আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Patnitala
  • আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার

আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার আপনাকে স্বাগতম।

টাইফয়েড টিকা আপডেট :এতদিন শিশুদের বেসরকারিভাবে টাইফয়েড টিকা দেয়া হতো তাও আবার ৩ বছর পর পর দেয়া লাগতো ; যা এবার সরকারিভাব...
04/08/2025

টাইফয়েড টিকা আপডেট :

এতদিন শিশুদের বেসরকারিভাবে টাইফয়েড টিকা দেয়া হতো তাও আবার ৩ বছর পর পর দেয়া লাগতো ; যা এবার সরকারিভাবে দিতে পারবেন একটা ডোজেই যদি শিশুর বয়স ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের মধ্যে হয়। এই টিকা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, এতিমখানা, বস্তি ও সরকারি টিকাকেন্দ্রে দেয়া হবে। স্কুলে প্লে-গ্রুপ থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত সকল শিশুকে দেয়া হবে।

★কারা নিতে পারবেন এই ভ্যাক্সিন?

৯ মাস অর্থাৎ ২৭০ দিন পূর্ণ হওয়া শিশু হতে ১৫ বছর অর্থাৎ ১৪ বছর ১১মাস ২৯দিন বয়স পর্যন্ত শিশুরা টাইফয়েড ভ্যাক্সিন দিতে পারবে।

যারা পূর্বে বেসরকারিভাবে টাইফয়েড টিকা দিয়েছে তারাও এই টিকা ১ ডোজ দিতে পারবে।

পূর্বে টাইফয়েড হয়ে থাকলেও এই টিকা দেয়া যাবে।

জন্ম নিবন্ধন করা না থাকলে তাদেরকে টিকা কর্মীরা আলাদা টিকা কার্ড প্রদান করবে।

টিকা রেজিষ্ট্রেশনে কোনো সমস্যা হলে নিকটস্থ সরকারি টিকা কেন্দ্রে যোগাযোগ করবেন।

★কারা দিতে পারবে না?

৯ মাসের নিচে ও ১৫ বছর হয়ে গেলে

টিকা দেয়ার সময় জ্বর থাকলে বা অসুস্থ শিশু

পূর্বের কোনো টিকায় রিয়াকশন হয়ে থাকলে

গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা

★টিকার ধরন ও ডোজ

এটা একটি মাত্র ডোজে সরকারি অন্যান্য টিকার মতই বিনামূল্যে দেয়া হবে যা পরবর্তীতে সরকারি টিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ৯ মাস বয়সের সময় দেয়া হবে।

২ বছরের নিচে এই টিকা উরুতে এবং ২ বছরের উপরে বাহুর উপরিভাগে দেয়া হবে।

পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে
শেয়ার করে অন্য কে ইনফরমেশন গুলি জানাতে পারেন।
ধন্যবাদ
❤️❤️❤️
সচেতনতায়
মো: মাসুদ রানা
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার
&
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নজিপুর, নওগাঁ)

✅✅✅গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে গর্ভবতী মায়েদের শরীরে হরমোনগত পরিবর্তনের বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন বমিভাব, বমি, মাথা ঘ...
30/04/2025

✅✅✅গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে গর্ভবতী মায়েদের শরীরে হরমোনগত পরিবর্তনের বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন বমিভাব, বমি, মাথা ঘোরা, শরীর খারাপ লাগা, ক্লান্তিবোধ, স্তনের পরিবর্তন, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বুক জ্বালাপোড়া করা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। গর্ভাবস্থায় এগুলো স্বাভাবিক। কিন্তু এ সময় কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। সুতরাং প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা ও সঠিক চিকিৎসা
গর্ভবতী মায়েদের জন্য প্রথম তিন মাসের জন্য উপদেশ :
১.গর্ভধারণের আগে থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রাথমিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে ও কোনো রোগ নির্ণয় হলে চিকিৎসা করতে হবে।

২.গর্ভধারণের এক মাস আগে থেকে ফলিক অ্যাসিড সেবন করতে হবে।

৩.গর্ভধারণের সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।
৪.আলট্রাসনোগ্রাফি: গর্ভধারণের প্রথম দিকে আলট্রাসনোগ্রাফি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। যেমন ভ্রূণের সংখ্যা ও বয়স, বাচ্চা প্রস্রবের সম্ভাব্য তারিখ, ভ্রূণের হৃৎস্পন্দন, এক্টোপিক বা মোলার প্রেগন্যান্সি ইত্যাদি।

৫.বিশ্রাম: এ সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। কমপক্ষে রাতে আট ঘণ্টা ও দুপুরে দুই ঘণ্টা বিশ্রাম নিতে হবে।

৬.খাদ্যাভাস: আনারস, পেঁপে, কামরাঙা, কম সেদ্ধ খাবার পরিহার করতে হবে ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যাফেইন, ধূমপান, মদ্যপান ছাড়তে হবে।

৭.এ সময় দূরের যাত্রা বা ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন এড়িয়ে চলতে হবে।

৮.ঝুঁকিপূর্ণ ও ভারী কাজ এড়াতে হবে।

৯.প্রথম তিন মাস সহবাস নিষেধ।

সর্বোপরি, সদ্য গর্ভবতী মায়ের শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য পরিবারের সবাইকেই পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। আর কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বা ইনবক্স করবেন আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করব।(c)

বাচ্চার চোখে কেতর/ময়লা জমে থাকা।মেডিকেলের ভাষায় একে Conjunctivitis বলা হয়।এটা ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস অথবা অ্যালার্জী জনিত কা...
30/04/2025

বাচ্চার চোখে কেতর/ময়লা জমে থাকা।
মেডিকেলের ভাষায় একে Conjunctivitis বলা হয়।
এটা ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস অথবা অ্যালার্জী জনিত কারনে ঘটে থাকে।
ভাইরাল Conjunctivitis অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৭ দিনের মধ্যে চিকিৎসা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।
তবে ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যালার্জী জনিত
Conjunctivitis এর ক্ষেত্রে চিকিৎসা এবং
ক্ষেত্র বিশেষে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শের প্রয়োজন। ❤️❤️❤️

সচেতনতায়-
Md. Masud Rana
Diploma in medical faculty, Dhaka
State medical faculty of Bangladesh.
BMDC registered practitioner
Managing Director
Ambia Digital Diagnostic center
Nazipur, Naogaon .

বর্তমানের চিপসগুলোতে এতো পরিমাণ টেস্টিং সল্ট দেওয়া থাকে যে আমি বড় মানুষ খাওয়ার পরেই আমার জিহবা ছিলে যায়!! এই চিপসটা আমি ...
22/04/2025

বর্তমানের চিপসগুলোতে এতো পরিমাণ টেস্টিং সল্ট দেওয়া থাকে যে আমি বড় মানুষ খাওয়ার পরেই আমার জিহবা ছিলে যায়!! এই চিপসটা আমি খেতেই পারলাম এতো পরিমাণে সল্ট আর মশলা দেওয়া!!! বেশ কিছুদিন আগে অন্য আরেকটা ট্রাই করেছিলাম সেটাও সেইম!
ইভেন খেয়াল করলাম,চিপস খাওয়ার পর পেট কেমন ভরা থাকে এবং অন্য খাবার একদম মজা লাগেনা জিহবা তে অনেকক্ষণ!!
তাহলে এই চিপস যখন আমরা আমাদের বাচ্চাদের আদর করে খাওয়াই আর তারপর কান্নাকাটি করি বাচ্চা কেনো ঘরের খাবার খেতে চায়না তাহলে হবে??

আমার মত বড় মানুষ যখন এটা খেতে পারছিনা এবং খাওয়ার পর অন্য খাবারের টেস্ট বুঝিনা তাহলে ১ বছরের বাচ্চার কি হবে?
ভয়ংকর ব্যাপার হলো গ্রামে আমি ১০ মাসের বাচ্চার হাতেও চিপস দেখেছি!😔

বর্তমানের মা-বাবা অনেক সচেতন, কিন্তু বাসার মুরুব্বিদের আর আত্নীয়স্বজনদের এগুলো বুঝানো যায়না...
তারা এগুলো খাওয়ানোকেই, কিনে দেওয়াকেই ভালোবাসা মনে করে!!
এরপর সবচেয়ে বেশি সাফার করে সেই বাচ্চাটাই আর সাথে বাচ্চার মা!!
খাবার না খাওয়ার পাশাপাশি অসুস্থও হয়ে যায় বাচ্চারা এগুলো খেয়ে!... 😔😔
প্লিজ এ ধরনের ভালোবাসা দেখানো বন্ধ করুন।❌⛔

20/04/2025

মিনিপিল বাচ্চার ৬মাস বয়স পর্যন্ত খাওয়া যাবে,এরপর অন্য পিল খেতে হবে।কারণ ৬মাসের পর মিনিপিল ১০০% সুরক্ষা দেয় না।ফলে যেকোনো সময় গর্ভধারণ হতে পারে।

Correct.
16/04/2025

Correct.

আগামীকাল বৃহস্পতিবার রোগী দেখবেন ইনশাল্লাহ। এখন থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার স্যার রোগী দেখবেন। স্যার অত্যন্ত বিনয়ী এবং একজন ...
16/04/2025

আগামীকাল বৃহস্পতিবার রোগী দেখবেন ইনশাল্লাহ। এখন থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার স্যার রোগী দেখবেন। স্যার অত্যন্ত বিনয়ী এবং একজন মানবিক ডাক্তার। বেশিরভাগ রোগীদের কোন পরীক্ষা- নিরীক্ষা না দিয়ে চিকিৎসা দেন। যে সকল রোগীরা আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল উনাদের ফি কম রাখেন। আর একেবারে সামর্থ্য না হলে ফ্রি দেখে দেন। স্যারের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

ঘুম মানে বিশ্রাম নয়, ঘুম মানেই বাঁচাকেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে✅ ঘুম ঠিক = হরমোন...
15/04/2025

ঘুম মানে বিশ্রাম নয়, ঘুম মানেই বাঁচা

কেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?

✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে
✅ ঘুম ঠিক = হরমোন ঠিক = মুড ভালো
✅ ঘুম ঠিক = ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী
✅ ঘুম ঠিক = ব্রেইন ক্লিনিং হয়
✅ ঘুম ঠিক = চোখের নিচে কালো দাগ নাই!

ঘুম ভালো রাখার ৫টি সহজ কৌশল:
1. রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান – Netflix না, “Neck-Fix” দরকার
2. ঘুমের আগে মোবাইল নয় – বই পড়ুন বা দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর কথা ভাবুন
3. কফি সন্ধ্যার পর বন্ধ – নাহলে ঘুম নয়, সিনেমার মতো স্বপ্ন!
4. ঘর অন্ধকার রাখুন – রাতের রাজা “মেলাটোনিন” অন্ধকারে জন্মায়
5. সকালে সূর্যের আলো দেখুন – এতে শরীর বুঝবে দিন শুরু, আর রাতে ঘুম আসবে স্বাভাবিকভাবে

Good night

📌 কেন প্রেগন্যান্সি কনফার্ম হওয়ার পর শুরুতেই আল্ট্রাসনোগ্রাম করা অত্যন্ত জরুরি?গত ২ মাসে একাধিক মায়ের আল্ট্রাসনোগ্রাম রি...
15/04/2025

📌 কেন প্রেগন্যান্সি কনফার্ম হওয়ার পর শুরুতেই আল্ট্রাসনোগ্রাম করা অত্যন্ত জরুরি?

গত ২ মাসে একাধিক মায়ের আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে কিছু অত্যন্ত দুঃখজনক কেস দেখতে হচ্ছে।তাদের কাউন্সেলিং করা সত্যিই কষ্টসাধ্য—যতই বোঝানো হোক, তারা শুধু চোখের জল ফেলেন।

একটি বাস্তব চিত্র চিন্তা করুন—
একজন মা ৪-৫ বা ৬ মাসে প্রথম আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে এসে শুনলেন,
শিশুর হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, বাচ্চাটি নড়াচড়া করছে।
কিন্তু... মাথার খুলির উপর অংশই গঠিত হয়নি, ব্রেইনই নেই!

সে মা তখন অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকেন, আর চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু…

#তাদের_প্রশ্ন_থাকে:

কেন এমনটা হলো?

আমি কি কোনো পাপ করেছি?

আমার ওপর আল্লাহ নারাজ?

এখন কী হবে?

এর কোনো চিকিৎসা আছে?

#চলুন_বিষয়টা_জানিঃ

এই সমস্যাটির নাম Anencephaly।
এটি একটি জন্মগত সমস্যা—Neural Tube Defect—এর একটি রূপ।
গর্ভধারণের ৪-৫ সপ্তাহের (মাত্র ২৮-৩২ দিন!) মধ্যে শরীরের নিউরাল টিউব তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়।
যদি এই টিউব ঠিকভাবে বন্ধ না হয়, তখন শিশুর ব্রেইন ও স্ক্যাল্প ঠিকমতো তৈরি হয় না।

#কারণসমূহঃ

মা বা বাবার জেনেটিক সমস্যা

গর্ভাবস্থার শুরুতে ফলিক এসিডের ঘাটতি

কিছু সাইকিয়াট্রিক ওষুধ

ব্যথানাশক বা ওপিয়ড জাতীয় ওষুধ

#ডায়াগনোসিস_কীভাবে_হয়?

১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি আল্ট্রাসনোগ্রামই যথেষ্ট।

এছাড়াও পরীক্ষা করা যায়:

Serum Alpha-Fetoprotein (increased)

MRI

Amniocentesis

#চিকিৎসা_আছে_কি?

না, দুঃখজনকভাবে Anencephaly-এর কোনো চিকিৎসা নেই।

#প্রতিরোধযোগ্য_কি?

হ্যাঁ! প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।

গর্ভধারণের আগে ও পরে ফলিক অ্যাসিড নিয়মিত খেতে হবে (প্রতিদিন ৪০০-৮০০ মাইক্রোগ্রাম)।

প্রথম ২ মাস অপ্রয়োজনীয় ব্যথানাশক বা সাইকিয়াট্রিক ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে।

িশুর_ভবিষ্যৎ_কী?

অনেক সময় শিশুটি গর্ভেই নষ্ট হয়ে যায় বা মারা যায়।

জন্মের পর কিছুক্ষণের মধ্যেই (ঘণ্টা, দিন বা সপ্তাহ) মারা যায়।

যারা বেঁচে থাকে, তারা অন্ধ, বধির এবং অচেতন অবস্থায় থাকে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ বছরের মধ্যে ১০০% এই শিশুরা মারা যায়।

োস্ট_কেন_দিলাম?

সচেতনতা তৈরির জন্য।
অনেকের এখনো ধারণা—

“আগে তো মানুষ ডাক্তার দেখাত না।”

“আমার কোনো সমস্যা নেই, কেন যাবো ডাক্তার?”

“ওষুধ খেতে পারি না, বমি হয়।”

“৬ বা ৮ মাসে আল্ট্রা করবো।”

এইসব চিন্তাভাবনার পরিবর্তন আনতেই এই পোস্ট।
প্রথম ৩ মাসের চেকআপ, ফলিক অ্যাসিড আর একটি টাইমলি আল্ট্রাসনোগ্রাম
একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে। একটি মায়ের কান্না থামাতে পারে।

---

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সচেতনতা, জ্ঞান ও সহানুভূতির আলোয় আলোকিত করুন। সবাই শেয়ার করে সবাইকে জানানোর সুযোগ করে দিন।

12/04/2025

হাঠাৎঘুমের মধ্যে পায়ের মাংস পেশিতে টান লাগা এটা পটাশিয়াম সল্পতার লক্ষন।যাদের এ সমস্যা বেশি হয় তারা প্রতিদিন একটি বা দুটি পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন।

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। একজন চীনা বিত্তবা...
09/04/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়।
অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

একজন চীনা বিত্তবান মারা গেলেন।
ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন।
সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বললেন,
এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি।
এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ্ জীবন লাভ করা বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়ঃ

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না।

করণীয় কী?

# অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন।

# অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

# মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

# রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

# পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

# সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

# যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসংগীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান।

আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

# ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

# সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন।

# ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

# মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১বার গায়ে রোদ লাগান।

মাঝে মাঝে উচ্চস্বরে হাসবেন।

জীবন তো একটাই।

একে পরিপূর্ণভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন।

লেখা সংগৃহীত

Address

Nazipur
Patnitala
6500

Telephone

+8801328308146

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আম্বিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram