02/04/2026
হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশু ও বয়স্কদের আক্রান্ত করে। মাত্রাতিরিক্ত জ্বর, সর্দি, কাশি, লালচে চোখ এবং সারা শরীরে লাল দানা বা ফুসকুড়ি এর প্রধান লক্ষণ । এটি প্রতিরোধে শিশুকে ৯ ও ১৫ মাস বয়সে এবং বর্তমানে বিশেষ পরিস্থিতিতে ৬ মাসে হামের টিকা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। হাম হলে রোগীকে আলাদা রাখা এবং প্রচুর তরল পান করানো প্রয়োজন।
হামের লক্ষণ ও সতর্কবার্তা:
• প্রাথমিক লক্ষণ: তীব্র জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পানির মতো চোখ দিয়ে পানি পড়া।
• ফুসকুড়ি: জ্বরের ৩-৫ দিন পর মুখ ও চুলের রেখা থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লালচে দানা বা ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।
• জটিলতা: নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) এবং কানের সংক্রমণ হতে পারে।
• ঝুঁকি: ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে জটিলতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
প্রতিরোধ ও করণীয়:
• টিকা গ্রহণ: হামের টিকা (MMR) সময়মতো নেওয়া সর্বোত্তম প্রতিরোধ।
• আইসোলেশন: আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফুসকুড়ি ওঠার পর অন্তত ৪-৫ দিন আলাদা ঘরে রাখতে হবে।
• সতর্কতা: আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি থেকে ছড়ায়, তাই মাস্ক ব্যবহার ও নিয়মিত হাত ধোয়া জরুরি।
• পুষ্টি: আক্রান্ত শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। ভিটামিন A-এর অভাব থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট দেওয়া যেতে পারে।
• চিকিৎসক: লক্ষণ তীব্র হলে (যেমন- শ্বাসকষ্ট, উচ্চ জ্বর না কমা) দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
জরুরি নির্দেশনা: সম্প্রতি হামের প্রকোপ বাড়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সচেতনতা ও টিকাদানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা বিষয়ক সহায়তা অথবা সিরিয়ালের জন্য মেহেরবানী করে ডায়াল করুন 09611 678 922
আমাদের ঠিকানাঃ
২৯ সেহড়া, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০
(গার্লস ক্যাডেট কলেজের বিপরীত পার্শ্বে)
তথ্য, অনুসন্ধান ও সিরিয়ালের জন্য ০৯৬১১ ৬৭৮ ৯২২
এ্যাম্বুলেন্সঃ ০১৩২২ ৮৫ ৯৯ ৭০
নেক্সাস ক্যাফেঃ ০৯৬১১ ৬৭৮ ৩৫৩
নেক্সাস মডেল ফার্মেসীঃ ০৯৬১১ ৬৭৮ ৩৫৪
নেক্সাস হাসপাতালে নিয়মিত এনজিওগ্রাম, হার্টের রিং স্থাপন ও পেসমেকার সেবা প্রদান করা হয়।