Savar Homeopathic Medical College & Hospital

Savar Homeopathic Medical College & Hospital হোমিওপ্যাথি সেবা নিন, সুস্থ থাকুন।
পেইজ টি লাইক করতে
আপনার বন্ধুদের কে
Invite করুন।

29/10/2017

উপরে লাইক দিন।।।।

পাথরকুচি ঔষধি উদ্ভিদ। দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ।...
26/10/2017

পাথরকুচি ঔষধি উদ্ভিদ। দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে, তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে।

পাতা থেকে এ গাছ জন্ম নেয়।উদ্ভিদের ধরণঃ বহু বর্ষজীবী সবুজ পাতা বিশিষ্ট।পরিচিতি: গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা মাংসল এবং মসৃন। পাতা দেখতে অনেকটা ডিম্বাকৃতি। কিনারা খাঁজ কাটা। মুল কান্ডের অগ্রভাগে গুচ্ছবদ্ধ নিম্নামুখি ফুল হয়। দেখতে ঝালর বাতির মত। ভিতরে ফাঁপা। ফুল লম্বায় এক থেকে দেড় ইঞ্চি হয়ে থাকে। পুস্পের বাহিরের দিকে সবুজ লাল ও সাদা দাগ থাকে। শীতকালে ফুল ও গ্রীস্মকালে ফল হয়।

স্থানীয় নামঃ পাথর কুচি
অন্য নামঃ পাথর কুচি, পাথান বেইদ, পাষাণ ভেদস্থানীয় নাম : পাথর কুচিভেজষ
বৈজ্ঞানিক নামঃ Bryophillum বা ব্রায়োফাইলাম
ভেজষ নামঃ Kalanchoe pinnata (Lamk.) Pers.

ফ্যামিলিঃ Crassulaceae

অন্য একটি পাথরকুচির পাতা অনেকটা গোল,

তার বোটানিক্যাল নামঃ Berginia ligulata Wall

ফ্যামিলিঃ Saxifragaceae ।

ইউনানি সম্প্রদায় এটিকে বলে আসল পাথরকুচি, আর কবিরাজরা পূর্বেরটিকে বলে আসল।

ব্যবহার্য অংশ : পাতা

পাথরকুচি পাতার ঔষধি গুনাগুনঃ

মেহ, সর্দি, মুত্র রোধে, রক্তপিত্তে, পেট ফাঁপায়, শিশুদের পেট ব্যথায়, মৃগীরোগে পাথরকুচির ঔষধী গুনাগুন রয়েছে।

১। মেহঃ সর্দি জনিত কারনে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। সেইকারনে ব্যথা হয়। যাকে মেহ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামুচ করে সকাল বিকাল একসপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।
২। সর্দিতেঃ যে সর্দি পুরান হয়ে গেছে সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপযোগী। এই কফ বিকারে পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। ৩ চা চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে ২ চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে ২ বার খেতে হবে। এর দ্বারা পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাসি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
৩। কাটা বা থেতলে গেলেঃ টাটকা পাতা পরিমান মত হালকা তাপে পাতা গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়।
৪। রক্তপিত্তেঃ পিত্ত জনিত ব্যথায় রক্ত ক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুইদিন খাওয়ালে সেরে যাবে।
৫। পেট ফাঁপায়ঃ প্রত্যক্ষতঃ দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রস্রাব আটকে যাছে, আধোবায়ু, সরছেনা, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মুত্র সরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে।
৬। শিশুদের পেট ব্যথায়ঃ শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার ঊপশম হয়।তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে।
৭। মৃগী রোগেঃ রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের ঊপশম হবে।
৮। শরীর জালাপোড়ায়ঃ দু চামচ পাথর কুচি পাতার রস আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা সবনে শরীরের জালাপোড়া দুর হয়।
৯। কিডনির পাথর অপসারণে পাথরকুচি পাতাঃ পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলব্লাডারের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুই বার ২ থেকে ৩ টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান।
১০। জন্ডিস নিরাময়েঃ লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

১১। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়।
১২। পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্‌ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
১৩। কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয় রোগ সারাতে পাথরকুচি পাতার জুড়ি নেই। ৩ মি.লি. পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন পর্যন্ত খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।
১৪। ত্বকের যত্নেঃ পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালা-পোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে অনেক সচেতন তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
১৫। বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

29/08/2017

**নোটিশ**

ঈদ উল আযহা উপলক্ষে
২৯/৮/১৭ থেকে ৪/৯/১৭ তারিখ
পর্যন্ত কলেজ বন্ধ থাকবে।
৫-৭ তারিখের ফরম ফ্লাপ করা জন্য নির্দেশ দিল।৮-১১ তারিখে ৩০০ টাকা জরিমানা সহ ফরম ফ্লাপ করা যাবে।

এতদ্বারা, #সাভার_হোমিওপ্যাথিক_মেডিকেল_কলেজ_ও_হাসপাতালের সকল ১ম, ৩য়  ও ৪র্থ বর্ষের ছাএ-ছাএীদের জানানো যাচ্ছে যে ২১- ২৫ শে...
19/08/2017

এতদ্বারা,

#সাভার_হোমিওপ্যাথিক_মেডিকেল_কলেজ_ও_হাসপাতালের

সকল ১ম, ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের

ছাএ-ছাএীদের জানানো যাচ্ছে

যে ২১- ২৫ শে আগস্ট ফরম ফ্লাপ চলবে।

উক্ত তারিখেরর মধ্যে সকল বকেয়া বেতন পরিশোধ করা জন্য অনুরোধ করা হল।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধে করনীয়-===========================নিউমোনিয়া (Pneumonia) ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগ যা...
18/08/2017

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধে করনীয়-
===========================
নিউমোনিয়া (Pneumonia) ফুসফুসের প্রদাহজনিত একটি রোগ যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া কিংবা ছত্রাকের সংক্রমনে হতে পারে। নিউমোনিয়া সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল অথবা যারা দীর্ঘদিন ধরে কোন রোগে ভুগছেন তাদের হতে পারে। আবার শিশু, তরুণ এবং স্বাস্থ্যবান লোকদেরও নিউমোনিয়া হতে পারে। বাংলাদেশে প্রতিবছর নিউমোনিয়ার কারণে ৫ বছরের কম বয়সী শতকরা ২২ জন শিশু মারা যায়। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিউমোনিয়া জনিত এ মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।

নির্দিষ্ট সময়ের আগে শিশুর জন্ম, ওজন কম হলে, অপুষ্টি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, টিকা সময়মত না নিলে অথবা অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে শিশু সহজেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

কারণের উপর ভিত্তি করে নিউমোনিয়াকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন- পারস্পরিক সংস্পর্শ থেকে হওয়া নিউমোনিয়া, হাসপাতাল থেকে হওয়া নিউমোনিয়া, এ্যাসপিরেশন নিউমোনিয়া, সুযোগ সন্ধানী জীবানু দিয়ে হওয়া নিউমোনিয়া এবং অন্যান্য জীবাণু দ্বারা ঘটিত নিউমোনিয়া।

কিভাবে ছড়ায়

নিউমোনিয়া অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। এ রোগের জীবাণু রোগাক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
কোন সুস্থ শিশু আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কোন জিনিসের মাধ্যমে শিশুর শরীরে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।
এ রোগের জীবাণু সুস্থ মানুষের নাক ও মুখে থাকতে পারে যা শ্বাস গ্রহনের মাধ্যমে ফুসফুসে ছড়িয়ে এ রোগ হতে পারে।
আবার কিছু ক্ষেত্রে জীবাণু রক্তের সাহায্যেও ফুসফুসে সংক্রমিত হতে পারে।

কাদের হতে পারে?

যদিও নিউমোনিয়া যে কারোরই হতে পারে, তারপরেও কিছু ক্ষেত্রে এ রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। যেমন- ছোট্ট শিশু অথবা বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রোগে সহজেই আক্রান্ত হতে পারেন। আবার দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে এমন কোন রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ফুসফুসের কোন রোগ, এইডস ইত্যাদি রোগ থাকলে অথবা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে সহজেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন। ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিলে, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ সেবন করলে অথবা যারা ধূমপান করেন কিংবা মাদকে আসক্ত তাদেরও হতে পারে।

নিউমোনিয়া রোগের উপসর্গ
শিশুর জ্বর, কাশি অথবা শ্বাসকষ্ট হলে এবং বয়স অনুযায়ী শ্বাস দ্রুত মনে হলে এটা নিউমোনিয়ার লক্ষণ। আবার অস্থিরতা, খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, বুকে বা পেটে ব্যথা, শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদিও হতে পারে। আর মারাত্মক নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে, শ্বাস নেয়ার সময় বুকের নিচের অংশ ভিতরে ঢুকে যেতে পারে, শ্বাসকষ্টের কারণে শিশুর খিঁচুনি হতে পারে। নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় শিশুর নাক ফুলে উঠবে। মুখ ও ঠোঁটের চারপাশ নীল হয়ে যেতে পারে এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বরও আসতে পারে। আবার শিশু অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা
লক্ষণ বা উপসর্গ দেখে নিউমোনিয়া হয়েছে সন্দেহ হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনে শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, বুকের এক্সরে, রক্তের সি বি সি পরীক্ষা, কফ বা শ্লেষ্মা পরীক্ষা ইত্যাদি করাতে হতে পারে।

নিউমোনিয়া প্রতিরোধে করনীয়
অসুস্থ্য হওয়ার পরে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে সতর্ক হওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুর নিউমোনিয়া প্রতিরোধে নিম্নলিখিত বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবেঃ

বাড়ির সকলকে অবশ্যই দিনে কয়েকবার সাবান দিয়ে ভালভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাদের যথাযথ যত্ন নিতে হবে যাতে অপরিণত বা স্বল্প ওজনের শিশুর জন্ম না হয়। কারন- অপরিণত বা স্বল্প ওজনের শিশুরা পরবর্তীতে খুব সহজেই নানান রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
কোন শিশু অপরিণত বয়সে জন্ম নিলে অথবা স্বল্প ওজনের শিশুদের ব্যপারে অতিরিক্ত সতর্কতা জরুরি।
শিশু যাতে অপুষ্টির শিকার না হয়, সেজন্য শিশুর জন্মের প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়াতে হবে এবং ৬ মাস পূর্ণ হলে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়াতে হবে।
২ বছর বয়স পর্যন্ত অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। কারণ- অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম থাকে।
শিশুকে সময়মত সরকারিভাবে প্রদত্ত সবগুলো টিকা দিতে হবে।
কারও ঠাণ্ডা বা কাশি হলে অথবা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগী থেকে দূরে রাখতে হবে।
শিশুর থাকার জায়গা এবং বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বাড়িতে আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
শিশুকে সিগারেট বা চুলার ধোঁয়া থেকে দূরে রাখতে হবে।আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিম্নলিখিত ব্যপারে সতর্ক হতে হবেঃ

ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।
পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
নিজের শরীরের যত্ন নিতে হবে এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম করতে হবে।
ধূমপান বা যেকোনো মাদক বর্জন করতে হবে।
অন্যের সামনে হাঁচি বা কাশি দেয়ার ক্ষেত্রে, অবশ্যই হাত বা রুমাল দিয়ে মুখ ঢাকতে হবে।
সবশেষে
নিউমোনিয়া হচ্ছে ফুসফুসের এক প্রকার ইনফেকশন। এটি অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। এ রোগের জীবাণু রোগাক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সহজেই বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। লক্ষণ বা উপসর্গ দেখে চিকিৎসকেরা শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিনা, তা কিছুটা অনুমান করতে পারেন। তারপরেও চিকিৎসা শুরুর পূর্বে নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে বলতে পারেন। নিউমোনিয়া অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় এর প্রতিরোধে সচেতন থাকতে হবে। শিশুসহ পরিবারের সকলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহন, দিনে কয়েকবার সাবান দিয়ে ভালভাবে হাত ধোয়া, ধূমপান বা যেকোনো মাদক বর্জন এবং নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তি থেকে দূরে থাকার মাধ্যমে সহজেই নিউমোনিয়ার সংক্রমন থেকে নিরাপদে থাকা যায়।

চিকিতসার জন্য ভালো কোন হোমিও ডাঃ এর কাছে যেতে হবে ।
( ইন্টারনেট)

আমাদের কলেজ এর পক্ষ থেকে
15/08/2017

আমাদের কলেজ এর পক্ষ থেকে

14/08/2017
07/08/2017

১ম বর্ষের টেস্ট পরীক্ষা রুটিন ২০১৭
সকাল বিকাল
১১-৮-১৭ হোমিওনীময়নীতি
সকালবেলা ৯.৩০ -১২.৩০
অর্গনন অব মেডিসিন
বিকালবেলা ৩.০০-৬.০০
১২-০৮-১২
মেটেরিয়া মেডিকা ১০.০০-১.০০
জীববিজ্ঞান ২.০০-৫.০০
পদার্থ ও রসায়ন ১০.০০-১.০০টা
১৪-০৮-১৭ ব্যবহারিক

20/07/2017

মাথাব্যথার
অস্বাভাবিক কিছু কারণ
এবং প্রতিকারের
উপায়
মাথাব্যথা খুবই সাধারণ একটি
সমস্যা। বেশিরভাগ মানুষই
মাথাব্যথা সারানোর জন্য যা
করে তা হল – ব্যথার ঔষধ খায়,
বেশি করে পানি খায়, বিশ্রাম
নেয় অথবা মাথা ব্যথা চলে
যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে।
মাথাব্যথা হলে স্বাভাবিক
ভাবে কোন কাজ করা যায়না।
প্রতিটা মানুষই জীবনের কোন
না কোন সময়ে মাথা ব্যথায়
ভোগেন। বেশিরভাগ
মাথাব্যথাই মারাত্মক কোন
অসুখের কারণে হয়না। মাথাব্যথা
যদি তীব্র হয়, খুব ঘন ঘন হয় এবং
অস্বাভাবিক মনে হয় তাহলে যে
কেউ চিন্তিত হয়ে ওঠেন। এসব
ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাধারণ যে
চিন্তাটা মাথায় আসে তা হল
ব্রেইন টিউমার। আপনার
মাথাব্যথার ধরনটি নিয়ে
ডাক্তারের সাথে কথা বললে
তিনি পরীক্ষা নিরীক্ষার
মাধ্যমে সেটির কারণ বের করতে
পারবেন। তাঁর পরামর্শে আপনি
সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন
কীভাবে ব্যথা কমানো যায় বা
সম্পূর্ণ রুপে ব্যথা কীভাবে দূর
করা যায়। এটা হতে পারে যখন
ব্যথা শুরু হবে তখন ঔষধ সেবন করে
বা নিয়মিত ঔষধ সেবন করে বা
আপনি যে ঔষধ খাচ্ছেন তা বন্ধ
করার মাধ্যমে। তাই মাথাব্যথার
অন্তর্নিহিত কারণ জানাটা
অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আসুন তাহলে
মাথাব্যথার কিছু কারণ সম্পর্কে
জেনে নিই।
১। কোষ্ঠকাঠিন্য বা বিরক্তিকর
পেটের সমস্যা
অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে
যে, মাথাব্যথার সাথে
কোষ্ঠকাঠিন্য বা বিরক্তিকর
পেটের সমস্যার সম্পর্ক আছে।
অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা
গেছে যে কোষ্ঠকাঠিন্য
নিরাময়ের সাথে সাথে
মাথাব্যথা ভালো হয়েছে। তাই
যদি আপনার এই ধরণের কোন
সমস্যা থাকে তাহলে আগে
এগুলো নিরাময়ের চেষ্টা করুন।
২। অতিরিক্ত ঔষধ সেবন
মাথাব্যথা রোগের খুবই সাধারণ
একটি কারণ হচ্ছে
মাত্রাতিরিক্ত ঔষধ সেবন।
গবেষকেরা হিসাব করে
দেখেছেন যে বিশ্বব্যাপী এর
প্রাদুর্ভাব ১-২%। পরিহাসের
বিষয় হল, চিকিৎসকেরা
দেখেছেন যে মাথাব্যথা ও
অ্যালার্জির ঔষধের অনুপযুক্ত
ব্যবহার মাথাব্যথা বৃদ্ধি করে
থাকে। যখন নিয়মিত মাথাব্যথার
ঔষধ খাওয়া হয় তখন মাথায় অনেক
বেশি ব্যথার সেন্সর তৈরি হয়।
মাথায় এই সেন্সর গুলো অনেক
বেশি পরিমাণে থাকে এবং
মাথা অনেক বেশি স্পর্শকাতর।
তাই মাথাব্যথাও যায় না। তাই
যদি আপনার মাথাব্যথা বা
মাইগ্রেশন থাকে এবং ঔষধ
সেবনের পরেও যদি উপসর্গ গুলো
না যায় তাহলে আপনার
চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।
৩। আবহাওয়ার পরিবর্তন
গবেষণায় পাওয়া গেছে যে,
জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে যেমন-
ঠান্ডা অথবা গরমের কারণে
২০%-৩০% মানুষের মধ্যে
মাইগ্রেনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর
কারণ হচ্ছে, হঠাৎ করে
আবহাওয়ায় পরিবর্তন হলে
মস্তিষ্ক সেরেটোনিন নামের
স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে যার
ফলে মাথাব্যথা হতে পারে।
৪। পানিশূন্যতা
যদি আপনার নিয়মিত মাথাব্যথা
হয় এবং এর সাথে বমিবমি ভাব ও
শরীরে ব্যথা থাকে তাহলে
বুঝতে হবে যে আপনি
পানিশূন্যতায় ভুগছেন। এই অনবরত
মাথাব্যথা থেকে রক্ষা
পাওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে
পানি পান করুন।
৫। কম্পিউটারের স্ক্রিন
আপনি যদি সারাদিন
কম্পিউটারে কাজ করেন তাহলে
তা আপনার চোখের উপর প্রচুর
পরিমাণে চাপ পরে।
কম্পিউটারের উজ্জ্বল আলো
চোখের রেটিনাকে এবং
চোখের পেছনের স্নায়ুকে
সক্রিয় করে। যার ফলে
মাথাব্যথা হতে পারে। তাই
প্রতি এক ঘন্টা পর পর দশ মিনিট
করে বিরতি নিন এবং কলিগের
সাথে কথা বলুন বা হেঁটে আসুন
অথবা পেপার পড়ুন। তারপরও যদি
মাথব্যথা থাকে তাহলে
কম্পিউটার স্ক্রিনের উপর
অ্যান্টি গ্লেয়ার শিল্ড
লাগিয়ে নিন এবং কাজ করার
সময় সোজা হয়ে বসুন।
৬। অনেক বেশি ক্যাফেইন গ্রহণ
চিকিৎসকদের মতে ঘন ঘন
মাথাব্যথা হওয়ার আরেকটি
সাধারণ কারণ হচ্ছে
ক্যাফেইনের উপর নির্ভরশীলতা।
আসলে ১০০ গ্রাম ক্যাফেইন মাথা
ব্যথার কারণ হতে পারে। যদি
মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে
চান তাহলে ক্যাফেইন গ্রহণের
পরিমাণ কমিয়ে দিন।
তাছাড়া অনেক শক্ত করে চুল
বাঁধলেও মাথাব্যথা হতে
পারে, পেট্রল, তামাক ও সুগন্ধির
কারণেও অনেকের মাথাব্যথা
হতে পারে, সম্পর্কের স্ট্রেসের
কারণেও মাথাব্যথা হতে
পারে।
#হৃদয়

07/03/2017

বিয়ের পর মুটিয়ে
যাওয়া রোধ করার
৯টি উপায়
বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী দুই জনেরই
হুট করে ওজনটা বেড়ে যায়। কিন্তু
কেন জানি স্বামীর ক্ষেত্রে অতটা
বেশি নজরে না পড়লেও, কিন্তু
স্ত্রীর ক্ষেত্রে বেড়ে যাওয়া
ওজনটা বেশ ভাল মতোই নজরে
পড়ে। কিন্তু হঠাৎই কেন ওজন এত
বেড়ে যায় তা কি ভেবে
দেখেছেন?
বিয়ের পর একটি মেয়ে যে শুধু
নিজের বাড়িটা পেছনে ফেলে
আসে তা নয়। সেই সঙ্গে ফেলে
আসে এত দিনের পুরানো
খাদ্যাভ্যাস,খাবার সময়,পরিমান।
একটি নতুন পরিবেশে নিজেকে
মানিয়ে নেয়া, নতুন পরিবারের
সবাইকে খুশি করা, নতুন খাবারে
নিজেকে মানিয়ে নেয়া, সব
মিলিয়ে মানসিক চাপ ও অনিয়মের
মিলেমিশে কখন যে অজান্তে ওজন
বেড়ে যায় তা কেউই টের পায় না।
হঠাৎ করে সুন্দরী কণে থেকে হয়ে
যান অধিক ওজনের একজন নারী।
আসুন জেনে নেয়া বিয়ের পর ওজন
নিয়ন্ত্রণে রেখে কিভাবে শেপে
থাকা যায়। বিয়ের পরের কিছু
ডায়েট টিপস। তবে কেবল
মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ
উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ
করতে পারবেন ওজন–
১।- নিজের খাবারের সময়ের খুব
বেশি হেরফের করবেন না । দুই
বেলার খাবারের ভেতর যেন খুব
বেশি গ্যাপ না হয় সেদিকে নজর
রাখুন। বেশি অনিয়মে ওজন বাড়বেই
বাড়বে।
২। – হানিমুনে গেলে খুব বেশি
জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর
খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন
– পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে
গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে
পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর
পরিমানে সালাদ । আর মিষ্টি
জাতীয় খাবার যেমন কেক,
পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ
আর ফলের রস খেতে পারেন।
ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও
এড়িয়ে চলা উচিত।
৩। – ডাক্তারের সাথে পরামর্শ
করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ
খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন
দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয়
এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি,
বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে
না।

৪। –বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই
কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায়
নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই
স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন
অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে
কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই
যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও
তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে
সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন।
কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান
করুন। গরু বা খাসীর মাংসের বদলে
মাছ ভাজা থাকলে তা খেতে
পারেন। দুপুরে বা রাতে দাওয়াত
থাকলে ১১টার সময়কার কিংবা
বিকালের নাস্তাতা এড়িয়ে যান।
৫। –শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব
হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা
দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড
ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর
রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস
দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন
দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড়
উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা
মেনে চলুন।
৬। – নতুন পরিবারে গেলেও
নিজের ব্যায়ামের রুটিনটা মেনে
চলুন। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন
দিনে অন্তত আধা ঘণ্টা শরীর
চর্চায় ব্যয় করুন। নিদেন পক্ষে
নিজের কামরায় দরজা আটকে কিছু
ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করে নিন।
৭। –বিয়ের পর সকলেরই একটা
প্রবণতা বাড়ে। সেটা হলো
সকালে একটু বেশি ঘুমানো বা
দুপুরে ভাত খাওয়ার পর ঘুম। ওজন
বৃদ্ধি করার জন্য এর চাইতে খারাপ
অভ্যাস আর হতে পারে না। বিশেষ
করে ভাত ঘুমটা তো অবশ্যই
পরিহার করুন।
৮। –বিয়ের পর দুজনে নানান
স্থানে বেড়াতে যাবেন, সেটাই
স্বাভাবিক। তবে চেষ্টা করুন যেন
সপ্তাহে একদিনের বেশি খুব
হুলস্থুল খাওয়া দাওয়ার স্থানে
যাওয়া না হয়।
৯। –নারীরা জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য
পিলের ওপর ভরসা না করে বেছে
নিন অন্য কোন পদ্ধতি। পিল
আপনার শরীরে যেসব সাইড এফেক্ট
দেখায় তার মানে একটি হলো
অকারণে ওজন বৃদ্ধি।

Address

B-7/3, Jahangirnagar Co-Oparative Housing Sosait, Vathpara
Savar
SAVAR,DHAKA

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Savar Homeopathic Medical College & Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram