27/12/2025
শীতকালে ছোট বাচ্চার যত্ন নিতে তাদের গরম রাখা, ত্বকের শুষ্কতা রোধে তেল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা, কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি-এর জন্য সকালে অল্প রোদ লাগানো এবং ভিড় ও ঠান্ডা বাতাস থেকে দূরে রাখা জরুরি; এছাড়া নিয়মিত গোসল করানো হলেও তা যেন হালকা গরম পানি ও অল্প সময়ের জন্য হয়, যাতে তারা ঠান্ডা, কাশি বা নিউমোনিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত না হয়।
ত্বকের যত্ন
ম্যাসাজ: হালকা বেবি অয়েল বা জলপাই তেল দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করলে ত্বক নরম থাকবে এবং ফুসকুড়ি প্রতিরোধ করবে।
পেট্রোলিয়াম জেলি: শুষ্কতা কমাতে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে।
গোসল: কুসুম গরম পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করাতে পারেন, তবে সপ্তাহে ২-৩ দিন গোসল করানোই যথেষ্ট, বিশেষত নবজাতকদের ক্ষেত্রে।
পরিবেশ ও পোশাক
গরম রাখা: শিশুর থাকার ঘর উষ্ণ রাখুন, তবে অতিরিক্ত হিটার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
পোশাক: শিশুকে পর্যাপ্ত গরম পোশাক পরান, তবে অতিরিক্ত স্তুপ করে কাপড় জড়াবেন না, যা ঘুমের সময় সমস্যা করতে পারে।
ঠান্ডা বাতাস: ঠান্ডা বাতাস ও ধুলাবালি থেকে শিশুকে বাঁচিয়ে রাখুন এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থান এড়িয়ে চলুন।
স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য
সূর্যের আলো: সকালের হালকা রোদে শিশুকে কিছুক্ষণ রাখুন, এতে হাড় গঠন ও ভিটামিন ডি-এর অভাব পূরণ হবে।
ব্যক্তিগত সামগ্রী: গামছা, তোয়ালে, রুমাল ইত্যাদি শিশুর জন্য আলাদা রাখুন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
কুসুম গরম পানি: হাত-মুখ ধোয়া, ব্রাশ করা বা খাওয়ানোর জন্য কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন।
অতিরিক্ত সতর্কতা: শীতকালে শিশুর ঠান্ডা, কাশি, নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ে, তাই যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।