Balance Diet Source

Balance Diet Source Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Balance Diet Source, Medical and health, 46 sultan ahmed Road, moulavipara, Khulna.

Spirulina in tablet n powder form that we can consume.
02/08/2018

Spirulina in tablet n powder form that we can consume.

@ উপকারিতা @* এসিডিটি বা গ্যাস প্রতিহত করে।* বায়োফ্লভনয়েড বেশি থাকায় ব্রেস্ট ক্যান্সারের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।* ভিট...
09/01/2018

@ উপকারিতা @
* এসিডিটি বা গ্যাস প্রতিহত করে।
* বায়োফ্লভনয়েড বেশি থাকায় ব্রেস্ট ক্যান্সারের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
* ভিটামিন 'সি' বেশি থাকায় রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
* ডায়াবেটিস, জ্বর, নিদ্রাহীনতা, মুখের ভেতরে ঘা, পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
* কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে, সেই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
* ওজন কমানোয়ও বিশেষ ভূমিকা রাখে।
* রক্ত পরিষ্কারের ক্ষমতা থাকায় দেহে কোনো ধরনের বিষাক্ত উপাদান প্রবেশ করলে ধ্বংস করতে পারে।
* প্রতিদিন এক গ্লাস করে বাতাবি লেবু জুস করে খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

তেতো শসা খাওয়া বিপজ্জনক। কারণ তেতো শসা মানেই তা টক্সিক, বিষাক্ত বেশি শসা খেলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা হতে পারে শরীরে ওজন অস্ব...
15/03/2017

তেতো শসা খাওয়া বিপজ্জনক। কারণ তেতো শসা মানেই তা টক্সিক, বিষাক্ত বেশি শসা খেলে ডিহাইড্রেশন সমস্যা হতে পারে শরীরে ওজন অস্বাভাবিক কমে যেতে পারে শসায় প্রচুর পরিমানে ভিটামিন C থাকে। শরীরে ভিটামিন C এর আধিক্য কোষের ক্ষতি করে শসায় পটাসিয়ামের পরিমাণও থাকে অনেকটাই বেশি। বেশি শসা শরীরে পটাসিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যা থেকে তলপেটে ব্যথা,পেটের রোগ, এবং কিডনিও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে শসায় জলের ভাগ প্রায় ৯০ শতাংশ। জলের পরিমাণ বাড়ালে শরীরে ভারসাম্য নষ্ট হয়। বিঘ্নিত হয় পাচন প্রক্রিয়া

গরম পড়ছে। বাড়ছে শসার চাহিদা। কিন্তু এবার একটু বুঝেশুনে খান শসা। বলছেন চিকিত্‍সকরাই। শসা মানেই সহজে হজম । এটাই চলতি ধারনা। কিন্তু শসা থেকেই ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ! আধুনিক চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের নয়া গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই আশঙ্কার তথ্য। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেতো শসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর বি...

ফাটা ঠোঁট ও গিরায় ব্যথা: আপনার নাভিতে দু'তিন ফোটা সরিষার তেল দিন। এটা শুনে আপনার চোখ কপালে উঠতে পারে, মনে হতে পারে নাভির...
14/03/2017

ফাটা ঠোঁট ও গিরায় ব্যথা: আপনার নাভিতে দু'তিন ফোটা সরিষার তেল দিন। এটা শুনে আপনার চোখ কপালে উঠতে পারে, মনে হতে পারে নাভির সঙ্গে ঠোঁট ও গিড়ার সম্পর্ক কি? তবে বিশ্বাস করুন কয়েক ফোটা সরিষার তেল নাভিতে দিয়ে মালিশ করলেই আপনার ঠোঁট ফাটা ও গিরার ব্যথা কমে যাবে।

গোপন দুর্বলতায়: নাভিতে ৪-৫ ফোটা নারিকেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে মালিশ করুন। এটা সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে আপনার গোপন দুর্বলতা কমে যেতে শুরু করবে এবং এতে উর্বরতাও বাড়বে।

হাঁটু ব্যথা: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোটা ক্যাস্টর তেল মালিশ করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার ব্যথা কমে গেছে।

ব্রণ: ব্রণ হলে নাভিতে কয়েক ফোটা নিম তেল দিয়ে আলতো হাতে মালিশ করুন। এই তেল কয়েক দিন ব্যবহারে আপনার ব্রণ কমে যাবে। তবে এ তেল আবার মুখে ব্যবহার করবেন না যেন, তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

উজ্বল ত্বক: তিন-চার ফোটা বাদাম তেল আপনার নাভিতে দিয়ে মালিশ করুন। এভাবে কয়েক দিন ব্যবহারে দেখবেন আপনার ত্বক কেমন উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

এছাড়া কয়েক ফোটা ঘি নাভিতে মালিশ করলে আপনার ত্বক কোমল হয়ে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন আরও মোহনীয়।

ফ্লু বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা: একটি তুলার বল এলকোহলে ডুবিয়ে নাভির ওপর রাখুন। দেখবেন আপনার ঠাণ্ডা জনিত সমস্যা কতো তাড়াতাড়ি কমে গেছে।

ঋতুস্রাবে ব্যথা: ঋতুস্রাবে ব্যথা হলে একটি তুলার বল ব্র্যান্ডিতে ডুবিয়ে নিন, তারপর নাভির ওপর রাখুন। এভাবে দিনে কয়েকবার ব্যবহারে ব্যথা কমে যাবে।

অসহ্য গাঁটে ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, ঠাণ্ডা, ফ্লু, সর্দি ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে দু'তিন ফোটা তেল নাভিতে ঢেলে দেখুন কী হয়!   একদম মুহূর্তের মধ্যেই আপনার শরীর থেকে একে একে সব সমস্যা হাওয়া হয়ে যাবে।   কী বিশ্বাস হচ্ছে না তো! তবে একাধিক গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে।   বিশেষজ্ঞরা মাত্র দু'তিন ফোটা তেল নাভি...

কীভাবে রান্না করবেন*পরিমাণ মতো শুকনো চাল একটি জগ বা পাত্রে রাখতে হবে;*সারা রাত ধরে ওই চাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে;*এরপর ...
10/02/2017

কীভাবে রান্না করবেন
*পরিমাণ মতো শুকনো চাল একটি জগ বা পাত্রে রাখতে হবে;
*সারা রাত ধরে ওই চাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে;
*এরপর পানি পরিষ্কার না দেখা পর্যন্ত ওই চাল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে;
*চাল থেকে ভালোভাবে পানি ছাড়াতে হবে (পানি নিংড়ে নিতে হবে) ;
*এরপরই পাত্রে চাল রেখে সামান্য লবণ দিতে হবে, চাল যে পরিমাণ দেওয়া হবে তার পাঁচ গুন পানি পাত্রে দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে;
*পাত্রে ঢাকনা ছাড়া সম্ভব সর্বনিম্ন তাপে ১০-১৫ মিনিট চুলায় ভাত রান্না করতে হবে;
*রান্না করা ভাত নরম কাঁটাচামচ ব্যবহার করে অন্য পাত্রে তুলতে হবে।

১. আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে : আয়রনের অভাবে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পায়। সবুজ পাহাবহুল শাক-সবজি আয়রনে পূর্ণ থাকে। পাল...
09/02/2017

১. আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে : আয়রনের অভাবে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পায়। সবুজ পাহাবহুল শাক-সবজি আয়রনে পূর্ণ থাকে। পালং শাক, বীট, মুরগির যকৃৎ, ডিম, আপেল, ডালিম, তরমুজ, মিষ্টি কুমড়ার বিচি, খেজুর, আলমন্ড, কিশমিশ, আমলকি ইত্যাদি খাবার খেতে হবে বেশি করে।

২. বেশি পরিমাণ ভিটামিন সি : আয়রন ও ভিটামিন সি গ্রহণে সমন্বয় করাটা জরুরি। ভিটামিন সি-এ এমন এক মলিকিউল রয়েছে যা আয়রনকে সহজে গ্রহণ করতে সহায়তা করে। এই ভিটামিন পেতে লেবু, কমলা, জাম্বুরা, পেঁপে, ব্রোকোলি, আঙ্গুর এবং টমেটো খেতে পারেন।

৩. ফোলিন এসিড খাওয়া বাড়াতে হবে : ফোলিক এসিড হলো ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ভিটামিন। লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টিতে এর দরকার হয়। এতে এমনিতেই হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সবুজ পাতাবহুল শাক, সবজি, শুকনো শীমের বিচি, গমের শীষ, বাদাম, কলা, ব্রোকোলি এবং মুরগির যকৃতে রয়েছে ফোলিন এসিড। লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টিতে বীটকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলে তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. একটি আপেল বা আঙ্গুর : প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে নাকি কখনো ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন একটি করে আপেল খান। কিংবা অর্ধেক আপেল ও অর্ধেক বীটের জুস বানিয়ে দিনে দুইবার খেতে হবে। ডালিমেও রয়েছ আয়রন। এতে আদা বা লেবুর রস দিতে পারেন বাড়তি ফ্লেভারের জন্য। ডালিমে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং প্রোটিন।

৫. বিছুটি পাতার চা : বিছুটি পাতার কথা শুনে ভয় পাবেন না। এটি একট হার্বাল উদ্ভিদ যাতে রয়েছে ভিটামিন বি, আয়রন এবং ভিটামিন সি। এসব তথ্য দেন ভারতের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. আদর্শ কুমার। এক কাপ গরম পানিতে দুই চামচ শুকনো বিছুটি পাতার গুড়া দিন। এটা ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। সামান্য মধু মিশ্রিত করুন। প্রতিদিন এই চা দুই কাপ খাবেন।

৬. আয়রন ব্লকার এড়িয়ে চলুন : এমন খাবার খাবেন না যা আয়রন গ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করে। বিশেষ করে কফি, চা, কোলা জাতীয় পানীয়, অ্যালকোহল, বিয়ার ইত্যাদি দেহকে আয়রন গ্রহণে বাধা দেয়। এগুলো খাওয়া এড়িয়ে গেলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

৭. ব্যায়াম : মধ্যম বা ভারী ব্যায়ামের কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। যখন আপনি ব্যায়াম করেন, তখন দেহের অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই অক্সিজেন পরিবহণের জন্য দেহে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।

লোহিত রক্তকণিকার আয়রনসমৃদ্ধ প্রোটিনের নাম হিমোগ্লোবিন। এটি গোটা দেহে অক্সিজেন বহন করে। মানুষের দেহে ...

লেবুপানি : প্রতিদিন লেবু পানি পানের অভ্যাস করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- সি থাকে, যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য ...
08/02/2017

লেবুপানি : প্রতিদিন লেবু পানি পানের অভ্যাস করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- সি থাকে, যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে।

গ্রিন-টি : প্রতিদিন সকালে ও বিকালে এক কাপ করে গ্রিন-টি পান করুন। এটি লিভার ফাংশন ঠিক করতে সাহায়তা করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার : এক কাপ গরম পানিতে কেয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার আগে পান করুন। কয়েক মাস এটা খেলেই দেখবেন লিভারে জমে থাকা চর্বি সব গায়েব হয়ে গেছে।

আদাপানি : এক চা চামচ আদা গুঁড়া গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। এই পানীয় টানা ১৫ দিন খেলেই দেখবেন অনেক সুস্থ বোধ করছেন। কারণ এটি লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়াটি প্রায় বন্ধ করে দেয়। ফলে লিভার আস্তে আস্তে ঠিক হতে শুরু করে।

আজকাল অনেকেই লিভারে চর্বি (ফ্যাটি লিভারে) রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। লিভারের এই রোগটি প্রাণ সংশয়ের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। শরীরে চর্বি বিপাকপ্রক্রিয়ার অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিন অকার্যকারিতার জন্য লিভারের কোষগুলোতে অস্বাভাবিক চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড জমে। এতে লিভারের ওজন হিসেবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চর্বি...

06/12/2016

কোলেস্টেরলের সমস্যা হুট করেই বেড়ে যেতে পারে। কোলেস্টেরলের সাথে সবচাইতে বেশি সম্পর্ক হচ্ছে খাবারের। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই দেহে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। অনেকেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে অবেহেলা করেন যার প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডে এবং কার্ডিওভ্যস্কুলার সিস্টেমে।

21/11/2016

কনকনে শীতে সর্দি, কাশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। ঘরের ঠাণ্ডা মেঝেতে একবেলা হাঁটলেই সর্দি লেগে যাচ্ছে। সেই ঠাণ্ডায় নাক-টাক বন্ধ হয়ে একেবারে একাকার। সর্দি, কাশি হলে বড়রা তো ওষুধ খেয়েই পার পেয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ছোটোদের নিয়ে।

21/11/2016

শীত মৌসুমে খুশখুশে কাশি, সর্দি, গলা ব্যথা হতেই পারে। এ জন্য রং চা খেতে পারেন। আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, তুলসী, সামান্য লবণ

21/11/2016

কারই বা ভালো লাগে ঠাণ্ডার কারণে কফ,সর্দি আর কাশি নিয়ে সারাদিন কাটাতে! প্রতিবছর শীতকালেই আমাদের অনেকেরই ঠাণ্ডা লেগে যায় তাই এ সময় ঠাণ্ডা লাগলে কি করা উচিত তা আমাদের সবারই জানা দরকার। জানা থাকলে ঠাণ্ডা লাগার চিকিৎসা ঘরে বসেই করা যায়।

07/03/2016

এ ছাড়াও জিরার গুণে পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, হজমের গন্ডগোল হলে, জিরা দিয়ে চা খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। এক গেলাস পানিতে এক চামচ জিরা দিন। ভালো করে ফুটিয়ে নিন। পানির রং লালচে হয়ে এলে, গ্যাস বন্ধ করে, পাত্রটি চাপা দিয়ে রাখুন। একদম ঠান্ডা হওয়া অবধি অপেক্ষা করুন। এই জিরা চা দিনে…

Address

46 Sultan Ahmed Road, Moulavipara
Khulna
9100

Telephone

+8801711589295

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Balance Diet Source posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram