22/09/2022
দীর্ঘ মেয়াদে গ্যাষ্টিক এর ঔষধ খেলে হতে পারে পাকস্থলীর ক্যান্সার
বাংলাদেশের সব ফার্মেসীতে মাঝে মধ্যে মুদি দোকানেও লোসেকটিল, ইসোনিক্স, রেনিটিড সহ নানা নামের গ্যাষ্ট্রিক এসিডিটী প্রতিরোধ ঔষধ পাওয়া যায়। গরম তেলে ভাজা সিংগারা, পুরি অথবা বিরিয়ানী খাবার পর বুক জ্বালা শুরু হলে একটা গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ না খেয়ে যেন আমাদের উপায় নেই।
আপনি জানেন কি? দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মুড়ি মুরকির মতো গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাওয়ার ফলে আপনি আক্রান্ত হতে পারে পাকস্থলীর ক্যান্সারের মত বড়সড় রোগে।
পাকস্থলীতে থাকা এসিড মূলত আমাদের খাবারের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং বাহির থেকে মুখের ভেতর প্রবেশ করা জীবানু মারতে সাহায্য করে কিন্তু আমরা যদি নিয়মিতভাবে এটি গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাই তাহলে আমাদের পাকস্থলীতে এসিড তৈরী হবেনা এবং আমরা জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হবো।
হ্যালিকোব্যাকটোর পাইলোরী নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আমাদের পাকস্থলীতে কমবেশী থাকে। কিন্তু আমরা যদি নিয়মিত গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাই তাহলে সেটি শক্তিশালী হবে এবং আমাদের পাকস্থলীতে ক্যান্সার তৈরীতে কাজ করবে।
তাহলে এই যে খাবারের পর, টক টক ঢেকুর আসে, বুক জ্বালা পোড়া করে সেসব রোগিরা কি করবেন? উত্তর হলো এসব রোগিরা চিকিৎসক এর পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট মেয়াদে গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাবেন আর সাথে লাইফ ষ্টাইল ও খাদ্যাভাস পরিবর্তন করবেন।
বেশী করে পানি পান করা, ধুমপান ছেড়ে দেয়া, ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করা, রাস্তার কাছে পুরোনো তেলে ভাজা পুরি সিংগারা এসব এড়িয়ে চলা। এগুলোই হলো গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধের কার্যকরী ব্যবস্থা।
জীবন একবারই, মানুষ এ পৃথিবীতে যতদিন বেঁচে থাকে সে যেন সুস্থভাবে বাঁচে এটাই বিজ্ঞানের চাওয়া। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।