ডা. জিয়া হোমিও মেডিকেল

ডা. জিয়া হোমিও মেডিকেল শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ জানবো, নিজকে সুস্থ রাখবো, সুখী জীবন গড়বো।

 #গর্ভাবস্থায়_আলট্রাসাউন্ড:-কখন ও কেন- জেনে নিন বিস্তারিত-গর্ভাবস্থায় শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ে আলট্রাসা...
03/04/2026

#গর্ভাবস্থায়_আলট্রাসাউন্ড:-
কখন ও কেন- জেনে নিন বিস্তারিত-
গর্ভাবস্থায় শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ে আলট্রাসাউন্ড করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে ৩–৪ বার এই পরীক্ষা করলেই প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়।

★ ৬–৯ সপ্তাহ — প্রথম স্ক্যান-
◦ গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়।
◦ শিশু জরায়ুর ভেতরে আছে কি না দেখা হয়।
◦ হৃদস্পন্দন শুরু হয়েছে কি না যাচাই করা হয়।
◦ শিশুর বয়স নির্ধারণ করা হয়।

★ ১১–১৩ সপ্তাহ — NT স্ক্যান-
◦ শিশুর প্রাথমিক গঠন পর্যবেক্ষণ করা হয়।
◦ কিছু জন্মগত সমস্যার ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয়।

★ ১৮–২২ সপ্তাহ — অ্যানোমালি স্ক্যান-
◦ শিশুর সব অঙ্গ বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা হয়।
◦ হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, হাত-পা, কিডনি ইত্যাদি দেখা হয়।
◦ বিকাশ স্বাভাবিক আছে কি না নিশ্চিত করা হয়।

★ ৩২–৩৬ সপ্তাহ — গ্রোথ স্ক্যান-
◦ শিশুর ওজন ও বৃদ্ধি মূল্যায়ন করা হয়।
◦ শিশুর অবস্থান (মাথা নিচে কি না) দেখা হয়।
◦ গর্ভের পানির পরিমাণ বোঝা যায়।
◦ প্লাসেন্টার অবস্থান যাচাই করা হয়।

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কষ্টিকাম ও ল্যাকেসিস পরিচয় -
03/04/2026

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কষ্টিকাম ও ল্যাকেসিস পরিচয় -

03/04/2026
02/04/2026
02/04/2026
 #নরমাল_ডেলিভারির সহযোগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা - #নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসবের জন্য  জরায়ুমুখ কতটা খুলছে বিষয়টি খু...
02/04/2026

#নরমাল_ডেলিভারির সহযোগী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -
#নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসবের জন্য জরায়ুমুখ কতটা খুলছে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ- (Cervical Dilation)-
প্রসবের সময় জরায়ুমুখ ধীরে ধীরে খুলতে থাকে-
এটাই আপনার শরীরের স্বাভাবিক প্রস্তুতি-

🔹 ০ সেমি-
• জরায়ুমুখ পুরোপুরি বন্ধ।
• প্রসব এখনো শুরু হয়নি।

🔹 ১–৩ সেমি-
• প্রাথমিক প্রসব ধাপ শুরু।
• হালকা ও অনিয়মিত ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

🔹 ৪–৬ সেমি-
• সক্রিয় প্রসব ধাপ।
• ব্যথা নিয়মিত ও তীব্র হয়।
• এই সময় হাসপাতালে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 ৭–৯ সেমি-
• সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময়।
• ব্যথা অনেক বেশি অনুভূত হয়।
• শরীর প্রসবের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হচ্ছে।

🔹 ১০ সেমি-
• জরায়ুমুখ সম্পূর্ণ খুলে গেছে।
• এখন বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় (পুশ)।

💡 জরায়ুমুখকে প্রায় ১০ সেমি পর্যন্ত খুলতে হয়-
এটাই স্বাভাবিকভাবে বাচ্চা জন্মের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা তৈরি করে।

🤍 প্রতিটি ধাপ আপনাকে আপনার সোনামণির আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে…
আপনার শরীর জানে কীভাবে এই কাজটি সম্পন্ন করতে হয়।

হোমিওপ্যাথিক সহায়ক রেমিডি (প্রসবকালীন):-

🔸 Caulophyllum 30 / 200-
• জরায়ুর সংকোচন দুর্বল হলে।
• প্রসব বেদনা ঠিকমতো না বাড়লে।

🔸 Cimicifuga (Actaea Racemosa) 30-
• অনিয়মিত ও তীব্র ব্যথা।
• মানসিক ভয়, অস্থিরতা থাকলে।

🔸 Pulsatilla 30-
• প্রসব ধীরগতির হলে।
• কোমল স্বভাব, কান্নাকাটি প্রবণ মায়েদের ক্ষেত্রে।

🔸 Gelsemium 30-
• ভয়, দুর্বলতা, কাঁপুনি।
• প্রসবের আগে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা।

🔸 Belladonna 30-
• হঠাৎ তীব্র ব্যথা।
• দ্রুত প্রসব অগ্রগতি।

🔸 Arnica 30 / 200-
• প্রসবের পর শরীরের ব্যথা ও আঘাতের জন্য।

গুরুত্বপূর্ণ:-
• অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ গ্রহণ করবেন না।
• জটিলতা হলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

এমন আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের পেইজটি ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন।

 #হাম ( ) বা রুবেওলা হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। হামের লক্ষণগুলো সা...
02/04/2026

#হাম ( ) বা রুবেওলা হলো একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত শ্বাসতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। হামের লক্ষণগুলো সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের ১০-১৪ দিন পরে প্রকাশ পেতে শুরু করে এবং এটি ধাপে ধাপে শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

#হামের প্রধান লক্ষণসমূহ:-

#তীব্র জ্বর: হামের প্রাথমিক লক্ষণ হলো প্রচণ্ড জ্বর, যা ১০৩° থেকে ১০৫° ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে।

"৩ সি" (3 Cs) বা শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণ: জ্বরের সাথে সাধারণ সর্দি-কাশির মতো লক্ষণ দেখা দেয়, যাকে

চিকিৎসাবিজ্ঞানে ৩টি 'C' বলা হয়:-

(কাশি): শুকনো এবং তীব্র কাশি।

(নাক দিয়ে পানি পড়া বা সর্দি)।

(চোখ লাল হওয়া বা কনজাংটিভাইটিস): চোখ লাল হয়ে যাওয়া, পানি পড়া এবং আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা (আলোতে অসুবিধা হওয়া)।

কপলিক স্পট (Koplik spots):- ফুসকুড়ি ওঠার ২-৩ দিন আগে মুখের ভেতরে, গালের ভেতরের চামড়ায় ছোট ছোট সাদা রঙের দাগ দেখা যায়, যা হামের একটি নির্দিষ্ট লক্ষণ।

ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি (Rash):-
এটি হামের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ। সাধারণত জ্বর শুরুর ৩-৫ দিন পর প্রথমে মাথার চুল বা কানের পেছন থেকে লালচে, ছোপ ছোপ ফুসকুড়ি শুরু হয়। এরপর এটি ধীরে ধীরে মুখমণ্ডল, ঘাড়, বুক, পিঠ এবং সবশেষে হাত ও পায়ে ছড়িয়ে পড়ে। এই ফুসকুড়িগুলো ৫-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

হামের অন্যান্য লক্ষণ ও জটিলতা:-

★ অতিরিক্ত ক্লান্তি ও গা ব্যথা: শরীর খুব দুর্বল অনুভব করা।

★ গলা ব্যথা: গলায় খুসখুসে ভাব বা ব্যথা।

★ নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া: গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া বা পাতলা পায়খানা হতে পারে।

#হোমিওপ্যাথিক রেমিডি (লক্ষণ অনুযায়ী):-

★ Aconitum Napellus 30/200 – হঠাৎ জ্বর শুরু, ভয় ও অস্থিরতা, শুরুর স্টেজে উপকারী।

★ Belladonna 30/200 – উচ্চ জ্বর, মুখ লাল, চোখ উজ্জ্বল, শরীর গরম, স্পর্শে সংবেদনশীল।

★ Bryonia Alba 30 – শুকনো কাশি, নড়াচড়ায় কষ্ট বাড়ে, রোগী স্থির থাকতে চায়।

★ Pulsatilla 30 – নাক দিয়ে হলুদ সর্দি, নরম স্বভাব, তৃষ্ণা কম, ঠান্ডা হাওয়ায় আরাম।

★ Euphrasia 30 – চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ জ্বালা, কনজাংটিভাইটিসে উপকারী।

★ Gelsemium 30 – দুর্বলতা, মাথা ভার, জ্বরের সাথে অবসাদ বেশি।

★ Sulphur 30/200 – র‍্যাশ ঠিকমতো বের না হলে বা দেরিতে উঠলে।

★ Antimonium Tartaricum 30 – বুকে কফ জমা, শ্বাসকষ্ট, কাশি সহ।

দ্রষ্টব্য:-
রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ অনুযায়ী অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ নির্বাচন উত্তম।

সতর্কতা:-
হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, তবে টিকা বা ভ্যাকসিন এর সেরা প্রতিরোধক। লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।

উপরের প্রতিটি তথ্য বিজ্ঞান সম্মত।
কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

চিকিৎসা বিষয়ে তথ্য পেতে অবশ্যই পেজটিকে ফলো করুন।

#হোমিওপ্যাথি

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যেটাকে বলে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন বা সংক্ষেপে ('সিপিআর')সিপিআর (CPR) হলো হার্ট অ্যাটাক, পান...
02/04/2026

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যেটাকে বলে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন বা সংক্ষেপে ('সিপিআর')
সিপিআর (CPR) হলো হার্ট অ্যাটাক, পানিতে ডোবা বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে জীবন বাঁচানোর একটি জরুরি পদ্ধতি। এতে মিনিটে ১০০-১২০ বার বুকে চাপ (Chest Compressions) এবং প্রয়োজনে মুখ-থেকে-মুখে শ্বাস দেওয়া হয়। এটি রক্তসঞ্চালন সচল রেখে মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে।

২০২৬ সালে এসেও সাধারণ মানুষ সিপিআর কি জিনিস সেটাই জানি না! অথচ বিশ্বে সকল ক্ষেত্রে সিপিআর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার সময় থেকে হাসপাতালে যাওয়া পর্যন্ত এই সময়টা কারও জীবন বাঁচানোর জন্য হয়ে উঠতে পারে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে একটা জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি জানা থাকলে তা আশীর্বাদ হয়ে আসতে পারে।

কেউ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে, তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে বা শ্বাস প্রশ্বাস চালু না থাকলে, সেই ব্যক্তিকে সিপিআর দিতে হয়,সিপিআর বিশ্ব জুড়ে বহুল প্রচলিত এক জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি।
বিশ্ব এগিয়ে গেলেও আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো,তাই দশম শ্রেণির প্র্যাকটিকেল ক্লাসে যুক্ত করা হোক সিপিআর কোর্স।

সিপিআর দেওয়ার সঠিক ধাপসমূহ:-
১. নিশ্চিত হোন: রোগী সাড়া দিচ্ছে কি না এবং শ্বাস নিচ্ছে কি না তা দেখুন।
২. সাহায্য চান: দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সেবার জন্য কাউকে ডাকুন।
৩. সোজা করে শুইয়ে দিন: রোগীকে শক্ত ও সমান স্থানে চিত করে শোয়ান।
৪. বুকে চাপ (Compression): বুকের মাঝখানে (দুই নিপলের মাঝখানে) এক হাতের তালু রেখে অন্য হাত তার ওপর রাখুন। কনুই সোজা রেখে দ্রুত ও জোরে (কমপক্ষে ২ ইঞ্চি বা ৫ সেমি গভীরে) মিনিটে ১০০-১২০ বার চাপ দিন।
৫. শ্বাস দেওয়া (Breath): প্রতি ৩০ বার চাপের পর ২ বার কৃত্রিম শ্বাস দিন (যদি প্রশিক্ষিত হন)।
৬. চালিয়ে যান: চিকিৎসা সহায়তা না আসা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালু রাখুন।

©
#হোমিওপ্যাথি

Address

৮৮ Bagan Bazar, Green Road , Dhaka
Kalabaga
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801707956015

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা. জিয়া হোমিও মেডিকেল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা. জিয়া হোমিও মেডিকেল:

Share