Dr Omar Faruk

Dr Omar Faruk স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা পেতে পেজটি ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ।

05/12/2025

ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট কি? ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে হয়? ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (Drug Resistance) বলতে বোঝায়—
যখন কোনো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস, পরজীবী) বা কখনো কখনো শরীর নিজেই কোনো নির্দিষ্ট ওষুধের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানো বন্ধ করে দেয় বা ওষুধ আর কাজ করে না, তখন তাকে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স বলা হয়।



🔍 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে হয়?

মূলত ভুলভাবে ওষুধ ব্যবহার করার কারণে। যেমনঃ
1️⃣ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া
2️⃣ ডোজ কম নিয়ে ফেলা বা মাঝপথে ওষুধ বন্ধ করে দেওয়া
3️⃣ একই অ্যান্টিবায়োটিক বার বার খাওয়া
4️⃣ নকল বা নিম্নমানের ওষুধ সেবন
5️⃣ হাসপাতালে দীর্ঘদিন থাকা, যেখানে রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর উপস্থিতি বেশি
6️⃣ ভুল ডায়াগনোসিস, যার কারণে ভুল ওষুধ দেওয়া হয়



🔥 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স হলে কী হয়?
• রোগ ভালো হতে দেরি হয়
• রোগ বারবার পুনরায় দেখা দেয়
• রোগ আরও জটিল হয়ে যায়
• উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ব্যয়বহুল ওষুধ ব্যবহার করতে হয়
• মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়



📌 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সের সাধারণ উদাহরণ
• অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (সবচেয়ে বেশি)
• মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টিবি (MDR-TB)
• ওষুধ রেজিস্ট্যান্ট ম্যালেরিয়া
• অ্যান্টিভাইরাল রেজিস্ট্যান্স (যেমন—HIV, Influenza)



🛡️ কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

✔️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া
✔️ সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা
✔️ নিজে নিজে ডোজ পরিবর্তন না করা
✔️ ইনফেকশন প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা
✔️ ভ্যাকসিন নেওয়া

ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস কি?  কি কারনে হয়? ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস (DAK) এর  চিকিৎসা কি? এটি ডায়াবেটিস রোগের একটি জ...
26/11/2025

ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস কি? কি কারনে হয়? ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস (DAK) এর চিকিৎসা কি?

এটি ডায়াবেটিস রোগের একটি জরুরি ও প্রাণঘাতী জটিলতা, যেখানে শরীরে ইনসুলিনের অভাবে গ্লুকোজ ব্যবহার হতে না পেরে চর্বি ভাঙা শুরু করে, আর সেই ভাঙা চর্বি থেকে কেটোন তৈরি হয়ে রক্তকে অতি অ্যাসিডিক করে ফেলে।



⭐ ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস (DKA) কি?

ডায়াবেটিক কিটো অ্যাসিডোসিস হলো এমন একটি অবস্থা যখন—
• রক্তে শর্করা খুব বেশি বেড়ে যায়
• রক্তে কেটোন অত্যাধিক বাড়ে
• রক্ত অ্যাসিডিক হয়ে যায়

➡️ এটি বেশি দেখা যায় টাইপ–১ ডায়াবেটিসে, তবে টাইপ–২ ডায়াবেটিসেও হতে পারে।



⭐ ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস (DKA) কেন হয়? (কারণ)

DKA সাধারণত নিম্নোক্ত কারণে হয়:

✔ ১. ইনসুলিনের অভাব
• ইনসুলিন মিস করা
• ইনসুলিন না নেওয়া
• অপর্যাপ্ত ডোজ

✔ ২. সংক্রমণ (ইনফেকশন)
• নিউমোনিয়া
• ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI)
• সেপসিস

✔ ৩. অতিরিক্ত শারীরিক চাপ / স্ট্রেস
• হার্ট অ্যাটাক
• স্ট্রোক
• বড় ধরনের অপারেশন

✔ ৪. অন্যান্য
• পানিশূন্যতা (Dehydration)
• প্যানক্রিয়াটাইটিস
• স্টেরয়েড বা কিছু ওষুধ



⭐ ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস ( DKA )এর লক্ষণ
• অতি মাত্রায় পিপাসা
• প্রচণ্ড দুর্বলতা
• ঘন ঘন প্রস্রাব
• বমি, বমি ভাব
• পেট ব্যথা
• দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস (কুসমল ব্রিদিং)
• মুখ থেকে ফলের মতো গন্ধ (ketone smell)
• মানসিক বিভ্রান্তি / অচেতন হয়ে যাওয়া

➡️ এগুলো দেখা দিলে তাৎক্ষণিক হাসপাতাল প্রয়োজন।



⭐ ডায়াবেটিস কিটো আ্যাসিডোসিস (DKA) এর চিকিৎসা (জরুরি চিকিৎসা)

DKA একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি — রোগীকে অবশ্যই হাসপাতাল / ICU তে ভর্তি করতে হয়।
চিকিৎসা সাধারণত তিন ধাপে হয়:

✔ ১. ফ্লুইড রিপ্লেসমেন্ট (IV Saline)
• Dehydration ঠিক করা
• রক্তের শর্করা কমানো
• ইলেকট্রোলাইট ঠিক রাখা

✔ ২. ইনসুলিন থেরাপি (IV Insulin)
• রক্তের গ্লুকোজ ও কেটোন কমানো
• অ্যাসিডোসিস নিয়ন্ত্রণ

✔ ৩. ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স (Potassium correction)
• DKA রোগীর পটাশিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ
• নিয়মিত মনিটরিং প্রয়োজন

✔ অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা
• সংক্রমণ থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক
• অক্সিজেন/ICU সাপোর্ট
• নিয়মিত গ্লুকোজ, কেটোন, ABG মনিটরিং

🔍 পুরুষের Sexual Debility–র আড়ালে লুকানো এক বড় কারণ: “Husband Syndrome”বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথ জর্জ ভিথুলকাস এমন একটি জটিল...
22/11/2025

🔍 পুরুষের Sexual Debility–র আড়ালে লুকানো এক বড় কারণ: “Husband Syndrome”

বিশ্বখ্যাত হোমিওপ্যাথ জর্জ ভিথুলকাস এমন একটি জটিল মানসিক অবস্থার কথা বলেছেন, যা অনেক পুরুষের সেক্সুয়াল সমস্যা দীর্ঘদিনেও ভালো না হওয়ার অন্যতম বাধা—
এটি হলো Husband Syndrome।

💔 Husband Syndrome কী?

এটি এমন এক মানসিক–আবেগজনিত অবস্থা, যেখানে একজন স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি যৌন বা রোমান্টিক আকর্ষণ অনুভব করেন না।
এই নারীরা সাধারণত ভালোবাসা থেকে নয়—
✔ সামাজিক মর্যাদা
✔ আর্থিক নিরাপত্তা
✔ পারিবারিক চাপ
—এসব কারণে বিয়ে করে থাকেন।

🧠 এটি এত জটিল কেন?

এই সিন্ড্রোম গভীরভাবে স্ত্রীর মন–আবেগকে চাপ দেয়। ফলে:
• যৌন অনীহা
• উদ্বেগ
• অস্বস্তি
• স্বামীর প্রতি বিরাগ
• শারীরিক বা মানসিক উপসর্গ
এসব দেখা যায়, যেগুলো সাধারণ চিকিৎসা বা কাউন্সিলিংয়েও সহজে সাড়া দেয় না।

❗ পুরুষের সমস্যা কেন বাড়ে?

নারীর এই মানসিক বিরাগ ও অনাগ্রহের কারণে—
➡ স্বামীর সেক্সুয়াল সিস্টেমে স্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে
➡ চিকিৎসায় সাড়া কমে যায়
➡ দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ে
➡ সেক্সুয়াল ডিবিলিটি দীর্ঘস্থায়ী হয়

📌 বাস্তবতা

বর্তমান সময়ে অনেক দম্পতির সমস্যা মূল্যায়ন করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে—
Husband Syndrome নীরবে কাজ করছে,
আর পুরুষের সেক্সুয়াল সমস্যার মূল কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

✔ সচেতনতা জরুরি

এই বিষয়টি কাউকে ছোট করা নয়,
বরং দাম্পত্য–মানসিক স্বাস্থ্য বোঝা এবং
সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করার জন্য প্রয়োজনীয় একটি আলোচনা।

🔰যারা যৌন সমস্যায় আছেন এবং চিকিৎসা গ্রহন করছেন তাদের উচিত আগে pertner এর সাথে সম্পর্ক সুস্থ রাখা ,pertner এর কারনে মানসিক চাপে থাকলে সেটা কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিলেও সমাধান করা সম্ভব না।

প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন কি?  কি কারনে হয়? চিকিৎসা কি? প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন কি?প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হলো এমন একটি অবস্থা য...
19/11/2025

প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন কি? কি কারনে হয়? চিকিৎসা কি?

প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন কি?

প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে
খুব অল্প সময়ে (প্রবেশের আগেই বা ঠিক পরেই) দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় এবং ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
এটি পুরুষদের খুব সাধারণ সমস্যা।



✔ কেন প্রিম্যাচুর ইজাকুলেশন হয়?

কারণগুলো দুই ভাগে দেখা যায়— মানসিক ও শারীরিক।

১. মানসিক কারণ
• অতিরিক্ত উত্তেজনা
• পারফরম্যান্স অ্যাংজাইটি (ভয়, উদ্বেগ)
• মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা
• বিষণ্নতা
• নতুন সম্পর্ক বা প্রথম যৌন অভিজ্ঞতার চাপ

২. শারীরিক কারণ
• হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
• টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া
• স্নায়ুর অতিসংবেদনশীলতা
• প্রোস্টেটের সমস্যা
• থাইরয়েডের সমস্যা
• ডায়াবেটিস
• ইরেকটাইল ডিসফাংশনের সাথে সম্পর্ক



✔ চিকিৎসা কি?

(ক) জীবনযাপনের পরিবর্তন
• নিয়মিত ব্যায়াম
• ধূমপান/মদ্যপান বন্ধ
• মানসিক চাপ কমানো
• পর্যাপ্ত ঘুম
• যৌনমিলনের সময় “স্টপ-স্টার্ট টেকনিক”, “স্কুইজ টেকনিক” ব্যবহার করা



(খ) এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা

⚠️ ডোজ উল্লেখ করছি না, কারণ ডোজ রোগীভেদে ভিন্ন হয়।

১. টপিকাল থেরাপি (স্থানীয়ভাবে ব্যবহার)
• Lidocaine/Prilocaine cream বা spray
– লিঙ্গের সংবেদনশীলতা কমিয়ে সময় বাড়াতে সাহায্য করে।

২. ওরাল ওষুধ
• SSRIs (Selective Serotonin Reuptake Inhibitors)
– কিছু নির্দিষ্ট এন্টিডিপ্রেসেন্ট PE-তে খুব ভালো কাজ করে
• Tramadol (কিছু ক্ষেত্রে)
– ডাক্তারি পরামর্শে নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়

৩. ইরেকটাইল ডিসফাংশন থাকলে
• PDE5 inhibitors (যেমন সিলডেনাফিল গ্রুপের কিছু ওষুধ) সাহায্য করতে পারে
– শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে।



(গ) কাউন্সেলিং ও সাইকোথেরাপি

যদি মানসিক কারণ বেশি থাকে, তবে কাউন্সেলিং/থেরাপি অত্যন্ত উপকারী।

নেফরোটিক  সিন্ড্রোম কি?  নেফরোটিক সিন্ড্রোম কি কারনে হয়? এর চিকিৎসা কি?নেফরোটিক সিন্ড্রোম কী?নেফরোটিক সিন্ড্রোম হলো কিডন...
17/11/2025

নেফরোটিক সিন্ড্রোম কি? নেফরোটিক সিন্ড্রোম কি কারনে হয়? এর চিকিৎসা কি?

নেফরোটিক সিন্ড্রোম কী?

নেফরোটিক সিন্ড্রোম হলো কিডনির গ্লোমেরুলার ক্ষতির কারণে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন প্রস্রাবের সাথে বের হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেওয়া—এই অবস্থাকে নেফরোটিক সিন্ড্রোম বলা হয়।

এটি আসলে কোনো একটি রোগ নয়; বরং একগুচ্ছ উপসর্গের সমষ্টি।



নেফরোটিক সিন্ড্রোমের প্রধান লক্ষণ
1. প্রোটিন ইউরিয়া — দিনে ৩.৫ গ্রাম বা তার বেশি প্রোটিন প্রস্রাবে হারানো
2. সোয়েলিং (Edema) — চোখের পাতা, মুখ, পা, পেট ফুলে যাওয়া
3. হাইপো-অ্যালবুমিনেমিয়া — রক্তে অ্যালবুমিন কমে যাওয়া
4. হাইপারলিপিডেমিয়া — রক্তে চর্বি (কোলেস্টেরল) বাড়া
5. প্রস্রাব ফেনাযুক্ত হওয়া



নেফরোটিক সিন্ড্রোম হওয়ার কারণ

নেফরোটিক সিন্ড্রোম দুই ধরনের কারণে হতে পারে—

১) প্রাইমারি (কিডনির নিজস্ব রোগ)

যেখানে সমস্যা সরাসরি কিডনির গ্লোমেরুলাসে হয়—
• Minimal Change Disease (MCD) — শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি
• Focal Segmental Glomerulosclerosis (FSGS)
• Membranous Nephropathy

২) সেকেন্ডারি (অন্য রোগের জটিলতায়)
• ডায়াবেটিস
• লুপাস (SLE)
• হেপাটাইটিস বি, সি
• ম্যালেরিয়া, সিফিলিস
• ওষুধ: NSAID, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক
• এলার্জি বা ইমিউন রিঅ্যাকশন



নেফরোটিক সিন্ড্রোমের চিকিৎসা (Allopathic Management)

চিকিৎসা নির্ভর করে কারণ অনুযায়ী। সাধারণত—

১) স্টেরয়েড (Prednisolone)
• শিশুদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে (MCD) স্টেরয়েডে ভালো সাড়া দেয়
• প্রাপ্তবয়স্কদের রোগভেদে সাড়া ভিন্ন

২) ইমিউন-সাপ্রেসিভ ড্রাগস (যদি স্টেরয়েডে সাড়া না দেয়)
• Cyclosporine / Tacrolimus
• Mycophenolate Mofetil
• Cyclophosphamide

৩) লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা
• ডাইউরেটিকস: ফোলা কমাতে (Furosemide)
• ACE inhibitor / ARB: প্রোটিন ইউরিয়া কমাতে (Enalapril / Losartan)
• স্ট্যাটিন: কোলেস্টেরল কমাতে
• অ্যালবুমিন ইনফিউশন: প্রয়োজন হলে
• সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিক

৪) খাদ্য ও জীবনযাপন
• লবণ কম
• পর্যাপ্ত পানি
• প্রোটিন উপযুক্ত পরিমাণে
• নিয়মিত কিডনি চেক-আপ (Serum Creatinine, Albumin, Urine R/E, 24h protein)



শিশু রোগীর ক্ষেত্রে
• বেশিরভাগই Minimal Change Disease → স্টেরয়েডে দ্রুত ভালো হয়
• Relapse বারবার হলে স্টেরয়েড স্পেয়ারিং ড্রাগ ব্যবহার করা হয়।
একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করলে ও নিয়মিত ফলোআপে থাকলে রুগী সম্পুর্ন ভাবে সুস্থ্য হয়ে যায়।

স্ক্যাবিস কি? স্ক্যাবিস কি কারনে হয়? স্ক্যাবিসের চিকিৎসা কি?  স্ক্যাবিস হলে করনীয় কি বা যত্ন?স্ক্যাবিস (Scabies) একটি সং...
13/11/2025

স্ক্যাবিস কি? স্ক্যাবিস কি কারনে হয়? স্ক্যাবিসের চিকিৎসা কি? স্ক্যাবিস হলে করনীয় কি বা যত্ন?

স্ক্যাবিস (Scabies) একটি সংক্রামক চর্মরোগ, যা এক ধরনের পরজীবী (mites) — Sarcoptes scabiei var. hominis দ্বারা হয়।



🦠 স্ক্যাবিসের কারণ

স্ক্যাবিস হয় যখন এই ক্ষুদ্র পরজীবী ত্বকের উপরের স্তরে ঢুকে ডিম পাড়ে। এতে ত্বকে অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া হয় এবং প্রচণ্ড চুলকানি দেখা দেয়।

সংক্রমণের উপায়:
• আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে এলে
• আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে ব্যবহার করলে
• পরিবার বা হোস্টেলে একই জিনিস ব্যবহার করলে



⚠️ লক্ষণ
1. তীব্র চুলকানি, বিশেষ করে রাতে বেশি হয়
2. ত্বকে ছোট ছোট লাল দানা বা ফোস্কা
3. আঙুলের ফাঁকে, কব্জি, বগল, কোমর, যৌনাঙ্গে দানা বা রেখার মতো চিহ্ন
4. দীর্ঘদিন থাকলে ত্বক মোটা বা খোসা পড়া দেখা যায়



💊 এলোপ্যাথিক চিকিৎসা
1. Permethrin 5% cream – পুরো শরীরে (গলা থেকে পা পর্যন্ত) লাগিয়ে ৮–১২ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে হয়। ৭ দিন পর আবার ব্যবহার করতে হয়।
2. Crotamiton 10% lotion – বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
3. Ivermectin tablet – মুখে খাওয়ার ওষুধ, ডাক্তারি পরামর্শে দেওয়া হয় (সাধারণত ২০০ µg/kg একবার, ৭ দিন পর পুনরাবৃত্তি)।
4. Antihistamine (যেমন Cetirizine, Fexofenadine) – চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।
5. আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা নিতে হয়।



🧺 সতর্কতা ও যত্ন
• আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
• চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে নতুন পোশাক ব্যবহার করতে হবে।
• চুলকানো জায়গা ঘষা বা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে (সংক্রমণ বাড়ে)।

প্লুরাল ইফিউশন কি? প্লুরাল ইফিউশন কি কারনে হয়?  ডায়াগনোসিস  কিভাবে করা যায়? চিকিৎসা কি? গত পরশু দিন এমন একটা রোগী দেখেছি...
11/11/2025

প্লুরাল ইফিউশন কি? প্লুরাল ইফিউশন কি কারনে হয়? ডায়াগনোসিস কিভাবে করা যায়? চিকিৎসা কি?

গত পরশু দিন এমন একটা রোগী দেখেছিলাম , তাকে ডায়াগনোসিস করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর নিকট রেফার্ড করা হয় ,আজ সেই রোগ নিয়েই কিছু আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।

🩺 প্লুরাল ইফিউশন কী?

প্লুরাল ইফিউশন হলো — ফুসফুসকে ঘিরে থাকা দুই স্তরের মধ্যে (Pleural cavity) অতিরিক্ত তরল (fluid) জমে যাওয়া।
স্বাভাবিক অবস্থায় এই জায়গায় অল্প পরিমাণে (প্রায় 10–20 ml) তরল থাকে, যা ফুসফুসের মসৃণভাবে চলাচলে সাহায্য করে।
কিন্তু যখন এই তরল পরিমাণে বেড়ে যায়, তখন তাকে Pleural Effusion বলা হয়।



⚠️ প্লুরাল ইফিউশনের কারণসমূহ

এটি নানা কারণে হতে পারে, সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়ঃ

1️⃣ Transudative Pleural Effusion
👉 এটি ঘটে শরীরে তরলের ভারসাম্য নষ্ট হলে।
মূল কারণ:
• Congestive Heart Failure (হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা)
• Liver Cirrhosis (যকৃতের সিরোসিস)
• Nephrotic Syndrome (কিডনির সমস্যা)
• Hypoalbuminemia (রক্তে প্রোটিন কম থাকা)

2️⃣ Exudative Pleural Effusion
👉 এটি ঘটে যখন প্লুরার নিজস্ব প্রদাহ বা ক্ষতি হয়।
মূল কারণ:
• Tuberculosis (যক্ষ্মা)
• Pneumonia (নিউমোনিয়া)
• Lung Cancer (ফুসফুসের ক্যান্সার)
• Pulmonary embolism
• Autoimmune diseases (যেমন: SLE, Rheumatoid arthritis)



🧾 লক্ষণসমূহ (Symptoms):
• শ্বাসকষ্ট (Dyspnea)
• বুক ভারী লাগা বা ব্যথা (Chest pain)
• কাশি (Dry cough)
• জ্বর (বিশেষত সংক্রমণ বা যক্ষ্মায়)
• শুয়ে থাকতে কষ্ট হওয়া



🧠 ডায়াগনোসিস:
• Chest X-ray: তরল জমা দেখা যায়।
• Ultrasound/CT scan: তরলের পরিমাণ ও অবস্থান নির্ধারণ।
• Pleural Fluid Analysis (Thoracentesis): তরল বের করে পরীক্ষা করে Transudate না Exudate নির্ধারণ করা হয়।

🏥 🎯 চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য
1. মূল কারণ নিরাময় করা (যেমন: টিবি, হার্ট ফেইলিউর, নিউমোনিয়া ইত্যাদি)।
2. প্লুরাল ফ্লুইড অপসারণ করা (তরল জমে থাকা কমানো)।
3. রোগীর শ্বাসকষ্ট ও জটিলতা প্রতিরোধ করা।



⚕️ ১️⃣ ওষুধ ভিত্তিক চিকিৎসা (Medical Treatment)

🔹 যদি Transudative Effusion হয়:

👉 অর্থাৎ, শরীরের তরলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে তরল জমে (যেমন হার্ট, কিডনি, লিভারের সমস্যা থেকে)।

প্রধান চিকিৎসা:
• Diuretics (পানি বের করার ওষুধ):
• Furosemide (Lasix) 20–40 mg IV/PO দিনে ১–২ বার।
• প্রয়োজনে Spironolactone 25–50 mg যুক্ত করা যায় (বিশেষ করে লিভার সিরোসিসে)।
• লবণ সীমিত ডায়েট (Salt Restriction)
• মূল রোগের চিকিৎসা:
• Heart failure: ACE inhibitor, Beta-blocker
• Liver disease: Hepatoprotective care
• Nephrotic syndrome: Steroid therapy



🔹 যদি Exudative Effusion হয়:

👉 সাধারণত ইনফেকশন, টিবি, ক্যান্সার ইত্যাদি কারণে হয়।

প্রধান চিকিৎসা:
• Antibiotics (যদি Pneumonia বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন থাকে):
• Ceftriaxone + Azithromycin বা Piperacillin-Tazobactam
• Anti-Tubercular Therapy (ATT) যদি টিবি জনিত হয়
• Anti-inflammatory / Steroid:
• Prednisolone 20–40 mg/day (autoimmune বা malignancy suspected হলে)
• Pain & Fever Control:
• Paracetamol 500 mg
• Diclofenac / Ibuprofen



🧫 ২️⃣ থোরাসেন্টেসিস (Thoracentesis)

👉 ফুসফুসের চাপ কমানোর জন্য বুক থেকে তরল বের করা হয়।
• ডায়াগনস্টিক বা থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে করা হয়।
• এটি সাময়িক আরাম দেয় এবং বিশ্লেষণের জন্য তরল পরীক্ষা করা হয়।



🧬 ৩️⃣ সার্জিক্যাল চিকিৎসা (If Recurrent or Complicated)

যদি বারবার তরল জমে বা পুঁজ (Empyema) হয়:
• Chest tube drainage (Intercostal drain)
• Pleurodesis (প্লুরাল স্তর জোড়া লাগিয়ে তরল জমা বন্ধ করা)
• Pleurectomy / VATS Surgery (কঠিন কেসে)



💨 ৪️⃣ সাধারণ যত্ন ও পর্যবেক্ষণ
• বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাদ্য
• ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জন
• বুকের ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি
• Chest X-ray নিয়মিত করে পর্যবেক্ষণ

ইরেকটাইল ডিসফাংশন কি? ইরেকটাই ডিসফাংশন  কেনো হয়?  চিকিৎসা কি?ইরেকটাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction বা ED) হচ্ছে এমন এক...
01/11/2025

ইরেকটাইল ডিসফাংশন কি? ইরেকটাই ডিসফাংশন কেনো হয়? চিকিৎসা কি?

ইরেকটাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction বা ED) হচ্ছে এমন একটি অবস্থা, যেখানে একজন পুরুষ যৌন উত্তেজনা অনুভব করলেও যথেষ্টভাবে লিঙ্গ উত্থান (er****on) হয় না, বা উত্থান ধরে রাখা যায় না — ফলে স্বাভাবিক যৌনমিলন সম্ভব হয় না।



🔹 ইরেকটাইল ডিসফাংশনের কারণসমূহ

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের কারণ সাধারণত দুই ধরনের — শারীরিক (Physical) ও মানসিক (Psychological)। অনেক সময় দুটোই একসাথে কাজ করে।



🩺 ১. শারীরিক কারণ
1. রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা:
• উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension)
• হার্টের রোগ
• ডায়াবেটিস (রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া)
• উচ্চ কোলেস্টেরল
2. স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা:
• স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি
• মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস
• পারকিনসন ডিজিজ
3. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা:
• টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া
• থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা
4. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
• রক্তচাপ, অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, বা অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় কিছু ওষুধ
5. ধূমপান, মদ্যপান ও নেশা:
এগুলো রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং উত্থান বাধাগ্রস্ত করে।



💭 ২. মানসিক কারণ
1. চিন্তা, মানসিক চাপ (Stress)
2. উদ্বেগ বা ব্যর্থতার ভয় (Performance anxiety)
3. বিবাহিত জীবনের সমস্যা বা দাম্পত্য অশান্তি
4. ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ



⚠️ যাদের ঝুঁকি বেশি
• বয়স বেশি হলে
• ডায়াবেটিস বা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে
• ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান করলে
• দীর্ঘদিন মানসিক চাপ থাকলে

চিকিৎসা কি?

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের (Erectile Dysfunction বা ED) এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা মূলত কারণভিত্তিক — অর্থাৎ সমস্যার মূল কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। নিচে ধাপে ধাপে পুরো চিকিৎসা ব্যাখ্যা করা হলো 👇



⚕️ ১. জীবনধারা পরিবর্তন (Lifestyle Modification)

প্রাথমিকভাবে অনেক ক্ষেত্রে শুধু জীবনযাপনের পরিবর্তনেই ভালো ফল পাওয়া যায়:
• 🚭 ধূমপান বন্ধ করা
• 🍺 মদ্যপান ও নেশা ত্যাগ করা
• 🍎 সুষম খাদ্য গ্রহণ (সবজি, ফল, কম তেল, কম চর্বি)
• 🏃‍♂️ নিয়মিত ব্যায়াম করা (বিশেষ করে হাঁটা, দৌড়, সাঁতার)
• 😴 পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা
• ⚖️ ওজন কমানো, যদি অতিরিক্ত হয়



💊 ২. ওষুধের চিকিৎসা (Oral Medications)

সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা হলো PDE5 inhibitors — যা রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে উত্থান ঘটায়।

ওষুধের নাম
সাধারণ ডোজ
কার্যকাল
Sildenafil (Vi**ra)
৫০–১০০ মি.গ্রা. যৌনমিলনের ১ ঘণ্টা আগে
৪–৫ ঘণ্টা

Tadalafil (Cialis)
১০–২০ মি.গ্রা.
২৪–৩৬ ঘণ্টা (দীর্ঘস্থায়ী

Vardenafil (Levitra)
১০–২০ মি.গ্রা.
৪–৫ ঘণ্টা

Avanafil (Stendra)
৫০–২০০ মি.গ্রা.
৪–৫ ঘন্টা

⚠️ সতর্কতা:
• হৃদরোগ, লো-ব্লাডপ্রেশার, বা নাইট্রেটজাতীয় ওষুধ (যেমন Nitroglycerin) ব্যবহারকারীদের এসব ওষুধ দেওয়া বিপজ্জনক।
• অবশ্যই ডাক্তারি পরামর্শে সেবন করা উচিত।



💉 ৩. ইনজেকশন থেরাপি (Pe**le Injection Therapy)

যদি ট্যাবলেট কাজ না করে, তাহলে:
• Alprostadil ইনজেকশন সরাসরি লিঙ্গে দেওয়া হয় (রক্তপ্রবাহ বাড়াতে)।
• ব্যবহার করতে হয় প্রশিক্ষিত ডাক্তারের পরামর্শে।



🧪 ৪. হরমোন থেরাপি

যদি টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতি থাকে, তখন:
• Testosterone replacement therapy (ইনজেকশন, জেল, বা প্যাচ আকারে) দেওয়া হয়।



⚙️ ৫. ডিভাইস বা সার্জারি

যখন অন্য চিকিৎসা কাজ করে না:
• Vacuum Er****on Device (VED): লিঙ্গে কৃত্রিম ভ্যাকুয়াম তৈরি করে রক্ত প্রবাহ বাড়ানো হয়।
• Pe**le Implant Surgery: লিঙ্গে কৃত্রিম রড বা ইমপ্লান্ট বসানো হয়। এটি স্থায়ী সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

🦟 ডেংগু জ্বর কীডেংগু জ্বর হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা Dengue virus দ্বারা হয়।এই ভাইরাসটি Aedes aegypti ও Aedes a...
24/10/2025

🦟 ডেংগু জ্বর কী

ডেংগু জ্বর হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা Dengue virus দ্বারা হয়।
এই ভাইরাসটি Aedes aegypti ও Aedes albopictus নামের মশার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।



⚠️ ডেংগু জ্বরের কারণ

মূল কারণ হচ্ছে ডেংগু ভাইরাস, যা চারটি ভিন্ন ভিন্ন সিরোটাইপে পাওয়া যায়:
• DENV-1
• DENV-2
• DENV-3
• DENV-4

একজন মানুষ একবার কোনো এক সিরোটাইপে আক্রান্ত হলে, সেই সিরোটাইপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়,
কিন্তু অন্য সিরোটাইপ দ্বারা আবারও সংক্রমিত হতে পারে।



🦟 সংক্রমণের প্রক্রিয়া
• যখন Aedes মশা কোনো ডেংগু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন তার শরীরে ভাইরাস ঢোকে।
• কয়েক দিন পর যখন সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ায়, তখন ভাইরাসটি সেই নতুন ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে।
• এভাবেই ডেংগু ছড়ায়।



📍 বিশেষ তথ্য
• এই মশাগুলো দিনের বেলা, বিশেষ করে ভোর ও বিকেলে কামড়ায়।
• সাধারণত তারা পরিষ্কার স্থির পানিতে বংশবিস্তার করে (যেমন: ফুলের টব, টায়ার, ড্রাম, পাত্র ইত্যাদি)।

ডেংগু জ্বরের লক্ষণগুলো সাধারণত সংক্রমণের ৪–১০ দিন পর প্রকাশ পায়।
এগুলোকে দুটি ধাপে ভাগ করা যায় —
১️⃣ সাধারণ (Classic) ডেংগু জ্বর
২️⃣ জটিল (Severe) বা হেমোরেজিক ডেংগু



🩺 ১️⃣ সাধারণ ডেংগু জ্বরের লক্ষণ:

(সাধারণত ৫–৭ দিন স্থায়ী হয়)
• আকস্মিক উচ্চ জ্বর (১০২–১০৫°F)
• তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে চোখের পিছনে ব্যথা
• মাংসপেশি ও হাড়–জোড়ায় ব্যথা (এ কারণে একে “break bone fever”ও বলে)
• বমি বমি ভাব বা বমি
• ত্বকে র‍্যাশ বা লাল দাগ (জ্বর কমার সময় দেখা যায়)
• হালকা রক্তক্ষরণ, যেমন নাক বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
• চোখে ব্যথা ও দুর্বলতা



⚠️ ২️⃣ জটিল বা হেমোরেজিক ডেংগুর লক্ষণ:

(এটি জীবননাশক হতে পারে)
• জ্বর কমে যাওয়ার পরও হঠাৎ অবস্থা খারাপ হওয়া
• পেট ব্যথা বা ফুলে যাওয়া
• বমি বা পায়খানায় রক্ত আসা
• নাক, মাড়ি, বা ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ
• শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা, রক্তচাপ কমে যাওয়া
• হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, চেতনা হারানো

এ অবস্থাকে বলে Dengue Shock Syndrome (DSS) — যা দ্রুত চিকিৎসা না নিলে প্রাণঘাতী হতে পারে।

🩺 ডেংগু জ্বরের চিকিৎসা

🔹 ১️⃣ সাধারণ (Allopathic) চিকিৎসা

বর্তমানে ডেংগুর কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই।
চিকিৎসা মূলত লক্ষণ অনুযায়ী সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট।

🧴 প্রধান চিকিৎসা নীতি:
• পর্যাপ্ত পানি ও তরল (ORS, স্যুপ, ফলের রস ইত্যাদি) গ্রহণ করা।
• তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
• জ্বর হলে paracetamol (500mg) দেওয়া যায়।
• Aspirin বা Ibuprofen ব্যবহার করা নিষেধ (রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়)।
• বিশ্রাম: পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
• রক্ত ও প্লেটলেট মনিটরিং: নিয়মিত CBC পরীক্ষা করে প্লেটলেট ও হেমাটোক্রিট পর্যবেক্ষণ।
• গুরুতর রোগীর ক্ষেত্রে: হাসপাতালে ভর্তি করে স্যালাইন, রক্ত/প্লাজমা দেওয়া হয়।

🚫 যা করা যাবে না:
• নিজে থেকে ব্যথানাশক বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়া যাবে না।
• জ্বর থাকলে বরফ ঠান্ডা পানি ব্যবহার নয়; বরং স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি।
• প্লেটলেট কমলে ভয় না পেয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে — তরল গ্রহণ ও বিশ্রামই প্রধান।

10/10/2025
হ্যালুসিনেশন: এর কারণ কী এবং কখন সাহায্য নেওয়া উচিতহ্যালুসিনেশন বলতে এমন কোনও বস্তু বা ঘটনার উপলব্ধি বোঝা যা অস্তিত্বহীন...
12/09/2025

হ্যালুসিনেশন: এর কারণ কী এবং কখন সাহায্য নেওয়া উচিত
হ্যালুসিনেশন বলতে এমন কোনও বস্তু বা ঘটনার উপলব্ধি বোঝা যা অস্তিত্বহীন এবং সংবেদনশীল অনুভূতি যা সংশ্লিষ্ট ইন্দ্রিয় অঙ্গগুলির উদ্দীপনার কারণে ঘটে না। এগুলি প্রায়শই মানসিক স্বাস্থ্যের অসুস্থতার লক্ষণ, তবে সর্বদা এর অর্থ এই নয় যে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ। "হ্যালুসিনেশন" শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "মানসিক বিচরণ"।

হ্যালুসিনেশনের প্রকারভেদ:

ভিজ্যুয়াল হ্যালুসিনেশন:
ভিজ্যুয়াল হ্যালুসিনেশন বলতে এমন বস্তু বা দৃশ্য দেখা বোঝায় যা উপস্থিত নেই। সাধারণ উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে মানুষ, প্রাণী বা এমন আকৃতি দেখা যা অন্যরা দেখতে পায় না।

অডিটরি হ্যালুসিনেশন:
অডিটরি হ্যালুসিনেশন শব্দ, কণ্ঠস্বর বা কথোপকথন শোনার দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা বাস্তব নয়। এটি হ্যালুসিনেশনের সবচেয়ে সাধারণ ধরনগুলির মধ্যে একটি এবং এটি বিরক্তিকর হতে পারে।

ঘ্রাণগত হ্যালুসিনেশন:
ঘ্রাণজনিত হ্যালুসিনেশনে গন্ধযুক্ত গন্ধ জড়িত যা বিদ্যমান নেই। এই গন্ধগুলি আনন্দদায়ক বা অপ্রীতিকর হতে পারে এবং বিভ্রান্তি এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।

স্পর্শকাতর হ্যালুসিনেশন:
স্পর্শকাতর হ্যালুসিনেশন বলতে শারীরিক যোগাযোগ বা ত্বকে নড়াচড়ার অনুভূতি বোঝায় যা আসলে ঘটছে না। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি তার ত্বকে বাগগুলি হামাগুড়ি দিচ্ছে।

Gustatory হ্যালুসিনেশন:
Gustatory হ্যালুসিনেশন এমন কিছুর স্বাদ গ্রহণ করে যা আসলে মুখে নেই। এর ফলে অদ্ভুত বা অপ্রীতিকর স্বাদের অনুভূতি হতে পারে।

হ্যালুসিনেশনের কারণ:

সিজোফ্রেনিয়া: ৭০% এরও বেশি ভিজ্যুয়াল হ্যালুসিনেশন অনুভব করেন; ৬০-৯০% কণ্ঠস্বর শুনতে পান। গন্ধ এবং স্বাদের সাথেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
পারকিনসন রোগ: অর্ধেক পর্যন্ত এমন জিনিস দেখতে পারে যা বাস্তব নয়।

আলঝেইমার রোগ: বিশেষ করে লুই বডি ডিমেনশিয়ার মতো আকারে, মস্তিষ্কের পরিবর্তনগুলি হ্যালুসিনেশনের কারণ হতে পারে।

মাইগ্রেন: প্রায় এক-তৃতীয়াংশের ভিজ্যুয়াল "আভা" হ্যালুসিনেশন থাকতে পারে।

ব্রেন টিউমার: অবস্থান-নির্ভর, বিভিন্ন ধরণের হ্যালুসিনেশনের কারণ হতে পারে।

চার্লস বননেট সিন্ড্রোম: যাদের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায় তাদের মধ্যে এটি ঘটে, যার ফলে দৃষ্টিভ্রম হয়।

মৃগী: মস্তিষ্কের আক্রান্ত স্থানের উপর নির্ভর করে খিঁচুনি হ্যালুসিনেশনের কারণ হতে পারে।

সংবেদনশীল রোগ: দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি হ্রাসের ফলে হ্যালুসিনেশন হতে পারে।

ডিমেনশিয়া এবং মস্তিষ্কের ব্যাধি: প্রায়শই পরবর্তী পর্যায়ে আবেগগতভাবে চার্জিত হ্যালুসিনেশন জড়িত।

ওষুধের: হ্যালুসিনোজেন (এলএসডি, ডিএমটি, মাশরুম) ধারণা বিকৃত করে এবং হ্যালুসিনেশনের কারণ হতে পারে।

হ্যালুসিনেশনের লক্ষণ:

সেখানে নেই এমন জিনিস দেখা বা শোনা

ত্বকে সংবেদন অনুভব করা যা বাস্তব নয়

অস্বাভাবিক স্বাদ বা গন্ধ অনুভব করা

বিভ্রান্ত বোধ করা অথবা পীড়িত

বাস্তবতা এবং হ্যালুসিনেশনের মধ্যে পার্থক্য করতে অসুবিধা

হ্যালুসিনেশনের চিকিৎসা:

চিকিৎসা মূল কারণের উপর নির্ভর করে এবং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:

ঔষধ: অ্যান্টিসাইকোটিকস যেমন রিসপেরিডোন বা ওলানজাপাইন

থেরাপি: হ্যালুসিনেশন পরিচালনা এবং বোঝার জন্য সিবিটি বা সাইকোথেরাপি

অন্তর্নিহিত শর্তাদি সম্বোধন করা: মৃগীরোগ ব্যবস্থাপনা, পদার্থ ব্যবহার, ইত্যাদি।

সহায়ক যত্ন: শান্ত পরিবেশ এবং চাপ কমানোর কৌশল

বার বার বারন করার পরও মানুষ নবজাতক শিশুর শরীরে তেল দিয়ে থাকে, আর নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্যের মত সংবেদনশীল ব্যাপার দ্বিতীয়...
10/09/2025

বার বার বারন করার পরও মানুষ নবজাতক শিশুর শরীরে তেল দিয়ে থাকে, আর নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্যের মত সংবেদনশীল ব্যাপার দ্বিতীয়টি আর নেই। শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া অন্যদের পরামর্শে নিয়ে কিছু করলে যা হওয়ার তাই হয় ।

নবজাতকের শরীরে তেল ব্যবহার করলে সম্ভাব্য ক্ষতি কি হতে পারে :

১. ত্বকের সমস্যা – তেলের কারণে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে, ফলে ঘামাচি, র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।

২. ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া – কিছু তেল (যেমন সরিষার তেল) নবজাতকের কোমল ত্বক শুষ্ক ও জ্বালাপোড়া করতে পারে।

৩. অ্যালার্জি বা জ্বালা – শিশুর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই তেল থেকে অ্যালার্জি বা লালচে দাগ হতে পারে।

৪. সংক্রমণের ঝুঁকি – নাভি বা ত্বকের ভাঁজে তেল জমে গেলে জীবাণু জন্মাতে পারে, এতে সংক্রমণ হতে পারে।

৫. শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি – অনেক সময় মাথায় বা নাকে তেল লাগালে শিশুর নাকে ঢুকে গিয়ে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

৬. শরীরের তাপমাত্রা নষ্ট হওয়া – তেল মাখানোর পরপরই শিশুকে গোসল করালে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত নেমে যেতে পারে, এতে নবজাতকের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়।

👉 শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সাধারণত পরামর্শ দেন, শিশুর বয়স একটু বাড়লে (কয়েক সপ্তাহ পর) এবং শিশু সুস্থ থাকলে শিশুর জন্য উপযুক্ত ও প্রমাণিত বেবি অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে নবজাতকের ক্ষেত্রে প্রথম দিকে তেল মাখানো থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Address

Aditmari
Lalmonirhat
5510

Telephone

+8801912766459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Omar Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram