Yahia Amin

Yahia Amin MSc- Organisational Psychology, University of London
President- LifeSpring Foundation
Chairman- LifeSpring Consultancy Limited

31/01/2026

দেশে বা প্রবাসে ঘরে বসে আপনার সন্তানকে দক্ষ হাফেজ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টায় | Fajr Academy

31/01/2026

নিজের ছায়া থেকে বাঁচতে কি দিগন্তের ওপারে পালানো যায়?

অথচ আমরা ভাবি, জীবনের সব কোলাহল ছেড়ে নির্জনে গেলেই মনে হয় কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্যের দেখা মিলবে।

আমাদের অনেকেরই এমন একটা ভাবনা থাকে যে,
“সব ছেড়ে কোথাও চলে গেলে, পাহাড়ে গিয়ে ধ্যান করলে, তখনই বুঝি আমি আধ্যাত্মিক হয়ে যাব।”

কিন্তু এটা ভুল ধারণা।

তোমাকে এই পৃথিবীতে পাঠানো হয়নি শুধু ভেসে থাকার জন্য।
তোমাকে পাঠানো হয়েছে এটাকে ঠিক করার জন্য।

তোমার জীবনের চাপ, অন্ধকার সময়, কঠিন মানুষ, ক্লান্ত দিন এগুলো তোমাকে তোমার উদ্দেশ্য থেকে দূরে নিচ্ছে না।

বরং এগুলোই তোমার উদ্দেশ্য।

চ্যালেঞ্জটা পালিয়ে যাওয়ার না
চ্যালেঞ্জটা হলো ঠিক এখানেই থাকা

এই মুহূর্তে, এই অগোছালো অবস্থার মাঝেই দাঁড়িয়ে এটাকে ভালো কিছুর দিকে বদলে দেওয়া।

তুমি যত উপরে উঠতে চাও, তত আগে নিচে নামতে হবে।
কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র জায়গা আকাশে নয়।

সবচেয়ে পবিত্র জায়গা হলো সেই অন্ধকার জায়গাটা,
যেখানে তুমি নিজে আলো জ্বালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছ।

Inspired by Rabbi Shalom Landau (content creator)

30/01/2026

১৪০০ বছরের পুরনো চীনের ঐতিহাসিক যে মসজিদ!

29/01/2026

আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে "গ্রাম" শব্দটাকেই আড়াল করে রাখা হয়

বাবার কাঁধটা সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় আশ্রয়।সেই আশ্রয় যখন হুট করে সরে যায়, তখন পায়ের নিচের মাটিটাও যেন নড়বড়ে হয়ে যায়। রিজ...
29/01/2026

বাবার কাঁধটা সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় আশ্রয়।

সেই আশ্রয় যখন হুট করে সরে যায়, তখন পায়ের নিচের মাটিটাও যেন নড়বড়ে হয়ে যায়।

রিজভী(ছদ্মনাম)গল্পটা ঠিক সেখান থেকেই শুরু।

ছেলেটা ভীষণ মেধাবী, কিন্তু হঠাৎ করেই যেন সব থমকে গেল!

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস। বাবার মৃত্যুর পর রিজভীর জগতটা এলোমেলো হয়ে গেল।

যে ছেলেটার চোখে ছিল আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন, সে হঠাৎ করেই নিজেকে গুটিয়ে নিল। কাজে মন বসে না, কোনো কিছুতেই ফোকাস করতে পারে না। দিনের পর দিন যায়, কিন্তু জীবনের গাড়িটা আর এগোয় না।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মাঝখানের এই দীর্ঘ সময়টা তার কেটেছে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতায়।

নিজের কাছেই নিজের মনে হতো, "আমি বোধহয় অলস হয়ে গেছি। আমার দ্বারা আর কিছু হবে না।"

আশেপাশের মানুষ হয়তো ভেবেছে ছেলেটা অবহেলা করছে, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছে না। কিন্তু শাফায়াতুল জানতেন, তিনি চেষ্টা করেও পারছেন না।

শোকের ছায়াটা তাকে এমনভাবে গ্রাস করেছিল যে, স্বাভাবিক জীবনটাই তার কাছে পাহাড়সমান কঠিন মনে হচ্ছিল।

ঠিক তখনই রিজভী বুঝতে পারলেন, সমস্যাটা তার ইচ্ছাশক্তিতে নয়, সমস্যাটা আসলে মনের। শোক যখন শক্তিতে রূপান্তর না হয়ে হতাশায় রূপ নেয়, তখন দরকার পড়ে একজন সঠিক মেন্টরের, একজন বিশেষজ্ঞের হাত।

বন্ধুকে নিয়ে তিনি এসেছিলেন লাইফস্প্রিং-এর চট্টগ্রাম ব্রাঞ্চে। সেখানে সাইকোলজিস্ট অভিজিতের সাথে তার প্রথম কাউন্সেলিং সেশন হয়, তারপর তিনি একটু নিজের কনফিডেন্স ফিরে পান।

এভাবে টানা ৩ মাস কাউন্সেলিং এবং বিভিন্ন মাইন্ডফুলনেস প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে রিজভী নিজের চিন্তাগুলো আবার সুন্দরভাবে গুছিয়ে তুলতে পারেন।

যে কুয়াশা তার চোখ ঢেকে রেখেছিল, তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করল। কাউন্সেলিং তাকে শেখাল, কীভাবে শোক কাটিয়ে আবার নতুন করে বাঁচতে হয়, কীভাবে ফোকাস ধরে রাখতে হয়।

তারপর? বাকিটা এখন ইতিহাস! আলহামদুলিল্লাহ। যে ছেলেটা হতাশায় ডুবে ছিল, আজ সে চীনের বিখ্যাত হারবিন ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছে। নিজের স্বপ্নের পথে আবারও ছুটতে শুরু করেছে দুর্বার গতিতে।

রিজভীর মতো আমাদের চারপাশে এমন অনেকেই আছেন, যারা প্রিয়জন হারানোর শোকে বা ক্যারিয়ারের হতাশায় বছরের পর বছর নষ্ট করে ফেলছেন।

অনেকে ভাবেন, "সময় গেলেই ঠিক হয়ে যাবে।" কিন্তু মনের জট খুলতে সময়ের চেয়েও বেশি প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসার এবং গাইডলাইনের।

প্রতিদিন অসংখ্য মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাগুলো বয়ে বেড়াচ্ছেন রিজভীর মতো অনেকে।

কেউ হয়তো প্রকাশ করতে পারে না, কেউবা নিজেই জানেন না কিংবা অনেক সময় পরিবার থেকে সহযোগিতা পান না।

লাইফস্প্রিং-এ এমন অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন তাঁদের জীবনের গল্পগুলো নিয়ে আসেন, এবং আমাদের ঢাকা চট্টগ্রামের প্রায় ৬০ জনের এক্সপার্ট প্রফেশনাল তাঁদের আন্তরিকতায় সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করে থাকেন।

এমন অসংখ্য রোগীদের দোয়ায়

তাঁদের সুস্থ হয়ে ওঠার গল্পেই

দিনে দিনে আরও বড় হচ্ছে লাইফস্প্রিং পরিবার।

আপনার কিংবা প্রিয়জনদের যেকোনো মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় পাশে আছি আমরা, সবসময়।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ও অন্যান্য তথ্য জানতে কল করুনঃ 09638 505 505 অথবা WhatsApp: 01301-466281

28/01/2026

মুসলমানদের জন্য চীন কেন আমেরিকার চেয়ে ভালো?

যে সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল আমেরিকার সুরক্ষার জন্য, আজ কেন সেই সংস্থাই খোদ মার্কিন নাগরিকদের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়ে...
28/01/2026

যে সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল আমেরিকার সুরক্ষার জন্য, আজ কেন সেই সংস্থাই খোদ মার্কিন নাগরিকদের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে?

সম্প্রতি ICE নিয়ে পুরো বিশ্বে অনেক কথা হচ্ছে, ICE এর বিরুদ্ধে আমেরিকার নাগরিকরা আন্দোলন করছে। কিন্তু অনেকের কাছেই ICE কারা, কিভাবে আসলো এই বিষয় গুলো ক্লিয়ার না।

ICE (Immigration and Customs Enforcement) এর কাজ হইলো আমেরিকায় থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ধরা ও ডিপোর্ট করা। ICE মূলত যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) ও কাস্টমস আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা একটা সংস্থা।

ICE গঠন করা হয় ২০০৩ সালে, কিন্তু এর পেছনের কারণ শুরু হয় তারও আগে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্ক সিটিতে সংঘটিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর।

অনেকেই মনে করে Donald Trump এসে এই ICE বানায়ছে, কিন্তু এই কথাটা ভুল। তবে ট্রাম্প আসার পর ICE এর funding বাড়ছে এটা ঠিক।

মাত্র ১০ বছর আগে ICE এর বার্ষিক বাজেট ছিল ৬ বিলিয়ন ডলারেরও কম, যা Department of Homeland Security–এর অন্যান্য সংস্থার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে অনেক কম ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার আসার পর ICE–এর বাজেট হঠাৎ করেই অনেক বেড়ে যায়।

বর্তমানে এটা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অর্থায়নপ্রাপ্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় পরিণত হইছে, যার বাজেট এখন প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ।

এতো বাজেটের পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে গত জুলাইয়ে কার্যকর হওয়া One Big Beautiful Bill Act।
বহু বছর ধরে ICE–এর বাজেট যেখানে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতেছিল, সেখানে এই আইনের পর তা হঠাৎ করেই সেটা ৮৫ বিলিয়নে চলে যায়।

স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে ICE এর কাগজে লিখা কাজ কোন খারাপ কিছু না এমনকি অবৈধ অভিবাসীদের ওবামাও আমেরিকা থেকে বের করেছিলো। কিন্তু এতটা বর্বরতা, এতটা প্রকাশ্য হয়রানি ছাড়া।

এখন ICE এজেন্টদের মন চাইলে তারা এখন একজন নিরস্ত্র মাকেও গুলি করতে পারে, আর তার পরে প্রেসিডেন্টসহ পুরো সরকারি ব্যবস্থা সেই খুনি অফিসারকে বাঁচাতে আগায় আসে। কিছু পরিসংখ্যান বলতেছে ICE এখন পর্যন্ত ৭৫ হাজার মানুষকে গ্রেফতার করছে কোন ক্রিমিনাল রেকর্ড ছাড়া।

এমনকি নর্দার্ন এক্সপোজার সিরিজে অভিনয়ের জন্য পরিচিত এক “নেটিভ” আমেরিকান অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে তাকে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) কর্মকর্তারা আটক করছিলেন। তাদের দাবি ছিল, তার ট্রাইবাল পরিচয়পত্রটি “নকল মনে হচ্ছে।”

ICE এর এমন কার্যকলাপের জন্য আমেরিকানরা আন্দোলন করতেছেন, X প্ল্যাটফর্মেও অনেক আমেরিকান ICE এর জন্য তারা লজ্জিত এমন পোস্ট করতেছে।

গত বছর ICE–এর ডিটেনশন সেন্টারে ৩০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে। ২০২৬–এর প্রথম ১০ দিনেই ৪ জন মারা গেছে।

যেখানে মানুষ ফান্ড বন্ধ করার কথা বলতেছে, সংস্কারের দাবি তুলতেছে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রধানকে সরানোর দাবি করতেছে। সেখানে ট্রাম্প আর সরকার ICE এর funding বাড়ায় দেওয়ার কথা বলতেছে, ICE এর কার্যক্রমে সম্পূর্ণ support দিচ্ছে।

আর এটাই হইলো বর্তমান ICE এর চিত্র।

সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের বাচ্চার যে মেধা আর চিন্তার লেভেল, আমাদের অনেক গ্র্যাজুয়েটদের মেধা কি আজ সেই পর্যায়ে আছে? তিতা...
27/01/2026

সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের বাচ্চার যে মেধা আর চিন্তার লেভেল, আমাদের অনেক গ্র্যাজুয়েটদের মেধা কি আজ সেই পর্যায়ে আছে?

তিতা শোনালেও কথাগুলো সত্য।

আমরা এখনো 'রক্ত দিয়েছি', 'ত্যাগ করেছি' এই আবেগের বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছি। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব কি এসব শোনে? তারা শোনে প্রগ্রেস, তারা খোঁজে সিকিউরিটি।

বিদেশের মাটিতে বসে যখন দেখি ইন্ডিয়া ৫০ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে যাচ্ছে, তখন বুক ফেটে যায়।

দুবাই, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, সৌদি আরব আজ কোথায় চলে গেছে শুধু তাদের ইনভেস্টমেন্ট মডেলের কারণে, আর আমরা আটকে আছি মুখস্থ বিদ্যায়, নষ্ট করছি মেধা অথবা মেধাবীরা চলে যাচ্ছে

আমাদের সমস্যা কি? কেন বাংলাদেশ পিছিয়ে যাচ্ছে বিদেশী ইনভেস্টমেন্টে, কিভাবে প্রবাসীদের থেকে সুযোগ আমরা মিস করছি, এই সব বিষয়কে এক করে তুলে ধরেছেন টেক জায়ান্ট ও এনআরবি ওয়ার্ল্ড-এর প্রতিনিধি, সিলিকন ভ্যালি আমেরিকার সফল উদ্যোক্তা কাওসার জামাল ভাই

⭕ পডকাস্ট লিংক কমেন্টে

27/01/2026

এটা প্রায়ই এমনভাবে শুরু হয়

রাগ দিয়ে না, অভিযোগ দিয়ে না, বরং একটা নিঃশব্দ প্রশ্ন দিয়ে

“এটা কি আমার কোনো দোষে হলো?”

দাম্পত্য সম্পর্কে যখন কেউ জানতে পারে তার স্পাউস বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে, তখন যে মানুষটা প্রতারিত হয়, সে খুব স্বাভাবিকভাবেই নিজের দিকে তাকাতে শুরু করে।

নিজের আচরণ, নিজের সময় দেওয়া, নিজের সীমাবদ্ধতা সবকিছু নতুন করে বিচার করতে থাকে।

এই আত্মদোষারোপের প্রবণতা পুরুষদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। তারা বারবার একই জায়গায় ফিরে যায়।
আমি কি কম ছিলাম
আমি কি যথেষ্ট ছিলাম না
আমার কোনো ভুলেই কি সে এই সীমা লঙ্ঘন করল

মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটা কোনো দুর্বলতা না।

রিলেশনশিপ সাইকোলজি বলে, যারা সম্পর্কে বেশি কমিটেড থাকে, যারা পরিবার, সন্তান আর ভবিষ্যৎকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রিয়াটা আরও তীব্র হয়। কারণ সম্পর্কটা শুধু একটা সম্পর্ক না, সেটা ধীরে ধীরে নিজের পরিচয়ের একটা অংশ হয়ে যায়।

এই কারণেই ট্রমা স্টাডিগুলো দেখায়, প্রতারণা জানার পর অনেক ভিকটিমের মধ্যে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গভীর মানসিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

ডিপ্রেশনের লক্ষণ, তীব্র মানসিক চাপ, নিজেকে দোষ দেওয়া, ঘুম ও খাওয়ার ব্যাঘাত, এমনকি আত্মহানির চিন্তাও কখনো কখনো কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হয়।

এই অবস্থায় প্রায়ই যে ব্যাখ্যাটা সামনে আসে, সেটা হলো
তুমি আমাকে সময় দাওনি
তুমি আমাকে যথেষ্ট এটেনশন দাওনি
আমি বাধ্য হয়েছি

মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় responsibility shifting বা blame displacement

অর্থাৎ নিজের সিদ্ধান্তের দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া। হ্যাঁ, সম্পর্কে ঘাটতি থাকতে পারে হ্যাঁ, কেউই পারফেক্ট পার্টনার না।

কিন্তু সম্পর্কের ভেতরে সমস্যা থাকা আর সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে সীমা লঙ্ঘন করা এক জিনিস না।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কাছে সবসময় বিকল্প থাকে।

সে কথা বলতে পারে, সাহায্য নিতে পারে, কাউন্সেলিংয়ে যেতে পারে, প্রয়োজনে সম্পর্ক থেকে সরে আসতেও পারে। কিন্তু প্রতারণা কখনোই বাধ্যতামূলক কোনো পথ না।

ভিকটিম নিজেকে দোষ দেয় কারণ নিজের ভুল খুঁজে পাওয়া মানে পরিস্থিতির ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার অনুভূতি।

মনে হয়, আমি যদি নিজেকে ঠিক করি, তাহলে হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সম্পর্ক কখনো একপাক্ষিক দায়িত্ব না। একজন মানুষ একা সম্পর্ক বানাতে পারে না, আর একা ভাঙার দায়ও নিতে পারে না।

এখানে আরেকজন মানুষের সিদ্ধান্ত, তার সীমাবোধ, তার আত্মনিয়ন্ত্রণ এই সবকিছুও সমানভাবে কাজ করে।

প্রতারিত হওয়ার পর ভেঙে পড়া স্বাভাবিক। কষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু অন্য মানুষের সীমা লঙ্ঘনের দায় নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া কোনো হিলিং না। এতে কষ্ট কমে না, বরং ধীরে ধীরে আরও গভীর হয়।

এই সময়টায় সবচেয়ে দরকার নিজের সাথে একটু ন্যায্য হওয়া। নিজেকে প্রশ্ন করা, আমি কী করতে পারতাম, এর চেয়ে বেশি দরকার নিজেকে বলা, আমি সবকিছুর জন্য দায়ী না।

হার্টব্রেক খুব কষ্টের। এই কষ্টে রাগ, দুঃখ আর হতাশা একসাথে আসতে পারে।

সম্পর্কে দ্বন্দ্ব থাকা মানেই সম্পর্ক শেষ নয়। অনেক সমস্যাই কথা বলে, পারস্পরিক সম্মান রেখে এবং সাহায্য নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।

হিলিং শুরু হয় তখনই, যখন মানুষ সমস্যা এড়িয়ে না গিয়ে দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে শেখে।

নিজের যত্ন নেওয়া, অপরকে সম্মান করা আর সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়াই সম্পর্ক ও মানুষ দুটোকেই নিরাপদ রাখে।

26/01/2026

আমাদের চারপাশের পৃথিবীটা কি আসলেই সবার জন্য সমান?

দিনরাত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করা মানুষটার মাস শেষে ট্যাক্স আর ঋণের বোঝা টেনে কিছু টাকা হাতে রাখতে নাভিশ্বাস উঠছে।

অপরদিকে, বিশ্বের মাত্র গুটিকয়েক মানুষের সম্পদ জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে।

এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং একটা অদৃশ্য ‘ভ্যাকুয়াম ক্লিনার’ বসানো আছে, আপনার আয়ে ভাগ বসানোর জন্য।

আরেকদল এলিট আইনি ফাঁকফোকর আর স্টক মার্কেটের মারপ্যাঁচে প্রায় শূন্য শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।

এটি কেবল বৈষম্য নয়, এটি একটি ‘বৈশ্বিক দাসত্বের’ (Global Slavery) একটা বাস্তব রূপ।

বিশ্ব অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, অস্ট্রেলিয়ার Monash University Professor Dr. Asad Islam

Elon Musk একবার অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ব্যঙ্গের সুরে বলেছিলেন“Economics অনেক সময়ই বাস্তব জীবনের সাথে মেলে না। কাগজে...
26/01/2026

Elon Musk একবার অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ব্যঙ্গের সুরে বলেছিলেন

“Economics অনেক সময়ই বাস্তব জীবনের সাথে মেলে না। কাগজে-কলমে হিসাব ঠিক থাকে, কিন্তু বাস্তবে তার ফল হয় হাস্যকর।”

এই কথার ব্যাখ্যা দিতেই তিনি একটি ছোট্ট রসিকতার গল্প বলেন

দুইজন অর্থনীতিবিদ একটা জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ তারা রাস্তায় ময়লার একটা স্তূপ দেখতে পেল।

একজন অর্থনীতিবিদ অন্যজনকে বলল,

“আমি তোমাকে ১০০ ডলার দেব, তুমি যদি এই ময়লার স্তূপটা খেয়ে ফেলো।”

লোকটা ১০০ ডলার নিল, আর সত্যিই ময়লাটা খেয়ে ফেলল।

এরপর তারা আবার হাঁটতে লাগল। কিছুদূর গিয়ে তারা আরেকটা ময়লার স্তূপ দেখতে পেল।

এবার দ্বিতীয়জন বলল,

“ঠিক আছে, আমি তোমাকে ১০০ ডলার দেব, তুমি যদি এই ময়লাটা খাও।”

সে ১০০ ডলার দিল, আর প্রথমজনও সেটা খেয়ে ফেলল।

কিছুক্ষণ পর দুজন থেমে বলল

“দাঁড়াও তো… আমাদের দুজনের কাছেই তো এখন আগের মতোই টাকা আছে! কিন্তু আমরা দুজনই একটা করে ময়লা খেয়ে ফেললাম!”

হঠাৎ একজন বলে উঠল,
“ওহ! তার মানে আমরা নাকি অর্থনীতিতে ২০০ ডলার যোগ করে ফেললাম! দারুণ! ইকোনমি তো বিশাল বড় হয়ে গেল!”

এই জায়গাটাতেই আসল কথা।
কাগজে-কলমে দেখলে এখানে লেনদেন হয়েছে, টাকা ঘুরেছে, হিসাবের খাতায় ‘ভ্যালু’ যোগ হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কী বদলেছে?

মানুষ দুজন আগের মতোই আছে
না তারা সুখী হয়েছে,
না স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে,
না জীবনের মান একচুলও উন্নত হয়েছে

বরং বাস্তব ক্ষতিটাই হয়েছে বেশি।

অর্থনীতি তখনই অর্থবহ, যখন তা মানুষের জীবন সহজ করে, সম্মানজনক করে, নিরাপদ করে।

অর্থনীতি যখন শুধু সংখ্যা বাড়ানোর খেলায় পরিণত হয়, তখন তা দেখতে বুদ্ধিদীপ্ত শোনালেও বাস্তবে হয়ে ওঠে নিছকই হাস্যকর।

25/01/2026

আগামী ২০ বছরে মুসলিমদের ভবিষ্যৎ কি?

Address

Level # 6/Union Heights (extension Wing # 2, Square Hospitals), 55/2 Panthapath, Dhaka
Kalabaga
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yahia Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Yahia Amin:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category