30/01/2026
আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, আমি ২৪ তারিখে এই রোগীর ডায়াবেটিসের রিপোর্ট শেয়ার করেছিলাম।
খাবার পর রক্তে শর্করার মাত্রা ছিল ২২.৪ mmol/L। প্রমাণ হিসেবে ছবি সংযুক্ত ছিল।
এটা কোনো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবেই আমি কেসটি শেয়ার করেছিলাম।
কিন্তু কমেন্ট সেকশনে এমডি ইমানুর রহমান সাকী নামের একজন এলোপ্যাথি চিকিৎসক আমাকে প্রকাশ্যে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানান। আমি তার সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করি।
আজ আপনারা তারিখসহ দেখতে পাচ্ছেন, ২৯ তারিখে, খাবারের দেড় ঘণ্টা পরে রোগীর ডায়াবেটিস নেমে এসেছে ১৫.৭ mmol/L-এ।
রোগীর বর্তমান অবস্থা, অতীত ইতিহাস এবং বংশগত তথ্য বিশ্লেষণ করে আমি এই রোগীর জন্য হোমিওপ্যাথির একটি মৌলিক ও সাংবিধানিক ঔষধ Sulphur 1M প্রেসক্রিপশন করি।
এর পাশাপাশি রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় লাইফস্টাইল মডিফিকেশন ও পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, তাতেই রেজাল্ট আসতে শুরু করেছে।
আগামীকাল ভিডিওসহ এই রোগীর বিস্তারিত ফলোআপ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো, ইনশাআল্লাহ।
দুঃখজনক হলেও সত্য, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ এখনো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে অবহেলা ও কটাক্ষ করে কথা বলেন।
আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, তাদের বেশিরভাগেরই হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে
– কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই
– পড়াশোনা নেই
– বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই
তবুও না জেনে, না বুঝে চরম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মন্তব্য করে বসেন।
ভাই, প্রত্যেকটা পেশাতেই কিছু না কিছু অদক্ষ বা দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ থাকে।
এলোপ্যাথিতেও আছে, হোমিওপ্যাথিতেও আছে।
কিন্তু কয়েকজন অযোগ্য মানুষের কারণে এলোপ্যাথির সম্মান কখনো প্রশ্নবিদ্ধ হয় না, অথচ হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে হলেই পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাকে নিয়ে তাচ্ছিল্য শুরু হয়ে যায়।
এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, হোমিওপ্যাথি নিয়ে মিডিয়াতে বা উচ্চ পর্যায়ে গঠনমূলক আলোচনা খুব কম হয়।
আজকের এই কেস কোনো বক্তব্য নয়, কোনো গল্প নয়—
এটা রিপোর্টসহ প্রমাণ।
যারা জানতে চান, তাদের জন্য দরজা খোলা।
আর যারা না জেনে কেবল চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন—
আজকের ফলাফলটাই তাদের উত্তর।