Ruqyah Hijama Centre Bangladesh - রুকইয়াহ হিজামা সেন্টার বাংলাদেশ

  • Home
  • Bangladesh
  • Khulna
  • Ruqyah Hijama Centre Bangladesh - রুকইয়াহ হিজামা সেন্টার বাংলাদেশ

Ruqyah Hijama Centre Bangladesh - রুকইয়াহ হিজামা সেন্টার বাংলাদেশ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ruqyah Hijama Centre Bangladesh - রুকইয়াহ হিজামা সেন্টার বাংলাদেশ, Medical and health, Khulna.

প্রসিদ্ধ এবং প্রয়োজনীয় কিছু রুকইয়ার আয়াতের তালিকা[ক]রুকইয়াহ শারইয়াহ সিরিজ এবং রুকইয়াহ বইয়ের বিভিন্ন লেখার মাঝে রুকইয়ার আ...
21/01/2023

প্রসিদ্ধ এবং প্রয়োজনীয় কিছু রুকইয়ার আয়াতের তালিকা

[ক]
রুকইয়াহ শারইয়াহ সিরিজ এবং রুকইয়াহ বইয়ের বিভিন্ন লেখার মাঝে রুকইয়ার আয়াতের লিস্ট দেয়া হয়েছে, তবু মাঝেমাঝেই দেখা যায় অনেকে রুকইয়ার আয়াতের তালিকা চাচ্ছেন। এমন ভাইবোনদের জন্য আজকের এই লেখাটি।

এই আয়াতগুলো নিজের সুস্থতার নিয়াতেও পড়া যাবে, অন্য কারও সমস্যা থাকলে এগুলো পড়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করা, পানি খাওয়ানো বা গোসল করানো যাবে। আয়াতগুলোর ব্যাপারে এখানে এরচেয়ে বেশি বিবরণ বা ফজিলত বলা সম্ভব হচ্ছে না; এটা শুধুমাত্র আয়াতের তালিকা। বিস্তারিত জানতে ‘রুকইয়াহ ইনডেক্স’ থেকে এবিষয়ক অন্যান্য প্রবন্ধ পড়ুন।

দ্রষ্টব্য-১: আয়াতগুলো একত্রে পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের পিডিএফ ডাউনলোড সেকশন 📂 দেখুন। ‘রুকইয়াহ’ বইয়ের শেষে প্রয়োজনীয় কিছু আয়াত পাওয়া যাবে, আর অনেকগুলো আয়াত নিয়ে একটা পুস্তিকার কাজ চলছে, ইনশাআল্লাহ কয়েক মাস পর সেটা প্রকাশ হবে।

দ্রষ্টব্য-২: আপনার কোন সমস্যা থাকলে নির্ধারিত সময়ে সেটা গ্রুপে পোস্ট করুন। এই লেখার কমেন্টে পরামর্শ দেয়া হবে না। (প্রয়োজনীয় লিংকসমূহ সংযুক্ত হয়েছে)

[খ]
রুকইয়ার সাধারণ আয়াত সমূহের তালিকা –
এগুলো রুকইয়ার সাধারণ আয়াত বা কমন আয়াত, যেকোনো সমস্যার জন্য এসব পড়া যায়।

১. সুরা ফাতিহা
২. সুরা বাকারা ১-৫
৩. সুরা বাকারাহ ১০২
৪. সুরা বাকারাহ ১৬৩-১৬৪
৫. সুরা বাকারাহ ২৫৫
৬. সুরা বাকারাহ ২৮৫-২৮৬
৭. সুরা আলে ইমরান ১৮-১৯
৮. সুরা আ’রাফ ৫৪-৫৬
৯. সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২
১০. সুরা ইউনুস ৮১-৮২
১১. সুরা ত্বহা ৬৯
১২. সুরা মু’মিনুন ১১৫-১১৮
১৩. সুরা সফফাত ১-১০
১৪. সুরা আহকাফ ২৯-৩২
১৫. সুরা আর-রাহমান ৩৩-৩৬
১৬. সুরা হাশর ২১-২৪
১৭. সুরা জিন ১-৯
১৮. সুরা ইখলাস
১৯. সুরা ফালাক
২০. সুরা নাস

[গ]
সিহরের আয়াতের তালিকা –
জাদুর সমস্যার জন্য এই আয়াতগুলো পড়ে রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁক করা যায়।

১. সুরা আ’রাফ ১১৭-১২২
২. সুরা ইউনুস ৮১-৮২
৩. সুরা ত্বহা ৬৯

অনেকসময় এর সাথে সুরা বাকারাহ ১০২ আয়াতও পড়া হয়।

[ঘ]
আয়াতুশ শিফার তালিকা –
অন্যান্য শারিরিক-মানসিক সমস্যার জন্য এই আয়াতগুলো পড়ে রুকইয়াহ করা যায়।

১. সূরা তাওবাহ ১৪
২. ইউনুস ৫৭
৩. নাহল ৬৯
৪. বানি ইসরাইল ৮২
৫. শু’আরা ৮০
৬. হা-মিম সাজদা ৪৪

[ঙ]
এসব ব্যাপকভাবে প্রসিদ্ধ, এর বাহিরে আরও অনেক আয়াত আছে রুকইয়ার জন্য উপকারী। সেসব প্রসঙ্গক্রমে বিভিন্ন লেখায় এসেছে। আজ এপর্যন্তই…।

আল্লাহ আমাদের উপকারী ইলম দান করুন, ক্ষতিকর ইলম থেকে হিফাজত করুন। আর যা ইলম দান করেছেন, তা থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন। আমিন।

রুকইয়াহ শারইয়্যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা– রুকইয়াহ বইয়ের ১ম অধ্যায় থেকে[ক]– সেলফ রুকইয়ার প্রয়োজনীয়তাসেলফ রুকইয়াহ অর্থাৎ ...
21/01/2023

রুকইয়াহ শারইয়্যার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা

– রুকইয়াহ বইয়ের ১ম অধ্যায় থেকে
[ক]
– সেলফ রুকইয়ার প্রয়োজনীয়তা
সেলফ রুকইয়াহ অর্থাৎ নিজের জন্য রুকইয়াহ নিজেই করার প্রয়োজন অপরিসীম। যেকোন সমস্যা শুরুর আগেই যদি এর সমাধান জানা থাকে, তাহলে এটা বেশিদূর গড়ায় না। তাই আমি যদি জানি কোন সমস্যায় সেলফ রুকইয়ার নিয়ম কি, তাহলে আমার ছোটখাটো সমস্যা অনেক বড় হবে না।
আরেকটা বিষয় হল, রুকইয়ার পাশাপাশি প্রচলিত ডাক্তারের চিকিৎসা নিতেও কোন মানা নেই।
সেলফ-রুকইয়াহ অর্থাৎ নিজের জন্য নিজে রুকইয়াহ করাকে ফার্স্ট এইড বা প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে নিতে পারেন, যেমনটা সাধারণ রোগের ক্ষেত্রে আমরা করে থাকি। কোন সমস্যা হলে প্রথমে ফার্মাসি থেকে বা ঘরের ঔষধের বাক্স থেকে একটা ঔষধ নিয়ে খাই, এরপর প্রয়োজন হলে এলাকার ডাক্তার বা অন্য কারও পরামর্শ নিই, এরপরেও ভালো না হলে তখন বড় ডাক্তার দেখাই।
অনুরূপভাবে রুকইয়ার ক্ষেত্রেও প্রথমে রুকইয়াহ বই, ব্লগ অথবা ফেসবুক পেইজ থেকে নিয়মকানুন দেখে নিজেই রুকইয়াহ করুন। এরপর প্রয়োজন হলে আপনার চেয়ে ভালো জানে এমন কারও পরামর্শ নিন, তারপরেও যথেষ্ট না হলে তখন অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে রুকইয়াহ করান।
[খ]
– সার্বিকভাবে রুকইয়ার উপকারিতা
কেউ কেউ প্রশ্ন করতে পারে, কতশত দরকারি বিষয় আছে! ফিকহ, জিহাদ, আকাইদ, ইসলাহ–তাযকিয়া কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। ইলমের খিদমত করেন, আল্লাহর রাস্তায় সময় দেন – এসব না করে কেন এই রুকইয়াহ নিয়ে কষ্ট করছেন? কেউ আবার বলেন, এসব কাজ ছোটখাটো মোল্লাদের হাতে ছেড়ে দেন, আহলে ইলমরা এসব কেন করবে?
তাদের জন্য সহজ কথা, আমরা খুব ভালোভাবেই জানি যাদু – বদনজর – জ্বিন ইত্যাদি সমস্যাগুলো মানুষের মাঝে যত ব্যপক, এর সমাধানের ব্যাপারে মানুষ ততটাই অজ্ঞ। এই সমস্যায় মানুষ যে পরিমাণে আক্রান্ত, বিষয়টা তাঁর চেয়ে বহুগুণ বেশি অবহেলিত।
আর শরঈ সমাধানের সাথে তো আমাদের দেশের ৯৯.৯৯% মানুষই পরিচিত নয়। বরং অধিকাংশ মানুষের ভ্রান্ত বিশ্বাস হচ্ছে “কুফরি যাদু কাটতে কুফরিই করা লাগবে” (নাউযুবিল্লাহ)। এজন্য তাঁরা কবিরাজ-বৈদ্যদের কাছে যায়, আর দুনিয়া এবং আখিরাতের শুধু ধ্বংসই অর্জন করে।
আমাদের চারপাশে অসংখ্য মানুষ এসব সমস্যায় আক্রান্ত, আমরা কেউ নিজেই ভিকটিম, কারো পরিবারস্থ লোক, আর কারো আত্মীয়স্বজন। বহু বৈদ্য – কবিরাজের কাছে ঘুরে ঘুরে বহু পরিশ্রম করে তারা প্রচুর টাকা পয়সা নষ্ট করে। এর পেছনে মেধা, শ্রম, সময় ব্যয় করে। অবশেষে কেউ সুস্থ জীবনের আশা ছেড়ে দেয়, আর কেউ স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। আর কবিরাজের কাজগুলো কুফরি-শিরকি হওয়ার কারণে নষ্ট হয় আখিরাতেও পুঁজিও।
আমার – আপনার চারপাশে এমন মানুষের অভাব নেই। আমাদের দেশে হয়তো এমন একটা প্রাপ্তবয়স্ক লোকও পাওয়া যাবে না, যার নিজের পরিবার অথবা আত্মীয়স্বজনদের মাঝে কেউই এজাতীয় সমস্যায় ভুগছে না। এদের দুনিয়া এবং আখিরাতে ধ্বংস থেকে বাঁচানোর জন্যই রুকইয়াহ শারইয়াহ দরকার!
তবে আমি বলছি না, আপনি সব ছেড়ে রুকিয়ার জন্য নিবেদিত হয়ে যান, বরং আপনি যা করছেন সেটাই করেন। তবে সম্ভব হলে মাঝেমাঝে এবিষয়ে অল্প কিছুক্ষণ সময় দেন, কেউ সমস্যা আক্রান্ত হলে তাকে এবিষয়ে ধারণা দেন। এতে ব্যক্তি-সমাজ সবারই উপকার।
এর বিনিময়ে নিচের ফজিলতগুলো পাবেন ইনশাআল্লাহ!

১. দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার সুযোগ
একজন রাক্বি মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার চমৎকার সুযোগ পেয়ে থাকেন, যা রুকইয়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর জ্বিন যাদু ইত্যাদি সমস্যাগুলো নিয়ে যারা আসে, তাদের অনেকেই থাকে এমন, যারা দ্বীন পালনের ব্যাপারে উদাসীন, রুকইয়াহ করার সময় তাদেরকে দাওয়াত পৌঁছানোর সুযোগ পাওয়া যায়। আর এদের বিরাট একাংশ হয় এমন, যারা সুস্থতা লাভের লাভের আশায় কবিরাজ-বৈদ্যদের কাছে ঘুরে ঘুরে ইতিমধ্যে কুফরি বা শিরকি কাজ করে ফেলেছে। তাদেরকে আল্লাহর একত্ববাদের বার্তা পৌঁছানোর সুযোগ হয়।
অবশ্যই রাক্বিদের এই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কেননা যুগে যুগে এটা নবীদের সুন্নাহ, মানুষ দুনিয়াবি প্রয়োজন নিয়ে আসলেও তাঁর আখিরাতের দীর্ঘস্থায়ী কল্যাণকে প্রাধান্য দেয়া। এক্ষেত্রে ইউসুফ ؑ এর ঘটনা লক্ষণীয়। দু’জন লোক তাঁর কাছে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে এসেছিল, তিনি তাদের সমস্যা এবং সময়ের প্রতি লক্ষ রেখে অল্প কথায় তাওহীদের দাওয়াত পৌছে দিয়েছেন, এরপর তাদের স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানিয়েছেন।
এছাড়া খাইবার যুদ্ধের ঘটনা খেয়াল করুন, আলী রা. কে নির্দেশ দিয়েছিলেন- তুমি তোমার পথ ধরে তাদের মাঝে পৌছে যাও, এরপর তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান কর। আর তাদের উপর আল্লাহর হকগুলোর ব্যাপারে সংবাদ দাও। কারণ, আল্লাহর কসম, তোমার মাধ্যমে যদি একটা মানুষকেও আল্লাহ হিদায়াত দেন, তবে তা তোমার জন্য লাল উট প্রাপ্তি থেকেও উত্তম হবে। (সহিহ মুসলিম ৪৪২৩)

২. কোরআনের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি।
যিনি রুকইয়াহ করেন, প্রতিদিন তাকে দীর্ঘক্ষণ কোরআন তিলাওয়াত করতে হয়। এতে কোরআনের সাথে সম্পর্ক দিনদিন বৃদ্ধি পায়।
এর সাথে কোরআন পাঠের বিবিধ ফযিলত তো আছেই। যেমনঃ কোরআন তিলাওয়াতের প্রতিটি হরফে সওয়াব! আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘন্টাও রুকইয়াহ করেন, এই একঘণ্টায় আপনার ঝুলিতে অনেকগুলো সওয়াব জমে যাবে।
এছাড়া রাসুল ﷺ বলেছেন, “তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারণ কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ কারী হবে।” (মুসলিম ১৩৩৭)

৩. মুসলিম ভাই-বোনদের বিপদে সহায়তা করা।
প্রথমে একটি হাদিস খেয়াল করি, জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এক সময় ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। পরে আমর ইবনু হাযমের বংশের লোকেরা এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের নিকট একটি রুকইয়াহ ছিল, যা দিয়ে আমরা বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতাম, এখন আপনি তো ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারা সেটা রাসুল ﷺ এর নিকট উপস্থাপন করল। তখন তিনি বললেন, কোন সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের কোনও উপকার করতে সমর্থ হয়, তাহলে সে যেন তা করে। (সহিহ মুসলিম ৪০৭৮)
এই হাদিসে আমরা দেখলাম রুকইয়ার মাধ্যমে যে মানুষের উপকার করা যায়, এটা স্বয়ং রাসুলুল্লাহ ﷺ স্বীকৃতি দিয়েছেন।
আর একজন মুসলিম ভাইকে সাহায্য করার অনেক অনেক লাভ আছে। যেমন: আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন মুমিনের কোন বিপদ-আপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার বিপদ দূর করবেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪৮৬৭)
হাদিসের গ্রন্থসমূহে বিপদগ্রস্ত ভাইবোনদের সহায়তা করার আরও অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে, রুকইয়াহ করে আপনি সেসব লুফে নিতে পারেন।

৪. কুফরের বিরুদ্ধে এবং তাওহিদের পক্ষে সংগ্রাম করা।
ইবনে তাইমিয়া রহ. এজন্য মুখলিস রাক্বিদের ব্যাপারে বলেছেন,
وجنب الذنوب التي بها يسلطون عليه فإنه مجاهد في سبيل الله وهذا من أعظم الجهاد فليحذر أن ينصر العدو عليه بذنوبه
“রাক্বির উচিত গুনাহ থেকে দূরে থাকা, যেন এই সুযোগে জ্বিন তাঁর ওপর প্রভাব বিস্তার না করতে পারে। সে তো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারির ন্যায়। আর রুকইয়াহ করাও জিহাদের একটি উত্তম পদ্ধতি। তাই তাঁর সতর্ক থাকা উচিত, যেন গুনাহ তাঁর শত্রুকে বিজয়ী হতে সহায়তা না করে।” (মাজমুউল ফাতওয়া ১৯/৫৩, রিসালাতুল জ্বিন ৬৫পৃ)
লক্ষণীয়ঃ ইবনে তাইমিয়া রহ. মূলত এই কথাটি মুবালাগা হিসেবে বলেছেন, উনার পূর্বাপর কথাগুলোয় গুরুত্বারপ করার জন্য। হাক্বিকী জিহাদের সাথে রুকইয়াহ চর্চার তুলনা যদিও হয় না, তবুও ইবনে তাইমিয়া রহ. এর কথাটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, হক্বের ব্যাপারে অনড় একজন রাক্বি সমাজ থেকে কুফর-শিরক দূর করার জন্য নিজের প্রাণ ঝুঁকিতে ফেলে মেহনত করেন, আর যখন কুফরি যাদু আক্রান্ত কারো চিকিৎসা করে অথবা শয়তান ভর করা ব্যক্তির ওপর রুকইয়াহ করে, তখন সে আল্লাহর কালামের সাহায্যে সরাসরি শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে।

৫. তাওয়াককুল।
রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি হাদীসে বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে ৭০,০০০ হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” রাসূলুল্লাহ ﷺ এই হাদীসের মধ্যে এসব ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন, আর বলেছেন “এরা শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে।” আর এমন লোকদের উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, “যারা (শিরকি)রুকইয়াহর জন্য অনুরোধ করে না, শুভ-অশুভ লক্ষণ নির্ণয় করায় না, ছ্যাকা দিয়ে চিকিৎসা করে না বরং শুধু তাদের রবের উপরই ভরসা করে।” (বুখারি ৫৪২০, মুসলিম ৩২৩)

একজন রাক্বি এই হাদীসে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য দাবিদার। কারণ, সে নিজেই রুকইয়াহ করে, অন্যের কাছে গিয়ে রুকইয়াহ করানোর প্রয়োজন তাঁর নাই। আর সে যখন আল্লাহর অনুগ্রহে জটিল জটিল সমস্যা সামাল দেয়, শক্তিশালী শয়তানদের শায়েস্তা করে, ভয়ংকর সব যাদু নষ্ট করে – আর এতসব অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে স্রেফ আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ওপর ভরসা রেখে লড়ে। একের পর এক নুসরত প্রত্যক্ষ করে মুখলিস রাক্বির ঈমান এক অনন্য স্তরে পৌঁছে যায়। বস্তুতঃ এটা এমন এক মেহনত, যেখানে আল্লাহ ওপর তাওয়াককুল ব্যতীত কোন দুনিয়াবি সাহায্য উপকারে আসে না।
মোটকথা, এভাবেই একজন রাক্বি তাওয়াককুলে পুর্ণতা লাভ করে। সুতরাং তাঁর জন্য খুবই যৌক্তিক, সে এই পুরস্কার আশা করতে পারে।

কী ভাবছেন এখন? আপনি রুকইয়াহ করবেন তো?

রুকইয়াহ শুরু করার পূর্বে যা জানা উচিত…যারা রুকইয়া শুরু করবেন অথবা রুকইয়া করছেন নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন ইনশাআল্লাহ।১।...
21/01/2023

রুকইয়াহ শুরু করার পূর্বে যা জানা উচিত…

যারা রুকইয়া শুরু করবেন অথবা রুকইয়া করছেন নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

১। রুকইয়া একপ্রকার ইবাদত। দুয়াতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া হয়, একইভাবে রুকইয়ার মাধ্যমেও আল্লাহর সাহায্য চাওয়া হয়। এটাকে কখনোই হেলাফেলার বিষয় মনে করবেন না। “রুকইয়া করে দেখি কাজ হয় কিনা। কাজ নাহলে কবিরাজের কাছেই যেতে হবে” এরকম মানসিকতা নিয়ে রুকইয়া করবেন না। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“আর আমি কুরআন নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত, কিন্তু তা যালিমদের ক্ষতিই বাড়িয়ে দেয়।” (বনী ইসরাঈল ৮২)

আল্লাহর কালামে শিফা আছে এই কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা রেখে রুকইয়া শুরু করবেন।

২। “রুকইয়া করব এবং কবিরাজের চিকিৎসাও চালিয়ে যাব” এরকম মন মানসিকতা থাকলে রুকইয়া করবেন না। রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারী চিকিৎসা নিতে পারেন। কিন্তু কবিরাজের চিকিৎসা,জীন হাজির করে জবাব নেয়া এমন কিছু করা যাবেনা। রুকইয়া শুরুর পূর্বে গায়ে/বাসার সকল তাবিজ নষ্ট করবেন। তাবিজ নষ্ট করে তাওবা করার পর রুকইয়া শুরু করবেন। তাবিজ নষ্টের জন্য এই পোস্ট ফলো করবেন, https://www.facebook.com/groups/ruqyahbd/permalink/901157306738256/

শরীয়ত সমর্থন করেনা এমনকিছু বাসায় রেখে রুকইয়া করবেন না। যেমন- কুকুর, প্রাণির উন্মুক্ত ছবি, মূর্তি, জ্যোতিষীদের দেয়া কোনকিছু। প্রশ্ন করতে পারেন, তাবিজ থাকলে সমস্যা কি? সমস্যা আছে, তাবিজ রেখে রুকইয়া করলে অনেক সময় উলটাপালটা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, সমস্যা থাকলেও রুকইয়া করে কোন উপকার হয়না।

৩। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে আমি তার ব্যাপারে তেমনই (ব্যবস্থা করি)”। (বুখারী, ৬৯০১)

আল্লাহ সম্পর্কে সর্বোচ্চ সুধারণা রাখতে হবে। যাবতীয় সমস্যার জন্য বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। বিশেষত দোয়া কবুলের সময়গুলোতে (যেমন- তাহাজ্জুদের সময়ে)। আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করবেন কিনা সেটা নিয়ে কনফিউজড থাকা যাবেনা। আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন এমন ধারণা রেখেই দোয়া করতে হবে। এটা দোয়ার আদব।

৪। ফরজ ইবাদতে (যেমন নামাজ,পর্দা ইত্যাদি) সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রুকইয়া করছেন এজন্য বা অন্যকোন কারণে না, আল্লাহ করতে বলেছেন তাই আপনাকে নামাজ পড়তে হবে, পর্দা করতে হবে। ফরজ ইবাদত নিয়মিত না থাকলে কি রুকইয়া শুরু করা যাবেনা? যাবে, তবে ফরজ ইবাদতের দিকে বেশি মনযোগ দিতে হবে। রুকইয়া যেহেতু এক প্রকার ইবাদত তাই রুকইয়া থেকে ভালো ফলাফল আশা করলে ফরজ ইবাদত ঠিক হওয়া জরুরি। পাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকতে হবে যথাসম্ভব। সুস্থ এবং অসুস্থ সবারই উচিত হিফাজতের জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিখিয়ে দেয়া সকাল সন্ধ্যা ও ঘুমানোর আগের আমলগুলো করা। যারা রুকইয়া করবেন এসব আমল করা তাদের জন্য আরো জরুরী। হিফাজতের জন্য বলা মাসনুন আমল এখানে পাওয়া যাবে,

https://www.facebook.com/groups/ruqyahbd/permalink/940739892779997/

৫। কিছু মানুষ বলে বেড়ায়, “কোরআন দিয়ে হবেনা। কুফরি কাটানোর জন্য কুফরিই করতে হবে।” নাউযুবিল্লাহ! জেনেশুনে কুফরি করা এবং মানুষকে কুফরির দিকে আহবান করা মারাত্মক গুনাহের কাজ। কুফরি কাটানোর জন্য কোরআন দিয়েই চিকিৎসা করতে হবে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“আল্লাহ কোন হারাম বস্তুতে তোমাদের জন্য আরোগ্য রাখেননি।” (সহীহ ইবনে হিব্বান)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,

“যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে আল্লাহ তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে। আমি এসব দৃষ্টান্ত মানুষের জন্যে বর্ণনা করি, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে।” (সুরা আল হাশর ২১)

কোরআন কোন পাহাড়ের উপর নাজিল করলে আল্লাহর ভয়ে পাহাড়টাই মাটিতে মিশে যেত! সুবহানাল্লাহ! সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার কালামের সামনে দাঁড়াতে পারে এমন কিছু আসমান জমীনে নাই। আল্লাহর কোন সৃষ্টি, আপনার অসুখ এসবেরও কোন ক্ষমতা নাই আল্লাহর কালামের সামনে টিকে যেতে পারে।

প্রচলিত কুফরি কবিরাজি সম্পর্কে জানুন এবং এসব থেকে দূরে থাকুন। কুফরি কবিরাজি সম্পর্কে জানতে এই পোস্ট পড়ুন- https://www.facebook.com/groups/ruqyahbd/permalink/921657618021558/

৬। আল্লাহর উপর ভরসা রেখে রুকইয়া চালিয়ে যাবেন। পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়া পর্যন্ত রুকইয়া করবেন। রুকইয়া কতদিন করলে সুস্থ হবেন? আল্লাহ যেদিন চান সেদিন আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন, দিনক্ষণ হিসেব করে বলা যাচ্ছেনা। যাদের সমস্যা একটু বেশি তাদের উচিত নিয়মিত রুকইয়াতে দৃঢ় থাকা।

আল্লাহ আপনাদের রুকইয়াহ সফল করুন এবং যাবতীয় রোগব্যধি থেকে শিফা করুন।

 #রুকইয়াহ_শারইয়াহ_পরিচিতিসবচেয়ে বড় এবং প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, রুকইয়াহ কি? ১)  শাব্দিক অর্থে রুকইয়াহ মানে হল, ঝাড়ফুঁক, মন...
21/01/2023

#রুকইয়াহ_শারইয়াহ_পরিচিতি

সবচেয়ে বড় এবং প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, রুকইয়াহ কি?

১) শাব্দিক অর্থে রুকইয়াহ মানে হল, ঝাড়ফুঁক, মন্ত্র, তাবিজ কবচ ইত্যাদি।
২) তবে ব্যবহারিক অর্থে রুকইয়াহ বলতে সাধারণত ঝাড়ফুঁকই বুঝায়।
৩ ) রুকইয়ার পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নামের যিকর, হাদিসে রাসূল ﷺ অথবা সালাফে সালেহীন থেকে বর্ণিত দোয়া পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোন বিপদ থেকে মুক্তি চাওয়া কিংবা রোগ থেকে আরোগ্য কামনা করা।
আর এটাই রুকইয়াহ শারইয়াহ’র উত্তম সংজ্ঞা।

আচ্ছা! এবার যদি জিজ্ঞেস করা হয়- এই রুকইয়াহ জিনিসটা আসলে কি?

রুকইয়াহ হল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, আধুনিক ভাষায় পরিচয় করিয়ে দিতে চাইলে এটাকে spiritual healing বলা যায়। অর্থাৎ আধ্যাত্মিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা।

রুকইয়াহ শারইয়াহ কী নয়?

এটা মনের আশা পূরণ কিংবা অসাধ্য সাধনের কোন তদবির না, স্বামীকে বশ করার কোন মন্ত্র না, এটা নামাজ-রোজা কিংবা হজ্ব-যাকাতের মতন বিশেষ কোন ইবাদাত না। এটা একটা চিকিৎসা পদ্ধতি।

এ ব্যাপারে ইসলাম কি বলে?

এই চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্ধারিত গণ্ডি অতিক্রম না করলেই এটা জায়েজ। এব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।” (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৫৪৪)

এক্ষেত্রে আলেমদের মত হচ্ছে, এটা তো অবশ্যই শিরক এবং কুফর থেকে মুক্ত হতে হবে, এমনকি এসবের সন্দেহও থাকা যাবে না। এজন্য ওলামায়ে কিরাম কয়েকটি শর্তের ব্যাপারে একমত হয়েছেন, সেসব হচ্ছে:

১. কোন শিরক-কুফর অথবা হারাম বাক্য থাকা যাবে না।
২. যা দ্বারা রুকইয়াহ করা হবে সেটা স্পষ্ট বাক্যে হতে হবে, যার অর্থ ভালোভাবে বোঝা যায়।
৩. দুর্বোধ্য কোন সংকেত বা ভাষায় হওয়া যাবে না, যার অর্থ স্বাভাবিকভাবে মানুষ বুঝে না।

(উদাহরণস্বরূপ আপনি বাংলাদেশে ল্যাটিন ভাষার রুকইয়াহ করতে পারবেন না, কারণ এখানকার মানুষ সেটা বুঝবে না। এজন্যই সালাফের মাঝে কেউ কেউ ঝাড়ফুঁক আরবিতে হওয়াকেও শর্ত বলেছেন। তবে মূলতঃ স্বাভাবিকভাবে বোধগম্য ভাষায় হলে, আরবি হওয়া আবশ্যক না।)

আর হ্যাঁ! রুকইয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আক্বিদা রাখতে হবে, রাক্বির কোন সাধ্য নেই কাউকে সুস্থ করার কিংবা বিপদ দূর করার। সুস্থতা এবং বিপদমুক্তি আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, এখানে রুকইয়াহ কেবল দোয়ার অনুরূপ ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ রুকইয়াহ আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার একটি পদ্ধতি মাত্র।

নোটঃ যিনি রুকইয়াহ করেন, তাকে রাক্বী বলা হয়।

এবারের প্রশ্ন হচ্ছে, কে রুকইয়াহ করতে পারে?

উত্তর হল- নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য যে কেউ রুকইয়াহ করতে পারে! এজন্য বিরাট বুজুর্গ হওয়া শর্ত না। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে এমন যে কোন ব্যক্তি, যদি দেখে-দেখে কিংবা মুখস্থ দোয়া অথবা কোরআনের আয়াত পড়তে পারে, তাহলে সেই সেলফ রুকইয়াহ করতে পারবে।

তবে হ্যাঁ, আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদে অথবা জনগণের জন্য ব্যাপকভাবে রুকইয়াহ করতে চান, তাহলে অবশ্যই এ বিষয়ে আপনাকে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কেউ যদি চিকিৎসার জ্ঞান না রেখেই চিকিৎসা করে, তবে (কিছু ঘটলে) সেই দায়ী হবে।” (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস নং ৪৫৮৬)

নোটঃ নিজে নিজে রুকইয়াহ করাকে সেলফ রুকইয়াহ বলা হয়।

শেষ প্রশ্ন, আমি কিভাবে রুকইয়াহ বিষয়ে জানতে পারি? অথবা আমি কিভাবে রুকইয়াহ করা শিখতে পারি?

এ বিষয়ে বিজ্ঞ আলেমদের প্রবন্ধ অথবা বই থেকে জানতে পারেন। অথবা তাদের দরস, বায়ান কিংবা লেকচার থেকে জানতে পারেন।

আমার কাছে সহজ কোন রাস্তা যদি জানতে চান, তাহলে বলবো “মুখতাসার রুকইয়াহ শারইয়াহ” নোটটা পড়ে ফেলেন, একসাথে সাতসমুদ্রের পানি পেয়ে যাবেন। এরপর চাইলে এই বিষয়ে আমার অন্যান্য লেখাগুলো পড়তে পারেন, পড়তে পড়তে আরও রাস্তা খুলে যাবে ইনশাআল্লাহ। আর জ্বিন সিরিজে কিছু বইয়ের লিস্ট দিয়েছিলাম, আরবিতে দক্ষতা থাকলে সেগুলোও দেখতে পারেন।

আমার প্রায় সবগুলো লেখার লিস্ট “রুকইয়াহ ইনডেক্স”-এ গেলে পাবেন। কমেন্টে ইনডেক্সের লিংক দিয়ে দেয়া হল। আর ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে একটি বই আসছে, সেখানে আরও ভালোভাবে অনেক কিছু একসাথে পেয়ে যাবেন।
সে পর্যন্ত আমার জন্য দোয়া করবেন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইর!
রুকইয়াহ শারইয়াহ আপনাদের জন্য বরকতময় হোক!

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Hijama Centre Bangladesh - রুকইয়াহ হিজামা সেন্টার বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share