Doctors Care

Doctors Care Prevention is Better Then Cure

শরীরের কোথাও infection এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শে Antibiotic খাচ্ছেন আপনি !  হঠাৎ করে লক্ষ্য করবেন হজম হচ্ছে না খাবার। স...
31/12/2025

শরীরের কোথাও infection এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শে Antibiotic খাচ্ছেন আপনি ! হঠাৎ করে লক্ষ্য করবেন হজম হচ্ছে না খাবার। সাথে ডায়রিয়া।
এটাকে আমরা ডাক্তারি ভাষায় বলি Antibiotic induced Diarrhoea .
আমাদের অন্ত্রে অনেক উপকারী Bacteria থাকে। যেটা আমাদের খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কে অন্ত্রে আক্রমণ করতে দেয় না।
Antibiotic এর ফলে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া গুলো মারা যায়। এবং তখন বিনা প্রতিদন্দিতায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো অন্ত্রে infection করতে থাকে। যার কারনে হজমে সমস্যা হয়। এবং ডায়রিয়া দেখা দেয়।

👨🏻‍⚕️ এর থেকে বাচার উপায় কি?

👩🏻‍⚕️: টক দই হতে পারে ভাল একটি সমাধান। যেটাকে ভদ্র সমাজে Yogurt বলে থাকে।এতে প্রচুর উপকারী Bacteria থাকে। যেটা আপনার হজম শক্তি আবার ফিরিয়ে দিবে। এবং ডায়রিয়া কে নিয়ন্ত্রণ করবে।

বিভিন্ন pharmaceutical company বিভিন্ন নামে এই উপকারী Bacteria ওষুধ বানিয়ে বিক্রি করে। আমরা তাকে Probiotics বলি। অথচ Yogurt হতে পারে সবচেয়ে ভাল ঘরোয়া সমাধান।

#ডাঃসওগাত_এহসান

🛑Clubbing – আসলে কেন হয়? অনেকে ভাবে clubbing মানে শুধু নখ মোটা হয়ে যাওয়া।না এর পেছনে কিন্তু সুন্দর একটা pathophysiology ...
26/12/2025

🛑Clubbing – আসলে কেন হয়?

অনেকে ভাবে clubbing মানে শুধু নখ মোটা হয়ে যাওয়া।
না এর পেছনে কিন্তু সুন্দর একটা pathophysiology আছে
Normally কী হয়?
Bone marrow থেকে megakaryocyte বের হয় →
ফুসফুসের pulmonary capillary-তে গিয়ে এগুলো ভেঙে platelet হয়।
✅Lung এখানে একটা filter-এর মতো কাজ করে।

❌ কিন্তু সমস্যা কোথায়?
কিছু রোগে lung এই filter-এর কাজ ঠিকমতো করতে পারে না, যেমনঃ
-Chronic lung disease,Lung cancer,Cyanotic congenital heart disease
,Pulmonary AV shunt

তখন megakaryocyte intact অবস্থায় systemic circulation-এ চলে যায়

#এরপর কী হয়?
এই megakaryocyte গুলো গিয়ে আটকে যায়—
✋ finger tip / nail bed-এ

সেখানে গিয়ে এগুলো release করে কিছু powerful chemical:
-PDGF (Platelet-derived growth factor)
-VEGF (Vascular endothelial growth factor)

এই growth factor গুলো কী করে?
-Blood vessel বাড়ায় (angiogenesis)
-Fibroblast activation
-Soft tissue overgrowth করে
👉তখন nail bed হয়ে যায়
✔️ soft
✔️ spongy
✔️ bulky

তাহলে Result কী?= CLUBBING হচ্ছে

🫁 Hypoxia-এর role আছে?
হ্যাঁ, chronic hypoxia → VEGF বাড়ায় → clubbing worsen করে
❗ কিন্তু hypoxia একা clubbing করতে পারেনা।

ডা তামিম

#মেডিসিন


সংগ্রহীত পোস্ট - জনস্বার্থে প্রচারকৃত :- রংপুর মেডিকেলে আসার পর থেকে একটার পর একটা নিউরাল টিউব ডিফেক্টের বাচ্চা দেখছি। এ...
22/12/2025

সংগ্রহীত পোস্ট - জনস্বার্থে প্রচারকৃত :-

রংপুর মেডিকেলে আসার পর থেকে একটার পর একটা নিউরাল টিউব ডিফেক্টের বাচ্চা দেখছি। এমন এনেনকেফালি, মেনিনগোসিল, মেনিনগোমায়োসিলের প্রধান কারণ গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড না খাওয়া।
এক প্যাকেট ফলিসন ট্যাবলেটের দাম মাত্র ৫ টাকা। সরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ফ্রিতেই ফলিক এসিড দেয়। মাত্র ৩৫ পয়সা দামের এই ঔষধটা খেতে কিছু মহিলার কিসের এতো অনিহা বুঝিনা আমি। সন্তানের এমন ভয়াবহ পরিণতির কথা চিন্তা করলে একটুখানি বিস্বাদ ট্যাবলেট গিলতে খুব বেশি কষ্ট হবার কথা না।

পেজ থেকে যখনই পোস্ট করে বুঝাতে যাই, এক শ্রেণির মহিলা এসে কমেন্ট করে, "আল্লাহ যারে এমন বাচ্চা দেবে, তারে এম্নেও দেবে, অম্নেও দেবে। ঔষধ টৌষধ খেয়ে লাভ নাই।"

এটাকে তাওয়াক্কুল বলেনা বোন। নিজের দিক থেকে সবরকম প্রস্তুতি গ্রহণ করার পর ফলাফলের জন্য আল্লাহ পাকের উপর নির্ভর করার নাম তাওয়াক্কুল।

আগের দিনে কে কি করেছে, কি হয়েছে না হয়েছে বাদ দিন। কনসিভ করার ৪ সপ্তাহ আগে থেকে কনসিভ করার ৩ মাস পর পর্যন্ত প্রতিদিন ফলিক এসিডের ট্যাবলেট খাবেন।

🧪   ১ইনসুলিন মানেই আজীবন ইনসুলিন? ❌ না!> “একবার ইনসুলিন ধরলে, আর কোনোদিন ছাড়ানো যায় না!”  এই ভয়েই অনেক রোগী চিকিৎসা শুরু...
07/11/2025

🧪 ১

ইনসুলিন মানেই আজীবন ইনসুলিন? ❌ না!

> “একবার ইনসুলিন ধরলে, আর কোনোদিন ছাড়ানো যায় না!”
এই ভয়েই অনেক রোগী চিকিৎসা শুরু করতে দেরি করে ফেলেন।
কিন্তু সত্যিটা জানলে ভয়টা কমে যাবে।

❌ Myth:
ইনসুলিন শুরু মানেই আজীবন চলবে।

✅ Fact:
সব ইনসুলিন শুরু স্থায়ী নয়।
অনেক সময় ইনসুলিন দেওয়া হয় সাময়িকভাবে —
একটা “মেটাবলিক রিস্ট” দেওয়ার জন্য।

🧬 কেন এই রিস্ট দরকার?

যখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ β-cell গুলোকে ক্লান্ত করে ফেলে,
তখন ইনসুলিন দিয়ে তাদের বিশ্রাম দেওয়া হয়।

🧩 এই Reset-এর ধাপগুলো:

🔹 Uncontrolled diabetes → Glucotoxicity
🔹 Glucotoxicity → β-cell Dysfunction
🔹 Insulin Therapy → Glucose Normalization
🔹 Normalization → β-cell Recovery

🔄 ফলাফল:
- β-cell আবার কাজ শুরু করে
- ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে
- ওষুধেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়

🧪 Clinical Example:

> একজন রোগীর HbA1c ছিল ১১%
> ওষুধে কাজ হচ্ছিল না → ৩ মাস ইনসুলিন দেওয়া হলো
> ডায়েট + ব্যায়াম + ইনসুলিনে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে
> ধীরে ধীরে ওষুধে শিফট করে ইনসুলিন বন্ধ
>
> 🔹 এখন HbA1c: ৬.৮%
> 🔹 ইনসুলিন ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে
>
> ✅ এটিই হলো Metabolic Reset

🧠 তবে কখন ইনসুলিন “আজীবন” দরকার হয়?

🔸 টাইপ ১ ডায়াবেটিস – শরীরে নিজস্ব ইনসুলিন নেই
🔸 টাইপ ২ ডায়াবেটিসের শেষ পর্যায় – β-cell এক্সহস্টেড
🔸 ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস বা প্যানক্রিয়াস অপসারণ
🔸 হরমোনজনিত রোগ (যেমন: Cushing’s, acromegaly) যদি চিকিৎসা না হয়

📢 তাই ভয় নয়, সচেতন হোন।
ইনসুলিন মানেই আজীবন নয় — সময়মতো শুরু করলেই ভবিষ্যৎ সহজ হয়।

✍️©

#ডায়াবেটিস

06/11/2025

রাত তখন ১টা, গাইনীতে নাইট ডিউটি। স্টেশনে বসে ছিলাম। হটাৎ করে অনেক কান্নার শব্দ।
দেখলাম হুইলচেয়ার করে একরোগী আসলো। তাড়াতাড়ি রোগী এটেন্ড করলাম।
দেখলাম রোগীর হাত- পা একদম ঠান্ডা হয়ে আছে। পালস দেখলাম অনেক বেশি, ব্লাডপ্রেশার নন রেকর্ডএবল, পেশেন্ট এনিমিক।

বুঝতে পারলাম পেশেন্ট শকে আছে। হিস্ট্রি নিলাম ২দিন আগে D & C করা হইসে। এর বাইরে তার কোন ডোকুমেণ্ট নাই।

তাড়াতাড়ি সিনিয়র মেডিকেল অফিসারকে ইনফরম করলাম খারাপ রোগী আসছে।। আপু এসে দেখলো। আর বললো তাড়াতাড়ি রোগিকে ফ্লুইড রানিং দিতে।

বাইচ্যানেল করে রানিং ফ্লুইড দেওয়া হলো। পেইনকিলার ও দেওয়া হলো। বিপি দেখলাম কিছুটা ইম্প্রুভ। । ব্লাড দেওয়া হলো।

কিছুক্ষণ Observation এ রাখা হলো।
কিন্তু রোগির ব্লাড প্রেশার আবারোও ফল করলো। ব্যাথা বেড়েই চলছে।
সিনিয়র ম্যামকে ইনফর্ম করা হলো।
সাস্পেক্ট করা হলো Ruptured ectopic pregnancy।

ভিতরে প্রচুর ব্লিডিং হচ্ছে, ডিসিশান হলো ইমিডিয়েট ওটি করতে হবে। নাহয় রোগীকে বাচানো সম্ভব না। রোগীর লোকদের বলা হলো সবকিছু।। তারা সম্মতি দিলো। রাত তখন ৩টা।
সেই সময়ের মধ্যেই বাসা থেকে হাসপাতাল চলে আসলো সিনিয়র ম্যাডাম ও Anesthetist.

রোগীকে OT তে নেওয়া হলো।
কিন্তু

রোগীর রক্তের ডোনার রেডি নাই - ডাক্তাররা এগিয়ে আসলো নিজেদের রক্ত দিতে।

রোগীর অপারেশনের ওষুধ কেনার টাকা নাই -- ডাক্তাররা এগিয়ে আসলো এবং টাকার ব্যাবস্থা করে ওষুধ কিনে আনলো।

রোগীর অপারেশনের বিল দেওয়ার হ্মমতা নাই- ডাক্তাররা সেসব চিন্তা না করেই শুরু করে দিলো Operation.

দীর্ঘসময়ের পর অপারেশন শেষ হলো।
আলহামদুলিল্লাহ। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই বেচেঁ গেলো একটা জীবন।

এটা নিয়ে কোন হই হুল্লোড় নেই।
কোন ক্রেডিটবাজি নেই।
নেই কোন টিভিতে নিউজ।


কারণ এটা প্রতিটা হাসপাতালের রেগুলার চিত্র। এভাবেই প্রতিদিন আল্লহার রহমতে ও ডাক্তারদের চেষ্টাই বেচেঁ যাই হাজারো জীবন।।। যেটা বাইরের কেও জানেনা।

আর যদি কোনো কারণে রোগীটা মারা যেত কি হত একবার ভেবে দেখছেন, হসপিটাল ভাংচুর, ডাক্তারদের পিটুনি, কিছু নামধারী সনামধন্য গা*ম্বা*দিক এসে শুরু করতো ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু। পেপার পত্রিকা ছয়লাব হয়ে যেত।।

এতো লম্বা স্টোরি বলার কারণ হলো খুব সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত ভুল নিউজ হচ্ছে। অথচ হাসপাতালের ভিতরের চিত্র ভিন্ন। একজন রোগীকে বাচাঁতে ডাক্তারদের যে প্রচেষ্টা সেটা সবার জানা উচিত।

ধন্যবাদ গাইনী ডিপার্টমেন্ট।
চট্রগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল

~Saif Shisir

আমাদের দেশের মানুষজন হচ্ছে আপনি এখন কোন ওষুধ খাচ্ছেন আগামী ২৪ ঘণ্টা কি হবে শুধুমাত্র এটা নিয়ে চিন্তা করে। কিন্তু এই ওষু...
10/08/2025

আমাদের দেশের মানুষজন হচ্ছে আপনি এখন কোন ওষুধ খাচ্ছেন আগামী ২৪ ঘণ্টা কি হবে শুধুমাত্র এটা নিয়ে চিন্তা করে। কিন্তু এই ওষুধটা যে ১০ বছর পরে আপনাকে অক্ষম করে দিতে পারে সেটা চিন্তা করে না।
বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য মাইক্রোবায়োলজিস্ট হানজালা ভাইয়ের লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন।

খাওয়ার পর বুকজ্বালা করছে? চট করে একটা গ্যাসের ঔষধ খেয়ে নিচ্ছেন?

⚠️ গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলেই হিপ ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি।
আমরা অনেকেই পেটে একটু অস্বস্তি হলেই গ্যাসের ঔষুধ খেয়ে ফেলি—
💊 সেকলো, ম্যাক্সপ্রো, ওমিপ, লোসেকটিল ইত্যাদি ...

🦠 এসব ওষুধ মূলত PPI (Proton Pump Inhibitor) গ্রুপভুক্ত—
√ Omeprazole
√ Esomeprazole
√ Lansoprazole

★ জানেন কি?

⚱️ BMJ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে –
💊 যারা ২ বছরের বেশি সময় ধরে এসব ওষুধ খান, তাদের হিপ ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি ৫০% বেড়ে যায়!
🔑 বিশেষ করে মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের মধ্যে এই ঝুঁকি ভয়াবহ।
🚬 যারা ধূমপান করেন, তাদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি।

👑 গবেষণা পরিচালনায় ছিলেন বোস্টনের Massachusetts General Hospital-এর গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. হামিদ খলিলি।

🦁 দীর্ঘমেয়াদে PPI সেবনে ঝুঁকি:

▪️ হাড় ক্ষয় ও ক্যালসিয়াম শোষণে ব্যাঘাত।
▪️ Vitamin B12 ঘাটতি → স্মৃতিভ্রংশ।
▪️ কিডনির সমস্যা, সংক্রমণ।
▪️ পাকস্থলীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত।

💡গ্যাস্ট্রিক, এসিডিটি, বুকজ্বালা ও হজম সমস্যা হলে -

👉 চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস্ট্রিকের এলোপ্যাথি ওষুধ (PPI) খাবেন না।
👍 পেট ভালো রাখতে খাবার, ঘুম ও ব্যায়ামের দিকে মন দিন।

|| স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ||
ডা. হানজালা হোসেন
মাইক্রোবায়োলজি বিশেষজ্ঞ।

13/07/2025

আমাদের নবীজি (স:) সেই সময় একটি প্রথা প্রচলন এবং সমর্থন করতেন।এবং সাহাবা দের উৎসাহ দিতেন। এই প্রথার নাম #তহনীক।
তহনীকের জন্য একটু নরম পরিষ্কার আজোয়া খেজুর নেয়া হতো। এবং সেটাকে ভাল ভাবে ধোয়া হতো। এরপর একজন বিশ্বাসী পরিষ্কার এবং অবশ্যই সুস্থ ব্যাক্তি খেজুর টাকে মুখে নিয়ে চিবিয়ে একদম পেস্টের মতো করে ফেলতেন। তারপর আংগুলে সামান্য কিছু খেজুর নিয়ে নবজাতক শিশুর তালুতে ঘষতেন। এবং খেয়াল রাখতেন যেন খেজুরের কোন টুকরো শ্বাসনালী তে না যায়।
চলুন এই তহনীক কে সে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল সাইন্স দিয়ে ব্যাখ্যা করি।
Neonatal Hypoglycaemia নামে নবজাতকদের একটি সমস্যা হয়। এতে শিশু জন্মের সময় কম Blood Glucose নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়।ব্রেনের একমাত্র খাদ্য Glucose. তাই Neonatal Hypoglycaemia নবজাতকের ব্রেনে মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে ফেলতে পারে।

২০০৬ সালে Lancet এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, hypoglycemia newborn দের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, বিশেষ করে যেসব বাচ্চা সময়ের আগে জন্মায় বা ওজনে কম। সেই ক্ষেত্রে মুখগহ্বরে গ্লুকোজ দেয়া এক জরুরি ব্যবস্থা।

এখনো বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হবার পর এই জন্য প্রতিটি বাচ্চা কে Blood Glucose করানো হয়। Hypoglycaemia আছে কিনা দেখার জন্য। আমাদের নবীজির সময় তো Glucometer ছিল না। এই প্রথা টা সেই সাপেক্ষে কতোটা সাইন্টিফিক ছিল একবার ভাবি।
শুধু কি তাই?

চর্বিত খেজুর অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখগহ্বরের কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়াও নবজাতকের মুখে চলে আসে, যা নবজাতকের পাচনতন্ত্রে উপকারী microbiome গঠনে সহায়ক হতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে এই প্রক্রিয়াটি একটি “oral microbial seeding” হিসেবেও কাজ করতে পারে।

এছাড়া খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল নবজাতকের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং কিছু প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এটার কিছু স্বাস্থ্য ঝুকি ও ছিলো , যেমন চর্বিত খেজুর অন্য কারো মুখ থেকে আসছে; যদি সেই ব্যক্তির মুখে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক থাকে (যেমন: হেরপিস, ক্যান্ডিডা, H. pylori), তবে তা নবজাতকের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যদি খেজুরের টুকরো বা রস ভুলভাবে নবজাতকের গলায় বা শ্বাসনালীতে ঢুকে যায়, তবে তা Aspiration Pneumonia বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

কিন্তু নবীজি এই ঝুকি কমানোর জন্যই তহনীক যিনি করতেন তাকে আগে ওজু করে পবিত্র হতে বলতেন,এবং কেবল মাত্র সুস্থ ব্যক্তিকে নির্বাচন করতেন। এবং তালুতে ঘষার সময় সতর্ক থাকতে বলতেন।

ভাই এই Practice টা কিন্তু আজকের নয়, ১৫০০ বছর আগের সাপেক্ষে রিস্ক বেনিফিট রেশিও চিন্তা করলে এতো সুন্দর বৈজ্ঞানিক একটি স্বাস্থ্যপ্রথার কথা চিন্তা করে সত্যি আমার অবাক লাগে।
মনে রাখবেন Neonatal hypoglycaemia একদম বিরল নয়। LBW এর বেবীদের , যে মা দের Diabetes থাকে তাদের নবজাতকদের খুব Commonly Neonatal Hypoglycemia থাকে।
এখন চিকিৎসা শাস্ত্র অনেক এগিয়ে গিয়েছে।অনেক Investigation আমরা মুহুর্তের মধ্যে করে ফেলতে পারি। চিকিৎসা শুরু করতে পারি।আজ হয়তো তাই এই Practice এর দরকার পরে না।

আমি আবার বলছি, আমি কিন্তু ১৫০০ সাল আগের ঐ সময়ের কথা বলছি। যখন চিকিৎসা শাস্ত্র অন্ধ ছিলো।কেউ আবার এটা বলতে আইসেন না যে আমি এখন কার Exclusive Breast Feeding এর বিপক্ষে।

আমার কথা ১৫০০ বছর আগের সেই সময় এই প্রথাটা কতো না ,Life Savings ছিলো। যখন কেউ জানতোই না Hypoglycaemia কি।
আরেক টি মজার ব্যাপার বলে শেষ করি। আরবে শুধু খেজুরই কিন্তু পাওয়া যেতো না। আঙুর ছিলো। আনার ছিলো। সেগুলো তো অনেক নরম ফল। এমনি চিন্তা করলে আনার এর দানা গলিয়ে মুখে দেয়া বা মুখের ভেতর আঙুর এর মতো নরম ফল গলিয়ে দিতে পারতেন।
কেন তিনি সব রেখে এখানে খেজুর ব্যবহার করতেন?

জেনে অবাক হবেন, পৃথিবীতে যত ফল আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি Glucose থাকে খেজুরে। বিজ্ঞান কিন্তু তখন এটা জানতো না। কিন্তু আমাদের নবীজি ঠিকই তহনীকের জন্য খেজুর কেই বেছে নিয়েছিলেন। ব্যাপার টা খুবই ঐশ্বরিক না?

#ডাঃসওগাত_এহসান

11/07/2025

একটা মেয়ে— ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে, গলা উঁচিয়ে বলছে: "আমার বাবা-মা আমাকে কন্ট্রোল করে… তারা ক্রিমিনাল!"
তার চোখে আগুন, মুখে ক্ষোভ, আচরণে বিদ্রোহ।

আরেকটা মেয়ে— স্কুল ড্রেস পরে, এসএসসিতে A+ পেয়ে
মায়ের বুকে মুখ গুঁজে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
চোখে আনন্দের জল, মুখে প্রশান্তির হাসি, বুকভরা কৃতজ্ঞতা।

🎭 এটা এক সমাজের দুই রূপ: একটা ভবিষ্যতের আতঙ্ক,
আরেকটা ভবিষ্যতের আশা।

আজকাল অনেকেই ভাবে:
🔸 মা-বাবা কিছু বললেই — **“কন্ট্রোল”
🔸 শৃঙ্খলা মানেই — **“শোষণ”
🔸 ভালোবাসা মানেই — **“বন্দিত্ব”
🔸 আর স্বাধীনতা মানেই — “যা খুশি তাই করার লাইসেন্স!”

কিন্তু আমরা ভুলে যাচ্ছি —
🔹 মা-বাবার কঠোর কথার আড়ালে লুকিয়ে থাকে অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা,
🔹 তাঁদের সীমাবদ্ধতাগুলো অনেক সময়ই আমাদের রক্ষা করার ঢাল।

অথচ আমরা আজকাল বলি: “আমার জীবন, আমার শরীর, আমার পছন্দ…”
বলতে বলতেই আমরা হারিয়ে ফেলছি ভিতরের শ্রদ্ধাবোধটা।

🛎️ এটা যদি এলার্ম না হয়, তাহলে আর কী হলে আমরা ঘুম থেকে উঠব?

আমরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করছি— যারা:
❌ নিজের বাবা-মাকে শত্রু ভাবে,
❌ আত্মমর্যাদাকে বলে অহংকার,
❌ আর স্বাধীনতাকে বলে অবাধ্যতা।

🔍 সমাধান কী?
শুধু সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নয়,
👉 নৈতিকতা নিয়েও কথা বলতে হবে।
👉 শুধু আদর নয়,
🕰️ সময় দিতে হবে, কথা বলতে হবে, সীমারেখাও শেখাতে হবে।

👉 আর মা-বাবাকেও জানতে হবে —
শুধু শাসন নয়, সন্তানকে বোঝাও জরুরি।

📖 আমরা কেমন সমাজ গড়ছি —
তা শুধু রেজাল্ট নয়,
সন্তান ও অভিভাবকের সম্পর্কই বলে দিচ্ছে।

আমার সন্তান কোন ছবির মতো হবে —
তার বীজ বোনা হচ্ছে আজকের আমার আচরণেই।

🧠 ভাবুন, বোঝান, বদলান। কারণ ভবিষ্যৎ এখনই গড়ে উঠছে।

টিউমার হচ্ছে কোষ বিভাজনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ব্যত্যয়। আমাদের দেহের কোষগুলো নিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিভাজিত হয় ও বেঁচে থাক...
05/07/2025

টিউমার হচ্ছে কোষ বিভাজনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ব্যত্যয়। আমাদের দেহের কোষগুলো নিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিভাজিত হয় ও বেঁচে থাকে। কিন্তু কোনো কারণে যখন কোষের ডিএনএ-তে পরিবর্তন ঘটে এবং সে কোষ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিভাজিত হতে থাকে, তখন টিউমার তৈরি হয়। তবে টিউমার কেবল এক ধরনের কোষ দিয়ে তৈরি হয়ে না— এটি বিভিন্ন আচরণ ও বৈশিষ্ট্যের কোষের এক মিশ্রণ। এই ‘হেটারোজেনিটি’ বা বৈচিত্র্যই ক্যান্সার চিকিৎসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ একটিমাত্র ওষুধ বা প্রতিষেধকে সব কোষ ধ্বংস হয় না।
অস্ট্রেলিয়ার Garvan Institute of Medical Research-এর নেতৃত্বে বিজ্ঞানীরা AAnet নামের এক শক্তিশালী AI তৈরি করেছেন, যা একেকটি টিউমারের মধ্যে থাকা ভিন্ন কোষগুলোকে আলাদা করে শনাক্ত করতে পারে।

এই AI মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে প্রতিটি কোষের আরএনএ সিকোয়েন্সিং (single-cell RNA sequencing)-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে। এভাবে AI হাজার হাজার কোষের জিন-এক্সপ্রেশন প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে প্রতিটি কোষের বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে। তারপর এদের বিভিন্ন ‘কোষ-টাইপ’ বা সাবগ্রুপে শ্রেণিবদ্ধ করে। গবেষণার সময়ে AAnet ব্যবহার করে স্তন ক্যান্সারের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয় এবং প্রথমবারের মতো কোষগুলোর অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্য পুরোপুরি উন্মোচন করা সম্ভব হয়।

এই গবেষণায় প্রথমবারের মতো ক্যান্সার কোষের ভেতরে থাকা পাঁচটি আলাদা গ্রুপকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে — যাদের আচরণ, ছড়ানোর ক্ষমতা এবং চিকিৎসার বিপরীতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আলাদা।

এই AI ব্যবহার করে গবেষকরা বুঝতে পারছেন কোন কোষটি দ্রুত ছড়ায়, কোনটি চিকিৎসার পরেও বেঁচে থাকে, কিংবা কোনটি রোগ পুনরায় ফিরে আসার জন্য দায়ী। এর ফলে ভবিষ্যতের চিকিৎসায় প্রতিটি কোষ-গ্রুপকে টার্গেট করে নির্দিষ্ট থেরাপি দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট অঙ্গ টার্গেট করে চিকিৎসার বদলে একই টিউমারের ভেতরে থাকা বিভিন্ন কোষের জন্য আলাদা ওষুধ বাছাই করার সুযোগ আসছে।

গবেষকরা বলছেন, এই প্রযুক্তি শুধু ব্রেস্ট ক্যান্সার নয়, বরং অন্যান্য ক্যান্সার এবং এমনকি অটোইমিউন রোগেও ব্যবহার করা যেতে পারে। অটোইমিউন রোগ হলো এমন একধরনের রোগ, যেখানে দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেরই কোষ ও টিস্যুকে শত্রু ভেবে আক্রমণ করে।
এই উদ্ভাবন ক্যান্সারের চিকিৎসায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

©

04/07/2025

জ্বর হলে শুরুতেই কোন প্রকার #এন্টিবায়োটিক সেবন করবেন না। (সিপ্রোফ্লক্সাসিন,এজিথ্রোমাইসিন,ইরিথ্রমাইসিন, সেফিক্সিম ও অন্যান্য) এগুলো খেলে আরো #ড্যাঞ্জারাস কন্ডিশন হতে পারে।

জ্বর কোন রোগ নয়,জ্বর হচ্ছে রোগের
উপসর্গ। জ্বর বছরে একবার বা দুবার আসা দেহের জন্য খুবই ভালো( ) তৈরি হয়!
(Except Covid 19 Different)

কিন্তু দীর্ঘদিন অবধি জ্বর আসা দেহের জন্য ক্ষতিকর অর্থাৎ রোগ এসে বাসর ঘর বেঁধেছে।
সাধারণত or ছাড়া জ্বর আসে না।
সেটা ভাইরাল,ব্যাক্টেরিয়াম,প্যারাসাইট জন্য হতে পারে!

কিন্তু বর্তমানে,
বেশিরভাগ ডেংঙ্গু জ্বর ও সিজোনাল জ্বর, কোভিড ১৯.
যেগুলো মেইন প্যাথোজেনিক ভাইরাল।
Viral disease এ এন্টিব্যাক্টেরিয়াম এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ইমোনিটির জন্য ক্ষতিকর।

#ভাইরাস জনিত -
Dengue ভাইরাস জনিত কারণে তীব্র জ্বর,সর্দি কাশি,শ্বাস কস্ট,পাতলা পায়খানা,খাবার অরুচি,ঘ্রাণশক্তি হ্রাস,শরীর দূর্বলতা অন্যান্য সমস্যা হতে পারে।

Rotavirus+Norovirus (পানির মত পায়খানা, বমি ও সাথে জ্বর দেখা যেতে পারে),Enteric adenovirus+Astrovirus(পাতলা পায়খানার সাথে পেটে ব্যাথা বা পেট কামড়ানো মুচাড়ানো দেখা দিতে পারে)

জ্বর যে কারণেই হোক,
শুধু মাত্র মানে প্যারাসিটামল জাতীয় মেডিসিন সেবন করুন,
অন্যান্য মেডিসিনের সেবনের আগে আপনার নিকটস্থ রেজিস্ট্রার চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।
জ্বর বা শরীর ব্যাথায় প্যারাসিটামল ব্যাতীত কোন প্রকার ব্যাথানাশক মেডিসিন বা সাপোজেটরী গ্রহণ করবেন না।এতে ইন্টারনাল বা এক্সাটারনাল ব্লেডিং হতে পারে।

®ডা. মো: গোলাম মোস্তফা

ডেঙ্গু—একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা Aedes জাতীয় মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। সঠিক ...
04/07/2025

ডেঙ্গু—একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা Aedes জাতীয় মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। সঠিক সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই রোগ থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

আজকে চলুন জেনে নিই ডেঙ্গু জ্বরের কারণ, উপসর্গ, প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

🦟 ডেঙ্গু কীভাবে ছড়ায়?

ডেঙ্গু ভাইরাস Aedes aegypti এবং Aedes albopictus মশার কামড়ে ছড়ায়। এই মশাগুলো সাধারণত দিনের বেলায়, বিশেষ করে সকাল এবং বিকেলে বেশি সক্রিয় থাকে।

⚠️ ডেঙ্গুর উপসর্গ

ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো সাধারণ ফ্লুর সাথে মিলে যেতে পারে। তবে কিছু বিশেষ উপসর্গ রয়েছে, যেমন: ✅ হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০৪°F বা তার বেশি)
✅ তীব্র মাথাব্যথা
✅ চোখের পিছনে ব্যথা
✅ শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা
✅ বমি ভাব বা বমি
✅ ত্বকে লালচে র‍্যাশ
✅ অনেক ক্ষেত্রে মাড়ি বা নাক থেকে রক্তক্ষরণ

⚠️ গুরুতর অবস্থায় (Severe Dengue/Dengue Hemorrhagic Fever) রক্তক্ষরণ, শক ও অঙ্গ বিকল হতে পারে। তাই উপসর্গ শুরু হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🛡️ ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা দমন ও ব্যক্তি সুরক্ষা সবচেয়ে জরুরি। কিছু কার্যকর পদক্ষেপ: 🌿 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন:
✅ ফুলের টব, টায়ার, ড্রাম, ফ্রিজের ট্রে বা যে কোনো পাত্রে পানি জমতে দেবেন না।
✅ প্রতি সপ্তাহে জমা পানি ফেলে দিন ও পাত্র পরিষ্কার করুন।

🌿 ব্যক্তিগত সুরক্ষা:
✅ দিনের বেলায়ও মশারি ব্যবহার করুন।
✅ ফুলহাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পরুন।
✅ মশার রিপেল্যান্ট ব্যবহার করুন।

🌿 ঘরের নিরাপত্তা:
✅ দরজা-জানালায় জাল লাগান।
✅ মশা নিধনের স্প্রে ও কয়েল ব্যবহার করুন।

👨‍⚕️ কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

✅ ২-৩ দিনের বেশি উচ্চ জ্বর থাকলে
✅ বারবার বমি হলে
✅ অজ্ঞান হয়ে গেলে বা শ্বাসকষ্ট হলে
✅ মাড়ি, নাক বা বমিতে রক্ত এলে

ডেঙ্গুতে কোনোভাবেই নিজে থেকে ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না (বিশেষত Ibuprofen, Aspirin)। প্যারাসিটামল খেতে পারেন, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

♻️ সচেতনতা সবার জন্য

ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব—শুধু প্রয়োজন সচেতনতা এবং সঠিক ব্যবস্থা। নিজের পরিবার ও আশেপাশের সবাইকে এই বিষয়ে জানাতে এগিয়ে আসুন।
আপনার সামান্য উদ্যোগই হতে পারে একটি জীবন বাঁচানোর কারণ।

সুস্থ থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করুন।

🔖 শেয়ার করুন এই পোস্টটি, ডেঙ্গু সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।

02/07/2025

📍The Evil Child📍
১০ বছর বয়েসী ছেলে শিশুকে নিয়ে মা আসলেন চেম্বারে৷ মার কম্পলেইন- ছেলে প্রচুর মিথ্যা কথা বলে, অহেতুক মিথ্যা, যেটা কেন সে বলে মা ভেবে পায়না। পড়াশুনায় একদমই অনাগ্রহী। স্কুল থেকে নিয়মিত কম্পলেইন আসে তার অমনোযোগীতা ও দুষ্টুমির জন্য। কারো সাথে তেমন বন্ধুত্বও করতে পারেনা৷

মার থেকে মূল কম্পলেইন্টসগুলো শোনার পর তাকে বাইরে বসতে বলে আমি বাচ্চাকে আলাদাভাবে ইন্টারভিউ করা শুরু করলাম।

- আকাশ (ছদ্মনাম), মা যা বলল সব ঠিক?

- - হ্যা ঠিক (মুখে হাসি)

- আচ্ছা তারমানে তুমি আসলেও মিথ্যা কথা বলো রাইট?

প্রবলবেগে হ্যা বোধক মাথা নাড়াল আকাশ। মুখে মুচকি মুচকি হাসি।

- কিন্তু কেন বলো?

এবার আকাশ নড়েচড়ে বসল। ' বলব, কিন্তু প্রমিস মাকে বলা যাবেনা! এটা তোমার আমার সিক্রেট!'

- মাকে বলব না বলেই তো বাইরে বসতে বললাম, তুমি বলো।

আকাশ কিছুটা আশ্বস্ত হল...

-- আসলে আমি যে অকাজগুলা করি, সেগুলো যদি সত্যিটা মাকে বলি তাহলে মা বলে, 'আজকে তাহলে তোমার মোবাইল দেখা বন্ধ', 'আজকে ওটা করতে পারবেনা, এটা করতে পারবেনা'। এজন্য আমি সত্যিটা বলিনা!

- আচ্ছা তাই?? কিন্তু এই 'অকাজ'গুলো কিরকম?

- - এই যেমন স্কুল থেকে দেরি করে আসি, ইচ্ছা করে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরি সাইকেল নিয়ে। তারপর আরো আছে.. (বলেই আবার সেই মুচকি হাসি)

এরপর একে একে আমি আকাশের অকাজের কিছু নমুনা শুনতে লাগলাম- স্কুলের বাচ্চাদের সাথে মারামারি করা (সম্প্রতি এক ছেলের হাতে এত জোরে মেরেছে যে হাত ফুলে গেছে, আজ সেটা নিয়ে কম্পলেইন করেছে টিচার), রাস্তাঘাটের কুকুরকে বিনা কারনেই ভয় দেখানো বা মারা, কোরবানীর গরুকে বিরক্ত করা, বড়রা কিছু নিষেধ করলে ইচ্ছা করেই সেটা বারবার করা, নিয়ম করে প্রতিনিয়ত বিল্ডিং এর সবার বাসায় বেল দিয়ে পালিয়ে যাওয়া আরো অনেক.. অনেককিছু। জিজ্ঞেস করলাম লেখাপড়া কেন করোনা?

- লেখাপড়া বোরিং!

- - হ্যা লেখাপড়া আসলে কঠিনই, এটা ঠিক। কিন্তু তারপরও লেখাপড়া তো করতে হয় তাইনা?

সাথে সাথে আকাশ আমাকে কারেক্ট করে দিল- 'কঠিন না, বোরিং! আমার বোরিং লাগে। ভাল্লাগেনা!'

- কিন্তু ভাল না লাগলেও না করে তো উপায় নাইআ তাইনা? অনেক কিছুই এমন আছে যেটা আমাদের আসলে ভাল্লাগেনা কিন্তু না করে উপায় নাই তাই করতে হয়।

- - কিন্তু আমি না করে থাকতে পারি। (আবার সেই মুখ টিপে হাসি)

- কিভাবে?

- - যেমন সন্ধ্যা থেকে পড়তে বসি বসি করে বসব না, তারপর মা বিরক্ত হয়ে বলবে, 'আকাশ তুমি এটলিস্ট আধাঘন্টা পড়ো। তারপর ঘুমিয়ে যাবে।' তখন আমি ওয়াশরুমে যাব। তারপর ওয়াশরুমে আধাঘন্টা থেকে চলে আসব! 😁

মনে মনে ভাবলাম, ছেলের বুদ্ধির তারিফ করতে হয়!!

- তোমার তাহলে কি করতে ভাল্লাগে আকাশ?

- - আমার 'অকাজ'ই করতে ভাল্লাগে!

- মানে?

- - মানে যেগুলো সবাই নিষেধ করে সেই কাজগুলোই মজা লাগে আমার!

- কিন্তু মজা লাগলেই কি আমরা সব করতে পারি বলো??

- - কেন পারব না?

- এই যেমন তুমি যে কুকুরকে মারো বা ভয় দেখাও, এতে তো ওরা কষ্ট পায় তাইনা?

- -হ্যা পায়!

- তো এভাবে কি কাউকে কষ্ট দেয়া ঠিক?

- - অন্যরা কষ্ট পেলে আমার কী! আমিতো পাইনা!!!

শেষ কথাটা শুনে ডায়াগনোসিস কোনদিকে যাচ্ছে ভেবে শংকিত হলাম। এরপর আরো অনেক কিছুই বলল আকাশ। সব কথার মূল কথা হল তার সেগুলাই ভাল্লাগে যেগুলো সবার চোখে খারাপ বা অকাজ, এই খারাপ কাজগুলোই তার কাছে ইন্টারেস্টিং তাই সে সেগুলো বারবার করবে, আর পড়াশুনা তার কাছে বোরিং আর বোরিং কাজের জন্য তাকে যেটাই দেয়া হোকনা কেন, সে কখনোই সেটা করবেনা!

আকাশের সাথে কথা বলা শেষে আমি আবারো আকাশের মার সাথে আলাদাভাবে কিছুক্ষন কথা বললাম। আরো নতুন কিছু তথ্য জানতে পারলাম। মা জানালেন আকাশের কিছু কিছু সমস্যা আরো ছোটবেলা থেকেই শুরু হয়েছে। যেমন তার যখন ৫-৬ বছর বয়স তখন থেকেই সে প্রায়ই বাসা থেকে বের হয়ে যেত অর্থাৎ হারিয়ে যেত। কোথায় যেত কেউ জানেনা, আবার নিজে নিজেই কিভাবে যেন ফেরত আসত, মাঝেমধ্যে খুজে নিয়ে আসতে হত। ইদানীং সে স্কুল থেকে ফেরার পথে প্রায়ই কোথাও চলে যায় যার জন্য তার বাসায় আসতে দেরি হয়, কিন্তু কোথায় যায় সেই সত্যিটা তার থেকে বের করা যায়না! আবার ইদানীং মা তার প্যান্টের পকেটে প্রায়ই টাকা পায়, যেগুলো মা বা বাবা তাকে দেয়না৷ সম্ভবত সে বাবা-মার ব্যাগ থেকে এগুলো চুরি করে৷ সবচেয়ে ভয়ংকর যে তথ্যটা দিলেন মা সেটা হল, আকাশতো প্রায়ই ওনার মোবাইল দেখে, একদিন উনি ওনার মোবাইলের সার্চ হিস্ট্রি ঘেটে দেখলেন সেখানে পর্ন সাইটের হিস্ট্রি! এটা দেখে ওনার পৃথিবী চুরমার হয়ে যায়। উনি কান্না করছিলেন আর বারবার বলছিলেন আমার ছেলেটা আরেকটু বড় হলেও আমি মেনে নিতাম, কিন্তু এত ছোট বয়সে ও এগুলো কেন করবে??!

আকাশের ফ্যামিলি হিস্ট্রি হল তার মা একজন স্কুলটিচার, বাবা একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি করেন। বাসায় বাবা মা ছাড়াও দাদী আছেন আর আকাশের একটা ছোট ভাই আছে।

আকাশের ডায়াগনোসিস- 'Conduct Disorder'

এবার আসি Conduct Disorder কী সেই বিষয়ে। সোজা বাংলায় কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডার হল সেই অসুখ যেখানে ব্যক্তি এমন কিছু কাজ বারবার করে যেই কাজগুলো সামাজিক নীতিবিরুদ্ধ এবং অন্যের মৌলিক অধিকার নষ্ট করে৷ The Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders (DSM-5) অনুযায়ী, কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডারের ব্যক্তির মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায়-

📌১. মানুষ এবং অন্যান্য প্রানীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরন (যেমন: কাউকে bully করা থেকে শুরু করে খালি হাতে বা অস্ত্র নিয়ে মারামারি করা, অহেতুক কোনো প্রানীকে বিরক্ত করা বা কষ্ট দেয়া, ছিনতাই, কাউকে যৌনকর্মে বাধ্য করা ইত্যাদি)

📌২. ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের সম্পদ নষ্ট করা (যেমন: ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিবেশীর বাগান নষ্ট করা, আগুন ধরিয়ে দেয়া ইত্যাদি)

📌৩. প্রতারনা বা চুরি করা (ধোকা দিয়ে অন্যের কাছ থেকে কিছু আদায় করে নেয়া, কারো বাসা বা দোকানে গিয়ে কিছু চুরি করে আনা বা আরো গুরুতর অবস্থায় কারো ঘর বা দোকান ভেংগে লুটপাট করা ইত্যাদি)

📌৪. গুরুতরভাবে নিয়ম লংঘন করা (যেমন: নিয়মিত স্কুল পালানো, বাবা মায়ের নিষেধ স্বত্ত্বেও বাসার বাইরে রাত কাটানো বা কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে চলে যাওয়া এবং লম্বা সময় ধরে ফিরে না আসা যেগুলো মোটামুটি ১৩ বছরের আগেই শুরু হয়।)

এইসকল কাজ যদি কেউ একবার বা দুবার করে তবেই কী তার কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডার আছে বলা যাবে? না। অন্তত ১ বছর যদি কারো মধ্যে কন্ডাক্ট ডিজর্ডারের সিম্পটমগুলো থাকে তবেই তাকে আমরা কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডার বলতে পারব।

DSM-5 অনুযায়ী এটি একটি চাইল্ড সাইকিয়াট্রিক ডিজঅর্ডার যেটি শুরু হতে পারে জীবনের দুই সময়ে- ১০ বছর বয়সের আগে (অন্তত একটি লক্ষনের শুরু ১০ বছর বয়সের আগে) যেটিকে আমরা চাইল্ডহুড অনসেট কন্ডাক্ট বলছি আরেকটি হতে পারে ১০ বছরের পরে। এবং গবেষনামতে চাইল্ডহুড অনসেট কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডারের পরিনতি খুব বেশি ভাল না কেননা এটি পরিনত বয়স পর্যন্ত অর্থাৎ সারাজীবনই থেকে যেতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদকাসক্তির দিকে এদের ঝোকার সম্ভাবনা থাকে এবং ধীরে ধীরে বিভিন্নরকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে যায়।

আপনাদের মনে হতে পারে এরকম লক্ষনের অনেক মানুষ/ অনেক অপরাধী তো আমরা আমাদের আশেপাশেই দেখি। হ্যা তা দেখি, কিন্তু ভাবুন তো আমরা যেখানে বলে থাকি শিশুরা হয় কোমলমতি, সেখানে একটি ১০ বছরের বাচ্চা যার কারো প্রতিই কোনো রকম সহমর্মিতা নেই উপরন্তু বিনা কারনে অন্যকে নির্যাতন করছে, পশুপাখিকে অত্যাচার করছে, নিজের প্রয়োজনে অন্যকে ঠকাচ্ছে, এবং এই নিয়ে তার মধ্যে কোনো অপরাধবোধও নেই৷ তখন আপনাদের মনে প্রথম কথাটি কি আসবে?

"Is this child really ill or evil??"

না, আমাদের কাছে কোনো শিশুই Evil না। তার আপাত কর্মকান্ড হয়ত Evil, কিন্তু এটিকে সাইকিয়াট্রির অন্য আর দশটা ডিজঅর্ডারের মতই ডিজঅর্ডার হিসেবে ট্রিট করাটা একজন চাইল্ড সাইকিয়াট্রিস্টের কর্তব্য। কেননা এমনিতেই এধরনের শিশুদের তাদের আচরনের জন্য সমাজের সবাই নিন্দা করে, উপরন্তু তাদের বাবা-মায়েরাও সবসময় একধরনের লজ্জা এবং অপরাধবোধের মধ্যে থাকে যেটার জন্য এরা বেশিরভাগ সময়েই কোনো প্রফেশনালের কাছে সাহায্য নিতে যায়না কিংবা গেলেও ট্রিটমেন্ট কন্টিনিউ করেনা।

যদিও আকাশের ক্ষেত্রে ট্রিটমেন্টের প্রগনোসিস খুব ভাল হবে এমনটা বলা কঠিন কারন একে তো তার এটা চাইল্ডহুড অনসেট, তার উপর তার মধ্যে 'CU' trait বিদ্যমান। CU trait মানে Callous, Unemotional trait- অর্থাৎ যাদের মধ্যে মানবীয় আবেগ অনুভুতির মাত্রা খুবই কম, অন্যের প্রতি সহমর্মিতা বা এম্প্যাথি জিনিসটা থাকেনা বললেই চলে এবং নিজের কৃতকর্ম নিয়ে তাদের কোনোরকম অনুশোচনা হয়না। এই CU trait হল traits of Psychopathy। কাজেই এদের ক্ষেত্রে হায়েস্ট পসিবিলিটি থাকে বড় হয়ে অর্থাৎ ১৮ বছরের পর Antisocial Personality Disorder (সাধারন মানুষের কাছে/নাটক সিনেমায় যেটা সাইকোপ্যাথ নামে পরিচিত) ডেভেলপ করার।

এবারে জানা যাক সমস্যার কারন সম্পর্কে। এই সমস্যার অসংখ্য কারন থাকতে পারে যার মধ্যে জেনেটিক প্রিভ্যালেন্স অর্থাৎ বংশগতি থেকে শুরু করে শিশুর নিজস্ব টেম্পারামেন্ট, পারিবারিক সহিংসতা, বাবা-মায়ের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব ও প্যারেন্টিং এর যেকোনো অসংগতি (অতিরিক্ত শৃঙ্খলা কিংবা শৃঙ্খলাবিহীন প্যারেন্টিং) যেকোনটাই হতে পারে। আকাশের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কারনটি বা কারনগুলো বিদ্যমান সে ব্যাপারে প্রথম দিনই জানার সুযোগ আমার হয়নি, আশা করি পরবর্তী ভিজিটে এই বিষয়টা সম্পর্কে জানতে পারব।

আকাশের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হল লং টার্ম সাইকোথেরাপি। পরিবারের ইনভলভমেন্ট এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্যারেন্টিং এবং বিহেভিয়ার মডিফিকেশন ট্রেনিংয়ে পরিবারের এক্টিভ রোল প্লে করতে হবে৷ সেই সাথে আকাশের স্কিল ডেভেলপমেন্ট, প্রবলেম সলভিং স্কিলস এগুলো বাড়াতে হবে। আকাশের কিছু ভাল দিক আছে, যারমধ্যে সবচেয়ে ভাল দিক হল তার ইন্টেলিজেন্স৷ সে লেখাপড়া বাদে আরো অনেক কিছুতেই ভাল যেমন ক্রিকেট খেলা, সাইকেল চালানো, ড্রইং ইত্যাদি। তার এই স্ট্রেন্থগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে, তাকে এসবে বেশি বেশি এংগেজ করতে হবে যাতে এসবের রিপ্লেসমেন্টে তার 'অকাজ'গুলোকে কিছুটা কমিয়ে আনা যায়।

সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা প্রয়োজন এখানে সেটি হল ধৈর্য্য। কারন থেরাপিগুলো শুনতে যত সহজ মনে হচ্ছে বাস্তবে এদের প্রয়োগ তত সহজ না এবং যে দীর্ঘ সময় এর পিছনে দিতে হবে সেটা দেয়ার মত সময়, অর্থ, ধৈর্য্য অনেকেরই থাকেনা। অনেক বাবা মা সন্তানের একটা দুটা সেশন নিয়েই রাতারাতি পরিবর্তন আশা করেন। তাদেরকে বুঝাতে হবে যে একটি কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডারের শিশু থেরাপি নিলে ভাল হবার সম্ভাবনা যেমন ফিফটি -ফিফটি, তেমনি থেরাপি না নিলে ভাল হওয়ার সম্ভাবনা অলমোস্ট শুন্যের কাছাকাছি।

সবশেষে মহানগরের ডিসি হারুনের মত আমাদের মনে রাখতে হবে দুইটা কথা- ✌️

1. No child is born evil, and
2. Change is possible. 🌸🌸🌸🤞

🍀ডা. মাহাবুবা রহমান

Address

Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctors Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram