GOODHealth

GOODHealth GOODHealth will tell you all the unknown information to keep your health

06/07/2024





জলঢাকা হোক বা যেকোনো পরীক্ষা কেন্দ্রে
এক কক্ষে একজন শিক্ষক এক দিনের বেশি ডিউটি করলে, সেই পরীক্ষা কেন্দ্রে অনেক বড় এবং বেশি পরিমাণে দূর্নীতি চলে বলে আমি মনে করি।

09/09/2023

লক্ষ কোটি মানুষের মাঝে লক্ষ কোটি টাকা পাওয়া যাবে কিন্তু সততা এবং আত্ত্বমর্যাদাবান ব্যক্তি কয়জনকেই বা পাওয়া যাবে ?
তাই বলছি টাকার পিছনে ছুটতে ছুটতে সম্মানের কথাটা ভুলে যাবেন না
টাকা ইনকাম করার হাজার টা পদ্ধতি রয়েছে কিন্তু আপনি সেখান থেকে যেকোনো পদ্ধতি বেছে নিন যেটাতে আপনার সম্মানও বৃদ্ধি পায়

সম্মান গড়তে সারাটা জীবন লেগে যায়
আর সেই সম্মান টা ভাঙতে শুধু একটি মুহূর্তের একটি ভুলেই যথেষ্ট

কোনো কিছু করবেন অথবা বলবেন সেটা একটু ভেবে চিন্তেই করবেন অথবা বলবেন যেন , সেটাতে কেউ কখনোই কোনো রকম ভুল প্রমান করতে না পারে

আমি যেটা জানি সেটাই বলি
আর যেটা জানি না সেটা কখনোই বলি না।
যেহেতু আমি যেটা জানিনা সেটা বলি না, সেহেতু আমি যেটা বলি সেটা কখনোই ভুল হতে পারেনা

আসসালামু আলাইকুম শরীর ভালো থাকলে মন ভালো থাকে আর মন ভালো থাকলে পৃথিবীর সবকিছুই ভালো লাগেসুতরাং, আপনার শরীরের দিকে খেয়াল...
09/08/2023

আসসালামু আলাইকুম

শরীর ভালো থাকলে মন ভালো থাকে
আর মন ভালো থাকলে পৃথিবীর সবকিছুই ভালো লাগে
সুতরাং, আপনার শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন।
ধন্যবাদ।

 # আম খাওয়ার কিছু সাবধানতা:*আম জুস করে না খাওয়া। কারণ, আম জুস করে খেলে তা থেকে ফাইবার ও পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায় ।তা...
01/08/2023

# আম খাওয়ার কিছু সাবধানতা:

*আম জুস করে না খাওয়া। কারণ, আম জুস করে খেলে তা থেকে ফাইবার ও পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায় ।তাই আম জুস করে না খেয়ে টুকরো করে খাওয়া উচিত।
*আম দুপুরে বা রাতে খাবার খাওয়ার পরে খাওয়া ঠিক না। কারণ, আম দ্রুত পেট ভরায় ও নিজেই পরিপূরক খাবারের কাজ করে ।আম সকালে ও বিকেলে খাওয়া উচিত। কারণ, এটি পুরো একসময়ের খাবারের চাহিদা মিটায়।

# আম খেলে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে:

*যাদের শরীর এলার্জি আছে তাদের জন্য আম ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ আমে প্রোটিন লেটেক্স এর মত উপাদান আছে যা এলার্জির সমস্যা তৈরি করতে পারে।
*বিভিন্ন ধরনের আম এ ফাইবার কম থাকে এবং খোসা ও বিজে ফাইবার বেশি থাকায় তা আমাদের শরীরের প্রবেশ করতে পারে না ।ফলে হজম প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত করে
*আমে অতি উচ্চমাত্রায় প্রকৃতিক চিনি থাকার কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের খুব দ্রুত চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই আম খাওয়ার সময় আমের পরিমাণ এর ওপর খেয়াল রাখতে হবে।
*একই সাথে অনেকগুলো আম খেলে শরীরের ওজন বাড়াতে পারে। কারন আমে ফাইবার কম ও প্রকৃতিক শর্করা ও ক্যালরির পরিমাণ বেশি হওয়ায় তা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তাই শরীরের ওজন কমাতে আম খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।
*আমে গাজন যোগ্য কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আই বি এস) বাড়াতে পারে এবং পাচনতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করে পেটের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

আমাদের সমাজের কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজেদের সফল মনে করে। কিন্তু সত্যি বলতে তারা কি বুঝে সফলতার মানে? সফলতা কাকে বলে ত...
01/08/2023

আমাদের সমাজের কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজেদের সফল মনে করে। কিন্তু সত্যি বলতে তারা কি বুঝে সফলতার মানে? সফলতা কাকে বলে তারা কি সেটা জানে? যারা নিজেদেরকে সফল বলে দাবি করে ,সত্যি বলতে তারা তাদের সফলতার শেষ দেখেছেন ।
কিন্তু সফলতার কোন শেষ নেই। কার সফলতা কোথায় গিয়ে শেষ হবে সেটা কেউ জানে না। সুতরাং, সফলতা কোন লক্ষ্য নয় বরং সফলতা হলো একটি যাত্রা যার মধ্যে মানুষের জীবন চলাচল করে।

29/07/2023

করোনাভাইরাস বলতে আরএনএ ভাইরাসের একটি শ্রেণিকে বোঝায় যেগুলি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদেরকে আক্রান্ত করে। এগুলো মানুষ ও পাখির শরীরে শ্বাসনালির সংক্রমণ ঘটায়। এই ভাইরাসের সংক্রমণ মৃদু থেকে মারাত্মক হতে পারে। মৃদু সংক্রমণের ক্ষেত্রে সাধারণ সর্দিকাশি হতে পারে (যা অন্য ভাইরাস, যেমন রাইনোভাইরাসের কারনেও হতে পারে), তবে কিছু ভাইরাসের ক্ষেত্রে মারাত্মক সংক্রমণ, যেমন সার্স, মার্স এবং কোভিড-১৯ হতে পারে। অন্যান্য প্রজাতিতে এই লক্ষণের তারতম্য দেখা যায়। যেমন মুরগির মধ্যে এটা ঊর্ধ্ব শ্বাসনালি সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরে এটি ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।

করোনাভাইরাস রাইবোভিরিয়া পর্বের নিদুভাইরাস বর্গের করোনাভিরিডি গোত্রের অর্থোকরোনাভিরিন্যা উপ-গোত্রের সদস্য।তারা পজিটিভ সেন্স একক সূত্রবিশিষ্ট আবরণীবদ্ধ বা এনভেলপড ভাইরাস। তাদের নিউক্লিওক্যাপসিড সর্পিলাকৃতির। এর জিনোমের আকার সাধারণত ২৭ থেকে ৩৪ কিলো বেস-পেয়ার (kilo base-pair) এর মধ্যে হয়ে থাকে যা এ ধরনের আরএনএ ভাইরাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ।করোনাভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন ভাষার করোনা থেকে নেওয়া হয়েছে যার অর্থ "মুকুট"। কারণ দ্বিমাত্রিক সঞ্চালন ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ভাইরাসটির আবরণ থেকে গদা-আকৃতির প্রোটিনের কাঁটাগুলির কারণে এটিকে অনেকটা মুকুট বা সৌর করোনার মত দেখায়। ভাইরাসের উপরিভাগ প্রোটিন সমৃদ্ধ থাকে যা ভাইরাল স্পাইক পেপলোমার দ্বারা এর অঙ্গসংস্থান গঠন করে। এ প্রোটিন সংক্রমিত হওয়া টিস্যু বিনষ্ট করে। ভাইরাসটি ডাইমরফিজম রূপ প্রকাশ করে। ধারণা করা হয়, প্রাণীর দেহ থেকে এই ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করেছে।

করোনাভাইরাস ১৯৬০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে এটি প্রথম দেখা যায়। পরে সাধারণ সর্দি-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়। মানুষের মধ্যে পাওয়া ভাইরাস দুটি ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি৪৩’ নামে নামকরণ করা হয়। তবে অনেক দেশের ধারণা যে এই ভাইরাসটি চীন সরকার তার দেশের গরিব জনগনকে শেষ করে দেওয়ার জন্য নিজেরাই তৈরি করে নিজেরাই ছড়িয়ে ছিলো।এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকেইউ১’, ২০১২ সালে ‘এমইআরএস-সিওভি’ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সাল চীনে এসএআরএস-সিওভি-২’ পাওয়া যায়(যা বর্তমানে সাধারণত নোভেল করোনাভাইরাস নামেই পরিচিত) এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ ভাইরাসের ফলে শ্বাসযন্ত্রের (ফুসফুস) গুরুতর সংক্রমণ দেখা দেয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাথমিক লক্ষণ
সম্পাদনা:
*জ্বর
*অবসাদ
*শুষ্ক কাশি
*বমি হওয়া
*শ্বাসকষ্ট
*গলা ব্যথা
*মাথা ব্যথা
*পেটের সমস্যা
*মুখ ও নাকের স্বাদ হারিয়ে যাওয়া
*শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে
*কিছু রোগীর ক্ষেত্রে উপর্যুক্ত সকল উপসর্গ দেখা গেলেও জ্বর থাকেনা।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব (২০১৯-২০২০):

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতির সংক্রামণ দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘২০১৯-এনসিওভি’ নামকরণ করে। ২০২০ সালের ১৪ই মে পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ২১৩টিরও বেশি দেশ ও অধীনস্থ অঞ্চলে 171527453বেশি ব্যক্তি করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন বলে সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে। বর্তমানে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে '35 লক্ষ66'হাজার 512 ।153851229 বেশি রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছে।

উহানে দেখা দেওয়া ভাইরাস প্রজাতিটি ‘এসএআরএস-সিওভি’ প্রজাতির সাথে ~৭০% জিনগত মিল পাওয়া যায়। অনেকেই অনুমান করছেন নতুন এ প্রজাতিটি সাপ অথবা বাদুড় থেকে এসেছে যদিও অনেক গবেষক এ মতের বিরোধীতা করেন।

পোস্টটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।
এবং এরকম নতুন নতুন তথ্য জানতে আমাদের পেজ টি হলো করবেন।

29/07/2023

ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো কী?

সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‍্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে কি খাবেন?

প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন - ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয় :

চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল:

সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে।

কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গু জ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

এডিস মশা কখন কামড়ায়?

ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না।

Welcome to the GOODHealth
19/07/2023

Welcome to the GOODHealth

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GOODHealth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram