Dr Anisur Rahman Riad

Dr Anisur Rahman Riad MBBS(DU) BCS (Health)
A promise to be kept.....

ছোট একটা উদাহরণ দিই...একদিন সরকারি হাসপাতালে কতগুলো রোগী দেখা লাগে🩺একটা কলমের অর্ধেক কালি এক বসাতেই শেষ...
30/03/2026

ছোট একটা উদাহরণ দিই...
একদিন সরকারি হাসপাতালে কতগুলো রোগী দেখা লাগে🩺
একটা কলমের অর্ধেক কালি এক বসাতেই শেষ...


  /হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা ★Measles (মিজেলস) কী?এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এ...
28/03/2026

/হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা

★Measles (মিজেলস) কী?

এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি হয়, যদিও বয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারে।

★ কিভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে; সুস্থ মানুষ এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে।

ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস‑প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘন্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে।

একই ঘরে থাকলে প্রায় ৯০% অকার্যকরী টিকা‑নেওয়া বা ইমিউনিটি নেই/ কম এমন মানুষ সংক্রমিত হবে।

সংক্রমণ ক্ষমতা খুব বেশি, আক্রান্ত ব্যক্তি একাই প্রায় ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে যদি ভ্যাকসিন না নেয়।

★ উপসর্গ (Symptoms)

সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়।

১) জ্বর
২) কাশি এবং শ্বাসকষ্ট
৩) নাক দিয়ে পানি বের হওয়া
৪) চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া (conjunctivitis)
৫) মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
— এগুলি র‌্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়।

র‌্যাশ — প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে।

** র‌্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র‌্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে।

★ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ

১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) শিশুদের মধ্যে ০–৫ বছর
৩) অপুষ্ট শিশু
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী
এরা কম‑বেশি জটিলতায় পড়তে পারে।

★ জটিলতা

১) ফুসফুসের সংক্রমণ (Pneumonia)
২) কানের সংক্রমণ
৩) মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
৪) দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি
৫) খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) – কয়েক বছর পরে মস্তিষ্কের জটিল রোগ ঘটায়।

★করণীয়

Measles (হাম) হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়।তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।

১)আলাদা /Isolate রাখুন
২)জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন- প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
৩)পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন(পানি, স্যালাইন, ডাবের পানি,সহজপাচ্য খাবার- খিচুড়ি, স্যুপ,ফলের রস)
৪) Vitamin A ক্যাপসুল
*** ৫ বছর পর্যন্ত যে সকল শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায় নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।
৫)বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন :
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
খাওয়া বা পানি পান বন্ধ
কান ব্যথা বা কানে পুঁজ
জ্বর ৪–৫ দিনের বেশি থাকলে

★ প্রতিরোধ
টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

১) Measles, Mumps & Rubella (MMR) ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।

২) বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী- MR (Measles, Rubella) vaccine দেওয়া হয়।

সাধারণত
১) প্রথম ডোজ: ৯ মাস বয়সে
২) দ্বিতীয় ডোজ: ১৫ মাস বয়সে

দুই ডোজ ভ্যাকসিন আনুমানিক ৯৭% কার্যকর। কমপক্ষে ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগের সম্প্রসারণ রোধ করা যায় — একে বলা হয় Herd Immunity।

*****WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক।

★ বিশেষ পরিস্থিতি

***Outbreak এর সময় ৬ মাসের শিশুরাও টিকা পেতে পারে (বুস্টার হিসেবে)।

*****CATCH UP vaccination- যারা পূর্বে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেন নি- তারা অতিসত্ত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।

★ সতর্কতা জনসাধারণের জন্য :

১) রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা
২) হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা- মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদেরকে জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা

★★★স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় :

১) ২ ডোজ MR/MMR টিকা নেওয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
২) সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন ও হাত ধুবেন (Hand hygiene maintenance)।
৩) Measles রোগী isolate/ আলাদা রাখা জরুরি।
৪) Exposure হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
- টিকা নেওয়া থাকলে: ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন
- টিকা না থাকলে: ৭২ ঘন্টার মধ্যে MR/MMR vaccine নিন
৫) উপসর্গ হলে isolate/ আলাদা থাকুন।

??? অনেকে টিকা পাওয়া স্বত্ত্বেও কেন Measles হচ্ছে এইটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা দরকার!!

ডা. আসসাদে তারান্নুম,
এমবিবিএস(ডিএমসি),
বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য)।
( সংগৃহিত)

মডেল মসজিদ মদন, নেত্রকোণা📷 Ashraful Islam Shaful
27/03/2026

মডেল মসজিদ মদন, নেত্রকোণা
📷 Ashraful Islam Shaful

ভোর ০৬.০১ মিনিটে প্রথম প্রহরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে  উপজেলা স্বাস্থ্যবিভাগ মদন নেত্রকোনা এর   পক্ষ থে...
26/03/2026

ভোর ০৬.০১ মিনিটে প্রথম প্রহরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্যবিভাগ মদন নেত্রকোনা এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ।
#মহান_স্বাধীনতা ও #জাতীয়_দিবস

 #জনসচেতনতামূলক পোস্ট Measles (হাম):​হাম ভাইরাসজনিত রোগ, সামান্য অসতর্কতায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এর লক্ষণ ও প্র...
25/03/2026

#জনসচেতনতামূলক পোস্ট
Measles (হাম):
​হাম ভাইরাসজনিত রোগ, সামান্য অসতর্কতায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এর লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আমাদের জানা জরুরি।
​হামের প্রধান লক্ষণগুলো :
​প্রচণ্ড জ্বর এবং শরীর ম্যাজম্যাজ করা।
​সর্দি, কাশি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
​মুখ গহ্বরের ভেতরে ছোট সাদাটে দাগ
​কয়েকদিন পর সারা শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ দেখা দিতে পারে
​ # হাম হলে কী করণীয়?
১. রোগীকে আলাদা ঘরে রাখুন যাতে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ না ছড়ায়।
২. প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার ও বিশুদ্ধ পানি পান করুন
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ভিটামিন-এ ক্যাপসুল নিশ্চিত করুন।
৪. জ্বর কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল সেবন করুন।
​ # প্রতিরোধের উপায়:
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে টিকা নেওয়া।

সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে হামের টিকা (MR Vaccine) নিয়মিত দেওয়া হয় ।
যদিও সাম্প্রতিক বছর গুলোতে সময় মতো টিকার সংকট এর কারনে অনেক জেলায় শিশুরা সময় মতো টিকা পায়নি।এছাড়াও কোভিড এর সময় টিকা দেয়ার হার অনেকটাই কমে গিয়েছিল এবং যথাযথ ভাবে কোল্ড চেইন মেইনটেইন না করার কারণে টিকার কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে ।

তাই জ্বর এর সাথে গায়ে rash দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।

ডা: মো: মাহবুবুর রহিম
সহকারী অধ্যাপক, শিশু কিডনী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ।
© Md. Mahbubur Rahim Sazib

ইদ পরবর্তী বহির্বিভাগ..মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,নেত্রকোণা
24/03/2026

ইদ পরবর্তী বহির্বিভাগ..
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,নেত্রকোণা

একজন IBS (Irritable Bowel Syndrome) রোগী দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে Metronidazole ফ্রী  খাচ্ছেন—ফলাফলহ...
23/03/2026

একজন IBS (Irritable Bowel Syndrome) রোগী দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে Metronidazole ফ্রী খাচ্ছেন—ফলাফল
হাত–পায়ে ঝিনঝিনি

জ্বালাপোড়া অনুভূতি

অবশভাব

হাঁটতে অস্বস্তি

মানে Peripheral neuropathy ডেভেলপ করেছেন...

দীর্ঘদিন যাবত Metronidazole খেলে peripheral Neuropathy হতে পারে....

“পাতলা পায়খানা/পেট খারাপ” মানেই বারবার Metronidazole নয়।

Rational use of antibiotics saves nerves, not just lives.
(সংগৃহিত)
©Dr. Shajid Khan

20/03/2026
ঈদ মোবারক 💜ঈদুল ফিতর ১৪৪৭🌸
20/03/2026

ঈদ মোবারক 💜
ঈদুল ফিতর ১৪৪৭🌸

©collected
18/03/2026

©collected

18/03/2026

গতকাল রাতে ইনফেকশাস ডিজিজ হসপিটালে একজন শিশু মারা গেছেন মিজেলস বা হামে আক্রান্ত হয়ে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

মধ্যরাতে হসপিটালে ছুটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "কিছুদিন থেকে হামের রোগী বাড়ছে। হাসপাতালটিতে তিনটি ওয়ার্ডেই অতিরিক্ত হামের রোগী আছে। তাদের ভালো ট্রিটমেন্ট চলছে। কিন্তু এই রোগীটির অবস্থা খারাপ ছিল। তার আইসিইউর সাপোর্ট দরকার ছিল, কিন্তু এই হাসপাতালের আইসিইউটি বন্ধ। আর অন্য কোথাও এই ধরণের পেশেন্ট নেয় না। এখানে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল না।"

তিনি ২৪ ঘন্টার মধ্যেই উক্ত হসপিটালে আইসিইউ চালুর আশ্বাস দেন। ডিএনসিসি হসপিটাল মিজেলস ডেডিকেটেড হসপিটাল হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
...

হঠাৎ করেই বাংলাদেশে হাম বা মিজেলস (Measles) আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এটি একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ, যা বিশেষ করে শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই।

হাম একটি ভাইরাসজনিত তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ। একটি সাধারণ ভুল ধারণা আছে যে এটি কেবল একটু জ্বর বা গায়ের র‍্যাশ। কিন্তু বাস্তবে, হামের সংক্রমণ থেকে ভয়াবহ জটিলতা তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানের ভাষায় এর সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সরাসরি ১২ থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

কীভাবে ছড়ায়?

হাম একটি বায়ুবাহিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার মাধ্যমে বাতাসে ভাইরাসের কণা ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাস বাতাসে বা কোনো বস্তুর ওপর প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

হামের লক্ষণ কী?

হামের র‍্যাশ বা লালচে দানা ওঠার অন্তত ৪ দিন আগে থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি ভাইরাসটি ছড়াতে শুরু করেন। চিকিৎসকদের মতে, র‍্যাশ ওঠার আগের এই লক্ষণগুলো চিনতে পারা খুব জরুরি:

আমরা 3C দিয়ে মনে রাখি

1. Cough (তীব্র কাশি)
2. Coryza (সর্দি বা নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া)
3. Conjunctivitis (চোখ লাল হওয়া বা চোখ ওঠা

এছাড়াও:

* তীব্র জ্বর।
* মুখে বা গলায় অস্বস্তি।
* মুখের ভেতর ফোলা অংশের মতো 'কপ্লিক স্পট' (Koplik spots) দেখা দেওয়া।
* ৩-৪ দিন পর মুখমণ্ডল থেকে র‍্যাশ শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

কী কী জটিলতা হতে পারে?

হাম আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে:

* নিউমোনিয়া: হামে মৃত্যুর প্রধান কারণ।

* অপুষ্টি ও ডায়রিয়া: শিশুদের শরীর মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেয়।

* অন্ধত্ব: চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

* এনসেফালাইটিস: মস্তিষ্কে সংক্রমণ, যা তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্ব ডেকে আনতে পারে।

* SSPE (Subacute Sclerosing Panencephalitis): এটি হামের অনেক বছর পর হওয়া একটি বিরল কিন্তু অবধারিতভাবে মৃত্যু ঘটানো মস্তিষ্কের জটিল রোগ।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথায়। আমাদের করণীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

১. টিকা, টিকা এবং টিকা: হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকরী উপায় হলো সঠিক সময়ে টিকা নেয়া।

বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা দেওয়া হয়। আমাদের পরিচিত কোনো শিশু যেন এই টিকা থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

(মনে রাখবেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এর সাথে অটিজমের কোনো সম্পর্ক নেই।)

২. ভিটামিন-এ (Vitamin A): হাম আক্রান্ত শিশুদের জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো জরুরি। এটি শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি UNICEF ও WHO-এর প্রটোকল।

৩. আইসোলেশন ও পরিচ্ছন্নতা:

* আক্রান্ত শিশুকে অন্ততপক্ষে র‍্যাশ ওঠার পর ৫ দিন পর্যন্ত আলাদা ঘরে রাখুন।
* রোগীর সংস্পর্শে এলে মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
* ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করুন।

৪. ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষা: গর্ভবতী নারী, ক্যানসার আক্রান্ত রোগী, বা যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম (ইমিউনোকম্প্রোমাইজড), তাদের হাম আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা আবশ্যক।

হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। মূলত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসাই প্রধান ভরসা। সর্দি, জ্বর ও কাশির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ নিতে হবে। প্রচুর তরল খাবার, ফলের রস, স্যুপ, সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।

বাংলাদেশ টিকাদান কর্মসূচিতে অনেক সাফল্য অর্জন করলেও একটি বড় অংশের মানুষ এখনো ঝুঁকির মুখে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে স্থবিরতা আসায় এই সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে।

আসুন, আমরা সবাই মিলে সতর্ক হই এবং শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করি। কোনো প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।

সংক্রামক রোগগুলো আসলে শুধু নিজে নিজে সতর্ক হয়ে প্রতিরোধ করা কঠিন। পুরো কমিউনিটিরই সচেতনতা প্রয়োজন। তাই নিজেদের স্বার্থেই অন্যদের সচেতন করতে হবে।

(উল্লেখ্য পোস্টটি পাবলিক পোস্ট হিসেবে দেওয়া আছে।)

ডা. মারুফ রায়হান খান
৩৯ তম বিসিএসের চিকিৎসক

১৪.৩.২০২৬থাকুক স্মৃতির পাতায়...
15/03/2026

১৪.৩.২০২৬
থাকুক স্মৃতির পাতায়...

Address

Ishwargonj
Mymensing

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Anisur Rahman Riad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category