Didarul Alam

Didarul Alam Sober Life is a Drug addiction & Mental health problem treatment & counselling centre.

Permanently closed.

you can consulting with us for any kind of drug addiction treatment & mental health problem.

মাদকাসক্তি রোগের চিকিৎসা ধরণ ও পদ্ধতি : মাদক নির্ভরশীলতাকে বলা হয় একটি জটিল পুনঃ আসক্তিমূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chronic ...
16/06/2022

মাদকাসক্তি রোগের চিকিৎসা ধরণ ও পদ্ধতি :

মাদক নির্ভরশীলতাকে বলা হয় একটি জটিল পুনঃ আসক্তিমূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chronic relapsing brain disease যা বারবার হতে পারে। অর্থাৎ একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি চিকিৎসা গ্রহণের পরেও একাধিকবার মাদক গ্রহণ শুরু করতে পারে।

সঠিক চিকিৎসা ও পরিচর্যার মধ্যদিয়ে একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে এবং মাদক থেকে দূরে থাকতে পারে। মাদক গ্রহণজনিত রোগকে অনেক সময় ডাইবেটিস বা হৃদরোগের সাথে তুলনা করা হয় কারণ যে ব্যক্তির একবার ডাইবেটিস বা হৃদরোগ হয় তার সারা জীবন কিছু বিধি-নিষেধ বা ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকতে হয়। ঠিক তেমনি মাদক নির্ভরশীলতার চিকিৎসার পরেও রোগীকে কিছু বিধি-নিষেধ বা ব্যবস্থাপনার মধ্যে থাকতে হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে রোগী পুনরায় মাদক গ্রহণ শুরু করে।

মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসায় বিভিন্ন দেশে একাধিক পদ্ধতি প্রচলিত আছে বা অনুসরণ করে থাকে। একসময় মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসা ছিল বিচ্ছিন্ন। কিছু চিকিৎসা কেন্দ্র ঔষুধ নির্ভর চিকিৎসাকে গুরুত্ব প্রদান করত। আবার কোন কোন কেন্দ্র ঔষুধ বর্জিত পুনর্বাসন কেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অনুসরণ করত। কাউন্সেলরা শুধু কাউন্সেলিং ভিক্তিক চিকিৎসাকে গুরুত্ব প্রদান করত। এসমস্ত চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক সময় রোগীর সমস্যা কেন্দ্রিক না থাকায় অনেকাংশেই চিকিৎসা ফলপ্রসূ হয়নি।

একজন মাদক নির্ভরশীলকে মাদকমুক্ত করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থা। কারণ একজন মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘদিন মাদক গ্রহণের কারণে অনেকেরই আচরণ ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে থাকে বিধায় তাকে মাদকমুক্ত থাকতে হলে তার আচরণ ও চিন্তা- চেতনার পরিবর্তন প্রয়োজন। আচরণ পরিবর্তন একটি কষ্টসাধ্য বিষয় হলেও মাদকমুক্ত থাকার সাথে আচরণ পরিবর্তন গভীরভাবে জড়িত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোর চিন্তা ও আচরণ পরিবর্তনকে গুরত্বের সাথে মাদক চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত করেছে। এজন্য চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত একজন নির্ভরশীল ব্যক্তির দৈহিক চিকিৎসার পাশাপাশি আচরণ পরিবর্তন, নৈতিক গুণাবলী শিক্ষা প্রদান এবং এমনভাবে সুস্থ করে তোলা যাতে সে জীবনের সাধারণ সমস্যার মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়। রোগীদের আচরণ পরিবর্তন ও সমস্যা মোকাবেলার জন্য তাদের জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ খুবই জরুরী। যা দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া ছাড়া সম্ভব নয়। এছাড়া রোগীরা জীবনের ভুলক্রুটিগুলো কাটিয়ে উঠার জন্য, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য, পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যক্তিগত মানসিক উৎকর্ষতা সাধনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ কাউন্সেলরের অধীনে কাউন্সেলিং গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

★অ্যাসেসমেন্ট (রোগ নির্ণয়) :

যে কোন চিকিৎসায় অ্যাসেসমেন্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রোগ নির্ণয় ছাড়া রোগের পরিপূর্ণ চিকিৎসা কখনো সম্ভব না। পরিপূর্ণ ও ফলোপ্রসু চিকিৎসা পেতে হলে রোগীর সমস্যা ও সমস্যা সম্পর্কিত সার্বিক তথ্য সেবাপ্রদানকারী বিশেষজ্ঞের জানা অত্যন্ত জরুরী । মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির পরিপূর্ণ চিকিৎসায়ও সঠিক অ্যাসেসমেন্ট বা সমস্যা নির্ণয় অত্যন্ত জরুরী।
তাই মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির সঠিক চিকিৎসার লক্ষ্যে আমরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও স্বীকৃত অ্যাসেসমেন্ট ফরমের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কাউন্সেলর দ্বারা ব্যক্তির রোগ / সমস্যা সম্পর্কিত অ্যাসেসমেন্ট করা হয়। উল্লেখ্য এখানে শুধু মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির তথ্য নেয়া হয় না তার পরিবারের কাছ থেকেও তার বিষয়ে তথ্য নেয়া হয় কারণ একটি সঠিক ও বাস্তবধর্মী চিকিৎসা পরিকল্পনায় ব্যক্তি ও তার পরিবারের তথ্য অত্যন্ত জরুরী । কাউন্সেলর অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাগত সম্পর্ক বজায় রেখে এই অ্যাসেসমেন্ট কাজটি করে থাকেন।

★চিকিৎসা পরিকল্পনা:

রোগীর এ্যাসেসমেন্ট এরপর কাউন্সেলর এবং রোগী যৌথভাবে চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরী করেন। পরবর্তীতে কাউন্সেলর, রোগী এবং অভিভাবকসহ চিকিৎসা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। চিকিৎসাকালীন সময়ে প্রয়োজনে সবার মতামত অনুসারে চিকিৎসা পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়।

★ডিটক্সিফিকেশন (নির্বিষকরণ) ও শারিরীক চিকিৎসা:

ভর্তির প্রথম ১৪ দিন ডিটক্সিফিকেশন বা নির্বিষকরণের সময় ধরা হয় এই সময় রোগী সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকে। শারিরীক চিকিৎসা শুধু উইথড্রল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় । মিশন ভর্তি পরবর্তী সময়ে রোগীর মানসিক ও শারিরীক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। ডিটক্সিফিকেশন বা নির্বিষকরণের মেয়াদ ১৪ দিন হলেও কখনো কখনো এর ব্যতিক্রম ঘটে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা অব্যাহত থাকে।

দীর্ঘদিন মাদকদ্রব্য নেওয়ার ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান প্রবেশ করে। মূলত এই রাসায়নিক উপাদান গুলো ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক ক্ষতি হয় । অর্থাৎ এই সময়ে তার শরীর থেকে মাদকের রাসায়নিক উপাদান গুলো আস্তে আস্তে রেব হওয়া শুরু করে এবং এ সময়ে ব্যক্তির মধ্যে মারাত্মক মাদক প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ যেমন: অস্থিরতা, আচরণের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় তখন তার নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতার প্রয়োজন হয় ।

তাই আমরা সেবাগ্রহীতার মাদক প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ মাথায় রেখে আমরা ভর্তির পর থেকেই প্রত্যেক সেবাগ্রহীতাকে এই ডিটক্সিফিকেশন সময়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও কাউন্সেলর দ্বারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার ব্যবস্থা করি যাতে এই সময় সে ভালোভাবে তার অস্থিরতা ও কষ্টের সাথে মোকবেলা করতে পারি।
উল্লেখ্য এই সময়ে তাদের ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়।

★মানসিক রোগের চিকিৎসা :

সব মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি (পুরুষ/নারী) মানসিক ভাবে সমস্যাগ্রস্থ নয়। তবে মাদক নির্ভরশীলদের মধ্যে মানসিক রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মানসিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা খুবই জরুরী। এজন্য মিশন পরিচালিত কেন্দ্রসমূহে মাদক নির্ভরশীল বিষয়ে দক্ষ মনো-চিকিৎসকের অধীনে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকে। মানসিক রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে বিধায় কাঙ্খিত সাফল্য পেতে ধৈর্য্য ধারণ করতে হয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ।

★কাউন্সেলিং সেবা :

মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে যাতে সে চিকিৎসার মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারে ও মাদকমুক্ত থাকার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এজন্য মিশন রোগীর মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ধারাবাহিক কাউন্সেলিং প্রদান করে থাকে এবং এই কাউন্সেলিং শুধুমাত্র চিকিৎসাকালীন সময়ের জন্য নয় চিকিৎসা পরবর্তীতেও এর ধারাবহিকতা বজায় রাখতে পরামর্শ প্রদান করে থাকে। মিশনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কাউন্সেলরগণ যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করে তা হলো সিবিটি বা কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (অবহিতিমূলক আচরণ ভিক্তিক চিকিৎসা) বা অন্যান্য বিহেভীয়ার থেরাপী, মটিভেশনাল ইন্টারভিউ (এমআই), কন্টিনজেন্সি ম্যানেজমেন্ট (রোগীকে শর্তসাপেক্ষে প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করা এবং চিকিৎসায় সম্পৃক্ত রাখা) ইত্যাদি। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে একক কাউন্সেলিং, গ্রুপ কাউন্সেলিং, গ্রুপ থোরাপী প্রদান করা হয়ে থাকে।

★মনো-সামাজিক শিক্ষা ও জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ :

আমরা জানি, মাদক নির্ভরশীলতার কারণে একজন ব্যক্তি জীবন পরিচালনার দক্ষতাসমূহ হারিয়ে ফেলে। এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসার অন্যতম প্রক্রিয়া হচ্ছে মনো-সামাজিক শিক্ষা। মনো-সামাজিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সামাজিক পরিবেশের সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পারে। এজন্য মিশন মনো-সামাজিক শিক্ষা ও জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির ক্ষমতায়ন, চাপ নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধানের ও পরিকল্পনা বিষয়ক দক্ষতা, মাদক গ্রহণের ক্ষতি, মাদক নির্ভরশীলতা ও মানসিক রোগ, কি ভাবে মাদকমুক্ত থাকা যায়, রাগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ, এইচআইভি/এইডস ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে থাকে।

★নারকটিক্স এনোনিমাস (এন এ) মিটিং :

বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের সেলফ হেলফ গ্রুপ আছে তাদের মধ্যে নারকটিক্স এনোনিমাস বা এন.এ এক ধরনের সেলফ হেলফ গ্রুপ। নারকটিক্স এনোনিমাস (এন এ) মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে একটি পদ্ধতি। সুস্থতা প্রাপ্ত মাদক নির্ভরশীলদের নিজেদের সুস্থতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য এবং অন্য মাদক নির্ভরশীলদের সাহায্য করার মধ্যে দিয়ে নিজে সাহায্য গ্রহণ করাই সেলফ হেলফ গ্রুপ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৫৩ সালে আমেরিকায় যা বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১৩১টি দেশে এই কর্মসূচি চলমান আছে। যে সমস্ত রোগী স্বেচ্ছায় ভালো হতে চায় ও ভালো থাকতে চায় (“a desire to stop using”) তাদের জন্য এই পদ্ধতি উপযোগী।
নারকটিক্স এনোনিমাসে মূলত অনুসরণ করা হয় বারোটি ধাপ। কোন অসুস্থ ব্যক্তি নিজেকে সুস্থ করার জন্য এই বারো ধাপে কাজ করেন। এই ধাপগুলির মধ্যে রয়েছে আসক্তিজনিত সমস্যাকে স্বীকার করা, সাহায্য প্রার্থনা করা, নিজেকে মূল্যায়ন করা, গোপনীয়তা রক্ষা করে ব্যক্তির স্ব-উন্মোচন করা, মাদক গ্রহণকালীন সময়ে সে যে ক্ষতি করেছে তা পূরণের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্য মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তি যারা সুস্থ হতে চায় তাদের সহযোগীতা করার মাধ্যমে নিজে সুস্থ থাকা। যারা এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হতে চায় তাদের সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার প্রতি দৃঢ় আস্থা থাকা চাই।

যারা দীর্ঘদিন যাবত সুস্থ আছে তারা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে নবাগতের সুস্থ হতে সহায়তা করেন। কোন কোন গ্রুপ বা দল আছে তারা বার ধাপের পাশাপাশি যারা সুস্থ আছে তাদের জন্য সুস্থ থাকার বর্ষপূতি সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করে থাকে। প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্যসহ সকল বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। মিশনের কেন্দ্রে চিকিৎসায় থাকা কালীন ও চিকিৎসা পরবর্তীতে এনএ মিটিং এ অংশগ্রহণ করতে পারে।

★চিকিৎসা পরবর্তী সেবা ও পরিচর্যা:

মাদক নির্ভরশীলতা একটি জটিল, পুন:আসক্তি মূলক মস্তিস্কের রোগ বা A chronic relapsing brain disease হিসেবে বিশ্বে পরিচিত এবং এটিকে স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়। মাদক নির্ভরশীলরা চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে সুস্থ থাকার জন্য বেশ কঠোর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় যা তাদের জন্য পুন:আসক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করতে পারে। যার জন্য মিশন চিকিৎসা কেন্দ্রের সেবা গ্রহণের পাশাপাশি চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী মনে করে। চিকিৎসা পরবর্তী সেবা হিসেবে রোগীরা এন এ মিটিং, কাউন্সিলিং এবং মিশনের সেন্টার সমূহ আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারে। এছাড়া মনে রাখতে হবে –

পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া
ক্নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন যাপন করা জরুরী

★রোগীর ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা :

আমরা(Sober Life De-addiction centre) মনে করে চিকিৎসা সেবার সাথে সম্পৃক্ত পেশাজীবীদের পেশাগত মান ও দক্ষতার সাথে সাথে রোগীর তথ্যাবলীর গোপনীয়তা বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোগীর ব্যক্তিগত, সামাজিক পরিচয়, অসুস্থতা, পারিবারিক বিষয় ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল বিষয়েরই গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। দেশের আইনের পরিপন্থী নয় রোগীর জীবনের এমন কোন ঘটনা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়গুলিও গোপনীয়তার অন্তর্ভূক্ত। তবে দেশের আইনের পরিপন্থী এমন কিছু বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চাহিদা অনুসারে আমরা রোগীর তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকিবে।

(মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
Sober Life De-addiction centre
Section -06
House -03,block - D,Road -12
Dhaka 1216(মুকুল ফৌজ মাঠ সংলগ্ন)
Ph- 01706260752
Dr. Didarul Alam
Addiction professional

  মাদক মানেই রাসায়নিক এই দ্রব্য মস্তিষ্কে প্রবেশ করে আসক্ত ব্যক্তির চিন্তা আর আচরণকে অস্বাভাবিক করে ফেলে। এ সময় তার পড়াল...
27/04/2022


মাদক মানেই রাসায়নিক এই দ্রব্য মস্তিষ্কে প্রবেশ করে আসক্ত ব্যক্তির চিন্তা আর আচরণকে অস্বাভাবিক করে ফেলে। এ সময় তার পড়ালেখার মান নষ্ট হয়, কর্মক্ষেত্রে কাজের মান নিচে নেমে যায়, সামাজিকভাবে সে নিজেকে গুটিয়ে রাখে আর পরিবারের মধ্যে এক অচেনা সদস্য হয়ে যায়। মা-বাবা বা কাছের মানুষেরা তার আচরণে অনেকখানিই আন্দাজ করতে পারেন, কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে চিকিৎসকের কাছে তো নেন-ই না, এমনকি স্বজনদের কাছ থেকেও তাকে লুকিয়ে রেখে মাদকাসক্তির বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষও এ ধরনের ছাত্রকে পারলে বহিষ্কার করে দেয়। আর চাকরিজীবী হলে তাঁর চাকরিটা চলে যায় অথবা সবচেয়ে গুরুত্বহীন জায়গায় তাঁকে বদলি করা হয়। বিবাহিত হলে অনেক সময় সম্পর্কচ্ছেদ হয়ে যায়।

মাদকের জন্য অর্থের জোগান যখন স্বাভাবিক পথে না আসে তখন চুরি, ছিনতাই ইত্যাদিসহ ছোট-বড় নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে সে। মাদকের কারণে শরীরের নানা অঙ্গ (লিভার, কিডনি, হার্ট) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মাদকজনিত মানসিক সমস্যা তৈরি হয়, এমনকি হেপাটাইটিস বি, সি ও এইচআইভি সংক্রমণেরও শিকার হতে পারে সে। চুরি-ছিনতাই যারা করতে পারে না, তারা অর্থের জোগান পেতে নিজেই জড়িয়ে পড়ে মাদক কেনাবেচার ব্যবসায়। ফলে সে অপরাধের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ে।

(মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
Dr. Md. Didarul Alam
Addiction professional

Chamber: Sober Life,De-addiction centre
Mirpur 6
Ph- 01706260752)

It's 18year substance(drugs)free life of dear Rony vhai & 7 years substance(drugs)free life of my dear friend Mamun.... ...
28/03/2022

It's 18year substance(drugs)free life of dear Rony vhai & 7 years substance(drugs)free life of my dear friend Mamun.... together we can.... Congratulations,share facts-save life.....
(California Programme)
Again big congratulations from
Dr. Didarul Alam
(Addiction professional)

মাদকাসক্তির লক্ষণ সমূহঃ১. হটাৎ নতুন বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চলাফেরা আরম্ভ করা ২.বিভিন্ন অজুহাতে ঘনঘন টাকা চাওয়া।৩.ক্রমান্বয়...
20/03/2022

মাদকাসক্তির লক্ষণ সমূহঃ

১. হটাৎ নতুন বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চলাফেরা আরম্ভ করা

২.বিভিন্ন অজুহাতে ঘনঘন টাকা চাওয়া।

৩.ক্রমান্বয়ে বিলম্ব করে বাড়িতে ফেরত আসা

৪.দিনে ঘুম ও রাত জেগে থাকার প্রবনতা।

৫.ঘুম থেকে জাগার পরে অস্বাভাবিক আচরণ করা।

৬.খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দেয়া এবং ওজন কমতে থাকা।

৭.অতিরিক্ত মাত্রায় মিষ্টি খেতে আরম্ভ করা,ঘনঘন চা সিগারেট পান করা।

৮.বিভিন্ন বাহানায় দীর্ঘ সময় টয়লেটে কাটানো

৯.অকারণে বিরক্ত হতে আরম্ভ করা এবং মন-মানসিকতায় আকষ্মিক মারাত্মক পরিবর্তন দেখা দেয়।

১০.ঘরে সিগারেটের তামাক আলগা পড়ে থাকতে দেখা অথবা প্লাস্টিকের ছোট বোতল,পোড়ানো ফয়েল পেপার,ইঞ্জেকশন এর খালি শিশি,পোড়ানো দিয়াশলাই এবং মাথা ভাঙা লাইটার পাওয়া।

১১. লেখাপড়া,খেলাধুলাসহ স্বাভাবিক কর্যক্রমে আগ্রহ হীনতা,প্রচুর ঘাম হওয়া,অস্থিরতা ও অস্বস্তি বোধ করা।

১২.কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ঘনঘন ডায়রিয়াতে ভোগা,যৌন ক্রিয়ার অনিহা ও যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া

১৩.মিথ্যা কথা বলার প্রবনণতা,পরিবারের সদস্যদের সাথে গরমিল।

মাদক পিতার দীর্ঘশ্বাস এবং মায়ের চোখের জল।
সজাগ এবং সতর্ক থাকলে আপনি আপনার সন্তানকে মাদকাসক্তি থেকে রক্ষা করে তার জীবন বাচাতে পারেন।
মনে রাখবেন মাদকাসক্তি একটা মানসিক রোগ।

সঠিক চিকিৎসা এবং সহযোগিতাই পারে একজন মাদকাসক্ত ভাই -বন্ধু -সন্তানকে রক্ষা করতে।

মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় আমরা আছি আপনার পাশে সবসময়।

Dr. Md. Didarul Alam
(Addiction professional)

MBBS( Sher-E-Bangla medical College)

International certified course on Addiction professional(ICAP) from Drugs & Narcotics control dept. Bangladesh.

Ph- 01706260752

Chamber -" Sober Life" De-addiction centre
Mirpur -6,Dhaka.

 মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?কারণ দীর্ঘমেয়াদি মাদকের প্রভাবে ক্ষতির পাহাড় গেড়ে বসে ব্যক্ত...
05/02/2022


মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?

কারণ দীর্ঘমেয়াদি মাদকের প্রভাবে ক্ষতির পাহাড় গেড়ে বসে ব্যক্তির দেহ-মনে, সার্বিক জীবনে, সামাজিকতায়, মূল্যবোধে। মাদকে একবার জড়িয়ে গেলে রেহাই পাওয়া কঠিন। এখন আমরা দেখব কী কী ক্ষতি হয়, ক্ষতির কারণে কীভাবে মাদকাসক্তজনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও কর্মজীবন ব্যাহত হয়, কীভাবে কর্মঘণ্টার অপচয় ঘটে, দেখব কীভাবে টিনএজ কিংবা তরুণদের শিক্ষাজীবন ছারখার হয়ে যায়। মনে রাখতে হবে, ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, ঘুমের ওষুধ, পেথেডিন ইত্যাদি ব্যবহারের ক্ষতি রোগীর জীবনে বিরাট ধস নামিয়ে দেয়।এই ক্ষতির চারটি গ্রুপ করা যায় :

দৈহিক ক্ষতি

• চোখ : চোখের মণি সংকুচিত হয়ে যেতে পারে, দেখার ক্ষমতা লোপ পেতে পারে।

• ফুসফুস : শ্বাসযন্ত্রে নানা রোগের আক্রমণ ঘটতে পারে। যেমন-ফুসফুসে ক্যান্সার, যক্ষা, ব্রংকাইটিস ইত্যাদি রোগ হতে পারে। ক্ষীণ হয়ে যেতে পারে শ্বাসপ্রশ্বাস। ফুসফুসে পানিও জমতে পারে।

• হার্ট : বুকের ঢিবঢিব বা হৃৎস্পন্দন মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে বা কমে যেতে পারে। হৃৎপিন্ডের কাজ করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। হার্ট বড় হয়ে যেতে পারে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টও হতে পারে।

• রক্তকণিকা : রক্তকণিকার সমস্যার কারণে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় ধস নামতে পারে। যে-কোনো সহজ কারণে ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

• লিভার : লিভারের সমস্যা যেমন-জন্ডিস, হেপাটাইটিস ‘বি’, সিরোসিস এমনকি ক্যান্সার হয়ে যেতে পারে।

• পরিপাকতন্ত্র : পরিপাকতন্ত্রের সমস্যার মধ্যে খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া, হজমে সমস্যা, এসিডিটি, আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্য এমনকি আমাশয়ভাব থাকতে পারে।

• প্রজননতন্ত্র এবং যৌনক্ষমতা : প্রাথমিকভাবে যৌন ইচ্ছে একটু বাড়তে পারে, কিন্তু পারফরমেন্স বা দক্ষতা বাড়ে না, পরবর্তী সময়ে ইচ্ছেও লোপ পেতে থাকে। বীর্যে কমে যেতে পারে শুক্রকীটের পরিমাণ, তৈরি হতে পারে বিকলাঙ্গ শুক্রকীট। ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যেতে পরে, কিংবা বিকলাঙ্গ, প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ ছাড়াও যৌন রোগ যেমন- সিফিলিস, মারাত্মক এইডসের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

• ত্বক : অপরিচ্ছন্নতার কারণে খোস-পাঁচড়া, চুলকানি, বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ হতে পারে। সুই ব্যবহারকারীদের ত্বকে ঘা, ফোঁড়া বা রক্তবাহী নালীতে প্রদাহ কিংবা ইনফেকশন হতে পারে।

মনের ক্ষতি
মাদকের প্রভাবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের ক্ষমতা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানসিক প্রক্রিয়া যেমন : প্রত্যক্ষণ, আবেগ, চিন্তা, প্রেষণা, স্মরণশক্তি ইত্যাদি। আচরণে ফুটে ওঠে অস্বাভাবিকতা। ছাত্রছাত্রীরা অমনোযোগী হয়ে যেতে পারে, অমনোযোগিতার কারণে স্মৃতির ভিতও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মেজাজ চড়া থাকতে পারে, অস্থিরতায় ডুবে গিয়ে পড়াশোনা ও কর্মদক্ষতা হারিয়ে ফেলতে পারে। উদ্যমের অভাবে তারা অলসতায় কাবু হয়ে যেতে পারে। মনের প্রধান একটি স্তম্ভ আবেগ নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে উগ্র মেজাজের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ডিপ্রেশন কিংবা ম্যানিয়ার মতো মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার হতে পারে।

প্রত্যক্ষণ ও চিন্তায় জট তৈরি হওয়ার কারণে সিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক রোগও দেখা দিতে পারে।
আসক্তদের আত্মহত্যার প্রবণতাও বেড়ে যায়, এমনকি ব্যক্তিত্বেরও বিপর্যয় ঘটে। তারা হিংস্র হয়ে যায়, পাষন্ড, নির্মম-নিষ্ঠুর হয়ে খুন করতে পারে আপন সন্তান ও স্ত্রীকে। এমনকি মা-বাবাকেও। পারিবারিক সহিংসতার একটা বড় কারণ মাদক। তারা সন্দেহপ্রবণ হয়ে যেতে পারে। সন্দেহের কারণে খুনোখুনি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। সামাজিক ক্ষতি বিপর্যয় নেমে আসে নেশাখোরদের সামাজিক জীবনে। পারিবারিক শান্তি হারিয়ে যায়। মায়া-মমতা-ভালোবাসা পুড়ে যাওয়ার কারণে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, ছোটদের প্রতি আদর, কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বিবাহিত জীবনের মূল অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

তবে এদের বাইরের ঝকমারি খোলস অনেক সময় বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে মোহগ্রস্ত করে। পুড়ে ছারখার করে দেয় প্রেমিক-প্রেমিকার জীবন। নেশাসক্তদের কারণে সামাজিক নিরাপত্তার বিপর্যয় ঘটে। এই নিরাপত্তাহীনতা সাধারণ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি বড় কারণ। আসক্তির কারণে রোগী বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, দাওয়াতে যায় না কিংবা ঘরে মেহমান এলে তার কোনো ভাবান্তর ঘটে না। সবাইকে এড়িয়ে চলে। তবে আসক্তদের সাহচর্যে ভালো থাকে সে। তাদের মাঝেই সময় কাটাতে উদগ্রীব থাকে। নতুন বন্ধুসার্কেল গড়ে তোলে। নেশাখোররা সহজে ঢুকে যায় অপরাধ জগতে। মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ে, ক্রমে নিরপরাধ যুবসমাজকে বাগে এনে এরা দলে ভেড়ায়।

আত্মিক ক্ষতি
মাদকাসক্তের নৈতিক মূল্যবোধ সমূলে উৎপাটিত হয়ে যায়, একাকার হয়ে যায় ন্যায়-অন্যায় বোধ। অনবরত মিথ্যা বলে, অন্যায় আচরণের জন্যে অনুশোচনায় ভোগে না। তাদের মনে তীব্র হতাশা কাজ করে। ধর্মে বিশ্বাস থাকলেও হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারে না বলেই মাদকাসক্ত ব্যক্তির অন্তরে বিরাট শূন্যতা বিরাজ করে। আধ্যাত্মিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যায় তারা। মাদকাসক্তি শুরুর আগের মানুষ এবং পরের মানুষের মধ্যে আমূল পরিবর্তন ঘটে যায়, যেন নিজের মধ্যে জেগে ওঠে অন্য ধরনের এক দানব। সহজ করে বলা যায় মাদকাসক্তের মস্তিষ্ক এক রাসায়নিক বোমায় পরিণত হয়। মানববোমা হয়ে তারা পরিবারে সমাজে ঘুরে বেড়ায়। এই বোমা বহনকারী দানব-মানুষ পারে না হেন অপরাধ নেই জগতে। এ কারণে মাদকাসক্তি চিকিৎসায় আত্মিক উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলার ব্যবস্থা নেয়া হয় বিশ্বব্যাপী।

কর্মক্ষেত্রে বিপর্যয়
চাকরিতে মনোযোগ দিতে পারে না, ঠিকমতো অফিসে যায় না মাদকসেবী। নানা অনিয়মের কারণে সে চাকরিচ্যুত হয়, অধিকাংশের কর্মজীবনই পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায়। চাকরিও পায় না, তাদের টানও থাকে না কর্মজীবনের প্রতি।

মাদকাসক্তি রোগ অথবা মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় উন্নত বিশ্বের Drug abuse advisory program এর আদলে আমরা "Sober Life" D-addiction centre আছি মাদকের নিকট অসহায় হয়ে যাওয়া মানুষটি এবং তার অসহায় পরিবারের পাশে সবসময়।

(মাদক পিতার দীর্ঘশ্বাস,মায়ের চোখের জল)

For query
Dr. Md.Didarul Alam
01706260752
01703249688
Sober Life D-addiction & counselling centre
Mirpur -6,Dhaka.

30/11/2021

ভালোবাসার নামে শুধু প্রহসন!

মাদকাসক্তি রোগ : বংশগত সমস্যা নাকি পরিবেশের প্রভাব মাদকাসক্তি রোগ বা মাদক ব্যবহার রোগ একটি দীর্ঘমেয়াদি ও পুনঃপতনশীল মস্ত...
15/11/2021

মাদকাসক্তি রোগ : বংশগত সমস্যা নাকি পরিবেশের প্রভাব

মাদকাসক্তি রোগ বা মাদক ব্যবহার রোগ একটি দীর্ঘমেয়াদি ও পুনঃপতনশীল মস্তিষ্কের রোগ যা মানসিক রোগ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত। কী কারণে রোগ হচ্ছে তার ভিত্তিতেই সাধারণত রোগের নামকরণ হয়। রোগের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা গেলে এবং সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার মাধ্যমে কিওর বা নিরাময় করা গেলে রোগের সে নামের শেষে যুক্ত হয় ‘ডিজিজ’।

উদাহরণ স্বরূপ, যক্ষার জীবানু হচ্ছে যক্ষায় সংক্রমণের এজেন্ট বা কারণ যা বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সুনিশ্চিত হওয়া যায়, সুনির্দিষ্ট ঔষধের মাধ্যমে ৬ মাস কিংবা ৯ মাস পরে পরীক্ষা করে বলে দেয়া যায় যে, এই ব্যক্তি এই মুহূর্তে যক্ষার জীবানু থেকে মুক্ত হয়েছেন বা যক্ষা থেকে নিরাময় লাভ করেছেন। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে মাদকাসক্তি বা মাদক ব্যবহার রোগের ক্ষেত্রে এসব কথা প্রযোজ্য নয়। জীবনে দু-একবার মাদক নিলে বা মাঝে মাঝে মাদক ব্যবহার সত্ত্বেও ব্যক্তির পারিবারিক, সামাজিক, পেশাগত, ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তির যোগ্যতা ও সম্ভাবনা অনুযায়ী ঠিকঠাক থাকলে শুধু প্রস্রাবে মাদকের উপস্থিতি দেখে তার মাদক ব্যবহারকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। আবার এর উল্টোটাও সত্য। অর্থাৎ ব্যক্তির পারিবারিক, সামাজিক, পেশাগত, ব্যক্তিগত জীবন তার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা অনুযায়ী ঠিকঠাক না থাকলে শুধু প্রস্রাবে মাদকের অনুপস্থিতি দেখে তার মাদক ব্যবহার রোগ নেই সেটিও বলা যায় না। ওপরের এসব যুক্তির সঙ্গে যক্ষা রোগটির বেশ কিছু অমিল থাকলেও মাদকাসক্তি রোগ যে যক্ষার মতোই একটি রোগ তার স্বপক্ষেও কিছু যুক্তি রয়েছে।

শরীরে যক্ষার জীবানু ঢুকে পড়লে শতকরা শতভাগেরই তো যক্ষা হয় না। ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন, পুষ্টি কেমন, কেমন বাড়িতে তিনি থাকেন, তিনি কী কাজ করেন এসব অনেক কিছু নির্ধারণ করে দেয় তার যক্ষা রোগ হবে কিনা। তেমনিভাবে যারা আজ জীবনে প্রথমবারের মতো একবার মাদক নিলেন তাদের শতকরা একশত ভাগ নিয়মিত, বাধ্যতামূলক মাদক ব্যবহারকারীতে পরিণত হবেন না। এদের মাঝে খুব বেশি হলে দশ থেকে পনেরো ভাগের কাছে মাদকটা এতোই ভালো লাগবে যে তারা ধাপে ধাপে (প্রথমে বছরে দু-একবার, পরের বছরে হয়ত মাসে একবার, পরের বছরে প্রতি সপ্তাহ থেকে প্রায় প্রতিদিন) নিয়মিত, বাধ্যতামূলক মাদক ব্যবহারকারীতে পরিণত হবেন।

তাই মাদক ব্যবহার রোগটি কেন হয়, কাদের হয় এ বিষয়গুলো সুনির্দিষ্ট নয়। যে কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে ডিজঅর্ডার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পরিবেশ, বংশগতি (জেনেটিক) এবং ব্যক্তিগত কারণে বহু মানুষ জীবনে একবার মাদক গ্রহণ করলেও তাদের মাঝে স্বল্প সংখ্যক মানুষ বাধ্যতামূলক নিয়িমিত মাদক ব্যবহারকারী হন। এটাকে বলা হয় ঝুঁকিপূর্ণতা বা ভালনারেবিলিটি। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণতা শতভাগ সুনিশ্চিত নয়।

এ সংখ্যায় আমরা মাদকাসক্তি রোগ এর সঙ্গে পরিবেশের সম্পর্ক নিয়ে কিছু আলোচনা করব। পরের সংখ্যায় বংশগতি বা জেনেটিকস সম্বন্ধে আরো কিছু তথ্য আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করার ইচ্ছা রাখি।

মাদক ব্যবহার রোগ এবং বংশগতি
রহিম-করিম এই দুই ব্যক্তির ডিএনএ পর্যায়ক্রম ৯৯.৯% হুবহু একই, পার্থক্যটা মাত্র শুধু ০.১% এর। তবে সংখ্যা হিসেবে এই ০.১% এর মাঝে আছে আমাদের সবরকম স্বকীয়তার পান্ডুলিপি। বংশগতির ধরন অর্থাৎ যে জিন নিয়ে মানুষ জন্মায় তা তার রোগ হওয়ার সম্ভানাকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে।

আমরা কেমন দেখতে হব, চোখের রঙ, চুলের রঙ, নাক ইত্যাদি প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করলেও রোগাক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আসক্তি ইত্যাদির ক্ষেত্রে এ সম্ভাবনা শতভাগ নয়। মানুষের ক্ষেত্রে মাদকভেদে (অ্যালকোহল বা মদ, তামাক, হেরোইন, কোকেন, অ্যাম্ফিটামিন) আসক্ত হওয়ার প্রবণতা মোটা দাগে ৪০% থেকে ৬০% বংশগতির প্রকৃতি বলে দেখানো হয়েছে। মাদক ব্যবহার রোগ এবং পরিবেশ যে পরিবারে আমরা জন্ম নিই, বসবাস করি তার আশপাশ পাড়া-প্রতিবেশী, শহর, স্কুল কলেজ সবকিছু নিয়ে বৃহত্তর পরিবার।

আমাদের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখি, যে পাড়ায় দেদারছে মাদক বিক্রি হচ্ছে সেই পাড়ার সবাই কিন্তু মাদকদ্রব্য গ্রহণ করছেন না। নিজেদের জীবনের দিকে ফিরে তাকালে দেখব আমাদের স্কুলের বন্ধুদের একটি বৃহত্তর অংশ জীবনে একবার মাদক গ্রহণ করলেও তাদের ক্ষুদ্রতম অংশ জীবনব্যাপী বাধ্যতামূলকভাবে মাদক ব্যবহার করছে। কল্পনা করা যাক আমাদের মহল্লায়, ১০ জনের একটি নামহীন দল আছে, যাদের সবার গড় বয়স ১২ এর নিচে। তারা একসঙ্গে ঘোরাফেরা করে, খেলে, দুষ্টুমি করে। প্রাকৃতিকভাবেই তাদের মাঝে একজন দলনেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

ধরা যাক, এ দলনেতা একদিন বলল, ‘চল আজ কিছু নতুন ধরনের মজা করি। সবাই মিলে সিগারেট খাই’। দলনেতা হতে হলে স্বাভাবিকভাবে একটু বেশি চৌকস হতে হয়। সে সহজেই অন্যদের প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়। ফলে দলের কোনো সদস্য সিগারেট খাওয়ার প্রস্তাবের সঙ্গে পুরোপুরি একমত না হলেও দলছুট হওয়ার ভয়ে না বলতে পারে না। এর পাশাপাশি কিশোর বয়সের স্বভাবজাত কৌত‚হলও প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। দেখি না কেমন? ফলাফল হচ্ছে-জীবনের প্রথম সিগারেট খাওয়া। এর মানে হচ্ছে, এই কিশোর বা কিশোরী জীবনে একবারের জন্য তামাক নামক মাদকটি নিয়ে ফেলেছে।

এখন প্রশ্ন আসে-এই যে জীবনে একবার বা প্রথমবার নেয়াটা কি মাঝে মাঝে মাঝে ব্যবহার কিংবা নিয়মিত বাধ্যতামূলক ব্যবহারে পরিবর্তিত হবে নাকি এখানেই থেমে যাবে? এরপর নিয়মিত প্রতিদিন সিগারেট খাবে কি খাবে না তা শুধু তার না বলতে পারা না পারার ওপর নির্ভর করে না। তার আশপাশের কাছের জন তামাক নেয়াটা কীভাবে দেখে তার ওপরও অনেকখানি নির্ভর করে। যেমন : তার প্রিয় চরিত্র, গায়ক, নায়ক, শিল্পী, পাড়ার সব থেকে চৌকস ছেলেটি যদি সিগারেটের ব্যাপারে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে তাহলে তার আবার সিগারেট গ্রহণ করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে অনেকখানি।

বিশেষত সে যদি দেখে রাগ করলে, মন খারাপ হলে, কাজের মনোযোগ বাড়াতে, ভালো কবিতা লিখে কবি কবি ভাব ফোটাতে, মেয়েদের কিংবা ছেলেদের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে সিগারেট ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে তাহলে একজন কিশোরের পক্ষে সিগারেট বাদ দেয়ার বা এড়িয়ে যাওয়ার কীই বা কারণ থাকতে পারে! বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাড়ির সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষটি হচ্ছেন বাবা। তাঁর যদি ধূমপান, মদ্যপান বা অন্যকোনো মাদকদ্রব্য গ্রহণের অভ্যাস অথবা মাদকের প্রতি নির্ভরশীলতা থাকে তবে সন্তান ঘরেই একজন নেতিবাচক রোল মডেল পেয়ে যায়।

স্বভাবতই কিশোর বয়সে সবাই ক্ষমতাবান হতে চায়। যার সব থেকে সহজ শর্টকাট বুদ্ধি হচ্ছে বাবা যা করেন তাই প্রায় হুবুহু অনুসরণ করা। তাহলে দেখা যাচ্ছে, জীবনের প্রথম সিগারেট গ্রহণের কারণ হতে পারে বিভিন্ন কৌতূহল, বন্ধু-বান্ধবদের চাপ, নিজের আশপাশের প্রভাবশালী চরিত্রদের সিগারেট বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, মানসিক চাপ সামলানো ও কাজের মনোযোগ বাড়ানোর ধারণা, বিপরীত লিঙ্গের মনযোগ আকর্ষণের হাতিয়ার মনে করা ইত্যাদি।

এর পাশাপাশি যদি তার বংশে মাদক গ্রহণের ইতিহাস থাকে, পরিবারে চলমান মাদক ব্যবহারকারী থাকেন এবং তার মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতায় ঘাটতি থাকে, ইতিবাচকভাবে (খেলা, গান ইত্যাদি) আনন্দ আহরণের ক্ষেত্রে অদক্ষতা থাকে তবে সে ধীরে ধীরে নিয়মিত সিগারেট সেবনকারীতে পরিণত হবে। ওপরের বাক্যগুলোতে সিগারেট বা ধূমপান শব্দটির বদলে অ্যালকোহল বা মদ, হেরোইন, কোকেন, অ্যাম্ফিটামিন, গাঁজা বসিয়ে নিলেও খেয়াল করে দেখবেন মোটেই বেখাপ্পা মনে হচ্ছে না। আসলে মাদকভেদে শরীরের সঙ্গে রাসায়নিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার কিছু সূক্ষ ফারাক থাকলেও পরিবেশের সঙ্গে মাদকের সম্পর্কের সামগ্রিক কাঠামোটা একই যা পক্ষান্তরে ‘মাদক ব্যবহার রোগ’ যে একটি ‘মানসিক রোগ’; কোনো একক ব্যক্তির শুধুই ব্যক্তিগত নৈতিক ত্রুটি নয়-সেটিই নির্দেশ করে।

শেয়ার করুন, সাথে থাকুন। সুস্থ থাকুন মনে প্রাণে।

কিছু তথ্য সংগ্রহঃ psychology today.

For substance related disorder and psychotic disorder due to SRD

Dr. Didarul Alam
Sober Life (D- addiction & Mental hospital)
Mirpur -6
Ph- 01799983015

আমরা বিশ্বাস বলতে যা বুঝি এবং মনস্তত্ত্ব অনুসারে বিশ্বাস বলতে যা বোঝায় এই দুটির মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। তবে মন...
14/11/2021

আমরা বিশ্বাস বলতে যা বুঝি এবং মনস্তত্ত্ব অনুসারে বিশ্বাস বলতে যা বোঝায় এই দুটির মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। তবে মনস্তত্ত্বে বিশ্বাসের যে সংজ্ঞা সেটি আমাদের আরও বেশী প্রভাবিত করে।

জ্ঞান এবং বিশ্বাস দুটিকে প্রায় একই মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এরা দুটি ভিন্ন বিষয়। যেমন- আমরা কোন স্থানের মানুষ কেমন, সেখানকার পরিবেশ কেমন ইত্যাদি জানলে বলতে পারি যে উক্ত স্থান ভালো নাকি খারাপ।

অর্থাৎ পর্যাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা বলি উক্ত স্থান ভালো কিংবা খারপ। এটি আমাদের জ্ঞান। আর বিশ্বাস হল এমন একটি ধারণা যেটি শতভাগ প্রমাণ নির্ভর নয়। বিশ্বাস আবেগ প্রসূত ধারণা, যা আমাদের কোন ব্যক্তি বা বিষয়ের প্রতি ইতিবাচক বা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।

যে কোন মানুষের বিশ্বাসের নেপথ্যে কিছুটা হলেও তার অতীত অভিজ্ঞতার প্রভাব থাকে। যেমন- কোথাও যাবার সময় আপনি দেখলেন কোন একটি রাস্তায় অনেক বেশী যানজট লেগে আছে। পরবর্তীতে সেখানে আবার যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি আপনার মনে থাকবে এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আপনি হাতে সময় রেখে বের হবেন এই বিশ্বাস নিয়ে যে, ঐ রাস্তায় অনেক যানজট।

এছাড়াও বিশ্বাস গড়ে ওঠার পেছনে আমাদের আবেগ একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে। আমরা আমাদের কাছের মানুষদের বিশ্বাস, চিন্তা ভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হয়েও অনেক সময় অনেক কিছু নিজেরা আত্মস্থ করে ফেলি এবং সেই মানসিকতা ও আবেগ থেকে আমাদের বিশ্বাস গড়ে ওঠে।


বিশ্বাস আমাদের চিন্তা ভাবনা ও আচার আচরণকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের অনুপ্রেরণা বা হতাশা সৃষ্টির পেছনেও বদ্ধমূল বিশ্বাসের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এই প্রভাব অনেক সময় ইতিবাচক আবার অনেক সময় নেতিবাচক হয়।


যেহেতু বিশ্বাস গড়ে ওঠার পেছনে অভিজ্ঞতার বা জ্ঞানের থেকে আবেগের ভূমিকা বেশী থাকে, তাই এই বিশ্বাস বিভিন্ন ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। যেমন- রাজনীতিবিদগণ তাদের বিভিন্ন প্রেরণাদায়ী কথার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশ্বাস তৈরি করেন।

আবার যখন কারও বদ্ধমূল বিশ্বাস তার বিভিন্ন মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে ওঠে, তখন তার মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক ও সুস্থ করার লক্ষ্যে মনস্তত্ত্বিকগণ কাউনসেলিং এর মাধ্যমে ব্যক্তির বিশ্বাস ও চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন করেন।

অর্থাৎ আমরা যা অনুভব করি সেটি হয়তো আমাদের চিন্তা ভাবনার থেকে বেশী মাত্রায় আমাদের বিশ্বাসকে প্রভাবিত করে। আমরা সেটিকেই বিশ্বাস করি যখন আমরা কোন কিছুর সাথে আবেগ দ্বারা যুক্ত হই। অনেক সময় কোন কিছুর প্রতি অতি আবেগ আমাদের অতি বিশ্বাস বা অন্ধ বিশ্বাসের জন্ম দেয়, যা আমাদের ও একইসাথে অন্যদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


আমাদের জীবনে বিশ্বাসের গুরুত্ব ও প্রভাব অনেক বেশী। এটি যেমন আমাদের জীবনকে ইতিবাচক ভাবে বদলে দিতে পারে, আবার তেমনি নেতিবাচক ভাবেও বদলে দিতে পারে। আমরা আমাদের বিশ্বাসের উপর ভর করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। তাই এটা অবশ্যই লক্ষণীয় যে, আমাদের বিশ্বাস আমাদের জীবনকে সঠিকভাবে পরিচালিত করছে নাকি ক্ষতির কারণ হয়ে উঠছে।

আমাদের বিশ্বাস হওয়া উচিৎ আমাদের জীবনকে ইতিবাচক ভাবে বদলে দেবার চাবিকাঠি। যেমন- অনিশ্চিত ভবিষ্যতে কোন কাজে নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দেবার সময় আমাদের মনের মাঝে এই বিশ্বাস থাকা উচিৎ যে আমরা পারবো।

যে কোন বিপদে আমাদের বিশ্বাস থাকা উচিৎ যে আমরা এই বিপদ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বের করতে পারবো। আমাদের বিশ্বাস থাকা উচিৎ আমরাই সৌভাগ্যশালী এবং আমরাই সফল হব। এমন বিশ্বাস আমাদের সফলতার মহী সোপানে পৌঁছে দেবে।


তাই বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর। বিশ্বাস রাখুন ইতিবাচক পরিবর্তনে। আপনার বিশ্বাস হয়ে উঠুক আপনার জীবনকে সফলতায় পরিপূর্ণ করার হাতিয়ার।

Drug/substance/মাদকের নিকট অসহায় অসুস্থ ব্যাক্তিদের আলোকিত জীবন দান করতে উন্নত বিশ্বের Drug abuse advisory program এর আদ...
30/10/2021

Drug/substance/মাদকের নিকট অসহায় অসুস্থ ব্যাক্তিদের আলোকিত জীবন দান করতে উন্নত বিশ্বের Drug abuse advisory program এর আদলে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে আমাদের "Sober Life "

পরিবারের একজন সদস্য যদি মাদকাসক্ত অথবা মানসিক রুগী হয়ে যান তবে সেই যন্ত্রণা টা পরিবারের সদস্যরাই অনুভব করতে পারে কতো কষ্টের সেই অনুভূতি ।

প্রতিটা জীবনের গল্প কতটা অসহায়ত্বের সেটা আমরা জানি এবং অনুভব করতে পারি বলেই গতানুগতিক ব্যাবসায়ীক মনোভাব ত্যাগ করে সেবা দানের প্রতি বেশি মনোযোগ আমাদের।

for more query
Dr. Didarul Alam
01706260752
Sober life
Drug addiction treatment & counselling centre
Mirpur -6

narcotics anonymous, NA programme  sprang from the Alcoholics Anonymous Program of the mid-1930s, and was founded by Jim...
30/10/2021

narcotics anonymous, NA programme sprang from the Alcoholics Anonymous Program of the mid-1930s, and was founded by Jimmy Kinnon. Meetings first emerged in the Los Angeles area of California, United States, in the early 1950s. The NA program, officially founded in 1953, started as a small U.S. movement that has grown into the world's largest 12 step recovery program for drug addiction.

Narcotics Anonymous (NA), founded in 1953, describes itself as a "nonprofit fellowship or society of men and women for whom drugs had become a major problem." Narcotics Anonymous uses a 12-step model developed for people with varied substance use disorders and is the second-largest 12-step organization.

12 step in Bengali -

নারকটিস এনোনিমাসের দ্বাদশ ধাপ

১। আমরা স্বীকার করি যে, মাদকাসক্তির ব্যাপারে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছিলাম এবং নিজেদের জীবন পরিচালনায় অক্ষম ছিলাম।

২। আমরা এই বিশ্বাসে উপণিত হয়েছি যে, আমাদের চেয়ে মহান কোন শক্তি আমাদের মানসিক স্থিরতা, শান্তি ও সুস্থ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

৩। আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমার জীবন এবং ইচ্ছা সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পুর্ণরূপে সমর্পন করব (যেমন ভাবে তাকে আমরা বুঝেছি)।

৪। আমাদের চরিত্রের ভাল মন্দ নির্ভয়ে অনুসন্ধান করব।

৫। সৃষ্টিকর্তার কাছে, নিজেদের এবং অন্য কোন ব্যক্তির কাছে আমরা নিজেদের চারিত্রিক ত্রুটিগুলোর প্রকৃত স্বরুপ স্বীকার করি।

৬। সৃষ্টিকর্তা যে আমাদের সব চারিত্রিক ত্রুটি দুর করে দেবেন, তার জন্য আমরা সম্পুর্ণরূপে প্রস্তুত।

৭। সৃষ্টিকর্তার কাছে বিনীতভাবে কামনা করি যেন তিনি আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দুর করে দেন।

৮। আমরা যেসব ব্যাক্তির ক্ষতি করেছি তার একটি তালিকা তৈরী করব এবং স্ব-ইচ্ছায় সেগুলো সংশোধন করব।

৯। ক্ষতিপূরন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যদি আরও অপকার হয়, তাহলে তাদেরকে ব্যাতিত, যেখানে সম্ভব সেখানে ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের সবাসরি ক্ষতিপূরণ করব।

১০। ক্রমাগত আমাদের নিজেদের চারিত্রিক দোষত্রুটির তালিকা তৈরী করব এবং যখন আমাদের ভুলত্রুটি দেখব তৎক্ষনাৎ আমরা তা স্বীকার করব।

১১। প্রার্থনা ও ধ্যান দ্বারা সৃষ্টিকর্তার (যেমন ভাবে তাকে আমরা বুঝেছি) সাথে সচেতন ভাবে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবো ।আমাদের জন্য তাঁর ইচ্ছাকে জানার এবং সেই ইচ্ছাকে বাস্তবায়নের শক্তি লাভের জন্যে প্রার্থনা করবো।

১২। এই সব ধাপ পালনের মাধ্যমে আত্মিক জাগরণের পর আমরা এই বাণী অন্যের কাছে নিয়ে যাব এবং আমাদের জীবনের সব ক্ষেত্রেই এই নীতিগুলো প্রয়োগ করব।

Address

Mirpur
1216

Telephone

+8801706260752

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Didarul Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Didarul Alam:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram