29/12/2025
اِنّ هذة أمَتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ وَتَقَطَّعُوا أَمْرَهُمْ بَيْنَهُمْ كُلٌّ إِلَيْنَا رُجِعُونَ *
নিশ্চিত জেন, এই তোমাদের উম্মাহ, এক উম্মাহ (তাওহীদের উম্মাহ) এবং আমি তোমাদের রব। সুতরাং আমার ইবাদত কর। কিন্তু তারা নিজেদের দ্বীনকে নিজেদের মাঝে টুকরো টুকরো করে ফেলেছে। (তবে) সকলেই আমার কাছে ফিরে আসবে।” -সূরাতুল আম্বিয়া (২১) : ৯২-৯৩
وَاِنَّ هُذِةٍ أُمَتُكُمْ أُمَةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاتَّقُوْنِ . فَتَقَطَعُوا أَمْرَهُمْ بَيْنَهُمْ زُبُرًا كُلُّ حِزْبٍ بِمَا
لَدَيْهِمْ فَرِحُوْنَ فَذَرْهُمْ فِي غَمْرَتِهِمْ -
حِينٍ
(তরজমা) “নিশ্চিত জেনো, এই তোমাদের উম্মাহ, এক উম্মাহ (তাওহীদের উম্মাহ) এবং আমি তোমাদের রব। সুতরাং আমাকে ভয় কর। এরপর তারা নিজেদের দ্বীনের মাঝে বিভেদ করে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে গেল। প্রত্যেক দল (নিজেদের খেয়ালখুশি মতো) যে পথ গ্রহণ করল তাতেই মত্ত রইল। সুতরাং (হে পয়গম্বর!) তাদেরকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত মূর্খতায় ডুবে থাকতে দাও।” -সূরা মুমিন (২৩) : ৫২-৫৪
উপরের উভয় জায়গায় নবীগণ তাওহীদের যে দাওয়াত দিয়েছেন তা বর্ণনা করার পর বলা হয়েছে- 'আল্লাহর কাছে উম্মত একটিই। আর তা হচ্ছে তাওহীদের উম্মত।' সূরা ইউনুস (১০ : ১৯) ও সূরা বাকারায় (২ : ২১৩) বলা হয়েছে, আদিতে সকল মানুষ এক উম্মত ছিল। পরে লোকেরা কুফর ও শিরক অবলম্বন করে আলাদা উম্মত বানিয়ে নিয়েছে।
তাই উম্মাহর ঐক্য ও সংহতির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে তাওহীদ। প (তারা নিজেদের দ্বীনকে নিজেদের মাঝে টুকরা টুকরা করে ফেলেছে) বাক্যে আকীদায়ে তাওহীদ এবং দ্বীনের অন্যান্য মৌলিক বিষয় (জরুরিয়াতে দ্বীনের) অস্বীকার বা অপব্যাখ্যার মাধ্যমে আলাদা মিল্লাত ও আলাদা উম্মত সৃষ্টির নিন্দা করা হয়েছে।
إِنَّ الَّذِينَ فَرَّقُوا دِينَهُمْ وَكَانُوا شِيَعًا لَّسْتَ مِنْهُمْ فِي شَيْءٍ إِنَّمَا أَمْرُهُمْ إِلَى اللهِ ثُمَّ يُنَبِّئُهُم بِمَا
كَانُوا يَفْعَلُونَ
(তরজমা) “(হে নবী!) নিশ্চিত জেনো, যারা নিজেদের দ্বীনে বিভেদ করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সঙ্গে তোমার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের বিষয় আল্লাহর উপর ন্যস্ত। এরপর তিনি তাদেরকে অবহিত করবেন তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে।” -সূরা আনআম (৬) : ১৫৯
তাদের সঙ্গে তোমার কোন সম্পর্ক নেই, এই বাক্য থেকে বোঝা যায় এখানে ওই সব ফের্কা উদ্দেশ্য, যারা হঠকারিতার আশ্রয় নিয়ে দ্বীনের মৌলিক ও সুস্পষ্ট কোনো বিষয়ে মতভেদ করে ‘দ্বীনে বিভেদ করার' অপরাধ করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে দ্বীন ও শরীয়ত থেকে বের হয়ে গিয়েছে ।