Mahti Ahsan

Mahti Ahsan Mahti Ahsan Organico is a Global Brand of OxR Foods. We Determined to Deliver Fresh and Raw Food to Our Customer.

08/02/2026

ভুলে যাওয়ার চক্রব্যূহ

আজ ক্ষুদিরামের নাম
হাওয়ার ভিড়ে চাপা পড়ে যায়,
সুভাষের বজ্রকণ্ঠ
ইতিহাসের পাতায় নিঃশব্দে ঘুমায়।

রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত—
এই নামগুলো একদিন
ভাষার জন্য রক্ত হয়ে উঠেছিল,
আজ সেগুলো কেবল
একদিনের ফুল, একুশের মালা।

মুক্তিবাহিনীর ধুলো-মাখা পা,
দেশপ্রেমিক বাংলার দামাল সন্তান—
তাদের চোখে ছিল আগামীর স্বপ্ন,
আজ সেই স্বপ্নের জায়গায়
স্ক্রিনে ঝলমলে ব্যস্ততা।

সবাই ছুটছে,
কিন্তু কোথায়—কেউ জানে না,
‘২৪’ নামের এক চক্রান্তের চক্রব্যূহে
আমরা নিজেরাই বন্দী, অজান্তে।

স্মৃতি আজ বোঝা,
ইতিহাস আজ ক্লিকের নিচে চাপা,
দেশপ্রেম আজ ট্রেন্ড না হলে
মূল্যহীন হয়ে যায়।

তবু শোনো—
মাটির নিচে এখনো আগুন আছে,
একটি নাম উচ্চারণ করলেই
রক্ত জেগে ওঠে।

যেদিন আমরা আবার
ভুলে যাওয়া নামগুলো ডাকব,
সেদিনই এই চক্রব্যূহ ভাঙবে,
বাংলা আবার চিনবে
তার নিজের সন্তানদের।

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর সে বর্বরতার সাথে জড়িত এদেশীয়...
04/02/2026

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর সে বর্বরতার সাথে জড়িত এদেশীয় দোসরদের অনেকেই আজকাল হয়ে উঠেছেন দেশপ্রেমিক।

ইউনুসকে দুনিয়ার মানুষের কাছে কৃত্রিমভাবে গ্রহণযোগ্য করেছে Epstein. সদ্য রিলিজপ্রাপ্ত 35 লাখ পেইজ ডকুমেন্ট এ সেটাই প্রমাণ...
02/02/2026

ইউনুসকে দুনিয়ার মানুষের কাছে কৃত্রিমভাবে গ্রহণযোগ্য করেছে Epstein.

সদ্য রিলিজপ্রাপ্ত 35 লাখ পেইজ ডকুমেন্ট এ সেটাই প্রমাণ করে। ইউনুসকে পরিচিত করায়ে দিতে সিম্পসনের কার্টুনিস্টের সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে Epstein এর সহচররা। ফলে এক সপ্তাহের মধ্যে সিম্পসনের এপিসোডে ইউঞ্জস যায়গা পায়।

ডিপ স্টেটের দালাল ইউনুসকে ডিপ স্টেট এভাবেই বিভিন্ন যায়গায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে দেয়। ইউনুসও এদের কথাতে বিভিন্ন যায়গায় যায়, বিভিন্ন মানুষের সাথে দেখা করতে।

বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতির ঘটনাক্রম দেখে পরিস্কার যে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় মার্কিন ডিপ স্টেটের এজেন্টদের। ইউনুসের নোবেলও সেভাবেই দেওয়া হইসিল, সেটার আরেকটা প্রমাণ হিসেবে এই Epstein Files এ তার নাম থাকার ব্যাপারটাকেও বলা যায়।

মাত্র তো একটা পার্ট প্রকাশিত হইলো, আরও ডকুমেন্ট বের হইলে ইউনুসদের লুঙ্গি খুজে পাওয়া যাবেনা। এই ইমেইলটা কাকে পাঠানো হইসে জানলেও আরও অনেক কিছু পরিষ্কার হইতো

‘বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানেরবিশেষ প্রতিবেদকজুলাই অভ্য...
31/01/2026

‘বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানের
বিশেষ প্রতিবেদক
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন ফাঁস হওয়া একটি অডিও কথোপকথন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছিল, তার বিপরীতে এবার জোরালো যুক্তি উঠে এসেছে। আল-জাজিরা ও বিবিসির মতো সংবাদমাধ্যমগুলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘প্রেক্ষাপট’ ছাড়া উপস্থাপন করায় জনমনে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্পষ্ট করেছেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যান। তিনি স্বীকার করেছেন, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি মোটেও অযৌক্তিক নয় এবং শেখ হাসিনা প্রকৃতপক্ষে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপর নয়, বরং সন্ত্রাসীদের দমনেই কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সম্প্রতি আল-জাজিরায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছিলেন, তার মা কখনোই সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি। জয়ের এই দাবির সত্যতা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ডেভিড বার্গম্যান দৈনিক প্রথম আলোতে লেখা এক উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করেন, ফাঁস হওয়া ফোনালাপটি যদি পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ বিচার করা হয়, তবে এটি স্পষ্ট যে শেখ হাসিনা ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের যে কথা বলেছিলেন, তা ছিল মূলত অগ্নিসংযোগকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নয়।
বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ওই ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভবনে হামলা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে, ‘সন্ত্রাসীরা’ মোহাম্মদপুর থানার দিকে এগোচ্ছে এবং জাতীয় সচিবালয় ও আবাহনী ক্লাবের মতো জায়গায় হামলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের জানমাল রক্ষার্থে এবং সন্ত্রাসীদের সহিংসতা দমনেই শেখ হাসিনা কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বলপ্রয়োগের অনুমতির কথা বলার ঠিক আগেই শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, তিনি এতদিন ‘ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা ভেবে’ নিজেকে সংযত রেখেছিলেন। বার্গম্যানের মতে, শেখ হাসিনার এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে তিনি সচেতনভাবেই ‘ছাত্র’ এবং ‘সন্ত্রাসী’—এই দুই শ্রেণির মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা তার অগ্রাধিকার ছিল।
ডেভিড বার্গম্যান তার লেখায় আরও উল্লেখ করেছেন, বিবিসি ও আল-জাজিরার তথ্যচিত্রগুলোতে শেখ হাসিনার মন্তব্যকে যথাযথ প্রেক্ষাপট ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। সেখানে এমনভাবে বিষয়টি দেখানো হয়েছে যেন তিনি ঢালাওভাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দিচ্ছেন, যা সত্যের অপলাপ। সজীব ওয়াজেদ জয় সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছেন যে, ওই অডিও ক্লিপগুলো খণ্ডিতভাবে প্রচার করে অর্থ বিকৃত করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা শেখ হাসিনার সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল। সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের মুখে তিনি যে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিলেন, তা ছিল পরিস্থিতির ভয়াবহতা মোকাবিলার কৌশল। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যানের এই পর্যবেক্ষণ সজীব ওয়াজেদ জয়ের দাবিকেই সত্য প্রমাণ করে—শেখ হাসিনা কখনোই শিক্ষার্থীদের প্রতি সহিংস ছিলেন না, বরং তার কঠোরতা ছিল কেবল সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে।

উপমহাদেশের রাজনীতিবিদ পরিবারের প্রজন্মের শিক্ষকতার যোগ্যতা :-১. জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় ( বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এন্ড লোকপ্রশা...
26/01/2026

উপমহাদেশের রাজনীতিবিদ পরিবারের প্রজন্মের শিক্ষকতার যোগ্যতা :-
১. জনাব সজীব ওয়াজেদ জয় ( বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এন্ড লোকপ্রশাসন বিভাগে এম, এ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়।)
২. জনাব তারেক রহমান ( এইচ এস সি) সমমানের।
৩. জনাব রাহুল গান্ধী ( এম ফিল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়)
৪. জনাব বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি( এম, এ ইতিহাস ও আধুনিক রাজনীতি,অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়)

জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের মেধা ও আইকিউ লেভেল সবার উর্ধ্বে।

একুশে টিভি নিউজ করছে , "বাবাকে কাশতে দেখে পানি এগিয়ে দিলেন জাইমা রহমান" গত কয়েক বছরে এমন নিউজ আমি দেখি নাই৷ খুবই বাস্তবধ...
24/01/2026

একুশে টিভি নিউজ করছে , "বাবাকে কাশতে দেখে পানি এগিয়ে দিলেন জাইমা রহমান"
গত কয়েক বছরে এমন নিউজ আমি দেখি নাই৷ খুবই বাস্তবধর্মী একটা খবর এটা৷ জাইমা রহমান তার বাবাকে পানি এগিয়ে দিলেন, আসলে মেয়েদের তার বাবার প্রতি আলাদা ভালোবাসা থাকে, যারা মেয়ে সন্তান এঁর পিতা তারাই বুঝবে।

বিষয় গুলো অনুপ্রাণিত করে।

লুৎফুজ্জামান বাবর টানা ১৭ বছর কারাগারে ছিলেন। তবুও তার স্ত্রী বেঁচে আছেন—সম্মানের সাথেই বেঁচে আছেন। তিনি আত্মহত্যা করেনন...
24/01/2026

লুৎফুজ্জামান বাবর টানা ১৭ বছর কারাগারে ছিলেন। তবুও তার স্ত্রী বেঁচে আছেন—সম্মানের সাথেই বেঁচে আছেন। তিনি আত্মহত্যা করেননি। কেন করেননি?
উত্তরটা খুবই সোজা, খুবই নির্মম—কারণ তার হাতে টাকা ছিল। সেই টাকা বৈধ না অবৈধ, তা এই ব্যবস্থার কাছে কোনো বিষয়ই না।
একই সমাজে এক নারী ১৭ বছর স্বামী ছাড়া টিকে থাকতে পারেন, আবার সেই সমাজেই আরেক নারী মাত্র ১১ মাসেই জীবনের সব আশা ছুঁড়ে ফেলে দেয়। কেন?
কারণ স্বামী ছাড়া বাঁচা সম্ভব, কিন্তু টাকা ছাড়া নয়।
টাকা না থাকলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে শুরু হয় নির্দয় নিপীড়ন—হয়রানি, অপমান, অবমাননা আর অসহনীয় মানসিক নির্যাতন। চেতনার বুলি আউড়ে কোনো উকিল, মোহরী, জেল পুলিশ বা কোর্ট পুলিশের হৃদয় গলে না। টাকা না দিলে স্বামীর মুখ দেখা নিষিদ্ধ। টাকা না দিলে বন্দি বাবা নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়ার অধিকারও পায় না। মাসে মাসে জেলখানার পিসিতে ঘুষ না দিলে মানুষ থাকা যায় না।
এখন প্রশ্ন—২২ বছরের একজন নারী এই টাকা কোথায় পাবে?
এই রাষ্ট্রে স্বামী ছাড়া বেঁচে থাকা যায়, কিন্তু টাকা ছাড়া শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাই একমাত্র পরিণতি হয়ে দাঁড়ায়।

24/01/2026

জেলের মাইক হঠাৎ বেজে উঠে, ডাক আসলো জেল গেট মোঃসাদ্দাম বাগেরহাট সদর থানা আপনার জরুরি সাক্ষাৎ আছে, আপনি গেটে আসুন।

সাদ্দাম গেটে আসলো, গেটের প্রথম দরজা খোলার পরেই দেখলো একটা এম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশের একজন জানালো ঘটনাটি এবং সাদ্দামকে মাত্র ৫ মিনিট সময় দেয়া হয়েছে শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে দেখতে...

হয়তো কোন শব্দ করে চিৎকার করার সুযোগটুকুও পায়নি, কথা বলেনি শুধু নিরবে চেয়েছিলো! কি অন্যায়! ১০ মিনিট সময়ও দেওয়া হলো না! পারলো না নিজের প্রিয় সহধর্মিণী ও একমাত্র শিশু সন্তানের কবরে এক মুঠো মাটি দিতে। কি করছে এখন সাদ্দাম?? চোখ দুইটা টায়ার্ড হয়ে যদি ঘুমিয়ে যেতে পারতো।

একবার ১০ সেকেন্ড এই সিচুয়েশনে নিজেকে ভাবেন তো!

হে আল্লাহ সাদ্দামকে তুমি ধৈর্য্য ধরার তৌফিক দিও। 🤲

বিএনপি প্রচারণা শুরু করেছে (নির্বাচনকে ঘিরে), ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জন্য মনোরেল মেট্রোরেলের চেয়ে ভালো, কারণ মনোরেল...
22/01/2026

বিএনপি প্রচারণা শুরু করেছে (নির্বাচনকে ঘিরে), ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের জন্য মনোরেল মেট্রোরেলের চেয়ে ভালো, কারণ মনোরেল নির্মাণ খরচ তুলনামূলক কম। কিন্তু, গণপরিবহন মানে শুধু কম খরচে প্রকল্প বানানো নয়, মানুষকে কার্যকর উপায়ে পরিবহন করাই এর উদ্দেশ্য, সেটা এক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। অনেকে জেনে-বুঝে, অনেকে না জেনে-না বুঝে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লাফাচ্ছে।
বাস্তবতা যদি দেখি, ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬ একাই প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০,০০০ যাত্রী পরিবহন করতে পারে, যা যানজট ও যাতায়াত সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়। আর, মনোরেল সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় ১০,০০০–২০,০০০ যাত্রী বহন করতে পারে, অর্থাৎ মেট্রোরেলের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ কম। কারণ, মনোরেলের বগি ও আকৃতিও অনেক ছোট মেট্রোরেলের তুলনায়!
মনোরেলের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে নির্মাণব্যয় আনুমানিক ৫৫–১৭০ মিলিয়ন ডলার আর মেট্রোরেল আনুমানিক ১৬০–২৫০ মিলিয়ন ডলার। মেট্রোতে বেশি ব্যয়, কারণ এটি উচ্চ সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য তৈরি। মনোরেল বানাতে খরচ তুলনামূলক কম, কিন্তু এটার সক্ষমতাও কম।
ঢাকা মেট্রোরেল পূর্ণভাবে চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম হবে। শুরুতে ব্যয় বেশি হলেও, যাত্রীসংখ্যা বেশি হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে প্রতি যাত্রীর খরচ কমে আসে, এটাই সাসটেইনেবল বা টেকসই গণপরিবহনের মূল কথা।
এত কথার সারমর্ম হল, মনোরেল কাগজে-কলমে সস্তা মনে হতে পারে, কিন্তু যে ব্যবস্থা ঢাকার মানুষের চাপ সামলাতে পারবে না, তা আদৌ কোন সমাধানই নয়। মেট্রোরেল কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বানানো প্রকল্প নয়, এটি প্রয়োজনীয়তা! মনোরেলকে যেভাবে মেট্রোর বিকল্প হিসেবে রাজনৈতিক প্রচারণা চালানো হচ্ছে তা টেকসই গণপরিবহণ তৈরির বদলে দুর্বল গণপরিবহনের দিকে নিয়ে যাবে দেশকে। ঢাকা-চট্টগ্রামের মত শহরের জন্য দরকার উচ্চ সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান; আর সেটা হল মেট্রোরেল।

#যা_দেখানো_হয়_তা_নয়_যা_লুকানো_হয়_তা_দেখার_চেষ্টা_করুন

14/01/2026

আমি নেত্রী কে ভালোবাসি কারণ তিনি দেশের মানুষ কে ভালোবাসে, এই অভাগা জাতি আজ না বুঝলে একদিন বুঝবে।

12/01/2026

এদের ‘স্বাধীনতা’ ভালো লাগে না, ‘আজাদী’ ভালো লাগে।
‘সুবিচার’ ভালো লাগে না, ‘ইনসাফ’ ভালো লাগে।

এদের ‘আজাদী’ এবং ‘ইনসাফ’ এর মানে হলো পাকিস্তানের পা চাটা। ১৯৭১ সালে এরা আজাদীর লড়াই করেছিল, কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষে এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। ইনসাফের লড়াই করেছিল, কিন্তু ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা এবং ২ লক্ষ মা-বোনদের ধর্ষণ করে। এই ৩০ লক্ষ বাঙালির হত‍্যাকারি এবং ২ লক্ষ মা-বোনদের ধর্ষণকারিদের বর্তমান বংশধররাই আজ তথাকথিত ‘আজাদী’ এবং ‘ইনসাফ’ এর কথা বলে।

Address

Nalta Sharif, Nalta Mobarak Nagar
Satkhira
9441

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahti Ahsan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahti Ahsan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram