05/12/2025
ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট কি? ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে হয়? ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (Drug Resistance) বলতে বোঝায়—
যখন কোনো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস, পরজীবী) বা কখনো কখনো শরীর নিজেই কোনো নির্দিষ্ট ওষুধের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানো বন্ধ করে দেয় বা ওষুধ আর কাজ করে না, তখন তাকে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স বলা হয়।
⸻
🔍 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স কীভাবে হয়?
মূলত ভুলভাবে ওষুধ ব্যবহার করার কারণে। যেমনঃ
1️⃣ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া
2️⃣ ডোজ কম নিয়ে ফেলা বা মাঝপথে ওষুধ বন্ধ করে দেওয়া
3️⃣ একই অ্যান্টিবায়োটিক বার বার খাওয়া
4️⃣ নকল বা নিম্নমানের ওষুধ সেবন
5️⃣ হাসপাতালে দীর্ঘদিন থাকা, যেখানে রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর উপস্থিতি বেশি
6️⃣ ভুল ডায়াগনোসিস, যার কারণে ভুল ওষুধ দেওয়া হয়
⸻
🔥 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স হলে কী হয়?
• রোগ ভালো হতে দেরি হয়
• রোগ বারবার পুনরায় দেখা দেয়
• রোগ আরও জটিল হয়ে যায়
• উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এবং ব্যয়বহুল ওষুধ ব্যবহার করতে হয়
• মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়
⸻
📌 ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সের সাধারণ উদাহরণ
• অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (সবচেয়ে বেশি)
• মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টিবি (MDR-TB)
• ওষুধ রেজিস্ট্যান্ট ম্যালেরিয়া
• অ্যান্টিভাইরাল রেজিস্ট্যান্স (যেমন—HIV, Influenza)
⸻
🛡️ কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?
✔️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া
✔️ সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা
✔️ নিজে নিজে ডোজ পরিবর্তন না করা
✔️ ইনফেকশন প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা
✔️ ভ্যাকসিন নেওয়া