প্রাইম মেডিকেল কলেজ, রংপুর

প্রাইম মেডিকেল কলেজ, রংপুর আপনার স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত

কুকুর বা অন্য জন্তুর কামড়ের পর করণীয় ১। প্রচুর পানি ও ক্ষার যুক্ত সাবান দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধুয়ে ফেলুন।২। অ্যান্টিসেপকি...
07/09/2016

কুকুর বা অন্য জন্তুর কামড়ের পর করণীয়


১। প্রচুর পানি ও ক্ষার যুক্ত সাবান দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধুয়ে ফেলুন।

২। অ্যান্টিসেপকি বা পভিডন/হাইড্রোজেন পার আয়োডিন লাগিয়ে দিন।

৩। ক্ষতস্থানটি ঢাকবেন না।

৪। ক্ষতস্থানে হলুদ গুড়া, বাম, পিতলের থালা, চুন, ভেষজ, ঝাল ইত্যাদি কিছুই লাগাবেন না এবং করা পড়া খাওয়াবেন না। কারণতাতে কোন ও লাভ হয় না বরং ক্ষতস্থানের আর ক্ষতি হয়।


৫। ক্ষতস্থানে যাকা লাগাবেন না বা পোড়াবেন না।

৬। মাদুলি অথবা জাদুটোনায় ভরসা করবেন না।

৭। যতদ্রুত সম্ভব রোগীকে ডাক্তার, ক্লিনিক বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।

সাপে কাটলে যা করতে হবে এবং যা করবেন না বিষধর সাপের কামড়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর মূল কারণ সচেতনতার অভাব। ওঝা বা বেদের ...
07/09/2016

সাপে কাটলে যা করতে হবে এবং যা করবেন না


বিষধর সাপের কামড়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর মূল কারণ সচেতনতার অভাব। ওঝা বা বেদের মাধ্যমে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে চিকিৎসা করা, রোগীকে হাসপাতালে আনতে বিলম্ব করা এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চিকিৎসা না করানোর ফলে অনেক প্রাণ অকালে ঝরে যায়।

এ ক্ষেত্রে যা করবেন:

* সাপে কাটলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে বসে থাকুন। আক্রান্ত অঙ্গ নাড়াচাড়া করবেন না। একটি লম্বা কাঠ ও কাপড়ের সাহায্যে আক্রান্ত স্থানটি বেঁধে ফেলুন। খুব বেশি শক্ত করে বাঁধবেন না, এতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনভাবে বাঁধতে হবে, যেন আক্রান্ত অঙ্গ ও কাপড়ের মাঝে কষ্ট করে একটি আঙুল ঢোকানো যায়।

* আক্রান্ত স্থানে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে, রক্তক্ষরণ হলে, চোখের পাতা পড়ে গেলে, ঘাড় শক্ত রাখতে না পারলে, হাত-পা অবশ হয়ে এলে ও শ্বাসকষ্ট হলে একটুও দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।


* সাধারণত নির্বিষ সাপের কামড়ে আক্রান্ত স্থানে সামান্য ব্যথা, ফুলে যাওয়া বা অল্প ক্ষত সৃষ্টি হয়ে থাকে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেও ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়, যেকোনো রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।

* বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি সরকারি মেডিকেল কলেজে এবং কিছু কিছু জেলা সদর হাসপাতালে সাপের বিষের প্রভাবপ্রতিরোধী ওষুধ (অ্যান্টিভেনোম) মজুত রয়েছে। এটিই বিষধর সাপে কাটা রোগীর জন্য একমাত্র চিকিৎসা। রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে এলে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রয়োজনও হতে পারে। মনে রাখবেন, এসব চিকিৎসা শুধু হাসপাতালেই করানো সম্ভব, অন্য কোথাও নয়।

যা করবেন না

* আক্রান্ত স্থান কাটা

* দড়ি দিয়ে খুব শক্ত করে বাঁধা

* আক্রান্ত স্থান থেকে মুখের সাহায্যে রক্ত বা বিষ টেনে বের করার চেষ্টা করা

* আক্রান্ত স্থানে গোবর, শিমের বিচি, আলকাতরা, ভেষজ ওষুধ বা কোনো প্রকার রাসায়নিক লাগানো

* অ্যান্টিহিস্টামিন ইনজেকশন প্রয়োগ করা।

পায়ের রগে বা পেশিতে হঠাৎ টান ধরলে কি করবেন , পঙ্গু হতে না চাইলে জেনে নিন কি করবেন। ঘুমিয়ে আছেন হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টান...
04/09/2016

পায়ের রগে বা পেশিতে হঠাৎ টান ধরলে কি করবেন , পঙ্গু হতে না চাইলে জেনে নিন কি করবেন।

ঘুমিয়ে আছেন হঠাৎ পায়ের মাংসপেশির টানের ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলেন আপনি। এমতাবস্থায় পা সোজা বা ভাঁজ করা সম্ভব না।


একটানা পা ভাঁজ করে রেখে হঠাৎ সোজা করতে গেলে পায়ের পেশিতে টান পড়ে তখনই পায়ের পেশীতে বা রগে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। এমনটা ঘুমের মধ্যে বা জেগে থাকা অবস্থাতেও হতে পারে। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় বেশি হয়ে থাকে।

দীর্ঘসময় ধরে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে অনেক সময় পায়ের পেশিতে বেশি টান লাগতে পারে। আবার দীর্ঘক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলেও এমনটা হয়ে থাকে।
আরো নানান কারনে হতে পারে। যেমন, পানিশূন্যতা, মাংসপেশী বা স্নায়ুতে আঘাত, রক্তে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের অভাব, কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া যেমন, হাইপারটেনশন ও কোলেস্টেরল, কয়েকটি বিশেষ ভিটামিনের অভাবে যেমন, ভিটামিন ‘বি’ B1, B5, B6। কিছু বদভ্যাসের কারনে যেমন, ধূমপান, মদপান। ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কম হয় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই তাদের পায়ে টান লাগে। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে থাকে, তাই ওই সময় পায়ের পেশীতে টান লাগা স্বাভাবিক ব্যাপার। আবার হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মেন্সট্রুয়েসন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদির কারনেও পেশীতে টান লাগতে পারে।

পেশীতে টান পড়লে যে পায়ের পেশীতে টান পড়লো দ্রুত সেই পায়ের পেশীকে শিথিলায়ন বা রিলাক্স করতে হবে। এতে পেশী প্রসারিত হবে এবং আরাম পাবেন। পেশীকে প্রসারিত করার নিয়ম হল,
আপনার যদি হাঁটুর নিচে পায়ের পিছনের মাসলে টান লাগে তাহলে পা সোজা করে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে আস্তে আস্তে টানুন। আর যদি সামনের দিকে হয় তাহলে পা ভাঁজ করে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো পেছনের দিকে টানুন।

অনেক সময় উরুর পেছনেও এমনটা হয়, তখন চিৎ হয়ে শুয়ে পা ভাঁজ করে হাটুঁ বুকের দিকে নিয়ে আসুন যতোটুকু পারা যায়। আর উরুর পেছনের পেশীতে আলতো হাতে আস্তে আস্তে মালিশ করুন আরাম পাবেন।

আর যদি পেশী শক্ত হয়ে আসে তখন ওয়াটার ব্যাগ বা হট ব্যাগের মাধ্যমে কিছুক্ষণ গরম সেঁকা দিন আক্রান্ত পেশীতে। আবার যদি পেশী বেশি নরম ও ফুলে যায় আর ব্যথা থাকে তাহলে তাতে আইসব্যাগ দিয়ে ঠাণ্ডা সেঁক দিন। বেশ আরাম পাবেন। প্রত্যেকের বাসায় মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল থাকে, তা দিয়ে আলতো হাতে মালিশ করা যেতে পারে ওই পেশীতে।

আর ‘পেশীর টানমুক্ত’ অবস্থায় ভালো থাকতে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার খান। শাকসবজি, ফল, খেজুর, দুধ ও মাংসতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই এই খাবারগুলো বেশি বেশি খান। নেশা জাতীয় বদ অভ্যাস থাকলে তা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন।

বিয়ের পর স্তন ও কোমর মোটা হয় কেন?অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা ৩৫০ জন কনের ওপর গবেষণা করে তথ্য বের করেন, বিয়ের পর ক...
03/09/2016

বিয়ের পর স্তন ও কোমর মোটা হয় কেন?

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা ৩৫০ জন কনের ওপর গবেষণা করে তথ্য বের করেন, বিয়ের পর কেন কনের স্তন ও কোমর মোটা হয়।

দেখা যায়, বিয়ের পর প্রথম ছয় মাসে কনেরা প্রায় পাঁচ পাউন্ডের মতো ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, যারা বিয়ের সময়ে সুন্দর দেখাতে নিজের ওজন অনেক দ্রুত কমিয়ে ফেলেন, বিয়ের পর তাদের ওজন দ্রুত বেড়ে যায়।

বিয়ের পর নতুন বউ
এটা প্রায়শই দেখা যায় যে, মেয়েরা চায় বিয়ের সময়ে তাদের দেখতে ছিপছিপে এবং কমবয়সী লাগুক। এ কারণে তারা বিয়ের কয়েক মাস আগে থেকেই কঠোর ডায়েটে চলে যান। এমনকি দেখা যায়, পরিবারের মানুষ এমনকি তাদের বাগদত্ত পুরুষেরাই তাদেরকে বলেন ওজন কমাতে।

তারা বেশিরভাগই মোটামুটি ২০ পাউন্ড (৯ কেজির) মতো ওজন কমানোর পরিকল্পনা করে ডায়েট শুরু করেন। অনেকের ওজন এই ডায়েটের ফলে কমে গেলেও বেশিরভাগেরই ওজনে তেমন কোনো হেরফের হয় না। তখন প্রথম ছয় মাসের মাঝেই তাদের ওজন বেড়ে যায় দ্রুত।

বিয়ের পর স্তন বড় হওয়া

দেখা যায়, বিয়ের ছয় মাস পর তাদের ওজন বেড়েছে গড়ে ৪.৭ পাউন্ড (২.১ কেজি)। যারা বিয়ের আগে ওজন কমিয়েছিলেন, তাদের ওজন বাড়ার পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ৭.১ পাউন্ড (৩.২ কেজি)। তবে তারা বিয়ের আগে ওজন কমালেও বিয়ের পরে প্রায় ৪.৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায় তাদের।

বিয়ের পরে মেয়েরা মনে করে, সামনে তো আর কোনো বড় উপলক্ষ নেই আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকে তাদের তেমন লক্ষ্য থাকে না। তারা খাওয়াদাওয়া এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে নিয়মকানুন অনুসরণ বন্ধ করে দেন, যার ফলে ওজন বেড়ে যেতে থাকে। অনেকে আবার মনে করেন, বিয়ের পরে তাদের আকর্ষণীয় ফিগার বজায় রাখার দরকার নেই, এ কারনেও তাদের ওজন এভাবে বাড়তে দেখা যায়।

বিয়ের পর মোটা হয়ে যাওয়া রোধে করণীয় :
তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন। হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ । আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।

ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি, বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে না।

বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায় নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন। কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন।

শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা মেনে চলুন।

মিনিটেই শনাক্ত করা যাবে হৃদরোগের কারণহৃদরোগের লক্ষণ আগে থেকেই চিহ্নিত করতে নতুন ইলেকট্রিক্যাল ইমোনো সেন্সর তৈরি করেছেন দ...
01/09/2016

মিনিটেই শনাক্ত করা যাবে হৃদরোগের কারণ

হৃদরোগের লক্ষণ আগে থেকেই চিহ্নিত করতে নতুন ইলেকট্রিক্যাল ইমোনো সেন্সর তৈরি করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার একদল গবেষক। তাদের দাবি, হার্ট অ্যাটাকের এক মিনিট আগেই ফলাফল জানাবে ওই সেন্সর।

গবেষকরা জানান, মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হচ্ছে হৃদরোগ। আর এর ফলে হৃদরোগের দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য কারণ নির্ণয় করা জরুরি। নতুন এই পদ্ধতিতে কার্ডিয়াক ট্রপোনিন এল(সিটিএনএল)-এর মাত্রা পরিমাপ করবে। এটি এক ধরনের প্রোটিন যা হৃদপিণ্ডের পেশি দ্বারা রক্তে নিঃসৃত হয়। এতেই হার্ট অ্যাটাক হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার উলসান জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের(ইউএনআইএসটি) গবেষক জেইসাং জাং বলেন, ‘অন্য যেকোনো সেন্সরের চেয়ে ভিন্নভাবে তৈরি করা হয়েছে নতুন এই ইমোনো সেন্সর। ইমোনো সেন্সরের এই নতুন ডিজাইন খুব দ্রুত হৃদরোগের মাত্রা নির্নয় করতে সক্ষম হবে।’

গবেষণায় বলা হয়েছে, মাত্র এক ফোঁটা রক্ত ব্যবহার করে ইমোনো সেন্সর হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী রক্তরস(ব্লাড সিরাম)’র প্রোটিন চিহ্নিত করতে সক্ষম হবে। আর এই ফলাফল পাওয়া যাবে মাত্র এক মিনিটেই।

ইউএনআইএসটি’র আরেক গবেষক চ্যাং হু হান বলেন, এক ফোঁটা রক্তরসে সিটিএনএলের মাত্রা নির্ণয় ভালোভাবে সম্ভব নয়। তবে আমরা বৈদ্যুতিক চাপ প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট অংশের প্রোটিন আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। ফলে সনাক্তকরণ সময় এবং সীমা চিহ্নিত করণে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।

সূত্র: ডেকান ক্রনিক্যাল

অনেকের হার্নিয়া হয়।এটা নিয়ে মানুষ এর মধ্যে অনেক ভুল ধারনা আছে।তাই কিছু বলব  এটির বিষয়ে। কী এই হার্নিয়া? মানুষের পেটের(A...
30/08/2016

অনেকের হার্নিয়া হয়।এটা নিয়ে মানুষ এর মধ্যে অনেক ভুল ধারনা আছে।তাই কিছু বলব এটির বিষয়ে।

কী এই হার্নিয়া?

মানুষের পেটের(Abdomen) ভেতরের অনেক অংশ পার্শ্ববর্তী অংশ থেকে দুর্বল, এসব দুর্বল অংশগুলো খুবই নাজুক অবস্থায় থাকে। যদি কোন কারনে পেটের অভ্যন্তরে চাপের পরিমান বেড়ে যায়, তাহলে আমাদের অন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ঐ চাপে স্থানচূত হয়ে সেই দুর্বল যায়গা দিয়ে প্রবেশ(penetrete) করে ফেলে তখন নাভী, উদর ও উরুর সংযোগস্থল, অন্ডকোষ ইত্যাদি এলাকা ফুলে ওঠে। এটিই হল হার্নিয়া।

কেন উদর অভ্যন্তরের চাপ বৃদ্ধি পায়?

*পুরনো কাশি

* হাঁচি

* কোষ্ঠকাঠিন্য

*প্রোস্টেটগ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া

* প্রেগনেন্সি ইত্যাদি

হার্নিয়ার লক্ষণ:

★কুঁচকি বা অন্ডথলি ফুলে যাওয়া।

★নাভির আশপাশ ফুলে যাওয়া।

★ উরুর গোড়ার ভেতর দিক ফুলে যাওয়া।

★পেটে পূর্বে অপারেশন করা হয়েছে এমন স্থান ফুলে যাওয়া।

জটিলতাঃ

★প্রচন্ড ব্যাথা

★বমি ভাব

★ বমি

★মল ত্যাগে অসুবিধা

হার্নিয়ার চিকিৎসায় বিলম্ব হলে আটকে যাওয়া খাদ্য খাদ্য নালীর রক্ত সরবরাহ ব্যাহত করে গ্যাংগ্রিন ঘটাতে পারে।

★ পেরিটোনাইটিস

★সেফটিসেমিয়া

★শক

★মৃত্যুও হতে পারে।

চিকিৎসাঃ

এ রোগের একমাত্র চিকিৎসা হল সার্জারি। তাই দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হয়।

পোস্ট টি ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার করেন....

সৌন্দর্য বিষয়ে এইসব সমস্যা প্রায় সবারই একরকম। তাই পাঠক নিজের সমস্যার সঙ্গে মিলে গেলে, জেনে নিন সমাধান।সমস্যার সমাধান দিয়...
30/08/2016

সৌন্দর্য বিষয়ে এইসব সমস্যা প্রায় সবারই একরকম। তাই পাঠক নিজের সমস্যার সঙ্গে মিলে গেলে, জেনে নিন সমাধান।

সমস্যার সমাধান দিয়েছেন আকাঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের অ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।

চুলপড়া সমস্যা

আমার বয়স ২০। চুল খুব পাতলা, চুল পড়ার সমস্যা আছে। মনে হচ্ছে সামনের দিকের চুল কমে যাচ্ছে। কি করলে সামনের দিকের চুল নতুন করে গজাবে?

সমাধান

নিয়ম করে চুলের যত্ন নিন, তা না হলে চুল পড়া কমবে না। প্রতিদিন বেশ কয়েকবার চুল ব্রাশ করুন এতে আপনার মাথার চুলের রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। সপ্তাহে দুদিন ভালো কোনও হার্বাল অয়েল দিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে মালিশ করুন।

হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ১ ঘন্টা রেখে ভালো কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে গোড়া বাদ দিয়ে কন্ডিশনিং করুন।

অনেক বেশি শক্ত করে চুল বাঁধবেন না। এতেও চুল সামনের দিক থেকে পাতলা হয়ে যায়। পাশাপাশি চুল ভালো রাখার জন্য ডায়েট খুব জরুরি। কাঁচা সালাদ, সবুজ শাকসবজি, খেজুর, টকদই এসব প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় রাখুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।

আশা করি আপনার চুল পড়ার সমস্যা কমে আসবে। চুলও সুন্দর হবে। নিয়মিত যত্ন করলে এবং হেয়ার ফলিকন ঠিক থাকলে অবশ্যই নতুন চুল গজাবে।

হেয়ার রিমুভ

আমার হাত-পায়ের পশম খুব বড় বড় এবং ঘন। হেয়ার রিমুভার ক্রিম ব্যবহার করলে কি কোনও ক্ষতি হবে? এর পরিবর্তে আর কী উপায় আছে?

সমাধান

অনেকেরই হাত-পায়ের পশম বড় বড় থাকে এতে বিব্রত হওয়ার কোনও কারণ নেই। চাইলে ভালো কোনও পার্লারে গিয়ে ওয়াক্সিং করুন। ওয়াক্সিং করালে হাত-পায়ের ত্বক সুন্দর হবে পশমও থাকবে না। এটা মাসে একবার করে করতে হবে। প্রথম দিকে ঘন এবং মোটা পশম ধীরে ধীরে কমে আসবে। হেয়ার রিমুভাল ক্রিম কখনও হাতে পায়ের পশম তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন না। এতে অনেক সময় র‌্যাশ বের হয় এবং ত্বকও কালো হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। তাই সব থেকে ভালো পদ্ধতি ওয়াক্সিং করুন। ওয়াক্সিং সাধারণত লেবু-চিনিজাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি একটি হার্বাল উপাদান দিয়ে করা হয়। যা আপনার কোনও ক্ষতি করবে না।

চুল পাকা ও মেহেদি

চুল পেকে যাচ্ছে। হেনা করতে চাই। হেনা করলে চুলের কি কোনও ক্ষতি হবে? চুল পাকা কি আরও বেড়ে যাবে। শুনেছি হেনা ব্যবহার করলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়।

সমাধান

হেনা বা মেহেদি হলো প্রাকৃতিক একটি উপাদান। যা দিয়ে আমরা চুলে রং করে থাকি। হেনা অতিরিক্ত ব্যবহারে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। হেনা লাগিয়ে অনেকেই দুই, তিন ঘন্টা রাখে আর তাতেই চুল রক্ষ হয়ে যায়। যখনই হেনা করবেন ৪৫ মিনিটের বেশি রাখা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে চুলে শ্যাম্পু করে ফেলুন চুল রুক্ষ হবে না। রংও ঠিক মতো হবে। মেহেদি বাটার সঙ্গে আমলকির গুঁড়া ও চায়ের লিকার মিশিয়ে নিন, তাহলে চুল নরম থাকবে।

সব সময় হেনা ব্যবহার করলে বাটা মেহেদি ব্যবহার করবেন। কখনই গুঁড়া মেহেদি ব্যবহার করবেন না। এই গুঁড়া মেহেদি কিন্তু এক ধরনের রংয়ের মিশ্রণ। তাই মেহেদি পাতা বেটেই আপনার চুলে লাগান।

লম্বা মুখের চুলের ছাঁট

আমার মুখের শেইপ গোল, নাক বেশ লম্বা। কী ধরনের হেয়ার কাট আমাকে মানাবে?

সমাধান

আপনার মুখের শেইপ যদি গোল হয় তবে আপনাকে একটু শর্ট লেয়ার্সয়ে মানাবে। খুব ছোট করে চুল কাটবেন না। মিডিয়াম লেন্থ বেশি ভালো লাগবে।

চুলের লেন্থ শুরু হবে নাক থেকে এরপর ধীরে ধীরে বড় হবে। এভাবে সামনে পিছে চুল কয়েকভাগে লেয়ার্স করে কাটলে আপনাকে মানিয়ে যাবে। এবং মুখের গোলভাব কিছুটা কম লাগবে।

উপকারী মনে হলে LIKE দিয়ে উৎসাহিত করতে ভুলবেন না
আপনাদের সর্বোচ্চ Like আমাদের পরবর্তী ভাল পোস্ট শেয়ার
করতে উত্সাহ দেয়

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়মঃ১) প্রস্রাব আটকে রাখা।২) পর্যাপ্ত পানি পান না করা।৩) অতিরিক্ত লবন খাওয়া।৪) যেকোন সংক্রমনের দ্র...
28/08/2016

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়মঃ

১) প্রস্রাব আটকে রাখা।
২) পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩) অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪) যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না
করা।
৫) মাংস বেশি খাওয়া।
৬) প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭) অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮) ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯) অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০) পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।

ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী লাইক না দিলে পরবর্তী পোস্ট আপনার টাইমলাইন এ আসবে না।তাই আমদের পেজ এর সব পোস্ট এ লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন, তাহলেই আমরা আর ভাল পোস্ট নিয়ে হাজির হবার অনুপ্রেরণা পাব।

আমড়ার উপকারিতাঃ*আমড়া ফলে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি, যা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। স্কার্ভি হচ্ছে এমন একটি রোগ, যার কারণে...
28/08/2016

আমড়ার উপকারিতাঃ

*আমড়া ফলে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি, যা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। স্কার্ভি হচ্ছে এমন একটি রোগ, যার কারণে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে পুঁজ ও রক্ত পড়ে, মাড়িতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।

*কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

*অ্যান্টি-অক্সিডেন্টজাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে

*ক্ষুধামন্দাভাব দূর হয়।

*কফ দূর করে।

*পাকস্থলী সুস্থ রাখে।

*ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধেও আমড়া কাজ করে।

ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী লাইক না দিলে পরবর্তী পোস্ট আপনার টাইমলাইন এ আসবে না।তাই আমদের পেজ এর সব পোস্ট এ লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন, তাহলেই আমরা আর ভাল পোস্ট নিয়ে হাজির হবার অনুপ্রেরণা পাব।

রোদে পোড়া ত্বকের যত্ন এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে বাড়তি যত্নঃএকটি পাকা কলার সাথে মধু, লেবুর রস ও দুধের সর মিশিয়ে মুখে, হাতে ও প...
28/08/2016

রোদে পোড়া ত্বকের যত্ন এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে বাড়তি যত্নঃ

একটি পাকা কলার সাথে মধু, লেবুর রস ও দুধের সর মিশিয়ে মুখে, হাতে ও পায়ে লাগালে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়। তৈলাক্ত ত্বক হলে দুধের সরের পরিবর্তে ডিমের সাদা অংশ লাগাবেন। কাঁচা হলুদ, শশার রস, টমেটোর রস ও লেবুর সঙ্গে শুষ্ক ত্বক হলে দুধের সর মিশিয়ে লাগাতে হবে।

ময়দা, দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রসের মিশ্রণে তৈরি মাস্ক ‘সান ট্যান’ দূর করতে দারুণ উপকারী। রোদে পোড়াভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে লেবুর রস দারুণ কার্যকরী। (সংগৃহিত)

তৈলাক্ত ত্বকে এই ঋতুতে কিছুটা কালচে ভাব চলে আসতে পারে। তাহলে মুলতানি মাটি মধু, আর গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।

ব্রণ বা দাগের জন্য শশা, গোলাপজল ও কাঁচা হলুদের পেস্ট লাগাতে পারেন। মিশ্র ত্বকের জন্য ডিমের সাদা অংশ, মধু, লেবুর রস, দুধের সর লাগালে উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

এই গরমে সতেজ, সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য সকালে বের হওয়ার সময় ব্যাগে একটি পানির বোতল, এক প্যাকেট স্যালাইন, সানস্ক্রিন ক্রিম, হাতপাখা, ওয়েট টিস্যু, ব্লটিং পেপার, ছাতা, সানগ্লাস সঙ্গে রাখা উচিত।
অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় । তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন । . √ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার ? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না ।

কাশির জন্য হোম প্রতিকারঃআপনি যদি colds কাশি, এবং একটি ড্রাগ ঘর ছিল না, আজ বা অধিকার ভোগে, যে আমাদের বাড়িতে প্রতিকার রেস...
28/08/2016

কাশির জন্য হোম প্রতিকারঃ

আপনি যদি colds কাশি, এবং একটি ড্রাগ ঘর ছিল না, আজ বা অধিকার ভোগে, যে আমাদের বাড়িতে প্রতিকার রেসিপি grandmothers চিকিত্সা ছিল চেষ্টা করবেন.

এ মধু সঙ্গে একটু মাখন মেশান এবং জিহ্বা উপর রাখা. কখনও কখনও যাও কাশি উপশম করতে সাহায্য করে.

দুই. স্বল্প সময়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর হিলস কাশি, 1 tbsp. চামচ মূলা জুস, প্রতি ঘন্টা নিয়েছে. এই কাজের পাতলা টুকরা করে, কাটা এবং শর্করা 6.8 শিকড় সঙ্গে ছিটিয়ে. পরে প্রায় অর্ধেক দিন রস হতে হবে.

তিনটি. ছোট কিউব করে কালো মূলা, কেটে গুলি জায়গা এবং চিনি দিয়ে ছিটিয়ে. 2 ঘন্টা তন্দুর মধ্যে সেকা. , আলিঙ্গন বোতল মধ্যে তরল ঢালা, এবং মূলা টুকরোগুলি নিক্ষেপ করা. প্রতিদিন খাবার আগে এবং এ বেড আগে রাতে নিন 3-4 বার 2 teaspoons. এই সরঞ্জামের সাহায্যে সাধারণত শিশুদের চিকিত্সা.

4. মূলা জুস এবং দুধ সমান অনুপাত মিশ্রিত. ডোজ: 1 tbsp. চামচ মিশ্রণ ছয় বার একটি দিন.

পাঁচ. 1.5 লিটার জল এ আধা ঘন্টার মধ্যে কালো মূলা 100 গ্রাম ফুটান. তারপর একটি আদা 50 গ্রাম পেঁয়াজ এবং 15 গ্রাম মধ্যে জুস করা এবং অন্য 30 মিনিটের জন্য রান্না করা পর্যন্ত 400 মিলি নেই. লাঞ্চের জন্য, এক যেতে মধ্যে সমস্ত বিষয়বস্তু খাওয়া. চিকিত্সার কোর্সের - 3 দিন.

6. তাদের জ্যাকেট 4-5 বড় আলু মধ্যে ফোঁড়া, কিন্তু যাতে তারা নিক্ষিপ্ত হয় না. বুকে ফিরে অথবা একটি কাগজের কয়েক শীট আবেদন করতে হবে এবং অর্ধেক আলু তাদের কাটা. অন ��মোড়ানো উপরে. হিসাবে কাগজ শীতল চাদর উঠিয়ে ফেলা যাও. সন্ধ্যায় পদ্ধতি কি. পরের দিন, আপনি বোধ উপশম.

7. শিশুদের জন্য ক্রমাগত পানি 1 লিটার নিম্ন আলু, পেঁয়াজ এবং আপেল মধ্যে কাশি. , ফোঁড়া ফুটান পানি অর্ধেক পর্যন্ত. চলুন 1 চা চামচ 3 বার একটি দিন সময় লাগবে.

আট. কাশি ভুগছেন রোগীদের পুষ্টি মধ্যে অত্যন্ত দরকারী, আলু ভর্তা, দুধ প্রচুর সঙ্গে রান্না অন্তর্ভুক্ত.

9. একটি বাটি মধ্যে ঘুম যাও যাবার আগে, পানি 1 লিটার, ঢালা আগুন লাগাতে হবে. কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি 6.7 উপসাগর পাতার মধ্যে ফোটানো জল নিক্ষেপ করা. তাপ, জল থেকে সরান, এবং vskipevshuyu শ্বসন না.

10. একটি উত্তপ্ত সালে বীট গাছ রস পান স্বল্প, এটি নিমকি. 2 মিনিট সঙ্গে কুলকুচা তারপর, গেলা. তাই রস এক গ্লাস পানীয়. সম্পূর্ণ কাশি পরিত্রাণ পেতে বীট গাছ চিনি 5 কেজি থেকে রস পান করা উচিত.

ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী লাইক না দিলে পরবর্তী পোস্ট আপনার টাইমলাইন এ আসবে না।তাই আমদের পেজ এর সব পোস্ট এ লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন, তাহলেই আমরা আর ভাল পোস্ট নিয়ে হাজির হবার অনুপ্রেরণা পাব।

কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত,কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত নাকেমন নারীকে বিবাহ করা উচিতবিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারি নির্বাচন করবে ...
28/08/2016

কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত,কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত না

কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত
বিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারি নির্বাচন করবে যার মধ্যে ধার্মিকতা ও আমল আখলাকের ক্ষেত্রে স্বামীর চেয়ে উত্তম। এতে সে নারী অর্থ স¤পদের ক্ষেত্রে স্বামী সমতুল্য না হোক তাতে কিছু যায় আসেনা, নারীর চেহারা গোলাকার হলে ভালো হয়। গোলাকার ও লম্বাকৃতির চেহারা সবই আল্লাহর সৃষ্টি। তবে গোলাকার চেহারার নারীর কিছু অতিরিক্ত বৈষিষ্ট থাকে। যা সাংসারিক জীবনে সুখের সৃষ্টি করে। তদ্রুপভাবে স্ত্রী দূরের বংশের হওয়াটা বেশি উপকারী। কারণ নিকটাত্মীয় অর্থা চাচাতো, ফুফাতো, মামাতো, খালাতো বোন ইত্যাদি আপন আত্মীয়ের মধ্যে দূরের রূরের তুলনায় ভালোবাসা ও মহব্বত কম হয়ে থাকে। এদের থেকে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সাধারণত তারা মেধা শক্তি ও জ্ঞান গরিমায় দুর্বল হয়ে থাকে। কখনও কখনও বিকলাঙ্গ বা বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হয়ে থাকে। এজন্য যথা
সম্ভব দূরের কোন নারীকেই বিবাহ করা উচিত। কেননা, দূরের আত্মীয়দের সাথে মহব্বত ভালোবাসা তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে। আর সন্তানাদিও জ্ঞান বুদ্ধির দিক দিয়ে তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে। সাথে সাথে নতুন করে একটি বংশের সাথে স¤পর্ক করার দ্বারা বংশধারাও বৃদ্ধিপায়। দ্বীনি ও দুনিয়াবী উভয় শিক্ষায় শিক্ষিত পাত্রীকেই বিবাহ করা চাই। একেবারে মূর্খ জাহেল অশিক্ষিত নারী বিবাহ না করাই উত্তম। নারী মোটা হওয়া বা চিকন হওয়া এটা ছেলের পছন্দের উপর নির্ভর করবে। কারো পছন্দ মোটা মেয়ে আবার কারো পছন্দ চিকন ও হালকা পাতলা মেয়ে। তবে অধিকাংশ লোকজন হালকা পাতলা নারীকেই বেশি পছন্দ করে থাকে। পক্ষান্তরে আরবের লোকেরা মোটা পাত্রীকেই বেশি পছন্দ করে।
এক হাদীসে নবী করিম (সা.) বলেন- তোমরা এমন মহিলাকে বিবাহ কর যার থেকে বেশি সন্তান জন্ম নেয়। প্রশ্ন হতে পারে যে বিবাহের আগেই অধিক সন্তান হওয়ার নিদর্শন কি ? এ বিষয়টি বুঝতে হলে উক্ত মেয়ের সহোদরা বোনের কতগুলি সন্তান অথবা উক্ত মেয়ের কতগুলি বোন রয়েছে। কিংবা তার ভাইয়ের সন্তানাদি কতজন। তাদের সন্তানাদি বেশি হলে আশা করা যায় যে এ মহিলার থেকেও অধিক সন্তানাদি হবে। বিবাহের ক্ষেত্রে নির্বাচিতা নারী যেন বাঁজা না হয়। বাঁজা বলা হয় ঐ নারীকে যার সন্তান জন্ম দেয়ার যোগ্যতা নেই।
কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত না
জ্ঞানীরা বলেন, নিন্মোক্ত মেয়েদেরকে বিবাহ না করা উত্তম।
এক। যে সকল মহিলা সব সময় বিরক্ত হয়ে থাকে এবং সবক্ষেত্রেই যে সব মহিলা হা-হুতাশ করে। কিংবা সবসময় যে মহিলা অসুস্থ থাকে। এসব মেয়েদেরকে বিবাহ করলে সাংসারিক জীবনে কোনো কাজেই বরকত পাওয়া যায়না দুই। উপকার করে খোঁটাদানকারী মহিলা। তিন।প্রথম স্বামীর প্রতি আসক্ত মহিলাকে বিবাহ করা থেক বিরত থাকতে হবে । চার। যেসব মহিল সর্বক্ষণ সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। পাঁচ। সবসময় অশ্লীল ভাষায় কবা কাজীকারী মহিলাকে বিবাহ করবেনা। ছয়। বাঁচাল বা প্রলাপী মহিলাকেও বিবাহ করতে নেই। সাত। বৃদ্ধ মহিলার সাথে সহবাসে যেহেতু যুবকদের মানসিক দুর্বলতা ও অলসতা সৃষ্টি হয় সেহেতু বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করবেনা। জ্ঞানীরা বলে থাকেন যে যুবতীদেরকে বিবাহ করে সহবাস করার দ্বারা জান তথা ভ্রুণ সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করে সহবাস ক্রয়ার দ্বারা অনিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। সে সাথে অলসতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়।

অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় । তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন । . √ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার ? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না ।

Address

Prime Medical College Road
Rangpur
5400

Telephone

052166195

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রাইম মেডিকেল কলেজ, রংপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share