Dr. Akhter Uz Zaman Sajib

Dr. Akhter Uz Zaman Sajib নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষা, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রোগ বিষয়ে তথ্য এবং অনলাইনে চিকিৎসা নিতে পেজ ফলো করুন।

30/01/2026

"কাশি কম, কিন্তু শ্বাসে গড়গড় শব্দ! বাচ্চার এই সমস্যাটা কি ভয়ংকর?"

১ বছরের আশেপাশে অনেক বাচ্চার দেখা যায়—
কাশি কম, কিন্তু গলা গড়গড় করে, শ্বাস নিলে ভেজা শব্দ হয়।
ঘুমালে ভালো থাকে, জাগলে সমস্যা বোঝা যায়।

🔍 সম্ভাব্য কারণগুলো
• দীর্ঘদিনের নাকের কফ → Post-nasal drip
• Reactive airway / wheeze tendency
• গলা ও এয়ারওয়ের হালকা irritation
• কিছু ক্ষেত্রে silent reflux

❌ সাধারণত যেগুলো না
• নিউমোনিয়া
• টিবি
• বড় কোনো হার্ট বা ফুসফুসের রোগ

💡 কেন নেবুলাইজার দিলে ভালো থাকে?
কারণ এয়ারওয়ে সাময়িকভাবে খুলে যায়।
কিন্তু মূল কারণ ঠিক না হলে সমস্যা আবার ফিরে আসে।

👶 এই সমস্যায় সবচেয়ে জরুরি
• সঠিক diagnosis
• over-treatment এ না যাওয়া
• বাবা–মাকে আতঙ্কমুক্ত রাখা

📩 প্রয়োজনে অনলাইনে পরামর্শের জন্য ইনবক্স করুন।

#শিশুস্বাস্থ্য

#গলা_গড়গড়






ইউটিউব লিংক -
https://youtube.com/shorts/41iGvAHIvIE?si=Q_b1w8TNKh1qqrKz

"মা, পা টিপে দাও না! খুব ব্যথা করছে!" 😭🦵 বাচ্চার মুখে "পা ব্যথা" শুনলেই আমাদের অভিভাবকদের মাথায় প্রথম যে চিন্তাও আসে, তা...
30/01/2026

"মা, পা টিপে দাও না! খুব ব্যথা করছে!" 😭🦵
বাচ্চার মুখে "পা ব্যথা" শুনলেই আমাদের অভিভাবকদের মাথায় প্রথম যে চিন্তাও আসে, তা হলো "নিশ্চয়ই ক্যালসিয়ামের অভাব!"
চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, বাচ্চার পায়ের ব্যথার কারণ সবসময় ক্যালসিয়ামের অভাব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যার নাম "Growing Pains"।

বিখ্যাত শিশু হাসপাতাল Mayo Clinic এবং American Academy of Pediatrics (AAP)-এর গবেষণা মতে, ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী প্রায় ২৫-৪০% শিশুর এই সমস্যা হয়। একে তারা বলছেন "Benign Nocturnal Limb Pains"।
চলুন জেনে নিই, কেন এই ব্যথা হয় এবং কখন বুঝবেন এটি ক্যালসিয়ামের অভাব নয়। 👇
🤔 ১. ক্যালসিয়াম নাকি গ্রোয়িং পেইন?
বাচ্চারা সারাদিন দৌড়াদৌড়ি, লাফঝাঁপ আর খেলাধুলা করে। এতে তাদের পায়ের পেশিগুলো (Muscles) ক্লান্ত হয়ে পড়ে। Mayo Clinic-এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, "Growing Pains হাড়ের কোনো সমস্যা নয়, এটি মূলত পেশির ক্লান্তি।"
যদি দেখেন বাচ্চার ব্যথা মূলত পায়ের মাংসপেশিতে (Calves), উরু (Thighs) বা হাঁটুর পেছনের পেশিতে হচ্ছে এবং জয়েন্টে নয়-তবে বুঝবেন এটি গ্রোয়িং পেইন।

🕵️‍♀️ ২. সকালের ম্যাজিক (The Morning Rule):
এটা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো "সময়"। গ্রোয়িং পেইন সাধারণত বিকেল বা রাতে হয়।
কিন্তু যদি দেখেন সকালে উঠেও বাচ্চা খুঁড়িয়ে হাঁটছে বা ব্যথা কমছে না তবে সেটি চিন্তার বিষয় এবং ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।
💊 ৩. ক্যালসিয়াম সিরাপ কি সমাধান?
আমরা অনেকেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া মাসের পর মাস বাচ্চাকে ক্যালসিয়াম সিরাপ খাওয়াই। শিশু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন: "অপ্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম কিডনিতে পাথর বা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।"

বাচ্চা যদি নিয়মিত দুধ, দই, ডিম, ছোট মাছ বা সবুজ শাকসবজি খায়, তবে তার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বরং চেক করা উচিত তার শরীরে Vitamin D-এর ঘাটতি আছে কি না, যা হাড়ের যতে্ন বেশি জরুরি।

✅ অভিভাবক হিসেবে করণীয়:
ঔষধ বা সিরাপের বোতল খোলার আগে এই ঘরোয়া টোটকাগুলো ট্রাই করুন:
💆‍♀️ ম্যাসাজ: বাচ্চার পায়ে আলতো হাতে তেল বা লোশন ম্যাসাজ করুন। স্পর্শ বাচ্চার ব্রেইনে আরামের সিগন্যাল পাঠায়।
🔥 উষ্ণ সেঁক: হালকা গরম কাপড় বা হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে পেশিতে সেঁক দিন। এটি পেশির টান কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।
💧 হাইড্রেশন: বাচ্চাকে প্রচুর পানি খাওান। পানিশূন্যতা পেশিতে টান (Cramps) লাগার অন্যতম কারণ।

🚨 কখন ডাক্তার দেখাবেন?
-ব্যথার সাথে জ্বর থাকলে।
-পায়ের কোনো জয়েন্ট বা গিঁট ফুলে লাল হয়ে যায়।
-বাচ্চা সকালে খুঁড়িয়ে হাঁটে বা নড়াচড়া করতে না চায়।

(সংগৃহীত)

"কাশি কম, কিন্তু শ্বাসে গড়গড় শব্দ! বাচ্চার এই সমস্যাটা কি ভয়ংকর?"১ বছরের আশেপাশে অনেক বাচ্চার দেখা যায়—কাশি কম, কিন্তু গ...
29/01/2026

"কাশি কম, কিন্তু শ্বাসে গড়গড় শব্দ! বাচ্চার এই সমস্যাটা কি ভয়ংকর?"

১ বছরের আশেপাশে অনেক বাচ্চার দেখা যায়—
কাশি কম, কিন্তু গলা গড়গড় করে, শ্বাস নিলে ভেজা শব্দ হয়।
ঘুমালে ভালো থাকে, জাগলে সমস্যা বোঝা যায়।

🔍 সম্ভাব্য কারণগুলো
• দীর্ঘদিনের নাকের কফ → Post-nasal drip
• Reactive airway / wheeze tendency
• গলা ও এয়ারওয়ের হালকা irritation
• কিছু ক্ষেত্রে silent reflux

❌ সাধারণত যেগুলো না
• নিউমোনিয়া
• টিবি
• বড় কোনো হার্ট বা ফুসফুসের রোগ

💡 কেন নেবুলাইজার দিলে ভালো থাকে?
কারণ এয়ারওয়ে সাময়িকভাবে খুলে যায়।
কিন্তু মূল কারণ ঠিক না হলে সমস্যা আবার ফিরে আসে।

👶 এই সমস্যায় সবচেয়ে জরুরি
• সঠিক diagnosis
• over-treatment এ না যাওয়া
• বাবা–মাকে আতঙ্কমুক্ত রাখা

📩 প্রয়োজনে অনলাইনে পরামর্শের জন্য ইনবক্স করুন।

#শিশুস্বাস্থ্য

#গলা_গড়গড়






ইউটিউব লিংক -

"কাশি কম, কিন্তু শ্বাসে গড়গড় শব্দ! বাচ্চার এই সমস্যাটা কি ভয়ংকর?"১ বছরের আশেপাশে অনেক বাচ্চার দেখা যায়—কাশি কম, ...

পারস্যের বিখ্যাত সেনাপতি হরমুজানকে বন্দী করে আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ফারুক (রা.)-এর দরবারে আনা হলো। ইসলামের অনেক ক্ষতি ক...
29/01/2026

পারস্যের বিখ্যাত সেনাপতি হরমুজানকে বন্দী করে আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ফারুক (রা.)-এর দরবারে আনা হলো। ইসলামের অনেক ক্ষতি করায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। দণ্ড কার্যকর করার আগে ওমর (রা.) তাকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিলেন, কিন্তু হরমুজান তা প্রত্যাখ্যান করল।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে হরমুজান বলল, "আমি তৃষ্ণায় কাতর, আমাকে কি সামান্য পানি দেওয়া যাবে?" ওমর (রা.) পানি দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। হরমুজান পানির পেয়ালা হাতে নিয়ে এক অদ্ভুত শর্ত জুড়ে দিল। সে বলল:

"আমীরুল মুমিনীন! এই পানিটুকু পান করা পর্যন্ত কি আপনারা আমাকে হত্যা করবেন না?"

হযরত ওমর (রা.) সরল মনে ওয়াদা করলেন, "ঠিক আছে, যতক্ষণ তুমি এই পানি পান না করছ, ততক্ষণ তোমাকে হত্যা করা হবে না।"

ওয়াদা শোনা মাত্রই হরমুজান পানির পেয়ালাটি পান না করে মাটিতে ঢেলে দিল! এরপর ধূর্ত হাসিতে বলল, "হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি ওয়াদা করেছেন পানি পান না করা পর্যন্ত আমাকে মারবেন না। এখন যেহেতু পানি নেই, তাই আপনার ওয়াদা অনুযায়ী আমাকে আর হত্যা করতে পারবেন না।"

হযরত ওমর (রা.) মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন, কিন্তু ওয়াদার ব্যাপারে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তিনি জল্লাদকে তলোয়ার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, "আমি আমার ওয়াদা রক্ষা করব।"

ঠিক সেই মুহূর্তে হরমুজান উচ্চস্বরে কালেমা পাঠ করল: "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ।"

বিস্মিত ওমর (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, "যখন আমি তোমাকে দাওয়াত দিলাম তখন গ্রহণ করলে না, আর এখন স্বেচ্ছায় করলে কেন?" হরমুজান উত্তর দিল:

"তখন ইসলাম গ্রহণ করলে মানুষ বলত, আমি মৃত্যুর ভয়ে মুসলমান হয়েছি। আমি চেয়েছিলাম মানুষের কাছে স্পষ্ট হোক যে, আমি সত্যকে চিনেছি বলেই ইসলাম গ্রহণ করেছি, মৃত্যুর ভয়ে নয়।"

মুগ্ধ হয়ে হযরত ওমর (রা.) মন্তব্য করলেন:
"পারস্যের মানুষদের বুদ্ধি পাহাড়ের মতো অটল ও বিশাল।"

ইসলামে ওয়াদা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হযরত ওমর (রা.) চাইলে বলতে পারতেন যে, "তুমি তো প্রতারণা করেছ, তাই আমি ওয়াদা মানতে বাধ্য নই।" কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি নিজের কথা বা প্রতিশ্রুতিকে রক্ষা করাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, মুমিন কখনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে না।
©
সূত্র: তারিখুত তাবারী।

🌸 মায়ের হক বনাম বউয়ের হক:ইসলামে মা ও স্ত্রী—দুজনেরই হক আলাদা, মর্যাদা আলাদা, দায়িত্বও আলাদা। কিন্তু তুলনার জায়গায় ইসলাম ...
28/01/2026

🌸 মায়ের হক বনাম বউয়ের হক:

ইসলামে মা ও স্ত্রী—দুজনেরই হক আলাদা, মর্যাদা আলাদা, দায়িত্বও আলাদা। কিন্তু তুলনার জায়গায় ইসলাম খুব পরিষ্কারভাবে মায়ের হককে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

🟢 মায়ের হক (সর্বোচ্চ মর্যাদা):

📖 কুরআন:
“তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন—তোমরা তাঁকে ছাড়া কারো ইবাদত করবে না এবং মা–বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।”
(সূরা বনি ইসরাঈল: ২৩)

📜 হাদিস:
এক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন—
“ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ! কার হক সবচেয়ে বেশি?”
তিনি বললেন—
👉 তোমার মা
👉 তোমার মা
👉 তোমার মা
👉 তারপর তোমার বাবা
(বুখারি, মুসলিম)

🔹 মায়ের হক কেন বেশি?
👉গর্ভধারণের কষ্ট
👉প্রসবের যন্ত্রণা
👉রাতজাগা, ত্যাগ, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা
➡️ মায়ের অবাধ্যতা = বড় গুনাহ

🔵 স্ত্রীর হক (অবশ্যই ফরজ দায়িত্ব):

📖 কুরআন:
“তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।”
(সূরা নিসা: ১৯)

📜 হাদিস:
“তোমাদের মধ্যে উত্তম সে, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
(তিরমিজি)

🔹 স্ত্রীর হক কী কী?
👉ভরণপোষণ
👉সম্মান
👉নিরাপত্তা
👉ভালো ব্যবহার
👉আবেগ ও সময় দেওয়া
➡️ স্ত্রীর উপর জুলুম = গুনাহ

⚖️ সংঘর্ষ হলে কার কথা আগে?
🔴 গুরুত্বপূর্ণ নীতি:
কোনো সৃষ্টির আনুগত্য নেই যদি তা আল্লাহর অবাধ্যতায় নিয়ে যায়।

স্ত্রী যদি বলে— “মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করো”
স্ত্রী যদি মায়ের হক নষ্ট করতে বলে তাহলে
➡️ এখানে স্ত্রীর কথা মানা যাবে না।

কিন্তু—
মা যদি অন্যায় আদেশ করেন
স্ত্রীর প্রতি জুলুম করতে বলেন
➡️ এখানে মায়ের কথাও মানা যাবে না।

✅ ইসলামের সুন্দর সমাধান
✨ মাকে সম্মান, সেবা ও অগ্রাধিকার
✨ স্ত্রীকে ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রদান
✨ একজন পুরুষের দায়িত্ব—দুজনকেই ইনসাফের সঙ্গে সামলানো

📜 রাসূল ﷺ ছিলেন—
✔️ মায়ের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মানশীল
✔️ স্ত্রীর প্রতি সর্বোচ্চ কোমল ও দয়ালু

💔 কঠিন সত্য
👉 যে স্ত্রী স্বামীকে মায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করায়—সে ভুল করে
👉 যে স্বামী স্ত্রীর হক নষ্ট করে “মা”র অজুহাতে—সেও জালিম

🌹 শেষ কথা
মা = জান্নাতের দরজা
স্ত্রী = জীবনের সঙ্গী ও আমানত

📌 ইসলাম কখনো দ্বন্দ্ব শেখায় না, শেখায় ভারসাম্য ও ইনসাফ।

গতকাল নিউজে দেখলেন যে ছেলেটা মেয়েদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা লাগিয়েছিল,সেটা একধরনের রোগ যাকে   বলে। এটি মারাত্মক Sex*ual ...
28/01/2026

গতকাল নিউজে দেখলেন যে ছেলেটা মেয়েদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা লাগিয়েছিল,
সেটা একধরনের রোগ যাকে বলে। এটি মারাত্মক Sex*ual Perversion.যার অর্থ লুকিয়ে বা গোপন স্পাই ক্যামেরা দিয়ে নারীদের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করা বা দেখা।

এইসব লোকের মুখ দেখে কিন্তু বুঝার উপায় নাই তার ভেতরে বসবাস করছে এমন কদাচার একটা ব্যক্তিত্ব এবং ও একা না এমন লাখ লাখ আছে আমাদের চারপাশে। ব্যাপার টা হলো ও জাস্ট ধরা খাইছে।

এক্ষেত্রে করনীয় একটাই , সতর্ক থাকা। নারীদের পাবলিক ওয়াশরুম , ড্রেসিংরুমে এবং Shopping এর Changing room অবশ্যই ব্যবহার করার আগে একবার জেনারেল চেক করে দেখা উচিৎ সবার। নিজের সম্মান ও নিরাপত্তার জন্য।
শেয়ার দিন অন্যকে জানান।
~ডা: সওগাত এহসান

👌 ২ মিনিটের রাগ: আপনার শরীর কি এই ভয়ংকর দাম দিতে প্রস্তুত? ❓🔥আমরা প্রায়ই হালকা করে বলি“একটু রাগ হয়েছিল, এর বেশি কিছু না!...
27/01/2026

👌 ২ মিনিটের রাগ: আপনার শরীর কি এই ভয়ংকর দাম দিতে প্রস্তুত? ❓🔥

আমরা প্রায়ই হালকা করে বলি
“একটু রাগ হয়েছিল, এর বেশি কিছু না!”

কিন্তু আপনি কি জানেন, মাত্র ২ মিনিটের নিয়ন্ত্রণহীন রাগ আপনার শরীরের ভেতরে এমন কিছু প্রক্রিয়া শুরু করে দেয়, যার প্রভাব টিকে থাকতে পারে পুরো ২৪ ঘণ্টা কখনো তারও বেশি! 🚶🏽‍♂️⚠️

ভাবছেন, চিৎকার শেষ মানেই সব শেষ?
দুঃখের বিষয় একদমই না।

🔥 মাত্র ২ মিনিটের রাগ শরীরে কী করে?

চলুন, বিজ্ঞান কী বলছে সেটা একটু সহজ করে দেখি

🔴 ১. স্ট্রেস হরমোনের বিষাক্ত ঢেউ

রাগের মুহূর্তে শরীর বিপুল পরিমাণে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে।
রাগ থেমে গেলেও এই হরমোনের প্রভাব ঘন্টার পর ঘন্টা রক্তে ঘুরে বেড়ায়।

📌 ফলাফল?
— অকারণ ক্লান্তি
— মন খিটখিটে থাকা
— সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়া

🔴 ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়

গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র রাগ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে সাময়িকভাবে দমিয়ে দেয়।
অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার জন্য শরীর বাইরের ভাইরাস–ব্যাকটেরিয়ার কাছে হয়ে পড়ে অসহায়।

📌 সহজ ভাষায়:
রাগ = অসুখের জন্য খোলা দরজা 🚪

🔴 ৩. শরীরের “হিলিং সিস্টেম” থেমে যায়

আমাদের শরীর সারাক্ষণ নিজেকে মেরামত করে
কোষ রিপেয়ার, নতুন কোষ তৈরি, শক্তি পুনর্গঠন।

কিন্তু তীব্র রাগ এই হিলিং প্রসেসকে ধীর বা বন্ধ করে দেয়।

📌 দীর্ঘমেয়াদে এর মানে
— দ্রুত বার্ধক্য
— শক্তি কমে যাওয়া
— শরীর সহজে ভেঙে পড়া

🔴 ৪. ঘুমের ওপর ২৪ ঘণ্টার আঘাত

মাত্র ২ মিনিটের রাগ আপনার স্লিপ সাইকেলকে পুরো এলোমেলো করে দিতে পারে।
রাতে ঘুম এলেও সেটা হয় অগভীর, অকার্যকর।

📌 ফলাফল?
ঘুম হয়, কিন্তু বিশ্রাম হয় না 😴❌

🧮 তাহলে হিসাবটা কী দাঁড়াল?

২ মিনিটের নিয়ন্ত্রণহীন রাগ = প্রায় ২৪ ঘণ্টার শারীরিক ক্ষতি

এখন নিজেকে প্রশ্ন করুন
👉 আপনি কি সত্যিই ওই ২ মিনিটের জেদ, চিৎকার বা কথার জন্য
নিজের শরীরের একটা পুরো দিন নষ্ট করতে রাজি?

🌻 সমাধান কী? (শারীরিক বুদ্ধিমত্তা)

রাগ আসা স্বাভাবিক।
কিন্তু রাগকে চালকের আসনে বসানো এটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

রাগ নিয়ন্ত্রণ করা শুধু মানসিক শক্তি না,
এটা এক ধরনের Physical Intelligence।

পরের বার রাগ এলে

✅ থামুন কিছু বলার আগে অন্তত ১০ গুনুন
✅ গভীর শ্বাস নিন অক্সিজেন কর্টিসল কমাতে সাহায্য করে
✅ দূরে সরে যান পরিবেশ বদলান, নিজেকে সময় দিন

মনে রাখবেন
যে মানুষটি আপনাকে রাগিয়েছে, সে হয়তো শান্তিতে আছে।
কিন্তু রেগে গিয়ে শাস্তিটা আপনি নিজেই আপনার শরীরকে দিচ্ছেন।

নিজের ওপর মায়া করুন 🤍
সুস্থ থাকার জন্য হলেও রাগ কমান।
কারণ আপনার শরীর আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ আর রাগ সেই সম্পদের সবচেয়ে নীরব চোর।

👉 আজকের পর কি আপনি আপনার ২ মিনিটের রাগের জন্য
নিজের ২৪ ঘণ্টা নষ্ট করবেন?
ভেবে দেখুন।

#রাগ_নিয়ন্ত্রণ





বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ADHD কী, সেটা জানেই না। জানার প্রয়োজনও বোধ করে না। “বাচ্চা একটু দুষ্ট, বেশি নড়াচড়া করে, মনোযোগ ...
24/01/2026

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ADHD কী, সেটা জানেই না। জানার প্রয়োজনও বোধ করে না। “বাচ্চা একটু দুষ্ট, বেশি নড়াচড়া করে, মনোযোগ কম”—এই লেবেলেই সব শেষ। অনেক মা বিভিন্ন জায়গা থেকে জেনে বুঝে সন্দেহ করে, কিন্তু বাবাদের সামনে ডাক্তার বা থেরাপিস্টের কথা উঠলেই উত্তর হয় “এইসব পশ্চিমা বাহানা”,“আমাদের সময় তো এসব ছিল না”,
“একটু শাসন করলেই ঠিক হয়ে যাবে।”। সবচেয়ে মজার ঘটনা আমি যখন ADHD নিয়ে সচোতনতা বাড়াতে লিখেছিলাম, সেখানে এক লোকের কমেন্ট ছিল এটা নাকি বাচ্চাকে"রোগী বানানোর ধান্দা আর ডাক্তাররা টাকা হাতায় এসব করে"। আর কত কত লোক যে লিখেছে, এসব তো সাধারন আচরন, আজাইরা কথা ইত্যাদি ইত্যাদি। তাও আমি আমার সচেতনতামূলক পোস্ট করা, পা*গলদের কথায় ছাড়িনা। কারন একটা বাচ্চা সাহায্যের জায়গায় হেনস্তা পেলে সারাজীবনের একটা বড় ধাক্কা পায়।

পরিবারের অসেচতনতার ফলাফল। যে বাচ্চাটার সাহায্য দরকার, সে সাহায্য তো পায়ই না উল্টো মাইর, অপমান, ভয়, লজ্জা—এই চারটা জিনিসই তার দৈনন্দিন সঙ্গী হয়ে যায়। অতি চঞ্চলতার জন্য সে মা*ইর খায় নিজের বাবা-মায়ের হাত থেকে, খায় স্কুলে, খায় কোচিংয়ে। অথচ কেউ বোঝে না—এই বাচ্চাটা bad না, সে different। তার সাহায্য দরকার😓।

এখন আসেন স্কুল সিস্টেমের বাস্তবতা নিয়ে একটু কথা বলি🤦‍♀️

স্কুলগুলোর কথাও খুব আলাদা কিছু না। ৩–১০ হাজার টাকায় প্রাইভেট স্কুল গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ হয়(মোটামুটি নামিদামি প্রাইভেট স্কুলেও স্যালারির একি অবস্থা, আর কতৃপক্ষ তাদের বোঝায় টিউশন পড়ানোর লোভ দেখিয়ে)। এই টাকায় সত্যিকারের ভালো, ট্রেনিংপ্রাপ্ত, emotionally aware মানুষ পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এমনকি ভালো শিক্ষিত হলেও, শিশু মনোবিজ্ঞান জানা নেই। ADHD, ASD, sensory issues—এই শব্দগুলোর সাথেই পরিচয় নেই। ক্লাস ম্যানেজমেন্ট মানেই চুপ করানো। Discipline মানেই ভ*য় দেখানো। বাচ্চার যে আলাদা কোনো সমস্যা থাকতে পারে এই ভাবনাটাই মাথায় আসে না। একটু যত্ন করলে, একটু আলাদা পদ্ধতি নিলে বাচ্চাটার জীবনটাই বদলে যেতে পারে—এই insight নেই। আর কিছু স্কুল তো ADHD শুনলে অটিজম ভেবে আগেই বলে, অন্য স্কুলে ভর্তী করান, বাবা-মা অমেক সময়, এমন কথা শুনতে চায়না তাই সত্যি জানলেও লুকায়। যার পরিনাম আরো খারাপ।

এইসব প্রাইভেট স্কুলে বাবা-মা মোটা অঙ্কের টিউশন ফি দেয়, অথচ সার্ভিস কোথায় যায়? কতৃপক্ষের পকেটে। “পয়সা ফেকো, সার্ভিস(অনলি রেজাল্ট) নাও” টাইপ মডেল। খাতায় মার্ক ভালো হলেই সব ঠিক। বাচ্চা ভিতরে ভিতরে ভেঙে যাচ্ছে—সেটা কারো concern না। টিচারদের স্পেশাল ট্রেনিং ব্যাবস্থা এসব কিছুই রাখেনা। আমি এক তরফা স্কুলকে দোষ দিচ্ছি না।
কিন্তু যারা junior section, preschool, early childhood নিয়ে কাজ করে—তাদের extra knowledge থাকা বাধ্যতামূলক। হা আবারো আলছি বাধ্যতামূলক। কারণ এই বয়সে একটা ভুল আচরণ, একটা ট্রমা, একটা ভয়—সারাজীবনের জন্য imprint হয়ে যায়।যে ট্রমা ওর গোটা জীবন জুরে ওকে যন্ত্রণা দিয়ে বেড়ায়।

এখন একটু বাবা-মার দায়ভারে আসি। প্যারেন্টি অনেকে আসলো এক্সিডেন্টাল নেয়, এটা যে ভীষন পড়ালেখার বিষয়। অনেক অনেক জানার, শেখার ও এপ্লিকেশনের বিষয়। সন্তানের জন্য নিজেকে পরিবর্তনের বিষয় (ভালো দিকে) সেটা বোঝে না। আপনারা এতো হালকা নিয়েন না, কোনো বাচ্চার জীবন নষ্ট করার রাইট আপনাদের নেই। সবদিক দিয়ে প্রস্তুত না হলে সন্তান নিয়েন না, তাও সন্তান এনে একটা ট্রমাটাইজ, আনারি, ভিতু, কনফিডেন্সেহীন৷ মানুষ সমাজে বাড়াবেন না, যা মানুষ টা সারাজীবন নিজে ভো*গে আর যাদের সাথে জড়াবে তাদেরকেও ভো*গাবে। তাই সবচেয়ে বড় দায়টা বাবা-মায়ের। কারণ বাচ্চার safety আপনার দায়িত্ব। স্কুলে কী হচ্ছে, শুধু খাতা দেখে না, বাচ্চার চোখ দেখে বুঝতে হয়।
তার আচরণ, তার ভ*য়, তার চুপ হয়ে যাওয়া—সবকিছু communication। আজকের বেশিরভাগ বাচ্চার সাথে
meaningful bonding নেই। safe space নেই। বাবা-মাকে কিছু না লুকানোর পরিবেশ নেই। ব্যস্ত ভীষন ব্যাস্ত আমরা ছোট্ট চোখজোড়া ফোন নয় আমাদের চায়। আমরা নিজেরাই সময় দেই না। তারপর বলি—“বাচ্চা কেন এমন?”।আমরা শেখাই না— কোনটা secret, কোনটা surprise। কোনটা ঠিক, কোনটা অন্যায়। কেউ গায়ে হাত দিলে কী করবে।
ভ*য় পেলে কার কাছে যাবে। তারপর অবাক হই, বাচ্চা কথা বলে না কেন। বাচ্চা আচরন বাবা-মার থেকে আন্তাজে সব হবেনা। সাবধান হবেন। অনুরোধ 🙏

কিছুদিন আগে ৪ বছরের এক শিশুকে তার স্কুলের টিচাররা ভয়াবহভাবে মেরেছে। আমার দেখে খুব বেশি খারাপ লাগছিল যে ওর ব্রেইনের অবস্থা তখন কতটা ট্রমাটাইজ ছিল, এই ট্রমা কাটাতে পারবে কখনো?।
ভয় দেখিয়েছে, “মাকে বললে আরও মারবো”। হাতে স্টপ্লার এনে মুখ সেলাই করবে এসব করছিল। মানে এতোটা বিকার মস্তিষ্ক কেন?। “পাড়া মারবো”, “তোর জন্য সব সমস্যা”।

অভিযোগ ছিল—বাচ্চা নাকি গায়ে হাত তোলে। একটা ৪ বছরের বাচ্চা গায়ে হাত তুলছে মানে কী? সে কি criminal? নাকি সে নিজেই overwhelmed, dysregulated, সাহায্য চাইছে? এটা কেউ ভেবেছে?। অবশ্য ভাববে কি করে?, ওরা এমন প্যারেন্টিং পেয়েই বড় হয়েছে, আমার বহু পোস্টে বহু কমেন্ট আসে না মারলে বাচ্চা মানুষ হয়না। ইত্যাদি ইত্যাদি।

টিচাররা যা করলো ওটা discipline না। ওটা power abuse। ওটা emotional violence। ওটা আসলে একেবারে নিঃশব্দ child abuse। আসল সত্যটা খুব সহজ। সব বাচ্চা একরকম না। সব বাচ্চা একইভাবে শেখে না। সব বাচ্চাকে একইভাবে শাসন করা যায় না।
ADHD বাচ্চা মানে problem না। ওরা আসলে, বেশি sensitive, বেশি curious, বেশি energy। আর সবচেয়ে বেশি… misunderstood। সঠিক গাইড পেলে এরা future leader, innovator, creator হয়। আর ভুল হাতে পড়লে এরা হয় anxious adult, low self-esteem, depression বা চুপচাপ ভেঙে যাওয়া মানুষ।

একটা বাচ্চাকে মানুষ বানাতে শুধু টাকা লাগে না, লাগে সময়, সচেতনতা আর empathy। স্কুল বদলানো যায়, টিচার বদলানো যায় কিন্তু শৈশবের ট্রমা বদলানো যায় না।

আপনি যদি বাবা-মা হন, আপনার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বাচ্চার ভেতরের মানুষটাকে বাঁচিয়ে রাখা। মার্ক না, র‍্যাংক না, আগে মানুষ, পরে ছাত্র। ভালো মানুষ বানানোর চেষ্টা করুন, পড়ালেখাটাও শিখে যাবে। কারণ আজ যে বাচ্চাকে “ঝামেলা” বলে মারছেন,
১০ বছর পরে সেই মানুষটাই হয়তো প্রশ্ন করবে
“আমি কি আসলেই এত খারাপ ছিলাম,
নাকি কেউ আমাকে বোঝার চেষ্টাই করেনি?”

অনুরোধ বাচ্চার প্যারেন্টিং এর ব্যাপারে সচেতন হবেন।
ধন্যবাদ 🙏
ShebikAmit

23/01/2026

শীতে কোমর-মাজার ব্যথা? অবহেলা করলে বিপদ হতে পারে!

শীত এলেই কি আপনার মাজার ব্যথা বেড়ে যায়?
সকালবেলা উঠতে কষ্ট, বসা–দাঁড়ানোতে সমস্যা—এগুলো অবহেলা করবেন না।

শীত আসলেই অনেকের মাজার ব্যথা হঠাৎ করে বেড়ে যায়।
সকালবেলা বিছানা থেকে উঠতে কষ্ট, নামাজে বসতে বা হাঁটতে গেলেই টান ধরা—এই সমস্যাগুলো খুবই সাধারণ।

কিন্তু আপনি কি জানেন, শীতে মাজার ব্যথা বাড়ার পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ থাকে?
আর সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে এই ব্যথা ধীরে ধীরে জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে।

এই ভিডিওতে জানুন—
✔️ শীতকালে মাজার ব্যথা কেন বাড়ে
✔️ কোন ভুলগুলো করলে ব্যথা বেশি হয়
✔️ কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে

আমার চেম্বারে আসতে না পারলে, আপনি ঘরে বসেই টেলিমেডিসিন বিভিন্ন App–এর মাধ্যমে আমার পরামর্শ নিতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ Dr. Akhter Uz Zaman Sajib এর পিন পোষ্ট দেখুন।

ভিডিওটি উপকারে এলে লাইক দিন, ফলো করুন, শেয়ার করুন এবং সাবস্ক্রাইব করুন।

#মাজারব্যথা
#শীতকালীনব্যথা







ইউটিউব লিংক -
https://youtube.com/shorts/pMyWpHRo2lE?si=HvxiiYujfFGmaY2Q

থাইরয়েড টেস্টের দিন সকালে কি আপনি প্রতিদিনের মতো ওষুধটি খেয়েই ল্যাবে চলে যাচ্ছেন? এই একটি অভ্যাস আপনার সারা জীবনের থাইরয়...
19/01/2026

থাইরয়েড টেস্টের দিন সকালে কি আপনি প্রতিদিনের মতো ওষুধটি খেয়েই ল্যাবে চলে যাচ্ছেন? এই একটি অভ্যাস আপনার সারা জীবনের থাইরয়েড চিকিৎসার গতিপথ ভুল দিকে নিয়ে যেতে পারে! ল্যাবরেটরি মেডিসিনে দীর্ঘ ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, অসংখ্য থাইরয়েড রোগী শুধুমাত্র ওষুধ খাওয়ার সঠিক নিয়ম না জানার কারণে মাসের পর মাস ভুল ডোজের ওষুধ সেবন করে চলেছেন।

থাইরয়েড (বিশেষ করে TSH, FT4) টেস্টের আগে ওষুধ খাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে রোগীদের মধ্যে প্রচণ্ড বিভ্রান্তি রয়েছে। একজন টেকনোলজিস্ট হিসেবে আজ বিষয়টি পরিষ্কার করে দিচ্ছি।

টেস্টের আগে ওষুধ কেন খাবেন না? আপনি যখন থাইরয়েডের ওষুধ (যেমন- Thyrox) খান, তখন সেটি সরাসরি আপনার রক্তে হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আপনি যদি ওষুধ খাওয়ার ১-২ ঘণ্টার মধ্যে রক্ত দেন, তবে আপনার রিপোর্টে হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি দেখাবে। এতে ডাক্তার মনে করতে পারেন আপনার ওষুধের ডোজ বেশি হয়ে গেছে এবং তিনি আপনার প্রয়োজনীয় ডোজ কমিয়ে দিতে পারেন। ফলে আপনার আসল সমস্যাটি আড়ালেই থেকে যাবে।

সঠিক নিয়মটি আজ জেনে নিন:
১. টেস্টের আগে ওষুধ নয়: থাইরয়েড টেস্টের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কোনো ওষুধ খাবেন না। প্রথমে ল্যাবে গিয়ে রক্ত দিন, তারপর ওষুধ সেবন করুন।
২. খালি পেটে টেস্ট: থাইরয়েড পরীক্ষার জন্য ৮-১০ ঘণ্টা খালি পেটে থাকা সবচেয়ে আদর্শ। কারণ খাবারের বিপাকক্রিয়া অনেক সময় হরমোনের মাত্রায় সামান্য প্রভাব ফেলতে পারে।
৩. পূর্ববর্তী ডোজ: টেস্টের আগের দিন পর্যন্ত আপনার ডাক্তার যেভাবে ওষুধ দিয়েছেন সেভাবেই খাবেন, কেবল পরীক্ষার দিন সকালে রক্ত দেওয়ার আগে বিরতি দেবেন।

আমার ১২ বছরের অভিজ্ঞতার পরামর্শ:
আপনার শরীরে ওষুধের কার্যকারিতা কতটুকু হচ্ছে তা সঠিকভাবে জানতে হলে অবশ্যই রক্ত দেওয়ার পর ওষুধ খান। তবে আপনি যদি ভুলবশত ওষুধ খেয়েই ফেলেন, তবে রক্ত দেওয়ার আগে অবশ্যই ল্যাব টেকনোলজিস্টকে বিষয়টি জানান। মনে রাখবেন, আপনার একটি ছোট তথ্য ডাক্তারকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

আপনি কি নিয়মিত থাইরয়েডের ওষুধ খান? আপনার শেষ রিপোর্টে TSH লেভেল কত ছিল? কমেন্টে জানাতে পারেন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্য থাইরয়েড রোগীদের সঠিক নিয়মটি জানতে সাহায্য করুন।

এটা আমার দেখা খুবই পাওয়ারফুল একটা ছবি।এই ছবিটা বুঝতে পারলে আপনি লাইফে অনেক বিপদ থেকে বেচে যাবেন।মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থে...
15/01/2026

এটা আমার দেখা খুবই পাওয়ারফুল একটা ছবি।
এই ছবিটা বুঝতে পারলে আপনি লাইফে অনেক বিপদ থেকে বেচে যাবেন।
মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নেয়া ভালো বাট অন্ধভাবে সে যা করেছে সেটাই ফলো করা আমাদের অভ্যাস।
সে এভাবে এটা করেছে,আমিও যদি করি তাহলে আমিও সফল হব।
এটা ভয়ংকর একটা ভুল ধারনা।
এই ভুলটা আমরা করি।
পরিস্থিতি কখনো সবার জন্য এক হয় না।
নিজের সক্ষমতা,পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে হয়।
সে পেরেছে তাই আপনিও পারবেন ব্যাপার টা এমন না,আবার সে পারে নি দেখে যে আপনিও পারবেন না ব্যাপার টা তেমন ও না।
তাই যে কোনো কাজে অন্ধভাবে মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নিয়ে প্লানিং না করে নিজের উপর ভরসা রেখে,নিজের সামর্থ্য বিবেচনা করে,প্রোপার রিসার্চ করে কাজ করুন,ইনশাআল্লাহ বিপদে পড়বেন না।
(Copied from: আতিক ভাই)

https://www.facebook.com/share/p/1ASmMkUodC/
11/01/2026

https://www.facebook.com/share/p/1ASmMkUodC/

মাত্র ১০ টাকায় বিএমডিসি ভেরিফাইড এমবিবিএস ডাক্তার যে কোনো সময়।

আপনি কি জানেন—বাংলাদেশে প্রতি ৫ জন পুরুষের মধ্যে অন্তত ১ জন জীবনের কোনো না কোনো সময় যৌন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন?

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৮–৪০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে যৌন সমস্যার হার সবচেয়ে বেশি আর ৭০–৮০% রোগী দেরিতে চিকিৎসা নেন। যার প্রধান কারন গুলো হচ্ছে চেম্বারে যাওয়ার লজ্জা, ভয় বা ভুল তথ্য।

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, যৌন সমস্যার প্রায় ৯৯% ই সমাধান যোগ্য। তবে আমরা এক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করে থাকি সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে দেরিতে চিকিৎসা নেয়া বা
সমস্যার প্রধান কারন না জেনেই বিভিন্ন সোর্স থেকে নিজে নিজেই অনেক কিছু চেষ্টা করা।

আপনি যদি চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসা নিতে দ্বিধা বোধ করেন তাহলে DocTap App টি ইনস্টল করে যে কোনো সময় অভিজ্ঞ বিএমডিসি ভেরিফাইড এমবিবিএস ডাক্তার দেখাতে পারেন সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে।

DocTap এ ছাডাও রয়েছে প্রায় সকল রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং প্রতিটি ডাক্তার বিএমডিসি ভেরিফাইড এমবিবিএস ডিগ্রিধারী। এছাড়াও রয়েছে মাত্র ১৫ টাকায় যে কোনো মেডিকেল রিপর্ট দেখানোর বিশেষ সুবিধা।

DocTap App টি ইনস্টল করা থাকলেই দিন রাত যে কোনো সময় মাত্র ১০ টাকায় আপনি পেয়ে যাবেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাপোর্ট।

ঘরে বসেই স্বল্প মূল্যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশসেরা সব ডাক্তারের সেবা পেতে 👉 ইনস্টল করুন 📲 - https://play.google.com/store/apps/details?id=com.doctap.dtc
☎️ হেল্পলাইন: +৮৮০১৭০৮৬৮৮৮২৫

Address

বেড়িঁ বাঁধ ৪ রাস্তার মোড়, মোহাম্মদপুর বসিলা রোড।
Muhammadpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Akhter Uz Zaman Sajib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Akhter Uz Zaman Sajib:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram