Happy Soul

Happy Soul Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Happy Soul, Health & Wellness Website, Mirpur.

Happy Soul is dedicated to supporting students' mental wellbeing through accessible counseling, expert guidance and engaging awareness initiatives—helping young minds thrive with care and understanding.

📨 happysoul.community@gmail.com

"রাগ" —একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মানবীয় অনুভূতি। এটি আমাদের আবেগের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা কোনো অন্যায়, হুমকি বা বিরক্তিকর প...
08/11/2025

"রাগ" —একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক মানবীয় অনুভূতি। এটি আমাদের আবেগের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা কোনো অন্যায়, হুমকি বা বিরক্তিকর পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দেয়। রাগের মাধ্যমে আমরা অনেক সময় নিজের সীমা, নিরাপত্তা বা ন্যায়ের দাবি প্রকাশ করি। কিন্তু যখন রাগ আমাদের চিন্তা, আচরণ ও সম্পর্কের নিয়ন্ত্রণ নেয়—তখনই এটি হয়ে ওঠে “রাগের সমস্যা” বা Anger Issues।

— রাগকে দমন করবো নাকি নিয়ন্ত্রণ?
- রাগ দমন মানে হলো রাগ অনুভব করেও সেটা জোর করে ভিতরে চেপে রাখা। বাইরে থেকে চুপচাপ দেখা গেলেও ভেতরে মানসিক চাপ, ক্ষোভ, এমনকি শারীরিক সমস্যাও (মাথাব্যথা, অনিদ্রা, উদ্বেগ) তৈরি হয়। এটা অনেকটা প্রেসার কুকারে গ্যাস জমে থাকার মতো—এক সময় বিস্ফোরণ ঘটবেই।
- রাগ নিয়ন্ত্রণ মানে হলো রাগকে চেনা, কারণটা বোঝা, আর সেটাকে গঠনমূলকভাবে প্রকাশ করা। মানে আপনি রাগ পাচ্ছেন, কিন্তু সেটাকে এমনভাবে ব্যবহার করছেন যাতে সম্পর্ক, সিদ্ধান্ত বা আত্মসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, রাগকে দমন নয়, নিয়ন্ত্রণ শেখাই হলো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের মূল চাবিকাঠি।

— রাগ কখন স্বাভাবিক আর কখন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়?
প্রত্যেক মানুষই রাগ অনুভব করে। তবে পার্থক্য হয় রাগ প্রকাশের ধরণে।
স্বাভাবিক রাগ সাধারণত অল্প সময় স্থায়ী হয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী আসে ও যায় এবং মানুষ পরে অনুতপ্ত বা সচেতন থাকে।
অন্যদিকে, যদি আপনি প্রায়ই রেগে যান, ছোটখাটো ঘটনায় বিস্ফোরিত হন, আশপাশের মানুষ আপনাকে “রাগী” হিসেবে চেনে বা রাগের পর গভীর অপরাধবোধে ভোগেন—তবে সেটি মানসিক নিয়ন্ত্রণের ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে।
মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, দীর্ঘস্থায়ী বা অতিরিক্ত রাগ প্রায়ই উদ্বেগ (Anxiety), হতাশা (Depression), আত্মমর্যাদা হ্রাস বা দমনকৃত মানসিক আঘাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

— রাগ নিয়ন্ত্রণের ৬টি কার্যকর কৌশল:-
১. “রাগের সিগন্যাল” চিনে নিন:
রাগ হঠাৎ বিস্ফোরণ নয়; এটি ধীরে ধীরে শরীর ও মনে জমে। হাত কাঁপা, মুখ গরম হয়ে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা গলার পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া—এসবই রাগের শারীরিক ইঙ্গিত। এই সিগন্যালগুলো চিনে নিতে পারলে আপনি রাগ বাড়ার আগেই নিজেকে থামাতে পারবেন।

২. “বিরতি নিন” — ১০ সেকেন্ডের নিয়ম:
রাগের মুহূর্তে যুক্তি কাজ করে না, কাজ করে আবেগ। কোনো তর্ক, উত্তর বা প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আগে নিজেকে অন্তত ১০ সেকেন্ড সময় দিন। গভীরভাবে শ্বাস নিন, পানি খান বা সাময়িকভাবে স্থান ত্যাগ করুন। এটি রাগের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়।

৩. রাগের মূল উৎস খুঁজে বের করুন:
বেশিরভাগ সময় আমরা রাগের জন্য যাকে বা যেটাকে দোষ দিই, তা আসল কারণ নয়। হয়তো আপনি মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব বা হতাশার কারণে সংবেদনশীল হয়ে পড়েছেন। প্রতিবার রাগ হলে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন—“আমি আসলে কিসে কষ্ট পেয়েছি?” এই আত্মপ্রশ্নই সচেতনতার প্রথম ধাপ।

৪. “আমি”-ভিত্তিক ভাষা ব্যবহার করুন:
রাগ প্রকাশের সময় “তুমি সবসময় এটা করো” বা “তোমার জন্যই আমি এমন” বললে অপর ব্যক্তি প্রতিরোধমূলক হয়ে ওঠে। বরং বলুন—“আমি কষ্ট পেয়েছি যখন এটা ঘটল।” এতে সম্পর্ক টিকে থাকে এবং আপনার বার্তাও পৌঁছে যায়।

৫. রিলাক্সেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অভ্যাস করুন:
নিয়মিত গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস, মেডিটেশন বা ধ্যান রাগের জৈবিক প্রতিক্রিয়াকে প্রশমিত করে। প্রতিদিন মাত্র ৫ মিনিটের এই অনুশীলন রাগের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে কমিয়ে আনে।

৬. প্রয়োজনে পেশাদার মনোবিজ্ঞানীর সাহায্য নিন:
যদি রাগ আপনার সম্পর্ক, কাজ বা পড়াশোনায় ক্ষতি করছে, তবে একজন মনোবিজ্ঞানী বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। Cognitive Behavioral Therapy (CBT) রাগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত।

রাগ দমন করার বিষয় নয় বরং, রাগকে বোঝা ও নিয়ন্ত্রণ করা শেখার বিষয়। সঠিক অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা রাগকে আমাদের বিরুদ্ধে নয়, আমাদের পক্ষে কাজ করাতে পারি। মনে রাখবেন, শান্ত থাকা দুর্বলতার নয়, বরং মানসিক পরিপক্বতার প্রতীক।
চলুন, আজ থেকেই রাগের সময়ে কথা বলার আগে একবার থেমে শ্বাস নিই, ভাবি, তারপর ভেবেচিন্তে কথা বলি—কারণ রাগ সাময়িক, কিন্তু তার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী।

সকালবেলা ঘুম ভাঙলেও মনে হয়—আরও ঘুমাই। প্রিয় গান শোনার ইচ্ছা নেই, বন্ধুর ফোন এড়িয়ে যাচ্ছি, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক...
18/07/2025

সকালবেলা ঘুম ভাঙলেও মনে হয়—আরও ঘুমাই। প্রিয় গান শোনার ইচ্ছা নেই, বন্ধুর ফোন এড়িয়ে যাচ্ছি, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রলও বিরক্তিকর লাগছে। আমি কি অলস হয়ে গেছি নাকি এটা ডিপ্রেশনের লক্ষণ? নিজেকে বারবার জিজ্ঞাসা করতে থাকি —আমি কি কেবল অলস নাকি আমার ভেতরে কোনো বড় সংকেত লুকিয়ে আছে?"

আপনি একা নন। বাংলাদেশের অসংখ্য তরুণ-তরুণী আজ এই “ভাল্লাগে না” অনুভূতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। এই আবেগের পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো জানা থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন, এটি শুধুমাত্র অলসতার চিহ্ন নয়—এটি আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।

🧠 “ভাল্লাগে না”-র পেছনের বিজ্ঞান
মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, এই অবস্থাকে বলা হয় “Anhedonia”—যেখানে মানুষ তার স্বাভাবিক আনন্দ পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আমাদের মস্তিষ্কে থাকে ডোপামিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার, যা আনন্দ এবং প্রেরণার অনুভূতি তৈরি করে। কিন্তু যখন আপনি দীর্ঘদিন স্ট্রেস, হতাশা, ঘুমের অনিয়ম কিংবা মানসিক চাপে থাকেন, তখন মস্তিষ্কে ডোপামিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- ফলে যা ঘটে:
🔹 প্রিয় কাজগুলোতে আর আগ্রহ থাকে না
🔹 ছোট আনন্দগুলোও ফিকে হয়ে যায়
🔹 মানসিকভাবে শূন্য ও ক্লান্ত বোধ হয়
আমাদের সমাজে অনেক সময় এটিকে “অলসতা” বলা হয়, কিন্তু বাস্তবে এটি হতে পারে Depression বা Burnout হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ।

📌 বাস্তব উদাহরণ:
তামান্না, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, পার্ট-টাইম জব—সবকিছু সামলে সে যেন এক ক্লান্তির চক্রে আটকে গেছে। আগে যে তামান্না ছুটির দিনে বন্ধুর সাথে সিনেমা দেখতে যেত, এখন তার আর কোনো কিছুরই ইচ্ছে নেই। এমনকি ঘুম থেকে উঠতে পর্যন্ত কষ্ট হয়। তামান্না ভাবতে থাকে—“আমি কি কেবল বেশি আরামপ্রিয় হয়ে গেছি?” কিন্তু বাস্তবে, তার মস্তিষ্ক বারবার ওভারলোড হয়ে “ফ্লাইট-অর-ফাইট” মোডে চলে যাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

✅ কীভাবে সামলে উঠবেন? (৪টি কার্যকর পদ্ধতি)
🌿 ১. ক্ষুদ্র পদক্ষেপে শুরু করুন
বড় পরিকল্পনার পরিবর্তে প্রতিদিন একটি ছোট কাজ ঠিক করুন—যেমন ২০ মিনিট হাঁটা, পর্যাপ্ত পানি খাওয়া, বা ডেস্ক গুছিয়ে রাখা। এই ছোট অর্জনগুলো আপনার মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে পুনরুজ্জীবিত করবে।

📵 ২. স্ক্রিন টাইম কমিয়ে প্রকৃতির কাছে যান
সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক অবসাদ বাড়ায়। দিনে অন্তত ১০–২০ মিনিট প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটান—এটি সায়েন্টিফিক্যালি প্রমাণিত যে প্রকৃতি মানসিক ক্লান্তি কমায়।

🤝 ৩. অনুভূতি শেয়ার করুন
আপনার মনে যে শূন্যতা কাজ করছে তা চেপে রাখবেন না। একটি বিশ্বস্ত বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন অথবা একজন পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। এটি আপনার চাপ হালকা করবে এবং সঠিক সমাধানের পথে নিয়ে যাবে।

🛌 ৪. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং ঘুমের রুটিন ঠিক করুন
মানসিক স্বাস্থ্য সরাসরি আপনার ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠা মস্তিষ্কে নতুন শক্তি জোগাবে। দৈনিক অন্তত ৮/৯ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

🌸 শেষ কথা: নিজেকে দোষ না দিয়ে, সময় দিন
“ভাল্লাগে না” মানে আপনি অলস নন; আপনার মস্তিষ্ক এবং মন অতিরিক্ত চাপে রয়েছে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে দরকার—সচেতনভাবে নিজেকে সময় দেওয়া, আর ধীরে ধীরে সেলফ-কেয়ার অভ্যাস তৈরি করা।

আপনার যদি কখনো এমন সময়ে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে বিনা দ্বিধায় আমাদের মেসেজ করুন।
Happy Soul সবসময় আপনার পাশেই রয়েছে।

“আজ থেকে নতুন করে শুরু করবো!”এমন প্রতিজ্ঞা কয়বার করেছো? আর কয়বার সেটি ২-৩ দিন পরেই হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে?তুমি একা না, আমাদে...
01/07/2025

“আজ থেকে নতুন করে শুরু করবো!”
এমন প্রতিজ্ঞা কয়বার করেছো? আর কয়বার সেটি ২-৩ দিন পরেই হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে?
তুমি একা না, আমাদের অনেকের জীবনেই এমন ঘটে। বড় একটা মোটিভেশনাল ভিডিও দেখে হঠাৎ আগ্রহ বাড়ে, পড়াশোনা, জিম, স্কিল শেখা – সব শুরু করি নতুন উদ্যমে। কিন্তু সেই আগ্রহটা টেকে কয়দিন?
এই জায়গায়ই মোটিভেশন আর ডিসিপ্লিন এর পার্থক্য তৈরি হয়।

🎢 মোটিভেশন: একটা মুহূর্তের জোয়ার
মোটিভেশন হলো অনুভূতির একটা ঢেউ – যেমন সিনেমায় ইন্সপায়ারিং কোনো দৃশ্য, টিকটকে কাউকে দেখে হঠাৎ করে নিজের লাইফ বদলাতে চাওয়া বা রাত ২টায় বই খুলে বসা শুধু একটা Reel দেখে। এই ধরনের মোটিভেশন শুরুর জন্য দারুণ, কিন্তু প্রোডাক্টিভ থাকার জন্য নয়। কারণ অনুভূতি সবসময় একরকম থাকে না। মন খারাপ হলে, ব্যর্থ হলে, ক্লান্ত লাগলে – মোটিভেশন উধাও হয়ে যায়। একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যারা শুধু মোটিভেশনের উপর নির্ভর করে, তাদের তুলনায় যারা নির্দিষ্ট রুটিন আর ডিসিপ্লিন মেনে চলে, তারা অনেক বেশি কনসিস্টেন্টলি ভালো করে।

🧱 ডিসিপ্লিন: ছোট ছোট অভ্যাস, বড় ফলাফল
ডিসিপ্লিন মানে কী? সেটা কোনো কঠিন শাসন না। বরং নিজের সঙ্গে করা একটা ছোট চুক্তি, যেটা প্রতিদিন নিজেকে একটু একটু করে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।একজন ছাত্র তামিম (ছদ্মনাম) প্রতিদিন সকাল ৮টায় ঘুম থেকে ওঠে, ৩০ মিনিট পড়াশোনা করে, এরপর ১৫ মিনিট জার্নাল লেখে। সে কোনোদিন অতিরিক্ত মোটিভেটেড থাকে না, কিন্তু এই রুটিন ধরে রাখার ফলে ৬ মাসে তার GPA বেড়েছে ১.২ পয়েন্ট।
তামিমের এই সাফল্যের রহস্য কি? উত্তর: ডিসিপ্লিন।

ডিসিপ্লিন মানে হলো:
✅ একই সময়ে একই কাজ করা, অনুভূতি যাই থাকুক না কেন।
✅ নিজেকে নিজের কথা রাখার ট্রেনিং দেওয়া।
✅ নিজের ভবিষ্যতের জন্য আজ কিছু দায়িত্ব নেওয়া।

🤔 ভাবার মতো কিছু প্রশ্ন:
- তুমি কি প্রতিদিন “মোটিভেশন খুঁজে” সময় নষ্ট করো, না “একটা রুটিন ধরে” কাজ করো?
যদি প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট করে নিজের কোনো এক স্কিলে সময় দাও, ৬ মাস পর তুমি কোথায় পৌঁছাবে?

🎯 বাস্তবিক টিপস – ডিসিপ্লিন গড়ার ৪টি সহজ পদ্ধতি:
১. মাইক্রো-হ্যাবিট শুরু করো:
একেবারে বড় কিছু শুরু করো না। “প্রতিদিন ৫ মিনিট বই পড়বো” – এটুকু হলেই শুরু।

২. একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করো:
যেমন রাত ১০টা মানেই ফোন বন্ধ অথবা পড়াশোনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ ও সেটি মেনে চলা উচিত। সময়ের প্রতি শ্রদ্ধা মানেই নিজের প্রতি শ্রদ্ধা।

৩. নিজেকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখো:
ফ্রেন্ড বা পরিবারকে বলো তোমার রুটিন। “ Accountability partner” থাকলে ডিসিপ্লিন বজায় রাখা অনেক সহজ।

৪. ডিজিটাল ডিটারজেন্ট ব্যবহার করো – Social media blocker app দিয়ে distraction কমাও। ফোনের স্ক্রিনটাইম কমিয়ে আনো ও প্রোডাক্টিভ কাজে মনযোগী হও।

মোটিভেশন ফুলের মতো – সুন্দর কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। আর ডিসিপ্লিন হলো গাছের শিকড় – চোখে দেখা যায় না, কিন্তু পুরো জীবনকে ধরে রাখে। তোমার জীবন বদলাতে চাইলে আজ থেকেই ডিসিপ্লিনের বীজ বপন করো। মনে রেখো:
“মানুষ প্রোডাক্টিভ হয়ে জন্মায় না, তারা গড়ে ওঠে – ছোট ছোট ডিসিপ্লিন দিয়ে।”

পড়াশোনা আর মনের যত্ন - দুটোই চলুক একসাথে😊
21/06/2025

পড়াশোনা আর মনের যত্ন - দুটোই চলুক একসাথে😊

মেন্টাল হেলথ ফিজিকাল হেলথের মতই গুরুত্বপূর্ন, কিন্ত অনেক স্টুডেন্ট এসব সমস্যার কোন প্রপার সমাধান পায় না। হাল্কেন্সটাইন এখন থেকে কাজ করবে Soul এর সাথে, শিক্ষার্থীদের ফ্রি ও পেইড সেবা সরবরাহে যাতে লাইফের যেকোন পর্যায়ে সেটা একাডেমিক হোক আর এডমিশন হোক শিক্ষার্থীরা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্ময়নে কাজ করতে পারে। ❤️

Happy Soul পেইজে লাইক দিয়ে রাখো আমাদের ফিউচার কার্যক্রমের আপডেট পাওয়ার জন্য, লিংক কমেন্ট বক্সে

✨EID MUBARAK!!!✨ May the spirit of sacrifice and devotion bring you closer to Allah’s blessings. Wishing you, your famil...
06/06/2025

✨EID MUBARAK!!!✨
May the spirit of sacrifice and devotion bring you closer to Allah’s blessings. Wishing you, your family and your loved ones a blessed Eid filled with happiness, gratitude and grace.

“ভালো থাকো”—এই কথাটা আমরা অনেকেই বলি, কিন্তু নিজের ভালো থাকার জন্য কি কিছু করি?শরীরে জ্বর এলে ওষুধ খাই, পা মচকে গেলে ডাক...
03/06/2025

“ভালো থাকো”—এই কথাটা আমরা অনেকেই বলি, কিন্তু নিজের ভালো থাকার জন্য কি কিছু করি?
শরীরে জ্বর এলে ওষুধ খাই, পা মচকে গেলে ডাক্তারের কাছে দৌড়াই। কিন্তু মনে যখন বিষণ্ণতা জমে, রাতে ঘুম আসে না, হাসি ফিকে হয়ে যায়—তখনও বলি, “সব ঠিক আছে”।

•কেন?
কারণ আমরা এখনো বিশ্বাস করি—মানসিক স্বাস্থ্য যেন কোনো বিলাসিতার নাম!

# কেন মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া ‘প্রয়োজন’?
১. তুমি যেভাবে অনুভব করো, সেটাই তোমার জীবনকে গঠন করে:
ভালো মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। এটা শুধু দুঃখ বা হতাশা থেকে মুক্ত থাকার নাম নয়—এটা হলো নিজের ভেতরের শক্তিকে চিনে নেওয়া, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থির থাকা আর জীবনের সুখ-দুঃখকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা। যখন মন ভালো থাকে, তখন আমরা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হই, নিজের লক্ষ্য ঠিক রাখতে পারি আর জীবনের প্রতি এক ধরণের উৎসাহ অনুভব করি। তাই প্রতিদিন নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া মানে নিজের জীবনের গুণগত মান বাড়ানো।

২. সুস্থ মন না থাকলে সফলতা অনেক কঠিন হয়ে যায়:
যখন মন অস্থির থাকে, তখন মনোযোগ ধরে রাখা, সিদ্ধান্ত নেওয়া বা পরিশ্রম করা কঠিন হয়ে পড়ে। হতাশা, উদ্বেগ কিংবা নেতিবাচক চিন্তা আমাদের সম্ভাবনাকে থামিয়ে দিতে পারে। তাই সফলতার পথে এগোতে হলে আগে মনের যত্ন নেওয়াটা সবচেয়ে জরুরি।

৩. সবারই মাঝে মাঝে সাহায্য লাগতে পারে:
মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া মানে তুমি ভেঙে যাওয়ার পাত্র নও, তুমিও অনুভূতিযুক্ত মানুষ। ঠিক যেমন ঠান্ডা লাগলে ওষুধ খাই, তেমনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে আমাদের উচিত আমাদের আশেপাশে বিশ্বস্ত কারো সহযোগিতা নেয়া। বিশেষ করে, কোনো মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া।

৪. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন মানে নিজেকে সম্মান করা:
তুমি যেমন শারীরিক ব্যথায় বিশ্রাম নিতে দ্বিধা করো না, তেমনি মনের ক্লান্তিতেও বিশ্রাম দরকার। নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া মানেই নিজের প্রতি যত্নবান হওয়া।

# যদি আমার মানসিক স্বাস্থ্যের এখনই যত্ন না নিই, তাহলে...?
১. আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে পারো,
২. ক্লান্তি এবং বিরক্তি সবকিছুকে ঢেকে ফেলতে পারে,
৩. ছোট ছোট সমস্যাও বড় মনে হবে,
৪. সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে,
৫. দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

# তাহলে কী করবো এখন?
১. প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট নিজের সঙ্গে কাটাও,
২. মন খারাপ থাকলে লিখে ফেলো, বোঝার চেষ্টা করো,
৩. কাউকে বলো—বন্ধু, শিক্ষক কিংবা একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে,
৪. যে কাজ করতে ভালো লাগে, তা নিয়মিত করো,
৫. পর্যাপ্ত ঘুম আর পরিমিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলো।

এছাড়াও, সবসময় পাশে পাবে Happy Soul কে। যার সাথে তুমি মন খুলে তোমার মনের কথাগুলো বলতে পারো। মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়- এটা তোমার প্রাপ্য। তোমার প্রয়োজন। তোমার অধিকার।

তুমি কি মনে করো, আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়? কমেন্টে তোমার মতামত জানাও!

আমরা প্রতিদিনই অনুভূতি, আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হই। এই অনুভূতিগুলোকে শনাক্ত করা, প্রকাশ করা এবং বুঝত...
26/04/2025

আমরা প্রতিদিনই অনুভূতি, আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হই। এই অনুভূতিগুলোকে শনাক্ত করা, প্রকাশ করা এবং বুঝতে পারা আমাদের মানসিক সুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা নিজেদের আবেগ চেনেন না, প্রকাশ করতে পারেন না কিংবা সেগুলোর অর্থ বুঝতে অপারগ হন। এই অবস্থাকে বলা হয় অ্যালেক্সিথাইমিয়া (Alexithymia)।

# অ্যালেক্সিথাইমিয়া কী?
অ্যালেক্সিথাইমিয়া একটি সাইকোলজিকাল কন্ডিশন যেখানে একজন ব্যক্তি তার নিজের আবেগ চিহ্নিত করতে এবং তা অন্যদের কাছে প্রকাশ করতে সক্ষম নয়। এই শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে – 'a' অর্থ ‘অনুপস্থিত’, 'lexis' অর্থ ‘শব্দ’ এবং 'thymos' অর্থ ‘আবেগ’। অর্থাৎ, “অভিব্যক্তির জন্য শব্দের অভাব”।

# সাধারণ লক্ষণসমূহ:
১. নিজের আবেগ বোঝার অসুবিধা:
ব্যক্তি বুঝতেই পারেন না তিনি কেমন অনুভব করছেন। দুঃখ, রাগ, ভয় বা আনন্দ—এসব আবেগের পার্থক্য করা তাদের জন্য কষ্টকর।

২. আবেগ প্রকাশে সীমাবদ্ধতা:
তাদের মুখে, চোখে বা দেহভাষায় খুব কম আবেগ প্রকাশ পায়। অন্যরা তাদের 'ঠাণ্ডা' বা 'অবিবেচক' মনে করতে পারেন।

৩. আবেগভিত্তিক সম্পর্ক গড়তে অসুবিধা:
ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বা সংবেদনশীল যোগাযোগে তারা অস্বস্তি বোধ করেন। প্রেম, বন্ধুত্ব বা পরিবারে আন্তরিকতা গড়ে তোলাও কঠিন হয়।

৪. বডি-সিম্পটম বা শারীরিক উপসর্গে আবেগ প্রকাশ:
অনেক সময় আবেগ চেপে রাখার ফলে সেই আবেগ শরীরের মাধ্যমে প্রকাশ পায়—যেমন বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, পেটের সমস্যা ইত্যাদি।

# কারণসমূহ:
অ্যালেক্সিথাইমিয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে:
১. জেনেটিক বা নিউরোলোজিক্যাল ফ্যাক্টর:
মস্তিষ্কের ইন্সুলা এবং অ্যামিগডালা অংশের কার্যকারিতায় সমস্যা থাকলে আবেগ চেনার ও প্রকাশের প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

২. শৈশবের ট্রমা বা অবহেলা:
যাদের শৈশবে মানসিক নির্যাতন, উপেক্ষা বা আবেগ ও অনুভূতির অব্যক্ততা ছিল, তারা বড় হয়ে আবেগ নিয়ে কাজ করতে অসুবিধা অনুভব করেন।

৩. মানসিক রোগের সহাবস্থান:
অ্যালেক্সিথাইমিয়া অনেক সময় ডিপ্রেশন, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (PTSD), অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার বা বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের সাথেও সহাবস্থান করে।

# প্রভাব:
অ্যালেক্সিথাইমিয়া থাকলে সম্পর্ক তৈরি ও বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যক্তি নিজের আবেগ না বোঝায় সিদ্ধান্তগ্রহণেও ভুল হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি হতাশা, একাকিত্ব এবং আত্মসম্মানহীনতা তৈরি করতে পারে।

# চিকিৎসা ও সমর্থন:
এই অবস্থার সরাসরি কোনো ওষুধ নেই, তবে নিচের থেরাপিগুলো কার্যকর হতে পারে:
১. সাইকোথেরাপি:
বিশেষ করে কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT), ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT) এবং ইমোশন ফোকাসড থেরাপি (EFT) কার্যকর।

২. মাইন্ডফুলনেস ও আবেগ চর্চা:
দিনের শেষে নিজের আবেগ কী ছিল তা লিখে রাখা, শরীরের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা এবং ধীরে ধীরে ভাষায় প্রকাশ করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

৩. পারিবারিক ও সামাজিক সমর্থন:
পরিবার বা ঘনিষ্ঠজনদের বোঝাপড়া এবং সহানুভূতি একজন অ্যালেক্সিথাইমিক ব্যক্তিকে আবেগ চর্চায় সহায়তা করতে পারে।

অ্যালেক্সিথাইমিয়া একধরনের 'অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতা' যা বাহ্যিকভাবে খুব একটা চোখে পড়ে না; কিন্তু অন্তর্গতভাবে মানসিক শান্তি ও সম্পর্কের গভীরতাকে ব্যাহত করে। যত দ্রুত এটি চিহ্নিত ও গ্রহণ করা যাবে, ততই উন্নয়নের পথ খুলে যাবে। আমরা যদি সমাজ হিসেবে আবেগ প্রকাশকে দুর্বলতা না ভেবে মানসিক পরিপক্বতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করি, তবে এমন অনেক মানুষের জন্য জীবন আরও অর্থপূর্ণ হয়ে উঠবে।

নার্সিসিজম (Narcissism) বা নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটির বৈশিষ্ট্য হলো নিজের প্রতি অতিরিক্ত মুগ্ধতা, প্রশংসা চাওয়া এবং অন...
22/04/2025

নার্সিসিজম (Narcissism) বা নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটির বৈশিষ্ট্য হলো নিজের প্রতি অতিরিক্ত মুগ্ধতা, প্রশংসা চাওয়া এবং অন্যের অনুভূতির প্রতি অভাবনীয় অনাগ্রহের মিশ্রণ। এই বৈশিষ্ট্য দীর্ঘমেয়াদে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।

# নার্সিসিজম কী?
নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার (NPD) হলো একটি মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যেখানে ব্যক্তি:
১. নিজের কৃতিত্ব অত্যধিক মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ মনে করে
২. অন্যের চেয়ে নিজেকে বিশেষ ও আলাদা ভাবতে চেষ্টা করে
৩. সহজেই সমালোচনা বা পরামর্শে রেগে যায়
৪. অন্যের অনুভূতির প্রতি সহানুভূতি কম অনুভব করে

# নার্সিসিস্ট চিনতে পাওয়ার প্রধান লক্ষণগুলো
১. অতিমাত্রায় গ্র্যান্ডিওসিটি (Grandiosity):
নার্সিসিস্টেরা প্রায়ই তাদের কৃতিত্ব, ক্ষমতা বা সৌন্দর্যের অতিরঞ্জিত চিত্র আঁকে এবং বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যহীন উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে।

২. প্রশংসার প্রবল আকাঙ্ক্ষা:
গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় অনুভব করতে তারা নিরন্তর বাহ্যিক সাড়াশব্দ বা স্বীকৃতি পেতে চায়। প্রশংসা না পেলে হতাশা অনুভব করে।

৩. সমালোচনা সহ্য করতে পারে না:
সামান্য সমালোচনা বা পরামর্শও তারা ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে মেনে নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায়।

৪. সহানুভূতির অভাব:
দীর্ঘ আলোচনায় বা প্রয়োজনের সময়ও তারা অন্যের দুঃখ-বেদনা বুঝতে বা সহমর্মিতা দেখাতে অনীহা প্রকাশ করে।

৫. সম্পর্ককে ব্যবহার করার খারাপ প্রবণতা:
ব্যক্তিগত ও কাজের সম্পর্ককে স্বার্থপর দৃষ্টিতে দেখে, প্রয়োজন পড়লে অন্যকে ব্যবহার করে বা অনুভূতিগত দূরত্ব বজায় রাখে।

# নার্সিসিজম কেন বিপজ্জনক?
১. সম্পর্কের বিক্ষোভ:
স্বার্থপর আচরণের কারণে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে; পরিবার এবং বন্ধুত্ব টিকতে পারে না।

২. মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি:
ডিপ্রেশন, এঙজাইটি বা হতাশার মাত্রা বেড়ে যায় যখন প্রত্যাশিত প্রশংসা পূরণ হয় না। দীর্ঘমেয়াদে মানসিক অবসাদ তৈরি হতে পারে।

৩. কর্পোরেট বা কাজের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব:
দলগত কাজের ক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা, কর্তৃত্বপ্রিয় মনোভাব এবং অন্যের পরিশ্রমের ন্যায্য স্বীকৃতি না দেয়ার ফলে কর্মক্ষেত্রে বিরূপ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

# নার্সিসিস্টিক প্রবৃত্তির উৎপত্তি ও কারণ
১. শৈশবকালীন অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা:
অনেক সময় অতিরিক্ত প্রশংসা বা অসম্মান—দুইয়েরই চরম অভিজ্ঞতা—শৈশবে নার্সিসিস্টিক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলে।

২. পারিবারিক পরিবেশ:
অনুকম্পাহীন বা অত্যধিক মনোযোগের ঘাটতি পরিবারে নার্সিসিস্টিক বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধি করতে পারে।

৩. সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা:
আজকাল সামাজিক মিডিয়ায় নিজেকে বিভিন্ন ফিল্টার ও ধাঁধাঁর মাধ্যমে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া, সেলফি সংস্কৃতি সম্প্রসারণে নার্সিসিস্টিক প্রবৃত্তি ত্বরান্বিত হচ্ছে।

# নার্সিসিস্টিক ব্যক্তিত্বের চিকিৎসা ও পরামর্শ
১. সাইকোথেরাপি (Psychotherapy)
কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT) ও ম্যাসেট্রিটি থেরাপি (MBT) সহ বিভিন্ন পদ্ধতি আত্মসমালোচনা ও সহানুভূতি বিকাশে সাহায্য করে।

২. আত্ম-সচেতনতার চর্চা:
দৈনন্দিন জীবনে ম্যাইন্ডফুলনেস, ধ্যান বা জার্নালিং-এর মাধ্যমে নিজের আবেগ ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করা আবশ্যক।

৩. সমর্থন গ্রুপ ও পরামর্শ সেবা:
কাউন্সেলিং সেন্টার, অনলাইন থেরাপি প্ল্যাটফর্ম বা সহনুভূতিশীল সমর্থন গোষ্ঠীতে যুক্ত হয়ে উন্নতি সম্ভব।

# নার্সিসিজম প্রতিরোধ ও সমাধান:
১. সঠিক আত্মমূল্যায়ন:
নিজের যোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা বাস্তবসম্মতভাবে মেনে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২. সহমর্মিতা অনুশীলন:
প্রতিদিন কারো প্রতি ছোট্ট দয়া বা অনুপ্রেরণা দেখানোর অভ্যাস রাখতে হবে। এটি হৃদয়ে আন্তরিকতা বাড়ায়।

৩. সমালোচনা থেকে গড়ে তোলা শিক্ষা:
নিন্দা ও পরামর্শকে ব্যক্তিগত আক্রমণ না ধরে, নিজেকে উন্নতি করার সুযোগ হিসেবে দেখুন।

নার্সিসিজম শুধু নেতিবাচক ব্যক্তিত্বের একটি দিক নয়, এটি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময়মতো এর লক্ষণগুলো বুঝে সহায়তা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি আত্মজ্ঞান ও সহানুভূতির চর্চা একজনকে সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং মানসিকভাবে ভালো থাকতে সহায়তা করে।

তুচ্ছ কথায় রেগে যাচ্ছো? হালকা তর্কেই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ছো? সবাই বলছে: "তুমি আগের মতো শান্ত নেই", "তোমার ধৈর্য কমে গেছে!" আর ...
19/04/2025

তুচ্ছ কথায় রেগে যাচ্ছো? হালকা তর্কেই ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ছো? সবাই বলছে: "তুমি আগের মতো শান্ত নেই", "তোমার ধৈর্য কমে গেছে!" আর তুমি নিজেই ভাবছো—"আমি কি বদলে যাচ্ছি?"

না, তুমি খারাপ হয়ে যাচ্ছো না। তুমি হয়তো কোনো কারণে মানসিক চাপে আছো। রাগ সব সময় রাগ নয়, হতে পারে Silent Cry For Help. আমাদের মস্তিষ্ক যখন দীর্ঘদিন মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, হতাশা বা ক্লান্তির ভার বইতে থাকে—তখন সেটা সরাসরি কান্না বা দুর্বলতার মাধ্যমে না বের হয়ে রাগের রূপ নেয়।

• একটু লক্ষ করো:
– পড়াশোনার চাপ?
– ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না?
– পরিবার বা সম্পর্কের টানাপোড়েন?
– নিজের লক্ষ্য বা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা?
এই সব কিছুর পেছনে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য চাপই তোমার মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করছে।

• রাগকে চিনতে হবে, অন্যথায় সেই রাগই তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। তাই:

১. নিজেকে প্রশ্ন করো:
"আমি কি সত্যি রেগে গেছি, নাকি আমি ভেতরে কষ্ট পাচ্ছি?"

২. রাগ উঠলে একটু থেমে যাও:
মুখে কিছু বলার আগে ১০ পর্যন্ত উল্টোদিক দিক থেকে গুনো। অর্থাৎ, ১০,৯,৮,৭.... এভাবে। এক গ্লাস পানি খাও অথবা স্থান পরিবর্তন করো। এই বিরতি তোমাকে শান্ত হতে সাহায্য করবে।

৩. লিখে ফেলো রাগের কথা:
কাগজে লিখে ফেলো তোমার রাগ, হতাশা, কষ্ট। সেটাকে প্রকাশ করো, ছুঁড়ে ফেলো— কিন্ত মানুষের মুখে নয়, কলমে।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম:
ঘুম বঞ্চিত হলে আমাদের ধৈর্য অনেক কমে যায়। চেষ্টা করো প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে।

৫. কাউকে খোলাখুলি বলো:
ভরসা করা একজন বন্ধু বা কাউন্সিলরকে খুলে বলো—"আমি সবসময় এমন ছিলাম না, কিন্তু ইদানীং আমি রেগে যাচ্ছি, কারণ…"

রাগকে দমন না করে, বুঝে নেওয়াই হলো শক্তি। যদি তুমি রেগে যাও, তার মানে তুমি দুর্বল নও—তুমি মানুষ। তবে সেই রাগটা কোথা থেকে আসছে, সেটা বুঝে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। মন ভালো থাকলে, মেজাজও ভালো থাকে। নিজের মনের যত্ন নাও।

তোমার রাগ কি আসলে মানসিক চাপ থেকে আসছে? আজ থেকেই বোঝার চেষ্টা করো, নিজের পাশে থাকো।

✨ EID MUBARAK 🌙✨May Allah accept your prayers, fasting and good deeds. On this blessed day, may your heart be filled wit...
30/03/2025

✨ EID MUBARAK 🌙✨
May Allah accept your prayers, fasting and good deeds. On this blessed day, may your heart be filled with peace, your home with joy and your life with countless blessings.Wishing you a blessed Eid with your loved ones✨

Address

Mirpur

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Happy Soul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Happy Soul:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram