Homeo Care

Homeo Care ""হোমিও কেয়ার ""
ডাঃ মোঃ মাহমুদুল হাসান।

23/09/2025
04/05/2025

পুরুষের লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে গেলে , আগা মোটা গোড়া চিকন,বেকা ও লিঙ্গের শিরা এক্টিভ, সহবাসের সময় বৃদ্ধি করার জন্য এই জেনিটাল মালিশ চমৎকার ফলপ্রসূ

03/05/2025

17/08/2023

The old video of my laptop lying suddenly came forward, i thought that this is the history that Allama Delwar Hossain Sayedee has Made. But do not Want to accept it. The people of the coincidence Are the people of the world, Allah, all guidance

07/08/2023

The drug is prepared from "G***a"

Homeopathic medicine
"- Cannabis Indica -"

15/07/2023

ডেঙ্গু জ্বর (Dengue fever) ও তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-
____________
গ্রীষ্ম-প্রধান দেশে ডেঙ্গু এবং ডেঙ্গু জ্বর একটি অত্যন্ত সাধারণ ভেক্টর-বাহিত ভাইরাসঘটিত রোগ। আমাদের দেশে প্রধানত প্রাক-গ্রীষ্ম এবং বর্ষা সময় এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। ডেঙ্গু সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি থাকে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত । এপ্রিল মাসে এই হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। জুন-জুলাই মাস থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাধারণত হ্রাস পেতে দেখা যায়।

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ ডেঙ্গু সংক্রমণ ঘটে। সময় এবং অঞ্চল-বিশেষে এই রোগ মহামারির আকারও ধারণ করে। বিনা চিকিৎসায়, ভুল চিকিৎসায়, এবং দেরিতে চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের কোন বিশেষ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। সঠিক চিকিৎসায় বাড়িতে থেকেই এই রোগের নিরাময় করা সম্ভব। শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ক্ষেত্রেই রোগীকে হসপিটালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। সেই ক্ষেত্রেও ১/২ সপ্তাহের মধ্যে রোগী ভাল হয়ে যাওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা থাকে। এই রোগ সম্বন্ধে সবার সচেতনতা বৃদ্ধি ভীষণ জরুরী। সামান্য কিছু উপায় মেনে চললে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে আমরা নিজেদের রক্ষা করেতে পারি। এই রোগ লোকালয়ে ছড়িয়ে পরার হাত থেকে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।

∆ ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ:-
_________________
ডেঙ্গু (DENGUE) জ্বর হল একটি মশা-বাহিত ভাইরাস-ঘটিত রোগ। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে প্রথমবার ডেঙ্গু-তে আক্রান্ত রোগীর বিশেষ কোন উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা যায় না। শুধু অল্প কিছু ক্ষেত্রেই রোগের প্রভাব গভীর হয়। ডেঙ্গুর সাধারণ উপসর্গ গুলি হোল -

✓উচ্চ জ্বর (40°C/104°F)
✓তীব্র মাথার যন্ত্রণা
✓চোখের পিছনে ব্যথার অনুভূতি
✓মাংসপেশি এবং অস্থি সন্ধি (bone) তে যন্ত্রণা
✓বমিভাব
✓মাথাঘোরা
✓গ্রন্থি ফুলে যাওয়া
✓ত্বকে বিভিন্ন স্থানে ফুসকুড়ি
এই উপসর্গ গুলি রোগ সংক্রমণের ৪ থেকে ১০ দিনের মধ্যে দেখা দেয়। সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত উপসর্গ স্থায়ী হতে পারে। দ্বিতীয় বার ডেঙ্গু তে আক্রান্ত হলে রোগের ভয়াভয়তা বৃদ্ধি পায়। সেই কারনে পূর্বে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্কতা মেনে চলতে বলা হয়।

∆ ডেঙ্গুর গুরুতর উপসর্গ গুলি হোল:-
_________________________________
✓প্রচণ্ড পেট ব্যথা
✓ক্রমাগত বমি হওয়া
✓মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত
✓প্রস্রাবে এবং মলের সাথে রক্তপাত
✓অনিয়ন্ত্রিত পায়খানা
✓ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ (যা ক্ষতের মতো দেখাতে পারে)
✓দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
✓ক্লান্তি
✓বিরক্তি এবং অস্থিরতা

ডেঙ্গুর জীবাণু মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে রক্তনালীতে ছিদ্র তৈরি হয়। রক্ত রবাহে ক্লট-তৈরির কোষগুলির প্ল্যাটলেট (platelet) সংখ্যা কমে যেতে থাকে। এর জন্য মানুষের শরীরে শক লাগা, শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তপাত, যে কোন অঙ্গের ক্ষতি এবং শেষ পর্যন্ত রোগীর মৃত্যু হতে পারে। রোগীর শরীরে গুরুতর উপসর্গ গুলির কোন একটি দেখা দিলে অতি অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত বা রোগী কে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো দরকার। অন্যথায় রোগীর প্রাণসংকট হতে পারে।

ডেঙ্গুতে প্লেটলেটের (Pletelet) সংখ্যা:-
__________________________________
স্বাভাবিক স্বাস্থ্য সম্পন্ন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক একজন মানুষের প্লেটলেট সংখ্যা হয় 150,000 থেকে 450,000 প্লেটলেট প্রতি microliter রক্তে। উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু-আক্রান্ত রোগীদের এই সংখ্যা 20,000 এর নিচে চলে যেতে পারে। এই সময় রক্তপাতের ঝুঁকি সর্বোচ্চ হয়। মাঝারি ঝুঁকি পূর্ণ রোগীদের প্লেটলেট সংখ্যা 21-40,000/cumm মধ্যে থাকে। অবশ্য ডেঙ্গু সংক্রমণে অনেক ক্ষেত্রেই প্লেটলেট সংখ্যার দ্রুত পরিবর্তন হয়। প্লেটলেট কাউন্ট কম এবং রক্তক্ষরণের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তবেই প্লেটলেট প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। অন্যথায় সংক্রমণ কমার সাথে সাথে আমাদের শরীরে স্বাভাবিক ভাবে প্লেটলেট কাউন্ট বৃদ্ধি পায়। এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ফোলেট এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহন।

∆ ডেঙ্গু(Dengue) জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-
_____________________________________________
অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে ডেঙ্গুর চিকিৎসার বিশেষ কোন ওষুধ বা প্রতিষেধক এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। গবেষকরা কাজ করে যাচ্ছেন। তবে, হোমিওপ্যাথি যেহেতু লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি তাই লক্ষন অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় খুব দ্রুত এবং নিরাপদভাবে আরোগ্য হওয়া সম্ভব।

∆ Homeopathic Medicines For Dengue Fever:-
_______________________________________________
✓Eupatorium Perfoliatum – One Of The Best Homeopathic Medicines For Dengue Fever
✓Bryonia Alba – To Manage Fever And Muscle / Joint Pains
✓Rhus Tox – To Relieve Pain (Muscle, Bone, Joint Pains)
✓Gelsemium – For Dengue Fever With Weakness And Prostration
✓Belladonna – To Manage Headache, Pain Behind Eyes And Fever With Marked Heat
✓Arsenic Album – To Manage Weakness And Fever
✓Ipecac – To Manage Nausea And Vomiting

(Homeopathic Medicines For Dengue Hemorrhagic Fever-Hamamelis and China.)

বি:দ্র:- অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়া উচিত।

∆ ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের জন্য খাবার:-
____________________________________
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের জন্য, কিছু পুষ্টি উপাদান বিশেষ ভাবে উপকারী হতে পারে, যেমন

✓ভিটামিন সি (সাইট্রাস ফল, বেরি এবং শাক-সবজিতে পাওয়া যায়),
✓জিঙ্ক (সামুদ্রিক খাবার, মটরশুটি এবং বাদামে পাওয়া যায়)
✓আয়রন (মাংস, মটরশুঁটিতে পাওয়া যায়)
ওটমিল (সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ)
✓পেঁপে
✓নারিকেলের জল
✓সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে জল পান করা দরকার শরীর কে হাইড্রেট করার জন্য।

সেবা নিন সুস্থ থাকুন।।
____________________
Dr. Md. Mahmudul hasan

D.H.M.S ( Dhaka)

Homeo consultant

Soyla bajar, (keshbpur road), monirampur, jessore .

Phone : 01762-938377

08/07/2023

ডেঙ্গু জ্বর (Dengue fever) ও তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-
____________
গ্রীষ্ম-প্রধান দেশে ডেঙ্গু এবং ডেঙ্গু জ্বর একটি অত্যন্ত সাধারণ ভেক্টর-বাহিত ভাইরাসঘটিত রোগ। আমাদের দেশে প্রধানত প্রাক-গ্রীষ্ম এবং বর্ষা সময় এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। ডেঙ্গু সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি থাকে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত । এপ্রিল মাসে এই হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। জুন-জুলাই মাস থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সাধারণত হ্রাস পেতে দেখা যায়।

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ ডেঙ্গু সংক্রমণ ঘটে। সময় এবং অঞ্চল-বিশেষে এই রোগ মহামারির আকারও ধারণ করে। বিনা চিকিৎসায়, ভুল চিকিৎসায়, এবং দেরিতে চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের কোন বিশেষ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। সঠিক চিকিৎসায় বাড়িতে থেকেই এই রোগের নিরাময় করা সম্ভব। শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ক্ষেত্রেই রোগীকে হসপিটালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। সেই ক্ষেত্রেও ১/২ সপ্তাহের মধ্যে রোগী ভাল হয়ে যাওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা থাকে। এই রোগ সম্বন্ধে সবার সচেতনতা বৃদ্ধি ভীষণ জরুরী। সামান্য কিছু উপায় মেনে চললে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে আমরা নিজেদের রক্ষা করেতে পারি। এই রোগ লোকালয়ে ছড়িয়ে পরার হাত থেকে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।

∆ ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ:-
_________________
ডেঙ্গু (DENGUE) জ্বর হল একটি মশা-বাহিত ভাইরাস-ঘটিত রোগ। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে প্রথমবার ডেঙ্গু-তে আক্রান্ত রোগীর বিশেষ কোন উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা যায় না। শুধু অল্প কিছু ক্ষেত্রেই রোগের প্রভাব গভীর হয়। ডেঙ্গুর সাধারণ উপসর্গ গুলি হোল -

✓উচ্চ জ্বর (40°C/104°F)
✓তীব্র মাথার যন্ত্রণা
✓চোখের পিছনে ব্যথার অনুভূতি
✓মাংসপেশি এবং অস্থি সন্ধি (bone) তে যন্ত্রণা
✓বমিভাব
✓মাথাঘোরা
✓গ্রন্থি ফুলে যাওয়া
✓ত্বকে বিভিন্ন স্থানে ফুসকুড়ি
এই উপসর্গ গুলি রোগ সংক্রমণের ৪ থেকে ১০ দিনের মধ্যে দেখা দেয়। সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত উপসর্গ স্থায়ী হতে পারে। দ্বিতীয় বার ডেঙ্গু তে আক্রান্ত হলে রোগের ভয়াভয়তা বৃদ্ধি পায়। সেই কারনে পূর্বে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্কতা মেনে চলতে বলা হয়।

∆ ডেঙ্গুর গুরুতর উপসর্গ গুলি হোল:-
_________________________________
✓প্রচণ্ড পেট ব্যথা
✓ক্রমাগত বমি হওয়া
✓মাড়ি বা নাক থেকে রক্তপাত
✓প্রস্রাবে এবং মলের সাথে রক্তপাত
✓অনিয়ন্ত্রিত পায়খানা
✓ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণ (যা ক্ষতের মতো দেখাতে পারে)
✓দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
✓ক্লান্তি
✓বিরক্তি এবং অস্থিরতা

ডেঙ্গুর জীবাণু মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে রক্তনালীতে ছিদ্র তৈরি হয়। রক্ত রবাহে ক্লট-তৈরির কোষগুলির প্ল্যাটলেট (platelet) সংখ্যা কমে যেতে থাকে। এর জন্য মানুষের শরীরে শক লাগা, শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তপাত, যে কোন অঙ্গের ক্ষতি এবং শেষ পর্যন্ত রোগীর মৃত্যু হতে পারে। রোগীর শরীরে গুরুতর উপসর্গ গুলির কোন একটি দেখা দিলে অতি অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত বা রোগী কে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করানো দরকার। অন্যথায় রোগীর প্রাণসংকট হতে পারে।

ডেঙ্গুতে প্লেটলেটের (Pletelet) সংখ্যা:-
__________________________________
স্বাভাবিক স্বাস্থ্য সম্পন্ন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক একজন মানুষের প্লেটলেট সংখ্যা হয় 150,000 থেকে 450,000 প্লেটলেট প্রতি microliter রক্তে। উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু-আক্রান্ত রোগীদের এই সংখ্যা 20,000 এর নিচে চলে যেতে পারে। এই সময় রক্তপাতের ঝুঁকি সর্বোচ্চ হয়। মাঝারি ঝুঁকি পূর্ণ রোগীদের প্লেটলেট সংখ্যা 21-40,000/cumm মধ্যে থাকে। অবশ্য ডেঙ্গু সংক্রমণে অনেক ক্ষেত্রেই প্লেটলেট সংখ্যার দ্রুত পরিবর্তন হয়। প্লেটলেট কাউন্ট কম এবং রক্তক্ষরণের লক্ষণ প্রকাশ পেলে তবেই প্লেটলেট প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। অন্যথায় সংক্রমণ কমার সাথে সাথে আমাদের শরীরে স্বাভাবিক ভাবে প্লেটলেট কাউন্ট বৃদ্ধি পায়। এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ফোলেট এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহন।

∆ ডেঙ্গু(Dengue) জ্বরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:-
_____________________________________________
অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে ডেঙ্গুর চিকিৎসার বিশেষ কোন ওষুধ বা প্রতিষেধক এখনো পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। গবেষকরা কাজ করে যাচ্ছেন। তবে, হোমিওপ্যাথি যেহেতু লক্ষন ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি তাই লক্ষন অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় খুব দ্রুত এবং নিরাপদভাবে আরোগ্য হওয়া সম্ভব।

∆ Homeopathic Medicines For Dengue Fever:-
_______________________________________________
✓Eupatorium Perfoliatum – One Of The Best Homeopathic Medicines For Dengue Fever
✓Bryonia Alba – To Manage Fever And Muscle / Joint Pains
✓Rhus Tox – To Relieve Pain (Muscle, Bone, Joint Pains)
✓Gelsemium – For Dengue Fever With Weakness And Prostration
✓Belladonna – To Manage Headache, Pain Behind Eyes And Fever With Marked Heat
✓Arsenic Album – To Manage Weakness And Fever
✓Ipecac – To Manage Nausea And Vomiting

(Homeopathic Medicines For Dengue Hemorrhagic Fever-Hamamelis and China.)

বি:দ্র:- অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়া উচিত।

∆ ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের জন্য খাবার:-
____________________________________
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের জন্য, কিছু পুষ্টি উপাদান বিশেষ ভাবে উপকারী হতে পারে, যেমন

✓ভিটামিন সি (সাইট্রাস ফল, বেরি এবং শাক-সবজিতে পাওয়া যায়),
✓জিঙ্ক (সামুদ্রিক খাবার, মটরশুটি এবং বাদামে পাওয়া যায়)
✓আয়রন (মাংস, মটরশুঁটিতে পাওয়া যায়)
ওটমিল (সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ)
✓পেঁপে
✓নারিকেলের জল
✓সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে জল পান করা দরকার শরীর কে হাইড্রেট করার জন্য।

সেবা নিন সুস্থ থাকুন।।
____________________
Dr. Md. Mahmudul hasan
D.H.M.S ( Dhaka)
Homeo consultant
Soyla bajar, (keshbpur road) monirampur, jessore
Phone : 01762-938377

11/09/2022
একজন মানুষ সুস্থ্য আছে বুঝতে হলে দেখতে হবে তার গ্রহন আর ত্যাগ ঠিক আছে কিনা । যদি দেখি এই দুইটা ঠিক আছে তো বুঝবো আমরা স্ব...
15/08/2022

একজন মানুষ সুস্থ্য আছে বুঝতে হলে দেখতে হবে তার গ্রহন আর ত্যাগ ঠিক আছে কিনা । যদি দেখি এই দুইটা ঠিক আছে তো বুঝবো আমরা স্বাভাবিক..

Address

Soyla Bajar (Keshbopur Road)
Monirampur
1780

Telephone

+8801762938377

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeo Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Homeo Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram