছে।

✔ তুরস্কের ড্রোন সুপিরিয়রিটি

তুরস্ক এখন আর শুধু বক্তৃতার দেশ নয়। তারা ড্রোন ওয়ারফেয়ারের বাস্তব মাস্টার। লিবিয়া, নাগোর্নো-কারাবাখ, ইউক্রেন সব জায়গায় তুর্কি ড্রোন প্রমাণ করেছে যে কম খরচে, নির্ভরযোগ্য এবং নেটওয়ার্কড যুদ্ধ কৌশলে এগুলো অত্যন্ত কার্যকর।

আজ ড্রোন মানে শুধু নজরদারি নয়, ড্রোন মানেই কৌশলগত শক্তি। এই জায়গায় তুরস্ক ইসরাইলের একচেটিয়া অবস্থান ভেঙে দিয়েছে।

✔ সিরিয়ায় তুরস্কের রাডার: অদৃশ্য আকাশযুদ্ধের সমাপ্তি

তুরস্ক সিরিয়ায় রাডার স্থাপন করছে। এর ফলে কে আকাশে কোথা দিয়ে উড়ছে, কোন রুট ব্যবহার করছে, কখন অপারেশন চলছে এগুলো আর আগের মতো অদৃশ্য থাকছে না। এটাই ইসরাইলের বড় অস্বস্তির জায়গা।

✔ GCC দেশগুলোর আধুনিক এয়ার ফোর্স

GCC দেশগুলো এখন F-35 সহ আধুনিক ফাইটার জেট সংগ্রহ করছে। তাদের মূল লক্ষ্য ইসরাইল নয়, কিন্তু ফলাফল পরিষ্কার ইসরাইল আর একমাত্র “হাই-টেক এয়ার পাওয়ার” হিসেবে একচ্ছত্র সুবিধা ভোগ করছে না।

✔ আমেরিকা আর আগের মতো নিঃশর্ত নয়

এক সময় আমেরিকা ছিল ইসরাইলের নিশ্চিত ঢাল। আজ বাস্তবতা বদলেছে। যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব অভ্যন্তরীণ সংকট, চীন ও রাশিয়ার প্রতিযোগিতা এবং বৈশ্বিক ভারসাম্যের দিকে বেশি মনোযোগী।

ফলে মধ্যপ্রাচ্যে “ফ্রি চেক” দেওয়ার যুগ শেষ হয়ে গেছে। সমর্থন এখনও আছে, কিন্তু তা আর নিঃশর্ত নয়।

✔ রাশিয়া: নিরপেক্ষ স্বার্থকেন্দ্রিক অবস্থান

রাশিয়া সিরিয়ায় উপস্থিত আছে, কিন্তু তারা কারও পক্ষ নেয় না। তারা কেবল নিজেদের স্বার্থ দেখে। অর্থাৎ ইসরাইল আর দুই সুপারপাওয়ারকে একই সাথে পুরোপুরি নিজের পক্ষে রাখতে পারছে না।

তাহলে কি ইসরাইল শেষ হয়ে যাচ্ছে?

না, তা নয়। ইসরাইল এখনো শক্তিশালী।

তবে আগের মতো অবাধ এবং একচ্ছত্র আধিপত্য আর নেই। এটাকে পতন বলা যাবে না, বরং শক্তির ভারসাম্য বদলাচ্ছে। আর ইতিহাস বলে, যখন শক্তির সমীকরণ বদলায়, তখনই নতুন যুগের শুরু হয়।

আপনার মতামত কি? কমেন্টে জানাতে পারেন

27/12/2025

আমরা অনেক মানুষই জুয়া খেলি কিন্তু আমরা বুঝি না যে আমরা জুয়া খেলতেছি

আমরা ভাবি আমরা ইনভেস্ট করছি, সুযোগ কাজে লাগাচ্ছি, স্মার্ট ডিসিশন নিচ্ছি। অথচ বাস্তবে আমরা লোভের কাছে নিজেকে ছেড়ে দিচ্ছি।

এই জুয়া একদিকে হারাম, আরেকদিকে সরাসরি ক্ষতিকর। খুব সিম্পল একটা উদাহরণ ধরেন অনলাইনে বাইক।

কোনো একটা ওয়েবসাইট বলছে, দুই টাকার জিনিস চার টাকায় রিটার্ন দেবে। আমি এক মুহূর্তও ভাবছি না, ঝাঁপিয়ে পড়ছি।

তখন আমি নিজেকে বলছি না যে আমি জুয়া খেলছি, আমি বলছি আমি সুযোগ নিচ্ছি।

আমি যতক্ষণ লাভ পাচ্ছি, ততক্ষণ সব ঠিক। আমি খুশি, আমি অন্যদেরও বলছি, দেখো কত ভালো।

কিন্তু যেই মুহূর্তে লাভ বন্ধ হয়, আমি তখনই বলছি, ও চোর, ও প্রতারক। তখন প্রশ্ন আসে, ও যদি চোর হয়, আমি কে? আমি আসলে একজন লোভী, যে ঝুঁকি বুঝেও চোখ বন্ধ করে খেলেছে।

এই লোভের প্যাটার্ন শুধু অনলাইনে না, বাস্তব জীবনেও একই।

ফাইনান্সিয়াল ডিসিশনের একটা বড় অংশ আসলে টাকার অঙ্ক না, মানুষের আবেগ। মানুষ যতটা না ভুল করে অংকে, তার চেয়েও বেশি ভুল করে নিজের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে।

শেয়ার মার্কেট থেকে শুরু করে অনলাইন ইনভেস্টমেন্ট, লোন, কেনাকাটা সব জায়গাতেই আবেগ ঢুকে গেলে সিদ্ধান্ত আর যুক্তির থাকে না, থাকে শুধু লোভ, ভয় আর উত্তেজনা।

দিনের পর দিন মানুষ নিজের টাকা তো ইনভেস্ট করছেই, সাথে বাবার টাকা, মায়ের টাকা, পেনশনের টাকা, জীবনের সর্বস্ব ঢেলে দিচ্ছে।

বাইরে থেকে একে ইনভেস্টমেন্ট মনে হলেও ভেতরে ভেতরে এটা অনেক সময় খাঁটি জুয়া। পার্থক্য শুধু এতটুকু ক্যাসিনোতে খেললে মানুষ জানে সে জুয়া খেলছে,

আর এখানে খেললে মানুষ ভাবে সে খুব স্মার্ট কিছু করছে।

লোন নেওয়ার বিষয়টাও ঠিক এমন। প্রথমবার লোন নিতে খারাপ লাগে, দ্বিতীয়বার একটু কম, তৃতীয়বার আর লাগে না।

এক সময় লোনটাই হয়ে যায় জীবন চালানোর মাধ্যম। ঢাকায় এখন অনেক মানুষ আছে যাদের পুরো লাইফটাই লোনের ওপর দাঁড়িয়ে।

আজকে একটা লোন, কালকে আরেকটা, পরশু আবার নতুন লোন। অথচ কেউ থেমে ভাবছে না আমি কি আসলে এটা অ্যাফোর্ড করতে পারি?

টেলিভিশনের নিউজে আমরা দেখি, মানুষ বাবা-মায়ের জমানো টাকা আর স্ত্রীর গয়না বিক্রি করে অনলাইন কোম্পানিতে মোটরসাইকেল কিনছে।

৯০ লাখ টাকার বাইক। আশা একটাই, কোম্পানি বাইক দেবে, বিক্রি করে সবাইকে টাকা ফেরত দেওয়া যাবে। এটা আসলে ওয়ার্স্ট পসিবল মানি ম্যানেজমেন্ট। এখানে কোনো প্ল্যান নেই, আছে শুধু লোভ আর আশা।

গ্লোবালি সবাই বলে, “Don’t put all your eggs in one basket” মজার বিষয় হলো, মানুষ নিজের তো কোনো এগই রাখছে না।

আবার ধার করা ডিম নিয়ে সব এক বাস্কেটে ঢেলে দিচ্ছে। নিজের সেভিংস নাই, নিজের সেফটি নাই, তবুও ইনভেস্টমেন্ট চলছে পুরোদমে।

এটাকে মানুষ ইনভেস্টমেন্ট বলে, কিন্তু এটা আসলে ফাইনান্সিয়াল সাইকোলজির ব্যর্থতা।

আমি সবসময় ফাইনান্স নিয়ে কথা বলি মূলত এই ফাইনান্সিয়াল সাইকোলজির জন্যই। কারণ আপনি যদি নিজের মনকে না বোঝেন, তাহলে আপনি বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন।

জুয়াড়ি কেন জুয়া খেলে? সে কি জানে না এটা ক্ষতিকর?

জানে। তবুও খেলে। কারণ সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

একজন মানুষের বেতন পাঁচ হাজার টাকা, কিন্তু সে পাঁচ লাখ টাকার ঘড়ি কিনছে। কেন? কারণ সে তার ফাইনান্সিয়াল সাইকোলজি বোঝে না। সে জানে এটা ভুল, তবুও থামতে পারে না।

এই একই জিনিস আমরা শেয়ার মার্কেটে দেখছি। হাইপ উঠলে মানুষ অ্যাড্রেনালিন রাশে ভরে যায়। আজ কিনবে, কাল বিক্রি করবে। দাম বাড়ছে মানেই সুযোগ। সেখানে যুক্তি নাই, আছে উত্তেজনা।

অনলাইন স্কিমেও একই ব্যাপার।

শেষ পর্যন্ত কথা একটাই। আপনি লোন নিয়ে যদি এমন কিছু করেন যা আপনি অ্যাফোর্ড করতে পারেন না, সেটা ইনভেস্টমেন্ট না, সেটা আবেগের ফল।

বিদেশ ভ্রমণ, বড় কেনাকাটা, ঝুঁকিপূর্ণ স্কিম সবই তখন পুওর মানি ম্যানেজমেন্টে পরিণত হয়।

আবেগকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে টাকা যতই থাকুক, ফাইনান্সিয়াল শান্তি কখনোই আসবে না।

23/12/2025

ভেনেজুয়েলা কি পরবর্তী ইউক্রেন? ট্রাম্পের যুদ্ধ ছক

23/12/2025

প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু।

প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়।

আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য

আল্লাহ বলেন:
“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫)

এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি।

আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা?

রাসুল (ﷺ) বলেছেন:
“মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১)

রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে।

মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, তাহলে সেই জীবনেই আমরা আল্লাহর সাক্ষাৎ পাবো।

সেখানে থাকবে না কোনো দুঃখ, কষ্ট বা অপূর্ণতা। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবলে মৃত্যু কি আসলেই পুরস্কার নয়?

কিন্তু যারা মুমিন নয়, যারা দুনিয়াকেই তাদের জীবনের সবকিছু মনে করেছে, যাদের কাছে দুনিয়ার সাফল্যই সবচেয়ে বড় সাফল্য, তাদের জন্য মৃত্যু কোনো পুরস্কার নয়। বরং তা এক কঠিন আযাব, যার থেকে তাদের মুক্তি নেই।

এখন কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে কল্পনা করুন। আপনি মারা গেছেন, এবং আপনার মৃত্যুর কয়েক মাস পেরিয়ে গেছে। আপনি রুহ বা আত্মিক সত্তা হিসেবে নিজের বাসায় ফিরে এলেন। দেখলেন আপনার স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা সবাই যে যার মতো ব্যস্ত।

যে কোম্পানিটা আপনি মনে করতেন আপনার ছাড়া চলবে না, সেটি দিব্যি চলছে।

আপনি না থাকলেও ঘরের কাজ কেউ না কেউ ঠিকই করছে। সবাই নিজেদের মতো করে জীবন গুছিয়ে নিয়েছে। আপনার জায়গা, আপনার দায়িত্ব সবই অন্য কেউ পালন করছে। কিছুই থেমে নেই।

এই কল্পনাটা যখন আপনি সত্যি করে ভাববেন, তখন নিজের অজান্তেই একটি প্রশ্ন সামনে আসবে। আসলে আমার কোন বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত? দুনিয়ার চিন্তা, নাকি আল্লাহর ইবাদত?

এই কারণেই বলা হয়, মরার আগেই মৃত্যু নিয়ে ভাবা উচিত। কারণ মৃত্যুর পরে শতবার ভাবলেও তখন আর কোনো লাভ হবে না।

আল্লাহ বলেন:
“যখন তাদের নির্ধারিত সময় এসে যাবে, তখন তারা এক মুহূর্তও দেরি বা আগ-পিছ করতে পারবে না।” (সূরা ইউনুস, আয়াত ৪৯)

মৃত্যু নিয়ে মাঝে মাঝে ভাবুন। নিজের আনন্দের জন্য যখন দামি কিছু কিনতে যাবেন, তখন একবার ভেবে দেখুন। কবরের বাস্তবতায় আপনি কেমন অবস্থায় থাকবেন।

এই দুনিয়ায় কিছু সময়ের বিলাসিতা হয়তো আপনাকে খুব আনন্দ দিচ্ছে, কিন্তু সেই আনন্দ যে ক্ষণিক, তা খুব শীঘ্রই স্পষ্ট হয়ে যাবে।

তাই সময় থাকতে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন। যেটা সঠিক, সেটাই করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জান্নাতে যাওয়ার তৌফিক দিন। আমিন।

আল্লাহ বলেন:
“অতঃপর তোমাদের প্রভুর কাছেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।”
(সূরা আস-সাজদাহ, আয়াত ১১)

22/12/2025

অনেকদিন বেঁচে থাকার চেয়ে বেশী জরুরী ইমপ্যাক্ট তৈরি করা

মানুষ অনেক সময় মনে করেন শুধু আমেরিকাতে সুবিচার আছে।সব অবিচার বাংলাদেশে।কিন্তু সত্যটা হলো, আমেরিকাতে সব সময় সুবিচার হয় না...
22/12/2025

মানুষ অনেক সময় মনে করেন শুধু আমেরিকাতে সুবিচার আছে।

সব অবিচার বাংলাদেশে।

কিন্তু সত্যটা হলো, আমেরিকাতে সব সময় সুবিচার হয় না।

একজন ইমাম।
কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত নন।
কোনো রায় হয়নি।
কোনো সাজা হয়নি।

তবুও তাকে ২১৫ দিন আটকে রাখা হলো ইমিগ্রেশন ডিটেনশনে
শুধু কোর্ট হিয়ারিংয়ের অপেক্ষায়।

কিন্তু সেই হিয়ারিং আর হলো না।

তিনি মারা গেলেন কোর্টে পৌঁছানোর আগেই।

তার নাম Sheikh Fouad Saeed Abdulkadir

বুকে তীব্র ব্যথার অভিযোগ জানানোর পর

‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’-তে নেওয়া হয়,
কিন্তু জীবিত ফিরতে পারেননি।

এই মৃত্যু কোনো “দুর্ঘটনা” নয়
এটা একটি সিস্টেমিক ব্যর্থতা।

একটা তুলনা করি

এই ঘটনাটা যদি বাংলাদেশে ঘটত,
যদি কোনো বাংলাদেশি ইমাম এভাবে
বিচার ছাড়াই, রায় ছাড়াই মারা যেতেন

কিছু মানুষ হয়তো রাস্তায় নামত
কিছু প্রতিবাদ হতো
কিছু মিডিয়া প্রশ্ন তুলত
কিছু মানুষ রাষ্ট্রকে জবাবদিহির জন্য আঙ্গুল তুলতো

কিন্তু আমেরিকাতে?

একজন মানুষ নীরবে মারা গেল, এরকম হুটহাট ঘটনা প্রতিনিয়তই হচ্ছে যদি চোখ কান খোলা থাকে, জানবেন

কোনো জুরি ট্রায়াল ছাড়াই
কোনো রায়ের আগেই, চলে যায় প্রাণ

আপনি কী বলবেন?
আপনার কী করার আছে?

এখন আরও কিছু প্রশ্ন-

ইরাক যুদ্ধের পর
আফগানিস্তান যুদ্ধের পর

সাধারণ ইরাকি বা আফগান মানুষ কি প্রকৃত সুবিচার পেয়েছে?

লাখ লাখ নিরীহ মানুষের মৃত্যু, ঘরছাড়া হওয়া, আজীবন ট্রমার জন্য

কেউ কি সত্যিকারের জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছে?

নাকি সবকিছু শেষ হয়ে গেছে

একটা শব্দে— “Collateral damage”?

আরেকটা প্রশ্নঃ

আমেরিকাতে পুলিশি সহিংসতা কি সত্যিই বন্ধ হয়েছে?

কালো মানুষ, লাতিনো, অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কি শেষ?

নাকি শুধু তখনই আমরা দেখি,
যখন ক্যামেরা চালু থাকে?

আর ক্যামেরা না থাকলে
থাকে শুধু নীরবতা।

আমেরিকাতে আইন আছে? হ্যাঁ আছে।
কিন্তু আইন আর সুবিচার এক জিনিস নয়।

বিশেষ করে যখন আপনি-

মুসলিম

অভিবাসী

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষ

অথবা ক্ষমতাহীন

তখন সেই “সুবিচার” আপনাকে
আসলে কতটা ছুঁয়ে দেখে?

এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী না।
এই লেখা অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।

এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী নয়।
এই লেখা সত্যের বিরুদ্ধে অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।

অন্ধ বিশ্বাস বলে-
“ওখানে সব ঠিক আছে”
“ওরা সভ্য, তাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত”

একজন ইমাম মারা গেল

একজন নিরীহ মানুষ

কোনো রায়, কোনো বিচার ছাড়াই

অন্যায়, অবিচার কখনো দেশ দেখে বিচার করা যায় না। এটা একটা সিস্টেম, যেটা ঠিকভাবে চালু থাকলে যেকোনো অবিচারকেই প্রশ্ন তোলা যায়।

সবচেয়ে ভয়ংকর অন্যায় হলো, সব বুঝলাম, কিন্তু কোন সাড়া শব্দ দেখবেন না, কারন চোখে উন্নত দেশের কাপড় দেওয়া।

21/12/2025

জানাজায় ১০ লাখ+ মানুষ! কেন?

Address

Level # 6/Union Heights (extension Wing # 2, Square Hospitals), 55/2 Panthapath, Dhaka
Kalabaga
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yahia Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Yahia Amin:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category