মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয়

মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয়, Medical and health, Rajshahi City, Rajshahi.

Hello Dear ,
I am invite you to like this page for take your health Treatment,
i am Dr. mehedi Hasan (DHMS) Dhaka.I offered you to take proper treatment for good health and keep body feet and enjoy a happy life .Stay Connect with me ,
Thank you. মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয় 🌿 — রাজশাহীর রাজপাড়া থানার তেরোখাদিয়া ক্যান্টনমেন্ট গেট এলাকায় অবস্থিত একটি নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসালয় ও

মেডিসিন হাউজ। আমরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সুস্থতা ও ভালো থাকার জন্য কার্যকরী হোমিও চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।

🔬 আমাদের সেবাসমূহ:
✔️ সকল ধরনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
✔️ অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ
✔️ কনফিডেন্সিয়াল ও নিরাপদ চিকিৎসা
✔️ রোগ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন প্রদান
✔️ বিভিন্ন প্রকার অর্গানিক ও প্রাকৃতিক পণ্য বিক্রয়
✔️ সাশ্রয়ী মূল্য ও মানসম্পন্ন সেবা

🧑‍⚕️ চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন যেসব সমস্যায়ঃ
• গ্যাস্ট্রিক/অ্যাসিডিটি
• চুল পড়া, ত্বকের সমস্যা
• অনিদ্রা, মানসিক চাপ
• যৌন দুর্বলতা ও বিবাহিত জীবনের সমস্যা
• পাইলস, হাঁপানি, সাইনোসাইটিস
• মহিলাদের গোপন ও সাধারণ রোগ
• শিশুদের জেনারেল সমস্যা
• দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগ

🌿 আমাদের হোমিওপ্যাথিক ও অর্গানিক পণ্যসমূহ প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগৃহীত এবং সারা দেশে সরবরাহযোগ্য।

📍 ঠিকানা:
তেরোখাদিয়া ক্যান্টনমেন্ট গেট, রাজপাড়া, রাজশাহী।

📞 যোগাযোগ করুনঃ
📱 01751-230188 | 01521-505217
📧 mehedi505217@gmail.com

💡 কেন আমাদের সেবা নেবেন?
• সঠিক রোগ নির্ণয়
• অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা
• রোগের মূল কারণ অনুযায়ী ঔষধ নির্ধারণ
• পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন নিরাপদ হোমিও সেবা
• গোপনীয়তা ও সম্মানজনক পরিবেশে চিকিৎসা
• ঘরে বসে ফোনে পরামর্শ ও ওষুধের হোম ডেলিভারি (শর্তসাপেক্ষে)

🌟 বিশ্বাসে গড়ে উঠা এক নাম - মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয়!
আমরা চাই, প্রতিটি মানুষ প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকুক, হাসিমুখে জীবন কাটাক 🌸



#মেহমেদহোমিও #হোমিওচিকিৎসা #হোমিওওষুধ #মেডিসিনহাউজ #হোমিওপ্যাথিকচিকিৎসা #হেলথকেয়ার #চিকিৎসা #রোগমুক্তি #সুস্থজীবন #হেলথটিপস #ফার্মেসী #হোমিওপ্রোডাক্ট #সুস্থথাকুন #মেডিসিন #হেলথসেবা #হোমিওথেরাপি #হোমিওসেন্টার #রাজশাহীচিকিৎসা #হোমিওবিশ্বাস #অনলাইনচিকিৎসা #দীর্ঘমেয়াদিরোগ #চুলপড়া #ত্বকেরসমস্যা

23/12/2025

আজকের আলোচনা "জিনসেং "....

📷জিনসেং সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটি অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কার্যক্ষমতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আছে, যা জিনসেং বলে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং না।

মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং।

জিনসেং ও লিংগোত্থানে অক্ষমতাঃ-

জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধে এর ভূমিকা। University of Ulsan এবং the Korea Ginseng and To***co Research Institute ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অক্ষম ব্যাক্তি) এর রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে Asian Journal of Andrology এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং Journal of Impotent Research এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুটি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরুষের যৌনাংগে corpus cavernosum নামে বিষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে।

জিনসেং ও দ্রুত বীর্যস্খলনঃ-

যদিও কাচা জিনসেং এর মূল এই রোগে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না। Journal of Urology তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী এটি বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ "রেনসেং" থেকে। "রেন" অর্থ পুরুষ ও "সেন" অর্থ "পা", যৌনতা বৃদ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)।

জিনসেং ও cognitive function:-

cognitive function বলতে বুঝায় বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতা যেমন মনযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা,কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচারবুদ্ধি, চিন্তা শক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা। সোজা ভাষায় বলতে গেলে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি। জিনসেং স্নায়ুতন্তের উপর সরাসরি কাজ করে মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২০০৫ সনে Journal of Psychopharmacology তে প্রকাশিত গবেষনা অনুযায়ী ৩০ জন সুস্বাস্থ্যবান যুবার উপর গবেষনা করে দেখা গিয়েছে যে জিনসেং গ্রহন তাদের পরীক্ষার সময় পড়া মনে রাখার ব্যাপারে পজিটিভ ভূমিকা রেখেছিল। একই জার্নালে ২০০০ সালে করা একটি গবেষনা, যুক্তরাজ্যের Cognitive Drug Research Ltd কর্তৃক ৬৪ জন ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা এবং চীনের Zhejiang College কর্তৃক ৩৫৮ ব্যাক্তির উপর করা একটি গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মধ্যবয়স্ক ও বৃদ্ধ ব্যাক্তির স্মরণশক্তি ও সার্বিক বৃদ্ধিতেও সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। ২০০৫ সনে Annals of Neurology তে প্রকাশিত ইদুরের উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং মস্তিষ্কের কোষ বিনষ্টকারী রোগ যা স্মৃতিশক্তি বিনষ্ট করে (যেমন পারকিন্সন ডিজিজ, হান্টিংটন ডিজিজ ইত্যাদি) সেসব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

জিনসেং ও ডায়াবেটিসঃ-

২০০৮ সনে ১৯ জন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কোলেস্টেরলঃ-

Pharmacological Research এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং গ্রহণ খারাপ কোলেস্টেরল যেমন- total cholesterol (TC), triglyceride (TG) ও low density lipoprotein (LDL) এর মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরল (High Density Lipoprotein বা HDL) এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।

সংক্ষেপে জিনসেং এর কার্যকরীতা:-

১। শারিরিক শক্তি বাড়ায় এবং দুশ্চিন্তা ও হতাশা দূর করে।
২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩। পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধ করে।
৪। পুরুষদের দ্রুত বীর্যস্খলন রোধ করে।
৫। বিভিন্ন মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যেমন মনযোগ, স্মৃতিশক্তি, কথা শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারার ক্ষমতা,কল্পনাশক্তি, শেখার ক্ষমতা, বিচারবুদ্ধি, চিন্তা শক্তি ও সমস্যা সমাধান করে কোন একটা সিদ্ধান্তে পৌছানোর ক্ষমতা।
৬। কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।
৭। জিনসেং বিভিন্ন এন্টি-এজিং ক্রীম ও স্ট্রেচ মার্ক ক্রীম এ ব্যবহৃত হয়। এইসব ক্রীম ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে।
৮। মেয়েলি হরমোন বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধি ও শক্তি বর্ধক হিসেবে জিনসেং দারুন কার্যকরী।

জিনসেং এর সংক্ষিপ্ত সিম্পটম:-

হস্তপদাদি: হস্তদ্বয়ে স্ফীতি বোধ। চর্ম্মে টানটান বোধ।পুংজননেন্দ্রিয়: পুনঃপুনঃ রেতপাতের পরবর্ত্তী বাত বেদনা ।জননেন্দ্রিয়ের দুর্ব্বলতা । মূত্রনলীর শেষভাগে কামোদ্দীপক শুড়শুড়ি। কামোত্তেজনা। অণ্ডকোষে চাপবোধ । সঙ্কোচন। পৃষ্ঠ ও মেরুদণ্ডে শীতলতা। পৃষ্ঠের নিম্ন অংশে ও উরুদেশে নিশ্পেশনবৎ বেদনা । রাত্রিকালে দক্ষিণদিকের নিম্নাঙ্গে পদাঙ্গুলি পর্যন্ত খুঁড়িয়া ফেলার ন্যায় বেদনা । হাতের আঙ্গুলের ডগায় জ্বালাকর উত্তাপ। সন্ধিগুলি কঠিন ও আড়ষ্ট, নিম্নাঙ্গে ভারবোধ। সন্ধিসমূহে কটকট শব্দ। পৃষ্ঠে অবশতা।

23/12/2025

♦♦SULPHUR(সালফার)♦♦
S= Slim (চিকন)
U= ugely (কুৎসিত)
L= lazy (অলস)
P = philosopher (দার্শনীক)
H = Hurrying (দ্রুতগামী)
U= unsocial( অসামাজিক)
R = Rudy ( অসভ্য)
একোনাইট ও সিপিয়ার ক্রনিক সালফার এবং সালফারের ক্রনিক সোরিনাম। অনেক সময় মনে আমরা ধারনা করি যে সাইকোসিস এর ক্ষেত্রে যেমন থুজা,সিফিলিসের ক্ষেত্রে যেমন মার্ক---সেইরুপ সোরার ক্ষেত্রে সালফার।ইহাকে এন্টিসোরিকের রাজা
বলা হয়।
গত আলোচনায় লাইকোর ত্রয়ী ঔষধ গুলো নিয়ে বলেছিলাম আজ সালফারের ত্রয়ী নিয়ে বলব।
Lyco>>>>Sulp>>>>Cal.Carb. It's trio Medicine. Sulp follows Lyco but Lyco dosen't follows Sulp.
>>প্রাথমিক পরিচয়ঃ গ্রাম্য ভাষায় ন্যাফথলিন বা গন্ধক, কবিরাজদের ভাষায় মাটি ( যা চর্মরোগের বাহ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করে) Sublimated sulphur, ব্রাইমস্টোন, ফ্লাওয়ার সালফার। মেটিরিয়া মেডিকাতে সালফার একটা greatest পলিক্রেষ্ট ঔষধ। এহাকে ঔষধের যুবরাজ বলা হয়ে থাকে এবং প্লোটোপ্লাজমের অন্যতম একটি উপাদান যেটা দেহের রোগকে শুধু আরোগ্য করে না বরং দেহের প্রতিটি টিস্যুকে লক্ষন জাগিয়ে তুলে আরোগ্যের পথে প্রচলিত করে থাকে। এটি একটি হলুদ রং এর খনিজ পদার্থ যার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের এসিড ফসফরিক, নাইট্রিক এসিড, সালফরিক এসিড, এবং বিভিন্নপ্রকার সার ঔষধ বোমা ও রাসায়নিক দ্রব্য তৈরী হয়।

>> History(ইতিহাস): এই হলুদ বর্নের গন্ধযুক্ত পদার্থ ( সালফার) প্রাচীনকালে দ্রুত চর্ম রোগকে আরোগ্য করার জন্য ব্যবহার হয়ে আসছিল । উদাহরণস্বরূপ, মিশরীয়রা চোখের পলকের প্রদাহ চিকিৎসার জন্য সালফার ব্যবহার করেছিল। এটি চুলকানি এবং ব্রণ থেকেও মুক্তি দেয়, এমনকি তারা সালফারকে চর্মরোগের সাবান হিসাবে ব্যবহার করত।
রোমানরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এই উপাদানটি একটি ধোঁকাবাজি এবং ব্লিচ হিসাবে ব্যবহার করেছিল। এটি জ্বললে এটি এসও ছেড়ে দেয়, গ্যাসগুলি কক্ষগুলিতে প্লাবিত হয়েছে, আর্দ্রতার সাথে মিশ্রিত হয় এবং একটি অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল পরিবেশ সরবরাহ করে এবং পোকামাকড় মারতে সক্ষম।
গ্রীকদের মতো রোমানরাও সালফারের উচ্চ দাহ্যতা আবিষ্কার করেছিল, এ কারণেই এটি আগুনের সমার্থক হয়ে উঠেছে। এর নীল শিখার রঙ অবশ্যই রোমান সার্কাসকে আলোকিত করেছে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গ্রীকরা তাদের অংশ হিসাবে, উদ্দীপনা তৈরির অস্ত্র তৈরিতে এই উপাদানটি ব্যবহার করেছিল।
পরবর্তিতে পুরানকৃর্তির রুপ উৎঘটন করতে গিয়ে ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিমান স্যার প্রথমে এহাকে মেডিসিন হিসাবে প্রুভিং করার জন্য উদ্বুদ্ধ হন এবং প্রুভিং কালে সালফারের যে সকল লক্ষন গুলো প্রাপ্ত হয় সে গুলোই মুলত বর্তমানে সালফারের উৎকৃষ্ট লক্ষন হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

>>Source (উৎস): এহা মুলত একটা খনিজ
>> Prover (প্রুভার): স্যার ডাঃ হ্যানিমান
>> Miasom (মায়াজম): এন্টি সোরিক++, সাইকোটিক+, সিফিলিটিক+, টিউবারকুলার+।
>>H.C.R (কাতরতা): গরমকাতর++, শীতকাতর+।
>>Location (ক্রিয়াস্হল): রক্ত সঞ্চালন ভেনাস, পোর্টেল, উদর, পরিপোষণ যন্ত্রসমূহ, মিউকাস মেমব্রেনস, সেরাস, রেকটাম, বুক, চামড়া, চর্মগ্রন্থি, মাথার তালু, সন্ধি, গ্রন্থিগুলো, স্নায়ুমন্ডলী, শ্বাসযন্ত্র।
>> Side ( পাশ): ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে বামপাশ নিচে ডানপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশ।

♦ Mental Symptoms (মানসিক লক্ষণ):

>> খিটখিটেঃ মেটিরিয়া মেডিকাতে খিটখিটানীর যদি প্রথম সারির মেডিসিন হিসাবে সালফার কে ধরা হয় তাহলে মনে হয় ভু্ল হবে না। তার শরীরে যেন ঝাল বেটে দেওয়া হয়েছে। ভাল কথাতে তার শরীর জ্বলে বিশেষ করে গরমের দিনে ত তার পাশে যাওয়া যায় না। সব সময় রাগ রাগ ভাব নিয়ে বসে থাকে।
>>AVARICE কৃপনঃ স্বভাবের দিক দিয়ে এই মানুষটি বড়ই কৃপণ ব্যক্তি সর্বদা লাভ ও লোকসানের কথা মাথায় রেখে চলাফেরা করে (TALKING BUSSINESS OF) ! দুই টাকা বা নিজের পরিশ্রম খরচা করার আগে ১০ বার ভাবে ও মেপে মেপে পা ফেলে (CONSCIENTIOUS ABOUT TRIEFLES)।
সেজন্য যেখানেই একটু সুযোগ সুবিধা বেশি পাবে বলে মনে করে .......সেখানেই সে তার মাথা ঢুকিয়ে দেয়। মাতব্বরি তার যেন শরীরে লেগে আছে।
এই জন্য সর্বদা চালাকি করে নিজের ধন সম্পত্তির মিথ্যা বড়াই করে বা লোকজনের সম্মুখে সৎ মানুষের পরিচয় দিয়ে অন্যর কাছ থেকে "ফায়দা " লোটার চেষ্টা করে। সে সব সময় সুযোগের সন্ধানে থাকে।

>>একগুঁয়েঃ কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজে যেটা বোঝে তার বাইরে কেউ কিছু বুঝলে সহ্য করতে পারে না তেমনি সালফারের রোগী এমন ব্যক্তিত্বে উপমিত হয়ে গেছে যে তার কথার বাইরে সে অন্য মাতব্বরি সহ্য করতে পারে না। নিজেকে সব সময় বড় মনে করে এবং নিজের কথার প্রাধান্যটা বেশি দিতে চায়।

>> সামান্যেই ক্রোধ পরক্ষণে অনুতপ্তঃ সালফার গন্ধক থেকে তৈরি বিধায় তার রোগীর ভেতরে গন্ধকের কিছু গুনাবলী সুনির্দিষ্ট ভাবে পাওয়া যায়। গন্ধক যেমন একটু তাপ পেলে গেলে যায় আবার ঠান্ডা হলে জমাট হয় তেমনি সালফারের রোগী একটু সামান্য আবেগ জড়িত কথাতে ক্রন্দন করে আবার পরক্ষনে সে নিজে অনুতপ্ত হয়।

>> সামান্য জিনিষের মিথ্যা তারিফ করেঃ সালফারের মিথ্যা বলার প্রবনতা অধিক এবং সে এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে যে কোন জিনিসকে উপস্হাপন করে যে মনে হবে সত্য জিনিসটা যে সামনে তুলে ধরছেন। সালফারের বাচ্চারা সহপাঠীর সাথে খেলায় হেরে মারামারি করে বাসায় ফিরে এমন করে নিজের দোষ ডাকার জন্য অভিনয় করে যে মনে হয় সে একেবারে innocent তার ভেতরে কোন পাপের ছায়া নাই।

>>কিছুই ভালোলাগেনা আনন্দ পায়নাঃ রোগ ভোগ করা কালীন সময় সালফার বিমর্ষ থাকে তার মনে আমোদ, প্রমোদ বলে কিছু থাকে না সব সময় বন্ধ ঘরের ভেতরে চুপচাপ বসে থাকে মনে সুখ নাই তার। মনমরা ভাব তার ভেতরে।

>> গুছিয়ে রাখতে জানেনাঃ অগোছালো মানুষ যদি কখনো আপনার চোখের সামনে আসে তাহলে বুঝবেন ঐনি সালফার এর কিছু লেয়ার কভার করে বসে আছেন। সামান্য পরিমান গোছানো জিনিসটা তার ভেতরে পাবেন না সব সময় অগোছাল ভাব। সালফারের ঘরের ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে এমন একটা বিদঘুটে গন্ধ বের হবে তাতে আপনি বমি করে দিতে পারেন। আর বই পত্রের দিকে তাকাবেন দেখবেন তার বিছানার চারপাশ দিয়ে বই, জামা, কাপড় সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সে মনে হয় বন্য জীবন যাপন করছে।

>> নোংরা অথচ নিজেকে মহাজ্ঞানি মনেকরেঃ সালফারের অপর নাম নোংরা ( সরিনাম)। তার সবকিছুতেই নোংরা, তার শরীর নোংরা, তার কথা নোংরা, তার মন নোংরা, কাজ নোংরা সবকিছুতে নোংরা। মনে করেন সালফারের এক রোগী আপনার চেম্বারে এসে হাজির হল। সে এসেই চেয়ারে পা তুলে বসে গেল। হঠাৎ করে তার হাঁচি উঠল সাথে একটু সর্দ্দি বের হল সে জিব দিয়ে সেটার স্বাদ নিতে চেষ্টা করবে। আবার মাঝে মাঝে নিজের বগলের গন্ধ নিতে চায়। চেম্বারে টেবিলে একটা গ্লোবিউন্স দানা পড়ে থাকলে হয়ত সে চাইবে সবার অগচরে মুখের ভেতরে দিতে। সে এতই নোংরা যে তার শার্ট,প্যান্ট, জুতা একজন সুস্হ মানুষের সম্মুখে দিলে সে কখনো ব্যবহার করতে চাইবে না কিন্তু সালফার সেটা স্বনান্দে ব্যবহার করে থাকে।

>>স্বার্থপরঃ অধিক স্বার্থপরতা সালফারের আরো একটা বিশেষ লক্ষন। যেখানে স্বার্থ নাই সেখানে সালফার না। সব খানে স্বার্থের আঁচ খুঁজতে থাকে।

>>পরের দোষ খোঁজেঃ নিজের কাছে সালফার পাপহীন সে মনে করে তার মত ভাল মানুষ জগৎ এ আর কেউ নাই নিজে কোন দোষ করে না। সব সময় অপরের দোষ খুঁজতে ব্যস্ত থাকে। কে কি করল, কার বউ অন্যের সাথে চলে গেল এ নিয়ে সব সময় বিজি থাকে সে।

>>দ্রুতগতিশীলঃ যেকোন কাজ খুব তাড়াতাড়ি করাটা সালফারের আরো একটা বড় লক্ষন। সব কাজ দ্রুত করতে চায়(অরাম,আর্জনাই)।

>>তীক্ষ্ণ বুদ্ধিঃ প্রখর বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী সালফার। intellectually keen but physically very weak শারীরিক ভাবে দুর্বল হলে ও মানসিক ভাবে দারুন বুদ্ধিদিপ্ত ( লাইকো)

>> নাম ভুলেযায়ঃ সে দার্শনিক ঘরোনার মানুষ। নিজের জগৎকে ভুলে অন্য জগৎ নিয়ে ভাবে বিধায় মাঝে মাঝে নিজের নাম ঠিকানা পর্যন্ত ভুলে যায়। আইস্টাইন নিজেও তার বাসার ঠিকানা ভুলে যেতেন। হয়ত তিনি সালফারে অন্তুভূক্ত ছিলেন।

>>সর্বদাই খুটিনাটি লইয়া বকাবকিঃ তার যন্ত্রনায় বাড়ির মানুষ অস্থির্। তার হুকুম জারির ঠেলায় বাড়ির সকলে অস্হির হয়ে যায়।

>> সামান্য বস্তুকে অনেক কিছু মনে করে, ছেড়া নেকটা বা কাগজ মাথায় দিয়ে বলে আমি রাজা, বাদশা বা রাণী, সমস্ত বস্তুকেই সুন্দরদেখে।

>>স্বার্থপর,ভীরু অলস কোনো নিয়ম মেনে চলতে পারে না।

♦Characteristic Symptoms ( চরিত্রগত লক্ষন):
১. পায়ের তলা জ্বালার জন্য পা বিছানার বাহিরে রাখতে হয়।
২. উত্তম রুপে ধৌত করা সত্বেও শরীরের দুর্গন্ধ দূর হয়না। -(সোরিন)
৩. উঁচু বালিশে কপালে হাত না রাখিয়া ঘুমাতে পারেনা।
৪. ঠোঁট রক্ত বর্ণ (বেল, ল্যাকে, টিউবার)
৫. হাত - পা সরু ও পেটটি বড়।
৬. কোল-কুজো,সম্মুখ ঝুঁকে চলে।
৭. দিবাভাগে নিদ্রা আর রাত্রে নিদ্রা না হইয়া আচ্ছন্নভাব ও তন্দ্রা।
৮. সকল স্থানের স্রাবই হাজা কর , অত্যন্ত দুর্গন্ধ (টকগন্ধ) স্রাব দ্বার লাল বর্ণ হয়।
৯. মুখ গলা শুস্ক ক্রমাগত ঢোক গিলে।
১০. জিহ্বার মধ্য ভাগ সাদা, ধার গুলো ও ডগা লাল।
১১. দুর্গন্ধ মল,ঘর্ম বা স্রাব -টক বা অম্লগন্ধ যুক্ত
১২. রাত্রি দ্বিপ্রহরের পর রোগের বৃদ্ধি, বেলা ১১টায় উদরের মাঝে খালি বোধ ও জ্বালা।
১৩. পায়ের ডিম এবং পায়ের তলায় জ্বালা ও খিল ধরা।
১৪. সর্বগ্রাসী ক্ষুধা: কিন্তু দু-একগ্রাস আহার করিবার মাত্রই মনে হয় পেট পূর্ণ হয়ে গিয়েছে ,আর আহারে ইচ্ছা হয়না।
১৫. আহার কম পান অধিক।
১৬. যে কোনো পীড়ায় খাওয়ার জন্য ঘ্যানঘ্যান করে, মুখে খাওয়া লাগাইয়া রাখে।
১৭. বাহ্যে পাইলে আর এক মিনিট ও বিলম্ব সহ্য হয়না; তৎক্ষণাৎ টয়লেটে ছুটিতে হয়, না হয় কাপড় নষ্ট হয় (এলো)।
১৮. বাচ্চা পায়খানা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে।
১৯. খাইতে খাইতে পায়খানা করে।
২০. অত্যন্ত ক্ষুধা কেবল খাই খাই করে।
২১. পায়খানা করার পরেই কিছু খাওয়া চাই।
২২. মলে কেবল মাত্র পুঁজ, ময়লার গন্ধ থাকেনা।
২৩. অনেক রোগ ঘন ঘন পূনঃ প্রকাশিত হয়।

♦Peculiar Symptoms(অদ্ভুত লক্ষন): সংক্ষিপ্ত P.Q.R.S হিসাবে বিবেচিত লক্ষন নিয়ে আমরা অনেক সময় মেডিসিন সিলেক্ট করে থাকি। কারন এই অদ্ভুত লক্ষন যার মনে যত বেশি গেঁথে নিতে পারবে তত বেশি সে ডাক্তার সফলতা অর্জন করতে পারবে। রেপার্টরী বা মেটিরিয়া মেডিকাতে অদ্ভুত লক্ষনের মূল্যায়ন অনেক বেশি যার মধ্যে যে কোন একটি পেলেই সালফার বিবেচনা করা যেতে পারে ।
# সালফারের রোগী নোংরা ও অগোছানো প্রকৃতির । দেহের বিভিন্ন স্থানের গন্ধ শুকতে থাকে। তবে মনে রাখবেন "কেন্ট স্যার সালফার ও সরিনামের ভেতরে সামান্য পার্থক্য করে নিতে বলছেন সেটা হল "সালফার নোংরা থাকে অর্থাৎ সে স্বভাবগত ভাবে সে নোংরা আর সরিনাম নোংরা থাকতে চায় না তবে তার শরীর নোংরা হয়ে যায়। এবং সরিনাম শীত কাতর অপর পক্ষে সালফার গরম কাতর।
#ভোরে পায়খানার বেগে ঘুম থেকে ওঠে ভাঙ্গে (N.S)।
#পায়খানার রাস্তায় গড়গড়ানি শব্দ হয় ( আর্জেন্ট নাইট)।মলদ্বার ভিজা থাকে( পিউনিয়া)।
# তিন তালুতে জ্বালা ( হাত- পা ও মাথা )
# অলীক কল্পনা / নিজেকে অনেক বড় মনে করে।
# স্বার্থপর ও হিংসুক প্রকৃতির ( এটা ল্যাকেসিস এ ও আছে)
# মজার ব্যপার হল গরম ঘরে প্রবেশ করলে মুখমন্ডল হলুদ দেখায়।
# আঙ্গুলের মাথায় চাপড়া ওঠে ( নেট্রামেও এমন হয়) পায়খানার পর মলদ্বার হাজিয়া যায় । এটা ক্যামোমিলাতেও আছে । আবার মহিলাদের Menopause time - এ মাথার তালুতে জ্বালা লক্ষণে সালফার অপেক্ষা ল্যাকেসিস ভাল কাজ করে। তবে সিকেলি করের ভেতরে ও মাথার তালু জ্বালাটা ও পাবেন বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে।
# এক স্থানে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।

♦ At a glance of Sulphur( একনজরে সালফার): প্রথম দর্শনেই আমরা কিছু সময় আচ করি যে রোগী কোন ঔষধের দিকে ধাবিত হচ্ছে তেমন ভাবে সালফারকে এক নজর দেখে আমরা কিভাবে চিনব সেটা একটু দেখি।অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন,কুঁজো ব্যক্তি ,সামনের দিকে ঝুঁকে চলে ,বসলেও ঝুঁকে বসে ,উস্কুখুস্কু চুল ,নখগুলো বড় বড় ,নখকাটেনা ,যেখানে সেখানে থুতু ফেলে,বাচাল ,নিজেকে পন্ডিত মনে করে ,ঠোট লাল ,রক্তবর্ণ ,পেট বড় ,হাত-পা সরু ,হাত-মুখ না ধুয়ে খেতে বসে ,পচাগন্ধ শুকে ,অল্প বয়সে বৃদ্ধের ন্যায় আকৃতি ,জিহ্বার অগ্রভাগ লাল ও ত্রিকোণ লাল ,জিহ্বার সাদা ধারগুলো লাল ,ময়লা জামা পড়ে ,শরীর থেকে বিশ্রি গন্ধ নির্গত হয়।জিহ্বা সাদা।

♦সালফার ও সোরিনামের মধ্যে পার্থক্যঃ অনেক সময় নবীন বা প্রবীন ডাক্তার একটা ধোয়াশার মধ্যে পড়ে যায় সোরার এই দুই বসকে নিয়ে দুই জনই যেন যমজ ভাই কিন্তু তাদের পার্থক্য করে মাথার ঘাম ঝরাতে হয়। কিন্তু নিজের কথা গুলো মনে রাখলে হয়ত একটু ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
#সালফার স্নানে অনিচ্ছা- স্নানে বৃদ্ধি,
সোরিনাম স্নানে অনিচ্ছা, স্নানে উপশম ।
#সালফার গরম সহ্য করতে পারে না, শীতল বাতাস চায় ।
সোরিনাম শীত সহ্য করতে পারেনা, শীতের ভয়ে মাথায় কাপড় দিয়ে রাখে ।
#সালফার পিপাসার্ত বেশি; সোরিনাম কম ।
#সালফারের মল খুব কঠিন, সোরিনামের মল নরম কিন্তু বের হতে চায় না ।
#সালফারের রুগী ময়লা খুটে খায় না; সোরিনাম খুটে খায়, বাচ্চারা সর্দি টেনে খায় ।
#সালফার দুধ খেতে চায় না, হজম হয় না তাই । সোরিনামের এই সমস্যা নেই ।
#সালফারে চুলকানির পরে মামড়ি পড়ে না । সোরিনামে চুলকানির পর মামড়ি পড়ে ত্বক শক্ত হয়ে যায় ।
#সালফারে স্নানের পরেও মলিন দেখায় না । কিন্তু সোরিনামে স্নানেও পরিষ্কার দেখায় না ।
#সালফারে ক্ষুধা বেশি আছে । কিন্তু সোরিনামের ক্ষুধা অনেক বেশি এমনকি রাতে ঘুম থেকে উঠেও খেতে হয় ।
#সালফারে হতাশা আছে; কিন্তু হতাশায় ধর্মকর্ম নিয়ে অস্থির হয়ে যায় না । কিন্তু সোরিনামে এত হতাশ হয়ে যায় যে ধর্ম কর্ম নিয়ে অস্থির হয়ে যায়।

♦ কোন কোন রোগের উপর সালফার ক্রিয়া করেঃ এবার আলোচনা করব সালফার কোন কোন রোগের উপর ক্রিয়া করে সেই সম্পর্কে।
>>জ্বালা ( Burning) : হাতের তালু, পায়ের তলা এবং ব্রক্ষতালু অত্যন্ত উত্তপ্ত, বাতাস চাহে এবং ঠান্ডা মেঝের উপর শুইয়া থাকে, ঠোঁট এবং জিহবার অগ্রভাগ রক্তবর্ণ। চর্মরোগের ইতিহাস। ঘুম ভাঙ্গিলেই মলত্যাগের বেগ; কুজ দেহ, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন।
>>Fever (জ্বর): বেলা ১০/১১ টা হইতে জ্বর বৃদ্ধি পায় হাতের তালু, পায়ের তলা ও ব্রক্ষতালু অত্যন্ত গরম, রোগী ঠান্ডা মেঝেতে শুইয়া থাকিতে ভালভাসে।
>>Bolis(ফোড়া): অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন স্বাভবের লোক। একসঙ্গে অনেক ফোড়া উঠে।
>>Dysentery(আমাশয়): কোন চর্ম্মরোগ বাধাপ্রাপ্ত হইয়া আমাশয়, অথবা যাহারা অত্যন্ত অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন তাহাদের আমাশয়ে ইহা অদ্ধিতীয় ঔষধ, ভোরবেলায় রোগের বৃদ্ধি, মলত্যাগের পরেও শান্তিলাভ ঘটে না; পিপাসা আছে। ঠোঁট রক্তবর্ণ।
>>Extremities হাত-পা সরু, পেটটি বড়:
ছেলেমেয়েরা খুব খেতে পারে, কিন্তু যেমন খায় তেমনি হজম করতে পারে না, ফলে দেহের পুষ্টিসাধন না হয়ে পেটটি বড় দেখায়। আবার বেশ হৃষ্ট-পুষ্ট ছেলে যে সালফার হতে পারে না এমন নহে। খাদ্য খায় কম কিন্তু জল খায় বেশি।
>>Aversion to milk(দুগ্ধে বৃদ্ধি): দুধ খাইতে চাহে না, খাইলে সহ্যও হয় না। মাংসেও অরুচি, মিষ্টি খাইতে ভালবাসে, কিন্তু অনেক সময় তাহাতে অনিচ্ছা বা তাহা অসহ্য হইতেও দেখা যায়। ঝাল, উগ্রদ্রব্য এবং মাদক-দ্রব্য খাইতে ভালবাসে। মাছ, ডিম ও মাংসে অনিচ্ছা।
>>Malaria fever(ম্যালেরিয়া জ্বর): শীত অবস্থায় পিপাসা থাকে না, উত্তাপ অবস্থায় নিদারুণ গাত্রতাপের সহিত রোগী অচেতন হইয়া পড়ে, বমি, উদরাময়, পিপাসা। শীত অবস্থায় জননেন্দ্রিয় বরফের মত শীতল।
>> cough( সর্দ্দি কাশি): পুরাতন সর্দ্দি-কাশির সহিত স্বরভঙ্গ, গলাভাঙ্গা, গলাধরা, অনবরত কাশি, নাসিকা দিয়ে রক্ত পড়ে, নাসিকা ফোলে, নাসিকার মধ্যে শুষ্ক পিচুটি বা মামডি পড়ে, নাসিকার ডগা হাজিয়া লালবর্ণ হয়।
>>ব্রঙ্কাইটীই বা শ্বাসনালীর প্রদাহ: এই পীড়ায় একটু পুরাতন অবস্থায় পূঁযের মত গয়ার উঠে, ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে শ্লেম্মা জমে, রোগী অত্যন্ত কাশে, কখনো কাশিতে কাশিতে বমি করিয়া ফেলে, কাশি শুইলেই বৃদ্ধি হয়।
>>Skin disease (চর্ম্মপীড়া): রোগী দেখিতে অত্যন্ত অপরিষ্কার ও কদাকার। হাত, মুখ, বাহুতে গর্মি গোটার ন্যায় ছোট ছোট ফোঁড়া হয় এবং খোসের মত ঘা হয়। ইহা ছাড়া কুঁচকী, স্তন, গ্রীবা বগল এবং ঘাড় যেখানে চামড়ার ভাঁজ থাকে, খোসপাঁচড়া, চুলকানি, একজিমা, কাউর, দাদ অত্যান্ত চুলকানি, চুলকাইবার সময় রতি ক্রিয়ার মত সুখঅনুভব এবং পরে ভয়ানক জ্বালা হয়। রাত্রিকালে ও স্নানে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়।
>>Eye disease (চক্ষুর পীড়া): প্রান্তদেশের ক্ষতবস্থা এবং তাহাতে জ্বালা। চক্ষুর মধ্যে তাপ এবং জ্বালাবোধ। (আর্সেনিক ও বেলেডোনা) চক্ষুর সমনে কালো কালো দাগ। পুরাতন চক্ষুপ্রদাহ, তাহার সাথে অত্যান্ত জ্বালা এবং চুলকানি।
>>Ear disease (কর্ণের পীড়া): কানের মধ্যে ঝাঁই ঝাঁই শব্দ। কোন ঔষধ প্রয়োগের পলে কান পাকা চাপা পড়িয়া যাওয়ার কুফল। বধিরতা, ইহার পূর্বে শ্রবণশক্তির অত্যধিক প্রাখর।
নাসিকার পীড়: ঘরের মধ্যে থাকিলে নাসিকা বন্ধ থাকে। কাল্পনিক দুরগন্ধ। পুরাতন শুষ্ক সর্দ্দি, শুষ্ক মামড়ী এবং ইহা হইতে সহজেই রক্ত বাহির হয়।
>>Abdomen (তলপেট) :চাপদিলে যথেষ্ট বেদনা অনুভূত হয়; অভ্যন্তরে মনে হয় যেন কাঁচাভাব এবং টাটানি-ব্যথা। পেটের মধ্যে যেন জীবন্ত কিছু নড়াচড়া করিতেছে।
>>Piles(অর্শ) : মলদ্ধার চুলকায় এবং জ্বালা করে; তলপেটে রক্তাধিক্য হেতু অর্শ । পুনঃপুনঃ মলত্যাগের বেগ হয় কিন্তু নিষ্ফল; মল কঠিন, শিশু মল ত্যাগ করিতে ভয় পায়, বেদনা হইবে বলিয়া। মলদ্ধারের চারদিক লাল বর্ণ; তাহার সথে চুলকানি। সকালবেলায় উদরাময়, বেদনাহীন, মলত্যাগ করার জন্য রুগীকে বিছনা হইতে উঠিয়া ছুটিতে হয়।
>>Diabetes( প্রমেহ): স্রাব পূঁজের ন্যায় হোক বা জলের মত হোক প্রমেহের সহিত যদি মুত্রত্যাগ কালে যন্ত্রনা থাকে। প্রমেহের প্রথম এই ঔষধ এতবেশি উপকারী নহে।
>>Male Genitalia (পুঃজননেন্দ্রিয়): লিঙ্গে সুই পোটানো যন্ত্রনা। শয্যা প্রহন করিলে লিঙ্গ চুলকাইতে থাকে। লিঙ্গ শীতল, শিথিল এবং যোন দুর্বলতা। আসাড়ে শুক্রক্ষরণ।
>>Female Genitalia (স্ত্রীজননেন্দ্রিয়): জননেন্দ্রিয় বাহিরের অংশ চুলকায়। যোনিপথে জ্বালা। ঋতুস্রাব অতি বিলম্বিত, ক্ষনস্থায়ী, পরিমানে অল্প এবং কষ্টকর। ঋতুস্রাবের পূর্বে শিরঃপীড়া অথবা ঋতুস্রাব হঠাৎ বন্ধ হইয়া যায়। স্থনের বোটা পাটাযুক্ত ও জ্বলে।
>>Emptyness (শূন্যবোধ): মাথা, বুক, পেটে-সর্বত্র শূন্যবোধ বা খালি মনে হওয়া। সব কিছুতে শূন্যতা। মানসিক দিক থেকেও মাঝে মাঝে শূন্যতা তাকে গ্রাস করে।
> Agg(বৃদ্ধি): নিস্পেষণে, স্পর্শে, সঞ্চালনে, জলীয়-বায়ুতে, উত্তাপে, স্নানে, শীতল পানে (পিপাসায় ) দুগ্ধ পানে, ঋতুকালে ও মধ্য রাত্রিতে। বেলা ১০/১১টায় ভয়ানক রাক্ষুষে ক্ষুধা।
> >Amel (হ্রাস): শুষ্ক বায়ুতে, দক্ষিণ পার্শ্বে শুইলে, শীতল জল প্রয়োগে।
>>Causition (কারণ): চর্মরোগ চাপা পড়া, অতিঃ গরম, মানসিক পরিশ্রম বংশগত ধাতুর দোষ।
>>Desire (ইচ্ছা): মিষ্টি, ইচ্ছা মাংস তরল খাবার গরম খাবার শাক সবজি 2 গ্রেড
1ম গ্রেড মাংস ডিম।
>>Aversion ( অনিচ্ছা): দুধ, টক, মিষ্টি, চর্বি কফি, ফল, রুটি 2 গ্রেড
3 গ্রেড মাছ মায়ের দুধ শাক সবজি
1ম গ্রেড দুধ।
>> inimical( শত্রুভাবাপন্ন): sulp follows lyc but lyco does not follow sulph.
>> used after ( পরবর্তি ব্যবহারর্য): একো, ইস্কুইলাস, এলু, এপিস, আর্স আয়োড, এটি- রুবেন্স, ব্রারাইটা কার্ব, বেল, ব্রায়ো, বার্বেরিস ভল।
>> Antidote( ক্রিয়ানাশক): একোনাইট, ক্যাম্ফার, আর্সে, ক্যামো, চায়না, কোনি, কষ্টিকাম, নাক্স, মার্ক, পলস, রাস, সিলি। সালফারের পরে লাইকোপোডিয়ম নিষিদ্ধ।
>>Potency and Dosage (শক্তি ও মাএা):রোগীর জীবনীশক্তি ও রোগীর রোগের ধরনঅনুযায়ী এর শক্তি নির্ধারন হয়ে থাকে। তবে কখনো সালফার উচ্চ শক্তি প্রথমে ব্যবহার করতে যাবেন না তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে।
>> Warning (সতর্কীকরণ):
এই ঔষধ পুনঃপুন প্রয়োগ করতে নেই। এছাড়া টাইফয়েড,নিউমোনিয়া কিংবা অন্য সমস্ত পীড়ায় যেখানে রোগীর Vitality বা জীবনীশক্তি কিছু মাত্র নেই সেখানে সালফারের লক্ষণ থাকলে ও সালফারের উচ্চ শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ। কারণ ঔষধের ক্রিয়াজনিত বৃদ্ধির কারণে অনেক সময় রোগীর মৃত্য ঘটে।

>>বিঃ দ্রঃ ভুল ত্রুটি মার্জনীয়।
♥কৃতজ্ঞতাঃ ডাঃ বোরহান উদ্দীন মহোদ্বয়কে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করার জন্য।

29/11/2025

পেনিট্রেশন ফেইলিউর বা লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে অক্ষমতার কারন ও প্রতিকার----
📘📘_________📘📘_________📘📘
পেনিট্রেশন ফেইলিউর বলতে লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে অক্ষমতাকে বোঝায়। যৌন মিলনের ইচ্ছা আছে ইরেকশানও হয় বাট যোনীদ্বারে প্রবেশ করানোর সাথে সাথে বীর্যপাত হয়।
পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে উঠতি বয়সের যুবকরা হতাশ। অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

🍎কারণ : প্রধান কারণ হলো-

✒বয়সের পার্থক্য

✒পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব্য, ত্বক ও মুখশ্রী)

✒দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস

✒যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া)

✒ইউরেনারী ট্রাক্ট ইনফেকশান।

✒রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

✒ যৌনরোগ বা এইডস-ভীতি

✒ নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাসন

✒সেক্স-এডুকেশন এর অভাব। এবং এ্যালোপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

যুবকরা যেখানে সেখানে গিয়ে স্বেচ্ছায় বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন অথবা অকার্যকর ওষুধ সেবন করে। এটি মোটেই কাম্য নয়। এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত সত্যিকারভাবে পুরুষত্বহীনতার আশংকা দেখা দেয়। যা থেকে পরবর্তীতে আরোগ্য লাভ করা প্রায় অসম্ভব।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ-প্রাকৃতিক, বিশুদ্ধ ও নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে হোমিওপ্যাথি।
হোমিওপ্যাথিতে যৌন সমস্যা সম্পূর্ন ভাল হয়।
যৌন সমস্যার বিভিন্ন স্তরে লক্ষন সাদৃশ্যে বিভিন্ন ঔষধ আসতে পারে।পর্যাক্রম:-
💻হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমূহ:-
🎯Caladium Seg
🎯Lycopodium
🎯Agnus Castus
🎯Acid Phos
🎯Avana Sat
🎯Medorrhinum
🎯Moschus
🎯Salix Nig
🎯Titanium
🎯Nuphar Lut
🎯Turnera
🎯Selenium
🎯Merc Sol
🎯Canabis Sat

নোট:-লক্ষন সাদৃশ্যে ঔষধের ভিন্নতা আছে।
নিজে নিজে সেবন করতে যাবেন না যদিনা অর্গানন, রোগীলিপি, রেপার্টরি, শক্তি-মাত্রা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকে। কারণ এটা এ্যালোপ্যাথির মত আঁধারে ঢিল ছুঁড়ার মত চিকিৎসা নয় এটি লক্ষণ সদৃশ সঠিক চিকিৎসা।
🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎🌿🍎

24/11/2025

👉নাকের পলিপ বলতে সাধারণত নাকের ভিতরে নাক ও সাইনাসের আবরণী কোষ হতে উৎপন্ন আঙ্গুর ফলাকৃতি একধরনের মাংসপিণ্ডকে বোঝায়। এগুলো সাধারণত মসৃণ,নরম,ফ্যাকাসে এবং ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে। অনেক সময় ক্ষত ও পুঁজ সৃষ্টি হতে পারে।
নাকের পলিপাস অতি পরিচিত একটি রোগ। কিন্তু নাক বন্ধ থাকা মানেই নাকের পলিপাস হয়েছে এটা ঠিক না।
👉নাকের পলিপাসের প্রকারভেদঃ
১. Anatomically ( দেহের গঠনের উপর ভিত্তি করে)
polyp( অ্যান্ট্রোকোনাল পলিপ)ঃ এটি ম্যাক্সিলারি এন্ট্রাম থেকে উৎপন্ন হয়,সাধারণত একপাশে হয় এবং সংখ্যায় একটি থাকে।এটা মধ্য বয়সে এবং বৃদ্ধ বয়সে বেশি হয়।
# Ethmoidal polyp(ইথময়ডাল পলিপ)ঃ
এটি ইথময়ডাল এয়ার সেল থেকে উৎপন্ন হয়,সাধারণত দুই পাশেই হয় এবং সংখ্যায় একাধিক হয়। এটা বাচ্চাদের এবং কম বয়সী দের বেশি হয়।
২.According to cause( কারণ অনুসারে)ঃ
(এলার্জি জনিত)
# Vasomotor ( রক্তবাহকের সংকোচনশীলতা)
( প্রদাহী)
(সংক্রামক)
(এলার্জি ও ইনফেকশনের মিলিত ক্রিয়া)
(কোষ সমূহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জনিত পলিপ)
এছাড়াও ছত্রাকজনিত- রাইনোস্পোরিডিয়াম ছত্রাক উৎপন্ন পলিপ যা গবাদিপশুর সংস্পর্শে গেলে শরিরের যেকোনো স্থানে হতে পারে।
👉নাকের পলিপাস এর লক্ষণঃ
১. নাক বন্ধ থাকা।
২. বেশি বেশি সর্দি লাগা।
৩. নাক দিয়ে পানি পড়া।
৪. বেশি হাঁচি হওয়া।
৫. ঘ্রাণ শক্তি হ্রাস পাওয়া।
৬. ঘ্রাণ শক্তি লোপ পাওয়া।
৭. স্মৃতি-শক্তি কমে যাওয়া।
৭. মাথা ব্যথা
৮. নাক দিয়ে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়
৯. অনেক সময় মাথায় ব্যথা হয়, নাক ও কানে চুলকায়, নাকে ব্যাথা।
১০. নাক ডাকা।
১১. রক্তে serum IGE এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া।
👉 পলিপাসের সচেতনতা:
১.ঠান্ডাজনিত পরিবেশ থেকে সাবধাণতা অবলম্বন করতে হবে।
২.সিজনাল ফল-মূল বেশী খেতে হবে।
৩.ধূলা-বালি ও ধোঁয়া থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
৪.ফ্রীজের সরাসরি ঠান্ডা খাবার থেকে বিরত থাকা।
৫.গতানুগতিক এ্যান্টিবায়োটিক ও ঠান্ডাজনিত ঔষধ খাওয়া হতে বিরত থাকতে হবে।
৬.এলার্জি জাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
জীবন-যাত্রায় মানসিক ও শারীরিক প্রভাব যেন না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
👉 নাকের পলিপাসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিঃ-
বর্তমানে নাকের মাংস বৃদ্ধি (Nasal Polyps) বা পলিপ একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা দূর করার জন্য হোমিওপ্যাথি হলো বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক কার্যকর এবং স্থায়ী চিকিৎসা। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য আপনাকে কোন লোকাল হোমিও ডাক্তারের কাছে না গিয়ে, একজন অভিজ্ঞ ও গ্র্যাজুয়েট হোমিওপ্যাথ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে। কেন একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাবেন? কারণ, নাকের পলিপাস দ্রুত আরোগ্যের জন্য সাধারণত: লোকাল ডাক্তারগণ সিরিঞ্জের সাথে এসিড জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পলিপাসকে সাময়ীক উপসম করে দেন, তাতে রোগীর সাময়ীক কষ্ট কিছুদিন ভাল থাকলেও ভবিষ্যতে আরো কঠিন ও জটিল আকার ধারণ করে।
অপারেশন ছাড়াই সম্পূর্ণ স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা সম্ভব। আপনি যদি স্থায়ী ভাবে এর থেকে মুক্তি লাভ করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন।
👉 হোমিও চিকিৎসা:
লক্ষণভিত্তিক ও বিভিন্ন sign, symptom এবং investigation করে সাদৃশ্য ঔষধ প্রয়োগ করে বিনা অপারেশনে নাকের পলিপাস স্থায়ী আরোগ্য হয়। তবে জটিলতার উপর নির্ভর করে আরোগ্যের সময় একটু দির্ঘায়ীত হতে পারে।
মেডিসিন সমূহ:
১/ ক্যালকেরিয়া কার্ব
২/ স্যাঙ্গোমেরিয়া ক্যান
৩/ থুজা
৪/ সাইলেশিয়া
৫/ ডালকামরা
৬/ টিউক্রিয়াম
৭/ অরামমেট
৮/ লাইকোপোডিয়াম
৯/ এ্যালিয়াম সিপা
১০/ আর্সেনিক আয়োড
১১/ ক্যালি আর্স
এছাড়াও রোগীর সার্বিক লক্ষণের উপর ভিত্তি করে অন্য যে কোন মেডিসিন হতে পারে।
পোস্টটা নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য।

18/11/2025

চর্ম রোগের হোমিও ঔষধ (চুলকানি, একজিমা)
🍊Graphites 200 – হাতের চেটোর উল্টো পৃষ্টে একজিমা, চামড়া মোটা হয়,ফাটে, আঙ্গুলের চামড়া মোটা হয়, মুখে, কানের পেছনে, চোখের পাতায়, জননেন্দ্রিয়ে ফুস্কুড়ি কিংবা ঘায়ের মতো উদ্ভেদ,তা থেকে মধুর মতো চটচটে রস নিঃসরণ। উদ্ভেদ্গুলি মাছের আঁশের পদার্থ দিয়ে ঢাকা।

🍋Petroleum 30 – ওপরের Graphites এর মতো লক্ষণ তবে উদ্ভেদ গুলি শীতকালে বৃদ্ধি পায় ও গরমকালে আপনাতেই কমে যায়।

🍌Coffea Crud 200 – চর্মরোগে অত্যন্ত চুলকানি, রক্ত পড়ে, জ্বালা করে ও তার জন্যে অনিদ্রা।

🍍Croton Tig 200 – উদ্ভেদ প্রথমে ফোস্কার মতো, পরে পাকে, চুলকানি জলে ও ঠাণ্ডায় বাড়ে।

🥭Dolichos 30 – চামড়ায় কোন প্রকার উদ্ভেদ নেই অথচ ভয়ানক চুলকানি।

🍎Comocladia 30 – চামড়া লালবর্ণ বা চামড়ায় লাল ডোরাডোরা দাগ। ঘামাচির মতো লালবর্ণের ফুস্কুড়ি ও তাতে অধিক চুলকানি।

🍏Psorinum 200 – গায়ের চামড়া দেখতে খুব কদাকার, গায়ে এতো দুর্গন্ধ যে স্নান করলেও গন্ধ যায় না। শরীর একটু গরম হলেই চুলকায়, রক্ত বেরোয় ও নানা রকমের উদ্ভেদ।

🍐Sulpher 6 – চর্মরোগে অত্যন্ত চুলকানি, চুলকানোর সময় মহাসুখ, পরে ভীষণ জ্বালা। গায়ের চামড়া দেখতে খুব কদাকার,অপরিস্কার। চুলকানি রাতে, গরমে ও স্নানে বাড়ে।

🍑Kali Ars 30 – কাপড় খুললেই চুলকানি,আঁশের মতো শল্ক ওঠে, পুরাতন একজিমা – গরমে,চললে, কাপড় খুললে বাড়ে, সোরাসিস।

Sepia 200 – স্ত্রী জননেন্দ্রিয়ে ছোটো ছোটো ফুস্কুড়ি ও তাতে অসহনীয় চুলকানি।

🍒Hepar Sulph 200 – সন্ধিস্থলে ও চামড়ার ভাঁজে রসপূর্ণ উদ্ভেদ ও তাতে অত্যন্ত দুর্গন্ধ ও চুলকানি। গায়ে সামান্য আঁচড় লাগলেই পাকে ও পুঁজ হয়।

🍓Anthrakokali 200 – খোস, প্যাঁচড়ায় অত্যন্ত চুলকানি, ঠোঁট ও অন্য স্থানে ফাটা ক্ষত, পুরাতন দাদ।

🥝Anacardium Occi 30 – চামড়ায় টোপতলা ফোস্কার মতো উদ্ভেদ। পায়ে কড়া, ক্ষত, পায়ের তলা ফাটা।

🥝Antim Crud 30 – চামড়ায় আঁচিলের মতো বা ফোস্কার মতো উদ্ভেদ। ঘারে, মুখে, পিঠে, হাতে, বুকে উদ্ভেদ বেরোয় ও চুলকায়।

🍅Aloe Soc 30 – খোস, প্যাঁচড়া প্রতি বছর শীতকালে দেখা যায়।

🥥Echinacea Q – খোস, প্যাঁচড়া, চুলকানি এবং পারদ ও উপদংশজনিত চর্মরোগের উৎকৃষ্ট ওষুধ।

🥑Urtica Urens 200 – আমবাতে ভয়ানক চুলকানি, জ্বালা ও কাঁটাবেঁধার মতো বেদনা থাকে,রোগি ক্রমাগত হাত বোলায়। হাতের, মুখের, বুকের চামড়া ফোলে, গরম হয়, ফুস্কুড়ি বেরোয়। ঘুমালে ফুস্কুড়ি মিলিয়ে যায় কিন্তু বিছানা থেকে উঠলে আবার বেরোয়।

🍑Bufo Rana 200 – হাতে ও পায়ের তালুতে ফোস্কা্‌, সামান্য আঘাতে ক্ষত হয়,পাকে,মুখে ও গলায় ক্ষত হয়ে ছিদ্র হয়ে যায়, স্তনে কান্সারের মতো ক্ষত।

🍐Acid Chryso 30 – খোস, প্যাঁচড়া, দাদ, সোরাসিস ও নিম্নাঙ্গের একজিমা।

🥔Anagallis 30 – হাতের চেটোয়, হাতে ও আঙ্গুলে চুলকানি।

🥕Arsenic Alb 6 – কপালে ও মাথায় বেশি উদ্ভেদ, খোস প্যাঁচড়ায় অত্যন্ত দুর্গন্ধ।

🌶️Sarsaparilla 30 – গরমকালে শরীরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভেদ, রোগী বেশ দুর্বল ও শীর্ণকায়, হাত পা ফাটা, গায়ের চামড়া কোঁচকান, নখ কুঁচকে ছোটো হয়ে যায়,নখে ক্ষত ও জ্বালা, অণ্ডকোষ ও লিঙ্গে চুলকানি।

এছাড়াও অসংখ্য মেডিসিন আছে, এখানে মাত্র কয়েকটির কিছু লক্ষন আলোচনা করা হল। রোগীর সার্বিক লক্ষনের উপর নির্ভর করে ঔষধ নির্বাচন করবেন।

14/11/2025
08/11/2025

🎗️ টিউমার (Tumor) — আসলে কী?

টিউমার মানে হলো শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি, যা একটি গাঁট বা ফুলা আকারে দেখা দেয়।
সব টিউমার যে ক্যান্সার, তা নয় — অনেক টিউমার নন-ক্যানসারাস (benign) হয় এবং ধীরে বাড়ে।
কিন্তু কিছু টিউমার ক্যান্সারাস (malignant) হয়ে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

⚖️ টিউমারের প্রধান ২ ধরন

1️⃣ Benign Tumor (সাধারণ বা অক্ষতিকর টিউমার)

ধীরে ধীরে বাড়ে

চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে না

সাধারণত জীবনহানিকর নয়

অস্ত্রোপচার বা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ভালো হয়

🩵 উদাহরণ: Lipoma (চর্বির গাঁট), Fibroma, Adenoma ইত্যাদি

2️⃣ Malignant Tumor (ক্ষতিকর বা ক্যান্সারাস টিউমার)

দ্রুত বাড়ে ও ছড়িয়ে পড়ে

রক্ত বা লসিকা (lymph) মারফত শরীরের অন্য অঙ্গে যেতে পারে

চিকিৎসা দেরি হলে প্রাণঘাতী হতে পারে

❤️‍🔥 উদাহরণ: Carcinoma (epithelial cancer), Sarcoma (connective tissue cancer), Leukemia (blood cancer)

⚕️ টিউমার হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ

1️⃣ কোষ বিভাজনের জেনেটিক ত্রুটি
2️⃣ রেডিয়েশন বা কেমিক্যাল এক্সপোজার
3️⃣ ভাইরাস সংক্রমণ (যেমন HPV, EBV)
4️⃣ দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফেকশন
5️⃣ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
6️⃣ বংশগত প্রবণতা
7️⃣ মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস, বিষাক্ত পরিবেশ

🔍 সাধারণ লক্ষণসমূহ

শরীরের কোনো অংশে গাঁট বা ফুলা (কঠিন বা নরম)

গাঁটের আকার ধীরে ধীরে বাড়ছে

ব্যথা বা অস্বস্তি

ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা

ক্ষুধামন্দা, রক্তস্বল্পতা

হরমোনজনিত পরিবর্তন (বিশেষ করে স্তন বা থাইরয়েডে)

জ্বর, ঘাম, বা রাত্রে ঘাম হওয়া (কিছু ম্যালিগন্যান্ট ক্ষেত্রে)

🧬 হোমিওপ্যাথিতে টিউমারের ধারণা

হোমিওপ্যাথি টিউমারকে দেখে শরীরের জীবনীশক্তির ভারসাম্যহীনতার ফলাফল হিসেবে।
মূল উদ্দেশ্য — শুধু টিউমার ছোট করা নয়, বরং তার কারণ, প্রকার ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী গভীরতর চিকিৎসা করা।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা Benign (সাধারণ) টিউমারে অসাধারণ কার্যকর,
আর Malignant (ক্যান্সারাস) ক্ষেত্রে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, রোগীর জীবনশক্তি ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে।

🌿 টিউমারে ব্যবহৃত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

1️⃣ Conium Maculatum

👉 কঠিন, ধীরে বাড়া, ব্যথাহীন গাঁটে
👉 বিশেষ করে স্তন, প্রোস্টেট, ঘাড় বা গ্রন্থিতে টিউমার
🩵 ধীরে ধীরে শক্ত ও পাথরের মতো হয়ে যায়

2️⃣ Calcarea Fluorica

👉 চর্বিযুক্ত বা ফাইব্রাস টিউমার (Fibroma, Lipoma)
👉 শক্ত, মসৃণ গাঁট, ধীরে বাড়ে
👉 দাঁত, হাড়, গ্রন্থি ও স্কিনে টিউমারের প্রবণতা

3️⃣ Thuja Occidentalis

👉 ওয়ার্টস, স্কিন টিউমার, সিস্ট, পলিপ ইত্যাদি
👉 ভাইরাল গ্রোথ বা ভ্যাকসিনেশন-পরবর্তী টিউমারে উপযোগী

4️⃣ Silicea

👉 ধীরে বাড়া, পুঁজধারী বা ইনফেকশন-প্রবণ টিউমার
👉 শরীর টক্সিন বের করতে অক্ষম হলে টিউমার তৈরি হয়
👉 পুঁজ বের হওয়ার প্রবণতা (suppurative tumors)

5️⃣ Phytolacca Decandra

👉 স্তন টিউমারে চমৎকার কার্যকর
👉 স্তন শক্ত, নীলচে, ছুঁলেই ব্যথা
👉 দুধের গ্রন্থি বা lymphatic congestion

6️⃣ Baryta Carbonica

👉 বয়স্কদের গ্রন্থি বা থাইরয়েড টিউমারে কার্যকর
👉 বৃদ্ধ বয়সে শরীরের কোষ ক্ষয়জনিত টিউমারে ভালো ফল

7️⃣ Clematis Erecta

👉 অণ্ডকোষ বা প্রোস্টেট টিউমারে (hydrocele সহ) উপযোগী
👉 ব্যথাযুক্ত, পানিভর্তি বা স্পর্শে অস্বস্তি

8️⃣ Arsenicum Album

👉 ক্যান্সারাস বা আলসারেটিভ টিউমারে
👉 জ্বালাপোড়া, রাত্রে ব্যথা, দুর্বলতা
👉 জীবনশক্তি বাড়াতে সহায়ক

9️⃣ Carcinosin (Nosode)

👉 ক্যান্সার প্রবণ পরিবারে
👉 দীর্ঘস্থায়ী মানসিক দুঃখ, হতাশা, ভয়
👉 ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রাথমিক পর্যায়ে কার্যকর

🔟 Hydrastis Canadensis

👉 হজম বা লিভার-সম্পর্কিত টিউমারে
👉 শরীরে বিষ জমে চামড়া নিস্তেজ ও দুর্বল হয়
👉 পেট, লিভার বা জরায়ুর টিউমারে ব্যবহৃত

🩺 চিকিৎসার দিকনির্দেশ:
প্রতিটি টিউমারের আলাদা প্রকৃতি, গঠন ও মানসিক প্রভাব আছে।
তাই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কখনো “এক ওষুধ সবার জন্য” নয়।
👉 সঠিক ওষুধ নির্বাচন করতে সম্পূর্ণ কেইস নেওয়া জরুরি।

Address

Rajshahi City
Rajshahi
6000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেহমেদ হোমিও ফার্মেসী এন্ড চিকিৎসালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share