24/10/2025
[এই ভাইরাল পোস্টটা নিয়ে লিখছি এটার রিচ বিবেচনা করে। ১৬ হাজারের উপর রিএকশন এবং প্রায় সাড়ে ৫ হাজারের মত শেয়ার। মানে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে এটা পৌছেছে। অনেক মানুষকেই কনফিউজ করে দিবে। যার মধ্যে একটা অংশ টিকাটা আর দেয়াবে না। ফলে, টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এবং এই সংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
যারা আমার বিচার-বিবেচনা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের উপর আস্থা রাখতে পারবেন তারা যেন বিভ্রান্ত না হন সেজন্যেই এই পোস্ট। কোন প্রকার প্রচারণা চালানোর ইচ্ছা নাই। আসলে সময়ও নাই। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন। ]
১ম সমস্যা হলো, উনারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা চার্ট ব্যবহার করেছেন নিজেদের প্রপাগান্ডায়। কিন্তু পুরো চার্টটা দেন নাই। আমি কমেন্টে লিংক দিচ্ছি। যে কেউ নিজে দেখতে পারবেন। এই চার্টটার শেষ সারিতে(Row) আছে Safety. উনারা এটা ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়েছেন। শুধু পছন্দের অংশটা নিয়েছেন। শেষের লাইনে টিকার নিরাপত্তা নিয়ে WHO লিখেছে " Based on clinical trial data (9), TYPHIBEV has an acceptable safety profile with no safety signals to date. " অর্থাৎ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের উপর নির্ভর করে, TYPHIBEV গ্রহনযোগ্য মাত্রায় নিরাপদ। এবং এখন পর্যন্ত নিরাপত্তাসংক্রান্ত কোন সমস্যার লক্ষণ পাওয়া যায় নাই। এই অংশটা কেন বাদ দিলেন?
২য় সমস্যা হলো, একই চার্টের উপরের দিকের একটা সারি (Row) তে আছে WHO recommendation for programmatic use (উপর থেকে ৪ নং সারি)। সেখানে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছে যে এই টিকা (দুইটাই) প্রোগ্রামে ব্যবহার করা যাবে। সমস্যা হচ্ছে তারা Efficacy র অংশটা হাইলাইট করলেও এই অংশটা এড়িয়ে গিয়েছেন। উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐ দিকে যেন নজর না যায়। কেন?
আপনি WHO কে বিশ্বাস করবেন অথবা করবেন না। কিন্তু অর্ধেক মানবেন আর বাকী অর্ধেক মানবেন না সেটা কি যৌক্তিক? কোরান-হাদীসের শুধু পছন্দের অংশের উপর আমল করলে কি হবে?
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত কয়েক কোটি বাচ্চাকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। বড় ধরণের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাই নাই। শুধু শুধু মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
প্রশ্ন আসে, "কেন?"। নিজের ফলোয়ার বাড়ানো। নিজেকে হাইলাইট করা ছাড়া তো আর কোন কারণ আমার মাথায় আসে না।