Natural Solution BD

Natural Solution BD Your well-being is our success, we sell 100%safe and beneficient products. Which is a lot more benef Which is much more beneficial for people.

It will benefit you without any harm, it will benefit more than your price, it will not harm you inshaAllah. Your Mars is our success, we sell 100% safe and efficient products. We want you to stay well.

অ"ফার!! অ"ফার!! অ"ফার!!চলে আসুন সুখের আসল ঠিকানায়!পবিত্র রমজান এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ ছাড়!!!30% ডিস"কাউন্ট অ"ফার👉...
06/04/2022

অ"ফার!! অ"ফার!! অ"ফার!!
চলে আসুন সুখের আসল ঠিকানায়!
পবিত্র রমজান এবং ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ ছাড়!!!
30% ডিস"কাউন্ট অ"ফার
👉নক'ল প্র,মানে এক ''লক্ষ টাকা" পুরস্কার,""।।।
☎️01972-843341

""ভালো'বাসার" দা"ম্পত্যের ১০০% স্থা''য়ী সমা"ধান।
👉30 দিনে রোমাঞ্চকর জীবন,
5 দিন পর মনে হবে পূর্বে কোন সম-স্যাই ছিল না।

👉লাভ ফরএভার কোর্সে 30% ডিসকাউন্ট।
একটু সময় দিলে হয়তো আপনার পার্ট-নারের কাছে ছো-ট হতে হবে না।
সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলি-ভারিতে পাচ্ছেন অগ্রিম প্রেমেন্ট ছাড়া।
বিস্তারিত জানতে
Send message অপশনে ক্লিক করুন।

অর্গানিক ফুড বলতে আসলে কি বোঝায়?অর্গানিক ফুড হলো সেই খাদ্য যা কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপ...
06/04/2022

অর্গানিক ফুড বলতে আসলে কি বোঝায়?
অর্গানিক ফুড হলো সেই খাদ্য যা কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত হয়। এটির রক্ষণাবেক্ষণে কোন কৃত্রিমতা থাকে না। পাশাপাশি পরিবেশ-বান্ধব এই চাষে ফসল পরিবর্তন, জৈব পেস্ট ইত্যাদির উপর নজর দেওয়া হয়। কৃষি-বাস্তুসংস্থান গত নীতি অনুসারে এই উৎপাদন আমাদের জীববৈচিত্র ও সুন্দর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করে।

কেন খাবেন অর্গানিক ফুড?
১. ভেজাল খাবার একেবারে এড়িয়ে যেতে
দীর্ঘায়ু লাভে অর্গানিক ফুডের বিকল্প বোধয় খুঁজে পাওয়া কঠিন ব্যাপার। তবে প্রক্রিয়াকরণ জাত বা প্যাকেটজাত খাদ্যে কি পরিমানে ভেজাল মেশানো হচ্ছে জানলে হতবাক হতে হয়।
ফলমূল পাকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইথিলীন বা কার্বাইড। মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল এগুলো বেশি সময় অব্দি টাটকা রাখার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটির রং উজ্জ্বল করার জন্য তাতে দেয়া হচ্ছে লেদার এর রং।
মুড়িতে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক ইউরিয়া। ভেজাল খাবার যা বুঝতে পারবেন না এমনিতে।
আটা ময়দা বা চিনিতে অবাধে চলছে বিষাক্ত চক পাউডার এর ব্যবহার।চালে মেশানো হয় প্লাস্টিক।
মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম ও বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
তরমুজ বা লিচু বা স্ট্রবেরি সবেইতেই থাকছে ইনজেকশন এর ছোঁয়া।
সফট ড্রিংকসে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্যাফেইন এবং সিলদেনাফিল্ড সাইট্রেট।
এছাড়াও চকলেটে নিম্নমানের রং ও বিষাক্ত মোম এর পালিশ দিয়ে তার গুণমান নষ্ট করা হচ্ছে।
সরষে থেকে সয়াবিন তেল সবেতেই গন্ধ ও রং বজায় রাখতে সায়ানাইড এর সাথে পাম তেল,পশুর চর্বি বা স্টার্চ মেশানো চলছে।

২. নানা রকমের রোগ থেকে মুক্ত থাকতে
পশু ও মাছের খাদ্যে উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার এর ফলে মানুষের শরীরে তা দীর্ঘস্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। যার ফল হচ্ছে ভয়াবহ।
রাসায়নিক এর দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব এর দরুন হৃদযন্ত্র, কিডনির কার্যকলাপ, স্নায়ু চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফরমালিন, কার্বাইড বা আজিনামোটোর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করার ফলে পেটব্যথা, শুকনো কাশি, ডায়রিয়া, আলসার ও ফুসফুস এর বহুবিধ রোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
হাইড্রোজেন পারক্সিডের দ্বারা নানা প্রকার চর্মরোগ এমনকি শ্বাসনালী, কিডনি, পাকস্থলীতে ডেকে আনছে প্রাণঘাতী ক্যানসার।
প্লেটলেট এর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে অচিরেই ফলে ছড়াচ্ছে অ্যানিমিয়া। শিশু বয়স্ক থেকে শুরু করে গর্ভবতী মহিলা ঝুঁকি থাকছে সবারই। পেটে থাকা সন্তান জন্ম নিতে পারে প্রতিবন্ধকতা ও অটিজম এর মত মারাত্মক রোগ নিয়ে।
অ্যাসিটিক এসিড ও ফরমালডিহাইড শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেন সঞ্চালন এ বাধা দেয় ফলে স্ট্রোক, মাথাঘোরা বা ব্লাড প্রেসার এর সম্ভাবনাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।
স্মৃতিভ্রংশ বা দুরারোগ্য মানসিক ব্যাধি আসাও অসম্ভব কিছু নয়।
কিভাবে বুঝবেন কোন খাবার অর্গানিক?
সম্প্রতি সিকিম রাজ্যটিকে ইউনাইটেড নেসন ১০০% অর্গানিক স্টেট হিসেবে ঘোষণা করায় অর্গানিক ফুড নিয়ে হইচই পড়ে গেছে।
কিন্তু কিভাবে বুঝবেন কোন খাবার অর্গানিক? ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর অর্গানিক প্রোডাকশন নামের একটি সংস্থা রয়েছে যাদের অধীনে রয়েছে বহু সার্টিফাইং এজেন্সি এমনকি ফুড সেফটি এবং স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। ফার্ম গুলোকে এদের কাছ থেকেই সার্টিফিকেট আদায় করতে হয়।
গ্রীন পার্ক অর্গানাইজেশন এর এক কর্তার কথায় ক্রেতাদের অবশ্যই কেনার সময় ১০০% অর্গানিক লেবেল দেখেই কেনা উচিত।
এবার যেহেতু সার বা পেস্টিসাইড না দিয়ে এইসব খাবার উৎপন্ন হচ্ছে তাই এগুলোর দাম অবশ্যই বাজারচলতি জিনিসের থেকে বেশি হবে এবং এগুলিতে ব্যবহৃত হয় রেন ওয়াটার হার্ভেস্টিং।
অর্গানিক খাবারের গুন
অর্গানিক ফুড বিশ্বব্যাপী চর্চার কেন্দ্রে। ‘অর্গানিক ফুড এন্ড ফার্মিং, মিথ এন্ড রিয়ালিটি’ টপিকটির ওপর বিশ্বের ৩৬টি প্রতিষ্ঠান গবেষণা করে দেখেছে যে এই প্রকার খাদ্যে প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের পক্ষে খুব উপযোগী।
মার্কিন যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডস এর বিজ্ঞান বিষয়ক কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে যে পশু ও মাছের খাবারে যে এন্টি বায়োটিক ব্যবহার করা হয় তাতে মানুষের শরীরে নানা মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রোগ বাসা বাঁধছে।
তাই অর্গানিক ফুড ব্যবহার করুন যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং পরিবেশের স্থিতিশীল উন্নয়নের কান্ডারী।

তবে ২০১৪ সালে নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রমাণ করেন অর্গানিক ফুডের উপকারিতা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ...
06/04/2022

তবে ২০১৪ সালে নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রমাণ করেন অর্গানিক ফুডের উপকারিতা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ সার মিশ্রিত ফসলের চেয়ে অর্গানিক ফসলে কীটনাশকের পরিমাণ এক চতুর্থাংশের চেয়েও কম। বিষাক্ত ধাতব উপাদানও কম। তাই এতে ক্যান্সার প্রতিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অনেক বেশি মাত্রায় থাকে। লাভ করা যায় দীর্ঘায়ু। এছাড়া রাসায়নিক ব্যবহার না করার কারণে জমির উর্বরতা বজায় থাকে। ফলে ফলন বেশি দিন পাওয়া যায়।
অর্গানিক ফুডকে জিএম ফুডের বিপরীত ফুড বলা হয়। জিএম ফুড হলো জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড। সাধারণভাবে আমাদের কাছে যা হাইব্রিড নামে পরিচিত। বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও ক্রমহ্রাসমান ফসলি জমির দরুন কিছুদিন আগে এ ফুডকে বিজ্ঞানের কল্যাণে প্রাপ্ত নিয়ামত ভাবা হলেও এখন তা হচ্ছে না। বর্তমানে প্রায় সব বিজ্ঞানীই এ ব্যাপারে একমত, জিএম ফুডে খরচের চেয়ে লাভ বেশি হলেও শারীরিক ক্ষতি ঢের। তাই এর জায়গা দখল করছে অর্গানিক ফুড। এ ফুডের আওতায় ধান, গম, আলু, পটল ও শাকসবজিসহ অন্যান্য কৃষিজাতদ্রব্য ও গবাদিপশু রয়েছে।
আমাদের দেশে অর্গানিক ফুড কথাটি গত কয়েক বছর ধরে শোনা গেলেও এখন অবধি অনেকেই জানেন না, এটি আসলে কী? দু’এক বছর আগেও গ্রামাঞ্চলে তো নয়ই, শহুরে শ্রেণিতেও খুব অল্প সংখ্যক মানুষ অর্গানিক ফুডের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তবে, ইদানীং অবস্থা পাল্টাচ্ছে। সুপারশপগুলো ঘুরে দেখা যায়, লোকজন এ ফুডের ব্যাপারে আগ্রহী। অর্থাৎ, বাজারে অর্গানিক ফুডের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে, হচ্ছে।
চাহিদা থাকা সত্তে¡ও সেভাবে তা উৎপাদিত হচ্ছে না। অনেক কৃষক জানেন না অর্গানিক ফুড কী? বিএডিসির (বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন) কৃষি কর্মকর্তা হাসনে মাহজাবীন জানান, অর্গানিক ফুড অবশ্যই ভালো। তবে, দরিদ্র কৃষকদের সেটি বোঝানো খুব মুশকিল। তারা চায় কম খরচে বেশি লাভ। তাই এখনো তেমনভাবে গ্রামাঞ্চলে এর প্রসার ঘটছে না। সরকারি পর্যায়ে অর্গানিক ফুডের উৎপাদন খরচ কমানো যায় কি না সেটির গবেষণা চলছে।
বাংলাদেশে অর্গানিক ফুডের প্রথম প্রচলনকারী হলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ফরহাদ মাজহার। কয়েক দশক ধরে তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ ফুডের বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নয়া কৃষি আন্দোলন মূলত অর্গানিক ফুড বা নিরাপদ আহার আন্দোলনেরই প্রতিরূপ।
এখন অনেকেই এ ফুডের দিকে ঝুঁকছেন। কেউ কেউ ব্যবসায়ও শুরু করেছেন। বাইরে থেকে আমদানিও হচ্ছে এ ধরনের খাদ্যদ্রব্য। ফসলের পাশাপাশি অনেকে গবাদি পশুও উৎপাদন করছেন অর্গানিক পদ্ধতিতে।
প্রচারণা, সচেতনতা: অর্গানিক ফুডের প্রসারে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্রণী ভ’মিকা রাখতে পারে গণমাধ্যম। এ নিয়ে নানা অনুষ্ঠান ও পাবলিকেশন প্রচার ও প্রকাশের মাধ্যমে উৎপাদক পর্যায়ে এর উপকারিতা বোঝাতে হবে। সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে। বেসরকারিভাবে উদ্যোগের ফলে দাম একটু বেশি হয়ে যায়। তাই এটাকে কৃষকপর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কৃষক শুরুতেই আগ্রহী হবেন না। তবে, সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে অন্তত প্রথম কয়েকটি বছর ভর্তুকির মাত্রা বাড়িয়ে চাষের উদ্যোগ নিলে তাদের সচেতন করা সম্ভব। বিশ্বকে সুস্থ সুন্দর রাখতে অর্গানিক ফুড অপরিহার্য।

সীমাবদ্ধতা: বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে

06/04/2022
মধুর উপকারিতা১. শক্তি বৃদ্ধি করে:শক্তি বৃদ্ধি করতে বা বাড়াতে মধু(honey) অন্যতম খাদ্য বা খাবার। তাপ ও শক্তির অন্যতম উৎস ম...
06/04/2022

মধুর উপকারিতা

১. শক্তি বৃদ্ধি করে:
শক্তি বৃদ্ধি করতে বা বাড়াতে মধু(honey) অন্যতম খাদ্য বা খাবার। তাপ ও শক্তির অন্যতম উৎস মধু। মধু দেহের তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ-সবল রাখে।

২. হজমে শক্তি বাড়ায় :
মধুতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়ে যায়। কারণ, মধুতে যে dextrin থাকে, তা সরাসরি রক্তের মধ্যে প্রবেশ করে এবং তাড়াতাড়ি ভাবে ক্রিয়া করা শুরু করে। পেটরোগা ব্যক্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ মধু।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
মধুতে আছে ভিটামিন-বি-কমপ্লেক্স। মধু খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যায়। সকালে ১- চামচ খাঁটি মধু পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লতা একেবারেই দূর হয়ে যায়।

৪. রক্তশূন্যতায় দূর হয়:
মধু বা honey রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। ফলে শরীরে রক্তশূন্যতায় দূর করে দেয়। কারণ- এতে রয়েছে খুব বেশি পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, লৌহ ও কপার।

আরও পড়ুন: দীর্ঘক্ষন বসে কাজ করলে যে সমস্যা হয় ও সর্তকতা

৫. ফুসফুস ও হাঁপানি সকল রোগ নিরাময়:
মধু ফুসফুসের যাবতীয় রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। যদি অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগী নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেয়, তাহলে সে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারবে। অনেকেই মনে করেন, ১ বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগীদের জন্য উপকারী।

৬. মধু নিদ্রার কাজে দেয়:
মধু নিদ্রার ভালো একটি ওষুধ। রাতে ঘুমানোর আগেই ১ গ্লাস পানির সঙ্গে ২–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

৭. যৌন দুর্বলতায় সহায়তা করে:

যৌন দুর্বলতায়

পুরুষের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা আছে, তাঁরা নিয়মিত যদি মধু ও ছোলা মিশিয়ে খায়, তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর পুরুষের যৌন দূর্বলতা দূর হয়ে যাবে।

৮. রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে:
মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং শরীরের ভেতরে ও বাইরে যেকোন ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের আক্রমণ রক্ষার জন্য ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে সবসময় রক্ষা করে।

Address

Muradpur
4310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Solution BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram