CMC DR.APP Consultation

CMC DR.APP Consultation ঘরে বসে ভারতে অবস্থিত ভেলরের বিখ্যাত CMC হাসপাতালে যাতায়াত, গাইডলাইন ও ডাঃ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

20/11/2023

সি এম সি হাসপাতালের নতুন ক্যাম্পাসের নাম হচ্ছে Ranipet campus খুবই চমৎকার এবং আধুনিক সমস্ত সুযোগ সুবিধা এই শাখাতে।

মেইন হাসপাতাল থেকে ১৭ কিমি দূরে অবস্থিত। নিজস্ব বাসে যাতায়াত ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০ মিনিট বা ১৫ মিনিট পর পর বাস ছাড়ে এবং সম্পূর্ণ ফ্রি।

"জুবলি গেটের" পাশ থেকে প্রতিদিন বাস ছাড়ে সকাল ৭ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত।

নিউরোলজি
হেপাটোলজি

এসব ডিপার্টমেন্ট এর ডাক্টার এখন রানিপেট ক্যাম্পাসে রোগী দেখে...

ভেলরের CMC হাসপাতালে ডাঃ দেখাতে যাচ্ছেন? এক মাসে থাকা, খাওয়া-দাওয়া এবং যাতায়াত খরচ কত হতে পারে? বিস্তারিত জানুন (নতুনদের...
21/03/2023

ভেলরের CMC হাসপাতালে ডাঃ দেখাতে যাচ্ছেন? এক মাসে থাকা, খাওয়া-দাওয়া এবং যাতায়াত খরচ কত হতে পারে? বিস্তারিত জানুন (নতুনদের জন্য)

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বিভিন্ন রোগের ডাঃ দেখাচ্ছেন কিন্তু সঠিক ফল পাচ্ছেন না, বা ডাঃ সঠিক ভাবে রোগ ধরতে না পারার কারণে বছরের পর বছর ভুগছেন তারাই হয়তো সাউথ ইন্ডিয়াতে চিকিৎসার জন্য চিন্তা ভাবনা করে থাকেন।

আমাদের দেশের ডাঃ রা যথেস্ট দক্ষ এবং ভালো কিন্তু দুটি যায়গাতে খুব দূর্বল হওয়ার কারণে প্রতি নিয়ত মানুষের রোগের সময়কাল বৃদ্ধি পেয়ে চলছে এবং কিছু জটিল রোগ ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই কিছু মানুষ হতাশ হয়ে ভারতের চেন্নাই (মাদ্রাজ) এর উদ্দেশ্যে চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ছুটে চলছে কারণ মাদ্রাজে চিকিৎসার জন্য আগে থেকেই অনেক নাম ডাক আছে। মূলত আমরা এখানে CMC হসপিটালের চিকিৎসা বিষয় নিয়ে কিছুটা জানানোর চেস্টা করবো। এই হাসপাতালটি চেন্নাই সিটি থেকে ১৩৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত অর্থাৎ চেন্নাই ও বেংগালুর শহরের মাঝ বরাবর বলতে পারেন।

হাসপাতালটি মূলত ভেলর সিটিতে অবস্থিত। ভেলর সিটি হচ্ছে তামিল নাড়ু রাজ্যের একটি জেলা শহর অর্থাৎ চেন্নাই সিটির একটু দূরে অবস্থিত। চেন্নাই (মাদ্রাজ) হচ্ছে তামিল নাড়ু রাজ্যের রাজধানী। ভারতের প্রতিটি রাজ্যের জন্য আলাদা রাজধানী আছে।

আমাদের দেশে যেমন বিভাগ আছে কিন্তু বিভাগ এর কোন রাজধানী নেই কারণ ছোট দেশ সেজন্য প্রয়োজন নেই কিন্তু এদের এক একটি রাজ্য প্রায় বাংলাদেশের আয়তনের সমান যেমন তামিল নাড়ু রাজ্যের আয়তন প্রায় ১,৩২,০০০ বর্গ কি.মি. তাহলে বুঝতেই পারছেন কেন প্রতিটি রাজ্যে একটি করে রাজধানি করা হয়েছে।

এই রাজ্যে প্রায় ৭ কোটি লোকের বসবাস যেখানে শুধু ভেলর সিটিতে প্রায় ২ লক্ষ লোকের বসবাস এবং এই CMC হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শত শত থাকার হোটেল, মেডিসিন শপ, খাবার হোটেল, ট্রাভেল এজেন্সি, বাজার ইত্যাদি।

এখন আসি মূল কথায় আমাদের দেশের ডাঃ রা প্রচুর টেস্ট দেন, ভেলরের সি এম সি হাসপাতাল এর ডাঃও প্রচুর টেস্ট দেন কিন্তু পার্থক্য হচ্ছে এদের মেশিন চালানোর দক্ষতা অনেক ভালো এবং নিক্ষুত ভাবে চালাতে সক্ষম যার কারণে টেস্টে সঠিক রেজাল্ট আসে এবং এক্সট্রা সুবিধা হলো এখানকার ডাঃ রা রোগীকে অন্তত ৫ থেকে ৩০ মিনিট করে সময় দেন এবং অনেক খুটিনাটি বিষয় রোগীর কাছ থেকে জেনে তবেই ট্রিটমেন্ট ও মেডিসিন দেন।

বেশি সময় ধরে রোগী দেখার কারণে তারা রোগ ধরতে পারে, তবে আমি বলছি না যে সব রোগ ধরতে পারে কিন্তু % হিসাব করলে এখানকার ডাঃ রা অনেক এগিয়ে। সে জন্যই মানুষ এখানে ডাঃ দেখানোর জন্য হাজার মাইল অতিক্রম করে মাদ্রাজে বা ভেলরে ছুটে আসেন।

যে সকল রোগী CMC হাসপাতালে ডাঃ দেখাতে আসবেন বা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের অনেকেই আমাদের ফোন করেন আবার মেসেজ করে জানতে চান কেমন কি খরচ হবে। আজ সেই সকল রোগীর জন্য বিস্তারিত তুলে ধরছি, ফুল এক মাসের খরচের হিসাব দিচ্ছি।

এই হিসাব দুজনের জন্য, তবে এখানে যে খরচ উল্লেখ করা হবে সেটাই যে আপনাদের ক্ষেত্রে হবে তা কিন্তু নয় কারণ খরচ করার প্রবনতা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে তাই কিছুটা তারতম্য থাকবে কারণ আপনার যা খেতে ইচ্ছা করছে, আরেক জনের সেটা খেতে ইচ্ছা করবে তার কোন ভিত্তি নেই। আমরা এখানে খাবারের যে খরচের বিষয়টি তুলে ধরবো তার ৯৫% একই রকম হবে এবং যাতায়াত বিষয়ও বিস্তারিত জানাবো।

#তো চলুন শুরু করা যাক --------
আমরা ঢাকা সিটি থেকে যাত্রা শুরু করার পর থেকে খরচের হিসাব শুরু করছি এবং সম্পূর্ণ ট্রেন ভ্রমণকে প্রাধান্য দিয়ে শুরু করছি ----

#যাতায়াত খরচঃ

ঢাকার যেখানেই থাকুন না কেন রাতে হালকা খাওয়া দাওয়া শেষ করে ব্যাগ বা লাগেজ গুছিয়ে রাত ১১ টার মধ্যে কমলাপুর রেল স্টেশনে চলে আসুন তারপর ট্রেন কোন প্লাটফর্ম থেকে ছাড়বে সেটা জেনে ট্রেনে উঠে পড়ুন কারণ ট্রেন ঠিক ১১ টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে দিবে। এটি বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন যা ৩ বছর+ হলো চালু হয়েছে এবং খুব ভালো সেবা দিচ্ছে। ট্রেনটি কয়েকটি স্টেশনে থামে যেমন কমলাপুর থেকে ছাড়ে তারপর বিমানবন্দরে ৩ মিনিট থামবে তারপর ইশ্বরদি স্টেশনে ৫ মিনিট থামবে তারপর ভেড়ামারা স্টেশন তারপর পোড়াদাহ তারপর চুয়াডাঙ্গা স্টেশন তারপর দর্শনা স্টেশনে ৩ মিনিট বিরতী তারপর কোটচাদপুর তারপর মুবারকগঞ্জ তারপর যশোর স্টেশনে ৫ মিনিট তারপর ঝিকরগাছা এবং লাস্ট বেনাপোল স্টেশনে গিয়ে পরের দিন সকাল ৯ টার আগেই পৌঁছে যাবেন অর্থাৎ মোট ৯ ঘন্টায় বেনাপোল পৌঁছাবেন। এই ট্রেনে অনেকের কাছে খুব ভালো মানের ট্রেন হিসেবে পিরিচিতি পেয়ে গেছে।

#বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের কেমন কি ভাড়া তা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

ভাড়াঃ প্রতিজন ৫৫৪ টাকা (নন এসি চেয়ার)
ভাড়াঃ প্রতিজন ১০৪০ টাকা (এসি চেয়ার)
ভাড়াঃ প্রতিজন ১৮৫০ টাকা (এসি কেবিন)

ট্রেনের অগ্রীম সিট ভ্রমণের ১০ দিন আগে পর্যন্ত বুকিং করতে পারবেন। ধরুন, আপনি ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখে যেতে চাচ্ছে তাহলে টিকিট বিক্রি শুরু হবে ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখ সকাল ৮ টা বাজার সাথে সাথে। ১১ বা ১২ দিন আগে কোন ভাবেই টিকিট পাবেন না কারণ এটা বাংলাদেশ রেলওয়ের রুলস, এখন অনলাইনে টিকিট দিয়ে থাকে, তাই ঘরে বসে টিকিট পাবেন তবে নিজ ভোটার কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে টিকিট নেওয়া বাধ্যতামূলক। অন্যের এন আই ডি দিয়ে নিলে অবশ্যই তাকেসহ ভ্রমণ করতে হবে নতুবা জরিমানাসহ গুনতে হবে।

#পরামর্শঃ
যেহেতু এই ট্রেনে ভিড় থাকে তাই যাওয়ার ৫ দিন আগে থেকে বুকিং দেওয়ার চেস্টা করবেন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ঘরে বসে টিকিট পেয়ে যাবেন।

এরপর বেনাপোল স্টেশন টু বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত প্রতিজন ইজিবাইক ভাড়া ২০ টাকা করে। একটা ইজি বাইকে ৪/৫ জন হলে ছেড়ে দিবে।
(স্টেশন টু বর্ডার মাত্র ২ কি.মি. দূরে)

বর্ডারে ভ্রমণ ট্যাক্স বাবদ ৫৫০ টাকা প্রতিজন।

(বর্ডারের গেটে সোনালি ব্যাংকের কাউন্টার পাবেন যা প্রতিদিন সকাল ৬ টা থেকে বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকে এবং ৩৬৫ দিন)

বর্ডার পার হতে হয়তো আরো হাবিজাবি খরচ বাবদ ২০০ টাকার মতো হতে পারে যা (অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ)

#মোট খরচ হচ্ছেঃ (প্রতিজন বাবদ)

১১০০ টাকা (নন এসি চেয়ার সিট নিলে)
১৮০০ টাকা (এসি চেয়ার সিট নিলে)
৩৫০০ টাকা (এসি কেবিন স্লিপার নিলে)

** (একসাথে ২ জনের টিকিটের দাম ধরা হয়েছে)

উপরের মোট খরচ বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

#এবার ভারতের মধ্যকার খরচঃ

বেনাপোল বর্ডার টু বনগা স্টেশন পর্যন্ত প্রতিজন অটো ভাড়া ৫০ রুপি করে।

(বর্ডার পার হলেই রাস্তার বাম পাশে বিশাল বড় একটি গাছ দাঁড়িয়ে আছে, সেই গাছের পাশেই অটো স্ট্যান্ড)

বনগা স্টেশন টু শিয়ালদাহ স্টেশন পর্যন্ত প্রতিজন ভাড়া ২০ রুপি করে

(অটো থেকে নেমে কয়েক কদম হেটে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে ডান দিকে কাউন্টার পাবেন)

শিয়ালদাহ টু হাওড়া স্টেশন বাস ভাড়া ১৮ রুপি করে এবং ট্যাক্সিতে গেলে ৩০০ রুপি নিবে ৪ জনের জন্য।

হাওড়া টু কাটপাডি (ভেলর) পর্যন্ত নন এসি স্লিপার ভাড়া ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা প্রতিজন, এসি স্লিপার ভাড়া ৩০০০ থেকে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত (3A tier) প্রতিজন।

ট্রেনে ৩ বা ৪ বেলা খাবার বাবদ ৪০০ রুপির মতো বা কিছু কম-বেশি হতে পারে।

কাটপাডি (ভেলর) স্টেশন টু CMC হাসপাতাল পর্যন্ত অটো ভাড়া ১৮০ থেকে ২০০ রুপি (৩ জন পর্যন্ত যেতে পারবেন), ৪ জন গেলে সেক্ষেত্রে ড্রাইভারের পাশে বসে যেতে হবে এবং ২০০ রুপির মতো চাইতে পারে।

এরপর কোন এক হোটেলে গিয়ে উঠতে পারেন যেমন মাইসোর প্যালেস, সি এম সি হাসপাতালের বিপরীত দিকে, হাটার দুরত্ব, প্রতিদিন ভাড়া নিবে ৩৫০ রুপি করে ২ জন এবং ৩ জন এক রুমে হলে ৪০০ রুপি করে নিবে।

নিউ সিটি লজ হোটেল (New city lodge) যা একদম কাছে এবং নিচের তালাতে মসজিদ আছে। এই হোটেলের সিংগেল রুম ভাড়া ৪০০ রুপি করে, সিংগেল খাট + একটি তোশক দিবে নিচে শোবার জন্য এবং এটাচ বাথরুম, আবার ডবল বেড রুমের ভাড়া ৪৫০ রুপি করে নিবে যেখানে দুজন অনায়াসে থাকতে পারবেন এটাচ বাথরুম। যদি ৩ জন এক রুমে থাকতে চান তাহলে আরো ৭৫ রুপি যোগ হবে।

এরকম আরো অনেক হোটেল পাবেন তবে ভিতরের দিকে গেলে ৩০০ রুপির মধ্যেও পাবেন। আপনার যেমনটি ইচ্ছা তেমন খুঁজে নিবেন। একদম রাস্তার পাশে যে হোটেল গুলো আছে সেগুলোর ভাড়া একটু বেশি যেমন ৮০০/৯০০ রুপি করে।

রান্না করে খাওয়ার জন্য গ্যাসের চুলা ভাড়া পাবেন যেমন ১ কেজি, ২ কেজি, ৩ কেজি গ্যাসের চুলাসহ। ১ কেজি গ্যাসসহ চুলার ভাড়া নিবে ১৪০ রুপি করে যা দিয়ে ৬/৭ দিন রান্না করতে পারবেন। ২ কেজি গ্যাসের চুলাসহ ভাড়া নিবে ২৭০ রুপি করে যা দিয়ে ১০/১২ দিন চলতে পারবেন আশা করছি।

হাড়িপাতিল, কড়াই, থালা বাটি এসবও ভাড়া পাবেন যা প্রতিদিন ১২/১৫ রুপি ভাড়া দিতে হবে সব মিলে অথবা নিজেরা লাগেজে প্লেট, গ্লাস নিয়ে যেতে পারেন।

সি ফর্ম (Cform) ফিলাপ বাবদ প্রতি পাসপোর্ট এর জন্য ১৫০ রুপি করে খরচ হয়ে যাবে যা হোটেলের ম্যানেজার করে দিবে। নিজে পারলে এই খরচ বেচে যাবে তবে নতুন অবস্থায় নাও বুঝতে পারেন।

ডাঃ আ্যপয়েন্টমেন্ট বাবদ ১৬০০ টাকা খরচ হবে যা ওখানে যাওয়ার আগে নিতে হবে নতুবা ভেলর গিয়ে সিরিয়ালের জন্য হোটেলে ৭/৮ দিন বসে থাকতে হবে কারণ অনেক ভিড় থাকে। ডাঃ এর সিরিয়াল নেওয়া থাকলে জাস্ট একদিন/দুইদিন আগে পৌঁছালেই হবে নতুবা ওখানে গিয়ে সরাসরি সিরিয়াল নিয়ে অন্তত ৭ বা ৮ দিন হোটেলে থাকা লাগবে এবং ভাগ্য খারাপ থাকলে ১৫ দিন হোটেলে সময় কাটানো লাগতে পারে। এক্ষেত্রে খরচ বাড়বে বৈকি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না🤔

#কিছু কাচা বাজারের দামের লিস্টঃ

√ পাংগাস মাছের কেজিঃ ১২০ রুপি
√ রুই মাছের বড় সাইজ কেজিঃ ৩৫০ রুপি
√ ছোট চিংড়ি মাছের কেজিঃ ৪২০ রুপি
√ বড় সাইজের চিংড়ি কেজিঃ ৬০০ রুপি
√ গরুর গোস্ত হাড় সহ কেজিঃ ২২০ রুপি
√ গরুর গোস্ত হাড়বাদে কেজিঃ ২৪০ রুপি
√ কলিজার কেজিঃ ২২০ রুপি
√ ফ্যাকসার কেজিঃ ১২০ রুপি
√ আলুর কেজিঃ ৩৭ রুপি
√ পোটলের কেজিঃ ১০০/১৫০ রুপি
√ চাউলের কেজিঃ ৩৫/৪০/৪৫/৪৮ রুপি
√ ডিম প্রতি পিসের দামঃ ৫ রুপি

(এই দাম ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ এ ঘুরে এসেছি অর্থাৎ আপডেট করা) খুব বেশি তারতম্য হতে দেখি না।

এরকম আরো অনেক কাচা বাজারের দাম আমাদের দেশের সাথে সামাঞ্জস্য আছে তাই চিন্তার কিছু নেই। বাজার করবেন, রান্না করবেন এবং আরাম করে খাইবেন।

বাজার করে নিজেরা রান্না করে খেলে প্রতিদিন ৩ বেলা মিলে ১৩০ টাকার মতো খরচ হতে পারে বা হায়েস্ট ১৫০ টাকার মতো খরচ হবে, এর বেশি নয়, কারন আমি নিজে ভেলরে ৬ বার গিয়েছি, বহুদিন থেকেছি তাই অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।

#তাহলে CMC টেস্ট বাদে মোট খরচ হবে যেমন

√ বেনাপোল পোর্ট পর্যন্তঃ ১৩২৪ টাকা
√ বেনাপোল টু ভেলর হোটেল পর্যন্তঃ ৩৫০০ টাকা
√ হোটেল ভাড়াঃ ৪০০*৩০ দিন = ১২০০০ টাকা
√ ৩০ দিন খাওয়া বাবদঃ ১৩০*৩০ দিন = ৩৯০০ টাকা
√ গ্যাসের চুলা+হাড়ি-পাতিলঃ ৫৬০ টাকা (৩০ দিন)
√ ডাঃ আ্যপয়েন্টমেন্ট বাবদঃ ১৬০০ টাকা
√ রিটার্ন ভেলর টু ঢাকা বাবদঃ ৪৪০০ টাকা

#মোট ২৮২৮৪ টাকা খরচ হবে
*** (হিসাবের যোগে ভুল হতে পারে, নিজ দায়িত্বে হিসাব করে নিবেন প্লিজ)

(ডাঃ এর টেস্ট বাদে এক মাসে থাকা, খাওয়া, যাওয়া, আসা বাবদ যদি ট্রেনে যাতায়াত করেন)

*** যদি এয়ারে যান সেক্ষেত্রে এয়ার ফেয়ার যোগ করে হিসেব করলে সঠিক খরচের হিসাব পেয়ে যাবেন যেমন কলকাতা টু চেন্নাই প্লেন ভাড়া ৮০০০ থেকে ৯০০০ টাকা প্রতিজন। ঢাকা থেকে চেন্নাই প্লেন ভাড়া প্রতিজন প্রায় ১৪০০০ থেকে ১৫০০০ টাকা (ওয়ান ওয়ে) তবে করোনার আগে প্লেন ভাড়া ৫০% কমে পাওয়া যেতো।

আমরা গ্রাহকদের কে বাস্তব ভিত্তিক তথ্য দিয়ে হেল্প করার চেস্টা করে যাচ্ছি। আমরা অনেক সময় নিয়ে পোস্ট করি যাতে গ্রাহকরা উপকৃত হয়।

ঘরে বসে ভেলরের CMC হাসপাতালের ডাঃ আ্যপ, ট্রেন/এয়ার টিকিট, হোটেল এবং সমস্ত গাইডলাইন বুঝে নিন। আমরা ৭ বছর ধরে মেডিক্যাল ট্যুরিজম নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

#জরুরী প্রয়োজনেঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০
(Whatsup/imo)

ওয়েবঃ www.bdindi-traverra.com

#বিঃদ্রঃ আমাদের লেখা কোন বিজনেস পেজে কপি পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি, তবে যে কেউ টাইমলাইনে শেয়ারিং (Sharing) করতে পারবেন।

ভ্রমণ হবে সহজে

কিভাবে ভেলর যাবেন এবং কেমন খরচ সেই সাথে কোন কোন ট্রেন আপাতত যাতায়াত করছে। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন......আমাদের চ্যা...
07/04/2021

কিভাবে ভেলর যাবেন এবং কেমন খরচ সেই সাথে কোন কোন ট্রেন আপাতত যাতায়াত করছে। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন......

আমাদের চ্যানেলটি শেয়ার করুন এবং সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন

ভেলরের কাটপাডি স্টেশন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদদের প্রতি অন্তরের অন্তরস্থল থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি৫২র ভাষা আন্দোলনে যারা নিজের জীবন উৎ...
21/02/2021

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদদের প্রতি অন্তরের অন্তরস্থল থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি

৫২র ভাষা আন্দোলনে যারা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে তাদের আমরা কখনো ভুলতে পারবো না।

বাংলাদেশের সকল সাধারণ মানুষ এবং দেশপ্রেমিক আপনাদের আজীবন মনে রাখবে এবং দোয়া করি যেন আল্লাহ আপনাদের সকলকে জান্নাতবাসী করুক।

#জরুরী প্রয়োজনেঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০
ওয়েবঃ www.bdindi-traverra.com

ভ্রমণ হবে সহজে

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর জন্য মোট ২৬ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। A to Z তালিকা ও ঠিকানা...
17/01/2021

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা করানোর জন্য মোট ২৬ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। A to Z তালিকা ও ঠিকানা জানুন

১৮ ই অক্টোবর স্বাস্থমন্ত্রনালয় থেকে নতুন ১০ টি সহ মোট ২৬ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয় নিচে বিস্তারিত দেখুন....

মনোনীত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো
১। ঢাকার মহাখালীর আন্তর্জাতিক উদরাময় কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি)
২। ঢাকার সোবহানবাগের ডি এম এফ আর মলিকিউলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস
৩। ধানমন্ডির ল্যাবএইড লিমিটেড
৪। মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৫। মহাখালীর আইদেশী
৬। ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার
৭। পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতাল
৮। বসুন্ধরার এভার কেয়ার হাসপাতাল
৯। বনানীর প্রাভা ডায়াগনস্টিক ও
১০। গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল।

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনামুক্ত সনদ প্রদানের জন্য আইইডিসিআরের পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী হাসপাতালকেও নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সনদগুলো এখন থেকে দেশের সব বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও নৌবন্দরে প্রদর্শন করে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক যাত্রীরা দেশের বাইরে যেতে পারবেন।

এ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের করোনা নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। এর আগে গত ২৩ জুলাই থেকে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক সব যাত্রীর কোভিড নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এ জন্য সে সময় সারা দেশের ১৬টি সরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সেগুলো হলো

১। বরিশালে শের-ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ,
২। চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস,
৩। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ,
৪। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ,
৫। ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার,
৬। ঢাকার ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ,
৭। ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন

৮। নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল,
৯। খুলনা মেডিকেল কলেজ (সদর হাসপাতাল এ এখন করা হচ্ছে)

১০। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ,
১১। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ,
১২। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ,
১৩। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ,
১৪। দিনাজপুরে এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ, ১৫। রংপুর মেডিকেল কলেজ এবং
১৬। সিলেটে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।

উপরে উল্লেখিত মোট ২৬ টি প্রতিষ্ঠানের বাইরে আর কোন প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয় নাই অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে করোনা টেস্ট করে দেশের বাইরে যেতে হবে অন্যথ্যায় পোর্ট বা এয়ারপোর্ট যাতায়াত অফ করে দিবে। ধন্যবাদ।

নিজে জানুন এবং অন্যকে জানাতে সাহায্য করুন।

জরুরী প্রয়োজনেঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০
ওয়েবঃ www.bdindi-traverra.com

#তথ্যসূত্রঃ প্রথমআলো, ২০ অক্টোবর ২০২০,
স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট ও অনলাইন নিউজ

ভ্রমণ হবে সহজে

Subscribes our official youtube channel...ভারতের ট্রেন সিট, ভ্রমণ গাইডলাইন, মেডিকেল ট্যুরিজম তথ্য পেতে আজই আমাদের অফিসিয়...
10/01/2021

Subscribes our official youtube channel...
ভারতের ট্রেন সিট, ভ্রমণ গাইডলাইন, মেডিকেল ট্যুরিজম তথ্য পেতে আজই আমাদের অফিসিয়াল Youtube চ্যানেলটি Subscribes করে রাখুন।

এবং পাশে থাকা বেল আইকন বাটনটি প্রেস করে রাখুন যাতে নতুন ভিডিও আপলোড হওয়ার সাথে সাথে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।

ভ্রমণ হবে সহজে

♦My name is: Shaikh Abdur Rahman♦ I love to travel always & trying to give you exact information and you will get best service from us♦ For contact: 01717-18...

নতুন বছরে সবাই যেন ভালো থাকুক সেই দোয়া করি।
01/01/2021

নতুন বছরে সবাই যেন ভালো থাকুক সেই দোয়া করি।

ঘরে বসে ভারতীয় ভিসা এপ্লিকেশন, ভিসা প্রসেসিং, সি এম সি প্রাইভেট ডাঃ আ্যপয়েন্টমেন্ট, মেডিকেল বিষয়ে সঠিক পরামর্শ ও সেবা নি...
29/12/2020

ঘরে বসে ভারতীয় ভিসা এপ্লিকেশন, ভিসা প্রসেসিং, সি এম সি প্রাইভেট ডাঃ আ্যপয়েন্টমেন্ট, মেডিকেল বিষয়ে সঠিক পরামর্শ ও সেবা নিন।

আমাদের দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে তাই সঠিক পরামর্শ পেতে আজই ইনবক্স এ মেসেজ করুন বা সরাসরি ফোন করুন অথবা Whatsup/imo তে মেসেজ করুন।

পেমেন্ট একদম সহজ। বিকাশ/রকেট/নগদে পেমেন্ট দিতে পারবেন। এমনকি iBangking এর মাধ্যমে সহজে ঘরে বসে পেমেন্ট করতে পারবেন, কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হবেনা।

কি কি ডকুমেন্টস দিবেন?
১। পাসপোর্ট কপি
২। ২ বাই ২ ইঞ্চি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড স্ক্যান ছবি
৩। বিদ্যুৎ / পানি বিলের কপি
৪। পেশা ও পেশার ঠিকানা /ট্রেড লাইসেন্স কপি
৫। মোবাইল নাম্বার
৬। ডাঃ ডিপার্টমেন্ট নাম ও প্রত্যাশিত তারিখ
৭। কোন ভিসা অফিসে জমা দিবেন তার নাম

বিঃদ্রঃ
চাইল্ড/ছাত্র-ছাত্রী হলে বাবার পেশাগত বিস্তারিত দিবেন এবং স্কুলের নাম ও ঠিকানা

উপরের সমস্ত তথ্য সিরিয়াল অনুযায়ী আমাদেরকে পাঠিয়ে তারপর ফোন করুন বা মেসেজ করুন বা Whatsup এ দিন অথবা ইমেইলে দিন

Whatsup no: ০১৭১৭-১৮৫৩৬০
আমাদের ইমেইলঃ bdindi17@gmail.com

উপরের সমস্ত তথ্য পাঠানোর পর আমাদের বিকাশ বা রকেট এ টাকা পাঠিয়ে শুধু মেসেজ বা ফোন করলেই হবে। আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার ইমেইলে সব কিছু পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

আমরা ভারতের ট্রেন/এয়ার টিকিট ও মেডিকেল ট্যুরিজম নিয়ে আপনাকে সব রকম হেল্প করতে প্রস্তুত আছি।

হটলাইনঃ ০১৭১৭-১৮৫৩৬০/০১৯৩৭-৭৭৭২৪২

ভ্রমণ হবে সহজে

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। সেই সাথে মনে করছি সেই সকল মুক্তিযোদ্ধা ও মা-বোনদের যাদের রক্তের বিনিময়ে আমার প্রিয় বাংলাদেশ...
15/12/2020

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। সেই সাথে মনে করছি সেই সকল মুক্তিযোদ্ধা ও মা-বোনদের যাদের রক্তের বিনিময়ে আমার প্রিয় বাংলাদেশ পেয়েছি।

তোমাদের ত্যাগ আজীবন আমরা মনে রেখেছি এবং রাখবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন জান্নাতবাসী করুক সেই দোয়া করছি।

ঘরে বসে ভারতের ট্রিটমেন্ট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পেতে আজই সাইট ভিজিট করুন।

ওয়েবঃ www.bdindi-traverra.com

সিলেট থেকে কিভাবে  #ভেলরের সি এম সি অথবা চেন্নাই সিটির আ্যপোলো বা চোখের সেরা হাসপাতাল  #শংকরনেত্রালয়ে যাবেন। বিস্তারিত A...
29/11/2020

সিলেট থেকে কিভাবে #ভেলরের সি এম সি অথবা চেন্নাই সিটির আ্যপোলো বা চোখের সেরা হাসপাতাল #শংকরনেত্রালয়ে যাবেন। বিস্তারিত A to Z পড়ুন।

দীর্ঘদিন ধরে যারা বিভিন্ন অসুখে ভুগছেন কিন্তু দেশের মধ্যে বহু ডাক্টার দেখিয়েছেন অথবা ৩ বছর ট্রিটমেন্ট নিয়েও কোন সমাধান হচ্ছে না,তারা অবশেষে ভারতের মাদ্রাজ ডাক্টার দেখানোর জন্য মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

এখন আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ভারতের কোথায় ডাক্টার দেখাতে ইচ্ছুক সেটা হয়তো স্থীর করে রেখেছেন যেমন চেন্নাই সিটি (মাদ্রাজ) অথবা ভেলর সিটি অথবা হায়দ্রাবাদ অথবা বেংগালুর। মূলত সাউথ ইন্ডিয়ার মধ্যে এই ৪ টি শহর চিকিৎসার সারা ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের কাছে ব্যাপক পরিচিত।

এই সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল এতোটাই জনপ্রিয় যে কে কার থেকে ভালো চিকিৎসা দিতে পারবে তা নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এখানকার ডাক্টারদের ধৈর্য যথেষ্ট, সময় নিয়ে রোগী দেখে এজন্য রোগ ধরতে পারার (%) যথেষ্ট আশানুরূপ। কোন ডাক্টারই গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারে না যে এই রোগ আমি সারিয়ে দিবো কিন্তু একজন রোগীকে যখন সময় নিয়ে দেখে, টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে এনালাইসিস করে তখন সেই রোগের খুটিনাটি অনেক বিষয় ডাক্টারের আয়ত্তে চলে আসে।

এজন্যই বেশিরভাগ রোগী ভারতের বিখ্যাত সিটি চেন্নাই, ভেলর ডাক্টার দেখানোর জন্য প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন.....

আমাদের পরামর্শ নিয়ে সিলেটের বহু সংখ্যক রোগী এসব শহরের হাসপাতালে ডাঃ দেখিয়ে এখন পুরোপুরি সুস্থ আছেন আবার অনেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। রোগ ভালো হওয়া এটা সম্পূর্ণ আল্লাহর উপর নির্ভর করে কিন্তু সেরাটা দিয়ে সবাই চেস্টা করে।

এজন্য সিলেটবাসীর জন্য আজ বিস্তারিত গাইডলাইন লিখতে বসেছি.....আমরা শতভাগ সঠিক পরামর্শ ও গাইডলাইন দিবো ইনশাআল্লাহ।

আপনি হয়তো সিলেটের সদর বা মৌলভিবাজার বা সুনামগঞ্জের বাসিন্দা কিন্তু ধরে নিচ্ছি আপনি সিলেটের সদরে বসবাস করছেন এবং সেই অনুযায়ী গাইডলাইন দিবো....

প্রথমে
ধরে নিচ্ছি আপনি একদমই নতুন অর্থাৎ পাসপোর্ট নেই তাহলে শুরুতে আপনাকে বিদেশে বা ভারতে যেতে হলে অবশ্যই একটি পাসপোর্ট করতে হবে। পাসপোর্ট ছাড়া কোন ভাবেই ভারতে বা অন্য কোন দেশে ঘুরতে বা ডাক্টার দেখাতে যেতে পারবেন না অর্থাৎ আপনাকে পাসপোর্ট করতেই হবে।

এখন বাংলাদেশ সরকার ই-পাসপোর্ট চালু করেছে, অনেক আধুনিক ও সহজ পদ্ধতি অর্থাৎ অনলাইনে আবেদন করবেন, কোন সত্যায়িত করা লাগছে না, স্টুডিও থেকে ছবি তোলাও লাগছেনা, এমনকি কবে সাক্ষর, আংগুলের ছাপ ও ছবি তুলতে যাবেন সেই তারিখও অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে নিজেই আগে থেকে জানতে পারছেন, এমনকি সময়ও দিয়ে দিচ্ছে তাহলে বুঝতেই পারছেন কতটা সহজ পদ্ধতি।

নিচের লিংকে ক্লিক করে ঘরে বসে পাসপোর্ট করে নিন
http://bdindi-traverra.com/1434-2/

আর যদি নিজে না বুঝেন তাহলে আমরাতো আছি। ই-পাসপোর্ট করতে আমরাই সমস্ত সাহায্য করবো। আপনি ঘরে থাকুন, আমরা সব কিছু করে আপনাকে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার তারিখ জানিয়ে দিবো, শুধু সেদিন গিয়ে ছবি তুলবেন ও সাক্ষর করে আসবেন।

এপ্লিকেশন ও আনুষঙ্গিক পেপারস জমা দেওয়ার ২০ বা ২৫ দিন অপেক্ষা করার পর আপনার পাসপোর্ট বই পেয়ে যাবেন যদি সমস্ত তথ্য সঠিক থাকে।

এটি আমাদের মাধ্যমে করতে হলে সঠিক ফর্ম ফিলাপ + টাকা জমা দেওয়া + সঠিক গাইডলাইন বাবদ ৫০০ টাকা সার্ভিস ফি নিয়ে থাকি, আস্থা রাখুন শতভাগ।

http://bdindi-traverra.com/1434-2/
এই লিংকে গিয়ে পাসপোর্ট ফিসহ বিস্তারিত পড়ে তবেই আমাদের তথ্য জানাবেন, আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করে ইমেইল বা ইমোতে বিস্তারিত জানিয়ে ও পাঠিয়ে দিবো।

#দ্বিতীয়
পাসপোর্ট তো পেয়ে গেছেন এখন ভারতের মেডিকেল ভিসা করার পালা যেহেতু ডাক্টার দেখাতে যাবেন তাই মেডিকেল ভিসা করে যাওয়া উচিত নতুবা কিছু কিছু হাসপাতালে ঝামেলা করে অর্থাৎ মেডিকেল ভিসা ছাড়া রোগী দেখেনা। ধরুন, অপারেশন টাইপের কিছু হবে সেক্ষেত্রে মেডিকেল ভিসা ছাড়া ঝামেলাতে পড়বেন।

#যাহোক, মেডিকেল ভিসা করতে কি কি লাগবে?

১। ভিসা এপ্লিকেশন কপি অর্থাৎ http://ivacbd.com সাইটে গিয়ে আপনার পাসপোর্ট এর সমস্ত তথ্য দিয়ে ফিলাপ করে অনলাইনে ভিসা ফি (৮২০) টাকা ফি জমা দিয়ে ভিসা এপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে। ভিসা এপ্লিকেশন যখন প্রিন্ট দিতে হবে তখন অবশ্যই আলাদা দুটি পেজ ও কালার প্রিন্ট দিতে হবে অর্থাৎ এপিঠ-ওপিঠ করা যাবেনা।

২। ন্যাশনাল আইডি/জন্ম নিবন্ধন কপি লাগবে অর্থাৎ পাসপোর্ট করার সময় যে আইডি দিয়ে করেছেন সেই কপি দিতে হবে।

৩। বিদ্যুৎ/পানি বিল/টেলিফোন বিলের কপি অর্থাৎ যে কোন একটি কপি দিতে হবে এবং আপডেট কপি অর্থাৎ চলতি মাস বা আগের মাসের কপি দিলেই হবে।

৪। ব্যাংক স্টেটমেন্ট মেইন কপি (লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট কপি অর্থাৎ অন্তত ২০/২৫ হাজার টাকা থাকলে ভালো অথবা ১৫০ ডলার ইন্ডোরসমেন্ট কপি যা কোন ব্যাংক থেকে নিতে হবে।

৫। বাংলাদেশের লাস্ট ২/৩ টি ডাঃ প্রেশক্রিপশন কপি এবং যদি কোন টেস্ট রিপোর্ট কপি থাকে সেটার কপিও দিবেন (অর্থাৎ বাংলাদেশে যে যে ডাক্তার দেখিয়েছেন সেইসব ডাক্তার অথবা সর্বশেষ ডাক্তারের অথবা যে ডাক্তারের কাগজ গ্রহনযোগ্য তার যাবতীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন)।

৬। ইন্ডিয়ান ডাক্তারের appointment letter লাগবে।
অথবা CMC হাসপাতালের ডা: এপোয়েন্ট নিলে সেটা আর বেশি ইফেক্টিভ হবে। এটা আমরা করে থাকি।

৭। পেশাগত প্রমাণপত্র কপি যেমন ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স কপি/ছাত্র-ছাত্রী হলে স্কুল বা কলেজ বা ভার্সিটি আইডি কপি এবং চাকরিজীবী হলে NOC এবং GO কপি আর কৃষক হলে

৮। লাস্ট ভারতের ভিসা পেজ কপি (যদি থাকে)

৯। পাসপোর্ট এর মেইন দুটি পেজের কপি

১০। ভিসা ফি কপি (যদি অনলাইনে জমা দিয়ে থাকেন)

ভিসা অফিসে জমা দেওয়ার পর ৪/৫ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন যদি আপনি যমুনা ফিউচার পার্কে জমা দেন আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম বাদে অন্য কোন শাখায় জমা দিলে অন্তত ৮/১০ দিন সময় লাগতে পারে।

অর্থাৎ অনলাইন ভিসা এপ্লিকেশন ফিলাপ ও ভিসা ফি বাবদ মোট ১১২০ টাকার মতো খরচ হয়ে যাবে এবং ভারতের ডাঃ আ্যপ বাবদ (সি এম সি হলে এক্সট্রা ১৬০০ টাকা খরচ হবে ডাঃ আ্যপয়েন্টমেন্ট নিতে) অর্থাৎ মোট ২৭২০ টাকার মতো খরচ হবে ভিসা পেতে।

#এখন সিলেট থেকে কলকাতা/হাওড়া স্টেশনে কিভাবে যাবেন?

সিলেট থেকে ৩ উপায়ে যেতে পারেন যেমন

উপায় এক (১)

প্রথমে ব্যাগট্যাগ গুছিয়ে বাড়ি থেকে সকাল ৯ টার মধ্যে সিলেট রেল স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে এবং সকাল ১১ টা ১৫ মিনিটে একটি ট্রেন আছে, নাম JOYENTIKA (জয়ন্তিকা) এই ট্রেন সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। এই ট্রেনের নন এসি চেয়ার ভাড়া ২৭০ টাকা, এসি চেয়ার ভাড়া ৭৭০ টাকা।

এরপর ঢাকা থেকে বেনাপোল এর দিকে বেনাপোল এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন যাতায়াত করে যা রাত ১১ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে অর্থাৎ কমলাপুর রেল স্টেশনে ২/৩ ঘন্টা আগে পৌঁছাতে চাইলে জয়ন্তিকা ট্রেনে গেলে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়।

যাহোক বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন পরের দিন সকাল ৯ টার মধ্যে বেনাপোল স্টেশনে পৌঁছাবে। এসি কেবিনের ভাড়া প্রতি সিটের জন্য প্রায় ১৮০০ টাকা, এসি চেয়ার ভাড়া ৯০০ টাকা এবং নন এসি চেয়ার কোচ ভাড়া প্রতিজন ৫২৫ টাকা।

বেনাপোল বর্ডার নেমে একটা ইজি বাইকে উঠে বর্ডারে পৌঁছাতে পারবেন, প্রতিজন ১৫ টাকা ভাড়া নিবে এবং সময় লাগবে মাত্র ১০/১৫ মিনিট অর্থাৎ মাত্র ২ কিমি দূরে অবস্থিত।

প্রতিজন ট্রাভেল ট্যাক্স বাবদ ৫৫০ টাকা জমা দিয়ে বর্ডার পার হয়ে ওইপারে যাবেন এবং পার হওয়ার পর অনেক হলুদ অটো পাবেন। সেই অটোতে করে বনগাঁ স্টেশনে যাবেন এবং প্রতিজন ৩০ রুপি করে ভাড়া নিবে আর স্টেশনে পৌঁছাতে মাত্র ২০/২৫ মিনিটের সময় লাগবে। অটোতে ৫ জন হলেই ছেড়ে দিবে তাই অল্প সময়ে লোক হয়ে যাবে।

স্টেশনের সিড়ির কাছে নামিয়ে দিবে তারপর সিড়ি বেয়ে উঠে ডান দিকে টিকিট কাউন্টার, লাইনে দাঁড়িয়ে ২০ রুপি দিয়ে শিয়ালদাহ স্টেশন যাওয়ার টিকিট দিবেন অর্থাৎ এটি লোকাল ট্রেন এবং লাস্ট স্টেশন হচ্ছে শিয়ালদাহ স্টেশন এবং যেতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট বা কম সময়।

প্রায় ৪৫/৫০ মিনিট পর পর ট্রেন পাবেন। তাই দুশ্চিন্তা করার কিছুই নেই। ভোর রাত থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রেন পাবেন।

শিয়ালদাহ স্টেশনে পৌঁছানোর পর আপনি স্টেশনের বাইরে গিয়ে হলুদ ট্যাক্সি পাবেন। হলুদ ট্যাক্সিতে করে হাওড়া স্টেশন বা ছত্রাগাছি স্টেশনে যাবেন অর্থাৎ আপনার ট্রেনের টিকিট যে স্টেশন থেকে নেওয়া সেই স্টেশনে যাবেন। চেন্নাই/ভেলর যাওয়ার ট্রেনের টিকিট অগ্রীম নিয়ে যাবেন তাহলে ভোগান্তি কম হবে নতুবা এই টিকিটের জন্য কলকাতা ২ দিন থাকা লাগতে পারে।

উপায় দুই (২)
ঢাকা থেকে সরাসরি কলকাতা যাওয়ার ট্রেন চলাচল করে যার নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস। এই ট্রেনের সিট অগ্রীম নিতে চাইলে অন্তত ৬/৭ দিন আগে নিবেন তবে ২৯ দিন আগে পর্যন্ত অগ্রীম নিতে পারবেন। সকাল ৮ টা ১৫ মিনিটে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়ে এবং কলকাতা স্টেশন গিয়ে পৌঁছায় বিকেল ৫ টার মধ্যে তবে কিছু সময় দেরি হলেও বিকেল ৬ টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন।

ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছাড়ে আর কলকাতা স্টেশন গিয়ে থামে। এই ট্রেনে এসি চেয়ার সিট ও এসি কেবিন আছে, কোন নন এসি চেয়ার সিট নেই।

এসি চেয়ারের ভাড়া প্রতিজন ২৫০০ টাকা ট্যাক্সসহ এবং এসি কেবিনের ভাড়া ৩৪০০ টাকা। এই দুই প্রকার ভাড়া বাদে আর কোন ভাড়া নেই। অর্থাৎ যখন টিকিট নিবেন তখন ট্যাক্সসহ ভাড়া জমা দিতে হয়। যদি কোন শিশু থাকে যার বয়স ৫ বছরের কম তার ভাড়া ৫০% কম নেওয়া হয়ে থাকে। পাঁচ বছর (৫) এর বেশি হলেই ফুল ভাড়া দিয়ে যেতে হবে।

এই টিকিট নিতে হলে সরাসরি কমলাপুর রেল স্টেশন উপস্থিত হয়ে নিতে হবে অর্থাৎ মূল পাসপোর্ট বই সাথে নিয়ে যাবেন এবং ফ্যামিলির অন্য কারো টিকিট নিতে চাইলে সবার পাসপোর্ট সাথে নিয়ে যাবেন অর্থাৎ একজন সবার টিকিট নিতে পারবেন।

কাউন্টার থেকে ফর্ম নিয়ে ফিলাপ করে জমা দিবেন, টাকা জমা দিবেন, টিকিট পেয়ে যাবেন যদি যথেষ্ট সিট থাকে।

যাহোক, ধরে নিলাম মৈত্রী ট্রেনে যেতে ইচ্ছুক, বাসা থেকে রাতে বের হয়ে বাসে/ট্রেনে করে ঢাকা পৌঁছাবেন তারপর সকাল ৭ টার মধ্যে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছাবেন। তারপর ইমিগ্রেশন চেকিং হওয়ার পর ট্রেনে উঠবেন এবং যথারীতি ট্রেন ঠিক ৮ টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে দিবে এবং ওই দিন বিকেল ৫ টার মধ্যে কলকাতা স্টেশন পৌঁছে যাবেন।

কলকাতা স্টেশন পৌঁছানোর পর একটি হলুদ ট্যাক্সি বা উবার নিয়ে সরাসরি হাওড়া স্টেশনে চলে যাবেন।ট্যাক্সি ভাড়া ১৭০/২০০ রুপি নিবে, এর বেশি নয়। দরাদরি করে তবেই ট্যাক্সিতে উঠবেন প্লিজ।

আর উবারে উঠলে তো আগে থেকে ভাড়া মোবাইল আ্যপে দেখতে পারবেন, একদম সহজ। জ্যাম না থাকলে হয়তো ২০/২৫ মিনিটের মধ্যে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে যাবেন। হাওড়া স্টেশন থেকে রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটে একটি ট্রেন ছাড়ে যেমন How Mass Mail ট্রেন এটি চেন্নাই পর্যন্ত গিয়ে থামে এবং ২৮ ঘণ্টা লাগে।

ট্রেনটি প্রতিদিন যাতায়াত করে এবং চেন্নাই পৌঁছায় ভোর ৪ টা থেকে ৪ টা ৩০ মিনিটের মধ্যে যদিও পৌঁছানোর সময় দেওয়া ভোর রাত ৩ টা ৪৫ মিনিটে কিন্তু ১০০% সঠিক সময়ে পৌঁছানো কঠিন সেজন্য ৪ টা ৩০ মিনিট ধরে রাখুন। আমি নিজে যতবার এই ট্রেনে গিয়েছি ততোবার ই ভোর ৪ টা ২৫ বা ৪ টা ১৫ মিনিট এরকম সময়ে পৌঁছায়ছি।

খাওয়া-দাওয়া ট্রেনের মধ্যেই পাবেন অর্থাৎ দুপুর ও রাতের খাবার খেতে চাইলে সিটে বসে অর্ডার দিলে আপনার সিটে এসে দিয়ে যাবে তাই খাওয়া দাওয়া নিয়ে চিন্তার কোন দরকার নেই। দুপুর ও রাত মিলে প্রতিজন ২৫০ রুপির বেশি খরচ হবেনা। অল্প ভাত, সবজি, মুরগির গোস্ত এসব পাবেন। আবার চাইলে রুটিও খেতে পারবেন। তবে ট্রেনে উঠার সময় স্টেশন থেকে কমলা ও আপেল কিনে উঠতে পারেন সেই সাথে ৩/৪ লিটার পানি।

এই ট্রেনের এসি স্লিপারের (3A) ভাড়া প্রতিজন ১৮৫০ রুপির মতো ভাড়া এবং এসি স্লিপার (2A) প্রতিজন ভাড়া ২৫৫০ রুপির মতো এবং নন এসি স্লিপার সিটের ভাড়া প্রতিজন ৭০০ রুপির মতো (এই ভাড়া ট্রেনের রিয়েল ভাড়া) তবে এজেন্টদের মাধ্যমে অগ্রীম টিকিট করিয়ে নিলে ভাড়া আরো বেশি হবে অর্থাৎ 3A স্লিপার ভাড়া নিতে পারে ২৫০০/২৬০০ টাকা, 2A সিটের ভাড়া নিতে পারে ৩৫০০/৩৬০০ টাকার মতো এবং নন এসি স্লিপারের ভাড়া নিতে পারে ১১৫০/১২০০ টাকার মতো।

কারণ অগ্রীম টিকিট বুকিং করে না গেলে সেক্ষেত্রে ওই দিন কলকাতা গিয়ে কখনো ট্রেন টিকিট পাবেন না। ট্রেনের টিকিটের জন্য ১ বা ২ রাত কলকাতা থেকে তবেই ইমারজেন্সি (ততকাল) টিকিট পেতে পারেন এবং সেই টিকিটের অরিজিনাল দামও বেশি যেমন 3A সিটের ভাড়া তখন হয়ে যাবে ২২৫০ রুপি যা কাউন্টার থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে নিতে চাইলে আর এজেন্ট এর কাছ থেকে নিলে ২৫০০ রুপির নিচে নয়। যেহেতু এটি ইমারজেন্সি টিকিট ক্যাটাগরি তাই সিটের ভাড়াও অনেক বেশি নিয়ে থাকে রেল অথোরিটি।

আবার আপনি চাইলে কলকাতা স্টেশন থেকে ট্যাক্সি বা উবার নিয়ে সরাসরি কলকাতা (দমদম) এয়ারপোর্টে চলে যেতে পারেন যদি কেউ এয়ারে করে চেন্নাই যেতে চান। এক্ষেত্রে ট্যাক্সি/উবার ভাড়া নিতে পারে ৩৫০ বা ৪০০ রুপি। কলকাতা এয়ারপোর্টের দোতলাতে গিয়ে সিকিউরিটি অফিসারকে টিকিট ও পাসপোর্ট দেখিয়ে যে কোন একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করে ভিতরে যাবেন এবং সহজে কাউন্টারে ই-টিকিট দেখিয়ে মূল টিকিট নিবেন এবং লাগেজ বোর্ডিং এ দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে ভিতরে হাটাহাটি বা ঘুরে বেড়ান প্লেনে উঠা পর্যন্ত।

কলকাতা টু চেন্নাই প্লেনের ভাড়া প্রতিজন ৪৫০০/৫০০০ টাকার মধ্যে তবে করোনার কারণে কিছুটা বেড়ে ৫৫০০ বা ৬০০০ বা কিছু বেশি হয়ে গেছে (১৫/২০ দিন আগে যদি বুকিং দেন সেক্ষেত্রে এই ভাড়া) নতুবা যাওয়ার ২/৩/৪ দিন আগে নিলে তখন ভাড়া ৬০০০/৭০০০ বা ৮০০০ টাকা হতেও পারে। প্লেনের ভাড়া মূলত তারিখ ও সময়ের উপর নির্ভর করে অর্থাৎ সকালে এক ভাড়া আবার দুপুরে ভিন্ন ভাড়াও হতে পারে, নো গ্যারান্টি।

#উপায় তিন (৩)

এই উপায়ে যেতে চাইলে একটু খরচ বেশি হবে অর্থাৎ যাদের হাতে সময় কম, টাকা পয়সা কিছু বেশি আছে তাদের জন্য প্রযোজ্য যেমন বাসা থেকে বের হয়ে সিলেট এয়ারপোর্টে আসবেন তারপর সিলেট টু ঢাকা এয়ারপোর্টে নামবেন।

তারপর ঢাকা টু চেন্নাই সরাসরি ফ্লাইট আছে। আপনি সরাসরি যেতে পারেন। ধরে নিলাম, আপনি ঢাকা থেকে চেন্নাই এয়ারে করে যাবেন তাহলে প্রথমে সিলেট থেকে নভো এয়ার বা ইউ এস বাংলা এয়ারে করে ঢাকা এয়ারপোর্ট নামবেন তারপর ঢাকা থেকে চেন্নাই যাওয়ার সরাসরি ফ্লাইট আছে যেমন

√ ইউ এস বাংলা এয়ার
√ স্পাইসজেট এয়ার
√ ইন্ডিগো এয়ার
√ বিমান বাংলাদেশ

উপরের ৪ টি এয়ারলাইন্স সরাসরি চেন্নাই গিয়ে থাকে। এদের মধ্যে US Bangla Air প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন যাতায়াত করে যেমন রবি, মংগল ও বৃহঃবার এবং ঢাকা থেকে সকাল ৯ টায় ছাড়ে আর চেন্নাই গিয়ে থামে দুপুর ১২ টা ৪০ মিনিটে এবং ভাড়া প্রতিজন ১০৫০০ থেকে ১২০০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন যেহেতু এয়ার ভাড়া পরিবর্তনশীল তাই তারিখের উপর ডিপেন্ড করে।

এই ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চিটাগং গিয়ে লোক উঠিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে চিটাগং টু চেন্নাই এর উদ্দেশ্য নিয়ে রওনা দিয়ে থাকে আর দুপুর ১২ টা ৪০ মিনিটে গিয়ে ল্যান্ড করে।

#স্পাইসজেট এয়ার (Spicejet air)

এটি ভারতীয় এয়ারলাইনস, এরা সম্প্রতি ডিরেক্ট ফ্লাইট চালু করেছে অর্থাৎ করোনার পর শুরু করেছে এবং আপাতত সাপ্তাহিক চালু করেছে। এই ফ্লাইটে ভাড়াও কম। মূলত এরা চালু করার পর US Bangla এয়ারের ভাড়া কমিয়ে দিয়েছে কারণ আগে ইউ এস বাংলাতে যেতে হলে অন্তত ১৩০০০/১৫০০০ টাকা লাগতো কিন্তু এখন কমিয়ে ১০৫০০/১২০০০ এর মধ্যে করেছে।

সিলেট থেকে ডাউকি (Dawki) বর্ডার দিয়ে কিভাবে চেন্নাই যাবেন?

যারা সিলেট থেকে সহজে যেতে চান তারা চাইলে কাছের পোর্ট ডাউকি দিয়ে যেতে পারেন অর্থাৎ আপনাকে সিলেটের তামাবিল বর্ডার পার হয়ে ওই পারে যেতে হবে। ভারতের বর্ডারের নাম হচ্ছে ডাউকি।

আপনি সিলেট/সুনামগঞ্জ/মৌলভিবাজার যেখানেই থাকেন না কেন ভোরবেলা হালকা নাস্তা করে বাসা থেকে বের হয়ে ডাউকির উদ্দেশ্যে রওনা দিন।

ডাউকি বর্ডার পার হয়ে গুয়াহাটি যেতে হবে অর্থাৎ গুয়াহাটি এয়ারপোর্টে এবং ওখান থেকে চেন্নাই এর উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। কিছু কিছু ফ্লাইট আছে সরাসরি যাতায়াত করে আবার অধিকাংশ ফ্লাইট ভায়া হয়ে যাবে। এয়ারে প্রতিজন ভাড়া ৬০০০/৬৫০০/৭০০০ টাকা করে নিবে বা কিছু কম বেশি হতে পারে।

চেন্নাই এয়ারপোর্ট নেমে কিভাবে চেন্নাই হোটেলে যাবেন?

চেন্নাই এয়ারপোর্ট নেমে একটা ট্যাক্সি বা উবার ভাড়া করবেন এবং বলবেন যে গ্রীমস রোড যাবেন অর্থাৎ আ্যপোলো হাসপাতালের পাশে। ওখানেই মূলত ৮০% বাংলাদেশি রোগী বিভিন্ন হোটেলে উঠে থাকে। ট্যাক্সি বা উবার ভাড়া নিবে ৩৫০/৪০০ রুপির মতো। সময় লাগবে ৩৫/৪০ মিনিট এবং এয়ারপোর্ট থেকে দূরত্ব প্রায় ১৬ কিমি।

ওয়েবঃ www.bdindi-traverra.com
ব্যাপক তথ্য পেতে সাইট ভিজিট করুন

লেখার আপডেট আরো দেওয়া হবে........

লেখাঃ শেখ আব্দুর রহমান

ভ্রমণ হবে সহজে

বাংলাদেশে মাত্র ২৭৫০ টি পোস্ট অফিস রয়েছে। প্রায় ১ বছর হতে যাচ্ছে অথচ এখনো e-Passport ফর্ম ফিলাপ করতে গিয়ে অনেকে পোস্ট অফ...
16/11/2020

বাংলাদেশে মাত্র ২৭৫০ টি পোস্ট অফিস রয়েছে। প্রায় ১ বছর হতে যাচ্ছে অথচ এখনো e-Passport ফর্ম ফিলাপ করতে গিয়ে অনেকে পোস্ট অফিস নাম খুঁজে পাচ্ছে না, এটা কোন ধরনের হয়রানিমূলক কাজ?

যাদেরকে দিয়ে অনলাইন এপ্লিকেশন প্লাটফর্ম বানিয়েছে তারা কি ঘুমিয়ে থাকে? তারা কি ডাটাবেজে ২৭৫০ টি পোস্ট অফিসের নাম আ্যড করতে পারেন নাই?

আর এই প্রজেক্ট ফাইনালি যেসব অফিসার অনুমোদন দিয়েছিল তারা কি ২৭৫০ টি পোস্ট অফিস নাম আছে কিনা সেটা যাচাই না করেই সাইট চালু করে দিলো?

ভালো কথা, নতুন কিছু করতে গেলে ভুলভ্রান্তি হতেই পারে তাই বলে গভঃ এর এরকম বৃহৎ প্রোজেক্টে এরকম ভুল মেনে নিবো কেন? কারণ এই ভুল তো গত ৬ মাস ধরে চলছে এবং বহু ভুক্তভোগী পাসপোর্ট আবেদনকারি শত শত পোস্ট করেছে এই ভুল সম্পর্কে তবুও কোন সংশোধন নেই। এসব কি চোখে পড়েনা?

কেউ হয়তো এডি স্যারের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে যে অপশনের মধ্যে পাশের কোন পোস্ট অফিস নাম থাকলে সেটি দিয়ে দিন। কিন্তু কেন এই উদাসীনতা? পাশের পোস্ট অফিস নাম কেন দিবে?

এই সামান্য আপডেট তো কয়েকদিনের মধ্যেই সমাধান করে দেওয়া উচিত। এটি সমাধান করাতো কঠিন কিছু নয়, শুধু কোডিং এর ভিতর কয়েকটা মিসিং পোস্ট অফিস নাম ও কোড বসিয়ে দিয়ে আপডেট করে দিবে। এই ঘোড়াR ডিমের আপডেট দিতে কি আবার বিশেষ কিছু লাগে নাকি? যেখানে ডাটাবেজ অপশন আছে সেখানে কয়েকটা নাম বসিয়ে কোডিং এর হুকে ঢুকিয়ে দিবে, এই তো আর তো কিছু নয়।

পাসপোর্ট অফিসের এডি স্যার পাসপোর্ট অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে দ্রুত আপডেট করতে বললে মাত্র ৩/৪ দিনের মধ্যেই সেটা সম্ভব অথচ মাসের পর মাস চলে যাচ্ছে অথচ এই বিষয়ের কোন আপডেট করছেনা।

সরকারি অফিসাররা এতো কেয়ারলেস কেন হয় বুঝে আসছে না। যে সমস্যার সমাধান ৭ দিনেই করা সম্ভব সেই জিনিস ত্যানা প্যাচাতে প্যাচাতে ৬ মাস+ হয়ে গেলেও কারো কোন সমাধান নেই, আশ্চর্য!

খুব ভালো কাজ করেছে এতে কোন সন্দেহ নেই কারণ এখন ঘরে বসে ফর্ম ফিলাপ, জমা দেওয়ার তারিখ ও সত্যায়িত করার ঝামেলা নেই এবং স্টুডিও ছবির ঝামেলাও কমিয়ে দিয়েছে।

কিন্তু আর কয়েকটি ধাপ আপডেট করলে এটি হবে অসাধারণ এক প্রজেক্ট কারণ অনেকে পাসপোর্ট ফর্ম ফিলাপ করে সাবমিট দেওয়ার পর কিছু না কিছু ভুল করে বসে যেমন

√ কেউ Given নাম ভুল দিয়েছে
√ কেউ Given নাম মোটেও দেন নাই
√ কেউ Sur নামের স্পেলিং ভুল হয়েছে
√ কারো ঠিকানা ভুল হয়েছে
√ কারো হয়তো জমার তারিখ দেওয়া ভুল হয়েছে
√ কেউ হয়তো বাবা-মার নাম ভুল করেছে

তো কথা হচ্ছে, সাবমিট দেওয়ার পর প্রিন্ট করেন অনেকে তারপর এসব ভুলগুলো চোখে পড়ে কিন্তু এটি আর সংশোধন করার কোন অপশন রাখে নাই, এটা তো ই-সিস্টেম হলোনা??

এটি সংশোধন বা ডিলিট করতে হলে এডি স্যারের কাছে দরখাস্ত করে সাইন সাক্ষর নিয়ে তারপর ডিলিট বা এডিটিং করতে হবে। কিন্তু কেন? আপনারা চাইলেই তো ভিতরে এক্সট্রা অপশন রাখতে পারেন অর্থাৎ ফাইনাল সাবমিট করার পর ২৪ ঘণ্টা সময় দিতে পারেন সংশোধন করবার জন্য অর্থাৎ কারো কোন ভুল হলে এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এডিটিং করে পুনরায় সাবমিট করে প্রিন্ট করতে পারবে।

অথবা ভুলের জন্য জরিমানা হিসেবে ২০০/৩০০ টাকা বরাদ্দ সিস্টেম রাখতে পারে, এতে করে প্রতিদিন ২/৩ লক্ষ টাকার উপর পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ফান্ডে আ্যড হবে কারণ প্রতিদিন যদি ১০ হাজার জন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করে তবে অন্তত ১০% মানুষের ভুল হবেই, এটা কোন ভাবে রিমুভ করা সম্ভব নয়।

অনলাইন বা বিকাশ/রকেটে ফি জমা দেওয়ার পর সেটা নিশ্চিতকরণ মেসেজ পাওয়ার পর প্রত্যেক ব্যক্তি বা আইডি এডিটিং করার অপশন একটিভ হবে। তারপর দ্রুত এডিটিং করে আবার সাবমিট করবে।

যদি আবারো কোন ভুল করে তখন ২য় বার এডিটিং করতে হলে ৫০০ টাকা জরিমানা দিয়ে আবারো এডিট করার অপশন একটিভ হবে এবং ফাইনালি সংশোধন করে সাবমিট করবে।

এরকম অপশন আ্যড করলে ই-পাসপোর্ট মানুষের জন্য আরো সহজ হবে বলে মনে করছি।

ই-পাসপোর্ট এর পেপারস এনালগ সিস্টেমে ভেরিফাই না করে ই-সিস্টেমে ভেরিফাই করলে বহু কাজ সহজ হবে এবং পাসপোর্ট অফিসের অফিসাররা সহজে কাজ করতে পারবে এবং জনগণ হয়রানি হবেনা, একদম সহজে হয়ে যাবে।

দেশকে উন্নত করতে চাইলে উন্নত চিন্তা ভাবনা করুন, এরকম প্যাচগোচ রেখে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন। অযথা মানুষকে আর বোকা বানাবেন না, মানুষ এখন সবই বোঝে। সৎ মানুষের মতো কাজ করুন, দেখবেন আপনাদের মরার পরও মানুষ স্বরণ রাখবে..... এনালগ হয়রানি বন্ধ হওয়ার পর এখন e-হয়রানি শুরু করেছেন তাই না???

নেক্সট পোস্টে লিখবো ই-পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে ই-ভেরিফিকেশন আরো সহজিকরণ কিভাবে সম্ভব।

আপনার কোন মতামত বা সুচিন্তা এখানে জানাতে ভুলবেন না প্লিজ। আমার, আপনার চিন্তা হয়তো একটা সময় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সুচিন্তাশীল অফিসারের নজরে আসবে তখন হয়তো এসব বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

লেখাঃ শেখ আব্দুর রহমান (ব্যক্তিগত অভিমত)

ভ্রমণ হবে সহজে

Address

Khulna
9260

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 15:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801937777242

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CMC DR.APP Consultation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to CMC DR.APP Consultation:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram