Zohaa Johan Homeo Hall যোহা জোহান হোমিও হল

Zohaa Johan Homeo Hall যোহা জোহান হোমিও হল যে কোন ওষুধ গ্রহণের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন

28/10/2025

রাগ হলো ক্রনিক রোগের ডিপো

27/10/2025
21/10/2025
02/10/2025

বাংলাদেশের ৫১% পরিবারের অন্তত একজন সদস্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত: এর মানে হলো প্রতিটি দুই পরিবারের মধ্যে প্রায় এক পরিবারেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনি রোগ, হাঁপানি বা ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছে। দীর্ঘমেয়াদি রোগ সাধারণত জীবনব্যাপী চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।

৬৯% মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে হয় পরিবারকে: অর্থাৎ সরকারি সহায়তা বা স্বাস্থ্যবিমার পরিবর্তে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারকেই নিজেদের আয়ের টাকা খরচ করে চিকিৎসা চালাতে হয়। একে বলে out-of-pocket expenditure। এর ফলে দরিদ্র পরিবারগুলো দ্রুত অর্থনৈতিক চাপে পড়ে যায়, অনেক ক্ষেত্রে দারিদ্র্য বেড়ে যায়।

26/07/2025
02/06/2025

কাঁটা ফুটলে হোমিও চিকিৎসা
=====================

মাছের কাঁটা, বাঁশের চোচ, সূচ, পিন, পেরেক, খেজুরের কাঁটা, লোহার টুকরো শরীরের বিঁধে অসহ্য যন্ত্রণা সৃষ্টি করে থাকে।

শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটা ফুটলে সঠিক ভাবে হোমিও ঔষধ সেবনের মাধ্যমে উহা বের করে দিতে পারে।

রোগ লক্ষণ অনুযায়ী হোমিও ঔষধ সমুহ :

* Silicea : ইহা কাঁটা বিঁধলে উহার শ্রেষ্ঠ ঔষধ। শরীরের যে কোন স্থানে কাঁটা ফুটলে silicea বের করে দিতে পারে।

কাহারও গলায় যদি মাছের কাঁটা বিঁধে যায় তবে silicea কয়েক মাত্রা সেবনে দ্রুত কাঁটা অদৃশ্য হয়ে যায়।

* Anagalis : শরীরের ভেতর যে কোন প্রকারের কাঁটা বাঁশ, বেত, লোহা, কাঠ ইত্যাদি ফুটিয়া থাকিলে anagalis উহা বাহির করে দিতে পারে।

* Hypericum : হাতে পায়ের আঙ্গুলে বা তালুতে সূচ, পিন, পেরাক জাতীয় ধাতব পদার্থ ঢুকে গেলে hypericum সেবনে অব্যার্থ ফলাফল প্রদান করে থাকে।

* ইহা ছাড়াও arnica, ledum pal, heper sulphur, belladona কাঁটা ফুটলে চমৎকার কাজ করে।

# যদিও কাঁটা ফোঁটা কোন রোগের পর্যায়ে পড়ে না তবুও ইহা বিরক্তিকর ও যন্ত্রনাদায়ক। অনেক সময় শরীরে কাঁটা বিঁধে টিটেনাসের মতো ভয়ংকর রোগ হতে পারে, তাই কাঁটা ফুটলে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজন বলে মনে করি।

 #ভিটামিন_ডি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মধ্যে একটি।এটি হাড় ও শরীরকে শক্তিশালী করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে...
31/05/2025

#ভিটামিন_ডি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মধ্যে একটি।

এটি হাড় ও শরীরকে শক্তিশালী করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে এর ঘাটতি দেখা দিলে আমাদের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে ক্লান্তি, দুর্বলতা, পিঠে ব্যথা ও কোমরে ব্যথা শুরু হয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব কেবল মাথা ঘোরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।এর সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির হাত ও পায়ে ব্যথাও হতে পারে।

ভিটামিন ডি এর বিকল্প

শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব দেখা দিলে চিকিৎসকরা প্রায়ই রোদে বসার পরামর্শ দেন। কিন্তু গরমে রোদে বসে থাকা কঠিন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন যা ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। এর জন্য মাশরুম, সামুদ্রিক খাবার, কমলা, দুধ ও দই খেতে পারেন।

গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রতিদিন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকা উচিত। রোদ পোহানোর সর্বোত্তম সময় হলো সকাল ৮টা থেকে ১১টা। কারণ এই সময়ে সূর্যের রশ্মিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অতিবেগুনী রশ্মি থাকে, তবে এটি ক্ষতিকারক নয়।

26/02/2025

বাচ্চা ২/৩ দিন কম খেলে সমস্যা নাই, কিন্তু প্রতিদিন পায়খানা না করলে অবশ্যই সমস্যা।
বাবা মা র জন্য উপদেশ -
১। বাচ্চাকে পানি ও তরল খাবার বেশি দিবেন।
২। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার কম দিবেন।
৩। বাইরের খাবার কম দিবেন।
৪। শাক সব্জি ও সিজনাল ফল খাওয়াবেন।
৫। ব্লেন্ড করা খাবার কম দিবেন, বাচ্চাকে খাবার চিবিয়ে খেতে উৎসাহিত করবেন।

এইচএমপিভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় ভাইরাস ...
16/01/2025

এইচএমপিভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় ভাইরাস থেকে বাঁচতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, সিওপিডি (দীর্ঘস্থায়ী অবরোধক ফুসফুসীয় ব্যাধি), অ্যাজমা ও ক্যান্সারের মতো যেসব জটিল রোগী আছেন, তাদেরকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

তারা বলছেন, একাধিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়া এই রোগ শনাক্তকরণের জন্য পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। আর আক্রান্তরা লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল ও পুষ্টিকর খাবার খেলে রোগটি ভালো হয়ে যায়।

গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে শরীরে কি প্রভাব পড়ছে জানেন কি?যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সকাল-বিকেল নিয়মিত এই গ্যাসের ট্...
23/06/2024

গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে শরীরে কি প্রভাব পড়ছে জানেন কি?

যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সকাল-বিকেল নিয়মিত এই গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়া হয় তাহলে, পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ পুরোপুরি শূন্য হয়ে যেতে পারে। খাদ্যনালীতে ছোট ছোট ঘা, গ্যাস্ট্রিক আলসার, এমনকি ক্যানসারও হতে পারে।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যে সকল খাবার খেলে গ্যাসের সমস্যা বেশি হয়, সেই সকল খাবার খাওয়া বেছে বেছে বন্ধ রাখতে হবে।
যদি খুদা না পায়, তাহলে খাবার খাওয়ার কোনও দরকার নেই। দরকার পড়লে এক গ্লাস পানি খাওয়া যেতে পারে। যখন খাবারের প্রতি অনুভূতি আসবে তখনই খাবার খেতে হবে।

এসব করার পরেও যদি গ্যাসের সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার। কনফার্ম হতে হবে গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স পজিটিভ কিনা। যদি পজিটিভ থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি যে ওষুধ দেবেন, সেগুলো সেবন করা যেতে পারে।

পল এরিকের কেমোথেরাপি - বনাম - আবু সালেহ্'র ইবিথেরাপি--------------------------------------------------------------------...
19/06/2024

পল এরিকের কেমোথেরাপি - বনাম - আবু সালেহ্'র ইবিথেরাপি
-----------------------------------------------------------------------------

কেমোথেরাপির নামকরণ হয়েছে " কেমিক্যাল এক্সট্র্যাক্ট ফ্রম " কেমিস্ট্রি হতে এবং ইবিথেরাপির নামকরণ হয়েছে " বায়োসিন্থেসিস এক্সট্র্যাক্ট ফ্রম " কেমিস্ট্রি হতে।

" কেমোথেরাপির " ওষুধগুলো বেশকিছু রাসায়নিকের নির্যাস হতে তৈরি হয়েছে আর " ইবিথেরাপির " ওষুধগুলো তৈরি হয়েছে একাধিক জৈব রাসায়নিকের নির্যাস হতে।

" কেমোথেরাপি যেভাবে কাজ করেঃ "
কেমোথেরাপি সরাসরি কোষ চক্রের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে অর্থাৎ এটি কোষের অভ্যন্তরে নিওক্লিয়াস বা অর্গানেল সহ DNA-তে হস্তক্ষেপ করে কোষের বিভাজন ও তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা থেকে বাধা প্রদান করে। ফলে কোষ চক্রে DNA-এর প্রভাব রহিত হয়ে যায়। DNA-এর এই কৃত্রিম বন্ধ্যাত্বের কারণে যখন RNA-কে কোন প্রতিলিপি বা সংকেত পাঠাতে পারেনা এবং অর্গানেলগুলোও কোষের জন্য শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না তখন ধীরে ধীরে কোষের মৃত্যু ঘটে এবং সেই সাথে দেহের ইমিউন বা রোগ ক্ষমতাও অকেজো হয়ে পড়ে।

" দেহে কেমোথেরাপির প্রভাবঃ "

কেমোথেরাপির প্রভাবে অস্হিমজ্জা কোষের ক্ষতি সাধিত হয়।দেহের স্বয়ংক্রিয় রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কোষে(SLE-তে)আক্রমণ করে এ-র ব্যাপক ক্ষতি সাধন ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।ফলে ফুসফুস,
কিডনি,মস্তিষ্ক,ত্বক,হৃদপিণ্ড,মুখগহ্বর,খাদ্যনালী, লিভার,পরিপাক ও পাচনতন্ত্র সহ ইত্যাদি অঙ্গ গুলোতে প্রদাহ সৃষ্টি করে।মস্তিষ্কের(MS)স্নায়ু-রজ্জুর স্নায়ু কোষগুলোর আবরণের ক্ষতি সাধন করে এবং ভাস্কুলাইটিসে প্রদাহ সৃষ্টি তথা রক্তবাহী শিরা-উপশিরা,ক্যাপেলারীসহ ইত্যাদিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এগুলোকে সংকুচিত করে দেয়।ফলে কেমো পরবর্তী বা কেমো চলমান অবস্থাতেই শরীরের নানা স্থানে ক্যান্সার কোষগুলো ছড়িয়ে পড়ে যা মেটাস্টাটিস নামে পরিচিত।

" ইবিথেরাপি যেভাবে কাজ করেঃ "

ইবিথেরাপি সরাসরি কোষ চক্রের প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনাকে পুনঃ কর্মক্ষোম করে তোলে অর্থাৎ ইবিথেরাপি দেহের(SLE)রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা,দূর্বলতা এবং অসংগতিগুলোকে দ্রবীভূত করে নিউক্লিয়াস বা অর্গানেলের প্রোটিন সংশ্লেষণ সক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।ফলে DNA তার চাহিদা মাফিক অর্গানেল হতে প্রোটিনের যোগান পায় এবং RNA-কে তখন সে আরো সুস্পষ্ট প্রতিলিপি বা সংকেত পাঠাতে পারে।ফলশ্রুতিতে দেহের যাবতীয় কোষগঠিত অসংগতি ও দুর্বলতা গুলো সারিয়ে তোলে।

" দেহে ইবিথেরাপির প্রভাব "

ইবিথেরাপি যেহেতু দেহাস্থিত যাবতীয় প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনা গুলোর অসংগতি দূর করে পুনঃ এদেরকে সুগঠিত ও কর্মক্ষোম করে তোলে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনায়ও চমৎকার প্রভাব সৃষ্টি করে ফলে দেহে অক্সিডেশন প্রক্রিয়াটি আরো সুচারুরূপে সম্পন্ন হয়। ফলশ্রুতিতে ইবিথেরাপি শুরুর ৭২ ঘন্টা পর হতেই রোগীর শরীরে ক্যান্সার জনিত প্রতিক্রিয়া গুলো হ্রাস পেতে থাকে ও রোগী আরাম বোধ করতে থাকে এবং ১৫ দিনের মধ্যেই রোগী অনেকটা সুস্থতা বোধ করে।

Address

Patharghata
8720

Telephone

+8801717120007

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zohaa Johan Homeo Hall যোহা জোহান হোমিও হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share