Dr-Abul Hayat Sheikh

Dr-Abul Hayat Sheikh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr-Abul Hayat Sheikh, Doctor, Rajshahi.

আসসালামু আলাইকুম,
শেখ হোমিও হল=প্রভাষক ডা.আবুল হায়াত শেখ=অনলাইনের চিকিৎসা দেয় যৌন, বন্ধ্যাত্ব,মেয়েদের সমস্যার সকল রোগীর অভিজ্ঞ চিকিৎসক।নতুন-পুরাতন ও জটিল রোগীর চিকিৎসা দেয়=কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ওষুধ দেওয়া হয়=মোবাইল:০১৭১৩৭৬২৯৮২

অ্যাজমার সাধারণ লক্ষণ1️ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া– বিশেষ করে রাতের বেলা বা ভোরে– দৌড়ালে, ধুলাবালি, ঠান্ডা বাতাসে বেশি হয়2️শ্ব...
03/02/2026

অ্যাজমার সাধারণ লক্ষণ
1️ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
– বিশেষ করে রাতের বেলা বা ভোরে
– দৌড়ালে, ধুলাবালি, ঠান্ডা বাতাসে বেশি হয়
2️শ্বাসের সময় বাঁশির মতো শব্দ হওয়া (Wheezing)
– বুকের ভেতর শোঁ শোঁ শব্দ
3️ বুকে চাপ বা ভারী ভাব
– মনে হয় বুক আটকে আছে
4️ বারবার কাশি
– বিশেষ করে রাতে বা ভোরে
– ঠান্ডা লাগলে বা হাসলে কাশি বাড়ে
5️ শ্বাস নিতে সময় বেশি লাগা
– হালকা কাজেও হাঁপিয়ে যাওয়া
★ অ্যাজমা বাড়লে (Asthma Attack) যে লক্ষণগুলো হয়
🔴 খুব দ্রুত শ্বাস
🔴 কথা বলতে কষ্ট হওয়া
🔴 বুক ও গলার পেশি দেবে যাওয়া
🔴 ঠোঁট বা নখ নীলচে হয়ে যাওয়া (জরুরি অবস্থা!)
★ কোন কারণে লক্ষণ বাড়ে?
ধুলাবালি, ধোঁয়া
ঠান্ডা বাতাস
পরাগরেণু
সিগারেটের ধোঁয়া
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস
সর্দি–কাশি

03/02/2026

ইয়া রব আমি গর্বিত যে আপনি আমারে মুসলিম ঘরে জন্ম গ্রহন করিয়েছেন। ইয়া রহমান, আমি গর্বিত আপনি আমারে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর উম্মত হিসেবে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। 🤲শুভ সকাল 🌹

02/02/2026

০৩-০২-২০২৬ তারিখ থেকে রেগুলার রোগী দেখবো ইনশাআল্লাহ
সোনামসজিদ চেম্বারে

অজ্ঞান হওয়া - Coma,unconsciousness, shockঅজ্ঞান বা অচেতন হওয়ার কারণ এবংলক্ষণের উপর ভিত্তি করে ঔষধ প্ৰয়োগকরতে হবে।Carb...
02/02/2026

অজ্ঞান হওয়া - Coma,
unconsciousness, shock
অজ্ঞান বা অচেতন হওয়ার কারণ এবং
লক্ষণের উপর ভিত্তি করে ঔষধ প্ৰয়োগ
করতে হবে।

Carbo Vegetabilis : কোনো মুমুর্ষ রোগী
অত্যধিক রোগ যন্ত্রণার কারণে অজ্ঞান
হয়ে গেলে কার্বো ভেজ ঔষধটি পাঁচ দশ
মিনিট পরপর খাওয়াতে থাকুন। ঔষধ
মুখে ঠোটের ভেতরে রাখতে পারলেই
চলবে অথবা ঘ্রাণের সাথে ব্যবহার
করুন। যে-কোন বিপজ্জনক পরিস্থিতি
সামলাতেও (অর্থাৎ অন্তিম মুহুর্তে
সাময়িক ভাবে Carbo Vegetabilis
অথবা Camphora ঔষধটি ব্যবহার
করতে পারেন। এই দুইটি ঔষধকে বলা
হয় হোমিওপ্যাথিক কোরামিন। প্রয়োগ করার পূর্বে অবশ্যই দুইটা মেডিসিনের লক্ষণ মিলিয়ে যেটার লক্ষণ বেশি পাওয়া যাবে সেটাই প্রয়োগ করতে হবে।

Arnica Montana : উপর থেকে পড়ে
গিয়ে বা আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে গেলে
আর্নিকা রিপিটেশন ডোজ ভালো কাজ করে।

Hypericum Perforatum : দাঁত উঠানোর
কারণে অথবা শরীরের কোন সেনসেটিভ
জায়গায় (অণ্ডকোষ, মাথা, নিতম্বের
নিকটের হাড়, আঙ্গুলের মাথায়
ইত্যাদি আঘাত লাগার কারণে প্রচন্ড ব্যথায় অজ্ঞান হলে হাইপেরিকাম রিপিটেশন ডোজ ভালো কাজ করে।

China Officinalis : অতিরিক্ত
রক্তক্ষরণের কারণে অজ্ঞান হলে চায়না
বেশ উপকারী।

Phosphorus : বৈদ্যুতিক শক বা
বজ্রপাতে অজ্ঞান হলে ফসফরাস রিপিটেশন ডোজ ভালো কাজ করে।

Ignatia Amara : দুঃসংবাদ শুনে অজ্ঞান
হলে ইগ্নেশিয়া বেস্ট বলা যায়। রিপিটেশন ডোজে প্রয়োগ করুন।

Coffea Cruda: সুসংবাদ শুনে অজ্ঞান
হলে কফিয়া ঔষধটি রিপিটেশন ডোজ এ প্রয়োগ করুন।

O***m : ভয় পেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে O***m
রিপিটেশন ডোজে প্রয়োগ করুন। এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় আমরা Aconite ব্যবহার করতে পারি।

Glonoine : কড়া রৌদ্রে থাকার কারণে
মাথাব্যথা বা অজ্ঞান হলে Glonoine এবং Belladona খুব ভালো কাজ করে।

👉 ওপরে প্রয়োগ পদ্ধতি গুলো ফিফটি মিলিসিমাল বা ৫০ সহস্র তমিক পদ্ধতিতে বলা হয়েছে । এছাড়া কোন কারনে রোগী অজ্ঞান হয়ে গেছে সেই কারণ কে আইডেন্টিফাই করে লক্ষণ সদৃশ মেডিসিন প্রয়োগ করতে হবে।

অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) হলো হাড়ের এমন একটি রোগ, যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায় এবং হাড় ছিদ্রযুক্ত, ভঙ্গুর ও দু...
02/02/2026

অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) হলো হাড়ের এমন একটি রোগ, যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায় এবং হাড় ছিদ্রযুক্ত, ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে পড়ে । এটি মূলত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর অভাবে হয়, বিশেষ করে বয়স্ক নারী-পুরুষের মধ্যে দেখা যায় । সামান্য আঘাতেই এ রোগে হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে ।






02/02/2026

একজন আদর্শ চিকিৎসকের প্রিয় ছাত্র হয়ে ওঠা আল্লাহর বড় একটা নিয়ামত ! আলহামদুলিল্লাহ।।

🥀ডাক্তার স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের সবথেকে কাছের ও প্রিয় শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হেরিং । যদিও হ্যানিম্যানের চিকিৎসাবিদ্যা প্রচার ও প্রসারে ড. বোনিংহাউসেন এর নামও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে হেরিংয়ের কাজের ধারা হ্যানিম্যানের মতাদর্শের খুব কাছাকাছি ছিল।

🥀হেরিং প্রথমে হোমিওপ্যাথির সমালোচক থাকলেও পরবর্তীতে হ্যানিম্যানের মতাদর্শে দীক্ষিত হন এবং হ্যানিম্যানের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতা প্রমাণ করেন। তিনি "ম্যাটেরিয়া মেডিকা" (Encyclopedia of Materia Medica) রচনার মাধ্যমে অবদান রাখেন। বোনিংহাউসেন ছিলেন হ্যানিম্যানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং অন্যতম বিশ্বস্ত অনুসারী।

🥀জেমস টেইলর ক্যান্ট (James Tyler Kent) সরাসরি ড. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ছাত্র ছিলেন না। কেন্ট হ্যানিম্যানের মৃত্যুর (১৮৪৩) পর, অর্থাৎ ১৮৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং পরে হোমিওপ্যাথি গ্রহণ করেন।

🥀তিনি হ্যানিম্যানের মতাদর্শ (Hahnemannian Homoeopathy) অনুসরণ ও প্রচার করলেও, সরাসরি তার কাছে শিক্ষা নেননি।

🥀প্রথমে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক থাকলেও, পরে নিজের স্ত্রীর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আরোগ্য দেখে তিনি এই বিদ্যায় দীক্ষিত হন।

🥀তিনি আধুনিক হোমিওপ্যাথির অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এবং হ্যানিম্যানের দর্শনের ওপর ভিত্তি করে কাজ করেছেন।

🥀কেন্ট ১৯০৩ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত শিকাগোর Hahnemann Medical College ও হেয়ারিং মেডিকেল কলেজে অধ্যাপনা করেছেন।

🥀বিখ্যাত গ্রন্থ: তিনি "Repertory of the Homœopathic Materia Medica" এবং "Lectures on Homoeopathic Philosophy" এর মত কালজয়ী গ্রন্থ রচনা করেছেন।

🥀হ্যানিম্যান ১৮১২ থেকে ১৮২১ সাল পর্যন্ত লিপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে শিক্ষা দান করতেন, যেখানে বহু ছাত্র তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেন
#হোমিওপ্যাথি #ডাঃহ্যানিম্যান #হেরিং #বোনিংহাউসেন #জেমস_টেইলর_কেন্ট #হোমিওপ্যাথির_ইতিহাস #আদর্শ_চিকিৎসক #চিকিৎসা_দর্শন #ম্যাটেরিয়া_মেডিকা #রেপার্টরি

বাত ব্যথা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিনের পার্থক্য তুলে ধরা হলো -🌷ব্যথা, বেদনা, বাত, বাতের ব্যথা,গিরা ব্যথা, গাউট, ...
02/02/2026

বাত ব্যথা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিনের পার্থক্য তুলে ধরা হলো -

🌷ব্যথা, বেদনা, বাত, বাতের ব্যথা,
গিরা ব্যথা, গাউট, হাড়ের ক্ষয় - Pain, ache, Rheumatism,
Arthritis, Joint pain, gout , osteoporosis.
ব্যথার ধরন, ব্যথার কারণ ইত্যাদি লক্ষণ
মিলিয়ে ঔষধ সেবন করতে হবে । সব ধরনের
ব্যথায় একই ঔষধ সেবন করা যাবে না ।

🌷Aconiturn Napellus : একোনাইট ব্যথার
একটি সেরা ঔষধ। সাধারণত ভয়ঙ্কর
ধরণের ব্যথা, ছুড়ি মারার মতো ব্যথা, হুল
ফোটানোর ব্যথা, ব্যথার চোটে দম বন্ধ
হয়ে আসে, ব্যথা যদি হঠাৎ দেখা দেয়
এবং ব্যথার চোটে যদি 'এখনই মরে যাব'
এমন ভয় হতে থাকে, তবে একোনাইট
ভালো কাজ করবে।

🌷Arnica Montana : যে-কোন ধরনের
আঘাত, থেতলানো, মচকানো, মোচড়ানো
বা উপর থেকে পতনজনিত ব্যথায়
আর্নিকা প্রেসক্রিপশন করতে পারি। পেশী বা মাংশের
ব্যথায় আর্নিকা এক নম্বর ঔষধ। শরীরের
কোন একটি অঙ্গের বেশী ব্যবহারের ফলে
যদি তাতে ব্যথা শুরু হয়, তবে আর্নিকা
কার্যকরী মেডিসিন। যদি শরীরের কোন
অংশে এমন তীব্র। ব্যথা থাকে যে, কাউকে
তার দিকে আসতে দেখলেই সে ভয় পেয়ে
যায় (কারণ ধাক্কা লাগলে ব্যথার চোটে
তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে); এমন লক্ষণে
আর্নিকা প্রযোজ্য। আঘাত পাওয়ার
কয়েক বছর পরেও যদি সেখানে কোন
সমস্যা দেখা দেয়, তবে আর্নিকা সেটি
নিরাময় করবে।

🌷Bryonia Alba : মাথা ব্যথা, জয়েন্টের
:
ব্যথা, হাড়ের ব্যথা, মাংশের ব্যথা, বুকের
ব্যথা, বাতের ব্যথা প্রভৃতিতে ব্রায়োনিয়া
সেবন করতে পারেন যদি সেই ব্যথা
নড়াচড়া করলে বেড়ে যায়। ব্রায়োনিয়ার
লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ যত বেশী
নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী পেতে
থাকে।

🌷Rhus Toxicodendron : পক্ষান্তরে মাথা
ব্যথা, জয়েন্টের ব্যথা, হাড়ের ব্যথা
মাংশের ব্যথা, বুকের ব্যথা, বাতের ব্যথা
প্রভৃতিতে রাস টক্স সেবন করতে পারেন
যদি সেই ব্যথা নড়াচড়া করলে কমে যায়।
রাস টক্সের লক্ষণ হলো আক্রান্ত অঙ্গ
যত বেশী নড়াচড়া করবে, ব্যথা তত বেশী
কমতে থাকে। খুব ভারী কিছু উঠাতে গিয়ে
কোমরে বা শরীরের অন্য কোন স্থানে ব্যথা
পেলে এবং যদি তা গরমে উপশম হয় তাহলে রাস টক্স এক নাম্বার ঔষধ।

🌷Chamomilla : যদি ব্যথার তীব্রতায়
কোন রোগী জ্ঞানশূণ্য হয়ে
পড়ে, তার হিতাহিত জ্ঞানও লোপ পেয়ে যায়,
সে ডাক্তার বা নার্সকে গালাগালি দিতে
থাকে; তবে তাকে ক্যামোমিলা প্রেসক্রিপশন করতে
হবে। ক্যামোমিলা হলো অভদ্র রোগীদের
ঔষধ ।

🌷Colchicum Autumnale : কলচিকাম
গেটে বাত বা জয়েন্টের ব্যথায় ব্যবহৃত
হয়। ছোট ছোট জয়েন্টের বাতে এবং
বিশেষত পায়ের বৃদ্ধাঙুলের বাতের ব্যথায়
কলচিকাম প্রযোজ্য। কলচিকামের প্রধান
লক্ষণ হলো খাবারের গন্ধে বমি আসে
এবং আক্রান্ত অঙ্গের জোর/শক্তি কমে
যায়।

🌷Hypericum Perforatum : যে-সব
আঘাতে কোন স্মায়ু ছিড়ে যায়, তাতে
খুবই মারাত্মক ব্যথা শুরু হয়, যা নিবারণে
হাইপেরিকাম খাওয়া ছাড়া গতি নেই।
শরীরের সপর্শকাতর স্থানে আঘাত
পেলে বা কিছু বিদ্ধ হলে হাইপেরিকাম
খেতে হবে ঘনঘন। যেমন- ব্রেন বা মাথা,
মেরুদন্ড, (পাছার নিকটে) কার হাড়ে,
আঙুলের মাথায়, অণ্ডকোষে ইত্যাদি
ইত্যাদি।
আঘাতের স্থান থেকে প্রচণ্ড ব্যথা যদি চারদিকে
ছড়াতে থাকে বা খিঁচুনি দেখা দেয় অথবা
শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায়
(ধনুষ্টঙ্কার), তবে হাইপেরিকাম ঘনঘন
খাওয়াতে থাকুন৷

🌷Ledum Palustre : সূচ, আলপিন,
তারকাটা, পেরেক, টেটা প্রভৃতি বিদ্ধ
হলে ব্যথা কমাতে এবং ধনুষ্টঙ্কার / খিচুনি
ঠেকাতে লিডাম ঘনঘন খাওয়ান। অৰ্থাৎ
যে-সব ক্ষেত্রে কোনকিছু শরীরের অনেক
ভেতরে ঢুকে যায়, তাতে লিডমি প্রযোজ্য।
এই ক্ষেত্রে লিডাম ব্যথাও দূর করবে
এবং ধনুষ্টংকার হলে তাও সারিয়ে দেবে৷
চোখে ঘুষি বা এই জাতীয় কোনো আঘাত
লাগলে ও বাতের ব্যথায় উপকারী বিশেষত
যাদের পা দুটি সব সময় ঠান্ডা থাকে৷

🌷Pulsatilla Pratensis : পালসেটিলা'র
ব্যথার প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন
স্থান পরিবর্তন করে। আজ এক জায়গায়
তো কাল অন্য জায়গায় কিংবা সকালে
এক জায়গায় তো বিকালে অন্য
জায়গায়।

🌷Lac Caninum : ল্যাক ক্যান-এর ব্যথার
প্রধান লক্ষণ হলো ব্যথা ঘনঘন সাইড/
পার্শ্ব পরিবর্তন করে। আজ ডান পাশে তো
কাল বাম পাশে কিংবা সকালে সামনের
দিকে তো বিকালে পেছনের দিকে৷

🌷Bellis Perennis : প্রচণ্ড গরমের সময়
অথবা পরিশ্রম করে ঘর্মাক্ত শরীরে
আইসক্রিম বা খুব ঠান্ডা পানি খাওয়ার
পরে যদি ব্যথা বা অন্য যে-কোন রোগ
দেখা দেয়, তবে বেলিস পিরেনিস উপকারী।

🌷Magnesia Phosphorica : ম্যাগ ফস
স্নায়বিক ব্যথার ঔষধ। ইহার
ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছুড়ি মারা অথবা
চিড়িক মারা ধরণের মারাত্মক ব্যথা ।
আক্রান্ত অঙ্গকে মনে হবে কেউ যেন
লোহার হাত দিয়ে চেপে ধরেছে।

🌷Thuja Occidentalis : টিকা বিসিজি,
ডিপিটি, এটিএস, পোলিও, হেপাটাইটিস,
এটিএস ইত্যাদি) নেওয়ার কারণে ব্যথা
হলে থুজা উপকারী। টিকা নেওয়ার
কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে চিড়িক
মারা ব্যথা (neuralgia, sciatica) অর্থাৎ
স্নায়বিক ব্যথা হয় এবং বার্নেটের মতে
থুজা হলো ইহার শ্রেষ্ট ঔষধ।



#স্বস্থ্য_সচেতনতা

‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে’আল্লাহ রাববুল আলামীন কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন-كُلُّ نَفْسٍ ذَآىِٕقَةُ ال...
02/02/2026

‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে’
আল্লাহ রাববুল আলামীন কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন-
كُلُّ نَفْسٍ ذَآىِٕقَةُ الْمَوْتِ ؕ

প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।

যে কোন প্রাণীই হোক তার উপর মৃত্যু একবার আসবেই। ভালো হোক খারাপ হোক তাকে মরতে হবে।

এ রকম দুনিয়াতে যেই আসে সেই চলে যাবে। এখানে আসার অর্থই তাকে যেতে হবে। আর আসার পর থেকেই যাওয়ার সময় এগুচ্ছে। একজন লোক আসার পর থেকে আমরা দেখছি সে বড় হচ্ছে। কিন্তু আসলে তার যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। যাওয়ার দিকে সে অগ্রসর হচ্ছে। এই দুনিয়াতে কতজন আসে আবার কতজন যায়। কারো যাওয়াটা একটা বড় বিষয় আর কারো যাওয়াটা কোন বিষয়ই নয়। আল্লাহর খাস এক ওলী ছিলেন তিনি। মানুষকে সঠিক রাস্তা দেখাতেন, সুন্নতের রাস্তা দেখাতেন, খারাপ ছেড়ে ভালো পথে চলার পথ দেখাতেন। এই নেক কাজ তিনি করতেন, মানুষকে নেক কাজের উপর প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাঁর দিন-রাতের সাধনা ছিল এবং জীবন-মরণ শুধু সুন্নতের জন্যই ছিল। কিভাবে সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, প্রতিটা ঘরে প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে কিভাবে সুন্নতী জীবন আসতে পারে এবং কিভাবে মানুষ গুনাহ থেকে, বিদআত থেকে, কুফর ও শিরিক থেকে বাঁচতে পারে- সেই এক ফিকির আর মাথা ব্যথা ছিল সর্বদা। উম্মতের দরদে, উম্মতের ব্যথায় তিনি ব্যথিত ছিলেন সব সময়। এই কথাটাই দেখবেন এখন আলোচনা হচ্ছে। শুধু এখানে নয় সব জায়গায়। কারণ তিনি নিজেকে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন, নিজের জীবনকে আল্লাহর দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছেন।

‘আমার জীবন আমার মরণ আল্লাহর জন্য।’ তিনি তাঁর জীবনকে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছেন। আর আল্লাহর বিধান এবং আ্ল্লাহর নীতি হল, যে আল্লাহর জন্য হয়েছে, নিজেকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করে দিয়েছে আল্লাহর জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছে আল্লাহ তার হয়ে যান। আর যখন আল্লাহ তার হয়ে যাবেন তখন সকল মানুষ তার হয়ে যাবে। সমস্ত মাখলুকের অন্তর তো আল্লাহর হাতে। আল্লাহর কুদরতের কব্জায়। মাখলুকের দিলের খালেক আল্লাহ, দিলের মালিক আল্লাহ। তাদের অন্তরে তোমার মুহাববত আল্লাহই দিয়ে দিবেন। তো আজকে হযরত আবরারুল হক রহ. এর জীবনী বলা উদ্দেশ্য নয়, জীবনী বের হবে। পত্রিকায়ও আপনারা কিছু পড়েছেন, আরো অনেক কিছু জানা যাবে। যে কথাটা আজকের মজলিসে আমি বলতে চাই সেটা হল এই যে, আল্লাহর বান্দারা যাচ্ছেন। চলে যাচ্ছেন আল্লাহর ওলীরা। তাঁদের জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু নেওয়ার আছে। কুরআন মাজীদে আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন-

اُولٰٓىِٕكَ الَّذِیْنَ هَدَی اللّٰهُ فَبِهُدٰىهُمُ اقْتَدِهْ ؕ

এদেরকে আল্লাহ তাআলা হেদায়েত দান করেছেন। সুতরাং তুমিও তাদের পথের অনুসরণ কর। তুমিও তাদের হেদায়েতের পথে চল। যাদেরকে আল্লাহ তাআলা হেদায়াত দান করেছেন। যারা সিরাতে মুস্তাকীমের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আনিত শরীয়তের উপর, রাসূলের সুন্নতের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। আল্লাহ বলেছেন, তুমি তাদের রাস্তায় চল। তাহলে সেটাই হল নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাস্তা, সাহাবায়ে কেরামের রাস্তা। আর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রাস্তায় চলেছেন সেটাই হেদায়েতের একমাত্র রাস্তা। আল্লাহকে রাজী-খুশি করার, আল্লাহকে পাওয়ার একমাত্র রাস্তা। তো এই যে লোকটা জীবনভর সুন্নতের দাওয়াত দিয়ে গেলেন, তাঁর শিক্ষা-দীক্ষার মধ্যে ছোট ছোট কিছু কথা আছে। একেবারে ছোট ছোট এক-দুইটা বাক্য, অল্প কয়েকটা কথা। যদি ভালোভাবে বুঝে এগুলোর উপর আমল করা যায় তাহলে সুন্নত এবং শরীয়তের রাস্তায় চলা আমাদের জন্য অনেক আসান। এই ধরনের কথা তাঁর জীবনে এবং শিক্ষা-দীক্ষার মধ্যে অনেক আছে। এটা তাঁর আবিস্কৃত নয়, তার আবিষ্কৃত হলে কে তার অনুসরণ করত? সব রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের জীবন ও সীরাত থেকে নেওয়া জিনিস। সে জন্যই বলা।

একটা ‘মাকূলা’ তিনি বলতেন বেশি বেশি ‘মা লা ইউদরাকু কুল্লুহু লা ইউতরাকু কুল্লুহু।’ আমরা বাংলায়ও বলি- ‘পূর্ণ নয় তো আধাই সই।’ এটা একটা থিওরি ছিল তার। এটা সহজ সরল কথা, যা দুনিয়ার ব্যাপারে আমরা বুঝি, আখেরাতের কাজের ব্যাপারে এটার দিকে লক্ষ করি না। আবরারুল হক সাহেব বলতেন, এটার দিকে তোমরা লক্ষ রাখ। যেটুকু পার শুরু কর। আমরা মনে করি, আহা বুযুর্গ হতে জানি কত কিছু করা লাগে। এত কিছু কি করা যাবে? এর জন্য অনেক বড় সাধনা দরকার। একেবারে বড় কোরবানী দরকার, ত্যাগ-তিতিক্ষা দরকার। সেটার জন্য তো আমরা ফারেগ নই। সেই সুযোগ আমাদের নেই। সেই হিম্মত আমাদের নেই। হযরত বলেন যে, না এটা কোনা কথা নয়। বরং তুমি রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুটি হাদীসের দিকে লক্ষ কর। অর্থাৎ কোনো নেক কাজকে ছোট মনে করে ছেড়ে দিবে না। এমন ভাববে না যে, এটুকু করলে আর কি হবে? আল্লাহর রাসূল বলেন, যেটুকু পার সেটুকুই কর। এটুকু করলেও অনেক কিছু করা হবে। কতটুকু? চিন্তাও করবেন না আপনি যে, এটাও একটা নেক কাজ। রাসূল বলছেন, একজন কুয়া থেকে পানি নিয়ে এসেছে। তুমিও পানি উঠাচ্ছ। তুমি তোমার পাত্র দিয়ে তার পাত্রে একটু পানি ঢেলে দাও, এটা একটা নেক কাজ। একজন মুরুববী ওযু করবেন, তাকে কল চিপে এক লোটা পানি ভরে দাও। এই যে একটা নেক কাজ এটাকে তোমরা ছোট মনে করো না। এটাও তোমার কাজে আসবে, তোমার উপকারে আসবে। এমনকি একজনের সাথে সাক্ষাত হয়েছে তো তার সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত কর। হাসিমুখে জিজ্ঞাসা কর- ভাই ভালো আছেন? হাসিমুখে সাক্ষাত না করে যদি একেবারে মুখ কালো করে একজনের সামনে দিয়ে সালাম কালাম ছাড়া চলে যায় তাহলে তার কাছে খারাপ লাগবে না? সালাম দিলে সে ওয়া আলাইকুমুস সালাম বলল। কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করলে সে বলল ভাল আছি। এটাকে তো তুমি কিছুই মনে করলে না। আল্লাহর রাসূল বলেন, এটাও একটি নেক কাজ। এটাকেও তুমি ছোট মনে করো না। এর মানে এই নয় যে, আমাকে বড় নেক কাজ করতে হবে না। তা না। তারপরও ছোটগুলোকে ছোট মনে করে যে ছেড়ে দিচ্ছ এতে তুমি অনেক সওয়াব হাতছাড়া করছ। এটা করো না। এই হাদীসের উপর বেশি বেশি আমল কর। কোন নেকীকে ছোট মনে করে ছাড়বে না। আর আরেকটি হাদীস - ‘কোন গুনাহকে ছোট মনে করবে না’ যে, এটা করলে কী হবে? এটাতো ছোট্ট একটা অপরাধ। অপরাধ তো অপরাধই। ছোট হোক না কেন। গুনাহ তো গুনাহই। পাপ পাপই, ছোট আর বড় কী? নাফরমানীটা কার সাথে হচ্ছে দেখতে হবে না? তাহলে অপরাধটা ছোট হোক আর বড় হোক কিন্তু যার সাথে অপরাধ, যার অবাধ্যতা, তিনি কি ছোট? নাউযুবিল্লাহ তিনি তো সেই মহান রাববুল আলামীন । তাহলে এ গুনাহ ছোট বা এটা করলেই আর কী হবে- এমন মনে করব না। অপরাধতো অপরাধ। গুনাহ তো গুনাহই। এটা ছোট হলেও আমি করব না। আর নেক কাজ ছোট হলেও যেহেতু নেক কাজ তাই আমি করব। এই থিওরি এবং যেটা হাদীসের কথা সেটা খুব বেশি বেশি করব। যা পার শুরু কর। সবগুলো এক সাথে ধরতে পারবে না। তো একটা একটা করে শুরু কর। কিন্তু আমাদের সমস্যা হল সব নেক কাজ করতে পারব না এজন্য একেবারে ছোটগুলোও করব না। যেটা পারি ওটাও করব না। দুনিয়া পাল্টে গেছে। যমানা পাল্টে গেছে। এখন এই সমস্ত পুরান ওয়াজ করলে চলে না। এখন নেক আমল করতে সমস্যা। সমাজ এটাকে বাধা দেয়। কিন্তু হাজারো নেক আমল এমন আছে যেগুলোতে সমাজ কিছু বলবে না। বিবাহে আলোকসজ্জা না করলে, অপচয় না করলে হয়তো কিছু বলবে। ছেলেকে বিয়ে করাল অথচ কিছুই করল না। আমি সমাজে থাকব, তাদের সাথে বসবাস করব, তাই আমি তাদের মন-মানসিকতার বিরোধিতা কি করে করি। বুঝলাম এটা আপনার দুর্বলতা যার ফলে এ নেক কাজটা আপনি করতে পারলেন না। কিন্তু এই মসজিদে ঢুকতে এবং বের হতে কতগুলো সুন্নত, ডান পা দিয়ে ঢোকা সুন্নত, বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নত, দরুদ শরীফ পড়া সুন্নত। বিসমিল্লাহী ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহমাতিক, এটুকু দোয়া শেখার ব্যাপার শুধু। আর দোয়াটা মুখস্থ হওয়া পর্যন্ত শুধু বিসমিল্লাহই পড়ি। আর ‘আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিক’ তো লেখাই থাকে মসজিদের সামনে। এটা পড়লেন। ডান পা দিয়ে ঢুকলেন বের হওয়ার সময় আগে বাম পা দিয়ে বের হলেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা’ পড়লেন। এখানেও ঢোকার সময়ের মত বিসমিল্লাহ আছে দুরূদ শরীফ আছে। বের হওয়ার সময়ও ‘বিসমিল্লাহী ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা’ পড়ে নিলেন। এতেও কি সমাজে বাধা দিবে? ঘরে ঢুকতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে ডান পা দিয়ে ‘বিসমিল্লাহ’ বললে সমাজ বাধা দিবে? কেউ বাধা দিবে না। সমাজ কিসের নাম? আমার আর আপনার নামইতো সমাজ। আমি আপনি ঠিক হলেইতো সমাজ ঠিক হয়ে যাবে। এমনিভাবে যমানা কিসের নাম? যমানা পাল্টে গেছে না আমরা পাল্টেছি? বরং আমরা পাল্টে গেছি। সমাজে তো আসমান থেকে এসে কোন কিছু নাযিল হয়নি। সমাজ আমি আর আপনিই তো। যে বিষয়টা আমি বুঝছি। সে বিষয়টাকে বিবেক ও শরীয়ত খারাপ বলছে সেটা আমি বলি না কেন? এটা গলত কাজ অতএব আমি তা করব না। আমি একথা বলি, তারপর আরেকজন বলবে। আবার আরেকজন বলবে। তাতেই তো সমাজ ঠিক হয়ে যাবে। আপনি বলবেন, আমি বললে কি হবে আরেকজন তো বলবে না। কিন্তু তাতে কি যায় আসে? আপনি বলুন। আপনাকে কি কেউ মেরে ফেলবে নাকি? কেটে ফেলবে আপনাকে?



কেন মানবাধিকারের এই যমানায় যদি আপনি সমাজের বিরোধিতা করে কোন কাজ ছাড়েন তাহলে আপনাকে মেরে ফেলবে কেউ? সেই বর্বর যুগ তো চলে গেছে। এখন তো স্বর্ণযুগ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যুগ (!) এ যুগে কেন ভয় পান আপনি? যেটাকে খারাপ মনে করি, সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ খারাপ মনে করে তাও করব? আনুষ্ঠানিকতা খারাপ। তা করব কেন? সমাজ, সামাজিক চাপ। সবাই এই কথা বলি। কিন্তু কে কাকে চাপ দেয়? এটা স্মরণ রাখতে হবে আমাদেরকে। সমাজ ভিন্ন কিছুর নাম নয়, বরং আমার আপনার নাম। যমানা বদলায়নি। আমি আর আপনি বদলেছি। তাহলে আমরা যদি পরিপূর্ণ সংকল্প নিয়ে এগুলো করার ইচ্ছা করি এবং দুই একজনে হিম্মত করে নিজেদেরকে সঠিক রাস্তায় আনার এবং গলত কাজ থেকে বাঁচার জন্য কাজ শুরু করি অল্প কয় দিনেই দেখবেন যমানা ঠিক হয়ে গেছে, সমাজ ঠিক হয়ে গেছে। এই কথাটা আবরারুল হক সাহেব বার বার বলতেন যে, সমাজের দিকে তাকিও না, যমানা পাল্টে পেছে এই সমস্ত অজুহাত দিও না।

শরীয়তের মাসআলা কী? সুন্নত তরীকা কী? তুমি সেটা শোন। আলেমদের থেকে বুঝ। আর হিম্মত করে এটার উপর আমল শুরু কর। তোমাকে দেখে দেখে অন্যেও পাল্টাতে থাকবে নিজেদের তরীকা। তুমি তাদেরকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। এরকম রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতের, সীরাতের অনেক দিক তিনি বার বার বলতে বলতে অনেক কিছুর পরিবর্তন শুধু তাঁর এলাকায়ই নয় অনেক জায়গায় এরকম অনেক পরিবর্তন এসেছে। এমনকি সেই পরিবর্তন অনেককে খারাপ কাজ ফেলে রাসূলুল্লাহর সেই আসল সুন্নাত এবং তরীকার দিকে নিয়ে গেছে। #স্বস্থ্য_সচেতনতা

আলহামদুলিল্লাহ।। শুভ সকাল সবাইকে
02/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ।। শুভ সকাল সবাইকে




গর্ভাবস্থায় পা ফোলার (Edema) কারণগুলো খুবই সাধারণ, তবে কারণ বুঝে সতর্ক থাকা জরুরি। সংক্ষেপে ও পরিষ্কার করে বলছি—* গর্ভা...
01/02/2026

গর্ভাবস্থায় পা ফোলার (Edema) কারণগুলো খুবই সাধারণ, তবে কারণ বুঝে সতর্ক থাকা জরুরি। সংক্ষেপে ও পরিষ্কার করে বলছি—
* গর্ভাবস্থায় পা ফোলার প্রধান কারণ
1️ শরীরে অতিরিক্ত পানি জমা
গর্ভাবস্থায় শরীরে স্বাভাবিকভাবেই পানি ও রক্তের পরিমাণ বাড়ে—এর ফলে পা, গোড়ালি ও আঙুল ফোলে।
2️ বড় হওয়া জরায়ুর চাপ
বড় জরায়ু পেটের নিচের শিরাগুলোর ওপর চাপ দেয় → পা থেকে রক্ত ঠিকমতো ওপরে উঠতে পারে না → পা ফুলে যায়।
3️ হরমোনজনিত পরিবর্তন
প্রোজেস্টেরন হরমোন রক্তনালি ঢিলা করে → পানি টিস্যুতে জমে ফোলাভাব হয়।
4️ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা
একই ভঙ্গিতে বেশিক্ষণ থাকলে পায়ে রক্ত জমে যায়।
5️লবণ বেশি খাওয়া
লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে, ফলে ফোলা বাড়ে।
6️ গরম আবহাওয়া
গরমে রক্তনালি প্রসারিত হয় → ফোলাভাব বেশি দেখা যায়।
***কখন চিন্তার বিষয়?
নিচের লক্ষণ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন—
হঠাৎ খুব বেশি পা/মুখ/হাত ফোলা
মাথা ব্যথা, চোখে ঝাপসা
রক্তচাপ বেশি
* এগুলো প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
* পা ফোলা কমাতে করণীয়
✔️ পা উঁচু করে বিশ্রাম
✔️ একটানা দাঁড়িয়ে/বসে না থাকা
✔️ হালকা হাঁটা
✔️ লবণ কম খাওয়া
✔️ পর্যাপ্ত পানি পান
✔️ বাম কাতে শোয়া
গর্ভাবস্থায় হাত পা ফোলা কমানোর উপায়:-
▪️জরায়ুর চাপ: বড় হওয়া জরায়ু পায়ের শিরার ওপর চাপ দেয়, ফলে রক্ত চলাচলে বাধা পায়।
▪️অতিরিক্ত তরল: শিশুর প্রয়োজনে মায়ের শরীরে রক্ত ও পানির পরিমাণ প্রায় ৫০% বেড়ে যায়।
▪️হরমোনের প্রভাব: গর্ভাবস্থায় হরমোনের কারণে শরীর বেশি পানি ও লবণ ধরে রাখে।
▪️শিরার চাপ: দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে বা অভিকর্ষজ টানের কারণে পায়ে তরল জমা হয়।
▪️প্রাক-একলাম্পসিয়া: উচ্চ রক্তচাপের কারণে হঠাৎ পা ফুলে যেতে পারে
*গর্ভাবস্থায় হাত-পা ফোলা কমানোর সহজ উপায়:
**বাম কাৎ হয়ে ঘুমান: এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং ফোলা কমে।
* পা উঁচুতে রাখুন: শোয়া বা বসার সময় পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পা হৃদপিণ্ডের স্তর থেকে উঁচুতে রাখুন।
* লবণ এড়িয়ে চলুন: খাবারে অতিরিক্ত বা কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করুন।
*পর্যাপ্ত পানি পান: শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে দিনে প্রচুর পানি পান করুন।
*একটানা বসে থাকবেন না: দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে হালকা পায়চারি করুন।
*পটাশিয়াম যুক্ত খাবার: ডাবের পানি, কলা ও মিষ্টি আলু ডায়েটে রাখুন।
* আরামদায়ক জুতা: সবসময় ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক ফ্ল্যাট জুতা ব্যবহার করুন।




জীবন একটাই তাই নিজের গল্পটা নিজে লিখো                 #হ্যাঁ  #ভোট
01/02/2026

জীবন একটাই তাই নিজের গল্পটা নিজে লিখো #হ্যাঁ #ভোট

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr-Abul Hayat Sheikh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr-Abul Hayat Sheikh:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category